Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ১১

    ১১

    যখন প্রথম জ্ঞান ফিরল তখন বুঝতে পারলাম বালির উপর শুয়ে আছি৷ মাথার উপর রুপোর থালার মতো গোল চাঁদ আর দু-একটা তারা চোখে পড়ছে৷ সেদিকে তাকিয়ে আমি ভাবতে লাগলাম, আমি কে? আমি এখন কোথায়? কিন্তু কিছুই মনে করতে পারলাম না৷ কিছুক্ষণ এভাবে শুয়ে থাকার পর উঠে বসবার চেষ্টা করলাম৷ তখনই বুঝতে পারলাম, আমার পা দড়ি দিয়ে শক্ত করে বাঁধা৷ আমি শুয়ে ছিলাম চিত হয়ে ডান দিকে মাথাটা একটু কাত করে৷ ঘাড়টা বাঁ-দিকে কাত করতেই মাথাটা জগদ্দল পাথরের মতো ভারী মনে হল৷ অনেক কষ্টে বাঁ-দিকে মুখটা ফেরালাম৷ বাঁ-দিকে আমার পাশেই বালির উপর কী যেন একটা জিনিস পড়ে রয়েছে৷ বেশ কিছুক্ষণ সেটার দিকে তাকিয়ে থাকার পর বুঝলাম সেটা আমার ক্যামেরার ব্যাগ! তৎক্ষণাৎ আমার মনে পড়ে গেল সব কিছু৷ কিন্তু যেটা বুঝতে পারছিলাম না তা হল, আমি এখন কোথায়? সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গ থেকে এই খোলা আকাশের নীচে আমি এলাম কীভাবে! অংশু, ডা. ঘটক, ডা. নাসের তাঁরাই বা কোথায়?

    অনেক কষ্টে আস্তে আস্তে উঠে বসলাম৷ দেখলাম, একটা গুহার সামনে বালির উপর পড়ে রয়েছি৷ কিছু দূরে তাঁবু খাটানো৷ তার সামনে বিরাট একটা অগ্নিকুণ্ড ঘিরে কয়েকটা কালো কালো ছায়ামূর্তি বসে রয়েছে৷ টুকরো টুকরো কথাবার্তার শব্দ ভেসে আসছে সেদিক থেকে৷ তারা কী বলছে কিছুই বুঝতে পারলাম না৷

    একটু পরে ডা. নাসেরকেও দেখতে পেলাম আমি৷ যেদিকে আমি প্রথমে মুখ করে শুয়ে ছিলাম তার একটু দূরে একটা বালির ঢিপির আড়াল থেকে বেরিয়ে আছে তাঁর মাথা ও ঘাড়ের কিছুটা অংশ৷ তাঁর বিরাট টাকটা দেখে বুঝতে পারলাম, তিনি ডা. নাসেরই৷ তবে তিনি কিন্তু একদম নড়ছেন না৷ মনে হয় ঢিপির আড়ালে উপুড় হয়ে পড়ে আছেন৷ আমি অনেক কষ্টে হামাগুড়ি দিয়ে তাঁর দিকে এগোতে লাগলাম৷ এগোতে এগোতে আমি যখন তাঁর প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছি, ঠিক তখনই তাঁবুর দিক থেকে চিৎকার ভেসে এল আমার কানে৷ চমকে সেদিকে তাকিয়ে দেখি, আগুনের পাশে বসা ছায়ামূর্তিগুলো দৌড়ে এগিয়ে আসছে আমার দিকে৷ তাদের ওভাবে আসতে দেখে আমি হঠাৎ কেন জানি না উঠে দাঁড়াতে গেলাম৷ কিন্তু পা-দুটো যে দড়ি দিয়ে বাঁধা তা খেয়াল ছিল না আমার৷ তাই আবার বালির উপর পড়ে গেলাম৷ মাথার পিছনে প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আবার জ্ঞান হারালাম৷

    একটা শব্দে যখন আবার আমার জ্ঞান ফিরল তখন সূর্যের আলোয় প্রথমে চোখ ধাঁধিয়ে গেল৷ চোখ খুলেই চোখের পাতা আবার বন্ধ করে ফেললাম৷ সেই অবস্থায় কে যেন আমার মুখের উপর বারকয়েক জলের ঝাপটা মারল৷ চোখ মেলতেই সে এক ঝটকায় হাত ধরে টেনে আমাকে বসিয়ে দিল৷ দেখলাম, আমার সামনে ঢিলে পোশাকপরা জনা দশেক লোক দাঁড়িয়ে আছে৷ তাদের কাঁধে রাইফেল আর কোমরে বাঁকানো ছুরি ঝুলছে৷ দু-জনের হাতে আবার চামড়ার ফিতেয় বাঁধা হিংস্র চেহারার গোটা পাঁচেক কুকুর৷ তাদের গায়ে লোম নেই, পিছনের পায়ে ভর দিয়ে তারা জিভ বের করে বসে আছে, ফোঁটা ফোঁটা লালা চুইয়ে পড়ছে বালির উপর৷ বুঝতে পারলাম, ওদেরই চিৎকারে জ্ঞান ফিরেছে আমার৷

    দেখলাম কয়েক হাত দূরে বসে আছেন ডা. নাসের৷ তাঁর পা দুটো আমারই মতো দড়ি দিয়ে বাঁধা৷ তাঁর চোখে চোখ পড়তেই তিনি আমার দিকে তাকিয়ে অনেক কষ্টে যেন একটু হাসলেন৷ আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে-থাকা লোকগুলো নিজেদের মধ্যে মিনিটখানেক কীসব কথাবার্তা বলল৷ সে ভাষার বিন্দুবিসর্গ আমি বুঝতে পারলাম না৷ জানি না ডা. নাসের কিছু বুঝতে পারলেন কি না৷ লোকগুলোর মধ্যে দু-জন এবার তাদের কাঁধ থেকে রাইফেল খুলে নিল৷ তারপর নীচু হয়ে বালির উপর বসে আমাদের পায়ের বাঁধন খুলে দিতে লাগল৷ যে দু-জনের হাতে তারা রাইফেল দিয়েছিল সে দু-জন রাইফেল দুটো তাক করে রইল ডা. নাসের আর আমার দিকে৷ বুঝতে পারলাম যে, এ লোকগুলোর হাতেই আমাদের বাঁচা-মরা নির্ভর করছে৷ কিন্তু এদের হাতে এলাম কীভাবে? আর কেন এলাম? এ দুটো প্রশ্নের উত্তর অবশ্য কিছুক্ষণ পরই পেয়ে গেলাম৷

    লোকগুলো পা থেকে দড়ি খুলে দিয়ে আমাকে আর ডা. নাসেরকে পাশাপাশি দাঁড় করাল৷ তারপর আমাদের কোমরে দড়ি বাঁধল৷ চারপাশে যত দূর চোখ যায় শুধু ধু-ধু মরুভূমি৷ তার মধ্যে শুধু জেগে রয়েছে ছোট্ট একটা পাহাড় আর তার গুহামুখ, যার সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা৷ একজন ক্যামেরার ব্যাগটা কুড়িয়ে এনে আমার গলায় ঝুলিয়ে দিল৷ কোমরের দড়ির প্রান্ত ধরে তারপর আমাদের হাঁটিয়ে নিলে চলল তাঁবুর দিকে৷ তাঁবুটা বেশ বড়ো৷ তার পিছনে একটা জিপগাড়ি দাঁড়িয়ে আছে৷ সেটা নজরে পড়ল আমার৷ যে লোকগুলোর হাতে আমরা বন্দি, তার মধ্যে একটা বেশ ঢ্যাঙা লোক ছিল৷ আপাদমস্তক তার কালো পোশাকে মোড়া৷ দু-গালে তার বিচিত্র উলকি আঁকা৷ লোকটা অনেকক্ষণ থেকেই অন্যদের নানারকম নির্দেশ দিচ্ছিল৷ সম্ভবত সে-ই দলপতি৷

    তাঁবুর সামনে আসবার পর সকলকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে লোকটা তাঁবুর পর্দা সরিয়ে ভিতরে ঢুকল৷ তার কয়েক মুহূর্ত পর বাইরে বেরিয়ে এসে তার সঙ্গীদের উদ্দেশে কী যেন বলল৷ যে দু-জন লোক দড়ি ধরে ছিল তারা এবার দড়ি ছেড়ে দিয়ে ধাক্কা মেরে আমাকে আর ডা. নাসেরকে তাঁবুর ভিতর ঢুকিয়ে দিল৷ বাইরের আলো থেকে ভিতরে ঢোকার পর প্রথমে কিছুই আমার নজরে পড়ল না৷ কয়েক মুহূর্ত সময় লাগল চোখের সামনে সব কিছু স্পষ্ট হতে৷ দেখলাম, তাঁবুর এক কোনে একটা গদি পাতা, আর তার উপরে বসে আমাদের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আলতুনিয়া৷

    হঠাৎ আমার কানে এল অংশুর গলা, ‘তোমরা এতক্ষণ কোথায় ছিলে? দেখো না এই লোকগুলো কাল রাত থেকে আমাকে এখানে আটকে রেখেছে৷’

    চমকে তাকিয়ে দেখি, তাঁবুর আর এক কোনায় অন্ধকারমতো জায়গায় একটা ক্যাম্প খাটের উপর বসে আছে অংশু৷ অবশ্য তার হাত-পা বাঁধা নেই, কিন্তু তার পাশে বসে আছে দু-জন সশস্ত্র লোক৷ পোশাক দেখে বোঝা যাচ্ছে তারা যাযাবর নয়, আলতুনিয়ার নিজস্ব সঙ্গী৷ অংশু মনে হয় উঠে দাঁড়াল আমাদের কাছে চলে আসার জন্য৷ কিন্তু সঙ্গেসঙ্গে আলতুনিয়ার একজন সঙ্গী তার হাতটা টেনে এমনভাবে খাটের উপর বসিয়ে দিল যে, যন্ত্রণায় কুঁকড়ে উঠল অংশু৷ আলতুনিয়া তাই দেখে একবার দাঁত বের করে নিঃশব্দে হাসল৷ তাঁবুর ভিতরের মৃদু আলোয় চকচক করে উঠল তার সোনার দাঁত৷ এর পর সে ডা. নাসেরের উদ্দেশে বলল, ‘আমি সত্যিই দুঃখিত নাসের, এমনভাবে আপনাকে এখানে ধরে আনতে হল বলে৷ কিন্তু কী করব? নিমন্ত্রণ করলে তো আর আপনি এখানে আসতেন না!’

    পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে উত্তেজিত না হয়ে ডা. নাসের ধীর কন্ঠে প্রশ্ন করলেন, ‘আমাদের এখানে আনার কারণটা জানতে পারি কি? ছেলেটাকেই বা তোমরা এমনভাবে ধরে রেখেছ কেন? আর বাইরে যারা দাঁড়িয়ে আছে তারাই বা কে?’

    তাঁর প্রশ্ন শুনে আর একবার নিঃশব্দে হাসল আলতুনিয়া৷ তারপর বলল, ‘আপনার সব প্রশ্নের উত্তরই আমি একে একে দিচ্ছি৷ প্রথমত, আপনাকে আমি ধরে এনেছি আপনার কাছে প্যাপাইরাসের যে বাকি অংশটা আছে সেটা পাওয়ার জন্য৷ দ্বিতীয়ত, আমি ছেলেটিকে ধরেছি, কারণ, আপনার বাড়ি থেকে হাতিয়ে আনা ক্যাসেটটার কন্ঠস্বরটা যে ওর, তা আমার বুঝতে কোনো অসুবিধে হয়নি৷ হয়তো ও আমাকে মাটির নীচে লুকিয়ে থাকা নতুন কিছুর সন্ধান দেবে৷ প্যাপাইরাসের যে অংশটা আমার হাতে আছে আর ছেলেটির ক্যাসেটবন্দি কন্ঠস্বর আমাকে এই ইঙ্গিতই দিচ্ছে৷ আর তৃতীয় প্রশ্নের উত্তরটা হল, বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা লোকগুলো এক যাযাবর গোষ্ঠীর৷ আফ্রিকার বিস্তৃত মরুভূমি অঞ্চলই হল ওদের ঘরবাড়ি৷ মরুভূমির কঠিন পরিবেশের মধ্যে বাস করতে হয় বলে প্রকৃতিগতভাবেই ওরা খুব নিষ্ঠুর৷ মানুষ মারতে ওদের হাত কাঁপে না৷ মাঝে মাঝে আমি ওদের বন্দুক-বারুদ ইত্যাদি সরবরাহ করি৷ যে কারণে ওরা আমার খুব বাধ্য৷

    মজার ব্যাপার হল, এই অশিক্ষিত লোকগুলো নিজেদের সেনমুটের বংশধর বলে মনে করে৷ হাটশেপসুটের ভয়ে মরচুয়ারি মন্দির থেকে পালাবার সময় নাকি সেনমুট তাঁর যাবতীয় ধনরত্ন মাটির গভীরে কোথাও লুকিয়ে রেখে যান৷ এদের বিশ্বাস সেই ধনরত্ন আজও লুকোনো আছে৷ তাই বংশপরম্পরায় এই লোকগুলো মরুভূমির বুকে আজও খুঁজে চলেছে সেই গুপ্তভাণ্ডার৷ আমি ওদের বলেছি, সেই গুপ্তভাণ্ডারের খোঁজ পেয়ে আপনারা তা লুঠ করতে এসেছেন৷ তাই ওরাই আপনাদের মরচুয়ারি মন্দিরের সুড়ঙ্গ থেকে এখানে ধরে এনেছে৷ আপনি যদি প্যাপাইরাসটা আমার হাতে তুলে না দেন, তাহলে আমি আপনাদের ওদের হাতে তুলে দেব৷ তারপর আপনাদের ভাগ্যে যা লেখা আছে তাই হবে৷’

    এই বলে আলতুনিয়া স্থির দৃষ্টিতে ডা. নাসেরের দিকে তাকিয়ে রইল উত্তরের অপেক্ষায়৷ আমি বুঝতে পারলাম, আলতুনিয়া আর ডা. নাসেরের মধ্যে একটা তীব্র স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছে৷ ভিতরে ভিতরে দু-জনই খুব উত্তেজিত কিন্তু তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন দু-জনেই৷ ডা. নাসের ঠান্ডা গলায় বললেন, ‘তুমি কি মনে করো আমরা সেনমুটের গুপ্তভাণ্ডারের সন্ধান জানি? প্যাপাইরাস বা ছোটো ছেলেটার কথার মধ্যে কোথাও তো তা বলা নেই৷’

    আলতুনিয়া বলল, ‘হ্যাঁ, আমি তা জানি৷ কারণ, হাইয়ারোগ্লিফিক আমি অন্যদের চেয়ে ভালোই পড়তে পারি৷ তবে তার মধ্যে একটা সমাধির স্পষ্ট ইঙ্গিত আছে৷ ছোটো ছেলেটির রেকর্ড করা টুকরো টুকরো শব্দও সে কথাই সমর্থন করছে৷ প্যাপাইরাসের বাকি অংশে হয়তো সমাধিতে যাওয়ার পথের হদিশ দেওয়া আছে৷ আমি সেই সমাধি পর্যন্ত পৌঁছোতে চাই৷ কে বলতে পারে সেখানে তুতানখামেনের সমাধির মতো কোনো অতুল ঐশ্বর্য লুকিয়ে আছে কি না?’

    ডা. নাসের এবার বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন৷ তারপর বললেন, ‘প্যাপাইরাসের বাকি অংশটা আমার কাছে নেই, আবার আছেও৷’

    আলতুনিয়া বলল, ‘মানে?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘প্যাপাইরাসটা আছে ব্যাঙ্কের ভল্টে৷ তবে তার একটা কপি করা আছে এখানে৷’ এই বলে তিনি নিজের কপালে বার দুই টোকা মারলেন৷

    ‘তাহলে কি ধরে নেব, সেই সমাধিতে পৌঁছোবার রাস্তা আপনার জানা আছে?’ প্রশ্ন করল আলতুনিয়া৷

    ‘সমাধিটা ঠিক কোথায় আছে তা বলতে পারব না৷ তবে যা ইঙ্গিত আছে তাতে মরচুয়ারি মন্দিরের নীচেই কোনো সুড়ঙ্গে হবে৷ একটা নির্দিষ্ট কক্ষের কথা বলা আছে প্যাপাইরাসে৷ সেই কক্ষ পর্যন্ত না পৌঁছোলে পথের দিশা পাওয়া যাবে না৷’ উত্তর দিলেন ডা. নাসের৷

    ‘তাহলে সেই কক্ষ পর্যন্ত আপনাকে নিয়ে যেতে হবে আমাকে৷ তারপর আমি ছেড়ে দেব আপনাদের৷’

    ‘ওই পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার দরকার কী? আমি তোমাকে এখনই বলে দিতে পারি সেই পথ৷’

    এবার বেশ জোরে হেসে উঠল আলতুনিয়া৷ তারপর বলল, ‘আমাকে কি আপনি দুধের শিশু পেয়েছেন৷ আপনি যে সত্যি কথা বলছেন তার গ্যারান্টি কোথায়? তা ছাড়া আপনারা সুড়ঙ্গ থেকে উধাও হয়ে যাওয়ায়, আপনাদের লোকগুলোও নিশ্চয়ই বসে নেই৷ সুড়ঙ্গের মধ্যে নিশ্চয়ই তাঁরা আপনাদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন৷ হয়তো তাঁদের সঙ্গে পুলিশের লোকও আছে৷ আপনাদের ছেড়ে দিলে তাঁদের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা আমার কম নেই৷ আপনি যাবেন আমাকে নিয়ে৷ আর যতক্ষণ আমার উদ্দেশ্য সফল না হয়, ছোটো ছেলেটি আর আপনার সঙ্গী বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা লোকগুলোর হেফাজতে থাকবে৷’

    আলতুনিয়ার কথা শুনে এবার হেসে উঠলেন ডা. নাসেরও৷ তারপর বললেন, ‘সমাধিতে ধনসম্পদ পেলে তুমি যে আর বাইরের লোকগুলোর ছায়া মাড়াবে না, তা আমি জানি৷ ফলে ছোটো ছেলেটি আর আমার সঙ্গী কোনোদিনই সভ্য জগতে ফিরে যাবে না৷ মরুভূমির বালির নীচেই ওদের সমাধি দিয়ে দেওয়া হবে৷ আমি তোমার সঙ্গে যেতে রাজি, কিন্তু ওদের সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে৷ তা ছাড়া ছোটো ছেলেটি না থাকলে পথের হদিশ না-ও মিলতে পারে৷ কারণ, আমার মনে হয়েছে ছেলেটির মধ্যে বিশেষ কিছু একটা ব্যাপার লুকিয়ে আছে, যা ওই সমাধি খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য করবে৷’

    ‘আর আপনার পাশে দাঁড়ানো সঙ্গীকে কী কাজে লাগবে? তাহলে উনিই নয় জামিন থাকুন,’ এই বলে আলতুনিয়া তাকাল আমার দিকে৷

    হঠাৎ যেন আমার বুকের ভিতর হাতুড়ি পেটা শুরু হল৷ আমি আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগলাম নিজেকে সংযত রাখতে৷ ডা. নাসের বললেন, ‘না, সেটা হয় না৷ কারণ, প্রথমত, ও না থাকলে ছেলেটির সঙ্গে কমিউনিকেট করার ক্ষেত্রে ভাষাগত সমস্যা হতে পারে৷ দ্বিতীয়ত, সবচেয়ে বড়ো কথা হল, ওকে রেখে আমি তোমার সঙ্গে এক পা-ও কোথাও নড়ব না৷’ কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন ডা. নাসের৷ তারপর বললেন, ‘আমার যা মত তা আমি বললাম৷ এবার তুমি যা খুশি করতে পার৷ তবে একটা জিনিস মনে রেখো, আমাদের তিন জনের কারও কোনো ক্ষতি হলে কিন্তু এ জীবনে আর তুমি ওই সমাধির সন্ধান পাবে না৷’

    আলতুনিয়া বেশ কিছুক্ষণ কী যেন ভাবল তাঁর কথা শুনে৷ তারপর উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘ঠিক আছে, আমি রাজি৷ তিন জনেই যাবে৷ কিন্তু কোনো চালাকির চেষ্টা করলেই খুলি উড়ে যাবে৷ এখন আমি তল্লাশি করে দেখব প্যাপাইরাসের বাকি অংশটা আপনাদের কাছে আছে কি না! যদি থাকে, তাহলে আর কষ্ট করে আমার সঙ্গে যেতে হবে না৷ বাইরের কুকুরগুলো অনেক দিন ভালো করে খায়নি৷ মানুষের মাংস ওদের মন্দ লাগবে না!’

    আলতুনিয়ার ইশারায় অংশুর পাশে বসে থাকা এক সঙ্গী উঠে এসে আমাদের তল্লাশি শুরু করল৷ প্রথমে ডা. নাসেরকে তারপর আমাকে৷ ক্যামেরার ব্যাগটা দেখার সময় লোকটি যখন লেন্সটা একবার হাতে নিল, তখন যেন মনে হচ্ছিল আমার হৃৎপিণ্ড থেমে গিয়েছে৷ শুধু কানে আসছিল তাঁবুর বাইরে কুকুরগুলোর গর্জন৷ আমি একবার তাকালাম ডা. নাসেরের দিকে৷ চোখের ইশারায় তিনি আমাকে শান্ত থাকতে বললেন৷ লোকটি লেন্সটা হাতে নিয়ে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখল৷ তারপর ক্যামেরা ইত্যাদির সঙ্গে আবার ব্যাগের মধ্যে রেখে দিল৷ তল্লাশি শেষ হওয়ার পর আলতুনিয়া অংশুর পাশে বসা একটি লোককে বলল অংশুকে ছেড়ে দিতে৷ লোকটি তার হাতটা ছাড়ার সঙ্গেসঙ্গেই অংশু ছুটে এসে আমার কোমর জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলল৷ তারপর আমাকে প্রশ্ন করল, ‘ডা. ঘটক কোথায়?’

    আমারও মনে হল, ডা. ঘটক আমাদের খুঁজে না পেয়ে কী অসহ্য মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করছেন এখন! হয়তো আমার আর অংশুর সঙ্গে তাঁর আর কোনোদিন দেখা হবে না৷ আমাদের দু-জনকে মিশরে আনার জন্য বাকি জীবন নিজেকে দোষারোপ করবেন৷ আমি অংশুর মাথায় হাত বুলিয়ে তাকে সান্ত্বনা দিতে লাগলাম৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই আলতুনিয়া ও তার সঙ্গীরা আমাদের নিয়ে তাঁবুর বাইরে এসে দাঁড়াল৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }