Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজা ও রানী (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প38 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজা ও রানী – ৪র্থ অঙ্ক

    চতুর্থ অঙ্ক

    প্রথম দৃশ্য

    জালন্ধর

    রণক্ষেত্র। শিবির

    বিক্রমদেব ও সেনাপতি

    সেনাপতি।            বন্দীকৃত শিলাদিত্য, উদয়ভাস্কর;
    শুধু যুধাজিৎ পলাতক– সঙ্গে লয়ে
    সৈন্যদলবল।
    বিক্রমদেব।                           চলো তবে অবিলম্বে
    তাহার পশ্চাতে। উঠাও শিবির তবে।
    ভালোবাসি আমি এই ব্যগ্র ঊর্ধ্বশ্বাস
    মানব-মৃগয়া; গ্রাম হতে গ্রামান্তরে,
    বন গিরি নদীতীরে দিবারাত্রি এই
    কৌশলে কৌশলে খেলা। বাকি আছে আর
    কে বা বিদ্রোহীদলের?
    সেনাপতি।                                      শুধু জয়সেন।
    কর্তা সে’ই বিদ্রোহের। সৈন্যবল তার
    সব চেয়ে বেশি।
    বিক্রমদেব।                               চলো তবে সেনাপতি,
    তার কাছে। আমি চাই উদগ্র সংগ্রাম,
    বুকে বুকে বাহুতে বাহুতে– অতি তীব্র
    প্রেম-আলিঙ্গন-সম। ভালো নাহি লাগে
    অস্ত্রে অস্ত্রে মৃদু ঝনঝনি– ক্ষুদ্র যুদ্ধে
    ক্ষুদ্র জয়লাভ।
    সেনাপতি।                              কথা ছিল আসিবে সে
    গোপনে সহসা, করিবে পশ্চাৎ হতে
    আক্রমণ; বুঝি শেষে জাগিয়াছে মনে
    বিপদের ভয়, সন্ধির প্রস্তাব-তরে
    হয়েছে উন্মুখ।
    বিক্রমদেব।                              ধিক্‌, ভীরু, কাপুরুষ।
    সন্ধি নহে– যুদ্ধ চাই আমি। রক্তে রক্তে
    মিলনের স্রোত– অস্ত্রে অস্ত্রে সংগীতের
    ধ্বনি। চলো সেনাপতি।
    সেনাপতি।                                       যে আদেশ প্রভু।

    [ প্রস্থান

    বিক্রমদেব।            এ কী মুক্তি। এ কী পরিত্রাণ। কী আনন্দ
    হৃদয়-মাঝারে। অবলার ক্ষীণ বাহু
    কী প্রচণ্ড সুখ হতে রেখেছিল মোরে
    বাঁধিয়া বিবর-মাঝে। উদ্দাম হৃদয়
    অপ্রশস্ত অন্ধকার গভীরতা খুঁজে
    ক্রমাগত যেতেছিল রসাতলপানে।
    মুক্তি, মুক্তি আজি। শৃঙ্খল বন্দীরে
    ছেড়ে আপনি পলায়ে গেছে। এতদিন
    এ জগতে কত যুদ্ধ, কত সন্ধি, কত
    কীর্তি, কত রঙ্গ– কত কী চলিতেছিল
    কর্মের প্রবাহ– আমি ছিনু অন্তঃপুরে
    পড়ে; রুদ্ধদল চম্পককোরক-মাঝে
    সুপ্ত কীট-সম। কোথা ছিল লোকলাজ,
    কোথা ছিল বীরপরাক্রম। কোথা ছিল
    এ বিপুল বিশ্বতটভূমি। কোথা ছিল
    হৃদয়ের তরঙ্গ-তর্জন। কে বলিবে
    আজি মোরে দীন কাপুরুষ। কে বলিবে
    অন্তঃপুরচারী। মৃদু গন্ধবহ আজি
    জাগিয়া উঠিছে বেগে ঝঞ্ঝাবায়ুরূপে।
    এ প্রবল হিংসা ভালো ক্ষুদ্র প্রেম চেয়ে,
    প্রলয় তো বিধাতার চরম আনন্দ!
    হিংসা এই হৃদয়ের বন্ধন-মুক্তির
    সুখ। হিংসা জাগরণ। হিংসা স্বাধীনতা।

    সেনাপতির প্রবেশ

    সেনাপতি।            আসিছে বিদ্রোহী সৈন্য।
    বিক্রমদেব।                                       চলো, তবে চলো।

    চরের প্রবেশ

    চর।                    রাজন, বিপক্ষদল নিকটে এসেছে।
    নাই বাদ্য, নাই জয়ধ্বজা, নাই কোনো
    যুদ্ধ-আস্ফালন; মার্জনা-প্রার্থনা তরে
    আসিতেছে যেন।
    বিক্রমদেব।                                থাক্‌, চাহি না শুনিতে
    মার্জনার কথা। আগে আমি আপনারে
    করিব মার্জনা; অপযশ রক্তস্রোতে
    করিব ক্ষালন। যুদ্ধে চলো সেনাপতি।

    দ্বিতীয় চরের প্রবেশ

    দ্বিতীয় চর।           বিপক্ষশিবির হতে আসিছে শিবিকা
    বোধ করি সন্ধিদূত লয়ে।
    সেনাপতি।                                         মহারাজ,
    তিলেক অপেক্ষা করো– আগে শোনা যাক
    কী বলে বিপক্ষদূত–
    বিক্রমদেব।                                    যুদ্ধ তার পরে।

    সৈনিকের প্রবেশ

    সৈনিক।                মহারানী এসেছেন বন্দী ক’রে লয়ে
    যুধাজিৎ আর জয়সেনে।
    বিক্রমদেব।                                       কে এসেছে?
    সৈনিক।                মহারানী।
    বিক্রমদেব।                        মহারানী! কোন্‌ মহারানী?
    সৈনিক।                আমাদের মহারানী।
    বিক্রমদেব।                                   বাতুল উন্মাদ!
    যাও সেনাপতি। দেখে এস কে এসেছে।

    [ সেনাপতি প্রভৃতির প্রস্থান

    মহারানী এসেছেন বন্দী ক’রে লয়ে
    যুধাজিৎ-জয়সেনে! এ কি স্বপ্ন নাকি!
    এ কি রণক্ষেত্র নয়? এ কি অন্তঃপুর?
    এতদিন ছিলাম কি যুদ্ধের স্বপনে
    মগ্ন? সহসা জাগিয়া আজ দেখিব কি
    সেই ফুলবন, সেই মহারানী, সেই
    পুষ্পশয্যা, সেই সুদীর্ঘ অলস দিন,
    দীর্ঘনিশি বিজড়িত ঘুমে জাগরণে?
    বন্দী? কারে বন্দী? কী শুনিতে কী শুনেছি?
    এসেছে কি আমারে করিতে বন্দী? দূত!
    সেনাপতি! কে এসেছে? কারে বন্দী লয়ে?

    সেনাপতির প্রবেশ

    সেনাপতি।            মহারানী এসেছেন লয়ে কাশ্মীরের
    সৈন্যদল– সোদর কুমারসেন সাথে।
    এসেছেন পথ হতে যুদ্ধে বন্দী করে
    পলাতক যুধাজিৎ আর জয়সেনে।
    আছেন শিবিরদ্বারে সাক্ষাতের তরে
    অভিলাষী।
    বিক্রমদেব।                         সেনাপতি, পালাও, পালাও।
    চলো, চলো সৈন্য লয়ে– আর কি কোথাও
    নাই শত্রু, আর কেহ নাই কি বিদ্রোহী।
    সাক্ষাৎ? কাহার সাথে? রমণীর সনে
    সাক্ষাতের এ নহে সময়।
    সেনাপতি।                                         মহারাজ–
    বিক্রমদেব।            চুপ করো সেনাপতি, শোনো যাহা বলি।
    রুদ্ধ করো দ্বার– এ শিবিরে শিবিকার
    প্রবেশ নিষেধ।
    সেনাপতি।                             যে আদেশ মহারাজ।

    দ্বিতীয় দৃশ্য

    দেবদত্তের কুটির

    দেবদত্ত ও নারায়ণী

    দেবদত্ত।

    প্রিয়ে, তবে অনুমতি করো– দাস বিদায় হয়।

    নারায়ণী।

    তা যাও না, আমি তোমাকে বেঁধে রেখেছি না কি?

    দেবদত্ত।

    ওই তো, ওইজন্যেই তো কোথাও যাওয়া হয়ে ওঠে না– বিদায় নিয়েও সুখ নেই। যা বলি তা করো। ওইখানটায় আছাড় খেয়ে পড়ো। বলো, হা হতোইস্মি, হা ভগবতি ভবিতব্যতে। হা ভগবন্‌ মকরকেতন।

    নারায়ণী।

    মিছে ব’কো না। মাথা খাও,সত্যি করে বলো, কোথায় যাবে?

    দেবদত্ত।

    রাজার কাছে।

    নারায়ণী।

    রাজা তো যুদ্ধু করতে গেছে। তুমি যুদ্ধু করবে নাকি? দ্রোণাচার্য হয়ে উঠেছ?

    দেবদত্ত।

    তুমি থাকতে আমি যুদ্ধ করব? যা হোক, এবার যাওয়া যাক।

    নারায়ণী।

    সেই অবধি তো ওই এক কথাই বলছ। তা যাও না। কে তোমাকে মাথার দিব্যি দিয়ে ধরে রেখেছে?

    দেবদত্ত।

    হায় মকরকেতন, এখানে তোমার পুষ্পশরের কর্ম নয়– একেবারে আস্ত শক্তিশেল না ছাড়লে মর্মে গিয়ে পৌঁছয় না। বলি ও শিখরদশনা, পক্কবিম্বাধরোষ্ঠী, চোখ দিয়ে জলটল কিছু বেরোবে কি? সেগুলো শীঘ্র শীঘ্র সেরে ফেলো– আমি উঠি।

    নারায়ণী।

    পোড়া কপাল। চোখের জল ফেলব কী দুঃখে? হাঁ গা, তুমি না গেলে কি রাজার যুদ্ধু চলবে না? তুমি কি মহাবীর ধূম্রলোচন হয়েছ?

    দেবদত্ত।

    আমি না গেলে রাজার যুদ্ধ থামবে না। মন্ত্রী বার বার লিখে পাঠাচ্ছে রাজ্য ছারখারে যায় কিন্তু মহারাজ কিছুতেই যুদ্ধ ছাড়তে চান না। এদিকে বিদ্রোহ সমস্ত থেমে গেছে।

    নারায়ণী।

    বিদ্রোহই যদি থেমে গেল তো মহারাজ কার সঙ্গে যুদ্ধ করতে যাবেন?

    দেবদত্ত।

    মহারানীর ভাই কুমারসেনের সঙ্গে।

    নারায়ণী।

    হাঁ গা, সে কী কথা। শ্যালার সঙ্গে যুদ্ধ? বোধ করি রাজায় রাজায় এইরকম করেই ঠাট্টা চলে। আমরা হলে শুধু কান মলে দিতুম। কী বল?

    দেবদত্ত।

    বড়ো ঠাট্টা নয়। মহারানী কুমারসেনের সাহায্যে জয়সেন ও যুধাজিৎকে যুদ্ধে বন্দী করে মহারাজের কাছে নিয়ে আসেন। মহারাজ তাঁকে শিবিরে প্রবেশ করতে দেন নি।

    নারায়ণী।

    হাঁ গা, বল কী? তা তুমি এতদিন যাও নি কেন। এ খবর শুনেও বসে আছ? যাও, যাও, এখনি যাও। আমাদের রানীর মতো অমন সতীলক্ষ্ণীকে অপমান করলে? রাজার শরীরে কলি প্রবেশ করেছে।

    দেবদত্ত।

    বন্দী বিদ্রোহীরা রাজাকে বলেছে– মহারাজ, আমরা তোমারই প্রজা– অপরাধ করে থাকি তুমি শাস্তি দেবে। একজন বিদেশী এসে আমাদের অপমান করবে এতে তোমাকেই অপমান করা হল– যেন তোমার নিজ রাজ্য নিজে শাসন করবার ক্ষমতা নেই। একটা সামান্য যুদ্ধ, এর জন্যে অমনি কাশ্মীর থেকে সৈন্য এল, এর চেয়ে উপহাস আর কী হতে পারে। এই শুনে মহারাজ আগুন হয়ে কুমারসেনকে পাঁচটা ভর্ৎসনা করে এক দূত পাঠিয়ে দেন। কুমারসেন উদ্ধত যুবাপুরুষ, সহ্য করতে পারবে কেন? বোধ করি সেও দূতকে দু-কথা শুনিয়ে দিয়ে থাকবে।

    নারায়ণী।

    তা বেশ তো– কুমারসেন তো রাজার পর নয়, আপনার লোক, তা কথা চলছিল বেশ তাই চলুক। তুমি কাছে না থাকলে রাজার ঘটে কি দুটো কথাও জোগায় না? কথা বন্ধ করে অস্ত্র চালাবার দরকার কী বাপু। ওই ওতেই তো হার হল।

    দেবদত্ত।

    আসল কথা একটা যুদ্ধ করবার ছুতো। রাজা এখন কিছুতেই যুদ্ধ ছাড়তে পারছেন না। নানা ছল অন্বেষণ করছেন। রাজাকে সাহস করে দুটো ভালো কথা বলে এমন বন্ধু কেউ নেই। আমি তো আর থাকতে পারছি নে– আমি চললুম।

    নারায়ণী।

    যেতে ইচ্ছে হয় যাও, আমি কিন্তু একলা তোমার ঘরকন্না করতে পারব না। তা আমি বলে রাখলুম। এই রইল তোমার সমস্ত পড়ে রইল। আমি বিবাগী হয়ে বেরিয়ে যাব।

    দেবদত্ত।

    রোসো, আগে আমি ফিরে আসি তার পর যেয়ো। বল তো আমি থেকে যাই।

    নারায়ণী।

    না না তুমি যাও। আমি কি আর তোমাকে সত্যি থাকতে বলছি? ওগো তুমি চলে গেলে আমি একেবারে বুক ফেটে মরব না, সেজন্যে ভেবো না। আমার বেশ চলে যাবে।

    দেবদত্ত।

    তা কি আর আমি জানি নে? মলয়-সমীরণ তোমার কিছু করতে পারবে না। বিরহ তো সামান্য, বজ্রাঘাতেও তোমার কিছু হয় না!

    [ প্রস্থানোন্মুখ

    নারায়ণী।

    হে ঠাকুর, রাজাকে সুবৃদ্ধি দাও ঠাকুর। শীঘ্র শীঘ্র ফিরিয়ে আনো।

    দেবদত্ত।

    এ-ঘর ছেড়ে কখনো কোথাও যাই নি। হে ভগবান, এদের সকলের উপর তোমার দৃষ্টি রেখো।

    [ প্রস্থান

    তৃতীয় দৃশ্য

    জালন্ধর

    কুমারসেনের শিবির

    কুমারসেন ও সুমিত্রা

    সুমিত্রা।                ভাই, রাজাকে মার্জনা করো; করো রোষ
    আমার উপরে। আমি মাঝে না থাকিলে
    যুদ্ধ করে বীর নাম করিতে উদ্ধার।
    যুদ্ধের আহ্বান শুনে অটল রহিলে
    তবু তুমি; জানি না কি অসম্মান-শেল
    চিরজীবী মৃত্যু-সম মানীর হৃদয়ে?
    আপন ভায়ের হৃদে দুর্ভাগিনী আমি
    হানিতে দিলাম হেন অপমান-শর
    যেন আপনারি হস্তে। মৃত্যু ভালো ছিল,
    ভাই, মৃত্যু ভালো ছিল।
    কুমারসেন।                                        জানিস তো বোন
    যুদ্ধ বীরধর্ম বটে, ক্ষমা তার চেয়ে
    বীরত্ব অধিক। অপমান অবহেলা
    কে পারে করিতে মানী ছাড়া?
    সুমিত্রা।                                                  ধন্য, ভাই,
    ধন্য তুমি। সঁপিলাম এ জীবন মোর
    তোমার লাগিয়া। তোমার এ স্নেহঋণ
    প্রাণ দিয়ে কেমনে করিব পরিশোধ?
    বীর তুমি, মহাপ্রাণ, তুমি নরপতি
    এ নরসমাজ-মাঝে–
    কুমারসেন।                                  আমি ভাই তোর।
    চল্‌ বোন, আমাদের সেই শৈলগৃহে
    তুষারশিখরঘেরা শুভ্র সুশীতল
    আনন্দ-কাননে। দুটি নির্ঝরের মতো
    একত্রে করেছি খেলা দুই ভাইবোনে,
    এখন আর কি ফিরে যেতে পারিবি নে
    সেই উচ্চ, সেই শুভ্র শৈশব-শিখরে?
    সুমিত্রা।                চলো ভাই, চলো। যে ঘরেতে ভাইবোনে
    করিতাম খেলা সেই ঘরে নিয়ে এসো
    প্রেয়সী নারীরে,– সন্ধ্যাবেলা বসে তারে
    তোমার মনের মতো সাজাব যতনে।
    শিখাইয়া দিব তারে তুমি ভালোবাস
    কোন্‌ ফুল, কোন্‌ গান, কোন্‌ কাব্যরস।
    শুনাব বাল্যের কথা; শৈশব-মহত্ত্ব
    তব শিশু হৃদয়ের।
    কুমারসেন।                                  মনে পড়ে মোর,
    দোঁহে শিখিতাম বীণা। আমি ধৈর্যহীন
    যেতেম পালায়ে। তুই শয্যাপ্রান্তে বসে
    কেশবেশ ভুলে গিয়ে সারা সন্ধ্যাবেলা
    বাজাতিস, গম্ভীর অনন্দমুখখানি।
    সংগীতেরে করে তুলেছিলি তোর সেই
    ছোটো ছোটো অঙ্গুলির বশ।
    সুমিত্রা।                                                 মনে আছে,
    খেলা হতে ফিরে এসে শোনাতে আমারে
    অদ্ভুত কল্পনা-কথা; কোথা দেখেছিলে
    অজ্ঞাত নদীর ধারে স্বর্ণস্বর্গপুর,
    অলৌকিক কল্পকুঞ্জে কোথায় ফলিত
    অমৃতমধুর ফল; ব্যথিত হৃদয়ে
    সবিস্ময়ে শুনিতাম; স্বপ্নে দেখিতাম
    সেই কিন্নর কানন।
    কুমারসেন।                                 বলিতে বলিতে
    নিজের কল্পনা শেষে নিজেরে ছলিত।
    সত্য মিথ্যা হত একাকার মেঘ আর
    গিরির মতন; দেখিতে পেতেম যেন
    দূর শৈল-পরপারে রহস্য-নগরী।
    শংকর আসিছে ওই ফিরে।  শোনা যাক
    কী সংবাদ।

    শংকরের প্রবেশ

    শংকর।                              প্রভু তুমি, তুমি মোর রাজা,
    ক্ষমা করো বৃদ্ধ এ শংকরে।  ক্ষমা করো
    রানী, দিদি মোর।  মোরে কেন পাঠাইলে
    দূত করে রাজার শিবিরে।  আমি বৃদ্ধ,
    নহি পটু সাবধান বচন-বিন্যাসে,
    আমি কি সহিতে পারি তব অপমান?
    শান্তির প্রস্তাব শুনে যখন হাসিল
    ক্ষুদ্র জয়সেন, হাসিমুখে ভৃত্য যুধাজিৎ
    করিল সুতীব্র উপহাস, সভ্রূভঙ্গে
    কহিলা বিক্রমদেব জালন্ধররাজ
    তোমারে বালক, ভীরু; মনে হল যেন
    চারিদিকে হাসিতেছে সভাসদ যত
    পরস্পর মুখ চেয়ে, হাসিতেছে দূরে
    দ্বারের প্রহরী– পশ্চাতে আছিল যারা
    তাদের নীরব হাসি ভুজঙ্গের মতো
    যেন পৃষ্ঠে আসি মোর দংশিতে লাগিল।
    তখন ভুলিয়া গেনু শিখেছিনু যত
    শান্তিপূর্ণ মৃদুবাক্য। কহিলাম রোষে–
    “কলহেরে জান তুমি বীরত্ব বলিয়া,
    নারী তুমি, নহ ক্ষত্রবীর। সেই খেদে
    মোর রাজা কোষে লয়ে কোষরুদ্ধ অসি
    ফিরে যেতেছেন দেশে, জানাইনু সবে।”
    শুনিয়া কম্পিততনু জালন্ধরপতি।
    প্রস্তুত হতেছে সৈন্য।
    সুমিত্রা।                                          ক্ষমা করো ভাই।
    শংকর।                এই কি উচিত তব, কাশ্মীর-তনয়া
    তুমি, ভারতে রটায়ে যাবে কাশ্মীরের
    অপমান-কথা? বীরের স্বধর্ম হতে
    বিরত ক’রো না তুমি আপন ভ্রাতারে,
    রাখো এ মিনতি।
    সুমিত্রা।                                   ব’লো না, ব’লো না আর
    শংকর।                মার্জনা করো ভাই। পদতলে
    পড়িলাম। ওই তব রুদ্ধ কম্পমান
    রোষানল নির্বাণ করিতে চাও? আছে
    মোর হৃদয়-শোণিত। মৌন কেন ভাই।
    বাল্যকাল হতে আমি ভালোবাসা তব
    পেয়েছি না চেয়ে, আজ আমি ভিক্ষা মাগি
    ওই রোষ তব, দাও তাহা।
    শংকর।                                               শোনো প্রভু।
    কুমারসেন।           চুপ করো বৃদ্ধ। যাও তুমি, সৈন্যদের
    জানাও আদেশ– এখনি ফিরিতে হবে
    কাশ্মীরের পথে।
    শংকর।                                   হায় এ কী অপমান,
    পলাতক ভীরু বলে রটিবে অখ্যাতি।
    সুমিত্রা।                শংকর, বারেক তুই মনে করে দেখ্‌
    সেই ছেলেবেলা। দুটি ছোটো ভাইবোনে
    কোলে বেঁধে রেখেছিলি এক স্নেহপাশে।
    তার চেয়ে বেশি হল খ্যাতি ও অখ্যাতি?
    প্রাণের সম্পর্ক এ যে চিরজীবনের–
    পিতা-মাতা-বিধাতার আশীর্বাদে ঘেরা
    পুণ্য স্নেহতীর্থখানি। বাহির হইতে
    হিংসানলশিখা আনি এ কল্যাণ-ভূমি,
    শংকর, করিতে চাস অঙ্গার-মলিন?
    শংকর।                চল্‌ দিদি, চল্‌ ভাই ফিরে চলে যাই
    সেই শান্তিসুধাস্নিগ্ধ বাল্যকাল-মাঝে।

    চতুর্থ দৃশ্য

    বিক্রমদেবের শিবির

    বিক্রমদেব, যুধাজিৎ ও জয়সেন

    বিক্রমদেব।           পলাতক অরাতিরে আক্রমণ করা
    নহে ক্ষাত্রধর্ম।
    যুধাজিৎ।                               পলাতক অপরাধী
    সহজে নিষ্কৃতি পায় যদি, রাজদণ্ড
    ব্যর্থ হয় তবে।
    বিক্রমদেব।                              বালক সে, শাস্তি তার
    যথেষ্ট হয়েছে। পলায়ন, অপমান,
    আর শাস্তি কিবা?
    যুধাজিৎ।                                   গিরিরুদ্ধ কাশ্মীরের
    বাহিরে পড়িয়া রবে যত অপমান।
    সেথায় সে যুবরাজ, কে জানিবে তার
    কলঙ্কের কথা।
    জয়সেন।                                 চলো মহারাজ, চলো
    সেই কাশ্মীরের মাঝে যাই,–  সেথা গিয়ে
    দিয়ে আসি কলঙ্কের ছাপ।
    বিক্রমদেব।                                           তাই চলো।
    বাড়ে চিন্তা যত চিন্তা কর।  কার্যস্রোতে
    আপনারে ভাসাইয়া দিনু, দেখি কোথা
    গিয়া পড়ি, কোথা পাই কূল।

    প্রহরীর প্রবেশ

    প্রহরী।                                                     মহারাজ,
    এসেছে সাক্ষাৎ-তরে ব্রাহ্মণতনয়
    দেবদত্ত
    বিক্রমদেব।                        দেবদত্ত? নিয়ে এস, নিয়ে
    এস তারে। না, না, রোসো, থামো, ভেবে দেখি।
    কী লাগিয়ে এসেছ  ব্রাহ্মণ? জানি তারে
    ভালোমতে। এসেছে সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে
    ফিরাতে আমারে। হায় বিপ্র, তোমরাই
    ভাঙিয়াছ বাঁধ, এখন প্রবল স্রোত
    শুধু কি শস্যের ক্ষেত্রে জলসেক করে
    ফিরে যাবে তোমাদের আবশ্যক বুঝে
    পোষমানা প্রাণীর মতন? চূর্ণিবে সে
    লোকালয়, উচ্ছন্ন করিবে দেশগ্রাম।
    সকম্পিত পরামর্শ উপদেশ নিয়ে
    তোমরা চাহিয়া থাকো, আমি ধেয়ে চলি
    কার্যবেগে, অবিশ্রাম গতিসুখে, মত্ত
    মহানদী যে আনন্দে শিলারোধ ভেঙে
    ছুটে চিরদিন। প্রচণ্ড আনন্দ-অন্ধ,
    মুহূর্ত তাহার পরমায়ু; তারি মধ্যে
    উৎপাটিয়া নিয়ে আসে অনন্তের সুখ
    মত্ত করিশুণ্ডে ছিন্ন রক্তপদ্ম-সম।
    বিচার বিবেক পরে হবে। চিরকাল
    জড় সিংহাসনে পড়ি করিব মন্ত্রণা।
    চাহি না করিতে দেখা ব্রাহ্মণের সনে।
    জয়সেন।              যে আদেশ।
    যুধাজিৎ।              ( জনান্তিকে জয়সেনের প্রতি )
    ব্রাহ্মণেরে জেনো শত্রু বলে।
    বন্দী করে রাখো।
    জয়সেন।                                   বিলক্ষণ জানি তারে।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনৃত্যনাট্য চণ্ডালিকা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article বিসর্জন (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }