Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস – শ্রী কৈলাসচন্দ্ৰ সিংহ প্রণীত

    তপন বাগচী এক পাতা গল্প451 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রথম অধ্যায় – কাছাড়ের বিলুপ্ত রাজবংশ

    ইহা বিশেষ রূপে প্রদর্শিত হইয়াছে যে, কাছাড়ের নির্বাণ প্রাপ্ত রাজবংশ ও ত্রিপুরার রাজবংশ এক মূল হইতে উদ্ভুত। রাজমালার মতে মহারাজ ত্রিলোচনের জ্যেষ্ঠপুত্র দৃকপতি উত্তরাধিকারিত্ব সূত্রে কাছাড়ের রাজদণ্ড ধারণ করেন। মতান্তরে— কামরূপের পূর্বাংশে ফা-বংশীয়গণ শাসনদণ্ড পরিচালনা করিতেছিলেন। পর্বতবাসী মানবগণ দ্বারা সেই রাজ্য বিনষ্ট হইয়াছিল। রাজ্যভ্রষ্ট নরপতির জ্যেষ্ঠপুত্র কাছাড় রাজ্যের স্থাপনকর্তা, সেই নরপতির কনিষ্ঠপুত্র ত্রিপুরা রাজবংশের আদি পিতা। সুতরাং ইহা সর্ববাদীসম্মত যে, কাছাড়ের নির্বাণ প্রাপ্ত রাজবংশ ও ত্রিপুররাজবংশ এক পিতার সন্তান। কিন্তু ঐতিহাসিত্ত্বানভিজ্ঞ ব্রাহ্মণগণ বিগত শতাব্দীর মধ্যভাগে যৎকালে কাছাড়রাজ।।২৫৩। বংশের এক সুদীর্ঘ বংশাবলী প্রস্তুত করেন; সেই সময়ে তাঁহারা তাঁহাদের কল্পনা অশ্বের বলগা উন্মোচন করিয়া পূর্ণচক্রের ঘোড়দৌড় করিয়াছেন। রাজমালা লেখক যযাতিপুত্র দ্রুহ্যু হইতে ত্রিপুরার বংশাবলী অঙ্কিত করিয়াছেন; আর কাছাড়ের ব্রাহ্মণগণ তৃতীয় পাণ্ডব ভীম ও হিড়িম্বা রাক্ষসীকে কাছাড় রাজবংশের আদি পিতা মাতা বলিয়া বৰ্ণনা করিয়াছেন। প্রাচীন ভৌগলিক তত্ত্বানভিজ্ঞ ব্রাহ্মণগণ বারণাবতের নিকটবর্ত্তী[১] হিড়িম্বা রাক্ষসের বসতিস্থানকে বঙ্গদেশের পূর্বপ্রান্তে সংস্থাপন পূর্বক কাছাড়কে হিড়িম্ব রাজ্য অবধারণ করিয়াছেন। আমরা তাঁহাদের একপ্রকার বর্ণনা সমূহকে নিতান্তই কবিকল্পনা বলিয়া মুক্তকণ্ঠে ঘোষণা করিতে পারি।

    আধুনিক নাগাপর্বত জেলার মধ্যে কাছাড় রাজবংশের দুইটি প্রাচীন রাজধানী প্রাপ্ত হওয়া গিয়াছে, যথা— দিমাপুর ও মাইবাং। দিমাপুর নগরীর প্রাচীন অট্টালিকা সমূহের ভগ্নাবশেষ দর্শন করিলে নিতান্ত বিস্মিত হইতে হয়। পার্বত্য মানুষদিগের উৎপীড়নে ইঁহারা সেই সকল প্রাচীন রাজধানী ॥২৫৪॥ পরিত্যাগ পূর্বক দক্ষিণদিকে অগ্রসর হইতে বাধ্য হইয়াছিলেন।

    কাছাড়পতিগণের মাইবাং অবস্থানকালে একটি নিতান্ত ঘৃণাজনক কার্য্যদ্বারা কাছাড় ও জয়ন্তীয়া রাজবংশমধ্যে একটী লোমহর্ষণ কলহ উপস্থিত হইয়াছিল। জয়ন্তীয়াপতির ভ্রাতা স্বীয় ভ্রাতুষ্পুত্রীর কলুষিত প্রণয়ে মুগ্ধ হইয়া তাঁহাকে লইয়া পলায়ন করেন। সেই পাপিষ্ঠ ও পাপীয়সীর আশ্রয়দাতা বলিয়া জয়ন্তীয়া রাজ কাছাড়পতির প্রতিকুলে অস্ত্রধারণ করেন। সংগ্রাম উপস্থিত হইলে জয়ন্তীয়াপতির ভ্রাতা স্বীয় প্রণয়িণী ও সহচরবর্গের সহিত দুরাক্রম্য পার্বত্য প্রদেশে আশ্রয় গ্রহণ করেন। প্রবাদ অনুসারে জয়ন্তীয়াপতির ভ্রাতা ও তাঁহার ভ্রাতুষ্পুত্রী অঙ্গমী নাগাসরদারগণের আদি পিতামাতা। তাঁহাদের অনুচরবর্গ ও অন্যান্য নাগাজাতির সংযোগে পরাক্রমশালী অঙ্গমী নাগাদিগের উৎপত্তি। প্রবল সংগ্রামে কাছাড়পতি পরাজিত হন। জয়ন্তীয়ারাজ দ্বারা মাইবাং নগরী বিনষ্ট হয়। কাছাড়পতি বর্তমান কাছাড় প্রদেশে উপনীত হইয়া কশপুরে রাজপাট স্থাপন করেন।

    যদিচ আমরা কাছাড় রাজবংশের বংশাবলীর সত্যতা সম্পূর্ণভাবে এস্থানে স্বীকার করিতে পারি না, তথাপি এস্থানে সেই বংশাবলী প্রকাশ করিলাম। কারণ বংশাবলী প্রণেতাগণ কয়েকজন বিখ্যাত নরপতির নাম বংশাবলীমধ্যে সন্নিবিষ্ট করিয়াছেন।২৫৫ প্রকৃতপক্ষে সেই সকল নাম বিশুদ্ধভাবে ধারাবাহিকরূপে লিখিত হয় নাই।

    বংশাবলী

    ১ ভীম (পাণ্ডুপুত্র)

    ২ ঘটোৎকচ

    ৩ মেঘবর্ণ

    ৪ মেঘবল

    ৫ তাম্রধ্বজ

    ৬ কেতুধ্বজ

    ৭ বিশ্বকীর্তিধ্বজ

    ৮ বিশ্রবানধ্বজ

    ৯ তালধ্বজ

    ১০ বেতালধ্বজ

    ১১ বিশ্বাসনধ্বজ

    ১২ উন্মত্তধ্বজ

    এই নরপতি ১৩৮৮ সংবতে জীবিত ছিলেন, এরূপ প্রমাণ প্রাপ্ত হওয়া গিয়াছে। [২]

    ১৩ কুলিশধ্বজ

    ১৪ রুদ্রধ্বজ

    ১৫ কৌন্তিল্যধ্বজ

    ১৬ শত্রুজিতধ্বজ

    ১৭ বরিরুদ্রধ্বজ

    ১৮ ভাস্করধ্বজ

    ১৯ প্রভাকরধ্বজ

    ২০ বিষ্ণুধ্বজ

    ২১ হিরণ্যধ্বজ

    ২২ ভদ্রসেনধ্বজ

    ২৩ শুল্ক ধ্বজ

    ২৪ ঈশালধ্বজ

    ২৫ গুণকীৰ্ত্তিধ্বজ

    ২৬ পিঙ্গলধ্বজ

    ২৭ উপেন্দ্ৰধ্বজ

    ২৮ নলধ্বজত

    ২৯ পদ্মধ্বজ

    ৩০ পিকধ্বজ

    ৩১ বৃষধ্বজ

    ৩২ গুণধ্বজ

    ৩৩ শূরসেনধ্বজ

    ৩৪ রিপুদ্রবধ্বজ

    ৩৫ বলভদ্রধ্বজ

    ৩৬ চন্দ্রশেখর ধ্বজ

    ৩৭ মুকুটধ্বজ

    ৩৮ স্কন্দধ্বজ

    ৩৯দ্বিজেশধ্বজ

    ৪০ গণেন্দ্রধ্বজ (২৫৭)

    ৪১ মহেশ্বরধ্বজ

    ৪২ ভানুধ্বজ

    ৪৩ মহাকালধ্বজ

    ৪৪ কমলধ্বজ

    ৪৫ জ্ঞানধীরধ্বজ

    ৪৬ ভূপেন্দ্রধ্বজ

    ৪৭ ভানুধ্বজ

    ৪৮ ইন্দুধ্বজ

    ৪৯ অর্কধ্বজ

    ৫০ প্রতাপ নারায়ণ

    ৫১ রুদ্র নারায়ণ

    ৫২ বলবন্ত নারায়ণ

    ৫৩ নির্ভয় নারায়ণ

    ইনি একজন বিখ্যাত নরপতি। প্রবাদ অনুসারে তিনি কুলদেবতা রণচণ্ডী হইতে এক তরবারি লাভ করিয়াছিলেন।[৪]

    ৫৪ উদয় নারায়ণ

    ৫৫ বীরনারায়ণ

    ৫৬ মদন নারায়ণ

    ৫৭ চিত্রধ্বজ

    ৫৮ বিন্দুধ্বজ

    ৫৯ কেতুধ্বজ

    ৬০ শঙ্খধ্বজ

    ৬১ ললিতধ্বজ

    ৬২ সিংহধ্বজ

    ৬৩ হেমধ্বজ

    ৬৪ শিকণ্ডীচন্দ্ৰ

    ৬৫ কুমুদচন্দ্ৰ

    ৬৬ প্রচুতরচন্দ্র

    ৬৭ উদিতচন্দ্ৰ

    ৬৮ প্রভাকরচন্দ্র

    ৬৯ কর্পূরচন্দ্র

    ৭০ গিরীচন্দ্র

    ৭১ ধীরচন্দ্র

    ৭২ শূরজীতচন্দ্র

    ৭৩ শত্রুজীতচন্দ্ৰ

    ৭৪ বালপ্রতাপ

    ৭৫ প্রকাশচন্দ্র

    ৭৬ বিক্ৰমচন্দ্ৰ

    ৭৭ আদীত্যচন্দ্ৰ ॥২৫৯॥

    ৭৮ বীরচন্দ্র

    ৭৯ পুণ্ডরীকাক্ষ

    ৮০ ভূপালধ্বজ

    ৮১ প্রবলচন্দ্র

    ৮২ পুরন্দরচন্দ্র

    ৮৩ ত্রিলোচন চন্দ্ৰ

    ৮৪ দীপ্তচন্দ্ৰ

    ৮৫ কাৰ্ত্তিকেয়চন্দ্ৰ

    ৮৬ নীলচন্দ্ৰ

    ৮৭ মকরধ্বজ

    ৮৮ নরকূলচন্দ্র

    ৮৯ নবচন্দ্র

    ৯০ কিশোরচন্দ্র

    ৯১ মনচন্দ্র

    ৯২ বীরদর্পচন্দ্র

    ৯৩ নিৰ্ভয়চন্দ্ৰ

    ৯৪ মেঘবলচন্দ্র

    ৯৫ বাহুবলচন্দ্র

    ৯৬ সুরেন্দ্রচন্দ্রধ্বজ

    ৯৭ শিখিধ্বজ

    ৯৮ উদয়াদিত্যচন্দ্র

    ৯৯ ময়ূরধ্বচন্দ্র

    ১০০ গরুড়ধ্বজ

    ১০১ মকরধ্বজ[৫]

    ১০২ তাম্রধ্বজচন্দ্ৰ॥[৬] ॥২৬০॥

    ১০৩ শূরদর্প নারায়ণ

    ইনি আসাম পতির সাহায্যে জয়ন্তীয়া বিনষ্ঠ করিতে স্থির প্রতিজ্ঞ হইয়াছিলেন। কিন্তু অকাল মৃত্যু দ্বারা তাঁহার সমস্ত উদ্যোগ বিফল হইয়াছিল।

    ১০৪ ধর্মধ্বজচন্দ্র

    ১০৫ কীৰ্ত্তিচন্দ্ৰ

    ১০৬ রামচন্দ্র

    ইহার শাসনকালে ত্রিপুরাপতি কাছাড় জয় করিয়াছিলেন।

    ১০৭ হরিচন্দ্র + ১০৮ লক্ষ্মীচন্দ্ৰ } ভ্রাতা!

    ১০৯ কৃষ্ণচন্দ্ৰ

    ১১০ গোবিন্দচন্দ্র নারায়ণ॥২৬১॥

    রাজা হরিশ্চন্দ্র নারায়ণের দুই পুত্র। জ্যেষ্ঠ কৃষ্ণচন্দ্র, কনিষ্ঠ গোবিন্দ্রচন্দ্র। পিতৃব্যের মৃত্যুর পর কৃষ্ণচন্দ্র ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসন আরোহণ করেন। ইনি ৪০ বৎসর রাজ্যশাসন করিয়াছিলেন। ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে ইরানবাসী জনৈক মোগল কতগুলি দুষ্ট লোক সংগ্রহ করত কাছাড় রাজ্য অধিকারের চেষ্টা করিয়াছিলেন। এ ব্যক্তি কশপুর নগর অধিকার করিলে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র গোয়াবাড়ী নামক স্থানে পলায়ন করেন। বিজয়োন্মত্ত মোগল কাণ্ডজ্ঞানহীন হইয়া বদরপুরস্থিত কোম্পানির গারদ আক্রমণ করিলেন। শ্রীহট্টের ইংরেজ কর্তৃপক্ষগণ এই সংবাদ শ্রবণমাত্র কল্যাণ সিংহ সুবেদারকে একদল সৈন্যের সহিত সেই মোগলের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিলেন। সুবেদার কল্যাণ সিংহ তাঁহাক পরাজিত ও বন্দিকৃত করিয়াছিলেন।২৬২

    কিছুকাল অন্তে সুবেদার কল্যাণ সিংহ কোম্পানির কার্য্য পরিত্যাগ পূর্বক কতগুলি পদচ্যুতি ও পেনসন প্রাপ্ত সিপাই সংগ্রহ করিয়া হাইলাকান্দী নামক স্থানে একটি নূতন রাজ্য স্থাপন করিতে চেষ্টা করিয়াছিলেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র এই সংবাদ শ্রীহট্টের মেজেস্ট্রেটকে জানাইলেন। মেজেস্ট্রেট সাহেব তাঁহার বিরুদ্ধে একদল সৈন্য প্রেরণ করেন। কোম্পানির সৈন্যের আগমন বার্তা শ্রবণে সুবেদার কল্যাণ সিংহ পলায়ন করিলেন। কল্যাণ সিংহ জয়ন্তীয়া রাজ্যে উপনীত হইলে তথাকার অধিপতি তাহাকে আবদ্ধ করিয়াছিলেন। কিন্তু রজনীযোগে কারাগার হইতে পলায়ণ পূর্বক বিবিধ স্থান ভ্রমণ করত কল্যাণ সিংহ অবশেষে কুমিল্লা নগরে উপস্থিত হন, তথায় তাঁহার মৃত্যু হইয়াছিল।

    ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে মণিপুরপতি মধুচন্দ্র স্বীয় অনুজ চৌরজিত ও মারজিত দ্বারা রাজ্যচ্যুত হইয়া কাছাড়পতির আশ্রয় গ্রহণ করেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র পঞ্চশত সৈন্য দ্বারা মধুচন্দ্রকে সাহায্য করিয়াছিলেন। কিন্তু সংগ্রামক্ষেত্রে মধুচন্দ্র হত হইলেন। কিয়ৎকালান্তে মারজিত কাছাড়পতির আশ্রয় গ্রহণ করিলেন। তাঁহার একটি মনোহর অশ্ব ছিল। কাছাড়পতির ভ্রাতা গোবিন্দচন্দ্র তাহা বিক্রয় করিবার প্রস্তাব করিলেন। মারজিত অশ্ব বিক্রয় করিতে সম্মত হইলেন না, গোবিন্দচন্দ্র তাহা বলক্রমে গ্রহণ করিয়াছিলেন।২৬৩

    ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে কৃষ্ণচন্দ্র পরলোকগমন করেন, তাঁহার কোনও পুত্রসন্তান ছিল না, এজন্য কনিষ্ঠ ভ্রাতা গোবিন্দচন্দ্র নারায়ণ সিংহাসন আরোহণ করিয়াছিলেন।

    রাজা গোবিন্দ্রচন্দ্র নারায়ণ মণিপুরের রাজকুমার গম্ভীর সিংহকে প্রধান সেনাপতির পদে নিযুক্ত করেন। ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে মণিপুরপতি রাজা মারজিত কাছাড় আক্রমণ করেন। সেনাপতি গম্ভীর সিংহ বিশ্বাসঘাতকতা পূর্বক ভ্রাতৃপক্ষ অবলম্বন করেন। রাজা গোবিন্দচন্দ্র প্রাণভয়ে রাজ্য পরিত্যাগ পূর্ব্বক শ্রীহট্টে পলায়ণ করিলেন। তিনি গবর্ণমেণ্ট সমীপে সাহায্য প্রার্থনা করিয়াছিলেন। তৎকালে গবর্ণমেন্ট তাঁহার বাক্যে কর্ণপাত করেন নাই কিন্তু ব্রহ্মযুদ্ধের সূচনা দর্শনে গবর্ণমেন্ট রাজা গোবিন্দচন্দ্র নারায়ণকে কাছাড়ের সিংহাসনে সংস্থাপন করিতে মনস্থ করিলেন। ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দে ৫ই মার্চ গবর্ণর জেনারেল বাহাদুর ব্রহ্মযুদ্ধ ঘোষণা করেন। উক্ত ঘোষণাপত্রে লিখিত আছে যে, “কাছাড় নামক ক্ষুদ্ৰ রাজ্যটি ব্রিটিশ গবর্ণমেন্টের আশ্রিত, ব্রহ্মসৈন্য এই রাজ্য মধ্যে প্রবেশ করিয়া, ব্রহ্মরাজের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করিবার জন্য গবর্ণমেন্টকে বাধ্য করিয়াছিলেন।” কলিকাতার রাজপ্রাসাদে বসিয়া যে দিবস লর্ড আর্মহার্ষ্ট উল্লিখিত ঘোষণা পত্র প্রচার করেন, তৎপর দিবস অর্থাৎ ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দের ৬ই মার্চ গবর্ণর জেনারেলের এজেন্ট স্কট সাহেব বদরপুরে।২৬৪॥ বসিয়া কাছাড়পতি গোবিন্দচন্দ্র নারায়ণের সহিত সন্ধিপত্র স্বাক্ষর করিয়াছিলেন। এই সন্ধি পত্রদ্বারা গোবিন্দচন্দ্র স্বয়ং ও স্বীয় উত্তরাধিকারিগণের জন্য কোম্পানির আশ্রয় গ্রহণ করেন। ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি বহিঃশত্রু হইতে চিরকাল কাছাড় রাজ্য রক্ষা করিতে প্রতিশ্রুতি হন। উক্ত সন্ধিপত্রের চতুর্থ প্রকরণের মর্মানুসারে কাছাড়পতি কোম্পানিতে বার্ষিক দশ সহস্র টাকা কর প্রদানে সম্মত হইয়াছিলেন।

    ব্রহ্মযুদ্ধের অবসানে রাজা গোবিন্দচন্দ্র নির্বিবাদে কাছাড় রাজ্য শাসন করিতেছিলেন। ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে কতকগুলি মণিপুরী (সম্ভবত মারজিতের অনুচর) একদা রজনীযোগে রাজপ্রাসাদে তস্করের ন্যায় প্রবেশ পূর্বক রাজা গোবিন্দচন্দ্র নারায়ণের উপাংশুহত্যা সম্পাদন করে। তাঁহার পুত্রসন্তান ছিল না, এজন্য গবর্ণমেন্ট কাছাড় রাজ্য অধিকার করেন। কিন্তু তৎকালে বর্তমান কাছাড় জেলার তৃতীয়াংশ মাত্র গবর্ণমেন্ট প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। উত্তর কাছাড় সেই সময় তুলারাম সেনাপতির অধীন ছিল। তুলারামের পিতা কাঁচাদিন কাছাড়পতি রাজা কৃষ্ণচন্দ্র নারায়ণের মৃত্যুর পর স্বাতন্ত্র্য অবলম্বন করেন। রাজা গোবিন্দ্রচন্দ্র নারায়ণ কৌশলক্রমে বিদ্রোহী শাসন কর্তাকে সমতল ক্ষেত্রে আনয়ন পূর্বক তাঁহার॥২৬৫॥ শিরচ্ছেদ করিলেন। তুলারাম স্বীয় পিতা হত্যাকাণ্ড দর্শনে গোবিন্দচন্দ্র নারায়ণের দারুণ শত্রু হইয়া দাঁড়াইলেন এবং পর্বতবাসী নাগা কুকিদিগের সহিত দলবদ্ধ হইয়া তাঁহাকে জ্বালাতন করিতে লাগিলেন। পঞ্চদশ বৎসর ব্যাপী কলহের পর ১৭৫১ শকান্দে (১৮২৯ খ্রিঃ অঃ) রাজা গোবিন্দচন্দ্র নারায়ণ তুলারামকে ২২২৪ বর্গ মাইল ভূমির জায়গীরদার বলিয়া স্বীকার করেন। তুলারামের মৃত্যুর পর তাঁহার পুত্রদ্বয় নকুলরাম ও ব্রজনাথ প্রায় দশ বৎসর পৈত্রিক রাজ্য শাসন করিয়াছিলেন। ১৭৭৬ শকাব্দে (১৮৫৩ খ্রিঃ অঃ) নকুলরাম দিশোমানাগাদের প্রতিকূলে অস্ত্রধারণ করিয়া নিহত হন। এই সামান্য অপরাধে গবর্ণমেন্ট তুলারামের বংশধরদিগকে কিঞ্চিৎ বৃত্তি ও নিস্কর ভূমি প্রদান পূর্বক তুলারামের রাজ্যটী গ্রাস করিয়াছিলেন। অধুনা কাছাড় জেলার পরিমাণ ৪২০০ বর্গমাইল।

    .

    টীকা

    ১. বর্তমান বদাওনের পশ্চিমদিকে বারাণাবত নগরী অবস্থিত ছিল। হিড়িম্বার বন আধুনিক উত্তর পশ্চিম প্রদেশের অন্তর্গত।

    ২. Fisher’s History of the Chchar Raj – Family.

    ৩. নলধরজ নরপতি মণিপুর জয় করিয়াছিলেন। মণিপুরপতি ক্ষমা প্রার্থনা করিলে, তিনি তাহাকে নিম্নলিখিত শর্তে মণিপুরের রাজদণ্ড প্রদান করিয়াছিলেন। (ক) মহারাজ নলধ্বজ স্বীয় বিজয় বৃত্তান্ত চিরস্মরণীয় করিবার জন্য বংশ দ্বারা যে বিজয়স্তম্ভ মণিপুর নগরে স্থাপন করিয়াছিলেন, তাহা চিরকাল রক্ষা করিতে হইবে। (খ) মণিপুরী দিগকে ব্রহ্মাদিগের ন্যায় অৰ্দ্ধমস্ত কমুণ্ডন ও কেশবন্ধন করিতে হইবে। (গ) দ্বাদশ হস্তের উচ্চ কোনও গৃহ মণিপুরীগণ নির্মাণ করিতে পারিবে না।

    ৪. একদা স্বপ্নে নির্ভর নারায়ণ শুনিলেন, যেন জগজ্জননী বলিলেন, “বৎস! কল্যনদীতে যাইয়া আমার সহিত সাক্ষাৎ করিও।” পরদিন রাজা একাকী নদীতীরে উপস্থিত হইয়া দর্শন করিলেন; একটী বিষধর জলকেলী করিতেছে। নির্ভরনারায়ণ সর্পকে রণচণ্ডী জ্ঞানে তাঁহার লাঙ্গুলে হস্তার্পণ করিলেন; তৎক্ষণাৎ একখানি তরবারী রাজার হস্তে উঠিল। নরপতি সেই তরবারী লইয়া গৃহে গমন করিলেন। সেই দিবস রজনী যোগে দেবী পুনর্বার নির্ভর নারায়ণকে বলিলেন “বৎস! সর্পের লাঙ্গুলে ধরিয়া অন্যায় করিয়াছ, যাহা হউক এই তরবারী যত্নের সহিত রক্ষা করিও, ইহার কৃপায় তোমার বংশধরগণ নির্বিগ্নে কাছাড় রাজ্য উপভোগ করিবে।” কাছাড়পতিগণ ভক্তির সহিত সর্বদা এই তরবারীকে “রণচণ্ডী” জ্ঞানে পূজা করিতেন। প্রবাদ আছে, যে দিবস গোবিন্দচন্দ্র নারায়ণের হত্যাকাণ্ড সম্পাদিত হয়, সেই দিবসেও ওই তরবারী রাজপ্রসাদ হইতে অপসৃত হইয়াছিল। বাঙ্গালায় “রণচণ্ডী” নামে ে ঐতিহাসিক উপন্যাস প্রকাশিত হইয়াছে তাহার সহিত কাছাড়ের ঐতিহাসিক তথ্যের কোনও সংশ্রব নাই। গ্রন্থকার অকৃতজ্ঞভাবে, স্কটের “আন অফ গার্টেন” (?) বাঙ্গালায় অনুবাদ করিয়াছেন।

    ৫. মণিপুপতি ব্রহ্মসৈন্য দ্বারা রাজ্যচ্যুত হইয়া কাছাড়পতির আশ্রয় গ্রহণ করেন। মহারাজ মকরধ্বজ স্বীয় সৈন্য দ্বারা ব্রহ্মসৈন্য দূরীকৃত করিয়া মণিপুরপতিকে পুনর্বার সিংহাসনে স্থাপন করেন।

    ৬. মহারাজ তাম্রধ্বজ জয়ন্তীয়াপতির সহিত প্রীতিবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন, জয়ন্তীয়া-রাজ একখানি উৎকৃষ্ট ও বৃহৎ নৌকা প্রস্তুত পূর্বক তদারোহণে কশপুরে গমন করেন। তিনি মহরাজ তাম্রধ্বজকে বলিলেন, বন্ধো! আমি এই নৌকা আপনার জন্য প্রস্তুত করাইয়াছি, আসুন আমরা উভয়ে একবার ইহাতে আরোহণ করি। সরলচিত্ত তাম্রধ্বজ সেই নৌকায় আরোহণ করিলে কপটমিত্র জয়ন্তীয়াপতি তাঁহাকে বন্ধন করিয়া বড় বক্রের প্রবল স্রোতে নৌকা ছাড়িয়া দিলেন। কাছাড়পতির সৈন্যগণ আশ্চর্য দর্শনে ধনুর্বাণ হস্তে দণ্ডায়মান হইল। তাম্রধ্বজ হস্তচালন দ্বারা তাহাদিগকে নিষেধ করিলেন। জয়ন্তীয়ারাজের বিশ্বাসঘাতকতা ও সমস্ত অবস্থা বর্ণনাপূর্বক আসামের অধিপতি স্বর্গ দেবের (আহুম বংশীয় আসাম পতিগণ ইন্দ্ৰ বংশজ বলিয়া সকলেই “স্বৰ্গদেব” উপাধি ধারণ করিতেন) নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিলেন। স্বর্গদেব দুইজন সেনাপতিকে দুইদল সৈন্যের সহিত জয়ন্তীয়ানগরে প্রেরণ করেন। তাঁহারা জয়ন্তীয়াপতিকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও কাছাড়পতিকে মুক্ত করিয়া উভয়কে লইয়া প্রাগজ্যোতিষ্পুরে গমন করিলেন। স্বর্গদেব নানা প্রকার খেলাৎ প্ৰদান পূর্বক কাছাড়পতিকে স্বরাজ্যে প্রেরণ করেন এবং জয়ন্তীয়াপতির প্রাণদণ্ড করিয়াছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলো হাতে সেই মেয়েটি – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    Related Articles

    তপন বাগচী

    রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    August 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }