Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস – শ্রী কৈলাসচন্দ্ৰ সিংহ প্রণীত

    তপন বাগচী এক পাতা গল্প451 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজমালা ২.১৫

    পঞ্চদশ অধ্যায়

    কাশীচন্দ্র মাণিক্যের মৃত্যুর পর যুবরাজ কৃষ্ণকিশোর ১২৩৯ ত্রিপুরাব্দর ২৯ পৌষ রাজ্যভার গ্রহণ করেন। গবর্ণমেন্ট হইতে খেলাত প্রাপ্ত হইয়া ১২৪০ ত্রিপুরাব্দের (১৬১) বৈশাখ মাসে (১৮৩০ খ্রিঃ ১০ মে) তিনি সিংহাসন আরোহণ করেন। ত্রিপুরায় তদানীন্তন জজ মেজেস্ট্রেট টমসন সাহেব[১] গবর্ণমেন্টের অনুমত্যনুসারে আগরতলায় উপনীত হইয়া মহারাজ কৃষ্ণকিশোর মাণিক্যকে লর্ড উইলিয়ম বেন্টিক প্রদত্ত সনন্দ[২] ও খেলাত প্রদান করেন। মহারাজ তৎকালে ৬৩০ আনা মূল্যের স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা গবর্ণমেন্টতে “নজর” প্রদান করিয়াছিলেন।[৩] মহারাজ কৃষ্ণকিশোর মাণিক্য বাহাদুর তৎকালে আড়াই বৎসর বয়স্ক স্বীয় জ্যেষ্ঠপুত্র কুমার ঈশানচন্দ্রকে যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত করেন।

    কৃষ্ণকিশোর মাণিক্য আসামের রাজকন্যা রত্নমালা এবং মণিপুরের রাজা মারজিতের কন্যা চন্দ্রকলা, অখিলেশ্বরী ও (১৬২) বিধুকলাকে ক্রমে ক্রমে বিবাহ করেন। তদ্ভিন্ন মহারাজ কৃষ্ণকিশোরের ত্রিপুরা ও মণিপুরী জাতীয় অনেকগুলি পত্নী ও উপপত্নী ছিল। পরম ভাগ্যবতী রাণী সুদক্ষিণার গর্ভে যুবরাজ ঈশানচন্দ্র, এবং কুমার উপেন্দ্রচন্দ্র ও বীরচন্দ্র জন্ম গ্রহণ করেন। অখিলেশ্বরীর গর্ভে কুমার নীলকৃষ্ণ জন্ম গ্রহণ করেন। তদ্ব্যতীত চক্রধবজ, মাধবচন্দ্র, যাদবচন্দ্র, সুরেশ কৃষ্ণ ও শিবচন্দ্র নামে তাহার আরও ৫টি পুত্র এবং ১৫টি কন্যা ভূমিষ্ঠ হইয়াছিল।

    অল্পকাল মধ্যেই বৃদ্ধ উজির দুর্গামণির সহিত মহারাজ কৃষ্ণকিশোর মাণিক্য কলহ করিতে উদ্যত হইলেন। অপব্যয়ী নরপতি সর্বদাই বৃদ্ধ উজিরকে টাকার জন্য উৎপীড়ন করিতেন। পুত্রশোকগ্রস্ত বৃদ্ধ উজির বিবেচনা করিলেন যে, পুরুষানুক্রমের সঞ্চিত সমস্ত অর্থদান করিয়াও এই অপব্যয়ী নরপতিকে সন্তুষ্ট করিতে পারিব না। এইরূপ বিবেচনা করিয়া তিনি তাঁহার সমস্ত ধন সম্পত্তি গোপনে স্বীয় তহসীল কাছারী শিঙ্গারবিল নামক স্থানে প্রেরণ করেন। অবশেষে ১২৪৩ ত্রিপুরাব্দে একদা রজনী যোগে পলায়ন পূর্বক আগরতলা পরিত্যাগ করিয়া সেই শিঙ্গারবিলে আশ্রয় গ্রহণ করেন।

    ১৮৩৬ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রামের কমিসনর সাহেব পার্বত্য ত্রিপুরা ব্রিটিস রাজ্যের একাংশ বলিয়া তাহা খাসদখল করিবার (১৬৩) জন্য গবর্ণমেন্টে রিপোর্ট করেন। মহারাজ ও তাঁহার কলিকাতাস্থ এজেন্ট বিগনেল সাহেব তাহার প্রতিবাদ করিয়াছিলেন। লর্ড অকলেণ্ড বাহাদুর কমিসনারের রিপোর্ট ও তাহার উত্তর এবং তৎসঙ্গীয় অন্যান্য কাগজ পর্যালোচনা করিয়া পার্বত্য ত্রিপুরা, স্বাধীন রাজ্য অবধারণ পূর্বক কমিসনর সাহেবের প্রার্থনা অগ্রাহ্য করেন।[৪]

    মহারাজ কৃষ্ণকিশোর পারস্য ভাষায় ব্যুৎপন্ন ছিলেন; শস্ত্র বিদ্যা ও মল্ল যুদ্ধে সুনিপুণ ছিলেন, তন্ত্র শাস্ত্রে তাঁহার বিশেষ ভক্তি ছিল।

    মহারাজ কৃষ্ণকিশোর ঘোর ইন্দ্রিয়পরায়ণ ও বিলাসী নরপতি ছিলেন। তিনি তাঁহার পাচিকা (মণিপুরী ব্রাহ্মণ কন্যা) পূর্ণকলার প্রেমে মুগ্ধ হইয়া বৃদ্ধ বয়সে তাঁহাকে বিবাহ করিয়াছিলেন।

    মহারাজ কৃষ্ণকিশোরের জীবনী ব্যাঘ্র শিকার, ব্যাঘ্রের বিবাহ, কোঁড়া শিকার প্রভৃতি ঘটনাবলীতে পরিপূর্ণ। ইতিহাস লেখকের উল্লেখ যোগ্য বিশেষ কোন ঘটনা তাহার জীবনে দেখা যায় না। কুকিদিগের অত্যাচার ও জমিদারি (১৬৪) সংক্রান্ত ঘটনাবলী যথাস্থানে বর্ণিত হইবে। শিকারের সুবিধার জন্য বহু অর্থব্যয় করিয়া তিনি আগারতলার নিকটবর্ত্তী এক জলাভুতিতে “নতুন হাবেলী” নামক নগর নির্মাণ পূর্বক সেই স্থানে রাজপাঠ স্থাপন করেন। কৃষ্ণকিশোর তাঁহার দ্বিতীয় পুত্র উপেচন্দ্রকে বড়ঠাকুরী পদে নিযুক্ত করিয়াছিলেন।

    অন্তঃপুর পত্নী উপপত্নীতে পূর্ণ করিয়া, চাকলে রোশনাবাদ ঋণজালে বদ্ধ করিয়া ১২৫৯ ত্রিপুরাব্দের ২রা বৈশাখ রজনী যোগে, বজ্রাঘাতে কৃষ্ণকিশোর মাণিক্য প্ৰাণত্যাগ করেন।

    পিতার মৃত্যুর পর যুবরাজ ঈশানচন্দ্র রাজ্যভার গ্রহণ করেন। গবর্ণমেন্ট হইতে খেলাত প্রাপ্ত হইয়া ১২৫৯ ত্রিপুরাব্দের ২০মাঘে (১৮৫০ খ্রিস্টাব্দের ১লা ফেব্রুয়ারি) মহারাজ ঈশানচন্দ্র মাণিক্য সিংহাসন আরোহন করেন। মহারাজ ঈশানচন্দ্রের অভিষেক কালে গর্ভমেন্ট ১২৫ টি স্বর্ণ মুদ্রা”নজর” প্রদান করিবার জন্য আদেশ করেন। অনেক তর্ক বিতর্কের পর ১১১টি স্বর্ণমুদ্রা নজর গৃহীত হয়। প্রথমত ত্রিপুরেশ্বরগণ গবর্ণমেন্টের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করিবার মানসে নজর স্বরূপ কয়টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা প্রদান করিতেন। মহারাজ কৃষ্ণকিশোরের অভিষেক কালেও ৩৬০ টাকা মূল্যের কয়েকটি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা প্রদত্ত হইয়াছিল। তাহার ১৯ বৎসর অন্তে সেই ৬৩০ টাকা ১১১ থান মোহরে পরিণত (১৬৫) হয়। ইহার ২০ বৎসর অন্তে কিরূপ হইয়াছে তাহা পশ্চাৎ প্রদর্শিত হইবে। অভিষেককালে মহারাজ ঈশানচন্দ্র তাঁহার কনিষ্ঠ ভ্রাতা উপেন্দ্রচন্দ্রকে যৌবরাজ্যে নিয়োগ করিয়াছিলেন।

    রাজাসনে উপবেশন করিয়া মহারাজ ঈশানচন্দ্রকে ১১ লক্ষ টাকার ঋণভার মস্তকে বহন করিতে হইল। তিনি তাঁহার পিতামহী মহারাণী চন্দ্রতারা দেবীর জনৈক দাসীর গর্ভজাত বলরাম “হাজারিকে” দেওয়ানী পদে নিযুক্ত করিয়া তাহার হস্তে রাজ্য ও জমিদারির শাসনভার অর্পণ করেন। তাঁহার যত্নে মহারাজ ঋণদায় হইতে মুক্তি লাভ করিতে পারিবেন এইরূপ বিবেচনা করিয়াছিলেন। কিন্তু বলরাম ও তাহার ভ্রাতা শ্রীদামের দুর্ব্যবহারে ত্রিপুরাবাসীগণ অল্পকাল মধ্যে বিরক্ত হইয়া উঠিল। সর্বসাধারণের পরামর্শানুসারে পরীক্ষিৎ ও কীৰ্ত্তি নামক দুইজন দুৰ্দ্দান্ত পর্বতবাসি ত্রিপুরা সরদার কতকগুলি ত্রিপুরা ও কুকি সংগ্রহ করিযা ১২৫৯ ত্রিপুরাব্দের ১২ই চৈত্র গভীর রজনীতে বলরামের বাটী আক্রমণ করে। বলরাম পলায়ন পূর্বক প্রাণরক্ষা করেন; শ্রীদাম কীর্তির হস্তে নিহত হন। মহারাজ ঈশানচন্দ্র বলরামের শত্রুগণকে কারাগারে নিক্ষেপ করিয়াছিলেন। যুবরাজ উপেন্দ্রচন্দ্র কীর্তির প্রাণবধ করিলেন। কোন অকথ্য কারণে বলরামের প্রতি যুবরাজ উপেন্দ্রচন্দ্রের কিঞ্চিৎ (১৬৬) অতিরিক্ত অনুগ্রহ ছিল। সেই অনুগ্রহের বলে বলরাম কোন অন্যায় কার্য্যে প্রবৃত্ত হইলে মহারাজ ঈশানচন্দ্র তাঁহার বাধা জন্মাইতেন। দুষ্ট বলরাম এইজন্য মহারাজ ঈশানচন্দ্রের প্রতি জাতক্রোধ হইয়া, তিনি প্রিয় সুহৃদ রামমাণিক্য বর্মণ, কাপ্তান সর্দ্দার খাঁ ও ছোবান খাঁ প্রভৃতি কয়েকজন সৈনিকের সহিত দলবদ্ধ হইয়া, গোপনে মহারাজ ঈশানচন্দ্রকে হত্যা করিয়া, যুবরাজ উপেন্দ্রচন্দ্রকে সিংহাসনে স্থাপন করিতে পরামর্শ করেন। মহারাজ জনৈক বিশ্বস্ত অনুচর মুখে এই সংবাদ অবগত হইয়া, কাৰ্য্য কালে চক্রান্তকারীদিগকে ধৃত করণার্থে স্থির প্রতিজ্ঞ হইলেন। যথা সময় কাপ্তান সরদার খাঁ মহারাজকে হত্যা করিবার জন্য অগ্রসর হইলে মহারাজ তাহাকে ধৃত করিয়া রাজ্য হইতে নির্বাসিত করিলেন। তদনন্তর বলরাম ও রামমাণিক্যকে এই ষড়যন্ত্রদলের নেতা জানিয়া তাহাদিগকেও নির্বাসিত করেন। তৎকালে ব্রজমোহন ঠাকুরের হস্তে রাজ্য ও জমিদারির শাসনভার সমর্পিত হইল।

    কিছুকাল ত্রিপুরাবাসীকে জ্বালাতন করিয়া প্রজাপীড়ক ও অপরিমিত মদ্যপায়ী যুবরাজ উপেন্দ্রচন্দ্র ১২৬১ ত্রিপুরাব্দের বৈশাখ মাসে পরলোক গমন করেন।

    মহারাজ ঈশানচন্দ্রের প্রথম পত্নী রাজলক্ষ্মী দেবীর গর্ভে কোন সন্তান জন্মে নাই। দ্বিতীয় পত্নী মুক্তাবলী দেবীর গর্ভে (১৬৭) ১২৬১ ত্রিপুরাব্দের পৌষমাসে জ্যেষ্ঠ কুমার ব্রজেন্দ্রচন্দ্র জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁহার চতুর্থ পত্নী জাতীশ্বরী দেবীর গর্ভে ১২৬৩ ত্রিপুরাব্দের ১৩ মাঘ দ্বিতীয় কুমার নবদ্বীপচন্দ্র ভূমিষ্ঠ হন। তদনন্তর তৃতীয় পত্নী চন্দ্রেশ্বরী দেবীর গর্ভে এক কন্যা ও জাতীশ্বরী দেবীর গর্ভে তৃতীয় কুমার রোহিনীচন্দ্র জন্ম গ্রহণ করেন।

    ব্রজমোহন ঠাকুর ঋণ পরিশোধ করিতে না পারিয়া পদ পদে অপমানিত হইতে লাগিলে। এক এক সময় চাকলে রোশনাবাদ গবর্ণমেন্টের রাজস্বের জন্য বিক্রীত হইবার উপক্রম হইতে লাগিল। এই সময় কলিকাতা নিবাসী খ্যাতনামা বাবু (পশ্চাৎ রাজা) দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায় আগরতলায় উপস্থিত হইয়া অল্পকাল মধ্যে মহারাজকে অঋণী করিবেন প্রকাশ করিয়া প্রধানমন্ত্রীর পদ প্রার্থনা করিলেন। মহারাজ তাঁহাকে মন্ত্রীত্ব প্রদান করিতে উদ্যত হইলে অন্যান্য অমাত্যবর্গের পরমার্শে মহারাজের গুরু বিপিনবিহ- ারী গোস্বামী রাজসমক্ষে উপস্থিত হইয়া তাঁহাকে নিযুক্ত করিতে নিষেধ করিলেন। গুরুর প্রতি মহারাজের অচলা ভক্তি ছিল। তিনি কদচ গুরুর আজ্ঞা অবহেলন করিতেন না। এই জন্য দক্ষিণারঞ্জনের নিয়োগপত্র খণ্ড খণ্ড করিয়া করযোড়ে বলিলেন “প্রভো! আমি চাকলে রোশনাবাদ রক্ষার উপায় দেখিতেছি না। (১৬৮) নিরুপায় হইয়া আমার রাজ্য ও জমিদারির ভার আপনার চরণে সমর্পণ করিলাম, আপনি রক্ষা করুন।” ১২৬৫ ত্রিপুরাব্দের ১৬ আষাঢ় বিপিনবিহারী ত্রিপুরার শাসনভার গ্রহণ করেন। শুভক্ষণে তিনি সেই কার্য্যে প্রবৃত্ত হইয়াছিলেন।

    গুরু বিপিনবিহারী বিশেষ লেখাপড়া জানিতেন না, তথাচ তিনি বুদ্ধিবলে ও সুকৌশলে সুন্দররূপে রাজ্যশাসন করিতে লাগিলেন। বিপিনবিহারী জানিতেন, মহারাজ ঈশানচন্দ্র প্রাণান্তেও তাঁহার বাক্য অবহেলা করিবেন না, তথাপি তিনি নৃপতি কিম্বা তাঁহার অধীনস্থ অমাত্য ব্রজমোহন ঠাকুর, গোলকচন্দ্র সিংহ ও গুরুদাস বর্দ্ধনের মত গ্রহণ না করিয়া কোন কার্য্য করিতেন না। বিপিনবিহারীর সুশাসনে রাজ্য ও জমিদারির আয় বৃদ্ধির সূত্রপাত হইল। তিনি আয় বৃদ্ধি ও ব্যয় সঙ্কোচ করিয়া ঋণ পরিশোধ ও ধন সঞ্চয়ের পথ পরিষ্কার করিলেন। বিপিনবিহারীর সমস্ত সৎগুণের মধ্যে কয়েকটি বিশেষ দোষ ছিল; ১— তিনি সামরিক বিভাগের জন্য ব্যয় অনাবশ্যক বিবেচনা করিতেন; ২– আশু লভ্যজনক না হইলে তিনি কোন কার্য্যেই হস্তক্ষেপ করিতেন না; ৩— তিনি জমি জমা সংক্রান্ত কাৰ্য্য ভালরূপ জানিতেন না, এই জন্য অর্থব্যয় করিয়া যে, সম্পত্তি রক্ষা করিতে হয়, ইহা তিনি বুঝিয়াও বুঝিবেন না; এজন্য (১৬৯) তাঁহার শাসনকালে রাজ্য ও জমিদারির সীমান্ত স্থানে স্থায়ী ক্ষতি হইয়াছে।

    কোন কোন ত্রিপুর নৃপতির রাণী ও শালা সম্বন্ধি প্রভৃতি ব্যক্তিগণ রাজ কোষের দুর্নিবাৰ্য্য শত্রু হইয়া থাকেন। রাজকর্মচারিগণ প্রায়ই ইহাদিগের দমন করিতে অক্ষম হন। কিন্তু বিপিনবিহারীর শাসনকালে এই সকল ব্যক্তির কোনরূপ মুখব্যাদানের অধিকার ছিল না।

    ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের “সিপাহি বিদ্রোহ” সময়ে চট্টগ্রামের বিদ্রোহী সৈন্যগণ সাহায্য লাভের আশায় ত্রিপুরাপতির নিকট আসিতেছে এই সংবাদ শ্রবণ করিয়া ঈশানচন্দ্ৰ তাহাদিগকে ত্রিপুরা হইতে বাহির করিয়া দিতে আদেশ করেন। তাহারা সেই আদেশ শ্রবণে ত্রিপুরা রাজ্য পরিত্যাগ পূর্বক ব্রিটিস রাজ্য দিয়া কাছাড়াভিমুখে প্রস্থান করেন। কয়েকজন বিদ্রোহী সেই আদেশ অবহেলা পূর্বক আগরতলার নিকটবর্ত্তী স্থানে আশ্রয় গ্রহণ করেন। মহারাজ এই সংবাদ অবগত হইয়া তাহাদগিকে ধৃত করিয়া কুমিল্লাস্থ ইংরেজ কর্তৃপক্ষের হস্তে সমর্পণ করেন। তথায় তাহাদের ফাঁসী হইয়াছিল। মহারাজ ঈশানচন্দ্র মাণিক্য বাহাদুরের ১২৬৭ ত্রিপুরাব্দের ২৫শে অগ্রহায়ণে ৩২০ নং চিঠি পাঠে জ্ঞাত হওয়া যায় যে, ত্রিপুরারাজ্যের উত্তর বিভাগে, বিদ্রোহী সৈন্যগণের অনুসন্ধান ও গতিরোধ (১৭০) জন্য ত্রিপুর সৈন্য প্রেরিত হইয়াছিল। তাহাদের কার্য্যকলাপ পর্যবেক্ষণ ও ইংরেজ কর্তৃপক্ষগণকে উপযুক্ত সময়ে সমস্ত অবস্থা জ্ঞাপন করিবার জন্য মহারাজের পক্ষে গোলকচন্দ্র সিংহ মহাশয় “পলিটিকেল অফিসার” স্বরূপ প্রেরিত হইয়াছিলেন।[৫]

    মহারাজ ঈশানচন্দ্র স্বীয় পুত্র ব্রজেন্দ্র ও নবদ্বীপচন্দ্রকে যুবরাজ ও বড়ঠাকুরের পদে নিযুক্ত করিতে মনস্থ করেন। কুমার নীলকৃষ্ণ ও বীরচন্দ্র ইংরেজ কর্তৃপক্ষের অনুকম্পায় সেই সেই পদ লাভের অভিলাষী হইলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষগণ এ বিষয়ে মহারাজের ক্ষমতা সম্পূর্ণ স্বাধীন বলিয়া তাঁহাদের আবেদন অগ্রাহ্য করেন। কুকিদিগের অত্যাচার নিবারণ ও অন্যান্য কয়েকটি গুরুতর কার্য্যের পরামর্শ জন্য গবর্ণমেন্টের অনুমত্যানুসারে চট্টগ্রামের কমিশনর বকলেণ্ড সাহেব লেপ্টেনান্ট গ্রেহাম সাহেবকে আগরতলায় প্রেরণ করেন। তিনি মহারাজার সহিত সাক্ষাৎ করিয়া ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ১০ আগষ্ট কমিসন সাহেব নিকট যে সুদীর্ঘ রিপোর্ট করেন (১৭১) তাঁহার স্থূলমর্ম্ম এইরূপ :- “কুকিদিগের অত্যাচার নিবারণ জন্য স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের প্রান্তভগে গবর্ণমেন্ট যেরূপ সৈন্য স্থাপন করিতে ইচ্ছা করেন, মহারাজ তাহাতে সম্মত নহেন। তিনি তাঁহার নিজ সৈন্য উপযুক্ত স্থানে সন্নিবিষ্ট করিতে প্রস্তুত আছেন। নিবিড় অরণ্যে গবর্ণমেন্টের সৈন্যগণ কুকিদিগের সহিত যুদ্ধে কৃতকার্য হইবে না, আগামী শীত ঋতুতে মহারাজ তাঁহার অধীনস্থ বৃহৎ একদল কুকি সেনা দুরন্ত কুকিদিগের বিরুদ্ধে পাঠাইতে প্রস্তুত আছেন, আমার বিশ্বাস মহারাজ সরলভাবে এই প্রস্তাব করিয়াছেন। এবং এই প্রস্তাব কার্য্যে পরিণত করিবার ক্ষমতা তাঁহার আছে।

    “যুবরাজ এবং বড়ঠাকুর নিযুক্তি সম্বন্ধে আমরা আরও ৩/৪ বৎসর তাঁহাকে উৎপীড়ন না করি, ইহা মহারাজ প্রকাশ করিলেন; তাঁহার কথার ভাবে বোধ হইল যে, তিনি ঐ কালের পর বর্তমান দাবিদার ঠাকুর নীলকৃষ্ণ ও বীরচন্দ্রকে পরিত্যাগ করিয়া তাঁহার স্বীয় পুত্রদ্বয়কে ঐ দুইটি পদে নিযুক্ত করিবেন। উক্ত ঠাকুরদ্বয়কে তিনি ঐ দুই পদের অনুপযুক্ত বিবেচনা করেন। ঠাকুরদ্বয় ঐ দুই পদে নিযুক্ত হইলে গুরু নিশ্চয়ই রাজ্য হইতে তাড়িত হইবেন। স্বীয়পুত্রদ্বয়কে ঐ দুই পদে নিযুক্ত করিয়া গুরুর ক্ষমতা অবিচলিত ভাবে লক্ষা করাই মহারাজরে অভিপ্রায় বলিয়া আমি বিবেচনা করি।” (১৭২)

    “গবর্ণমেন্টের পক্ষ হইতে পর্বত ত্রিপুরা (টপোগ্রাফিকেল্ সার্ভে) জরিপ করিবার কারণ মহারাজের সম্মতি প্রদান জন্য অনুরোধ করিয়াছিলাম, উক্ত জরিপি কাৰ্য্য, যে প্রণালীতে সম্পাদিত হইবে এবং ইহাদ্বারা যে মহারাজের কোন ক্ষতির কারণ নাই তাহাও বলা হইয়াছিল, এই প্রস্তাবে মহারাজ সম্মতি প্রদান করিয়াছিলেন। কিন্তু বোধহয় এক্ষণ মহারাজের সেই মত নাই, এজন্য আমি তাঁহার প্রতি কোনরূপ দোষারূপ করিতে পারি না। নির্বোধ, অজ্ঞ, অবিনীত গুরু গবর্ণমেণ্টের প্রস্তাবিত সরল ও নির্দোষ কাৰ্য্যকেও তাঁহার ক্ষমতার প্রতিকূল বলিয়া বিবেচনা করে।”

    তদনন্তর কমিসনর বকলেও সাহেব কুমিল্লায় মহারাজের সহিত সাক্ষাৎ করিয়া তাঁহার সম্মতিক্রমে গবর্ণমেন্টে রিপোর্ট করিলেন। গবর্ণমেন্ট বলাণ্ড সাহেবের মত অনুমোদন করেন। কমিসনর বক্‌লেণ্ড সাহেব গবর্ণমেন্টের মতানুসারে ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ১২ নবেম্বর একখণ্ড রোবকারী ত্রিপুরাপতির নিকট প্রেরণ করেন। এই রোবকারিখানাকে গবর্ণমেন্টের সহিত ত্রিপুরাপতির সন্ধিপত্র বলা যাইতে পারে। ত্রিপুরার স্বাধীনতার প্রতি গবর্ণমেন্ট হস্তক্ষেপ করিবেন না; মহারাজ স্বেচ্ছানুসারে যুবরাজ নিযুক্ত করিবেন ইত্যাদি বিষয় ঐ রোবকারীতে লিখিত আছে। এই রোবকারীর একখণ্ড ইংরেজি অনুবাদ পশ্চাৎ সন্নিবিষ্ট হইবে। (১৭৩)

    এই সময় জিলা ত্রিপুরার জমিদারগণ ১০০ বিঘার ন্যূনপরিমাণ “অসিদ্ধ” নিষ্কর বাজেয়াপ্ত করিবার জন্য উন্মত্ত হইয়া উঠেন। সরাইলের জমিদারের বিজয়বার্তা শ্রবণে গুরু বিপিন বিহারী গোস্বামী চাকলে রোসনাবাদের অন্তর্গত “সিদ্ধ” “অসিদ্ধ” নিষ্কর বাজেয়াপ্তের জন্য বদ্ধপরিকর হইলেন। তিনি অবস্থানুসারে উন্মত্তবৎ বল প্রয়োগ ও আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করিতে লাগিলেন। পরম ধার্মিক ঈশানচন্দ্র মাণিক্য গুরুর পদ যুগল ধারণ করিয়া বলিলেন “প্রভো! এই কার্য্য হইতে বিরত হউন। আমার পূর্ব পুরুষগণ অনেক নিষ্কর দান করিয়া গিয়াছেন। সেই সকল নিষ্কর মধ্যে যদি কাহারও সনন্দ কালক্রমে নিবষ্ট হইয়া থাকে; তবে তাহা হরণ করিলে আমাকে ঘোর নরকে পতিত হইতে হইবে।” স্বার্থান্ধ গুরু বলিলেন, “বাবা! তোমার সমস্ত পাপ আমি গ্ৰহণ করিলাম। লাখেরাজ বাজেয়াপ্ত করিয়া আমি তোমার আয় প্রায় লক্ষ টাকা বৃদ্ধি করিব।” গুরুর এই বাক্য মহারাজের কিছুমাত্র প্রীতিকর বোধ হইল না। প্রথমেই বলক্রমে একজন রাজপুরোহিতের ব্রহ্মোত্তর বাজেয়াপ্ত করিয়া তাহার কর ধার্য্য করিলেন। তাহার বন্দোবস্তী পাট্টাতে মহারাজের মোহর অঙ্কিত করিবার জন্য গুরু সেই পাট্টা লইয়া রাজ সমক্ষে উপস্থিত হইলে, মহারাজ পুনর্বার গুরুকে বলিলেন “প্রভো! এই কার্য্য হইতে বিরত হউন।”

    গুরু বলিলেন “বাবা! তাহা হইবে না।” এই কথা বলিয়া গুরু মহারাজের বাক্স খুলিয়া মোহর গ্রহণ করত তাহাতে কালী মাখাইয়া মহারাজের হস্তে প্রদান পূর্বক বলিলেন “আমার আজ্ঞা পালন জন্য তোমাকে এই পাট্টায় মোহর করিতে হইবে।” গুরুভক্তি পরায়ণ নৃপতি গুরুর আজ্ঞা পালন জন্য “শ্রীগুরু আজ্ঞা” মোহর তাহাতে অঙ্কিত করিলেন। কিন্তু ধর্মভয়ে ধম্মভীরু নৃপতির হৃদয় ও হস্ত কম্পিত হইল। ইহার কয়েক মুহূর্ত পরে মহারাজ একখণ্ড চিঠি লিখিতে ইচ্ছা করিয়া লেখনী ধারণ করিলেন, কিন্তু লেখনী সঞ্চালন করিতে পারিলেন না, তাঁহার দক্ষিণ হস্ত কম্পিত হইতে লাগিল। এইরূপে ৩৩ বৎসর বয়ক্রমে (১২৭১ ত্রিপুরাব্দে) মহারাজ ঈশানচন্দ্র মাণিক্য জীবনান্ত রকর বাতব্যাধী রোগে আক্রান্ত হইলেন। রোগ ক্রমেই বৃদ্ধি হইতে লাগিল। কয়েক মাস অন্তে তিনি চিরজীবনের জন্য শয্যাশায়ী হইলেন।

    মহারাজ ঈশানচন্দ্র রোগাক্রান্ত হওয়ার পূর্বে স্বপরিবারে বাস করিবার জন্য একটি নূতন অট্টালিকা নির্মাণ আরম্ভ করেন। সেই অট্টালিকা প্রস্তুত হইলে ১২৭২ ত্রিপুরাব্দের ১৬ই শ্রাবণ মহারাজ নূতন গৃহে প্রবেশের দিনাবধারণ করিলেন।

    একদা মহারাজ ঈশানচন্দ্রের মহিষীগণ এবং তাঁহার বিমাতা মহারাণী রত্নমালা যুবরাজ এবং বড়ঠাকুর নিয়োগ (১৭৫) সম্বন্ধে কি করা হইবে, ইহা তাঁহাকে জিজ্ঞাসা করেন; তদুত্তরে মহারাজ বলিলেন, “আমার পুত্রদ্বয় শিশু, আমি শারীরিক নিতান্ত অসুস্থ, এরূপ অবস্থায় আমার পুত্রগণকে ঐ দুই পদে নিযুক্ত করিয়া আমার মৃত্যু হইলে, আমার দুরন্ত ভ্রাতৃগণ তাহাদের প্রাণবধ করিবে। যদি কাহাকেও নিযুক্ত না করি তাহা হইলে ব্রিটিস গবর্ণমেন্ট আমার পুত্রগণকে রক্ষা করিবেন। ঈশ্বর আমাকে রোগ মুক্ত করিলে ২/৩ বৎসর পর ব্রজেন্দ্রকে যৌবরাজ্যে ও নবদ্বীপচন্দ্রকে বড় ঠাকুরের পদে নিযুক্ত করিব।”

    নির্দ্দিষ্ট ১৬ই শ্রাবণ পুত্র কলত্র সমভিব্যাহারে মহারাজ ঈশানচন্দ্র নূতন নিকেতনে প্রবেশ করিলেন। তৎপর দিবস পূর্বাহ্নে (প্রায় ১০ ঘটিকার সময়) অসাধারণ গুরুভক্তি পরায়ণ প্রজারঞ্জক মহারাজ ঈশানচন্দ্র মাণিক্য ৩৪ বৎসর বয়ক্রমে লোকান্তর গমন করেন।

    .

    টীকা

    ১. ইনি ভূত পূর্ব লে. গবর্ণর সার রিভার টমসনের পিতা।

    ২. সনন্দ খানা পারসী ভাষায় লিখিত, তাহার ইংরেজি অনুবাদ পশ্চাৎ প্রকাশিত হইবে। এই সনন্দ ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দের ১২ মার্চের লিখিত।

    ৩. নজরের মুদ্রার তালিকা টমসন সাহেবের ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দের ২১ মে তারিখের চিঠি হইতে উদ্ধৃত হইল।
    ১টী স্বর্ণ মোহর…. ১৯ টাকা
    ২টী স্বর্ণ মোহর (রাজার নিজ টাকশালে মুদ্রিত) ২৮।।০
    ১৬টী রৌপ্যমুদ্রা….. ’১৬
    ৬৩।।০

    ৪. The Raja has an independent Hill territory, that your propositions for its resumption are totally inadmissible.
    Government letter to the Comissioner of Chittagong. Dated the 27th December, 1838.

    ৫. গবর্ণমেন্ট সন্দেহ দ্বারা পরিচালিত ত্রিপুরেশ্বরকে বিদ্রোহী গণের সাহায্যকারী বলিয়া ত্রিপুরারাজ্য দখল ও ত্রিপুরাধিপতিকে কারারুদ্ধ করিবার জন্য অনুমতি প্রচার করেন। জজ মেটকাফ্ সাহেব গবর্ণমেন্টের অমূলক সন্দেহ ও ভ্রম প্রদর্শন করিয়া ত্রিপুরারাজ্য রক্ষা করেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলো হাতে সেই মেয়েটি – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    Related Articles

    তপন বাগচী

    রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    August 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }