Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজা ও রানী (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প38 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজা ও রানী – ২য় অঙ্ক

    দ্বিতীয় অঙ্ক

    প্রথম দৃশ্য

    সিংহগড়

    জয়সেনের প্রাসাদ

    জয়সেন, ত্রিবেদী ও মিহিরগুপ্ত

    ত্রিবেদী।

    তা বাপু, তুমি যদি চক্ষু অমন রক্তবর্ণ কর তাহলে আমার আপ্তবিশ্রুতি হবে। ভক্তবৎসল হরি। দেবদত্ত আর মন্ত্রী আমাকে অনেক করে শিখিয়ে দিয়েছে– কী বলছিলেম ভালো? আমাদের রাজা কালভৈরবের পুজো নামক একটা উপলক্ষ করে–

    জয়সেন।

    উপলক্ষ করে?

    ত্রিবেদী।

    হাঁ, তা নয় উপলক্ষই হল, তাতে দোষ হয়েছে কী? মধুসূদন। যা তোমার চিন্তা হতে পারে বটে। উপলক্ষ শব্দটা কিঞ্চিৎ কাঠিন্যরসাসক্ত হয়ে পড়েছে– ওর যা যথার্থ অর্থ সেটা নিরাকার করতে অনেকেরই গোল ঠেকে দেখেছি।

    জয়সেন।

    তাই তো ঠাকুর, ওর যথার্থ অর্থটাই ঠাওরাচ্ছি।

    ত্রিবেদী।

    রাম নাম সত্য। তা না হয় উপলক্ষ না বলে উপসর্গ বলা গেল। শব্দের অভাব কী বাপু? শাস্ত্রে বলে শব্দ ব্রহ্ম। অতএব উপলক্ষই বল আর উপসর্গই বল, অর্থ সমানই রইল।

    জয়সেন।

    তা বটে। রাজা যে আমাদের আহ্বান করেছেন তার উপলক্ষ এবং উপসর্গ পর্যন্ত বোঝা গেল– কিন্তু তার যথার্থ কারণটা কী খুলে বলো দেখি।

    ত্রিবেদী।

    ওইটে বলতে পারলুম না বাপু– ওইটে আমায় কেউ বুঝিয়ে বলে নি। হরি হে।

    জয়সেন।

    ব্রাহ্মণ, তুমি বড়ো কঠিন স্থানে এসেছ, কথা গোপন কর তো বিপদে পড়বে।

    ত্রিবেদী।

    হে ভগবান! হ্যাঁ দেখো বাপু, তুমি রাগ ক’রো না, তোমার স্বভাবটা নিতান্ত যে মধুমত্ত মধুকরের মতো তা বোধ হচ্ছে না।

    জয়সেন।

    বেশি ব’কো না ঠাকুর, যথার্থ কারণ যা জান বলে ফেলো।

    ত্রিবেদী।

    বাসুদেব! সকল জিনিসেরই কি যথার্থ কারণ থাকে। যদি বা থাকে তো সকল লোকে কি টের পায়? যারা গোপনে পরামর্শ করেছে তারাই জানে! মন্ত্রী জানে, দেবদত্ত জানে। তা বাপু, তুমি অধিক ভেবো না, বোধ করি সেখানে যাবামাত্রই যথার্থ কারণ অবিলম্বে টের পাবে।

    জয়সেন।

    মন্ত্রী তোমাকে আর কিছুই বলে নি?

    ত্রিবেদী।

    নারায়ণ, নারায়ণ! তোমার দিব্য, কিছু বলে নি। মন্ত্রী বললে, “ঠাকুর, যা বললুম তা ছাড়া একটি কথা ব’লো না। দেখো, তোমাকে যেন একটুও সন্দেহ না করে।” আমি বললুম, “হে রাম। সন্দেহ কেন করবে? তবে বলা যায় না! আমি তো সরলচিত্তে বলে যাব, যিনি সন্দগ্ধ হবেন তিনি হবেন!” হরি হে তুমিই সত্য।

    জয়সেন।

    পুজো উপলক্ষে নিমন্ত্রণ, এ তো সামান্য কথা,– এতে সন্দেহ হবার কী কারণ থাকতে পারে?

    ত্রিবেদী।

    তোমরা বড়োলোক, তোমাদের এইরকমই হয়। নইলে “ধর্মস্য সূক্ষ্ণা গতি” বলবে কেন? যদি তোমাদের কেউ এসে বলে, “আয় তো রে পাষণ্ড, তোর মুণ্ডুটা টান মেরে ছিঁড়ে ফেলি” অমনি তোমাদের উপলুব্ধ হয় যে, আর যাই হোক লোকটা প্রবঞ্চনা করছে না, মুণ্ডুটার উপরে বাস্তবিক তার নজর আছে বটে। কিন্তু যদি কেউ বলে, “এস তো বাপধন, আস্তে আস্তে তোমার পিঠে হাত বুলিয়ে দিই”, অমনি তোমাদের সন্দেহ হয়। যেন আস্ত মুণ্ডুটা ধরে টান মারার চেয়ে পিঠে হাত বুলিয়ে দেওয়া শক্ত কাজ। হে ভগবান, যদি রাজা স্পষ্ট করেই বলত– একবার হাতের কাছে এস তো, তোমাদের একেকটাকে ধরে রাজ্য থেকে নির্বসন করে পাঠাই– তাহলে এটা কখনও সন্দেহ করতে না যে, হয়তো বা রাজকন্যার সঙ্গে পরিণাম-বন্ধন করবার জন্যেই রাজা ডেকে থাকবেন। কিন্তু রাজা বলছেন নাকি, “হে বন্ধুসকল, রাজদ্বারে শ্মশানে চ যস্তিষ্ঠতি স বান্ধব, অতএব তোমরা পুজো উপলক্ষে এখানে এসে কিঞ্চিৎ ফলাহার করবে”– অমনি তোমাদের সন্দেহ হয়েছে সে ফলাহারটা কী রকমের না জানি। হে মধুসূদন। তা এমনি হয় বটে। বড়োলোকের সামান্য কথায় সন্দেহ হয়, আবার সামান্য লোকের বড়ো কথায় সন্দেহ হয়।

    জয়সেন।

    ঠাকুর, তুমি অতি সরল প্রকৃতির লোক। আমার যেটুকু বা সন্দেহ ছিল, তোমার কথায় সমস্ত ভেঙে গেছে।

    ত্রিবেদী।

    তা লেহ্য কথা বলেছ। আমি তোমাদের মতো বুদ্ধিমান নই– সকল কথা তলিয়ে বুঝতে পারি নে– কিন্তু, বাবা, সরল– পুরাণ-সংহিতায় যাকে বলে, অন্যে পরে কা কথা অর্থাৎ অন্যের কথা নিয়ে কখনো থাকি নে।

    জয়সেন।

    আর কাকে কাকে তুমি নিমন্ত্রণ করতে বেরিয়েছ?

    ত্রিবেদী।

    তোমাদের পোড়া নাম আমার মনে থাকে না। তোমাদের কাশ্মীরী স্বভাব যেমন তোমাদের নামগুলোও ঠিক তেমনি শ্রুতিপৌরুষ। তা এ-রাজ্যে তোমাদের গুষ্টির যেখানে যে আছে সকলকেই ডাক পড়েছে। শূলপাণি। কেউ বাদ যাবে না।

    জয়সেন।

    যাও, ঠাকুর, এখন বিশ্রাম করো গে।

    ত্রিবেদী।

    যা হোক, তোমার মন থেকে যে সমস্ত সন্দেহ দূর হয়েছে, মন্ত্রী এ-কথা শুনলে ভারি খুশি হবে! মুকুন্দ মুরহর মুরারে।

    [ প্রস্থান

    জয়সেন।

    মিহিরগুপ্ত, সমস্ত অবস্থা বুঝলে তো? এখন গৌরসেন যুধাজিৎ উদয়ভাস্কর ওদের কাছে শীঘ্র লোক পাঠাও। বলো, অবিলম্বে সকলে একত্র মিলে একটা পরামর্শ করা আবশ্যক।

    মিহিরগুপ্ত।

    যে আজ্ঞা।

    দ্বিতীয় দৃশ্য

    অন্তঃপুর

    বিক্রমদেব ও রানীর আত্মীয় সভাসদ

    সভাসদ।               ধন্য মহারাজ।
    বিক্রমদেব।                            কেন এত ধন্যবাদ।
    সভাসদ।               মহত্ত্বের এই তো লক্ষণ, দৃষ্টি তার
    সকলের ‘পরে। ক্ষুদ্রপ্রাণ ক্ষুদ্র জনে
    পায় না দেখিতে। প্রবাসে পড়িয়া আছে
    সেবক যাহারা, জয়সেন, যুধাজিৎ–
    মহোৎসবে তাহাদের করেছ স্মরণ।
    আনন্দে বিহ্বল তারা। সত্বর আসিছে
    দলবল নিয়ে।
    বিক্রমদেব।                            যাও, যাও। তুচ্ছ কথা,
    তার লাগি এত যশোগান। জানিও নে
    আহূত হয়েছে কারা পূজার উৎসবে।
    সভাসদ।               রবির উদয়মাত্রে আলোকিত হয়
    চরাচর, নাই চেষ্টা, নাহি পরিশ্রম,
    নাহি তাহে ক্ষতিবৃদ্ধি তার। জানেও না
    কোথা কোন্‌ তৃণতলে কোন্‌ বনফুল
    আনন্দে ফুটিছে তার কনক-কিরণে।
    কৃপাবৃষ্টি কর অবহেলে, যে পায় সে
    ধন্য হয়।
    বিক্রমদেব।                       থামো থামো, যথেষ্ট হয়েছে।
    আমি যত অবহেলে কৃপাবৃষ্টি করি
    তার চেয়ে অবহেলে সভাসদগণ
    করে স্তুতিবৃষ্টি। বলা তো হয়েছে শেষ
    যত কথা করেছ রচনা। যাও এবে।

    [ সভাসদের প্রস্থান

    সুমিত্রার প্রবেশ

    কোথা যাও, একবার ফিরে চাও রানী।
    রাজা আমি পৃথিবীর কাছে, তুমি শুধু
    জান মোরে দীন ব’লে। ঐশ্বর্য আমার
    বাহিরে বিস্তৃত– শুধু তোমার নিকটে
    ক্ষুধার্ত কঙ্কালসার কাঙাল বাসনা।
    তাই কি ঘৃণার দর্পে চলে যাও দূরে
    মহারানী, রাজরাজেশ্বরী।

    সুমিত্রা।                                             মহারাজ,
    যে প্রেম করিছে ভিক্ষা সমস্ত বসুধা
    একা আমি সে প্রেমের যোগ্য নই কভু
    বিক্রমদেব।            অপদার্থ আমি! দীন কাপুরুষ আমি!
    কর্তব্যবিমুখ আমি, অন্তঃপুরচারী!
    কিন্তু মহারানী, সে কি স্বভাব আমার?
    আমি ক্ষুদ্র, তুমি মহীয়সী? তুমি উচ্চে,
    আমি ধূলিমাঝে? নহে তাহা। জানি আমি
    আপন ক্ষমতা। রয়েছে দুর্জয় শক্তি
    এ হৃদয়-মাঝে, প্রেমের আকারে তাহা
    দিয়েছি তোমারে। বজ্রাগ্নিরে করিয়াছি
    বিদ্যুতের মালা, পরায়েছি কণ্ঠে তব।
    সুমিত্রা।                ঘৃণা করো মহারাজ, ঘৃণা করো মোরে
    সেও ভালো– একেবারে ভুলে যাও যদি
    সেও সহ্য হয়– ক্ষুদ্র এ নারীর ‘পরে
    করিয়ো না বিসর্জন সমস্ত পৌরুষ।
    বিক্রমদেব।            এত প্রেম, হায় তার এত অনাদর।
    চাহ না এ প্রেম? না চাহিয়া দস্যুসম
    নিতেছ কাড়িয়া। উপেক্ষার ছুরি দিয়া
    কাটিয়া তুলিছ, রক্তসিক্ত তপ্ত প্রেম
    মর্ম বিদ্ধ করি। ধূলিতে দিতেছ ফেলি
    নির্মম নিষ্ঠুর। পাষাণ-প্রতিমা তুমি,
    যত বক্ষে চেপে ধরি অনুরাগভরে,
    তত বাজে বুকে।
    সুমিত্রা।                                    চরণে পতিত দাসী,
    কী করিতে চাও করো। কেন তিরস্কার?
    নাথ, কেন আজি এত কঠিন বচন।
    কত অপরাধ তুমি করেছ মার্জনা,
    কেন রোষ বিনা অপরাধে।
    বিক্রমদেব।                                            প্রিয়তমে,
    উঠ উঠ, এস, বুকে– স্নিগ্ধ আলিঙ্গনে
    এ দীপ্ত হৃদয়জ্বালা করহ নির্বাণ।
    কত সুধা, কত ক্ষমা ওই অশ্রুজলে,
    অয়ি প্রিয়ে, কত প্রেম, কতই নির্ভর।
    কোমল হৃদয়তলে তীক্ষ্ণ কথা বিঁধে
    প্রেম-উৎস ছুটে– অর্জুনের শরাঘাতে
    মর্মাহত ধরণীর ভোগবতী-সম।
    নেপথ্যে।              মহারানী।
    সুমিত্রা।                (অশ্রু মুছিয়া) দেবদত্ত। আর্য, কী সংবাদ?

    দেবদত্তের প্রবেশ

    দেবদত্ত।               রাজ্যের নায়কগণ রাজ-নিমন্ত্রণ
    করিয়াছে অবহেলা, বিদ্রোহের তরে
    হয়েছে প্রস্তুত।
    সুমিত্রা।                                  শুনিতেছ মহারাজ?
    বিক্রমদেব।            দেবদত্ত, অন্তঃপুর নহে মন্ত্রগৃহ।
    দেবদত্ত।               মহারাজ, মন্ত্রগৃহ অন্তঃপুর নহে
    তাই সেথা নৃপতির পাই নে দর্শন।
    সুমিত্রা।                স্পর্ধিত কুক্কুর যত বর্ধিত হয়েছে
    রাজ্যের উচ্ছিষ্ট অন্নে। রাজার বিরুদ্ধে
    বিদ্রোহ করিতে চাহে। এ কী অহংকার।
    মহারাজ, মন্ত্রণার আছে কি সময়।
    মন্ত্রণার কী আছে বিষয়। সৈন্য লয়ে
    যাও অবিলম্বে, রক্তশোষী কীটদের
    দলন করিয়া ফেলো চরণের তলে।
    বিক্রমদেব।            সেনাপতি শত্রুপক্ষ–
    সুমিত্রা।                                       নিজে যাও তুমি।
    বিক্রমদেব।            আমি কি তোমার উপদ্রব, অভিশাপ,
    দুরদৃষ্ট, দুঃস্বপন, করলগ্ন কাঁটা?
    হেথা হতে এক পদ নড়িব না, রানী,
    পাঠাইব সন্ধির প্রস্তাব। কে ঘটালে
    এই উপদ্রব। ব্রাহ্মণে নারীতে মিলে
    বিবরের সুপ্তসর্প জাগাইয়া তুলি
    এ কী খেলা। আত্মরক্ষা-অসমর্থ যারা
    নিশ্চিন্তে ঘটায় তারা পরের বিপদ।
    সুমিত্রা।                ধিক এ অভাগা রাজ্য, হতভাগ্য প্রজা।
    ধিক আমি, এ রাজ্যের রানী।
    [ প্রস্থান
    বিক্রমদেব।                                               দেবদত্ত,
    বন্ধুত্বের এই পুরস্কার? বৃথা আশা।
    রাজার অদৃষ্টে বিধি লেখে নি প্রণয়;
    ছায়াহীন সঙ্গীহীন পর্বতের মতো
    এক মহাশূন্যমাঝে দগ্ধ উচ্চ শিরে
    প্রেমহীন নীরস মহিমা; ঝঞ্ঝাবায়ু
    করে আক্রমণ, বজ্র এসে বিঁধে, সূর্য
    রক্তনেত্রে চাহে; ধরণী পড়িয়া থাকে
    চরণ ধরিয়া। কিন্তু ভালোবাসা কোথা।
    রাজার হৃদয় সেও হৃদয়ের তরে
    কাঁদে। হায় বন্ধু, মানবজীবন লয়ে
    রাজত্বের ভান করা শুধু বিড়ম্বনা।
    দম্ভ-উচ্চ সিংহাসন চূর্ণ হয়ে গিয়ে
    ধরা সাথে হোক সমতল, একবার
    হৃদয়ের কাছাকাছি পাই তোমাদের।
    বাল্যসখা, রাজা বলে ভুলে যাও মোরে,
    একবার ভালো করে করো অনুভব
    বান্ধব-হৃদয়-ব্যথা বান্ধব-হৃদয়ে।
    দেবদত্ত।               সখা, এ হৃদয় মোর জানিয়ো তোমার।
    কেবল প্রণয় নয়, অপ্রণয় তব
    সেও আমি সব’ অকাতরে, রোষানল
    লব বক্ষ পাতি– যেমন অগাধ সিন্ধু
    আকাশের বজ্র লয় বুকে।
    বিক্রমদেব।                                          দেবদত্ত,
    সুখনীড় মাঝে কেন হানিছ বিরহ।
    সুখস্বর্গ মাঝে কেন আনিছ বহিয়া
    হাহাধ্বনি।
    দেবদত্ত।                          সখা, আগুন লেগেছে ঘরে
    আমি শুধু এনেছি সংবাদ। সুখনিদ্রা
    দিয়েছি ভাঙায়ে।
    বিক্রমদেব।                                এর চেয়ে সুখস্বপ্নে
    মৃত্যু ছিল ভালো।
    দেবদত্ত।                                     ধিক লজ্জা মহারাজ,
    রাজ্যের মৃত্যুর চেয়ে তুচ্ছ স্বপ্নসুখ
    বেশি হল?
    বিক্রমদেব।                         যোগাসনে লীন যোগিবর
    তার কাছে কোথা আছে বিশ্বের প্রলয়।
    স্বপ্ন এ সংসার। অর্ধশত বর্ষপরে
    আজিকার সুখদুঃখ কার মনে রবে?
    যাও যাও, দেবদত্ত, যেথা ইচ্ছা তব।
    আপন সান্ত্বনা আছে আপনার কাছে।
    দেখে আসি ঘৃণাভরে কোথা গেল রানী।

      [ প্রস্থান

    তৃতীয় দৃশ্য

    মন্দির

    পুরুষবেশে রানী সুমিত্রা, বাহিরে অনুচর

    সুমিত্রা।                জগৎ-জননী মাতা, দুর্বল-হৃদয়
    তনয়ারে করিয়ো মার্জনা। আজ সব
    পূজা ব্যর্থ হল– শুধু সে সুন্দর মুখ
    পড়ে মনে, সেই প্রেমপূর্ণ চক্ষু দুটি,
    সেই শয্যা-‘পরে একা সুপ্ত মহারাজ।
    হায় মা, নারীর প্রাণ এত কি কঠিন।
    দক্ষযজ্ঞে তুই ঘরে গিয়েছিলি সতী,
    প্রতিপদে আপন হৃদয়খানি তোর
    আপন চরণ দুটি জড়ায়ে কাতরে
    বলে নি কি ফিরে যেতে পতিগৃহপানে।
    সেই কৈলাসের পথে আর ফিরিল না
    ও রাঙা চরণ। মা গো, সেদিনের কথা
    দেখ্‌ মনে করে। জননী, এসেছি আমি
    রমণী-হৃদয় বলি দিতে, রমণীর
    ভালোবাসা, ছিন্ন শতদল সম, দিতে
    পদতলে। নারী তুমি, নারীর হৃদয়
    জান তুমি, বল দাও জননী আমারে।
    থেকে থেকে ওই শুনি রাজগৃহ হতে
    “ফিরে এস, ফিরে এস রানী”, প্রেমপূর্ণ
    পুরাতন সেই কণ্ঠস্বর। খড়্‌গ নিয়ে
    তুমি এস, দাঁড়াও রুধিয়া পথ, বলো,
    “তুমি যাও, রাজধর্ম উঠুক জাগিয়া
    ধন্য হোক রাজা, প্রজা হোক সুখী, রাজ্যে
    ফিরে আসুক কল্যাণ, দূর হোক যত
    অত্যাচার, ভূপতির যশোরশ্মি হতে
    ঘুচে যাক কলঙ্ককালিমা। তুমি নারী
    ধরাপ্রান্তে যেথা স্থান পাও– একাকিনী
    বসে বসে নিজ দুঃখে মরো বুক ফেটে।”
    পিতৃসত্য পালনের তরে রামচন্দ্র
    গিয়াছেন বনে, পতিসত্য পালনের
    লাগি আমি যাব। যে সত্যে আছেন বাঁধা
    মহারাজ রাজলক্ষ্ণী কাছে– কভু তাহা
    সামান্য নারীর তরে ব্যর্থ হইবে না।
    অনুচর।

    কে তোরা। দাঁড়া এইখানে।

    পুরুষ।

    কেন বাবা। এখানেও কি স্থান নেই।

    স্ত্রী।

    মা গো। এখানেও সেই সিপাই।

    সুমিত্রার বাহিরে আগমন

    সুমিত্রা।

    তোমরা কে গো।

    পুরুষ।

    মিহিরগুপ্ত আমাদের ছেলেটিকে ধরে রেখে আমাদের তাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের চাল নেই, চুলো নেই, মরবার জায়গাটুকু নেই– তাই আমরা মন্দিরে এসেছি। মার কাছে হত্যা দিয়ে পড়ব– দেখি তিনি আমাদের কী গতি করেন।

    স্ত্রী।

    তা হাঁ গা, এখেনেও তোমরা সিপাই রেখেছ? রাজার দরজা বন্ধ, আবার মায়ের দরজাও আগলে দাঁড়িয়েছ?

    সুমিত্রা।

    না বাছা, এস তোমরা। এখানে তোমাদের কোনো ভয় নেই। কে তোমাদের উপর দৌরাত্ম্য করেছে।

    পুরুষ।

    এই জয়সেন। আমরা রাজার কাছে দুঃখু জানাতে গিয়েছিলেম, রাজদর্শন পেলেম না। ফিরে এসে দেখি আমাদের ঘরদোর জ্বালিয়ে দিয়েছে, আমাদের ছেলেটিকে বেঁধে রেখেছে।

    সুমিত্রা।

    (স্ত্রীলোকের প্রতি) হাঁ গা, তা তুমি রানীকে গিয়ে জানালে না কেন।

    স্ত্রী।

    ওগো, রানীই তো রাজাকে জাদু করে রেখেছে। আমাদের রাজা ভালো, রাজার দোষ নেই– ওই বিদেশ থেকে এক রানী এসেছে, সে আপন কুটুম্বদের রাজ্য জুড়ে বসিয়েছে। প্রজার বুকের রক্ত শুষে খাচ্ছে গো।

    পুরুষ।

    চুপ কর্‌ মাগী। তুই রানীর কী জানিস? যে-কথা জানিস নে, তা মুখে আনিস নে।

    স্ত্রী।

    জানি গো জানি। ওই রানীই তো বসে বসে রাজার কাছে আমাদের নামে যত কথা লাগায়।

    সুমিত্রা।

    ঠিক বলেছ বাছা। ওই রানী সর্বনাশীই তো যত নষ্টের মূল। তা সে আর বেশি দিন থাকবে না, তার পাপের ভরা পূর্ণ হয়েছে। এই নাও, আমার সাধ্যমত কিছু দিলাম, সব দুঃখ দূর করতে পারি নে।

    পুরুষ।

    আহা তুমি কোনো রাজার ছেলে হবে– তোমার জয় হোক।

    সুমিত্রা।

    আর বিলম্ব নয়, এখনি যাব।

    [ প্রস্থান

    ত্রিবেদীর প্রবেশ

    ত্রিবেদী।

    হে হরি কী দেখলুম। পুরুষমূর্তি ধরে রানী সুমিত্রা ঘোড়ায় চড়ে চলেছেন। মন্দিরে দেবপূজোর ছলে এসে রাজ্য ছেড়ে পালিয়েছেন। আমাকে দেখে বড়ো খুশি। মধুসূদন। ভাবলে ব্রাহ্মণ বড়ো সরল-হৃদয়, মাথার তেলোয় যেমন একগাছি চুল দেখা যায় না, তলায় তেমনি বুদ্ধির লেশমাত্র নেই। একে দিয়ে একটা কাজ করিয়ে নেওয়া যাক। এর মুখ দিয়ে রাজাকে দুটো মিষ্টি কথা পাঠিয়ে দেওয়া যাক। বাবা তোমরা বেঁচে থাকো। যখনি তোমাদের কিছু দরকার পড়বে বুড়ো ত্রিবেদীকে ডেকো, আর দান-দক্ষিণের বেলায় দেবদত্ত আছেন। দয়াময়। তা বলব। খুব মিষ্টি মিষ্টি করেই বলব। আমার মুখে মিষ্টি কথা আরো বেশি মিষ্টি হয়ে ওঠে। কমললোচন। রাজা কী খুশিই হবে। কথাগুলো যত বড়ো বড়ো করে বলব রাজার মুখের হাঁ তত বেড়ে যাবে। দেখেছি, আমার মুখে বড়ো কথাগুলো শোনায় ভালো। লোকের বিশেষ আমোদ বোধ হয়। বলে, ব্রাক্ষণ বড়ো সরল। পতিতপাবন। এবারে কতটা আমোদ হবে বলতে পারি নে। কিন্তু শব্দশান্ত্র একেবারে উলটপালট করে দেব। আঃ কী দুর্যোগ। আজ সমস্ত দিন দেবপুজো হয় নি, এইবার একটু পুজো-অর্চনায় মন দেওয়া যাক। দীনবন্ধু ভক্তবৎসল।

    চতুর্থ দৃশ্য

    প্রাসাদ

    বিক্রমদেব, মন্ত্রী ও দেবদত্ত

    বিক্রমদেব।            পলায়ন! রাজ্য ছেড়ে পলায়ন! এ রাজ্যেতে
    যত সৈন্য, যত দুর্গ, যত কারাগার,
    যত লোহার শৃঙ্খল আছে, সব দিয়ে
    পারে না কি বাঁধিয়া রাখিতে দৃঢ়বলে
    ক্ষুদ্র এক নারীর হৃদয়। এই রাজা
    এই কি মহিমা তার। বৃহৎ প্রতাপ,
    লোকবল অর্থবল নিয়ে, পড়ে থাকে
    শূন্য স্বর্ণ পিঞ্জরের মতো, ক্ষুদ্র পাখি
    উড়ে চলে যায়।
    মন্ত্রী।                                     হায় হায়, মহারাজ,
    লোকনিন্দা, ভগ্নবাঁধ জলস্রোত সম,
    ছুটে চারিদিক হতে।
    বিক্রমদেব।                                    চুপ করো মন্ত্রী।
    লোকনিন্দা, লোকনিন্দা সদা! নিন্দাভারে
    রসনা খসিয়া যাক অলস লোকের।
    দিবা যদি গেল, উঠুক না চুপি চুপি
    ক্ষুদ্র পঙ্ককুণ্ড হতে দুষ্ট বাষ্পরাশি,
    অমার আঁধার তাহে বাড়িবে না কিছু।
    লোকনিন্দা!
    দেবদত্ত।                               মন্ত্রী, পরিপূর্ণ সূর্যপানে
    কে পারে তাকাতে। তাই গ্রহণের বেলা
    ছুটে আসে যত মর্তলোক, দীননেত্রে
    চেয়ে দেখে দুর্দিনের দিনপতি পানে,
    আপনার কালিমাখা কাচখণ্ড দিয়ে
    কালো দেখে গগনের আলো। মহারানী
    মা জননী, এই ছিল অদৃষ্টে তোমার?
    তব নাম ধুলায় লুটায়? তব নাম
    ফিরে মুখে মুখে? এ কী এ দুর্দিন আজি।
    তবু তুমি তেজস্বিনী সতী, এরা সব
    পথের কাঙাল।
    বিক্রমদেব।                              ত্রিবেদী কোথায় গেল?
    মন্ত্রী, ডেকে আনো তারে। শোনা হয় নাই
    তার সব কথা, ছিনু অন্যমনে।
    মন্ত্রী।                                       যাই
    ডেকে আনি তারে।

    [ প্রস্থান

    বিক্রমদেব।                                    এখনো সময় আছে,
    এখনো ফিরাতে পারি পাইলে সন্ধান।
    আবার সন্ধান? এমনি কি চিরদিন
    কাটিবে জীবন। সে দিবে না ধরা, আমি
    ফিরিব পশ্চাতে? প্রেমের শৃঙ্খল হাতে
    রাজ্য রাজকর্ম ফেলে শুধু রমণীর
    পলাতক হৃদয়ের সন্ধানে ফিরিব?
    পলাও, পলাও নারী, চির দিনরাত
    করো পলায়ন; গৃহহীন প্রেমহীন
    বিশ্রামবিহীন অনাবৃত প্রিথ্বীমাঝে
    কেবল পশ্চাতে লয়ে আপনার ছায়া।

    ত্রিবেদীর প্রবেশ

    চলে যাও, দূর হও, কে ডাকে তোমারে?
    বার বার তার কথা কে চাহে শুনিতে
    প্রগল্‌ভ ব্রাহ্মণ, মূর্খ।

    ত্রিবেদী।                                          হে মধুসূদন।
    বিক্রমদেব।            শোনো, শোনো, দুটো কথা শুধাবার আছে।
    চোখে অশ্রু ছিল?
    ত্রিবেদী।                                     চিন্তা নেই বাপু। অশ্রু
    দেখি নাই।
    বিক্রমদেব।                         মিথ্যা করে বলো। অতি ক্ষুদ্র
    সকরুণ দুটি মিথ্যে কথা। হে ব্রাহ্মণ,
    বৃদ্ধ তুমি ক্ষীণদৃষ্টি কী করে জানিলে
    চোখে তার অশ্রু ছিল কি না? বেশি নয়,
    এক বিন্দু জল! নহে তো নয়ন-প্রান্তে
    ছল ছল ভাব, কম্পিত কাতর কণ্ঠে
    অশ্রুবদ্ধ বাণী? তাও নয়? সত্য বলো,
    মিথ্যা বলো। ব’লো না, ব’লো না, চলে যাও।
    ত্রিবেদী।               হরি হে তুমিই সত্য।

    [ প্রস্থান

    বিক্রমদেব।                                    অন্তর্যামী দেব,
    তুমি জান, জীবনের সব অপরাধ
    তারে ভালোবাসা; পুণ্য গেল, স্বর্গ গেল,
    রাজ্য যায়, অবশেষে সেও চলে গেল।
    তবে দাও, ফিরে দাও ক্ষাত্রধর্ম মোর;
    রাজধর্ম ফিরে দাও, পুরুষ-হৃদয়
    মুক্ত করে দাও এই বিশ্বরঙ্গমাঝে।
    কোথা কর্মক্ষেত্র। কোথা জনস্রোত। কোথা
    জীবন-মরণ। কোথা সেই মানবের
    অবিশ্রাম সুখদুঃখ, বিপদ-সম্পদ,
    তরঙ্গ-উচ্ছ্বাস।
    মন্ত্রী।                                      মহারাজ, অশ্বারোহী
    পাঠায়েছি চারিদিকে রাজ্ঞীর সন্ধানে।
    বিক্রমদেব।            ফিরাও ফিরাও মন্ত্রী। স্বপ্ন ছুটে গেছে,
    অশ্বারোহী কোথা তারে পাইবে খুঁজিয়া।
    সৈন্যদল করহ প্রস্তুত, যুদ্ধে যাব,
    নাশিব বিদ্রোহ।
    মন্ত্রী।                                    যে আদেশ মহারাজ।
    [ প্রস্থান
    বিক্রমদেব।            দেবদত্ত, কেন নত মুখ, ম্লান দৃষ্টি?
    ক্ষুদ্র সান্ত্বনার কথা ব’লো না ব্রাহ্মণ।
    আমারে পশ্চাতে ফেলে চলে গেছে চোর,
    আপনারে পেয়েছি কুড়ায়ে। আজি সখা,
    আনন্দের দিন। এস আলিঙ্গনপাশে।
    (আলিঙ্গন করিয়া)
    বন্ধু, বন্ধু, মিথ্যা কথা, মিথ্যা এই ভান।
    থেকে থেকে বজ্রশেল ছুটিছে বিঁধিছে
    মর্মে। এস এস, একবার অশ্রুজল
    ফেলি বন্ধুর হৃদয়ে। মেঘ যাক কেটে।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনৃত্যনাট্য চণ্ডালিকা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article বিসর্জন (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }