Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাণুর তৃতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প222 Mins Read0
    ⤷

    স্বয়ম্বরা

    রাণুর বিবাহ। তিন দিন ধরিয়া রোশনচৌকির বাজনা,—বাড়ি-ঘর-দুয়ার সুরে সুরে ভরাট হইয়া গিয়াছে। সুর কি ভাবে মনের মধ্যে পর্যন্ত প্রবেশ করিয়া যেন রুন রুন করিতেছে। গায়ে হলুদের দিন মেয়েদের প্রীতিভোজ। যে ব্যাপারটি সুরের মধ্য দিয়া আহুত, সেটি যেন রাণুকে আরও পরিপাটী করিয়া ঘিরিয়া ফেলিতেছে। সে যতই সঙ্কুচিত হইয়া ঘরের কোণ খুঁজিতেছে, বাড়ির যত প্রশ্ন, যত আহ্বান যেন তাহারই অভিমুখী হইয়া ঘুরিয়া বেড়াইতেছে :

    “কোথায় গেল সে?”

    “ওমা! তুই নিশ্চিন্দি হয়ে একঠায় বসে আছিস! কি বলে গেলাম এক্ষুনি?”

    নিমন্ত্রিতদেরও ওই এক খোঁজ :

    “রাণুকেই যে দেখছি না! এই যে! দেখেছ? একদিনেই কত বদলে যায়?”

    “হুঁ, পুষলে-পাষলে, এবার কাটল মায়া। কিছু না, কাকের কোকিলছানা পোষা দিদি!”

    শুধু রাণু, রাণু, আর রাণু!

    বিবাহের দিন সমস্ত ব্যাপারটি তাহাকে আরও নিবিড়তর ভাবে ঘিরিয়া ফেলিল। বর আসা হইতে আরম্ভ করিয়া সবাইকে দেওয়া-থোওয়া বসানো-খাওয়ানোর মধ্যে যা কিছু উৎসব, ব্যস্ততা, চেঁচামেচি, হাসি, বচসা—সমস্তর মধ্যেই রাণু যেন একটা গূঢ় অলক্ষ্যে উপস্থিত আছে। তারপর আসল বিবাহের ব্যাপারটা, রাণু তো সেখানে সর্বেশ্বরী, সবাইকে যেন নিষ্প্রভ করিয়া দিয়াছে— ছোট বড়, গুরু লঘু সবাইকে।

    অথচ এই রাণু সেদিন পর্যন্ত সংসারের আর সব ছেলেমেয়েদের মধ্যে মাত্র অপর একজন ছিল। সংসারের কাজে অকাজে আধময়লা কাপড় পরা—খোঁজ পড়িয়াছে ফরমাশের জন্য—কাজের অবহেলা কিংবা ভ্রান্তিতে খাইয়াছে বকুনি—মুখভার করিয়া ফিরিয়াছে; তাও কাজের তাগিদে কি মুখটাই বেশিক্ষণ বিষণ্ণ থাকিবার অবসর পাইয়াছে? আদরের কথা? হ্যাঁ, তা নেহাৎ যখন কাহারও অতিরিক্ত রকমের ফুরসত বোধ হয়, ডাকিয়া এদিক ওদিক দুইটা প্রশ্ন, দুইটা মিষ্টি কথা—

    বিবাহ জিনিসটা তাহা হইলে মন্দ নয়। কেমন করিয়া যেন মনে হয় একটি প্রদীপ জ্বালার কথা,—গান, উৎসব, শঙ্খ-উলুধ্বনির সঙ্গে যেন একটি আরতির দীপ দেবতার সামনে আলোয় আলোয় ঝলমল করিয়া উঠিল।

     

     

    আলোর কিন্তু একটা ছায়ার দিক আছে, ঠিক যেমন আছে একটা দীপ্তির দিক। এই কথাটি ভুলিলে চলিবে না, কেননা এই ছায়া-দীপ্তি লইয়াই তো জীবন।

    বিবাহ-বাড়ির দৃশ্যটা একবার ভাবুন, বিশেষ করিয়া চারিদিকে নানা বয়সের যে মেয়েগুলি চলাফেরা করিতেছে তাহাদের কথা। সবচেয়ে ব্যস্ত, সবচেয়ে কলোচ্ছ্বাসিত, কেহ না চাহিলেও শুধু নিজের নিজের আনন্দের অতিপ্রাচুর্যে সর্বত্র সঞ্চরিতা—মনে হয়, এরাই যেন উৎসবের প্রাণ। কিন্তু সাধারণ ভাবে এ কথাটা সত্য হইলেও একটু লক্ষ্য করিলেই দেখা যাইবে, উৎসবের আলোটি সকলের মুখে সমানভাবে ফুটে নাই। এমন কি একটু ভালো করিয়া লক্ষ্য করিলে এদের মধ্যে অনেকগুলি গম্ভীর, নিষ্প্রভ, এমন কি বিষণ্ন মুখের সন্ধান পাওয়া যাইবে। এইগুলির উপর আলোর ছায়া পড়িয়াছে। এই ছায়াকে কি বলিবেন?—হিংসা? যাহা ইচ্ছা হয় বলুন, সংজ্ঞায় কিছু যায় আসে না; আমি এই গ্লানিমাটুকুকে ছায়াই বলিলাম। রাণুর বিবাহ উপলক্ষ্যে এই রকম একটি ছায়াপাতের কথা বলিব; অল্প কথা, কিন্তু বড়ই করুণ।

     

     

    এই হাস্যোজ্জ্বল উৎসব-রজনীতে একটি মেয়ের চিত্ত ভারাতুর হইয়া উঠিয়াছে। তাহার কেন বিবাহ হয় নাই? কবে হইবে? কবে তাহার চারিদিকে এই বাদ্য, এই কলোচ্ছ্বাস মুখর হইয়া উঠিবে? বিবাহ! চিন্তাতেও সমস্ত চিত্ত এক মুহূর্তে ভরিয়া উঠে যেন। রূপকথার এমন প্রত্যক্ষ রূপ আর দেখা যায় না; একটি রজনীর মোহন স্পর্শের মধ্য দিয়া তাহার সব নগণ্যতা ঘুচিয়া যাইবে; রাণুর মতো সেও রানী হইয়া জাগিয়া উঠিবে। সে দিন আসিবে নিশ্চয়, এই রকম একটা রজনীর সোনার মুকুট মাথায় পরিয়া। কিন্তু কবে? বিলম্ব তো আর সহ্য করা যায় না?

    কিন্তু কাহাকেই বা বলিবে, আর কেই বা বুঝিবে তাহার মনের কথা? সখীদের? তাহারা আজ নিজেদের লইয়াই উন্মত্ত, পরের কথা শুনিবার কি আর অবসর আছে? আর তা ছাড়া তাহাদের শুনাইয়া ফলই বা কি? তাহারা তো কোনো সুরাহা করিতে পারিবে না। তবুও চেষ্টা করিয়াছিল। ওদের বাড়ির রতি খুব সাজিয়াছে, মাথায় ঝকঝকে জরির ফিতা দিয়া রচিত খোঁপা, তাহাতে টকটকে একটা গোলাপ গোঁজা। ঘাগরা করিয়া পরা আঁচল গতির চঞ্চলতায় পিছনে ফরফর করিয়া উড়িতেছে, প্রজাপতির পাখনার মতো। সিল্কের রুমাল—কখনও ব্লাউজে গোঁজা, কখনও কোমরে, কখনও হাতে। চুলের, রুমালের ও ফেস-ক্রিমের মিশ্র গন্ধ যেন ঢেউ তুলিয়া সঙ্গে সঙ্গে ঘুরিতেছে।

     

     

    ইহাকেই বলিবার অনেক সুবিধা, তারপর যদি কথাটা ঘুরিতে ফিরিতে বড়দের কানে পৌঁছায়—রতিকে উপলক্ষ্য করিয়া যাহা বলিল, তাহা যদি নিজের অন্তরের দূতীর কাজ করে!

    “ইস, ভাবনে গেলি রতি! কি ভেবেছিস বল দিকিন!”

    “ওমা ভাবব আবার কি? বিয়েবাড়ি, সবাই তোর মতন গোমড়া মুখ করে বেড়াবে নাকি?”

    “নাঃ, কিছু ভাবছ না! আমি ঠিক জানি মশাই। বলব, কি ভাবছিস? রতি ভাবছে, যদি রাণুর মতো আমারও শ্বশুর এসে—”

    ভিতর হইতে কে হাঁকিল, “মেয়েদের পাতা করে ফেল।” রতি সেই দিকেই ছুটিয়া গেল, তাহার নিজের মনের রহস্য আর তাহাকে শোনানো হইল না।

     

     

    ভাজ অনেক সময় ঠাট্টা করে; এই সময় করিলে একটা উপকার হয়, লজ্জা-লজ্জা উত্তরের ছলে তবুও মনের ভাবটা কতকটা প্রকাশ করিয়া দেওয়া যায়। আজই কিছু বিবাহ হওয়া সম্ভব নয়, তবুও মনের অভিরুচিটা যদি জানা থাকে সবার তো—”

    তাহাকে পাওয়াই দুষ্কর। যদি পাওয়াই গেল তো, এত ব্যস্ত যে ঠাট্টা করিবে কি? মরিবার ফুরসত নাই। তবুও একবার মুখটা ঘুরাইয়া প্রশ্ন করিল, “হ্যাঁ, রে, ও-রকম শুকনো মুখ করে ঘুরে বেড়াচ্ছিস যে? আজ রাণুর বিয়ে হচ্ছে তাতেই এই রকম, দুদিন পরে যখন নিজের—”

    “যাও, ঠাট্টা ভালো লাগে না বউদি!”

    “ওমা, ঠাট্টা কি লো? দুদিন পরে রাণু যখন নিজের ঘর করতে যাবে, মুখ শুকনো করা তো দূরে থাক, কেঁদেও কি রুখতে পারবি?”

    ভাজ বুঝিয়াও বুঝিল না। আর তবে কাহার কাছেই বা আশা? বাপ মা—এদের কাছে তো আর বলা যায় না! বাকি থাকেন দাদু আর ঠাকুরমা, একটির বিদায়েই তাঁহাদের যা অবস্থা, ওখানে তো ঘেঁষাই যাইবে না। তাহা ছাড়া ঠাট্টা-বিদ্রূপের মতো মনে স্ফূর্তি ফিরিয়া আসিতে তাহাদের ঢের দেরি এখনও, রাণুর জোড়ে ফিরিবার পূর্বে তো নয়ই।

    তখন মনে পড়িল মেজকাকার কথা। ও-লোকটা হাল্কা প্রকৃতির, কাজের যেমন উপযুক্তও নয়, তেমনই কাজের ভিড়ে ডাকও পড়ে না ওর। প্রচুর অবসর লইয়া কোনো নিরিবিলি জায়গায় গা ঢালিয়া পড়িয়া আছে নিশ্চয়। আর একটা মস্ত বড় সুবিধা এই যে, বিবাহ-সংক্রান্ত কোনো কথা ভালো করিয়া বোঝে না বলিয়া ওর কাছে কথাটা পাড়ায় কোনো সঙ্কোচের বালাই থাকিবে না। কেন যে মেজকাকার কথাটা আগে মনে পড়ে নাই! বোধ হয় অমন অ-দরকারী লোককে টপ করিয়া কাহারও মনে পড়ে না বলিয়াই।

     

     

    অবশ্য অতটা বেকার নই আমি। তবুও লজ্জার কথা হইলেও বলিতে হইতেছে, অত কাজের ভিড়েও একটু নির্লিপ্ততা সৃজন করিয়া সেটুকু উপভোগ করিতেছিলাম—নিজের ঘরের বিছানায় শুইয়া, একটু চক্ষু মুদিয়াও।

    “মেজকা!”—ডাকে তন্দ্রাবেগটা কাটিয়া গেল। আশ্চর্য হইয়া জিজ্ঞাসা করিলাম, “তুই এখানে? মেয়েদের পাতা করা হয়েছে, খেয়ে নিলি না কেন? রাত হয়েছে যে!”

    “এক্কেবারে ক্ষিদে নেই।”

    “কেন? আচ্ছা, একটু মাথার চুলগুলো ধরে আস্তে আস্তে টেনে দে দিকিন।” একটু পরে।

    “মেজকা!”

    আলস্যের স্বরে উত্তর করিলাম, “হুঁ!”

    “ঘুমুচ্ছ?”

    উৎসাহিত করিবার জন্য বলিলাম, “হুঁ। বেশ মিষ্টি হাতটা রে তোর। ঘুম আসছে।”

    “না, সে কথা বলছি না।”

    “তবে?”

    আর একটু চুপচাপ গেল। আবার তন্দ্রাটা বেশ জমিয়া আসিতেছে।

    “মেজকা, আমার বিয়ের যোগাড় করে দেবে?”

    তন্দ্রা ছুটিয়া একেবারে উঠিয়া বসিলাম। এ যে চার-পো কলি!

    কিন্তু কেন, তা বলিতে পারি না, কোনো রূঢ় উত্তর দিতে কেমন যেন মন সরিল না। বোধ হয় মনে করিলাম, এটা নির্জলা নির্লজ্জতার নিদর্শন নাও হইতে পারে; সম্ভবত উৎসবের ছোঁয়াচ লাগিয়াছে; না হইলে—রাণুর চেয়েও ছোট, বিবাহের আর ও কি বোঝে?

     

     

    উৎসবের সুরটি ভাঙিতে কেমন কেমন বোধ হইল। পরে একদিন না হয় সমস্ত বিষয়টির অনৌচিত্যটা বুঝাইয়া দিলেই হইবে। একটু নীরব থাকিয়া বলিলাম, “তোমার বিয়েটা হয়ে গেলে তো আমরা আরও নিশ্চিন্দি হতাম। আজ না হয় কাল তো দিতেই হবে; কিন্তু সে তো আর অল্প কথায় হয় না মা। দেখলেই তো, রাণুর বিয়েতে খরচের হিড়িকটা? নিজেদের খরচ তো আছেই, তা ছাড়া তোমাদের শ্বশুরেরা তো হাঁ করেই আছেন, অল্প দিয়ে কি আর পেট ভরানো যাবে? চাই এককাঁড়ি পয়সা।”

    “তুমি উঠে বসলে কেন মেজকা? শোও না ওদিকে মুখ করে, আমি সুড়সুড়ি দিচ্ছি।”

    বুঝিলাম মুখোমুখি হইয়া প্রসঙ্গটা চালাইতে পারিতেছে না। আহা, সত্যই কি এতটা বেহায়া হইতে পারে! হোক না এ যুগ, হোক না সে মডার্ন!

    একটু প্রসন্ন ভাবেই শুইয়া পাশ ফিরিলাম। বুঝিলাম, দুজনার মধ্যে একটি লঘু তন্দ্রার পর্দা সৃষ্টি করিবার চেষ্টা এটা। ভালো। একটু পরে ডাক হইল, “মেজকা, ঘুমুচ্ছ!”

    কৃত্রিম জড়িত কণ্ঠে বলিলাম, “না, বল।”

    একটু থামিয়া উত্তর হইল, “পয়সা আমি যোগাড় করে রেখেছি মেজকা, তোমাদের ভাবতে হবে না।”

    সর্বনাশ! আমার বিস্ময় আমায় যেন ঠেলিয়ে তুলিয়া দিল। দুই কনুইয়ের উপর ভর দিয়া অর্ধশয়ান ভাবে উঠিয়া পড়িলাম এবং চক্ষু বিস্ফারিত করিয়া প্রশ্ন করিলাম, “পয়সা যোগাড় করে রেখেছিস? সে কি রে! তুই কবে থেকে এ মতলব আঁটছিস? একটা বিয়ের খরচ যোগাড় করেছিস বলছিস, সে তো চাড্ডিখানি পয়সা নয়!”

    নিশ্চয় একটা মস্ত বড় বাহাদুরি ভাবিল; না হইলে এর পরে আর উত্তর দিত না। আজকালকার মেয়ে!

    একটু তেরছা হইয়া বসিয়া মুখটা ঘুরাইয়া লইল। তারপর ঘাড়টা ঈষৎ নীচু করিয়া বলিল, “অনে—ক আছে; অনেক দিন থেকে জমাচ্ছি।”

    প্রবল কৌতূহল হইল, বলিলাম, “সত্যি নাকি? নিয়ে এসে দেখাতে পারিস? তোর কাছে, না তোর মা’র কাছে আছে?”

    “না, আমার কাছেই আছে, আনছি।”

    আপনাদের অবস্থাটা বুঝিতেছি; কিন্তু সাক্ষাৎদ্রষ্টা আমার তখনকার মনের অবস্থাটা কল্পনা করিতে পারেন কি? বিশ্বাস করিতে আপনাদের বোধহয় মনের উপর খুব একটা চাপ পড়িতেছে। কিন্তু যা হাওয়া বহিতেছে, সবই সম্ভব। আজ যাহা শুনিতেছেন, কাল যদি তাহা নিজেই প্রত্যক্ষ করেন তো কিছুই আশ্চর্য হইবার নাই। গুরু-লঘু ভেদ আর ইহারা রাখিবে না, তা হা-হুতাশ করিলে আর উপায় কি?

    একটু পরে মাখন-রঙের একটি ছোট ক্যাশবাক্স আনিয়া হাজির হইল। এটা চিনি, ওর বাপের দেওয়া; মেয়েটিকে বড় ভালোবাসে। অত ভালোবাসা, অত আশাকারারই বোধ হয় এই পরিণাম।

     

     

    ডালা খুলিয়া বাক্স সামনে ঘুরাইয়া ধরিয়া স্মিতহাস্যের সহিত আমার মুখের উপর চক্ষু তুলিয়া চাহিল, বিজয়ের আনন্দে সঙ্কোচের অবশেষটুকুও অন্তর্হিত হইয়া গিয়াছে।

    সত্যই! বাক্সের খোপে খোপে রুমাল, নেকড়া আর কাগজের ছোট বড় একরাশ মোড়ক; একটি জ্যালজেলে ফরসা নেকড়ার গ্রন্থির মধ্যে যেন সুস্পষ্ট গিনির থাক্ ঝিকমিক করিতেছে!

    .

    ভূমিকাটি এই পর্যন্ত থাক। হ্যাঁ, এটা আমার গল্প নয় একটা বিজ্ঞাপন মাত্র; এ পর্যন্ত যাহা বলিলাম, সেটা তাহার ভূমিকা। কিন্তু বিজ্ঞাপনটি এই—

    আমার একটি সাত বছরের ভ্রাতুষ্পুত্রী বর্তমান, নাম ডলিরানী। ছিপছিপে শ্যামবর্ণ; পিঠের অর্ধেক পর্যন্ত ঝাঁকড়া ঝাঁকড়া কেশ। এদিকে মেয়েটি খুব গোছালো, কেননা নিজের বিবাহের জন্য পাই, আধলা, পয়সায় অনেক-গুলি তাম্র খণ্ড সঞ্চয় করিয়া রাখিয়াছে—একুনে সওয়া ছয় আনা। সুতরাং একেবারেই যে খালি হাতে কন্যা গ্রহণ করিতে হইবে, এমন নয়। হৃদয়বান যদি কোনো বরের বাপ থাকেন তো সম্মতি জানাইলে সুখী হইব।

    একটু গোল আছে আবার এর মধ্যে, সেটাও পূর্বাহ্নেই বলিয়া রাখা ভালো। শুধু হৃদয় থাকিলেই চলিবে না। যত দূর বোঝা গেল, একটি সভা-সাজানো শ্বশুরলাভই আপাতত ডলির বিবাহ করার প্রধান উদ্দেশ্য এবং আর সব এক রকম অবান্তর। ডলির ব্যক্তিগত ইচ্ছা, শ্বশুরের শরীরে প্রচুর মেদ এবং মাথায় খুব চকচকে একটি প্রশস্ত টাক থাকা চাই। কি করা যায়? ভিন্নরুচিহি লোকাঃ। তাই যদি এরূপ ত্রিগুণাত্মক—অর্থাৎ একাধারে হৃদয়, মেদ এবং টাকবান কেহ থাকেন তো, আশা করি, অবিলম্বেই পত্রাচার আরম্ভ করিয়া বাধিত করিবেন।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাণুর কথামালা – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Next Article রাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    শ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর কথামালা – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }