Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাণুর কথামালা – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶

    ছত্রপতি

    বৃষ্টি নামিতে তাড়াতাড়ি একটু পা চালাইয়া একটা দোতলা বাড়ির নীচে আসিয়া দাঁড়াইলাম। এখানে ফুটপাথটা ঢাকা, আশ্রয় মিলিল।

    মনটা বিষণ্ণ হইয়া আছে। বাড়ি হইতে বাহির হইতেই ভাইপোটা টুকিয়া দিয়াছিল, কাকা, ছাতা নিলে না?

    সেই থেকে মনটা খিঁচড়াইয়া আছে। ঠিক যাত্রার মুখে পিছনে ডাকা আমার সয় না; খুব একচোট বকাবকি করিলাম। যাত্রাটা শোধরাইয়া লইবার জন্য একটু বসিয়া গেলাম। তাহার পর আবার যেন পিছন না ডাকে, সেজন্য সতর্ক করিয়া দিয়া উঠিয়া আসিয়াছি। আবার যে ছাতাটা না লইয়াই উঠিয়াছি, ছেলেটা সেটুকু আর মনে করাইয়া দিতে সাহস পায় নাই।

    পাশেই বারান্দাটার মধ্যে গায়ে গায়ে তিনটি দোকান। একটি চায়ের, একটি হোমিওপ্যাথির, একটি ছাতার সঙ্গে কিছু কাপড়ও আছে।

    সমাবেশটা একটু অদ্ভুত,—চা, হোমিওপ্যাথি, ছাতা। অন্য সময়ে নজর পড়ে না বটে, কিন্তু বর্ষার এই রকম জোর-করা অবসরের মধ্যে এই সামান্য অসামঞ্জস্যগুলাও মনকে যেন অভিভূত করিয়া বসে।

    চিন্তার মধ্যে একবার ফিরিয়া দেখিতেই চক্ষে পড়িল, ছাতার দোকানীটা আমার পানে একদৃষ্টে চাহিয়া আছে। চোখ সরাইয়া লইতে গিয়া দৃষ্টিটা চায়ের দোকান গিয়া পড়িল; সেখানেও সেই অবস্থা, দোকানীর দুইটি লোলুপ চক্ষু আমার উপর নিবদ্ধ।

    ব্যাপারটা বুঝিলাম। অত্যন্ত অস্বস্তি বোধ হইতে লাগিল। জামা-কাপড় একটু ভিজিয়া গিয়াছে, বর্ষার ছাটে বেশ একটু শৈত্যভাব। অসময় হইলেও বর্ষাটা যে শীঘ্র থামিবে, এমন ভরসা নাই। এ অবস্থায় একটু চা পান না করা, অথবা সামনেই ছাতার দোকান থাকিতে একটা ছাতা কিনিয়া না লওয়া কেমন যেন একটা কিম্ভূতকিমাকার ব্যাপার বলিয়া মনে হইতে লাগিল। চা আমি পান করি না; বাড়িতে একটা ছাতা আছেই, এই সেদিন কিনিয়াছি। আমি দোকান হইতে সবলে দৃষ্টি ফিরাইয়া রাস্তার পানে চাহিয়া রহিলাম, কিন্তু মাথার পিছনে যে চারিটি লুব্ধ চক্ষুর দৃষ্টি আসিয়া পড়িতেছে, তাহাদের হাত হইতে কোনমতেই পরিত্রাণ পাইলাম না। সম্মোহকেরা শুনিয়াছি চোখের উপর চোখ রাখিয়াই বশীভূত করিতে পারে, এদের দৃষ্টি আমার মাথা ফুঁড়িয়া আমার মস্তিষ্ককে যেন বেশ বিবশ করিয়া ফেলিতে লাগিল। কেবলই মনে হইতে লাগিল; আমার মত এমন নিদারুণ অবস্থাতে পড়িয়াও যদি কেহ ইহাদের ফাঁকি দেয় তো কেনই বা ইহাদের এই এত কষ্ট করিয়া পাঁচজনের জন্য হাতের এত কাছে প্রয়োজনের সম্ভার সব যোগাইয়া রাখা? আরও কি সব আত্মধিক্কারের কথা মনে উদয় হইল, এখন ঘরের নিরাপদ আশ্রয়ে বসিয়া বসিয়া মনে পড়িতেছে না। মোট কথা, ঘুরিয়া ছাতার দোকানের দিকে অগ্রসর হইলাম।

     

     

    .

    ২

    আকার-প্রকারে মনে হইল, খুব পুরানো দোকান। প্রবেশ করিতেই ‘এই যে আসুন’ বলিয়া দোকানী ছোট্ট দোকানটির ভিতরে সরিয়া গিয়া হাত দিয়া আমার বসিবার জায়গাটা ঝাড়িয়া পরিষ্কার করিয়া দিল। বলিল, বিশ্রী বর্ষা পড়েছে মশাই। এবারের নতুন পাঁজিতে বর্ষফল দেখেছেন তো?

    বলিলাম, না।

    চক্ষু বিস্ফারিত করিয়া বলিল, দেখেন নি! বোশেখ মাস থেকেই যে বর্ষা পড়ে যাবে বলছে। আর যে-রকম সে-রকম বর্ষা নয়, বলছে—গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে নাকি এ রকম বর্ষা দেখেনি কেউ। কি ছেলেমেয়েদের জামা চাই নাকি—কত বয়েস?

     

     

    বলিলাম জামা নয়, ছাতা চাই একটা, আমার নিজের জন্যে।

    দোকানী নিজের কপালে ছোট একটি করাঘাত করিয়া বলিল, দেখুন এই বুদ্ধি নিয়ে দোকান করব! তাই করতেও পারলাম না কিছু। দেখছি ছাতাই দরকার আপনার, অথচ জিজ্ঞেস করছি, জামা চাই? কিরকম ছাতা দেখাই বলুন দেখি?

    সামনে কয়েক রকমের ছাতা একটা টাঙানো ছিল। মাথায় একটা বুদ্ধি আসিল। মিছামিছি পয়সাটা খরচ করিব? ওদিকে বৃষ্টিটাও যেন একটু ধরিয়া আসিতেছে। বলিলাম, একটু ভাল আর মজবুত হলে বেশ হয়, ওগুলো যেন নেহাত শৌখিন, আর, কি যে বলে— দোকানী তর্জনী উঁচাইয়া গম্ভীরভাবে আমার মুখের কথাটা পূরণ করিয়া দিল—আর পলকা। ঠিক। তা এ যে শৌখিন, ফাঁকি আর পলকার যুগ মশাই। চেহারা দেখুন, চুল ছাঁটা দেখুন, জামা দেখুন, জুতো দেখুন—সব যেন উড়ছে। তা দোব আপনাকে, এমন ছাতা দোব যে, এ যুগে পাওয়াই যায় না। আমরা নিজেরা যে সব সে-যুগের। এই দেখুন, এগুলো কি এই সব ছোকরাদের যুগের বলে ভুল হবার জো আছে?—বলিয়া নিজের মাথার এক খামচা অবিন্যস্ত শুভ্র কেশ তুলিয়া ধরিয়া হাসিয়া উঠিল।

     

     

    ছাতা আসিল। বাস্তবিক, অমন ছাতা আমি কলিকাতা শহরে পূর্বে কখনও দেখি নাই। যেমন দীর্ঘ, তেমনই আড়ে। সাধারণ ছাতায় আটটা করিয়া শিক থাকে, দোকানী এক এক করিয়া চৌদ্দটা গুনিয়া দিল। শিকের মাথাগুলা এক একটা মটরের মত। মোটা অমসৃণ একটা বাঁশের বাঁট—যেন নিজের চর্বিতে মাথার কাছটা একটু একটু ফাটিয়া গিয়াছে। দোকানী একবার হাতে তৌল করিয়া সামনে ফেলিয়া দিয়া বলিল, নিন, একবার ওজনটা দেখুন, ঘণ্টাখানেক বইলে আজকালকার রগ-কামানো ছোকরা বাবুদের হাঁপ ধরে যাবে না? এই একটি ছিল, এর পরে আপনার মত খদ্দের এলে আর দিতে পারব না। এ জিনিস আর করে না। বইবার লোক নেই তো আর করবে কার জন্যে মশাই! আপনার মত সাজোয়ান লোক কটা চোখে পড়ে?

    মনটা বেশ একটু খুঁতখুঁত করিতেছিল, কিন্তু আধুনিক ছাতাকে বিদ্রূপ করিয়া আরম্ভ করিয়াছি, খোলাখুলি কিছু বলিতে পারিতেছিলাম না। তবুও যা একটু বলিব বলিব মনে করিতেছিলাম, দোকানী ‘সাজোয়ান’ করিয়া দিয়া সেটুকুও প্রকাশ করিবার আর সামর্থ্য রাখিল না। বছর দশেকের মধ্যে যাহাকে কেহ শক্তিমান বলিয়া ভ্রম করে নাই, ওই মন্ত্রটুকু শুনিলে তাহার মনের অবস্থা কেমন হয়? একবার খুলিয়া দেখিতে যাইতেছিলাম, দোকানী তাড়াতাড়ি হাত হইতে এক রকম কাড়িয়া লইয়া হাসিয়া বলিল, তা বলে কি খুলতেও গাজুরি চলবে বাবু? এ যে হাসালেন আপনি। শক্তিমান লোকের দোষ ওই।—বলিয়া সন্তর্পণে আঙুলের টিপ দিয়া ছাতা খুলিয়া ধরিয়া আমার মুখের পানে স্মিত হাস্যে চাহিল। সমস্ত ঘরটি যেন অমাবস্যার অন্ধকারে ভরিয়া গেল!

     

     

    দাম তিন টাকা। কিন্তু দোকানী বলিল, তবে আপনি ভাববেন, জিনিসটা পছন্দ হয়েছে, তাতে এই দুর্যোগ, আর পাঁজিতে যেমন লিখছে, ছাতাটা হাতছাড়া করাও মুখ্যুমি, তাই দোকানী বেটা দাঁও হাঁকড়াচ্ছে। না মশাই, আপনি আড়াই টাকাই দিন। খদ্দেরের সঙ্গে তো এক দিনের সম্পর্ক নয়। আজ আট গণ্ডা পয়সা গুণাগার দিলাম, কাল আবার দরকার পড়লে আপনাকে এই দোকানে পায়ের ধুলো দিতে হবে।

    যে লোকটা এত সুবিবেচক, যে কিছু বলিবার পূর্বে নিজে হইতেই তিন টাকা হইতে আড়াই টাকায় নামিয়া আসিতে পারে, তাহার সহিত দর-কষাকষি চলে না। ছাতাটা কিনিয়া বাহির হইয়া আসিলাম।

    .

    ৩

    বৃষ্টি ধরিয়া আসিয়াছে, তবে এখনও গুঁড়িগুঁড়ি পড়িতেছে। ছাতাটা কিন্তু সেইখানেই খুলিতে অত্যন্ত সঙ্কোচ বোধ হইল। একটু সরিয়া গিয়া আঙুল টিপিয়া টিপিয়া খুলিতে হইবে। ছাতা লইয়া বাহির হইয়া আসিবার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের দৃষ্টি এদিকে আকৃষ্ট হইয়া পড়িয়াছে। চায়ের দোকানী কি করিতেছে জানি না, খুব মনের জোর দিয়া ওদিক হইতে দৃষ্টিকে সংযত রাখিয়াছি। ইহার উপর ছাতা খুলিয়া আর বাড়াবাড়ি করিবার ভরসা হয় না। পাক দিয়া যতটা সম্ভব ছাতাটার আকার সঙ্কুচিত করিয়া কোলের কাছে লইয়া অগ্রসর হইলাম এবং একটা মোড় ঘুরিয়া অন্য পথ ধরিলাম! একটা স্বস্তির নিশ্বাস পড়িল, এবং মনের সহজ ভাবটা ফিরিয়া আসিলে ইংরেজি বাংলা ভাষায় (?)–যতগুলি গালাগাল জানা আছে, সমস্তগুলি দোকানীটার উপর উজাড় করিলাম। কি প্রবঞ্চক! মান্ধাতার আমলের কবেকার একটা ছাতা কিনিয়া রাখিয়াছে, খদ্দের নাই, জো বুঝিয়া ঠিক আমায় গছাইয়া দিল! আচার্য রায় এই জাতকে দোকান করিতে উৎসাহিত করেন!

     

     

    এ ছাতা লইয়া বাড়ি ফেরা চলিবে না। এমনই আমি কিছু সওদা করিয়া বাড়ি ফিরিলে সবাই আসিয়া ঘিরিয়া দাঁড়ায় নানাবিধ অরুচির মন্তব্য লইয়া। তাহার উপর যদি এই ছাতা দেখে—

    এক জায়গায় বারান্দার উপর একটি মাড়োয়ারি ঘণ্টি বাজাইয়া ছিটের টুকরা নিলাম করিতেছিল। একটু ভিড় হইয়াছে, ছাতাটা কোলের কাছে লইয়া দাঁড়াইলাম। বৃষ্টিটা নিতান্ত আর গুঁড়িগুঁড়ি পড়িতেছে না, একটু জোর হইয়াছে, কিন্তু নিলাম দেখায় এত তল্লীন হইয়া গিয়াছি—বৃষ্টির কথাটা যেন মনেই নাই। একটি ফতুয়া-পরা বখাটে গোছের ছোকরা মনে করাইয়া দিল। মুখের দিকে দুই-তিনবার চাহিয়া বলিল, ভিজছেন যে মশাই, ছাতাটা খুলুন না! আর একটু কাছে ঘেঁষিয়া আসিল।

    বলিলাম, তাই তো! খেয়ালই ছিল না।

    ভুলটা হঠাৎ জানিতে পারিলে তাড়াতাড়ি যেমন শোধরাইয়া লয় লোকে—লওয়া উচিত যেমন, সেইভাবে ছাতাটা মাথার উপর তুলিয়া শিকের গোড়ার জোরে একটা ঠেলা দিলাম।

     

     

    বাঁটের ঠেক এক-তৃতীয়াংশ গিয়া আটকাইয়া গেল। না নীচে নামে, না উপরে যায়। যত রকম ভাবে সম্ভব—অন্তত সে অবস্থায় যতরকম ভাবে সম্ভব ছিল, চেষ্টা করিলাম। কিছুতেই কিছু হইল না। শেষে হাল ছাড়িয়া দিয়া সেই অর্ধমুক্ত ছাতা মাথার উপর ধরিয়া নিলামে মনঃসংযোগ করিবার চেষ্টা করিতে লাগিলাম। ছোকরাও বোধ হয় একটু অন্যমনস্ক হইয়া গিয়াছিল, হঠাৎ মুখ তুলিয়া বিরক্তি এবং বিদ্রূপের স্বরে বলিল, আচ্ছা কিপটে তো মশাই আপনি! তেরপলের মত একটা ছাতা কিনেছেন—ঠিক অর্ধেকটি খুলে নিজের মাথাটি বাঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। ইচ্ছে করলে তো মাড়োয়ারিটাকে পর্যন্ত এর মধ্যে টেনে নিতে পারেন।

    আরও দুই-একজন প্রত্যাশী তাহার সঙ্গে যোগ দিল। বলিলাম, না, কি রকম আটকে গেছে খানিকটা উঠে।

    দেবার ইচ্ছে না থাকলে ও রকম আটকায় মশাই। কই, দেখি, কি রকম আটকেছে? হাত হইতে ছাতাটা লইয়া উপরে ঠেলিবার চেষ্টা করিল। একেবারে অনড়। দাঁত-মুখ কুঞ্চিত করিয়া ঈষৎ কুব্জ হইয়া নীচের দিকে টানিল। অতি কষ্টে আধ ইঞ্চিটাক নীচে নামিয়া সেই যে কাপে কাপ বসিয়া গেল, আর না উপরে যায়, না নীচে নামে। কসরতের চোটে শিকের ডগাগুলো ঘটাঘট করিয়া আশেপাশের মাথাগুলির উপর ঠোক্কর দিতে লাগিল অচিরেই নিলামের ভিড়ের একটা মোটা অংশ ছাতার চারিদিকে ঘেরিয়া মারমুখো হইয়া উঠিল। ছোকরার হাতেই ছাতাটা, আমি দর্শক সাজিয়া গিয়া অনেকটা নিরাপদ ছিলাম। ব্যাপার খুব ঘোরালো হইয়া উঠিতে ছোকরা বলিল, এই, এঁর ছাতা। পয়সা দিয়ে কিনেছিলেন নাকি মশাই? নিন, টুপি করে পরে থাকুন।—বলিয়া ছাতাটা আমার হাতে দিয়া হনহন করিয়া বাহির হইয়া গেল।

     

     

    আমিও সেই স্বল্প-উদ্ঘাটিত ছাতায় যতটা সম্ভব চারিদিকের বিদ্রূপবাণ হইতে আত্মগোপন করিয়া সেখান হইতে সরিয়া পড়িলাম।

    কিন্তু সরিয়া যাইব কোথায়? বৃষ্টি পড়িতেছে একটু একটু করিয়া। মাথায় আধখোলা বিরাট ছাতা। কোথায় লোক কম আছে এই রকম গলিঘুঁজি দেখিয়া বেড়াইতে হইবে। দাঁড়ইলেই সেখানে বড় ছাতার মধ্যে আশ্রয়ের লোভে লোক জুটিয়া যাইবে, সঙ্গে সঙ্গে প্ৰশ্ন, বিদ্রূপ, মন্তব্য

    কয়েকটা গলি ঘুরিয়া মাথায় একটু বুদ্ধি আসিল। একটা ছোট মনিহারী দোকানে গিয়া একটা ছুরি কিনিলাম। আর একটু গিয়া রেলিঙে ঘেরা একটি ছোট পার্কের মত দেখা গেল। গোটা তিনেক বেঞ্চ পাতা আছে। একটির মাথায় কাঠের একফালি চালা গোছের, একটু জল আটকায়। সেই বেঞ্চিতে বসিয়া ছাতার বাঁটটা চাঁচিতে আরম্ভ করিয়া দিলাম।

    উপর আর নীচের অংশটি চাঁচিতে সময় লাগিল না, কিন্তু যেখানটা আটকাইয়াছে, ছুরির ছোট ফালির কোণ সাঁদ করাইয়া কুরিয়া কুরিয়া কাটিতে অনেক বিলম্ব লাগিল। যাহা হউক, ফল হইল। হঠাৎ আমার বাঁ হাতের বুড়া আঙুলটা খামচাইয়া দিয়া ছাতাটা সশব্দে বন্ধ হইয়া গেল।

     

     

    একটি স্বস্তির নিশ্বাস ফেলিতে যাইব, দেখি উপদ্রব অন্যদিক দিয়া মাথা ফুড়িয়া বাহির হইয়াছে।

    ছাতাটা শুধু আকারের দিক দিয়াই প্রাচীন নয়, সরঞ্জামের দিক দিয়াও একেবারে পচা। পূর্ণভাবে উদ্ঘাটিত করার চেষ্টায় শিকের গোড়ায় তারের বাঁধুনিটা কখন ছিঁড়িয়া গিয়াছে টের পাই নাই, ছাতাটা হঠাৎ মুড়িয়া যাইতেই একসঙ্গে গোটা পাঁচ-ছয় শিকের মুখ কুঁড়িয়া বাহির হইয়া আসিল। হতাশ দৃষ্টিতে সেই ভগ্নাবশেষের দিকে চাহিয়া কিছুক্ষণ বসিয়া রহিলাম।

    .

    ৪

    আড়াইটা টাকা গিয়াছে, কপালে লোকসান লেখা ছিল, কি আর হইবে? এখন কথা হইতেছে, এই ছাতার হাত হইতে পরিত্রাণ পাই কি করিয়া? এই বস্তু বহন করিয়া কি করিয়া ফিরি? একটি ছাতা মেরামতের দোকান নাই, ‘ছাতা মেরামত’ করিয়া লোকও হাঁকে না। একটু নিরিবিলি জায়গার খোঁজে প্রায় ঘণ্টা দুই আড়াই ঘুরিতে ঘুরিতে কোন্ পাড়ায় যে আসিয়া পড়িয়াছি, তাহাও বুঝিতে পারিতেছি না।

     

     

    বৃষ্টিটা বেশ ছাড়িয়া গেল। আকাশ পরিষ্কার হইয়া আসিতেছে। ছোট পার্কটিতে একটি চাকর তিন-চারটি ছেলেমেয়ে লইয়া প্রবেশ করিল। আমি উঠিলাম, মাথায় একটা বুদ্ধি আসিয়াছে।

    চাকরটাকে প্রশ্ন করিলাম, এখান থেকে ট্রামের রাস্তা কতটা? কোন্ দিক দিয়ে যেতে হবে?

    কোথায় যাবেন আপনি?

    আমার ট্রামের দরকার, কোথায় যাই সেটা অবান্তর।

    বলিলাম, বউবাজার স্ট্রীটে গিয়ে আমায় ট্রাম ধরতে হবে। কতটা হবে এখান থেকে?

    উত্তর করিল, গ্রে স্ট্রীটের ট্রাম লাইন এখান থেকে সবচেয়ে কাছে।

    বলিলাম, তাতেও চলবে। কোন্ দিকে?

     

     

    চাকরটা একটু সন্দিগ্ধভাবে মুখের দিকে চাহিল, তাহার পর হাত দেখাইয়া বলিল, তা হলে সোজা গিয়ে একটু মোড় ফিরেই সিধে পশ্চিমে চলে যান।

    টানাহিঁচড়া করিতে কয়েকটা শিকের মাঝখানটা বাঁকিয়া গিয়া ছাতার পেটটা ফুলিয়া গিয়াছে, যথাসম্ভব গুছাইয়া লইয়া যাত্রা করিলাম।

    গ্রে স্ট্রীটে আসিয়া একটা চিৎপুরগামী ট্রামের সেকেন্ড ক্লাসে উঠিয়া পড়িলাম। একবার ভাল করিয়া দেখিয়া লইলাম, ট্রামের এক কোণে দুই-একজন সন্দিগ্ধ-প্রকৃতির লোক পরস্পরের কাছে মুখ সরাইয়া লইয়া কি একটা পরামর্শে লাগিয়া আছে। ইহাদেরই খুঁজিতেছি। গিয়া ঠিক তাহাদের সামনের সীটটিতে বসিলাম, এবং তাহাদের যাহাতে কোন অসুবিধাই না হয়, সেইজন্য ছাতাটা নিজের সামনে না রাখিয়া বেঞ্চটার পিঠে ঠিক তাহাদের হাতের কাছে টাঙাইয়া রাখিলাম।

    সামনে লম্বালম্বি করিয়া বসানো একটা বেঞ্চে কতকগুলি পাড়াগেঁয়ে গোছের বাঙালি বসিয়া তর্ক করিতেছিল। বসিতেই সামনের লোকটি আমার ছাতার দিকে একবার দৃষ্টিপাত করিয়া যুক্ত করে মাথা নোয়াইয়া খুব ভক্তিভরে বলিল, প্রণাম হই

     

     

    তাহার পর সঙ্গীদের দিকে ফিরিয়া বলিল, কেন এত তর্ক বাপু তোমাদের? এই এঁকেই জিজ্ঞাসা কর না, আমাদের ভাগ্যে যখন এসে পড়েছেন। এরা বলছে, আজ বারোটা একচল্লিশ মিনিট গতে অমাবস্যা পড়বে, অথচ আমার যেন মনে হচ্ছে, পাঁজিতে দেখে এলাম—

    অত্যন্ত বিস্মিত হইলাম, কিন্তু তখনই ব্যাপারটা পরিষ্কার হইয়া গেল। ইহারা ছাতা দেখিয়া আমায় নিশ্চয় গুরুপুরোহিত গোছের কিছু একটা ঠাহর করিয়া থাকিবে। ঘুরিয়া ঘুরিয়া চেহারাতেও নিশ্চয় একটা পরিব্রাজক গোছের ছাপ পড়িয়াছে। তাহার উপর মুণ্ডিত মুখমণ্ডল, পায়ে একটু পুরাতন গোছের স্যান্ডাল—এসবের সাক্ষ্য তো আছেই। কিন্তু সব চেয়ে বড় নিদর্শন ওই ছাতা। নির্ঘাত শিষ্য-বাড়ির জিনিস, মেদিনীপুর ঘাটাল অথবা একেবারে সুন্দরবন ঘেঁষিয়া কোন শিষ্য বাড়ি হইতে আমদানি—কলিকাতার বহুদূরে এবং এ যুগের ছোঁয়াচ হইতে সম্পূর্ণ মুক্ত কোন শিষ্য-বাড়ি।

    লোকগুলো চিৎপুরের মাঝামাঝি একটা জায়গায় নামিয়া গেল। পিছনের সেই লোক দুইটা বসিয়া আছে। কান ওই দিকেই পাতিয়া রাখিয়াছি। না, যতটা বুঝা যাইতেছে, খাঁটি লোক। ইহারা আমায় ছাতা-সমস্যা হইতে মুক্ত করিবেই। হ্যারিসন রোডের কাছে আসিয়া ভিড়টা চাপ বাঁধিয়া উঠিল। এই সুযোগ। আমি উঠিয়া পড়িলাম এবং ছাতাটা ভুলিয়া, ভিড় ঠেলিয়া ট্রামের ফুটবোর্ডের নিকট আসিয়া দাঁড়াইলাম। নামিতে যাইব, কাঁধে একটা রুক্ষ হস্তের স্পর্শ অনুভব করিলাম। ফিরিয়া দেখি, আমার পিছনের সঙ্গীদের মধ্যে একজন একটি সশ্রদ্ধ প্রণাম করিয়া বলিল, ঠাকুর মশাই, আপনার ছাতা!

    ও, ভুলেই গেছলাম তো। বলিয়া ছাতাটা লইয়া নামিয়া ফুটপাতে গিয়া দাঁড়াইলাম।

    আকাশ-পাতাল ভাবিতে লাগিলাম। কি করা যায়! চোর-গুণ্ডাকেও নির্লোভ সাধু করিয়া তোলে, এ কি পাপ ঘাড়ে আসিয়া পড়িল! বাড়ি যাই কি করিয়া? শিবপুরের রামরাজাতলা—এখানে তো নয়। ট্রাম-বাস—অসম্ভব হইয়া উঠিতেছে, তা ছাড়া উঠিই বা কি করিয়া বাড়িতে এ জিনিস লইয়া? ওদিকে ছাতা ক্রমেই অঙ্গবিস্তার করিতেছে। এদিকে নিজের শরীর দুশ্চিন্তা আর নিরুদ্দেশ ঘোরাঘুরিতে একেবারে অবসন্ন

    সুবিধার মধ্যে বৃষ্টির ছাটে মাথাটা ঠাণ্ডা আছে, আবার একটু বুদ্ধি আসিল।

    লোয়ার চিৎপুর হইয়া এসপ্ল্যানেডে আসিলাম এবং সেখান হইতে একেবারে ইডেন গার্ডেনে গিয়া উপস্থিত হইলাম। পথের বিড়ম্বনাটনা আর লিপিবদ্ধ করিতেছি না।

    খুব ঝোপঝাপ দেখিয়া একটি নিভৃত স্থানে গিয়া বসিলাম। তখন বেলা গিয়া বেশ একটু গা-ঢাকা হইয়া আসিয়াছে।

    পরে বুঝিলাম, অত বেশি নিভৃত স্থান খুঁজিতে যাওয়াই ভুল হইয়াছিল।

    বেঞ্চে একটু বসিয়া ছাতা ভুলিয়া একটু বাহিরে ফাঁকায় আসিয়া পড়িয়াছি, একটা উড়িয়া মালী আসিয়া বাঁ হাতে ছাতাটা লইয়া হাসিয়া দক্ষিণ হস্ত প্রসারিত করিয়া বলিল, ছাতাটা ভুলে যাচ্ছিলেন, বকশিশ দেবেন বাবু!

    চূড়ান্ত অবস্থা হইয়া আসিয়াছে। স্খলিত কণ্ঠে বলিলাম, ঠিক, ভুলে গেছলাম বটে।

    একটু চিন্তা করিয়া সঙ্কোচ কাটাইয়া বলিলাম, গরিব মালী হয়েও যে রকম সাধুলোক, নে, তুই ছাতাটাই নিয়ে নে।

    মালীও একটু চিন্তা করিল, একটু লুব্ধ দৃষ্টিতে ছাতাটার পানে চাহিল বটে, কিন্তু বুঝিলাম, কি একটা প্রবল দ্বিধায় পড়িয়াছে। উৎসাহিত করিবার জন্য বলিলাম, নে চারটে পয়সা, বরং মেরামত করে নিস। আহা, গরিব লোক!

    মালী ভীত সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে একবার আমার দিকে চাহিল, জায়গাটার নিভৃত ভাবটাও একবার দেখিয়া লইল। তাহার পর হঠাৎ যেন একটা অজানা বিপদের ইঙ্গিত পাইয়া নিজের লোভ সংযত করিয়া বলিল, না বাবু, থাক, বকশিশ চাই না, সেলাম।

    তাড়াতাড়ি চলিয়া গেল।

    .

    গভীর নৈরাশ্যে অবশেষে মা-গঙ্গাকে আশ্রয় করিতে হইল।

    কতবার ভাবিয়াছি, মানুষ আত্মহত্যা করে কেন? আজ একটি দিনের সামান্য একটা ছত্রবিভ্রাটের মধ্যে তাহার উত্তর পাইয়াছি।

    কেবল একটা বৈরাগ্য আসিয়া গিয়াছে। এই তো জীবন—এতটুকু একটা তুচ্ছতায় যাহার মধ্যে এত বড় একটা বিপর্যয় আনিয়া ফেলিতে পারে, একেও মানুষ এত করিয়া চায় কেন? একটা সামান্য ছাতা, না হয় অসামান্যই, কিন্তু ছাতাই তো! ইহার দ্বারাও যদি এতটা নির্যাতন সম্ভব জীবনে তো কেন মানুষ এ জীবন আঁকড়াইয়া থাকে?

    সন্ধ্যার অন্ধকার, গঙ্গার তীর–এমনিই মনটাকে উদাস করিয়া তোলে, তায় নিতান্ত অহেতুক ভাবেই আজ সমস্ত দিনটা এই নিগ্রহ

    স্ট্র্যান্ড রোড পার হইয়া গঙ্গার ধার দিয়া খানিকটা দক্ষিণে চলিয়া গেলাম। কেল্লার সামনাসামনি জেটির বালাই নাই, নৌকাও কাছে-পিঠে দেখা যায় না। এই উপযুক্ত জায়গা। কেহ একটা কথাও জিজ্ঞাসা করিতে আসিবে না। আমি সন্তর্পণে জলের ধারে নামিয়া গেলাম।

    কাছেই একটা গোল পাথরের বড় চাঁই, কেমন করিয়া ঠিক এই জায়গাটিতে আসিয়া পড়িয়াছিল জানি না—মা বোধ হয় এই বিড়ম্বনার অবসান করিবেন বলিয়াই।

    এইবার খানিকটা দড়ি দরকার। নিজের বস্ত্রের পানে চাহিলাম। এত সাধের দেহটাকেই যে বস্ত্রখণ্ডের মত এক কথায় ত্যাগ করা চলে, সে বস্ত্রখণ্ডের জন্য এত মায়া কেন? কোঁচার খুঁটটা খুলিয়া কাপড়টা ছিঁড়িয়া ফেলিলাম।

    পাথরটা ভাল করিয়া বাঁধিলাম। প্রায় পনেরো-কুড়ি সেরের শিলা, ইহাকে আলিঙ্গন করিয়া যদি অতলকে আশা করা যায় তো অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টি কোন সন্ধানই পায় না।

    তারপর?

    তারপর মায়া। হ্যাঁ, জীবনে এত দুঃখ-দুর্গতির পাশেও যে কোথা হইতে এত মায়া আসিয়া জমা হয় কি করিয়া বলি? দেহই বল অথবা অন্য কিছুই বল—যাহা লইয়া এত নির্যাতন, তাহাকেই আবার বিদায়ের সময় প্রাণ এমন করিয়া জড়াইয়া ধরে কেন?

    ছাতাটার পানে একবার করুণ নেত্রে চাহিলাম, তারপর পাথর-লগ্ন কাপড়ের পাড়ের সঙ্গে সেটাকে বাঁধিয়া পাথরটা ধীরে ধীরে গঙ্গার গর্তে ঠেলিয়া দিলাম।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)
    Next Article রাণুর তৃতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    শ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর তৃতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }