Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস – শ্রী কৈলাসচন্দ্ৰ সিংহ প্রণীত

    তপন বাগচী এক পাতা গল্প451 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ষষ্ঠ অধ্যায় – চাকলে রোসনাবাদ

    ত্রিপুরার সমতল ক্ষেত্র মুসলামনগণ ক্রমে ক্রমে অধিকার করিয়াছিলেন, তাহা পূর্বে বর্ণিত হইয়াছে। ১১৪২ ত্রিপুরাব্দে মির হবিবের দ্বারা ত্রিপুরার সমতলক্ষেত্র শেষবার সম্পূর্ণ রূপে অধিকৃত হয়। এই সময় তাহাকে রোসনাবাদ আখ্যা প্রদান করা হইয়াছিল। এই রোসনাবাদ চাকলা তৎকালে ২৪টি পরগণায় বিভক্ত ছিল। দাউদপুর পরগণা তাহার অন্যতম। অল্পকাল পরে দাউদপুরের মুসলমান জমিদারগণ তাহা রোসনাবাদ হইতে খারিজ করিয়া লইয়াছিলেন। সুতরাং মির হবিবের ত্রিপুরা বিজয়ের পর ত্রিপুরেশ্বর ২৩টি পরগণা মাত্র জমিদারী স্বরূপ প্রাপ্ত হন। ক্রমে রোসনাবাদ ৫৩পরগণায় বিভক্ত হইয়াছে। প্রধানত রাজপরিবারের যৌতুক (যুলাই) দ্বারা এবং ত্রিপুরেশ্বরের প্রাচীন কর্মচারিগণ কর্তৃক (স্ব স্ব নাম চিরস্মরণীয় করিবার জন্য) এক একটি বৃহৎ পরগণার কিয়দংশ দ্বারা (স্বয়ং তালুক স্বরূপ গ্রহণ॥ ৫৩৯॥ করত স্ব স্ব নামে) ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এক একটি পরগণা সৃষ্ট হইয়াছিল। যুবরাজ চম্পকরায় মহারাজ রত্নমাণিক্যের সময়ে নুরনগরের শাসন কর্তৃত্বে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি নুরনগরের কিয়দংশ দ্বারা জয়দেবনগর নামক পরগণা সৃষ্টি করিয়াছিলেন। প্রকৃতপক্ষে রোসনাবাদ মধ্যে নুরনগর, মেহেরকুল, বগাসাইর, তীষ্ণা, ও খণ্ডল এই ৫টি মূল ও বৃহৎ পরগণা ছিল। এই ৫টি দ্বারা মির হাবিবের সময় ২৪টি পরগণা গণনা করা হয়। এই ২৪টি হইতে দাউদপুর খারিজ হইয়া ২৩টি ছিল। ১৮৬১- ৬৪ খ্রিস্টাব্দের রেভিনিউ সার্বেকালে। রোসনাবাদ মধ্যে ৫৩টি পরগণা প্রাপ্ত হওয়া গিয়াছে। উক্ত সার্বে কাগজ দৃষ্টে পরগণা সমূহের ভূমির পরিমাণ এস্থলে উদ্ধৃত হইল।

    রেভেনিউ সার্বেয়ার স্মার্ট সাহেব স্বীয় রিপোর্টে পরগণা সমূহের ভুমির যে পরিমাণ লিখিয়াছেন, তাহা আমাদের সংগৃহীত কাগজের সহিত অনৈক্য হইতেছে। এজন্য এস্থানে উভয় পরিমাণ প্ৰদৰ্শিত হইল।॥৫৪০।।

    রেভেনিউ সার্বেয়ার স্মার্ট সাহেব স্বীয় রিপোর্ট
    রেভেনিউ সার্বেয়ার স্মার্ট সাহেব স্বীয় রিপোর্ট

    ইংরেজ কর্তৃপক্ষগণের লিখিত রিপোর্ট সমূহে চাকলে রোসনাবাদের পরিমাণ ৩৭৭১০০ একর বা ৫৮৯ বর্গমাইল লিখিত আছে। আমাদের সংগৃহীত সার্বে কাগজ অনুসারে ভূমির পরিমাণ এইরূপ হইতেছে :

    বিভাগ একর কড পোল
    উত্তর বিভাগ ১৪১০৯৬ ৩ ১৩
    সদরকাচারী মোগরা মধ্যবিভাগ ১৪২৩৮৫ ৩ ২৩
    সদরকাচারী কুমিল্লা দক্ষিণ বিভাগ ৮৩৮৫২ ৩ ১৭
    সদরকাচারী ফেণী ৩৬৭৩৩৫ ১ ১৩

    উমাকান্ত বাবুর মন্ত্রীত্বকালে, তিনি ১৩০০ ত্রিপুরাব্দের যে বার্ষিক বিজ্ঞাপনী প্ৰকাশ করিয়াছিলেন, তাহাতে মহারাজের জমিদারীর ভূমি ও স্থিতের তালিকা নিম্নলিখিত রূপ প্রদত্ত হইয়াছে।॥৫৪৪

    বিভাগ সদরকাচারী ভূমির পরিমাণ (একর) স্থিত টাকা
    দক্ষিণ বিভাগ ফেণী ৭৯৫০২ ২০০৩৬৪ দুই আঃ ৮ পাঃ
    মধ্যবিভাগ কুমিল্লা ১৪৬১৮৬ ২৯৭১২৫ ছয় আঃ ৬ পাঃ
    উত্তরবিভাগ মোগরা ১৪০৯৪৩ ১২১৬৫৭ চার আঃ ৩ পাঃ
    শ্রীহট্ট বিভাগ লাহারপুর ২৯০০০ ২৫৬৫৫ আট আঃ ৭ পাঃ
    সর্বশুদ্ধ ৩৯৫৬৩১ ৬৪৪৮০২ নয় আঃ ১১ পাঃ৪

    ফেণী অর্থাৎ দক্ষিণ বিভাগ নওয়াখালী জেলার অধীন। চাকলে রোসনাবাদ ব্যতীত নওয়াখালী জেলার মধ্যে মহারাজের অতি অল্প পরিমাণ অন্য জমিদারী আছে। মধ্যবিভাগ মধ্যে জেলা ত্রিপুরার প্রধান নগরী কুমিল্লা অবস্থিত। এই বিভাগ সম্পূর্ণ ত্রিপুরা জেলার অন্তর্ভুক্ত হইয়াছে।

    উত্তর বিভাগের অধিকাংশ ত্রিপুরা জেলার মধ্যে অবস্থিত। মন্তলা প্রভৃতি কয়েকটি ক্ষুদ্র পরগণা শ্রীহট্ট জেলার অন্তর্ভুক্ত হইয়াছে।

    লাহারপুর কাচারির অধীন শ্রীহট্ট বিভাগ, চাকলে রোসনাবাদের অন্তর্গত নহে। মহারাজ রামগঙ্গা মাণিক্য কিরূপ শ্রীহট্টের অন্তর্গত জমিদারী ক্রয় করেন, তাহা পূর্বে বর্ণীত হইয়াছে। তদনন্তর মহারাজা কৃষ্ণকিশোর মাণিক্য বাহাদুর কয়েকটি মহাল ক্রয় করত তাহার পরিমাণ বৃদ্ধি করিয়াছেন।

    পূর্বে বর্ণীত হইয়াছে যে, মহারাজ কৃষ্ণ মাণিক্যের শাসনকালে ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারী মাসে নুরনগর (কসবা) ॥৫৪৫॥ নগরে প্রথম ব্রিটিস বিজয়বৈজয়ন্তী উড্ডীন হইয়াছিল। এই সময় ইষ্টইণ্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারিগণ রোসনাবাদের শাসনকার্য্যে হস্তক্ষেপ করেন। রেসিডেন্ট লিক সাহেব রোসনাবাদের প্রথম শাসনকর্তা। ১৭৬২ খ্রিস্টাব্দের ইংরেজ কর্তৃপক্ষগণ রোসনাাদের রাজস্ব ১০০০০১ টাকা ধার্য্য করেন।

    ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দের ১২ই আগষ্ট সম্রাট সাহা আলম ইষ্টইণ্ডিয়া কোম্পানিকে বাঙ্গালা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী পদ প্রদান করেন। তদনন্তর কোম্পানির কর্মচারীগণ রোসনাবাদের রাজস্ব আদায় ও শাসনকাৰ্য্য নির্বাহ জন্য নানা প্রকার বন্দোবস্ত করিয়াছেন।

    পূর্বে বর্ণীত হইয়াছে ১৭৬৭ খ্রিস্টাব্দে বলরাম মাণিক্যের হস্তে রোসনাবাদের শাসনভার অর্পিত হইয়াছিল। অল্পকাল পরে পুনর্বার কৃষ্ণ মাণিক্য স্বীয় অধিকার প্রাপ্ত হন।

    ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দের (১১৯২ ত্রিপুরাব্দে) রেসিডেন্ট লিক সাহেব স্বহস্তে রোসনাবাদের শাসনভার গ্রহণ করেন। এই সময় মহারাজ কৃষ্ণমাণিক্যের ভ্রাতুষ্পুত্র (ত্রিপুরার ভাবী নরপতি) “রাজধর ঠাকুর” কোম্পানির প্রতিকূলে অস্ত্রধারণ করিবার জন্য প্রস্তুত হইয়াছিলেন বলিয়া রেসিডেন্ট গবর্ণমেন্টে রিপোর্ট করেন। যদিচ নানাবিধ কারণে এবপ্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা সূত্রপাত হইয়াছিল, কিন্তু সুখের বিষয় যে, প্রকৃতপক্ষে ॥৫৪৬॥ তদ্রূপ কোন ঘটনা হয় নাই। ১৭৮৩ খ্রিস্টাব্দে মহারাজ কৃষ্ণমাণিক্য পরলোক গমন করেন। তদনন্তর কিছুকাল তাঁহার পত্নী জাহ্নবী দেবী রাজ্য শাসন করিয়াছিলেন। ১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দের গবর্ণমেন্টের অনুমতি মতে রেসিডেন্ট লিক সাহেব মৃত রাজার ভ্রাতুষ্পুত্র উল্লিখিত রাজধর ঠাকুরকে ত্রিপুরায় সিংহাসনে অভিষিক্ত করেন। কিন্তু ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দের (১২০২ ত্রিঃ অঃ) পূর্বে রোসনাাদের শাসনভার সম্পূর্ণরূপে তাহার হস্তে অর্পিত হয় নাই।

    প্রায় দশ বৎসর কাল লিক, কেম্পবল, বুলার প্রভৃতি রেসিডেন্ট সাহেবগণের হস্তে রোসনাবাদের শাসনকাৰ্য্য ন্যস্ত ছিল। কিন্তু তাঁহারা মহারাজ ও তাঁহার কর্মচারিগণের যোগে শাসনকাৰ্য্য নির্বাহ করিতেন। রেসিডেন্ট সাহেবগণের কর্তৃত্বাধীনে চাকলে রোস- নাবাদ জরিপ হইয়াছিল।

    তৎকালে চাকলে রোসনাবাদের অন্তর্গত নুরনগর, বিশালগড়, ধর্মপুর, গোপীনাথপুর, উত্তর গঙ্গানগর ও চম্পকনগর প্রভৃতি পরগণার অধিকাংশ অরণ্যপূর্ণ ছিল। মহারাজ তাহার বনকর প্রভৃতি (শুল্ক) দ্বারা বার্ষিক প্রায় ৩০৭৬২ টাকা “সায়রত” জমা প্রাপ্ত হইতেন। রেসিডেন্ট বুলার সাহেবের যত্নে ১৭৮৮ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে উল্লিখিত সায়রত জমা বন্ধ হইয়া যায়। ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ই আগষ্ট সেই মর্ম্মে বুলার সাহেব এক ঘোষণাপত্র প্রচার করেন। ॥৫৪৭

    ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দের মহারাজ রাজধর মাণিক্যের সহিত চাকলে রোসনাবাদের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হয় এবং ইংরেজ কর্তৃপক্ষগণ রোসনাবাদের শাসনভার সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করেন। তৎকালে উল্লিখিত সায়রত জমা ২৮০০০ টাকা বাদে শিক্কা ১৩৭০০১ টাকা রোসনাবাদের রাজস্ব অবধারিত হয়। ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দের ৫ই এপ্রিল (১২১২ বঙ্গাব্দের ৭ই বৈশাখ) মহারাজ রামগঙ্গামাণিক্য হইতে রোসনাবাদের জন্য গবর্নমেন্ট যে কবুলিয়ত গ্রহণ করেন, তাহাতে শিক্কা ১৩৯৬৭৬ টাকা বার্ষিক রাজস্ব লিখিত আছে। ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দের ২রা মার্চ (১২৩৬ বঙ্গাব্দের ২০শে ফাল্গুন) মহারাজ কৃষ্ণকিশোর মাণিক্য রোসনাবাদের জন্য এক কবুলিয়ত দাখিল করেন, তাহাতে রাজস্বের কোন পরিবর্তন হয় নাই। তৎপর একশত বিঘার অধিক পরিমাণ অসিদ্ধ নিষ্করের জন্য (৮০০০-৩৩৭৩০৩=) ৪৬২৬ সাত আনা ৯ পাই টাকা এবং শিক্কা ১৩৯৬৭৬ টাকার পরিবর্তে কোম্পানির মুদ্রা ১৪৮৯৮৪ টাকা এগার আনা ৯ পাই সংযুক্ত করত সর্বশুদ্ধ ১৫৩৬১৪ টাকা আনা ৬ পাই মহারাজ ঈশানচন্দ্র মাণিক্য ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দের ২১শে মে (১২৬২ বঙ্গাব্দে ৮ই জ্যৈষ্ঠ) “কোম্পানী বাহাদুর” সমীপে একখানা কবুলিয়ত প্ৰদান করেন। অধুনা তদনুসারে রোসনাবাদের রাজস্ব পরিশোধ হইতেছে।

    রোসনাবাদ মধ্যে অনেক প্রকার নিষ্কর ও মধ্যস্বত্বের তালুক আছে। উত্তর বিভাগস্থিত নুরনগর ও তৎসামিলা ॥৫৪৮॥ পরগণা সমূহ ব্যতীত মধ্য দক্ষিণ বিভাগে তালুকের সংখ্যা নিতান্ত অল্প। মকররী তালুকগুলি অপেক্ষাকৃত প্রাচীন। দুর্বল ও অনভিজ্ঞ লাখেরাজদারবর্গের মস্তকে কুঠারাঘাত করিয়া বিপিনবিহারী গোস্বামী কতকগুলি পত্তনি তালুক সৃষ্টি করিয়াছিলেন। তদনন্তর বর্তমান মহারাজ আরও কতকগুলি পত্তনি তালুক প্রদান করিয়াছেন। কতকগুলি পরিবর্ত্তনশীল জমার তালুক আছে, সম্পূর্ণরূপে না হইলেও তাহার প্রকৃতি নুরনগর পরগণার ঐ শ্রেণীর তালুকের সদৃশ।

    পূর্বে বর্ণীত হইয়াছে যে, মহারাজ ঈশানচন্দ্র মাণিক্য বাহাদুরের শাসনকালে গুরু বিপিনবিহারী গোস্বামী রোসনাবাদের অন্তর্গত সর্বপ্রকার নিষ্কর বাজেয়াপ্ত করিবার জন্য বদ্ধ পরিকর হইয়াছিলেন। তৎকালে (১৮৬১ খ্রিঃ) তিনি প্রকৃতপক্ষেই লোভে উন্মত্ত হইয়া উঠিয়াছিলেন, সিদ্ধ, অসিদ্ধ কিম্বা ১০০ বিঘার উর্দ্ধ নিষ্কর বলিয়া তাঁহার জ্ঞান ছিল না। “লাখেরাজ” আঘ্রাণ পাইলেই তাহা কিরূপ বাজেয়াপ্ত করিবেন সেই চিন্তায় তিনি উন্মত্ত হইয়া উঠিতেন। কতকগুলি দুর্বল, অনভিজ্ঞ লাখেরাজদরকে ছলে বলে ও কৌশলে করতলস্থ করিয়া সেই সকল লাখেরাজ বাজেয়াপ্ত করত কতকগুলি তালুক সৃষ্টি করিয়া গিয়াছেন। যে সকল ॥৫৪৯॥ লাখেরাজদার করদানে সম্পূর্ণ অসম্মত হইলেন, তাহাদের নামে লাখেরাজ বাজেয়াপ্ত করিবার জন্য প্রায় লক্ষাবধি টাকা খরচ করিয়া অনেকগুলি মোকদ্দমা উপস্থিত করা হইল। কিন্তু দুর্ভাগ্য বসত তাঁহার আশা সফল হইল না।

    কতকগুলি এক তরফা ব্যতীত বিতর্কিত মোকদ্দমায় রাজসরকার পরাজিত হইলেন।

    এই শ্বাপদ সঙ্কুল, অনার্য প্লাবিত অরণ্যময় প্রদেশে আর্য্য উপনিবেশ স্থাপন জন্য প্রাচীন নরপতিগণ যে মুক্ত হস্তে নিষ্কর প্রদান করিতে বাধ্য হইয়াছিলেন, তাহা মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করিতে হইবে। বাঙ্গালার পূর্ব সীমান্তে যেরূপ ত্রিপুরা অবস্থিত, তদ্রূপ বাঙ্গালার পশ্চিম সীমান্তে বিষ্ণুপুর ও পঞ্চকোট রাজ্য অবস্থিত ছিল। বিষ্ণুপুর রাজ্য বিনষ্ট হইয়া গিয়াছে, কিন্তু পঞ্চকোটের নাম অদ্যাপি বিলুপ্ত হয় নাই। সেই পঞ্চকোটের পরিমাণ তিনটি চাকলে রোসনাবাদের সমান হইবে। সেই পঞ্চকোট রাজ্যের দুই তৃতীয়াংশ ভূমি লাখেরাজ ও জায়দীরদারদিগের অধিকৃত। বর্তমান ত্রিপুরেশ্বর যৎকালে ত্রিপুরাজাতির জলাচরণ জন্য দেশবাসীর সহিত কলহ করিতেছিলেন, তৎকালে জলতরঙ্গের পৃষ্ঠপোষক স্বীয় অনুচর দ্বারা “সাময়িক সমালোচনার সমালোচনা ও মীমাংসা” নামক এক পুস্তিকা প্রকাশ করেন, উক্ত গ্রন্থের ২৭ পৃষ্ঠায় লিখিত আছে :- “ত্রিপুরারাজগণ পুরুষানুক্রমে দেবতা ॥৫৫০॥ দ্বিজ এবং গুরুভক্তি পরায়ণ। ত্রিপুর রাজত্বের প্রায় অৰ্দ্ধাংশ ভূমি দেব ব্রহ্মত্র এবং পুরস্কারস্বরূপ প্রদত্ত হইয়াছে, এরূপ বলিলে অত্যুক্তি হয় না।” এই বর্ণনা অত্যুক্তিপূর্ণ হইলেও ইহা স্বীকার করিতে হইবে যে, প্রাচীন ত্রিপুরেশ্বরগণ তাঁহাদের অধিকৃত প্রদেশে ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, বৈদ্য প্রভৃতি উচ্চ শ্রেণীর হিন্দুগণকে উপনিবিষ্ট করিবার জন্য প্রচুর পরিমাণে নিষ্কর দান করিয়া গিয়াছেন। কিন্তু অধুনা রাজবংশীয় দিগের প্রকৃতি অন্যরূপ হইয়া দাঁড়াইয়াছে। ইহারা তাঁহাদের পূর্বপুরুষদত্ত লাখেরাজ কিরূপ বাজেয়াপ্ত করিবেন। সেই চিন্তায় মগ্ন হইয়াছেন। কৃত্রিম লাখেরাজের দোহাই দিয়া তাঁহারা সর্বপ্রকার নিষ্কর গ্রাস করিতে সমুদ্যত হইয়াছেন। গুরুবিপিনবিহারী যে সমস্ত লাখেরাজ বাজেয়াপ্তের মোকদ্দমা উপস্থিত করিয়াছিলেন, তন্মধ্যে সিঙ্গারবিল নিবাসী উজির বংশধর শিবজয় ঠাকুর, চৌদ্দগ্রাম নিবাসী উমাকান্ত সেন বাহাদুর, বানাসুয়া নিবাসী উদয় চন্দ্ৰ বিশ্বাস এবং লেসীয়াড়া নিবাসী গৌরচন্দ্র ভট্টাচার্য্য প্রভৃতির নামীয় মোকদ্দমা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।[৯] এই সকল মোকদ্দমা ॥৫৫১।। বিশেষ তর্কের সহিত আপীল আদালত পৰ্য্যন্ত চলিয়াছিল এবং সমস্ত গুলিতে লাখেরাজদারগণ জয়লাভ করেন।

    যে সকল মোকদ্দমা একতরফা সূত্রে রাজসরকারের অনুকূলে নিষ্পত্তি হইয়াছিল, তন্মধ্যে অল্প কয়েকটি মোকদ্দমায় ॥৫৫২॥ বাজেয়াপ্ত ভূমিতে কর ধার্য্য হয়। অবশিষ্ট গুলির তদ্বির চালাইতে রাজসরকার বিবিধ কারণে সঙ্কোচিত হইয়াছিলেন। দীর্ঘকাল পরে সেই সকল “একতরফা” মোকদ্দমা গুলিকে বর্তমান মহারাজ পুনর্জীবিত করিতে চেষ্টা করিয়াছিলেন। কলিকাতা হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতিগণ সেই পন্থা রুদ্ধ করত গরিব লাখেরাজদারদিগকে রক্ষা করিয়াছেন।[১০] ॥৫৫৩॥

    .

    টীকা

    ১. ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৪ঠা ডিসেম্বর ত্রিপুরা জেলার সার্বে কার্য্য আরম্ভ হয়। ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে মে মাসে তাহা সম্পূর্ণ হইয়াছিল।

    ২. Smart’s Report of the District of Tipperah. pp / 15.16

    ৩. এই ক্ষুদ্র পরগণার নুরনগরের অন্তর্ভুক্ত।

    ৪. স্মার্টের তালিকায় এই সকল পরগণার নাম নাই।

    ৫. মন্তলা, মণিপুরের সহিত পরিমাপ হইয়াছে।

    ৬. জয়দেব নগরের সহিত পরিমাপ হইয়াছে।

    ৭. স্মার্ট এই দুইটি পরগণা মেহেরকুল ভুক্ত করিযাছেন।

    ৮. Hunter’s Bengal Ms. Records Vol. I. P/ 36

    ৯. এই সকল মোকদ্দমার মধ্যে ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দে ২৩৬ নং বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২৩৬ নং মোকদ্দমার সুদীর্ঘ নিষ্পত্তিপত্রে ত্রিপুরার প্রধান সদর আমিন বাবু জগবন্ধু বন্দোপাধ্যায় পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে সুদীর্ঘ মন্তব্য প্ৰকাশ করিয়াছেন*। আপীল আদালত তাঁহার নিষ্পত্তি বহাল রাখেন। লাখেরাজ বাজেয়াপ্তের অনেকগুলি মোকদ্দমায় লাখেরাজদার কালেক্টরির মহাফেজখানায় রক্ষিত মিনাহি তেরিজের নকল দাখিল করেন। রাজ সরকার পক্ষে এই সকল কাগজ অপ্রামাণ্য বলিয়া আপত্তি উত্থাপন করেন। কিন্তু মহারাজ কৃষ্ণকিশোর মাণিক্য, রামলোচন বর্দ্ধন প্রভৃতির নামীয় জমানি খণ্ডের মোকদ্দমায় ১২৪৯ সনের ১০ই পৌষ এক দরখাস্ত দ্বারা উক্ত মিনাহী কাগজ অনুসারে রাজ সরকারের প্রতিকূলে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করিয়াছেন। দৃষ্টান্ত স্বরূপ একটি মোকদ্দমার নিদর্শন এস্থলে প্রদত্ত হইল।
    ত্রিপুরার জজ আদালত, আপীল নং ২৭, সন ১৮৬৩ ইং। ত্রিপুরার প্রধান সদর আমিন শ্রীযুক্ত বাবু জগবন্ধু বন্দোপাধ্যায়ের সন ১৮৬৩ ইং ১৯ শে জানুয়ারীর নিষ্পত্তি অস্বীকারে আপীল।
    বীরচন্দ্র ঠাকুর আপীলান্ট। রামজয় বর্ম্মণ গং রেস্পাডেন্ট। ১৮৬৩ ইং ১৮ ই আগষ্ট আপীল ডিসমিস হইয়াছিল।

    ১০. Indian Law Reports, Calcutta Series. Vol. XVI. PP. 449-450.

    * বীরচন্দ্র যুবরাজ বাদী, উদয়চন্দ্র বিশ্বাস গং বিবাদী, ১৮৬১ ইং ৩৭৪ নং ২৯শে ডিসেম্বরের নিষ্পত্তিপত্র দ্রষ্টব্য

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলো হাতে সেই মেয়েটি – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    Related Articles

    তপন বাগচী

    রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    August 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }