Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ১০

    ১০

    সুড়ঙ্গ থেকে বাইরে এসেই সূর্যের আলোয় চোখ ঝলসে গেল৷ বেশ কয়েকটা মুহূর্ত লাগল ভালো করে তাকাতে৷ সূর্য এখন ঠিক মাথার উপর৷ তাঁবুর সামনে এসে দেখি, নীচ থেকে খাবার চলে এসেছে৷ নীচে যেখানে ড. হান্সদের তাঁবুগুলো রয়েছে, অংশু সেদিকে তাকিয়ে হাত নাড়ল৷ দেখলাম আমাদের ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে হাজির হয়েছে সেখানে৷ তাকে দেখেই হাত নাড়ল অংশু৷ আমরা এর পর খেতে বসলাম৷ খাবার বলতে হাতে-বানানো মোটা রুটি আর ভেড়ার মাংসের ঝোল৷ খেতে কিন্তু মন্দ লাগল না৷ অংশু বেশ তৃপ্তির সঙ্গে খেল৷ ড. হান্স আমাদের সঙ্গে খেতে বসলেন৷ শুনলাম, অন্যরা নাকি একটু পরে নীচে তাঁবুতে গিয়ে খাবেন৷

    খাবার পর একটা চামড়ার ব্যাগ থেকে তামাক বের করে তাঁবুতে বসে বেশ কিছুক্ষণ ধূমপান করলেন ড. হান্স৷ তাঁর ধূমপান করার সময় অংশু হঠাৎ বলল, ‘সিগারেট স্মোকিং ইজ ইনজুরিয়াস টু হেলথ৷’

    ডা. হান্স হেসে উঠলেন তার কথা শুনে৷ তারপর অংশুর পিঠ চাপড়ে বললেন, ‘তুমি ঠিকই বলেছ, এটা খুবই বাজে নেশা৷ আমি এর পর থেকে এটা ছাড়ার চেষ্টা করব৷’ ধূমপান শেষ করার পর ডা. হান্স বললেন, ‘চলুন, এবার আপনাদের মরচুয়ারি মন্দির দেখিয়ে আনি৷ দেখবেন, পর্যটকদের ভিড়ে এখন মন্দিরচত্বর কেমন গমগম করছে৷’

    যে পথ বেয়ে আমরা নীচে নেমেছিলাম সে পথ দিয়েই আমরা উঠে এলাম মন্দিরচত্বরে৷ সত্যিই আগের দেখা মন্দিরচত্বর এখন পর্যটকদের ভিড়ে ভরতি৷ নানা দেশের পোশাকপরা নানা ধরনের মানুষজন৷ পাথরের ঢালু পথ বেয়ে আমরা ঢুকলাম মন্দিরের ভিতরে৷ পাথরের তৈরি বিরাট বিরাট স্তম্ভ ধরে রেখেছে মন্দিরের ছাদ৷ কয়েক হাজার বছর অতিক্রান্ত হলেও তার কোথাও এখনও একটুও চিড় ধরেনি৷ সত্যি সত্যি সেসময়ের স্থাপত্যবিদদের শ্রদ্ধা জানাতে হয়৷ মন্দিরের স্তম্ভ বা দেওয়ালের ছবি বা মূর্তিগুলো সব পাথর কুঁদে তৈরি করা৷ তার বেশির ভাগই দেবদেবীর মূর্তি৷ কখনো ডা. নাসের আবার কখনো ড. হান্স আমাকে আর ডা. ঘটককে বুঝিয়ে দিতে লাগলেন তাঁদের কোনটা আমনরা, কোনটা সূর্যকন্যারা, কোনটা দেবী হ্যাথোর আর কোনটা বা রানি হাটশেপসুটের মূর্তি৷ আর একটা দেবতার মূর্তি অবশ্য আমাদের চিনিয়ে দিতে হল না৷ প্রতিটি স্তম্ভ আর দেওয়ালের গায়ে তিনি বিরাজমান৷ তিনি মৃত্যুর দেবতা, আনুবিস৷ তিনিই পরলোকের সঙ্গে মৃত ব্যক্তির যোগসূত্র স্থাপন করতেন৷ মরচুয়ারি মন্দিরেই মমি তৈরির শেষ কাজ সম্পন্ন করে মৃত ব্যক্তিকে তুলে দেওয়া হত আনুবিসের হাতে৷ মন্দিরের মধ্যে চারদিকে এত আনুবিসের মূর্তি৷ তাই একে আনুবিসের মন্দির বললেও খুব একটা ভুল হবে না৷ ডা. নাসের আমাদের একটা দেওয়ালে দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন৷ সেখানে ধাপে ধাপে দেখানো হয়েছে কীভাবে মমি তৈরি করা হত৷ মন্দিরের এক অংশে কালো গ্রানাইটের তৈরি বাথটবের মতো জিনিস রাখা ছিল৷ তা দেখিয়ে ড. হান্স বললেন, ‘ওই পাত্রগুলোর মধ্যে লবণ জলের দ্রবণে মৃতদেহ চুবিয়ে রাখা হত৷’

    অংশুকে দেখলাম, আগ্রহ নিয়ে সব কিছু দেখছে৷ কিন্তু লক্ষ করলাম, একবারের জন্যও সে ডা. ঘটকের হাত ছাড়েনি৷ হয়তো আনুবিসের মতো মূর্তি দেখে তার মনের মধ্যে ভয় কাজ করছে৷ আমি তার অন্য হাতটা ধরার পর সে ডা. ঘটকের হাত ছাড়ল৷ আমি তাকে প্রশ্ন করলাম, ‘তোমার কি ভয় করছে অংশু?’

    আমার কথার জবাবে একটা অদ্ভুত কথা বলল সে৷ সে শুধু বলল, ‘আমি এসব আগে দেখেছি৷’

    আমি বললাম, ‘কবে?’

    এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দিল না অংশু৷ মন্দিরের নীচের অংশ দেখে আমরা ঢালু পথ বেয়ে মন্দিরের দোতলায় বা উপরে উঠে এলাম৷ দোতলার ছাদও ধরে রেখেছে সার সার স্তম্ভ৷ দোতলায় দাঁড়িয়ে রুক্ষ মরুপ্রান্তরের অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়৷ দোতলায় ছড়িয়ে আছে মিশরীয় শিল্পকলার আশ্চর্য সব নিদর্শন৷ ডা. নাসের আমাদের এনে দাঁড় করালেন এক অদ্ভুত ছবির সামনে৷ সেখানে দেখা যাচ্ছে, একজনের হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছেন মৃত্যুর দেবতা আনুবিস৷ তাঁর সামনে একটা বিরাট দাঁড়িপাল্লা রাখা৷ আর তার দু-ধারে দুটো পাত্র ওজন করার জন্য বসানো রয়েছে৷ দাঁড়িপাল্লার ঠিক নীচে দাঁড়িয়ে আছে একজন, তার শরীরের উপরের দিকে কুমিরের মাথা বসানো৷ কিছু দূরে দাঁড়িয়ে আছেন বাজপাখির মতো মাথাওলা আকাশের দেবতা হোরাস৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘এই ছবিতে আত্মার শেষ বিচারের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে৷ ছবিতে দেখানো হচ্ছে মৃত ব্যক্তিকে আনুবিস তার শেষ বিচারের জন্য এনেছেন৷ দাঁড়িপাল্লার একদিকে পাত্রের মধ্যে রাখা হয়েছে তার হৃৎপিণ্ড৷ অন্য দিকের পাত্রে রাখা হয়েছে তার জীবিত অবস্থায় সঞ্চিত পাপ৷ পাপের পরিমাণ বেশি হলে তার হৃৎপিণ্ড খাইয়ে দেওয়া হবে কুমিরমুখী দেবতাকে৷ তার আত্মা অনন্ত নরকবাস করবে৷ আর পাপের পরিমাণ কম হলে তার আত্মাকে তুলে দেওয়া হবে দেবতা হোরাসের হাতে৷ আকাশের দেবতা হোরাস আকাশপথে মৃত ব্যক্তির আত্মাকে নিয়ে পাড়ি দেবেন অনন্তলোকের উদ্দেশে৷’

    স্তম্ভ আর দেওয়ালের গায়ে ছবিগুলো দেখতে দেখতে ডা. ঘটক হঠাৎ ডা. নাসেরের উদ্দেশে প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা, প্রাচীন মিশরীয়রা কি শুধু মানুষের মমি তৈরি করতেন?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘এ ধারণা কিন্তু একদম ভুল৷ তাঁরা কুকুর, বেবুন, পাখি থেকে শুরু করে সাপ-ব্যাঙেরও মমি তৈরি করতেন৷ নীলনদের পশ্চিমে অবস্থিত টেরটাইনিস নামের এক সমাধিক্ষেত্রে দু-লক্ষেরও বেশি কুমিরের মমির সন্ধান মিলেছে৷ এমনকী তাদের ডিমগুলোকে পর্যন্ত পাতলা রেশমের কাপড়ে মুড়ে মমি করে রাখা হয়েছে৷ লাক্সরের পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এসনা শহরের কাছে সন্ধান মিলেছে মাছের সমাধিক্ষেত্রের৷ লক্ষ লক্ষ মাছের মমি আবিষ্কৃত হয়েছে সেখানে৷ প্রাচীন এসনার পুরোহিতরা মাছের মমি তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিলেন৷’

    আমি খুব আশ্চর্য হলাম ডা. নাসেরের কথা শুনে৷ তক্ষুনি আমার পকেট ডায়েরিতে নোট করে নিলাম৷ ঘুরে ঘুরে আমরা মন্দিরের মধ্যে ছড়িয়ে-থাকা আশ্চর্য সুন্দর ভাস্কর্য, চিত্রলিপি ইত্যাদি দেখতে লাগলাম৷ কখনো ডা. নাসের কখনো বা ড. হান্স আমাকে আর ডা. ঘটককে বুঝিয়ে দিতে লাগলেন সব কিছু৷ ঘণ্টা তিনেক পর আমরা মন্দির থেকে বাইরে বেরিয়ে এলাম৷ ডা. নাসের আমাদের জিজ্ঞেস করলেন, ‘কেমন লাগল আপনাদের?’

    আমি আর ডা. ঘটক একসঙ্গে বলে উঠলাম, ‘চমৎকার!’

    তবে অংশুকে দেখে মনে হল, সে যেন কী একটা ভাবছে৷ ডা. নাসের আমাদের বললেন, ‘আপনাদের মন্দির দেখা কিন্তু এখনও বাকি থেকে গিয়েছে৷’ তারপর তিনি ড. হান্সের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমি কী বলতে চাইছি?’

    ড. হান্স মাথা নেড়ে বললেন, ‘হ্যাঁ, বুঝতে পারছি৷ যদিও সাধারণ পর্যটকদের সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয় না, কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধে হবে না৷ মন্দিরের সব জায়গায় ঢোকার জন্য বিশেষ অনুমতিপত্র আমার কাছে আছে৷ চলুন, তাহলে সেখানেই যাওয়া যাক৷’

    ডা. নাসের বললেন, ‘অনুমতিপত্র আমিও সংগ্রহ করে এনেছি কায়রো থেকে৷ আগে যদি আপনার সঙ্গে আমার যোগাযোগ হত, তাহলে বেশ কিছুটা পরিশ্রম লাঘব হত আমার৷ কায়রোয় আমার এত পরিচিত থাকা সত্ত্বেও সরকারি দপ্তর থেকে অনুমতিপত্র বের করতে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে আমাকে৷’

    ড. হান্স হেসে বললেন, ‘সে অভিজ্ঞতা যে আমারও একদম নেই তা নয়৷’

    মন্দিরের দেওয়াল ঘেঁষে ডান ও বা-দিক দিয়ে দুটো রাস্তা মন্দিরের পিছন দিকে চলে গিয়েছে৷ ডান দিকের রাস্তাটা নীচে নেমে চলে গিয়েছে ড. হান্সের সুড়ঙ্গ ছুঁয়ে আরও নীচের দিকে, যেখানে তাঁবু খাটানো আছে, সে পর্যন্ত৷ সে পথে ইতিমধ্যে আমরা একবার গিয়েছি৷

    এবার আমরা ডা. নাসের আর ড. হান্সের পিছুপিছু বাঁ দিকের রাস্তাটা ধরলাম৷ রাস্তার বাঁ দিকে খাদ আর ডান দিকে মরচুয়ারি মন্দিরের পাথুরে দেওয়াল৷ কিছুটা পথ এগোবার পর ডান দিকে একটা বাঁক নিয়ে মন্দিরের দেওয়ালে আটকানো একটা ভারী লোহার দরজার সামনে এসে দাঁড়ালাম৷ দরজা তালাবন্ধ, তার সামনে একটা কাঠের টুল রাখা আছে৷ কিন্তু কোনো লোক নেই সেখানে৷ ড. হান্স আমাদের বললেন, ‘আপনারা এখানে অপেক্ষা করুন, আমি পাহারদারকে খুঁজে আনি৷’

    এই বলে আমাদের দরজার সামনে দাঁড় করিয়ে তিনি সামনের রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলেন৷ ডা. ঘটক ডা. নাসেরকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘দরজার ওপাশে কী আছে?’

    ডা. নাসের উত্তর দেওয়ার আগেই অংশু বলল, ‘মন্দিরের নীচে যাওয়ার রাস্তা৷’

    অংশুর কথা শুনে ডা. নাসের চমকে তার মুখের দিকে তাকালেন৷ তারপর বললেন, ‘তুমি জানলে কীভাবে?’

    অংশু খুব অস্পষ্টভাবে উত্তর দিল, ‘আমি জানি, ওখানে কোনো মূর্তি নেই, সব ছবি, সব ছবি…৷’

    ডা. নাসের আমার আর ডা. ঘটকের সঙ্গে চোখাচোখি করলেন তার কথা শুনে৷ ডা. নাসেরের মুখ দেখে ধারণা হল যে, অংশু যা বলল তা সম্ভবত সত্যি৷ মিনিট তিনেক পর মাথায় পাগড়িআঁটা একজন লম্বা-চওড়া চেহারার মিশরীয়কে নিয়ে ফিরে এলেন ড. হান্স৷ লোকটার গলায় ঝোলানো দুটো টর্চ৷ সে এসে কোমর থেকে চাবি বের করে দরজা খুলে দিল৷ দেখলাম, ভিতরটা অন্ধকার৷ থাক থাক সিঁড়ি নেমে গিয়েছে নীচের দিকে৷ দরজাটা খুলে দেওয়ার পর সে হঠাৎ আমার দিকে তাকিয়ে ইংরেজিতে বলল, ‘নো ক্যামেরা, নো ক্যামেরা৷’ তারপর স্থানীয় ভাষায় আরও কী যেন বলল৷

    ড. হান্স তার কথা শুনে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘ক্যামেরা নিয়ে নীচে যাওয়ার নিয়ম নেই৷ আপনি বরং ক্যামেরার ব্যাগটা ওর কাছে রেখে দিন৷ ওকে আমি চিনি, আপনার তাতে কোনো ক্ষতি হবে না৷’

    ড. হান্সের কথা শুনে আমি তাকালাম ডা. নাসেরের দিকে৷ কারণ, ব্যাগে শুধু ক্যামেরা নেই৷ লেন্সের ভিতর সেই জিনিসটাও লুকোনো আছে৷ ডা. নাসের এবার আরবি ভাষায় কথা বলতে শুরু করলেন লোকটির সঙ্গে৷ মিনিট দুই কথা বলার পর তিনি কীভাবে যেন ক্যামেরা নিয়ে ভিতরে ঢোকার ব্যাপারে রাজি করিয়ে ফেললেন লোকটিকে৷ সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘গো গো৷’

    তারপর সে গলা থেকে টর্চলাইট দুটো খুলে একটা ড. হান্সের হাতে ও আর একটা ডা. নাসেরের হাতে ধরিয়ে দিল৷ টর্চ জ্বালিয়ে অন্ধকার সিঁড়ি বেয়ে নীচে নামতে শুরু করলাম আমরা৷ প্রায় একশো ফুট নীচে নামার পর আমরা এসে দাঁড়ালাম একটা জায়গায়৷ ড. হান্স তাঁর হাতের টর্চটা একবার চারপাশে ঘোরালেন৷ দেখলাম বিরাট বিরাট স্তম্ভওলা বিশাল একটা ঘরের মধ্যে এসে দাঁড়িয়েছি৷ ঘরের দেওয়াল আর স্তম্ভ জুড়ে আঁকা রয়েছে নানা রঙের চিত্রকলা৷ ডা. নাসের সিলিংয়ের উপর আলো ফেললেন৷ সেখানেও আঁকা রয়েছে নানা ধরনের ছবি৷ টর্চের আলোয় আমরা সব ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম৷ সেই হলঘরে দেওয়ালের বিভিন্ন জায়গা দিয়ে অন্ধকার সুড়ঙ্গ বেরিয়েছে৷ সুড়ঙ্গের মুখগুলো সব কাঠের তক্তা দিয়ে আটকানো৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘ওইসব সুড়ঙ্গ থেকে নাকি আরও সুড়ঙ্গ বেরিয়েছে৷ তাদের সবকটা যে ঠিক কোথায় কোথায় চলে গিয়েছে, তা আজও ঠিকভাবে বলা যায় না৷ অনেক মানুষ ধনরত্নের লোভে ওইসব সুড়ঙ্গের গোলকধাঁধায় ঢুকে মারা পড়েছে৷’

    ছবিগুলো দেখতে দেখতে লক্ষ করলাম, বেশ কিছু ছবিতে এক পুরুষমূর্তির মুখ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, ছবির অন্য অংশগুলো কিন্তু অক্ষত৷ আমি ডা. নাসেরকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘এগুলো এরকম কেন? এগুলো কি তাহলে হাটশেপসুটের ছবি যা তৃতীয় টুথমোসিস নষ্ট করে দেন?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘না, এগুলো হাটশেপসুটের ছবি নয়৷ এ ছবিগুলো নষ্ট করেন হাটশেপসুট নিজেই৷’

    আমি অবাক হয়ে প্রশ্ন করলাম, ‘তাহলে এগুলো কার ছবি?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘আমি আপনাকে একটা ছোট্ট গল্প বলি৷ মিশরের জাঁদরেল রানি হাটশেপসুট চেয়েছিলেন এমন কিছু করে যেতে, যা দেখে হাজার হাজার বছর পরেও মানুষ স্মরণ করবে তাঁকে৷ কিন্তু তাঁর মনে এ ধারণাও ছিল যে, তাঁর পরবর্তী ফ্যারাওরা মিশরের ইতিহাস থেকে তাঁর নাম মুছে ফেলার জন্য ধ্বংস করে ফেলতে পারে তাঁর কীর্তি৷ তাই তিনি অন্য ফ্যারাওদের মতো নিজের বড়ো মূর্তি বা পিরামিড না তৈরি করে মরচুয়ারি মন্দির তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন৷ এর পিছনে কারণ হল, মরচুয়ারি মন্দিরের প্রধান আরাধ্য দেবতা হলেন মৃত্যুর দেবতা আনুবিস৷ স্বাভাবিক কারণেই সে সময় মিশরের মানুষজন অন্যান্য দেবদেবী অপেক্ষা আনুবিসকে বেশি ভয় পেতেন৷ হাটশেপসুট বুঝতে পেরেছিলেন, আনুবিসের মন্দির ধ্বংস করার সাহস পরবর্তীকালের ফ্যারাওদের হবে না৷ ঠিক এই কারণে কার্নাক মন্দিরে তৃতীয় টুথমোসিসের আমলে হাটশেপসুটের কীর্তি ধ্বংস করা হলেও রক্ষা পেয়ে যায় এই মরচুয়ারি মন্দির৷ কিন্তু হাটশেপসুট মরচুয়ারি মন্দির তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পড়লেন আর এক সমস্যায়৷ কার হাতে তিনি তুলে দেবেন এই বিশাল কর্মযজ্ঞের দায়িত্ব? কোনো স্থপতিই দায়িত্ব নিতে চাইছিলেন না৷ কারণ, এ কাজে সামান্য ভুল হলে রানি তাদের জ্যান্ত মমি বানিয়ে সারকোফ্যাগাসে পুরে ফেলবেন৷

    ‘শেষ পর্যন্ত এ কাজের দায়িত্ব সামলাবার জন্য এগিয়ে গেলেন হাটশেপসুটের বিশ্বস্ত মন্ত্রী সেনমুট৷ তিনি ছিলেন অনেক জ্ঞানের অধিকারী৷ তৈরি করে ফেললেন মরচুয়ারি মন্দিরের নকশা৷ এই ঊষর মরুপ্রান্তর ভরে উঠল লক্ষ শ্রমিকের কোলাহল আর হাতুড়ি-ছেনির ধাতব শব্দে৷ তারপর একদিন মরুভূমির বুকে মাথা তুলে দাঁড়াল রানির মরচুয়ারি মন্দির৷ মন্দিরের অঙ্গসজ্জার কাজ তখন চলছে, শ্রমিকরা পাথরের স্তম্ভ-দেওয়াল কুঁদে ফুটিয়ে তুলছে আশ্চর্য সুন্দর সব শিল্প৷ একদিন সপার্ষদ মন্দির দেখতে এলেন রানি৷ মন্দিরের আশ্চর্য সুন্দর স্থাপত্য দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন সকলে৷ রানির পার্শ্বচররা বললেন, এই মন্দির নিশ্চিতভাবে অমর করে রাখবে তাঁকে৷ এ কথা শোনার পর অমরত্বের লোভ পেয়ে বসল সেনমুটকেও৷ তিনিও চাইলেন অমর হয়ে থাকতে৷ তাই তিনি মন্দিরের নানা লুকোনো জায়গায় গোপনে নিজের মূর্তি-ছবি ইত্যাদি তৈরি করাতে লাগলেন৷ মন্দির তৈরি ও তার অঙ্গসজ্জার কাজ যখন প্রায় সম্পূর্ণ, তখন কীভাবে যেন এ খবর পৌঁছোল রানির কানে৷ এই অমার্জনীয় অপরাধের জন্য সঙ্গেসঙ্গেই সেনমুটের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করলেন রানি৷ তাঁর সৈন্যদল মরচুয়ারি মন্দিরের দিকে ছুটল সেনমুটকে ধরবার জন্য৷ কিন্তু বিপদ আঁচ করে সেনমুট ঢুকে গেলেন মন্দিরের নীচে সুড়ঙ্গের গোলকধাঁধায়৷ তাঁর সন্ধান আর কোনোদিন পেলেন না হাটশেপসুট৷ তবে রানির নির্দেশে সেনমুটের যত মূর্তি বা ছবি খুঁজে পাওয়া গেল, সব নষ্ট করে ফেলা হল৷ এখানে যেসব ছবির মুখ নষ্ট করে ফেলা হয়েছে সে সবই হল সেনমুটের৷’

    ডা. নাসেরের গল্প শুনতে শুনতে আর ছবি দেখতে দেখতে হঠাৎ আমার খেয়াল হল, অংশু আমার পাশে নেই৷ নীচে নামার পর অংশু আমার ডান হাতটা ধরে ছিল৷ তারপর আমি একবার হাতটা ছাড়িয়ে নিয়েছিলাম পকেট থেকে রুমাল বের করে মুখ মোছার জন্য৷ সম্ভবত তারপর সে আমার হাতটা আর ধরেনি৷ অংশুকে না দেখতে পেয়ে আমি বললাম, ‘অংশু! অংশু কই?’

    সঙ্গেসঙ্গে ডা. নাসের তাঁর হাতের টর্চটা অন্ধকার হলঘরের চারপাশে ঘোরাতে লাগলেন৷ ড. হান্সও যোগ দিলেন তাঁর সঙ্গে৷ থামগুলো ঘরের মধ্যে এমনভাবে দাঁড়িয়ে আছে যে, ঘরের ভিতর সম্পূর্ণটা দেখা যাচ্ছে না৷ টর্চের আলো যেসব জায়গায় পড়ল সেখানে দেখা মিলল না অংশুর৷ ডা. ঘটক চিৎকার করে ডেকে উঠলেন, ‘অংশু, অংশু৷’

    তাঁর গলার শব্দে গমগম করে উঠল ঘরটা৷ কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া গেল না৷ এবার আমরা সকলে মিলে থামের পিছনগুলো খুঁজতে লাগলাম৷ কিন্তু না, অংশু কোথাও নেই৷ ডা. নাসের এবার সুড়ঙ্গের মুখগুলোয় আলো ফেলতে লাগলেন৷ সুড়ঙ্গগুলোর মাথার উপর এক, দুই, তিন, এভাবে নম্বর লেখা আছে৷ হঠাৎ একটা জায়গায় এসে আটকে গেল ডা. নাসেরের টর্চের আলোটা৷ সাত নম্বর সুড়ঙ্গের সামনে মাটির উপর পড়ে আছে অংশুর টুপিটা৷ ডা. নাসেরের পিছুপিছু আমিও পৌঁছে গেলাম সুড়ঙ্গের মুখটায়৷ ডা. নাসের মাটি থেকে কুড়িয়ে নিলেন টুপিটা৷ আমরা এবার খেয়াল করলাম, সুড়ঙ্গের মুখটা যে দুটো কাঠের তক্তা দিয়ে আড়াআড়িভাবে আটকানো ছিল, তার একটা উই লেগে খসে পড়েছে৷ ফলে যে ফোকর সৃষ্টি হয়েছে তাতে একটা মানুষ অনায়াসে গলে যেতে পারে ভিতরে৷ ডা. নাসের তাঁর টর্চের মুখটা মাটির দিকে ঘোরালেন৷ দেখলাম, সুড়ঙ্গের মুখে জমে-থাকা ধুলোর উপর স্পষ্ট হয়ে আছে অংশুর পায়ের ছাপ৷ আর দেরি না করে কাঠের তক্তার ফাঁক গলে ডা. নাসের ঢুকে পড়লেন ভিতরে৷ আমিও তাঁকে অনুসরণ করলাম৷

    ভিতরে ঢুকে ডা. নাসের তাঁর টর্চের আলো ফেললেন সামনের দিকে৷ টর্চের আলো সুড়ঙ্গের অন্ধকার ভেদ করে ছড়িয়ে পড়ল শেষ মাথা পর্যন্ত৷ এবার আমরা দেখতে পেলাম অংশুকে৷ সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে সে সামনের দিকে হেঁটে চলেছে৷ আমি চিৎকার করে ডেকে উঠলাম তার নাম ধরে, কিন্তু সে থামল না৷ আগের মতোই হাঁটতে থাকল৷ যেন সে শুনতেই পায়নি আমার চিৎকার৷ আমি আর ডা. নাসের এবার ছুটতে শুরু করলাম তাকে লক্ষ করে৷ সুড়ঙ্গের দু-পাশ দিয়ে কিছু দূর অন্তর বেরিয়ে গিয়েছে আরও নানা সুড়ঙ্গ৷ আমরা যখন তার কাছাকাছি চলে এসেছি, তখন সে এরকমই একটা সুড়ঙ্গের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে ঢুকে পড়ল৷ কয়েক মুহূর্তের মধ্যে আমরাও ঢুকে পড়লাম তার মধ্যে৷ দেখতে পেলাম, হাত দশেক দূরে সামনের দিকে হেঁটে যাচ্ছে অংশু৷ আমি দৌড়ে তাকে ধরতে গেলাম৷ কিন্তু তার আগেই মাথায় কীসের একটা প্রচণ্ড আঘাতে ছিটকে পড়লাম৷ জ্ঞান হারাবার আগে শুধু বুঝতে পারলাম, ডা. নাসেরের হাতের টর্চটা মাটির উপর আছড়ে পড়ে নিভে গেল৷ তার সঙ্গেসঙ্গেই অন্ধকার হয়ে গেল সব কিছু৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }