Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস – শ্রী কৈলাসচন্দ্ৰ সিংহ প্রণীত

    তপন বাগচী এক পাতা গল্প451 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজমালা ২.১

    প্রথম অধ্যায়

    চন্দ্রবংশীয় সুবিখ্যাত নরপতি যযাতির চতুর্থ পুত্র অনুববংশে বলি নামে এক নরপতি ছিলেন। বলিরাজ-পত্নী মহর্ষি দীর্ঘতমার ঔরসে পাঁচটি পুত্র লাভ করেন। বলির ক্ষেত্রজ পুত্রগণ অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, সুহ্ম ও পুণ্ড্র আখ্যা প্রাপ্ত হন। তাঁহারাই পূর্ব ভারত পাঁচ ভাগে বিভক্ত করিয়া এক একটি প্রদেশের রাজদণ্ড ধারণ করেন। স্থাপয়িতার নামানুসারে সেই সেই রাজ্য অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, সুহ্ম ও পুণ্ড্র আখ্যায় পরিচিত হইয়াছিল।

    কামরূপের দক্ষিণ সীমা হইতে রাক্ষিয়াং (আরাকান) পর্য্যন্ত[১] ১) বিস্তৃত, ব্ৰহ্মপুত্র ও সমুদ্রের পূর্বদিকস্থ সমগ্র ভূমি প্রাচীনকালে সুহ্ম নামে পরিচিত ছিল। মহাভারতের সভ্য পর্বে, পূর্বদিগ্বিজয়ী দ্বিতীয় পাণ্ডব ভীম কর্তৃত সুহ্ম, দেশীয় নরপতির পরাজয় বৃত্তান্ত বর্ণিত হইয়াছে। তাহাতে লিখিত আছে যে, “বিজয়ী ভীম মোদাগিরি (মুঙ্গের) হইতে পুণ্ড্রাধিপতি বাসুদেবের প্রতি ধাবমান হইয়াছিলেন, তদনন্তর তিনি কৌশকিকচ্ছ পতিকে জয় করত বঙ্গ দেশীয় নরপতি সমুদ্র সেন ও চন্দ্র সেন এবং তাম্রলিপ্ত এবং কর্বটাধিপতিকে বিজিত করিয়া, সুহ্মদেশাধিপতি ও সাগর তীরবাসী ম্লেচ্ছগণকে জয় করিয়াছিলেন।[২] দক্ষিণ দিগ্বিজয়ী সহদেবের বিজয় বৃত্তান্তে যে ত্রিপুরার উল্লেখ আছে, তাহা আধুনিক ঝববলপুরের নিকটবর্ত্তী পরিত্যক্ত নগরী “তিওর” বলিয়া নির্ণীত হইয়াছে।[৩] প্রকৃত পক্ষে হৈহর বংশীয়দিগের রাজধানী ত্রিপুরীকে ভারতের পূর্ব (২) প্রান্ত স্থিত ত্রিপুরা অবধারণ করিতে যত্নবান হওয়া, নিতান্ত ভ্রমাত্মক কাৰ্য্য।[৪]

    কবিচূড়ামণি কালিদাস রঘুবংশ নামক কাব্যগ্রন্থে সুহ্মদেশকে মহাসাগরের “তালীবন শ্যাম উপকণ্ঠ” বলিয়া বর্ণনা করিয়াছেন।(৩)

    প্রাচীন কালে সুহ্মদেশ অনেকগুলি ক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত ছিল। সেই রাজ্য সমূহের ভৌগলিকত্ব কিংম্বা ধারাবাহিক ইতিহাস সংগ্রহ করা নিতান্ত সুকঠিন। আধুনিক কুমিল্লা ও তৎসন্নিহিত প্রদেশ শকাব্দের ষষ্ঠ শতাব্দে “কমলাঙ্ক” আখ্যা দ্বারা পরিচিত ছিল। চীনপরিব্রাজক হিয়োন সঙ সমতট (বঙ্গ) রাজ্যের পূর্ব দক্ষিণ দিকে কমলাঙ্ক রাজ্যের স্থিতি স্থান নির্দ্দেশ করিয়াছেন। কালিদাসের ন্যায় তিনিও কমলাঙ্ককে সাগর তীরবর্ত্তী দেশ বলিয়া বর্ণনা করিয়াছে বলা বাহুল্য যে তৎকালে সাগর সঙ্গম জন্য নদরাজ ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনাদকে ঝাপ্‌টার মোহনা অতিক্রম করিতে হয় নাই।

    শকাব্দের দশম শতাব্দীতে কুমিল্লার পশ্চিমদিকস্থ পাটিকাড়া নামক স্থানে “কমলাঙ্ক” রাজ্যের রাজধানী ছিল।

    ব্রহ্মার ইতিহাস “মহারাজোয়াং” গ্রন্থে লিখিত আছে যে, ৯৭৯ শকাব্দে ব্রহ্মরাজ “খ্যানশিশা” সিংহাসন আরোহণ করেন।[৫] তৎকালে পাটিকাড়ার জনৈক রাজকুমার ব্রহ্মরাজ্যে (৪) গমণ করিয়াছিলেন। ব্রহ্মরাজ খ্যানশিশা স্বীয় একমাত্র দুহিতাকে সেই রাজকুমারের করে সমর্পণ করিতে প্রস্তুত হইলেন। কিন্তু অমাত্যবর্গ ও রাজ্যের প্রধান প্রধান ব্যক্তিগণ এই বিবাহ প্রস্তাব পণ্ড করিবার জন্য বদ্ধপরিকর হইলেন। “কোলা” অর্থাৎ বিদেশী ব্রহ্মরাজ দণ্ডের অধিকারী হইবেন, ইহা তাঁহাদের পক্ষে নিতান্ত অসহনীয় বোধ হইল। মনুষ্য ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে নিতান্ত অন্ধ। অমাত্যবর্গ যদিও পাটিকাড়ার রাজকুমারের সহিত ব্রহ্মরাজকুমারীর বিবাহ প্রস্তাব পণ্ড করিতে কৃতসঙ্কল্প হইয়াছিলেন তথাপি অল্পকালমধ্যে ইহা প্রচারিত হইল যে, সেই রাজপুত্রের সহযোগে ব্রহ্মরাজকুমারীর গর্ভসঞ্চার হইয়াছে। কালক্রমে সেই গর্ভে ভাব্রিহ্মরাজ আলংশিশু জন্ম গ্রহণ করেন। কিন্তু আলংশিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পূর্বে তাঁহার জনক আত্মহত্যা করিয়াছিলেন। শৈশবেই আলংশিশু স্বীয় মাতামহ কর্তৃক যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত হইলেন, এবং মাতামহের মৃত্যুর পর তিনি সিংহাসন আরোহণ পূর্বক প্রবল বিক্রমে ৭৫ বৎসর ব্রহ্মরাজ্য শাসন করিয়াছিলেন। আলংশিশু রাজদণ্ড ধারণ পূর্বক প্রথমেই পিতৃভূমি সন্দর্শন জন্য পাটিকাড়ায় আগমন করিয়াছিলেন। আলংশিশু ও তাহার উত্তরবর্ত্তি পুরুষগণ ২০৬ বৎসর ব্রহ্মরাজ্য শাসন করিয়াছিলেন। তাঁহারা সর্বদা পাটিকাড়া রাজবংশের সহিত জ্ঞাতিত্বভাব রক্ষা করিতে যত্নবান ছিলেন। ॥৫॥

    ১১৪১ শকাব্দের এক খণ্ড তাম্রশাসন পাঠে জ্ঞাত হওয়া যায় যে, রণবঙ্কমল্ল নামক জনৈক নরপতি কমলাঙ্ক, পাটিকাড়া প্রভৃতি স্থানে রাজদণ্ড পরিচালন করিয়াছিলেন। “মহারাজোয়াং” গ্রন্থে যে পাটিকাড়া রাজবংশের উল্লেখ রহিয়াছে, আমাদের বিবেচনায় রণবঙ্কমল্ল সেই বংশীয় নরপতি। আধুনিক মেহেরকুল, পাটিকাড়া গঙ্গামণ্ডল ও তৎসন্নিহিত পরগণাগুলি এই রাজবংশের শাসনাধীন ছিল।

    কমলাঙ্ক বা পাটিকাড়া রাজ্যের পূর্বদিকে রাঙ্গামাটীয়া নামে একটি রাজ্য ছিল। এই রাজ্যের দক্ষিণ পার্শ্বে অবস্থিত প্রদেশ যে কতগুলি ক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত ছিল, তাহা এখন নির্ণয় করা সুকঠিন।

    প্রবাদ অনুসারে আধুনিক চৌদ্দগ্রাম ও তৎসন্নিহিত স্থানে ভবচন্দ্র নামে এক নরপতি রাজত্ব করিয়া গিয়াছেন। উক্ত নরপতির সম্বন্ধ বহুবিধ অলৌকিক গল্প শ্রুত হওয়া যায়।[৬] ভুলুয়া নামক স্থানে সুরবংশীয় নরপতিগণ দীর্ঘকাল রাজদণ্ড পরিচালনা করিয়াছিলেন। উত্তরকালে ভুলুয়া রাজগণ ত্রিপুরেশ্বর দিগের সর্ব প্রধান সামন্ত বলিয়া পরিচিত হন।

    রাঙ্গামাটিয়া রাজ্যের দক্ষিণ পার্শ্বে আর একটি স্বতন্ত্র রাজ্য (৬) ছিল। স্বাধীন ত্রিপুরার অন্তর্গত বিলনীয়া উপবিভাগের মধ্যে বিবিধ স্থানে সেই রাজ্যাধিপতিগণের বাস ভবনের চিহ্ন প্রাপ্ত হওয়া যায়।

    চট্টগ্রাম প্রদেশে আর একটি স্বতন্ত্র হিন্দু রাজবংশ রাজত্ব করিয়া গিয়াছেন। ১১৬৫ শকাব্দের এক খণ্ড তাম্রশাসন পাঠে জ্ঞাত হওয়া যায় যে, দামোদরদেব নামক চন্দ্রবংশীয় জনৈক নরপতি তৎকালে চট্টগ্রাম শাসন করিতেছিলেন। তাঁহার পিতার নাম মধুসুদন দেব, পিতামহের নাম পুরুষোত্তম দেব। তাম্রশাসনে দামোদর দেবকে “সকল ভূপতি চক্রবর্ত্তী” বলিয়া বর্ণনা করা হইয়াছে।

    রাঙ্গামাটিয়ার উত্তর দিকস্থ প্রদেশে কতগুলি স্বতন্ত্র রাজ্য ছিল, তাহা এখন নির্ণয় করা সুকঠিন। কিন্তু তরপ, শ্রীহট্ট লাউর, প্রভৃতি স্থান যে সকল রাজবংশ শাসন দণ্ড পরিচালন করিয়াছেন, তাঁহারা অপ্রাচীন নহেন।

    বর্তমান ত্রিপুর রাজবংশের পূর্ব পুরুষগণ আধুনিক কাছাড় প্রদেশের উত্তর প্রান্ত হইতে কিরূপে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হইয়া চট্টলাচল পর্য্যন্ত আপনাদের করতলস্থ করিয়াছিলেন, এক্ষণে আমরা তাহার উল্লেখ করিব।

    প্রাচীনকালে ব্রহ্মদেশের উত্তরভাগে শ্যানবংশীয়গণ প্রবল বিক্রমে রাজদণ্ড পরিচালন করিতে ছিলেন। এই রাজ্য “পোয়াং” আখ্যায় আখ্যাত হইত। “মাগুয়াং” নগরী ॥৭॥ পোয়াং রাজ্যের রাজধানী ছিল। এই শ্যানবংশের এক শাখা কামরূপের পূর্বাংশে একটি স্বতন্ত্র রাজ্য স্থাপন করেন। এই রাজ্যের অধিপতিগণ “ফা” উপাধি ধারণ করিতেন। পার্বত্য মানব দিগের দ্বারা “ফা” বংশীয়গণ কামরূপ হইতে তাড়িত হইয়াছিলেন। রাজ্যভ্রষ্ট নরপতির জ্যেষ্ঠ পুত্র আধুনিক নাগাপর্বতে একটি স্বতন্ত্র রাজ্য স্থাপন করেন, ইহাই প্রাচীন কাছাড় বা কৃত্রিম হেরম্ব রাজ্য। দিমাপুর তাহার আদিম রাজধানী। সেই হৃতরাজ্য কামরূপপতির কনিষ্ঠ পুত্র অগ্রজের ন্যায় আধুনিক কাছাড় প্রদেশের উত্তরাংশে দ্বিতীয় রাজ্য স্থাপন করেন। ইহা প্রাচীন “তৃপুরা” বা “ত্রীপুরা” রাজ্য। এই “তৃপুরা” বা “ত্রীপুরা” শব্দ হইতে আধুনিক ত্রিপুরা নামের উৎপত্তি।

    ক্রমে এই “তৃপুরা” রাজ্য প্রবল পরাক্রমশালী হইয়া উঠে। গুপ্ত সম্রাটদিগের ভারত শাসন কালে তৃপুরা গণনীয় রাজ্য শ্রেণীতে স্থান প্রাপ্ত হইয়াছিল। মহারাজাধিরাজ সমুদ্র গুপ্তের লাট-প্রস্তর লিপির দ্বাবিংশ পংক্তিতে লিখিত আছে যে, সমতট (বঙ্গ), কামরূপ, নেপালক, বেং তৃপুরা প্রভৃতি প্রত্যন্ত রাজ্যের অধিপতিগণ সমুদ্র গুপ্তকে করদান করিয়াছিলেন। সমতটও কামরূপের নিকটবর্ত্তী প্রতন্ত্যরাজ্য “তৃপুরা” আমাদের এই ত্রিপুরা ব্যতীত অন্য কোন রাজ্য হইতে পারে না। সমুদ্র গুপ্ত শকাব্দের চতুর্থ শতাব্দীর পূর্ববর্ত্তী ॥৮॥ নরপতি; সুতরাং “তৃপুরা” তদপেক্ষা প্রাচীন নির্ণীত হইতেছে।

    ভারতে এক্ষণ যে সকল রাজ্য বর্ত্তমান আছে; তন্মধ্যে “তৃপুরা” সর্বাপেক্ষা প্রাচীন। মিবারের ভট্টকবিগণ যাহাই বলুন না কেন মিবার ও তৃপুরার ন্যায় প্রাচীন নহে। সমুদ্রগুপ্তের পৌত্র কুমারগুপ্তের সেনাপতি ভট্টার্ক কণক সেনকে মিবার রাজবংশের আদি পিতা বলিয়া স্বীকার করা হইয়াছে। অথচ এই ভট্টার্ক সেনাপতির পিতামহের সময়ে যে “তৃপুরা” রাজ্য বর্তমান ছিল, লাটপ্রস্তর লিপিই তাঁহার প্রমাণ।

    প্রবাদ অনুসারে জনৈক প্রাচীন ত্রিপুরা নরপতি দিগ্বিজয় উপলক্ষে গঙ্গার পশ্চিমতীরে বিজয় বৈজয়ন্তী উডডীন করিয়া সেই ঘটনা চিরস্মরণীয় করিবার জন্য একটি অব্দ প্রবর্তিত করেন। ইহাই অধুনা “ত্রিপুরাব্দ” নামে পরিচিত। ১৮১৬ শকাব্দে, ১৩০৪ ত্রিপুরাব্দ চলিতেছে। সুতরাং ৫১২ শকাব্দ হইতে ইহার গণনা আরম্ভ হইয়াছিল।

    ৬৯৯ শকাব্দে শ্যান রাজার ভ্রাতা শ্যামলুং মাগুয়াং নগরী হইতে দূত স্বরুপ ত্রিপুরায় আগমন করিয়াছিলেন। প্রত্যাবর্তন কালে তিনি মিতাই ভূমির (আধুনিক মণিপুর) মধ্য দিয়া গমন করেন। যে মণিপুরী অর্থাৎ মিতাইগণ অধুনা বক্রবাহনের বংশধর (চন্দ্রবংশীয় ক্ষত্রিয়) বলিয়া॥ ৯॥ আত্ম পরিচয় প্রদানে গৌরবান্বিত হইয়া থাকেন, রাজকুমার শ্যামলু সেই মিতাইগণকে কুকি জাতির ন্যায় উলঙ্গ, নিতান্ত কদাচারী ও হীন অবস্থাপন্ন দর্শন করিয়াছিলেন।

    ত্রিপুর বংশীয়গণ ক্রমে দক্ষিণদিকে রাজ্য বিস্তারের জন্য যত্নবান হইয়া ছিলেন। তাঁহারা ক্রমে উত্তর কাছাড় হইতে মধ্য কাছাড় এবং তথা হইতে দক্ষিণ কাছাড়, এবং সেই স্থান হইতে আধুনিক কৈলাসহর উপবিভাগের অন্তর্গত ফটীয়াখুলী, মাণিকচন্দন, প্রভৃতি বিবিধ স্থানে রাজধানী নির্মাণ করিয়াছিলেন। শ্রীহট্ট জেলার পূর্ব প্রান্তস্থিত বিবিধ স্থানে ইঁহাদের রাজধানীর ভগ্নাবশেষ দৃষ্টিগোচর হইয়া থাকে। ক্রমে ত্রিপুর নরপতিগণ কৈলাসহরের নিকটবর্ত্তী স্থান পরিত্যাগ করিয়া দক্ষিণদিকে অগ্রসর হইতেছিলেন সেই সকল বৃত্তান্ত যথাস্থানে বর্ণিত হইবে।

    ইহা বিশেষরূপে প্রমাণিত হইয়াছে যে, ৫/৬ শতাব্দী পূর্বে আদি কাছাড় অর্থাৎ দিমাপুরের জনৈক নরপতি ত্রিপুর রাজকন্যাকে বিবাহ করিয়া আধুনিক কাছাড় জেলার মধ্যভাগ যৌতুকস্বরূপ প্রাপ্ত হইয়া ছিলেন। কাছাড় জেলার দক্ষিণাংশ অল্পকাল হইল ব্রিট্রিশ গবর্ণমেণ্ট ত্রিপুরেশ্বর হইতে কৌশল ক্রমে গ্রহণ করিয়াছেন। পেম্বার্টনের মানচিত্রই তাহার প্রমাণ॥ ১০॥

    .

    টীকা

    ১. বিষ্ণুপুরাণের অনুবাদক উইলসন সাহেবের মতে ত্রিপুরা (ত্রিপুরা রাজ্য, জেলা ত্রিপুরা, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী) এবং আরাকান লইয়া সূহ্মদেশ গঠিত হইয়াছিল।

    ২. সুক্ষানামাধিপঞ্চৈব যে চ সাগর বাসিনঃ।
    সবর্বান ম্লেচ্ছগনাংশ্চৈব বিজিগো ভরতর্ষভঃ।
    সভাপবর্ব ২৯ অধ্যায়

    ৩. হৈহর বংশীয় নরপতিগণের বিবিধ তাম্রশাসন ও প্রস্তর লিপিতে তাহাদের রাজধানী ত্রিপুরা বা ত্রিপুরী আখ্যাদ্বারা পরিচিত হইয়াছে। এই ত্রৈপুর নরপতিগণ ১৭১ শকাব্দে (২৪৯ খ্রিষ্টাব্দে) যে অব্দ প্রচলিত করেন তাহা তাহাদের ক্ষোদিত লিপিতে উৎকীর্ণ রহিয়াছে।

    ৪. ১২৮৯ বঙ্গাব্দে জনৈক ঢাকা নিবাসী কর্তৃক প্রকাশিত ‘সাময়িক সমালোচনার সমালোচনা ও মীমাংসা’ নামক ক্ষুদ্র পুস্তিকায় সহদেবের বিজয় বৃত্তান্ত হইতে:

    ত্রৈপুরংস বশেকৃত্বা রাজানামমিতৌজ সং
    নিজগ্রাহ মহাবাহুস্তরসা পৌরবেশ্বরম্।

    এই শ্লোকটি উদ্ধৃত করিয়া বর্তমান ত্রিপুরাজবংশের ক্ষত্রিয়ত্ব সংস্থাপন করিতে যত্নবান হইয়াছিলেন। গ্রন্থকার সত্যের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন পূর্বক, এরূপ স্বার্থান্ধ হইয়াছিলেন যে, তিনি তৎপরবর্তী শ্লোকটি দৃষ্টি করিতে অবকাশ প্ৰাপ্ত হন নাই। কারণ মহাভারতে লিখিত আছে যে, ‘সহদেব ত্রৈপুররাজ ও পৌরবেশ্বরকে জয় করিয়া তৎপর সৌরাষ্ট্রাধিপতির প্রতি ধাবমান হইয়াছিলেন।’ সহদেব কিরূপে ভারতের পূবর্ব প্রান্তস্থিত ত্রিপুরা হইতে এক লম্ফে পশ্চিম সাগরের তীরস্থিত সৌরাষ্ট্রে উপনীত হইলেন, ইহা গ্রন্থকারের স্থূলবুদ্ধির আয়ত্ত হইল না। বিশেষত মহাভারতের সভাপর্বের পঞ্চবিংশ অধ্যায়ে লিখিত আছে যে, ‘অৰ্জ্জুন উত্তরদিক, ভীম পূবর্বদিক, সহদেব দক্ষিণদিক এবং নকুল পশ্চিম দিক জয় করিলেন। সহদেব যে পূর্ব ভারতে আগমন করিয়াছিলেন, মহাভারতে তাহার কোন উল্লেখ নাই।

    ৫. বনপর্বের ২৫৩ অধ্যায় কর্ণের দিগ্বিজয় উপলক্ষে যে ত্রিপুরার উল্লেখ দৃষ্ট হয়, তাহাতে মধ্যভারতের অন্তর্গত জববলপুরের নিকটবর্ত্তী ত্রিপুরাকেই লক্ষ্য করা হইয়াছে। কারণ তাহাতে ত্রিপুরা ও কোশল দেশের কথা এই শ্লোকে বর্ণিত হইয়াছে। কনিংহাম প্রভৃতি পণ্ডিতগণ দ্বারা ইহা বিশেষরূপে নির্ণীত হইয়াছে যে, এই কোশল আধুনিক ছত্রিশগড়জেলা ও তৎসন্নিহিত স্থান লইয়া গঠিত হইয়াছিল।

    ৬. রঙ্গপুর ও তৎসন্নিহিত স্থানে প্রাচীনকালে ভবচন্দ্র নামে অন্য একজন নরপতি রাজত্ব করিয়াছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলো হাতে সেই মেয়েটি – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    Related Articles

    তপন বাগচী

    রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    August 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }