Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বি-এন-ডব্লুর ব্রাঞ্চ লাইনে

    সে মূর্তি লাখের মধ্যেও দৃষ্টি আকর্ষণ করিত; সুতরাং গাড়ির মধ্যে যখন তৃতীয় ব্যক্তি আর ছিলই না, তখন মূঢ়ভাবে একদৃষ্টে চাহিয়া থাকা ভিন্ন আর উপায়ই ছিল না।

    কালো- সে যেমন তেমন কালো নয়; তাহার উপর একটা সুপুষ্ট চৈতন্য— যেন গোড়াটি সযত্নে বাঁধানো হইয়াছে। এক কানে একটা কলম, অপর কানে পেন্সিল। রগের পাশ দুইটা হাল-ফ্যাশানে চামড়া ঘেঁষিয়া ছাঁটা! রেল-কোম্পানির মার্কা-মারা কালো কোট এবং সেই মেলের’ পেন্টালুন পরিয়া গাড়িতে প্রবেশ করিলেন এবং বসিয়াই চটের ব্যাগটা খুলিয়া ফেলিলেন।

    তাঁহাকে যে লোক বিস্ময়নেত্রে দেখেই—এ জ্ঞানটুকু বোধ হয় স্বভাবসিদ্ধ হইয়া গিয়াছে। আমার দিকে এক রকম না চাহিয়াই বলিলেন, “এই যে দাঁড়ান একটু, বলি সব—”

    কোট এবং প্যান্ট খুলিলেন। কালো পাঁঠার যেন ছালটা ছাড়াইয়া ফেলা হইল। কোটের নীচে শ্রীশ্রীকালী ছাপ দেওয়া লাল নামাবলী ও প্যান্টের নীচে রক্তচেলি বাহির হইয়া পড়িল। পেন্টালুন এবং কোট তাল পাকাইয়া এক পাশে রাখিলেন। ব্যাগ হইতে একটা টকটকে জবাফুল বাহির করিয়া টিকিতে বাঁধিলেন; কপালে একটু জ্বলজ্বলে সিঁদুরবিন্দু পরিলেন, তাহার পর ব্যাগটার মধ্যে কোট আর জামাটা ঠাসিতে ঠাসিতে দাঁত-মুখ খিঁচাইয়া ব্যাগটাকে সম্বোধন করিয়া বলিতে লাগিলেন, ‘বটে! নেব না ভেতরে? ভটচাজ্জির চটের ব্যাগ আবার ইংরিজি কায়দামত মিতাহারী হয়েছেন—তোর ব্যাগের নিকুচি করেছে।”

    ভয়েই হউক আর যে জন্যই হউক, স্ফীতদার ব্যাগটি কোট ও প্যান্টটিকে আশ্রয় দিল। এ অঘটন-ঘটনে আমায় বিস্ময়নেত্রে চাহিয়া থাকিতে দেখিয়া বলিলেন, “খুব সোজা কথা—এ দেশেরই কারিগরেরা না মসলিন তৈয়ার করে গেছে, যার একটা থানকে থান একটা ঝিনুকের খোলে লুকিয়ে রাখা যেত! যাক সে দুঃখের কথা। চাবিটা ক’যে দিই এই, তারপর দিচ্ছি সব পরিচয়। কত দূরের পাল্লা?”

    উত্তর দিতে যাইতেছিলাম, এমন সময় দরজার কাছে শব্দ হইল—”দণ্ডবৎ বড়হমচারী বাবা, সাহেবকে কেমন দেখলেন? বোড্ডো গোস্মায়ে—সোব জবাবদেহি আপনারই কন্ধা পর—”

    “আরে, হীরে সিং যে! হ্যাঁ, একটা ইঞ্জিন একটু ডিরেল হয়ে গেছে, তার আবার জবাবদিহি! জল ক’রে দিয়ে এসেছি। এই দেখ, এ কানে কলম, এ কানে পেন্সিল। দেখেই বেটা হেসে জিজ্ঞাসা করলে, ‘এ কি বাবু?’ যেন আকাশ থেকে পড়লাম, দেখেছ, কাজের ভিড়ে কলম পেন্সিল কানে যেন কায়েমী বাসা বেঁধেছে একেবারে; আর হুজুরের তলব শুনে কি আর জ্ঞানগম্যি কিছু ছিল? লোকে বলে, সিংহের ডাক। এই তাতটুকু দিতেই মন গলতে আরম্ভ হ’ল বেটার। বললে, “না, কাজ কর আর না-কর অমন বেতর মাতাল হয়ে ইষ্টিশনে ঢুকো না বাবু, অনেকগুলো দোষ জ’মে উঠেছে তোমার, এই ফাইল দেখ।’

     

     

    “ব্যাগের মধ্যে ছ বোতল সেরা বিলিতী মাল নিয়ে গিয়েছিলাম, একেবারে আনকোরা; টেবিলের ওপর সারবন্দী ক’রে বললাম, ও পাটই উঠিয়ে দিয়েছি হুজুর, ছটি বোতল ছিল, হুজুরের কাছে জরিমানা দিয়ে যাচ্ছি—এই নাকে হাত দিলাম, এই কানে হাত দিলাম।

    “একেবারে জল, বললে, ‘এখনও রিপোর্টটা পাঠাই নি, দেখি ভেবে তা হ’লে। কিন্তু, দেখো, সাবধান।”

    “ছ আষ্টে আটচল্লিশটি টাকা লম্বা হয়ে গেল—তা আর কি করব? বেটা একটু টানে টোনে ব’লেই এই ক’রে চালিয়ে যাচ্ছি; না হ’লে চাকরি কি আর থাকত হীরে সিং? ব্যাগের দিকে চাইছিস? তিনটে বোতল কিনে নিলাম তাড়াতাড়ি—আজ আরার দাসু খুড়োর ওখানে মায়ের পুজো—তুই বেটা যাবি নি?”

    হীরা সিং দুঃখের হাসি হাসিয়া বলিল, “মাকে পরনাম হোই দেওতা; আজ ডিউটি পড়িয়ে গেসে; নইলে হামার তো ষোড়হো আনা খাঁইস ছিল।”

    “এই দেখ বেটার মতিচ্ছন্ন; নাম শুনেও ডিউটির খেয়ালে গরহাজির হয়ে একটা কাণ্ড বাধাবে দেখছি! নে, উঠে আয়। না, না, আর অমত করিস নি হীরে সিং; ওইটুকু ব’লেই মাকে ঢের চটিয়েছিস—তোর আমার আবার ডিউটি কি র‍্যা? এই আমি কার ওপর সব ছেড়ে টহল দিয়ে বেড়াচ্ছি? তাঁর ডিউটি তিনি বুঝে নেবেন, তুই উঠে আয়।”

     

     

    হীরা সিং ইতস্তত করিতেছিল, এমন সময় গার্ড হুইস্‌ দিল। বড়হমচারী আমার দিকে না দেখিয়াই বলিলেন, “রগের চুল-ছাঁটা দেখছেন? ওটা সবারই চোখে ঠেকে। দাঁড়ান ও বেটাকে তুলি আগে, তারপর সব বলছি। ওটা সেজো আবাগীর আবদার : কিন্তু সব কথা না বললে বুঝতে পারবেন না। হীরে সিং, উঠে আয়, বাপধন, দাসু খুড়ো আজ মার রাজসূয় যজ্ঞ করাচ্ছে; ‘কারণে’ আজ ডুব-সাঁতার কাটতে হবে—নে, উঠে আয়।”

    গাড়ি ছাড়িয়া দিল।

    “ডিউটি ছিল, কাল সাহেব গর্দানা লিবে।”—বলিতে বলিতে হীরা সিং গাড়িতে উঠিয়া পড়িল। দেওতার পায়ে হাত দিয়া, হাতটা কপালে ঠেকাইয়া সামনে বসিয়া পড়িল।

    “জিতা রও বেটা, সুবুদ্ধি হোক।” বলিয়া দেওতা ব্যাগ খুলিয়া একটি সদ্য-ক্রীত বোতল ও একটা গেলাস বাহির করিয়া তাহার হাতে দিলেন—”নে, সিলটা খুলে ফেল্ দিকিন, একটু পেসাদ ক’রে দিই, তার পরে সাধ থাকে ডিউটির কথা ভাবিস, বেটা কুসন্তান কোথাকার! এরই নাম জমাদার হীরা সিং। এই তিনটি বোতল তিন চুমুকে সাবড়ে ওই ভৈরবী নদীর নেড়া পুলের ওপর দিয়ে গটগট ক’রে পার হয়ে যেতে পারে। জংশন ইষ্টিশনের হেড পয়েন্টস্ম্যান, এক কথায় ডিউটি ফেলে মার টানে উঠে এল।”— শেষের কথাগুলি আমায় বলিলেন। হীরা সিং সম্বন্ধে পূর্বে কৌতূহলের তেমন বিশেষ কোন কারণ না থাকিলেও পরিচয়ে উদ্রেক হইল বটে; এবং হীরা সিংয়ের মহত্ত্ব ও জংশন-স্টেশনের আসন্ন বিপদের কথা ভাবিয়া মনে মনে শিহরিয়া উঠিলাম।

     

     

    দেওতার পীতাবশিষ্ট পেসাদটুকু নিঃশেষ করিয়া হীরা সিং গোঁফজোড়া মুছিয়া একটু পাকাইয়া লইল; মনে হইল, সে এইবার গাড়ি হইতে লাফ দেওয়া কিংবা নেড়া পুল পার হওয়ার অনুরূপ একটা দুরূহ কার্যের জন্য তৈয়ার হইতেছে; কিন্তু সে সব কিছুই না করিয়া হীরা সিং আস্তে আস্তে আবার টলিতে টলিতে আমার গায়ের উপর তাহার মাথাটা চাপিয়া ধরিল এবং একটু পরে হাউ হাউ করিয়া ক্রন্দন আরম্ভ করিয়া দিল।

    ভাবিলাম এ তো ভ্যালা বিপদ, বেটা আধ ছটাক খাইয়াছে কিনা ঠিক নাই! একেবারে ভূত!

    বড়হমচারী ওর দুনো টানিয়াও নির্বিকার; বুঝিলাম হাঁ, বড়র মুখেই ক্ষুদ্রের প্রশংসা মানায় বটে। বলিলেন, “ওর অনেক দুঃখ সব বলব’খন। আর একটু সবুর করুন না। আজ গার্ড ড্রাইভার কে র‍্যা বেটা? নে উঠে আয়।”

    হীরা সিং আমার পা আরও জোর করিয়া ধরিল; জড়িত অশ্রুনিরুদ্ধ কণ্ঠে বলিল, “গরিব হীরা সিং ছ্যুমা মাঙছে।”

    রাগে একটা হেঁচকানি দিয়া পা ছাড়াইয়া লইলাম, বলিলাম, “আচ্ছা মাতালদের পাল্লায় পড়া গেল তো!”

     

     

    দেওতা হো হো করিয়া হাসিয়া উঠিলেন; বলিলেন, “আরে না, না, ও চুমো চাইছে না, ওকে ক্ষমা করতে হবে; বেটারা ‘ক্ষ’-কে ‘ছ্য’ ব’লে সব মাটি করে যে—ভয় নেই— হাঃ হাঃ হাঃ। আয় বেটা উঠে আয়, জিবের আড়টা ভেঙে নে দিকিন—একটু হলে কেলেঙ্কারি বাধাতিস আর কি! ভাব্‌দিকিন, উনি যদি কোন বড়ঘরের লেডি হতেন! আচ্ছা আমিই ওর হয়ে অ্যাপলজি চাইছি!”—বলিয়া উঠিয়া আসিয়া করুণভাবে আমার হাতটা চাপিয়া ধরিয়া আবার স্বস্থানে গিয়া বসিলেন। দেখিলাম ক্রমে ক্রমে তাঁহারও অবস্থা সঙিন হইয়া আসিতেছে।

    হীরা সিং আবার বজ্রমুষ্টিতে আমার পা ধরিয়া ছিল। আমি নিরুপায় হইয়া তাহাকে ভাল কথায় বলিলাম, “নে, তোকে করলাম ছামা—আর যেন টানিস-টুনিস নি—যা, গিয়ে ব’স দিকিন এখন।”

    “এ জিন্দগিমে আবার সরাব? এই গুরুর শপথ খাচ্ছি, হীরা সিংয়ের শপথকে ওই দেওতা চিনেন, দেওতার জন্যে আমার ধন-মান-কুল।” আবার গলা ভারী হইয়া আসিল।

    দেওতা ডাক পাড়িতেছিলেন, হীরা সিং আস্তে আস্তে গিয়া পায়ের কাছে বসিল, গেলাসটি হাতে লইল, তাহার পর আমার দিকে বাঁ হাতটা আড়াল করিয়া চুমুক লাগাইল।

     

     

    “বড় পাজি জিনিস। অ্যাজ এ ফ্রেন্ড অ্যাডভাইস্ দিচ্ছি, কেউ মাথার দিব্যি দিলেও ধরবেন না। আমার কথা? একটু মেডিসিনডোজে চালাই কখনও কখনও, তাও কেন যে ধরেছি সব কথা বললেই বুঝতে পারবেন, একটু সবুর করুন না।”

    একটু সবুর করিবার পর গাড়ি আসিয়া পরের স্টেশনে থামিল। দেওতা বলিলেন, “যা বেটা দেখ দিকিন—গার্ড আর ড্রাইভার কে!” হঠাৎ চোখ রাঙাইয়া উগ্রভাবে বলিলেন, “যেই হোক টিকি ধ’রে টেনে নিয়ে আসবি, বলবি, বড়হমচারী বাবার হুকুম, ইয়ারকি না, যা।”—বলিয়া পৃথিবীতে তাঁহার হুকুমগুলো ঠিকমত তামিল হইতেছে না, বোধ হয় এই রকম একটা ধারণা করিয়া লইয়া রাগতভাবে মুখটা গোঁজ করিয়া বসিয়া রহিলেন।

    হীরা সিং ভক্তিভরে তাঁহার পায়ের ধূলা লইয়া টলিতে টলিতে নামিয়া গেল; প্ল্যাটফর্মে দাঁড়াইয়া শেষ বিদায়ের মত হাতজোড় করিয়া বলিল, “গরিবকে অসমরণ রাখবেন বাবা।”

    দেওতা অবিচলিতভাবে বসিয়া রহিলেন, হীরা সিং চলিয়া গেলে আবার সহজ ভাব ধারণ করিয়া আমাকে বলিলেন, “সার্থক নাম বেটার, একখানি হীরের টুকরো!” তাহার পর যুক্তকর কপালে ঠেকাইয়া বলিলেন, “জংশনের পয়েন্টগুলো সামলে দিস্ মা, দশমহাবিদ্যারূপিণী; নয়তো দুর্নাম নিবি বেটী”-

     

     

    চুপ করিয়া হীরার হীরাত্ব এবং মার আজ দশমহাবিদ্যার কোন্ রূপটি লইয়া পয়েন্টগুলির নিকট আবির্ভাব হইবে ভাবিতেছিলাম, এমনসময় হীরা সিং একটা মুসলমান ড্রাইভার ও একজন ফিরিঙ্গী গার্ডকে সঙ্গে করিয়া হাজির হইল। তাহারা আসিয়া হীরা সিংয়েরই মত বলিল, “দণ্ডবৎ বড়হমচারী বাবা।”

    বাবা রক্ত চক্ষু এবং কম্পিত হস্ত তুলিয়া নীরবে আশীর্বাদ করিলেন, তাহার পর বোতলটা এবং গেলাসটা বাড়াইয়া দিয়া বলিলেন, “তোর ইঞ্জিন চলছে না যে আলিজান, নে, একটু স্টিম ক’রে নে।—কে, পিটার গার্ড সাহেব? নাও, একটু চড়িয়ে নাও, ঘাট স্টেশন পৌঁছুতে যার নাম রাত দুটো। আজ দাসু খুড়ো মার পুজো করছে—নেমন্তন্ন রইল। ঘণ্টা দু’ত্তিন লাগবে; সেকেন্ড ক্লাসে কোন প্যাসেঞ্জার আছে নাকি?”

    পিটার সাহেব গেলাস হাতে করিয়া তাচ্ছিল্যভরে ওষ্ঠাধর কুঞ্চিত করিয়া বলিল, “ইয়েস, কোঠিয়াল সাহেব সিকিন কিলাসমে হ্যায়। আরে, হ্যায় তো হ্যায়; ওয়েসা সাহেবকো পিটার গার্ড ‘সাহেব’ নেহি কহতা—কভি ওসব ওলায়েৎ দেখা হ্যায়? হামারা গ্র্যান্ডফাদার—”

     

     

    বড়হমচারী পিটারের মুখের কথা কাড়িয়া লইয়া জড়িত কণ্ঠে বলিলেন, “ওর গ্র্যান্ডফাদার প্রকাণ্ড জাহাজের ফায়ারম্যান ছিল—কতবার যে বিলেতে যাওয়া-আসা করেছিল, তার হিসেব নেই; পিটার তো এদেশী সাহেবগুলোকে সাহেবই বলে না।” তারপর একটু হাসিলেন—বোধ হয় এহেন কুলীন পিটারের সাহচর্যগৌরবে।

    পিটার সাহেব গেলাসে ধীরে ধীরে চুমুক দিতে দিতে এদেশী সমস্ত সাহেবদিগের উপর অবজ্ঞা ও ক্রোধের নিদর্শনস্বরূপ গেলাসের আড়াল হইতে আমার পানে ঘন ঘন উগ্র দৃষ্টি নিক্ষেপ করিতে লাগিল।

    আলিজানের মুখ-চোখে রঙ ধরিয়া আসিতেছিল, দৃপ্তভাবে বলিল, “কেয়া, হাম্‌ভি সাদাচামড়াসে থোড়াই ডর করি। হাম দো ঘণ্টা, চার ঘণ্টা, দশ ঘণ্টা দেরি করেগা, খুশি হামারা! বোলাও সিকিন কিলাসকা সাহেবকো। কালীমাইকা সামনে আঙ্গরেজ?”

    বড়হমচারী বাবা আমার দিকে চাহিয়া বলিলেন, “করিম বক্স ডাকাত ওরই ঠাকুরদাদার বাবা ছিল কিনা;—ভয়ানক কালীভক্ত, পুজো ক’রে বেরুলে তাকে রাখে কে! কত কুঠিয়ালের মাথা নিয়েছিল, তার কি ঠিকানা আছে? সব একে একে বলছি, একটু সবুর করুন না, অত উতলা হ’লে চলবে কেন মশাই?”

     

     

    আলিজান হঠাৎ বিরক্তভাবে পিটারের হাত হইতে গেলাসটি ছিনাইয়া লইয়া বোতল হইতে চাপাচাপি এক গেলাস ঢালিয়া লইল, তাহার পর এক নিঃশ্বাসে সেটা শেষ করিয়া বিনাবাক্যব্যয়ে গটগট করিয়া নামিয়া গেল। পিটার অবিচলিতভাবে শূন্য গেলাসটা পূর্ণ করিতে লাগিল। আলিজানের ভাব দেখিয়া বোধ হইল, তাহার ঘাড়ে হঠাৎ তাহার কুঠিয়াল- বিধ্বংসী পূর্ব-পুরুষের ভূত চাপিয়াছে। জানালা দিয়া মুখ বাড়াইয়া সশঙ্কিতভাবে সেকেন্ডক্লাসে একটা হৈ-চৈয়ের প্রতীক্ষা করিতেছি, এমন সময় একটা প্রচণ্ড রকম ঝাঁকানি দিয়া গাড়িটা একেবারে ভৈরববেগে ছুটিতে আরম্ভ করিয়া দিল। মনে হইল, ড্রাইভারের ছোঁয়াচ লাগিয়া এঞ্জিনটাও যেন এক মুহূর্তে মাতাল হইয়া উঠিয়াছে।

    পিটার সাহেব পকেট হইতে হুইল্টা বাহির করিল; সেইখানে বসিয়াই খুব জোরে ফুঁ দিয়া পকেটে রাখিয়া দিয়া বলিল, “হম আঙ্গরেজকা বাচ্চা, ডিউটি নেহি ভুল সাকতা।”

    বড়হমচারী বাবা আমার দিকে চাহিয়া বলিলেন, “আলিজান একবার রাগলে কারও রক্ষে নেই।”

    আমি গাড়ির মত্ত বেগ লক্ষ্য করিয়া বলিলাম, “রক্ষের তো উপায় দেখছি না ঠিক; তবে হঠাৎ রাগল কেন, তা তো বুঝতে পারি না। আপনারা মশায় এতগুলো লোকের প্রাণ নেবেন নাকি? আমি তো পরের স্টেশনে গিয়েই ডি.টি. এস-কে তার করছি।”

     

     

    দেওতা ঈষৎ হাস্য করিয়া জড়িত কণ্ঠে বলিলেন, “অনেক সময় পাবেন; আমাদের ওখানে দু-চার ঘণ্টার বেশি লাগবে; তারবাবুর বাড়িতেই আজ মা অবতীর্ণা হবেন কিনা।”

    হতাশ হইয়া চুপ করিয়া রহিলাম।

    হীরা সিং নেশায় আচ্ছন্ন হইয়া অসাড়ভাবে পড়িয়া ছিল।

    বড়হমচারী বাবা বোতলটা উপুড় করিয়া গলায় ঢালিয়া দিয়া বিষণ্ণ বদনে পিটারের দিকে চাহিয়া বলিলেন, “পিটার গার্ড, কখনও তিনটে শাদি করিস নি বাপ, ধনেপ্রাণে মারা যাবি—চারটে কর্, আটটা কর্, তারা জোড়া বেঁধে নিজেদের মধ্যে ঝোটাঝুটি ক’রে মরবে। তুই দিব্যি ‘জিতু জিতু মোর মামা’ করবি; কিন্তু যদি একটি বেজোড় ছেড়ে রাখ, সেটি তোমার ঘাড়ে চাপবে। আমার সেজো আবাগীর কথাই ধর না ভাই; বড়য় মেজোয় হরদম মাথা ফাটাফাটি করছে—বেশ শান্তিতে থাকতাম; কিন্তু সেজো আবাগীকে এনেই-

    গার্ড সাহেব আমার দিকে দেখাইয়া বলিল, “ই বাবু পিতে নেহি হ্যায়? দেওতা, দিয়া ইনকো?”

     

     

    “নাঃ, উনি এদিকে নেই। কেত্তা কিসিমকা আজব আদমি জগদম্বা বানিয়েছে রে দাদা, দুনিয়াটা চিড়িয়াখানা। কি যে বলছিলাম, হ্যাঁ তিনটে শাদি ক’রো না পিটার সাহেব— জেরবার হবে। দশটা কর, বারোটা কর, ষোলটা কর বাধা দোব না; বেজোড়ের দিকে যেও না, পাঁচটা নয়, সাতটা নয়, একুশটা নয়—নাও বোতলটা খোল।”

    পিটার সাহেব বোতলটা হাতে লইয়া বিমর্ষভাবে বলিল, “হামারি আওরাৎ আকেলিহি একেইশ হ্যায়। কাল দোঠো ওসাজিব বাত বোলনে গিয়া। ইয়ে দেখো নতিজা।” দেখাইয়া দিল।

    “ও বাব্বা, তোকেই উল্টে মার দেয়! মেয়েমানুষের দাঁত-নড়ানো ঘুষি!”

    “অওর কোই আধা সের লেহু নাকসে নিকলা।”

    “ইংরেজ বউকে ক্ষুরে ক্ষুরে নমস্কার বাবা, বেশ আছি। আমার কোনও আবাগী গায়ে হাত তোলে নি কখনও। ডাইভোর্স ক’রে দিস না কেন মাগীকে? তোদের জাত বুঝে যীশু তো সে ব্যবস্থা ক’রে গেছে।”

     

     

    “বোলতি হ্যায়, ডাইভোর্স করনেসে খুন করেগি।”

    “না করলেও বা কোন্ বাকি রাখছিস বাপু? এক কাজ কর্, আমি হদিস বাতলে দিচ্ছি—দেখবি, এমন দজ্জাল মাগ তো—একেবারে কেঁচো হয়ে গেছে। তিন-তিনটে বাঘিনী নিয়ে ঘর করছি যে দাদা, ওসব ঢের দেখা আছে। সেজো আবাগী অভিমান ক’রে বললে, ‘একটু ভাল ক’র ফিটফাট হয়ে থাকতে পার না? বুঝলাম, কথাটা যৌবনের রস; তার পরদিনই নাপতে ডাকিয়ে দুই কানের ওপরটার চামড়া বের করে ছোকরা বাবু হয়ে পড়া গেল। আর কিছু আবদার নেই, সব মিটে গেছে—এখন দেখলে নাক সিঁটকোয়। যে যেমন তার সঙ্গে সেই রকম চালাও। বড় আবাগী বললে, তোমার হাতে প’ড়ে পাপে তাপে তো জীবনটা দগ্ধে গেল, আর কেন? একটু তীর্থ-টির্থ করিয়ে আন না, এটুকুও হবে না? বললাম, সে কি কথা! হবে বইকি। এলাহাবাদ ত্রিবেণীর ঘাটে—ও-ও ডুব দিতে নামল, আমিও বগলে বোতল বাগিয়ে উঠলাম, সাত দিন দুজনের দেখা নেই—দু-মাস কথা কয় নি—আজ পর্যন্ত তীর্থের নাম করে না। একটু সবুর কর্ না, তোকে আমি এসা এক মতলব বাতলে দিচ্ছি—”

    “আচ্ছা, একঠো খাসি চড়হানেসে তুমলোগোঁকী কালীজী কুছ বন্দোবস্ত কর্ সকতী?”

    “খুব খুব; আরে, কালী আর তোদের যীশুর মা মেরী তো খুড়তুতো জাঠতুতো বোন ছিল—যার নাম ‘চাচেরা বহিন’—বুঝা? তোরা কি আর মার পর?”

    এমন সময় দুই-তিন বার ঘ্যাচাং ঘ্যাচাং শব্দ করিয়া গাড়িটা হঠাৎ থামিয়া গেল এবং সঙ্গে সঙ্গে—’বড়মহচারী বাবা, ও বড়হমচারী বাবা, ‘দাদা দাদা’ ‘ও খুড়ো কোন্ গাড়িতে হে?’ ইত্যাকার কতকগুলা অসংলগ্ন আওয়াজে স্টেশন প্ল্যাটফর্মটা সরগরম হইয়া উঠিল। বি-এন ডব্লুর ট্রেন—বলাই বাহুল্য যে, কোনও গাড়িতে আলো ছিল না। শেষ পর্যন্ত দেওতার আওয়াজ ও পিটার গার্ডের হুইস্ লক্ষ্য করিয়া যখন উভয় পক্ষের মিলন হইল, তখনকার সেই পৈশাচিক উল্লাস ও চিৎকার মসীজীবী নিরীহ কলমের মুখে প্রকাশ করা যায় না।

    দাসু খুড়োকে দেখিলাম। রাজসূয় যজ্ঞ করিবার মত লোক বটে—লিকলিকে, খর্ব; মদে যদি ভারি হইয়া অমন গড়াইয়া গড়াইয়া না পড়িত তো হাওয়ায় উড়িবারই কথা। যতক্ষণ দেখিলাম ডান হাতে ঘঁষি বাগানোই ছিল। বলিল, “দাদা, ব্যাটা ডেনফোর্ড তোমায় ডেকে পাঠিয়েছিল সামান্য একটু ডিরেলের জন্যে? আমি দেখে নোব সম্বন্ধীকে—এই একটি ঘুঁষি। আলিজান, পিটার গার্ড, ব্যাক কর গাড়ি—চল জংশনে—দেখেগা ক্যায়সা সাহেব হ্যায়—দেসো শালা বেঁচে, আর তোমার কাছে এক্সপ্ল্যানেশন চাইলে দাদা? আমাদের লর্ড বিশপের অপমান!

    আলিজানের নেশাটা একটু ফুরাইয়া আসিয়াছিল। সেই জন্যই হোক আর যে কারণেই হোক, সে ব্যাক করিতে নারাজ হইল; তখন দাসু খুড়া নিজের শক্তি ও শৌর্যের অভিব্যক্তি সম্বন্ধে এদিকে নিরাশ হইয়া, মৃতপ্রায় হীরা সিংয়ের শরীরটা কাঁধে ফেলিয়া একলা বাসায় লইয়া যাইবার জন্য জিদ ধরিয়া বসিল। এ ব্যাপারের কিরূপ মীমাংসা হইত বলা যায় না, তবে এই নারকীয় গোলমালে এবং তাহার শরীরটা লইয়া টানাটানি করাতে হীরা সিংয়ের তন্দ্রা একটু ভাঙিয়া যাওয়ায় সে ‘ছ্যুমা’র জন্য আমার পা জড়াইয়া ধরিয়া হতাশভাবে কাঁদিতে লাগিল। এই সঙ্কল্প জানাইল যে, আমি চ্যুমা না করিলে বাঙালি তো কোন্ ছার, স্বয়ং হুমানজী আসিলেও তাহাকে নড়াইতে পারিবে না।

    আমি প্রায় বিশ-পঁচিশ বার স্বীকার করিলে যখন তাহার আর মোটে সন্দেহ রহিল না, সে সবাইকে ঠেলিয়া-ঠুলিয়া আপনিই টলিতে টলিতে নামিয়া গেল।

    বড়হমচারী বাবা, হীরা সিং, আলিজান আর ও-পক্ষের সবাই হৈ-হৈ করিতে করিতে, টলিতে টলিতে, পড়িতে পড়িতে দাসু খুড়ার বাসার দিকে চলিল। বলিলাম, “গার্ড সাহেব, মিঞা সাহেব, আমার কাল সকালের মধ্যে ঘাট স্টেশন পৌঁছানো চাই—গবর্মেন্টের কাজ—”

    দাসু খুড়া টলিতে টলিতে ঠেলিয়া আসিয়া তাহার হাড্ডিসার ঘুঁষি আমার নাকের সামনে বাঁকাইয়া ধরিয়া বলিল, “একটি ঘুষিতে, গবর্মেন্টের বত্রিশ পাটি দাঁত খসিয়ে দোব। তাদের জরুরি কাজ তারা বুঝবে—আমার রিলিজিয়াস টলারেশনে হাত দেবার কে হ্যা?”

    বড়হমচারী বাবা ঘুরিয়া দাঁড়াইয়া—স্রোতের ধারের বেতগাছের মত দুলিতে দুলিতে বলিলেন, “আমারও তো ভোরের স্টীমারে ওপারের স্টেশন-মাস্টার রামদয়ালের বাড়িতে যেতে হবে—বড় ঘটা ক’রে রাধামাধবজীর পিতিষ্ঠে করবে কিনা; আপনার এই দাসানুদাসের ওপর সব ভার। ওপর থেকে আর ইস্তক জংশন পর্যন্ত সব ব্যাপারে বাবা এই কালী বেহ্মচারী। ডালে আছি, ঝোলে আছি, অম্বলে আছি। ঘাবড়ান কেন? একটু সবুর ক’রে ব’সে থাকুন——দেখবেন, আপনার এ গোলামের গোলামকে না হ’লে কারুর এক পা এগুবার জো নেই—শাক্ত হোক, বোষ্টম হোক, শৈব হোক, কেরেস্তান হোক—”

    পিটার হঠাৎ তাঁহার হাতটা ধরিয়া একটা টান দিল, ঘৃণার সহিত বলিল, “আরে চলো, কভি শরাব নেহি পিতা, ওই তুমহারা কদর কেয়া বুঝেগা?”

    বড়হমচারী তাঁহার অর্ধনিমীলিত চক্ষুপল্লব যেন হঠাৎ চাড়া দিয়া তুলিয়া আমার দিকে কটমট করিয়া চাহিয়া শাপ দেওয়ার ভঙ্গীতে বলিয়া উঠিলেন, “আমার ‘কারণ’কে অপমান করেছিস—মনে থাকে যেন।”

    র‍্যাপারটা টানিয়া লইলাম। মুড়িসুড়ি দিয়া রাত্রের মত বেঞ্চের উপর শুইয়া বি-এন- ডব্লুর মহিমার এই নূতন স্বরূপটির কথা ভাবিতে লাগিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Next Article শ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    শ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর তৃতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর কথামালা – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }