Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস – শ্রী কৈলাসচন্দ্ৰ সিংহ প্রণীত

    তপন বাগচী এক পাতা গল্প451 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চতুর্থ অধ্যায় – জেলা ত্রিপুরা : (পূর্বের অনুবৃত্তি)

    চতুর্থ অধ্যায় – জেলা ত্রিপুরা : (পূর্বের অনুবৃত্তি)

    কৃষি :- ব্রিটিশাধিকারের প্রারম্ভে ইংরেজ কর্তৃপক্ষগণ যাহাকে “নিবিড় অরণ্য পূর্ণ ও বিরল মনুষ্য বসতি” বলিয়া বর্ণনা করিয়াছিলেন,-শতাধিক বৎসর পূর্বে বন্য মহিষ ও বরাহ প্রভৃতি হিংস্র জন্তুগণ যে সমতল ক্ষেত্রে নির্ভয়ে বিচরণ করিত,- অধুনা সেই ত্রিপুরা শ্যামল শস্যশালী একটি সুন্দর কৃষিক্ষেত্রে পরিণত হইয়াছে। এই ক্ষেত্রে নানা প্রকার শস্য উৎপন্ন হইতেছে, তন্মধ্যে ধান্য, পাট ও গুবাক প্রধান।

    ধান্য :- ত্রিপুরায় নানা প্রকার উৎকৃষ্ট ধান্য উৎপন্ন হইয়া থাকে। এই জেলা হইতে প্রতিবৎসর প্রায় ৪০ লক্ষ মন তণ্ডুল অন্যান্য স্থানে প্রেরিত হয়।

    ত্রিপুরায় উৎপন্ন ধানকে চারি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যাইতে পারে;

    ১- আউশ, ২- শালী, ৩-বর্ষাল, ৪- বরো। আউস :- উপযুক্ত সময়ে বপন করিতে পারিলে ৬০ দিবস মধ্যে ॥৪৯৫॥ এই ধান্য উৎপন্ন হয়, এ জন্য ইহাকে “ষাইট্টা” বলে। প্রকৃত পক্ষে চৈত্র মাসের শেষ ভাগে আউশ ক্ষেত্রে বীজ বপন করিলে আষাঢ় মাসের শেষ ভাগে ইহা সুপক্ক হইয়া থাকে। আউশের মধ্যে কাঁচালনী চূইচাশাইল ও বোয়ালধারা প্রভৃতি উৎকৃষ্ট

    শালী :- প্রথমত উচ্চ ক্ষেত্রে এই ধান্যের বীজ বপন করিয়া তৎপর তাহা উঠাইয়া লইয়া শ্রাবণ ভাদ্র মাসে কদমাক্ত ক্ষেত্রে রোপন করিতে হয়। অগ্রহায়ণ পৌষ মাসে এই ধান্য সুপক্ক হইয়া থাকে। শালীধান্যের মধ্যে চাপলাইস, খইয়াপাকরী গোবিন্দভোগ, কালিজিরা, কুটিচিকন প্রভৃতি উৎকৃষ্ট।

    বর্ষাল :- ফাল্গুণ চৈত্র মাসে নিম্ন ভূমিতে এই ধান্য বপন করিতে হয়। বর্ষার জল ক্রমে ক্রমে বৃদ্ধি হইলে এই ধান্য নষ্ট হয় না। ২০/২৫ হস্ত নিম্ন হইতে মস্তকোত্তোলন পূবর্বক জলের উপর ভাসিতে থাকে। কিন্তু হঠাৎ অতিরিক্ত পরিমাণ জলপ্লাবন হইলে ধানের গাছগুলি মরিয়া যায়। অগ্রহায়ণ মাসে এই ধান্য সুপক্ক হইয়া থাকে। সরাইল ও নুরনগরের বিল সমূহে এই ধান্য প্রচুর পরিমাণ উৎপন্ন হয়। আউশ কিম্বা শালিধান্য এক বিঘা ভূমিতে যে পরিমাণ উৎপন্ন হয়, বর্ষাল ধান্য প্রায় তাহার দ্বিগুণ হইয়া থাকে। বর্ষাল ধান্যের মধ্যে, আমন, পরচুম, ভইসাখীর, কালামাণিক দিঘা প্রভৃতি সুপরিচিত।

    বরো :- পৌষ মাঘ মাসে বিল ও নদীর চরে এই ধান্য বপন করা হয়। চৈত্র বৈশাখ মাসে ইহা সুপক্ক হইয়া থাকে। কিন্তু॥৪৯৬। শিলাবৃষ্টি এই ধান্যের বিষম শত্রু। বরো ধান্যের তণ্ডুল কেবলমাত্র নিম্নশ্রেণীর মানবদিগের খাদ্যোপযোগী।

    বার্ষিক জলপ্লাবনই ত্রিপুরাকে শস্যশালিনী করিয়াছে, কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় জলপ্লাবন হইলে ত্রিপুরার সমস্ত শস্য বিনষ্ট হইয়া যায়। বিগত অর্দ্ধ শতাব্দীর মধ্যে দুইবার এইরূপ সবর্বসংহারক ভীষণ জলপ্লাবন হইয়াছে। ১২৬০ এবং ১৩০০ বঙ্গাব্দের বর্ষা আমরা ভুলিতে পারিব না।

    ২৫। ৩০ বৎসর পূর্বে ত্রিপুরার কৃষকগণ শস্যক্ষেত্রে সার দেওয়া নিষ্প্রয়োজনীয় বিবেচনা করিত। কিন্তু অল্পকাল মধ্য কোন কোন স্থানের উর্বরতা শক্তি এরূপ হ্রাস হইয়াছে যে, গোময়, ছাই, পুষ্করিণী ও খাল সমূহের পলিমাটি না দিলে উপযুক্তরূপ শস্য জন্মে না।

    পাট :- ইহা নালিতা গুল্মের ত্বক। ৩০। ৩৫ বৎসর পূর্বে আমরা দর্শন করিয়াছি যে, ত্রিপুরাবাসী কৃষকগণ কেবল নিজ প্রয়োজনীয় কাৰ্য্য নির্বাহ জন্য অল্প পরিমাণ নালিতার চাষ করিত। কিন্তু অল্পকাল মধ্যে নালিতার চাষ ধান্যের উৎকৃষ্ট ভূমি অধিকার করিয়া বসিয়াছে। প্রতি বৎসর দুই লক্ষ মণেরও অধিক পাট ত্রিপুরা হইতে বিদেশে প্রেরিত হইয়া থাকে। নালিতার চাষ দ্বারা এ দেশের অনিষ্ট সাধিত হইতেছে, ইহা নির্বোধ কৃষক গণ বুঝিতে পারিতেছে না। প্রথমত দুফসলী জমিতে নালিতার চাষ হইয়া থাকে; সুতরাং ॥৪৯৭॥ একটি একটি ফসলের জন্য দুইটি ফসল নষ্ট করা হয়। দ্বিতীয় নালিতা ক্ষেত্রে যে রূপ সার দেওয়া হইয়া থাকে এবং তাহাতে যে রূপ অধিক পরিমাণ পরিশ্রম ও যত্ন করিতে হয়, সেই রূপ সার প্রদান করত সেই পরিমাণ পরিশ্রম ও যত্ন করিলে যে কোন ক্ষেত্রে সেই মূল্যের ধান্য উৎপন্ন হইতে পারে। তৃতীয়ত নালিতা দ্বারা নানা প্রকার রোগ ত্রিপুরায় উপস্থিত হইয়াছে। কারণ শ্রাবণ ভাদ্র মাসে যখন জলে দেশ প্লাবিত হয়, তখন নালিতা গুল্ম ছেদন করত স্রোত বিহীন জলে ভিজাইয়া রাখিতে হয়। ২০।২৫ দিন পরে যখন সে গুলি পঁচিয়া তাহার ত্বক (পাট) গ্রহণের উপযুক্ত হয় তখন জল দুষিত ও দুর্গন্ধ যুক্ত হইয়া পড়ে। অল্প সংখ্যক বাঁধা পুষ্করিণী ব্যতীত সমস্ত খাল, বিল, নদী ও পুষ্করিণীর জল তদ্বারা দূষিত হইয়া পড়ে। সেই জল পান করিয়া রোগের যন্ত্রনায় ত্রিপুরাবাসী ছটফট করিতে থাকে। তদ্বারা কত লোক অকালে কাল গ্রাসে পতিত হয় কে তাহার ইয়ত্তা করিবে। বাঙ্গালা দেশ মধ্যে জেলা ত্রিপুরা একটি স্বাস্থ্যকর স্থান। কিন্তু নালিতার চাষ দ্বারা সেই স্বাস্থ্যের নানা প্রকার বিঘ্ন উৎপাদিত হইতেছে।

    প্রধানত চৈত্র, বৈশাখ মাসে নালিতার বীজ বপন করা হয় তৎপর চারা উঠিলে বারংবার তাহা বাছিয়া পরিস্কার করিয়া দিতে হয়। ভালরূপ বাছিয়া দিলে ও উপযুক্ত ॥৪৯৮॥ রূপ বৃষ্টির জল পাইলে নালিতা গুল্ম গুলি কাটিয়া জলে ভিজাতে হয়। ভাদ্র আশ্বিন মাসে তাহা হইতে পাট গ্রহণ করিয়া, আশ্বিন কার্তিক মাসে সেই পাট বিক্রয় করত একবারে কতকগুলি টাকা প্রাপ্ত হওয়া যায়। ইহাই কৃষক গণ সুবিধাজনক বিবেচনা করে।

    ত্রিপুরা জেলার মধ্যে নালিতার চাষে বলদাখাল পরগণা সর্বশ্রেষ্ঠ; তদনন্তর নরাইল ও নুরনগরের নাম উল্লেখ করা যাইতে পারে। মেঘনাদের তীরবর্ত্তী অন্যান্য পরগণায় ও নালিতার চাষ হইতেছে। কিন্তু ত্রিপুরা জেলার দক্ষিণ পুর্বাশে অতি অল্প পরিমাণ নালিতার চাষ হইয়া থাকে।

    গুবাক :- ধান্য ও পাটের পরেই গুবাকের উল্লেখ করা যাইতে পারে। ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার উপবিভাগে সুপারি বৃক্ষ নিতান্ত বিরল। সদর উপবিভাগের অন্তর্গত কোন কোন স্থানে সুপারি বাগান দৃষ্ট হইয়া থাকে। চাঁদপুর উপবিভাগ সুপারি বৃক্ষে অন্ধকার করিয়া রাখিয়াছে, বলিলে নিতান্ত অত্যুক্তি হয় না। এক বিঘা ভূমিতে এক সহস্র বৃক্ষ উৎপন্ন হইতে পারে এবং সেই এক সহস্র বৃক্ষের গুবাক বিক্রয় করিয়া বৎসর ২৫০ হইতে ৪ কিম্বা ৫শত টাকা লাভ হইতে পারে। সম্প্রতি সুপারি বৃক্ষের যে রূপ মড়ক উপস্থিত হইয়াছে, তদ্বারা অনেক কৃষক ও ভূম্যধিকারীকে পথের ভিখারি হইতে হইবে। প্ৰায় ৪০ বৎসর পূর্ব্বে আরও একবার একপ্রকার সুপারিমড়ক উপস্থিত হইয়াছিল। তৎকালে অনেকগুলি জমিদারী বাকী রাজস্বের জন্য নিলাম হইলে গর্বমেন্ট তাহা নিতান্ত অল্প মূল্যে ক্রয় করেন।

    তদ্ব্যতীত আরও নানা প্রকার শস্য ত্রিপুরায় উৎপন্ন হইয়া থাকে।

    ১৩০০ বঙ্গাব্দের জলপ্লাবনে সমস্ত ধান্য বিনষ্ট হইলে চীনা ও কাওন নামক শস্য বপন করিয়া দরিদ্র কৃষকগণ প্রায় দুই তিন মাস হই িভক্ষণে জীবন যাপন করিয়াছিল। অল্প পরিমাণ গম, যব, ভুট্টা ত্রিপুরায় উৎপন্ন হইয়া থাকে। ত্রিপুরায় খেসারি, মুগ,সমুরি, মটর, বুট, কলাই ও অরহর প্রভৃতি দাইল জন্মে। ত্রিপুরার অরহর অতি উৎকৃষ্ট। কিন্তু তাহা নিতান্ত অল্প পরিমাণে জন্মিয়া থাকে। প্রচুর পরিমাণ অড়হরের চাষ করিয়া তাহা বিদেশে প্রেরণ করত ত্রিপুরার কৃষকগণ বিশেষ রূপ অর্থ লাভ করিতে পারে। কারণ এরূপ উৎকৃষ্ট অরহর অণ্য কোন জেলায় জন্মে না।

    নানা প্রকার তিল, সর্ষপ প্রভৃতি তৈলাক্ত শস্য ত্রিপুরায় উৎপন্ন হইয়া থাকে।

    ফল : ত্রিপুরায় প্রচুর পরিমাণে আম্র জন্মিয়া থাকে। কিন্তু তাহার অধিকাংশ পোকায় অখাদ্য করিয়া ফেলে। অল্প পরিমাণ উৎকৃষ্ট কমলালেবু ত্রিপুরায় উৎপন্ন হয়, কিন্তু॥৫০০॥ তাহার ব্যবসায় চলিতে পারে না। প্রচুর পরিমাণ উৎকৃষ্ট কাঁঠাল এই জেলায় উৎপন্ন হইয়া থাকে। চীনা পরিব্রাজক হিয়ানসাঙ অদ্য জীবিত থাকিলে কামরূপবাসীর ন্যায় তিনি ত্রিপুরাবাসীকে “কাঠাল ও নারিকেল” ভূক্ মনুষ্য বলিয়া বর্ণনা করিতেন। তদ্ব্যতীত আরও নানা প্রকার ফল ত্রিপুরায় উৎপন্ন হইয়া থাকে।

    নীলের চাষ :- জিঃ পিঃ ওয়াইজ সাহেব মেঘনাদের তীরবর্ত্তী শ্রীমদ্দে, দুলালপুর, ব্রাহ্মণচর, মাছিমপুর, ভাঙ্গারচর এবং আকানগর নামক স্থানে কুঠি সংস্থাপন করিয়া নীলের চাষ আরম্ভ করিন। ক্রমে নীলকুঠির আয় ও অত্যাচার বর্দ্ধিত হইতে লাগিল। অত্যাচারের মাত্রা ভীষণ ভাব ধারণ করিলে পার্শ্ব বর্ত্তী জমিদার ও কৃষকগণ দলবদ্ধ হইয়া আত্মরক্ষার জন্য দণ্ডায়মান হইল।[২২] তাহাদের দৃঢ়একতার বলে অত্যাচারী নীলকর পরাজিত হইল। ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে ত্রিপুরায় নীলকরের পূর্ণ উন্নতি; ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে তাহার বিনাশ সাধিত হয়। ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দ ত্রিপুরায় নীলের চাষ বন্ধ হইয়া ॥৫০১ গিয়াছে। নীলকরের অত্যাচার কালে ত্রিপুরাবাসীগণ যে রূপ একতা ও দৃঢ়তা প্রদর্শন করিয়াছে, বাঙ্গালার অন্য কোন জেলার লোক তাহা দেখাইতে পারে নাই।[২৩] নীলকরের দেশীয় কর্মচারিগণও তাহাদের বিনাশ সাধন জন্য বিশেষ যত্ন করিয়াছেন। ওয়াইজ সাহেবের জমিদারির প্রজাগণ ও তাঁহার প্রতিকূলে দণ্ডায়মান হইয়াছিল।

    শিল্প :- বিগত শতাব্দীর প্রথম ভাগে ডি, ফো বলিয়াছিলেন, “ভারতের শিল্পীগণ আমাদের সর্বনাশ করিল।”এক্ষণ আমরাও বলিতে পারি যে, ইংরেজ শিল্পীগণ আমাদের সর্বনাশ করিতেছে। কার্পাস বস্ত্র বয়ন ত্রিপুরার প্রধান শিল্পকার্য্য ছিল। আমরা পূর্বে বলিয়াছি বিদ্যালোচনায় ব্রাহ্মণবাড়ীয়া উপবিভাগবাসিগণ ত্রিপুরার শীর্ষ স্থানে বিরাজ করিতেছেন। তদ্রুপ শিল্প কার্য্যের জন্যও তাহারই শ্রেষ্ঠ স্থান অধিকার করিয়াছিল। সরাইলের তন্তু বায়গণ কার্পাস সূত্রদ্বারা উৎকৃষ্ট তঞ্জেব ধুতি, চাদর ও শাড়ি প্রস্তুত করিত। ২০। ২৫ বৎসর পূর্বে আমরা যাহা দর্শন করিয়াছি এক্ষণ তাহাও লোপ পাইতেছে। প্রাচীন”ঢাকাই মসলিন”॥৫০২॥ জগতে অতুলনীয় বলিয়া খ্যাতি লাভ করিয়াছিল। সেই মসলীনেরই স্থানীয় নাম তঞ্জেব। যে তঞ্জেবের পোষাক পরিধান করত আঔরংজেব বাদসাহের এক কন্যা তাঁহার নিকট উপস্থিত হইলে সম্রাট তাহাকে” উলঙ্গ” বলিয়া ভৎসনা করিয়াছিলেন, সেই তঞ্জের প্রচুর পরিমাণে সরাইলে প্রস্তুত হইত;[২৪] কিন্তু তাহা ঢাকাই তঞ্জেবের সহিত বিদেশে প্রেরিত হইত বলিয়া বিদেশবাসীগণ সরাইলের নাম জ্ঞাত ছিলেন না।[২৫] সরাইলের তন্তুবায়গণের প্রস্তুতি ২০।২৫ টাকা মূল্যের ধুতির জোড়া আমরা দর্শন করিয়াছি। পাইরের সুক্ষ্ম কার্য্যের জন্য এই সকল বস্ত্রের মূল্য বৃদ্ধি হইত না,॥৫০৩॥ কারণ সরাইরের তন্তুবায়গণ পাইরের কার্য্যর জন্য অতি তুচ্ছ বিবেচনা করিত। সূক্ষ্ম সূত্রদ্বারা তাহারা অসাধারণ শিল্প নৈপুণ্যের পরিচয় প্রদান করিত।

    ত্রিপুরায় যুগীগণ নানা প্রকার মোটা কাপড় প্রস্তুত করিত। বিলাতী শিল্পগণ ক্রমে ক্রমে তাহাদেরও সর্বনাশ করিয়াছে। বাপ্তা বস্ত্রের কথা আমরা পূর্বে উল্লেখ করিয়াছি। বলদাখাল পরগণার অন্তর্গত বাঁসকাইট নামক স্থানে মধ্যবিধ ও গৃহস্থ স্ত্রীলোকদিগের পরিধেয় শাড়ী ও ধুতি প্রস্তুত হইত। এক্ষণ তাহাও বিলুপ্ত হইয়াছে। তন্তুবায় ও যুগীগণ অন্যান্য ব্যবসায় অবলম্বন করিতে বাধ্য হইয়াছে। অল্পকাল মধ্যে ময়নামতী পবর্বতের নিকটবর্ত্তী স্থানবাসী যুগীগণ এক প্রকার ছিট বস্ত্র বয়ন করিয়া অল্প হইলেও কিঞ্চিৎ খ্যাতি লাভ করিয়াছে। এই ছিটদ্বারা পিরণ, সার্ট, কোঠ ও পেন্টুলন প্রস্তুত করা যাইতে পারে। লেপ, তুষক, বালিশ ও পর্দা প্রস্তুত উপযোগী নানা প্রকার ছিট তাহারা প্রস্তুত করিতেছে। এই ছিটের মধ্যে কতকগুলি বিলাতী” এঙ্গোলোর”ন্যায় পরিলক্ষিত হয়।

    ত্রিপুরাবাসী সূত্রধরগণ যে শিল্পকাৰ্য্যে বিশেষ উন্নতি লাভ করিয়াছিল তাহার প্রমাণ গজদন্তের কারুকার্য্যের দ্বারা অদ্যাপি প্রাপ্ত হওয়া যায়। প্রাচীনকালে গজদন্ত দ্বারা নানা প্রকার অলঙ্কার প্রস্তুত হইত, দেশীয় মহিলাগণ স্বর্ণ॥৫০৭॥ রৌপ্যের পরিবর্ত্তে সেই সকল অলঙ্কার পরিধান করিতেন। প্রস্তরের শিল্পকার্য্য ত্রিপুরায় লুপ্ত হইয়াছে। লোহার শিল্পকার্য্যের নিতান্ত অবনতি হইয়াছে। সরাইল পরগণায় পূর্বকালে নানা প্রকার কাগজ প্রস্তুত হইত। বিলাতী কাগজের আমদানী দ্বারা দেশীয় “কাগজি” গণ কৃষিকার্য্যে করিতে বাধ্য হইয়াছে।

    সরাইল পরগণার অন্তর্গত হর্ষপুর নিবাসী কুম্ভকারগণ মাটীর কার্য্যে বিশেষ উন্নতি লাভ করিয়াছিল। অদ্যাপি তাহার চিহ্ন প্রাপ্ত হওয়া যাইতেছে।

    দেশীয় সর্বপ্রকার শিল্পকার্য্যের ক্রমেই বিনাশ সাধিত হইতেছে।২৬ বিলাতী শিল্পীগণ দেশীয় শিল্পীদিগের ভীষণ শত্রু হইয়া দাঁড়াইয়াছেন। বিলাতী শিল্পীদিগকে জয় করিতে না পারিলে এদেশের মঙ্গলের আশা সুদূরপরাহত।

    বাণিজ্য :- বিবার্লি সাহেব বলিয়াছেন:-”পৃথিবীর॥৫০৫॥ ব্যবহার শাস্ত্রানুসারে, আদত দ্রব্য উৎপন্ন করিয়া তাহা বিলাতের কারখানায় প্রেরণ করাই ভারতের একমাত্র বৈধকাৰ্য্য হইয়াছে।

    এই বাক্যগুলি সম্পূর্ণ সত্য। যে দেশের কার্য্য বিলুপ্ত হইয়াছে, সে দেশের বাণিজ্যের আশা দুরাশা মাত্র। বৌদ্ধধর্মের উন্নতির সময়ে এদেশের বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হইয়াছিল। বৌদ্ধদ্রোহী ব্রাহ্মণগণ বাণিজ্যের শিরে কুঠারাঘাত করিয়া গিয়াছেন। তাঁহারা “বণিক বৃত্তি ও “সমুদ্রযাত্রা” কে পাপময় ঘৃণিতকার্য্য বলিয়া বর্ণনা করিয়াছেন।

    তাঁহাদের অন্যায় শাসনে হিন্দু গণবিলাতী শিল্পী ও বণিকদিগের “নগদামুটে” হইয়া দাঁড়াইয়াছে।

    ত্রিপুরা জেলাবাসীর খাঁটি বাণিজ্য এই দেখা যাইতেছে যে, তাহারা কতকগুলি তণ্ডুল ও পাট বিদেশী বণিকদিগের নিকট বিক্রয় করিয়া যৎকিঞ্চিৎ অর্থলাভ করিয়া থাকে। চট্টগ্রামের ভূতপূর্ব কমিসনর হেঙ্কি সাহেব লিখিয়াছেন “চট্টগ্রাম হইতে প্রতি বৎসর প্রায় ৩০ লক্ষ মণ তণ্ডুল সমুদ্র পথে বিদেশে প্রেরিত হয়, তৎসমস্তই ত্রিপুরা ও নওয়াখালী হইতে আইসে” “ত্রিপুরা ও নাওয়াখালীর কৃষকগণ চট্টগ্রামে তণ্ডুল প্রেরণ না করিলে তাহার বহির্বাণিজ্য এককালে বন্ধ হইয়া যাইবে। উত্তর ও মধ্য ত্রিপুরা হইতে অধিক পরিমাণ তণ্ডুল নারায়ণগঞ্জে প্রেরিত হইয়া থাকে।॥৫০৬॥

    ত্রিপুরার সমস্ত পাট নারায়াণগঞ্জের দেশী ও বিলাতী আড়তদারগণ ক্রয় করিয়া কলিকাতা প্রেরণ করেন।

    অন্যান্য বস্তু অল্প পরিমাণ অন্যান্য জেলায় প্রেরিত হয়। ত্রিপুরা হইতে মাছরাঙ্গা পক্ষীর পালক চট্টগ্রামে প্রেরিত হয়, তথা হইতে এ সকল দ্রব্য সমুদ্রপথে ব্রহ্মা ও চীন দেশে প্রেরিত হইয়া থাকে। ত্রিপুরা হইতে শুকনা মৎস্য চট্টগ্রাম ও ঢাকায় প্রেরিত হয়। ত্রিপুরা হইতে প্রায় দুই লক্ষ মণ সুপারী অন্যত্র প্রেরিত হইয়া থাকে। তিন লক্ষ অধিক নারিকেল এই জেলা হইতে অন্যত্র প্রেরিত হয়।

    অন্যান্য স্থান হইতে ত্রিপুরায় যে সকল দ্রব্য আমদানী হয়, তাহার অধিকাংশই প্রায় বিলাতি। তন্মধ্যে কার্পাসবস্ত্র, লবণ ও কেরোসিন তৈল প্রধান। কার্পাসবস্ত্র দ্বারা বিলাতি বণিকগণ ত্রিপুরা জেলা হইতে প্রায় ৩। ৪লক্ষ টাকা বার্ষিক আদায় করিয়া লইতেছেন।

    আচার ব্যবহার :- ত্রিপুরাবাসী উচ্চ শ্রেণীর হিন্দুদিগের সামাজিক ব্যবহার সম্বন্ধে দুই একটি কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। আমরা পূর্বেই বলিয়াছি যে বল্লাল ও দেবীবর ত্রিপুরাবাসী ব্রাহ্মণ, কায়স্থ ও বৈদ্যের উপর আধিপত্য বিস্তার করিতে পারেন নাই। এ জন্যই কৌলিণ্যের বিষময় ফলে তাঁহারা জর্জরিত হয়েন নাই, ১০। ১৫ কিম্বা ২০। ৫০ টি বিবাহ করিয়াছেন এরূপ লোক কদা কস্মিনকালে ত্রিপুরায়॥৫০৭॥ জন্ম গ্রহণ করেন নাই; কিম্বা একটি বালক বরের সহিত অশীতি বর্ষীয়া বৃদ্ধার বিবাহ ও জেলায় হয় নাই। যাহারা অর্থলোভে বৃদ্ধ বরে বালিকা কন্যা সম্প্রদান করেন, তাঁহাদের কথা স্বতন্ত্র, কিন্তু সামাজিক বন্ধনের বীভৎস অভিনয় ত্রিপুরায় ব্রাহ্মণদিগের মধ্যে কখনও অভিনীত হয় নাই। কায়স্থ জাতির”আদিরস”ত্রিপুরায় অপরিজ্ঞাত। এই সকল জঘন্য সামাজিক অত্যাচার হইতে ত্রিপুরা চিরকাল মুক্ত রহিয়াছে। আর ও সুখের বিষয় যে, ত্রিপুরায় উচ্চ শ্রেণীর হিন্দুগণ “সম্মতি বিধির” জন্য ভয়ে ম্রিয়মান নহেন। অর্থলোভী কন্যা বিক্রেতা ব্যতীত প্রায় কেহই দ্বাদশ বৎসরের পূর্বে কন্যা দান করেন না। উচ্চ শ্রেণীর হিন্দুদিগের মধ্যে ক্রমে ক্রমে শিশু বিবাহ বন্ধ হইয়া যাইতেছে২৭। কেবল নিম্ন বাল্য বিবাহের প্রতি কিঞ্চিৎ আগ্রহ দৃষ্ট হয়, কিন্তু তাহারাও ১০। ১১ বৎসরের পূর্বে কোন বালিকাকে পাত্রস্থ করেন। তাহাদের মধ্যে ১৩। ১৪ বৎসরের অবিবাহিতা বালিকা নিতান্ত দুস্প্রাপ্য নহে। চণ্ডাল মালী প্রভৃতি নিম্ন শ্রেণীর হিন্দুর মধ্যে বিধবা বিবাহ প্রচলিত আছে। কিন্তু বিধবা বিবাহকারী ব্যক্তি ও তাহার সন্তানগণ সমাজে কিঞ্চিৎ হেয় বলিয়া বিবেচিত হয়।।৫০৮।

    .

    টীকা

    ২২. ইংরেজ কর্তৃপক্ষগণ উভয় পক্ষের প্রতি দোষারোপ করিয়াছেন, কিন্তু নীলকর প্রপীড়িত কৃষকগণের হৃদয় বিদারক করুণ সঙ্গীত স্মরণ করিলে অদ্যাপি পাষাণ হৃদয় দ্রবীভূত হয়।

    ২৩. The opposition to the on the part both of the neigbouring zamindars and of the planters’ tenants was so desperate, that none of the facto- ries could hold out against it. Statistical Account of Bengal Vol VI. p 425.

    ২৪. In the North of the District, in the Fiscal Division of Sarail, a very fine description of Muslin in made, called Tanjib, which is said to be nearly as good in texure and quality as the Shabnam Muslins of Dacca, The thread is spun by hand, and the muslin is not usually made by the weavers unless they have a special order. Statistical Account of Bengal Vol. VIp 418.

    ২৫. সরাইলের পনির “ঢাকাই” বলিয়া সর্বত্র পরিচিত হইয়াছিল; কিন্তু ঢাকা জেলায় বোধহয় এক তোলা পনিরও কদা কস্মিন কালে প্রস্তুত হয় নাই। সাউদারলেন্ড সাহেব লিখিয়াছেনঃ- Some of our readers may not perhaps know the so-called Dacca cheeses, are really all made at Sorail, When made to particular order they are very good. Calcutta Review, Vol XXXV p 326.

    ২৬. All the old indigenous industries of this provinces are deeaying. Such as the muslins and other of the finest cotton fabrics, the coars- er cotton cloths, the brass wars, the wicker work and others. Bengal Administration Report 1874-75.

    ২৭. বিগত দশ বৎসর যাবৎ সমাজের গতি আমরা বিশেষ রূপে লক্ষ্য করিয়া আসিতেছি। এই কাল মধ্যে আমাদের পরিচিত যে সকল বালক বালিকা বিবাহ কালে দ্বাদশ বৎসরের ন্যূন বয়স্কা ছিলেন। ১৩।১৪ বৎসরের বালিকার সংখ্যা অধিক, ১৫। ১৮ বৎসরের বালিকা বোধ হয় মোট সংখ্যার চতুর্থাংশে হইবে। ১৭। ১৮ বৎসরের বালিকার সংখ্যা ৩। ৪ টি মাত্র হইতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলো হাতে সেই মেয়েটি – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    Related Articles

    তপন বাগচী

    রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    August 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }