Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ১৪

    ১৪

    ঘণ্টাখানেক পরে আমরা থামলাম৷ অন্ধকারের মধ্যে চলতে চলতে কতবার যে সুড়ঙ্গের পাথুরে দেওয়ালে ঠোক্কর খেয়েছি তার কোনো হিসেব নেই৷ কপাল ফুলে গিয়েছে, বোধ হয় রক্তও বেরিয়েছে৷ অন্ধকারে ঠিক বুঝতে পারলাম না৷ কনুইয়ের কাছেও বেশ জ্বালা করছিল৷ অংশুও চলতে চলতে বেশ কয়েকবার ব্যথায় চিৎকার করে উঠেছে৷ কিন্তু তবুও থামিনি আমরা, পাছে আলতুনিয়া আমাদের ধরে ফেলে এই ভয়ে৷

    থামবার পর ডা. নাসের বললেন, ‘যতটা পথ এসেছি তাতে আলতুনিয়া আর আমাদের নাগাল পাবে বলে মনে হয় না৷’

    আমি তাঁর কথা শুনতে পেলেও অন্ধকারের মধ্যে তাঁকে দেখতে পেলাম না৷ জমাট অন্ধকারের মধ্যে এতটা পথ কীভাবে এলাম তা আমার বোধগম্য হচ্ছিল না৷ শুধু মনে হচ্ছিল সমস্ত ব্যাপারটাই একটা দুঃস্বপ্ন৷ আমি অংশুর হাতটা চেপে ধরে অন্ধকারে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম৷ ঠিক সেই সময় অন্ধকারের মধ্যে থেকে ডা. নাসেরের কন্ঠস্বর শুনতে পেলাম, ‘আপনি কি ভয় পাচ্ছেন?’

    আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘এখান থেকে বের হব কী করে?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘একটু দাঁড়ান, আলোটা জ্বালিয়ে নিই৷’

    আমি বললাম, ‘আলো! আপনি আলো পাবেন কোথা থেকে?’

    অন্ধকারের মধ্যেই তিনি বললেন, ‘গুহার ভিতর পাথরের চাঁইটা আছড়ে পড়ার সময় কারোর হাত থেকে একটা মশাল ছিটকে আমার সামনে পড়েছিল৷ পালাবার সময় মাটি থেকে কুড়িয়ে নিয়েছিলাম৷ আমার পকেটে একটা দেশলাই সবসময় থাকে, সেটা দিয়েই এখন মশাল জ্বালাব৷’

    কিছুক্ষণের পর একটা দেশলাইকাঠি ফস করে জ্বলে উঠল আর তারপরেই দাউদাউ করে জ্বলে উঠল মশালটা৷ অন্ধকার কেটে গিয়ে সুড়ঙ্গের বেশ কিছুটা অংশ আলোকিত হয়ে উঠল৷ প্রথমে আমি দেখতে পেলাম ডা. নাসেরের মুখ৷ তাঁর কপাল ফেটে রক্ত বের হচ্ছে৷ পোশাকও ছিঁড়ে গিয়েছে বেশ কয়েক জায়গায়৷ তারপর তাকালাম অংশুর দিকে৷ দেখলাম, তার চোখ বন্ধ৷ আমার মনে হল, একটানা চলার পর সে এখানে এসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘এখানে দাঁড়িয়ে থাকলে আমাদের চলবে না৷ ঘণ্টা তিনেক এই মশালের আলো জ্বলবে৷ তার মধ্যেই যেভাবে হোক একটা পথ আমাদের খুঁজে বের করতেই হবে৷ ছেলেটা যদি আর হাঁটতে না পারে তাহলে আমি ওকে কোলে তুলে নিচ্ছি৷’

    আমি বললাম, ‘না, না৷ আপনাকে নিতে হবে না, আমিই নিচ্ছি৷’

    এই বলে অংশুকে কোলে তুলে নেওয়ার আগে আমি একবার তার নাম ধরে ডাকলাম৷ আর সঙ্গেসঙ্গেই চোখ মেলল সে৷ আমি তাকে বললাম, ‘তুমি কি ঘুমিয়ে পড়েছিলে?’

    অংশু উত্তর দিল, ‘না৷ আমি চোখ বুজে মনে করবার চেষ্টা করছিলাম মরচুয়ারি মন্দিরে যাওয়ার রাস্তা কোনটা৷’

    আমার মনে হল, অংশুর কথাগুলো কেমন জড়ানো জড়ানো৷ একটা ঘোরের মধ্যে থেকে যেন সে কথাগুলো বলল৷ তাঁর কথা শুনে ডা. নাসের একবার আমার মুখের দিকে তাকালেন৷ আমি অংশুকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আমাদের আরও এগোতে হবে৷ তুমি কি হাঁটতে পারবে?’

    অংশু বলল, ‘পারব,’ এই বলে সে ধীরে ধীরে হাঁটতে শুরু করল৷

    এই সুড়ঙ্গটা তুলনামূলকভাবে চওড়া৷ পাশাপাশি স্বচ্ছন্দে দু-জনে হাঁটা যায়৷ দেওয়ালও মসৃণ বললেই চলে৷ কিছুক্ষণ চলার পর ডা. নাসের বললেন, ‘না৷ মশালটা এভাবে জ্বালিয়ে নষ্ট করার কোনো মানে হয় না৷ আমরা বরং মশালটা নিভিয়ে দেওয়ালের গায়ে হাত ছুঁইয়ে চলি৷ তাতে অন্ধকারে চলার গতি কম হলেও মশালটা আমরা দরকারের সময় ব্যবহার করতে পারব৷’

    মশাল নিভিয়ে দেওয়া হল৷ অংশুকে আমাদের দু-জনের মাঝে রেখে দেওয়াল ছুঁয়ে চলতে শুরু করলাম৷ ডা. নাসের মশালটা তাঁর মাথার উচ্চতায় ধরে আছেন৷ ছাদ যেখানে অনেক নীচুতে নেমে এসেছে, সেখানে মশালটা যখনই ছাদের সঙ্গে ঠোক্কর খাচ্ছে তখনই ডা. নাসের সাবধান করে দিচ্ছেন আমাকে৷ মনে হল অনন্তকাল ধরে হেঁটে চলেছি এই অন্ধকার পথ ধরে৷ এ চলার বিরাম নেই৷ শেষে একসময় থামলাম৷ ডা. নাসের আবার মশালটা জ্বালালেন৷ দেখলাম, বিরাট বড়ো একটা হলঘরের ভিতর দাঁড়িয়েছি আমরা৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘এবার আমরা ঘণ্টা পাঁচেকের জন্য বিশ্রাম নেব৷ কারণ, সুস্থ থাকার জন্য এটা এখন অত্যন্ত জরুরি৷ আমাদের হয়তো আরও অনেক পথ চলতে হবে৷ যদিও জানি না এই সুড়ঙ্গের গোলকধাঁধা থেকে মুক্ত হয়ে পৃথিবীর আলো শেষ পর্যন্ত দেখতে পাব কি না!’

    আমি অংশুর দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তার চোখের পাতা বন্ধ৷ আমি তার নাম ধরে ডাকলাম, কিন্তু কোনো উত্তর দিল না৷ তাকে মাটির উপর আস্তে আস্তে শুইয়ে দিলাম৷ ডা. নাসের আমাকেও শুয়ে পড়তে বললেন৷ কিন্তু আমার চোখে কিছুতেই ঘুম আসছিল না৷ শুধু মনে হচ্ছিল এই অন্ধকার জগৎ থেকে আর মুক্ত হতে পারব না৷ মৃত্যুভয় চেপে বসতে লাগল আমার উপর৷ আমি বসে বসে চিন্তা করতে লাগলাম ডা. ঘটকের কথা, আমার ছেলেবেলার কথা, প্রিয়জনের কথা৷

    ডা. নাসের মশালটা হাতে নিয়ে ঘুরে ঘুরে চারপাশটা দেখছিলেন৷ বেশ কয়েকটা সংকীর্ণ সুড়ঙ্গ বেরিয়েছে ঘরের নানা দিক থেকে৷ সেগুলোর মধ্যে উঁকি মারছিলেন তিনি৷ হঠাৎ শুনতে পেলাম ডা. নাসের বললেন, ‘মি. সেন, একবার এদিকে আসুন৷’

    ডা. নাসের দাঁড়িয়ে ছিলেন একটা সুড়ঙ্গের সামনে৷ আমি গিয়ে সেখানে দাঁড়াতেই ডা. নাসের মশালটা মাথার উপর উঁচু করে ধরে সুড়ঙ্গে ঢোকার মুখের উপরের দেওয়ালে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, ‘কিছু দেখতে পাচ্ছেন?’

    ভালো করে দেখার পর মনে হল, সেখানে দেওয়ালের গায়ে যেন কিছু খোদাই করা৷ কিন্তু তার প্রায় সবটুকুই ধুলোবালিতে ঢাকা পড়ে গিয়েছে৷ জায়গাটা মাটি থেকে ফুট দশেক উঁচুতে৷ মাটিতে দাঁড়িয়ে ছোঁওয়া যাবে না৷

    ডা. নাসের আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আমি মাটিতে বসে পড়ছি, আপনি আমার পিঠের উপর দাঁড়িয়ে ধুলোবালি পরিষ্কার করুন৷’ এই বলে তিনি মশালটা আমার হাতে দিয়ে চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে মাটির উপর বসে পড়লেন৷ আমি তাঁর পিঠে দাঁড়াবার আগে একটু ইতস্তত করতে লাগলাম৷ তা দেখে তিনি নির্দেশের সুরে বললেন, ‘এখন ভদ্রতা রক্ষার সময় নয়, যা বলছি তাই করুন৷’

    আমি এবার তাকালাম ডা. নাসেরের চোখের দিকে৷ দেখলাম, তাঁর চোখ দুটো খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে৷ তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘হয়তো এই সুড়ঙ্গ শেষ পর্যন্ত আমাদের পৃথিবীর আলো দেখাবে৷’

    এরপর মশাল নিভিয়ে শুয়ে পড়লাম আমরা৷

    ডা. নাসের যখন ঘুম ভাঙালেন তখন আমার ঘড়িতে ঠিক পাঁচটা বাজে৷ বাইরের পৃথিবীতে নিশ্চয়ই এতক্ষণে আলো ফুটে গিয়েছে৷ কিন্তু তার চিহ্নমাত্র নেই এই পাতালপুরীতে৷ চারপাশে শুধু জমাট অন্ধকার৷ ডা. নাসের মশালটা আবার কিছুক্ষণের জন্য জ্বালালেন৷ অংশুর ঘুম ভাঙিয়ে কয়েক ঢোক জল খাওয়ালাম৷ আমরাও মুখে দিলাম কয়েক ফোঁটা৷ অংশুকে মাথায় হাত বুলিয়ে তাকে সাহস দেওয়ার জন্য বললাম, ‘তোমার কোনো ভয় নেই৷ আজই আমরা এখান থেকে বাইরে বের হব৷’

    সে আমার দিকে একবার তাকাল মাত্র৷ কিন্তু কোনো উত্তর দিল না৷ ডা. নাসের মশালটা নিভিয়ে দিলেন৷ অন্ধকার সুড়ঙ্গপথে আবার শুরু হল আমাদের যাত্রা৷

    একটার পর একটা সুড়ঙ্গপথ বেয়ে আমরা এগিয়ে চললাম৷ ঘড়ির কাঁটাও ঘুরতে লাগল সেই সঙ্গে৷ মাঝে মাঝে কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়ার জন্য থামছি৷ মুখে দিচ্ছি কয়েক ফোঁটা করে জল৷ জলও প্রায় শেষ হয়ে এসেছে৷ আমি আর ডা. নাসের গায়ের জামাগুলো ছিঁড়ে লম্বা লম্বা ফালি করে নিয়েছি মশালের উপর জড়ানোর জন্য, যাতে মশালটা বেশি সময় ধরে জ্বলে৷ ডা. নাসের মাঝে মাঝে মশালটা জ্বালাচ্ছেন পথের দিশা ঠিক করে নেওয়ার জন্য৷ আমি আর অংশু তাঁকে অনুসরণ করছি৷ অংশু কোনো কথা বলছে না৷ মনে হচ্ছে, সে যেন একটা ঘোরের মধ্যে আছে৷

    বেলা দশটা নাগাদ আমরা একটা বিরাট হলঘরে ঢুকলাম৷ ডা. নাসের মশালটা জ্বালালেন সেখানে৷ সারা ঘরের দেওয়াল জুড়ে নানা ধরনের সব ছবি আঁকা৷ সে ঘর থেকে আরও দুটো সুড়ঙ্গ দু-দিকে বেরিয়েছে৷ ডা. নাসের মশাল জ্বালিয়ে দেওয়ালগুলো দেখতে দেখতে একজায়গায় এসে থামলেন৷ সেখানে একটা হাইয়ারোগ্লিফিক বেশ কিছুক্ষণ মনোযোগ দিয়ে দেখার পর তিনি আমাকে ক্যামেরার লেন্সের মধ্যে রাখা প্যাপাইরাসটা বের করতে বললেন৷ দেওয়ালের গায়ের হাইয়ারোগ্লিফিকের সঙ্গে ডা. নাসের সেটা মেলাতে লাগলেন এক মনে৷ কিছুক্ষণ পর তিনি নিজের মনেই বললেন, ‘না, এসবের পিছনে সময় নষ্ট করা এখন আর উচিত হবে না৷ সময় এখন অত্যন্ত মূল্যবান৷’ এই বলে তিনি প্যাপাইরাসটা আবার গোটাতে শুরু করলেন৷

    ‘কী লেখা আছে দেওয়ালে?’ আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম৷

    ডা. নাসের মৃদু হেসে বললেন, ‘যে সমাধির সন্ধানের জন্য আলতুনিয়া আমাদের ধরেছিল, ড. হান্স সম্ভবত যে সমাধির সন্ধান করছেন, সব চেয়ে বড়ো কথা, যে সমাধির সঙ্গে অংশুর অসুখের একটা অদৃশ্য যোগসূত্র আছে বলে মনে হয়, সেই সমাধির কাছে যাওয়ার রাস্তা এই ঘরেই কোথাও লুকোনো আছে৷ কিন্তু তা খুঁজে বের করার সময় ও রসদ এই মুহূর্তে আমাদের হাতে নেই৷ এখন আমাদের প্রথম কাজ হল, এই অন্ধকার পৃথিবী থেকে মুক্তি পাওয়া৷ প্রাণ নিয়ে বাইরে যেতে পারলে ভবিষ্যতে একদিন হয়তো এখানে ফিরে আসতে পারব৷ তবে এ ঘরে পৌঁছোবার পর একটা জিনিস আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, আমরা এই মুহূর্তে রয়েছি মরচুয়ারি মন্দিরের নীচে অথবা খুব কাছাকাছি কোনো জায়গায়৷ মুক্তির পথ এবার আমাদের খুঁজে বের করতেই হবে৷’

    আমরা যে সুড়ঙ্গ দিয়ে ঘরে ঢুকেছি সেটা ছাড়া ঘরের উলটো দিকের দেওয়াল থেকে আরও দুটো সুড়ঙ্গপথ বেরিয়েছে৷ সুড়ঙ্গ দুটোর মুখে মশালের আলো ফেলে যতটুকু বোঝা গেল, তার একটা ঢালু হয়ে আরও মাটির গভীরে নেমে গিয়েছে, আর-একটা উপর দিকে উঠে গিয়েছে৷ যে সুড়ঙ্গটা উপর দিকে উঠেছে সে পথেই যাবেন বলে মনস্থির করলেন ডা. নাসের, হয়তো সে পথে উঠে পৃথিবীর আলো দেখা যেতে পারে এই আশায়৷ আমরা যখন সেই সুড়ঙ্গে ঢুকতে যাচ্ছি, ঠিক তখনই সুড়ঙ্গে ঢোকার মুখে দাঁড়িয়ে ঘাড় নাড়তে শুরু করল অংশু৷ আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তুমি কি কিছু বলবে?’

    সে উত্তর দিল না, শুধু প্রবলভাবে ঘাড় নাড়তে লাগল৷ দেখলাম, তার দৃষ্টি কেমন ঘোলাটে৷ আমি আবার তাকে একই প্রশ্ন করলাম৷ কিন্তু মনে হল আমার কথা যেন তার কানে যাচ্ছে না৷

    ডা. নাসের আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘তাহলে এ সুড়ঙ্গপথ দিয়ে কি বাইরে যাওয়া যাবে না! ও কি সে কথাই বলছে ঘাড় নেড়ে? আচ্ছা, তাহলে আর একটা সুড়ঙ্গ দেখা যাক৷ হয়তো ও-ই আমাদের শেষ পর্যন্ত মুক্তির রাস্তা দেখাবে৷’

    আমরা গিয়ে দাঁড়ালাম, যে সুড়ঙ্গটা নীচের দিকে নেমে গিয়েছে তার ঢোকার মুখে৷ কিন্তু তার ঢোকার মুখে দাঁড়িয়েও অংশু একই রকমভাবে ঘাড় নাড়তে লাগল৷ আমি তাকে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞেস করলাম, সে কি কিছু বলতে চাইছে? কিন্তু আগের মতোই কোনো উত্তর পেলাম না৷ কয়েক মিনিট আমরা চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম সেখানে৷

    ডা. নাসের তারপর বললেন, ‘আমার মনে হয় আসলে প্রচণ্ড পরিশ্রমে আর খিদে-তেষ্টায় ও বিকারগ্রস্ত হয়েছে৷ আমরা বরং যে সুড়ঙ্গ উপর দিকে উঠেছে সেটায় ঢুকব৷’ এরপর অংশুকে কিছুটা জোর করেই আমরা ঢুকলাম আগের সুড়ঙ্গটায়৷

    আবার শুধু চলা আর চলা৷ সুড়ঙ্গ বেশ কিছুটা উপর দিকে উঠে আবার নীচের দিকে নেমেছে৷ সে পথ নীচে নামার পর আবার উপরে উঠেছে৷ এভাবে উপর-নীচ করতে করতে এগোতে লাগলাম আমরা৷ ডা. নাসের কখনো ক্ষণিকের জন্য মশাল জ্বালচ্ছেন, আবার নিভিয়ে ফেলছেন৷ এক জায়গায় মশাল জ্বালতেই দেখলাম, সুড়ঙ্গের ছাদে আর দেওয়ালে নানা ধরনের ছবি আঁকা৷ ছবিগুলো ঘন নীল আর সোনালি রঙে আঁকা৷ তার মধ্যে রয়েছে ফ্যারাও, নানা দেবদেবী, পশুপাখি ইত্যাদির ছবি৷ এত বছর পরেও ছবিগুলো একটুও নষ্ট হয়নি৷ বিশেষত, সোনালি রংগুলো মশালের আলোয় ঝলমল করে উঠছে৷ ডা. নাসের আমার একটা ভুল ভেঙে দিলেন৷ তিনি বললেন, ‘আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন সোনালি রংগুলো আজও এত ঝলমলে কেন! আসলে ওগুলো হচ্ছে সোনার পাত, রং নয়৷ ছবির মধ্যে সোনার পাতগুলো বসানো আছে৷ সমাধিচোরের দল নিশ্চয়ই এখনও এ সুড়ঙ্গের সন্ধান পায়নি৷ তাহলে ওরা কবেই খুলে নিয়ে যেত এসব৷’

    আমি বললাম, ‘তাহলে মরচুয়ারি মন্দির থেকে ওরা আমাদের ধরে নিয়ে গিয়েছিল কোন পথে?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘এ পথে নয়, নিশ্চয়ই অন্য কোনো পথে৷’

    সময় এগিয়ে চলতে লাগল, কিন্তু পথ শেষ হল না৷ প্রতি মুহূর্তেই মনে হতে লাগল, হয়তো আর একটু এগোলেই শেষ হবে সুড়ঙ্গ, আমরা আবার পৃথিবীর আলো দেখতে পাব৷ বিশেষত, যেসব জায়গায় সুড়ঙ্গ উপর দিকে উঠেছে সেসব জায়গায় বারবার এই আশা জেগে উঠতে লাগল৷ কিন্তু উপরে ওঠার পর ভুল ভেঙে যাচ্ছিল৷ সুড়ঙ্গ আবার নেমে যাচ্ছিল নীচের দিকে৷ ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়তে লাগলাম৷ শরীর অবসন্ন হচ্ছে, পা যেন আর চলছে না৷ আমি আর ডা. নাসের দরকার ছাড়া কোনো কথা বলছি না৷ অংশুকে প্রশ্ন করলেও কোনো কথা বলছে না৷ সম্পূর্ণ ঘোরের মধ্যে দিয়ে সে হেঁটে চলেছে, ঠিক যেন দম দেওয়া একটা কলের পুতুল৷

    এভাবে চলতে চলতে দুপুর গড়িয়ে গেল৷ আমরা আর হাঁটতে পারছি না৷ কিছু দূর চলার পরই বিশ্রাম নিতে হচ্ছে৷ অবশেষে বিকেল পাঁচটা নাগাদ অর্থাৎ অন্ধকার সুড়ঙ্গপথে আরও প্রায় সাত ঘণ্টা হাঁটার পর আমরা এসে ঢুকলাম একটা বিরাট ঘরের মধ্যে৷ ডা. নাসের তাঁর মশালটা জ্বাললেন৷ ঘরটার দেওয়ালে নানা ধরনের ছবি আঁকা৷ হঠাৎ মশালের আলোয় আমার নজরে পড়ল ঘরের মেঝেয় ধুলোর উপর বেশ কয়েকটা পায়ের ছাপ৷ তা দেখে আমি ডা. নাসেরকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে উঠলাম, ‘এই ঘর থেকে বাইরে যাওয়ার রাস্তা আছে৷ ওই দেখুন ধুলোর উপর মানুষের পায়ের ছাপ!’

    ডা. নাসেরের চোখ দুটো খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল আমার কথা শুনে৷ তিনি নীচু হয়ে ছাপগুলো দেখবার জন্য মশালের আলো ফেললেন সেখানে৷ আর সঙ্গেসঙ্গেই তাঁর চোখের দ্যুতি নিভে গিয়ে সারা মুখে ফুটে উঠল গভীর হতাশা৷ ধীরে ধীরে সেখানেই মাটির উপর বসে পড়লেন তিনি৷

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হল ডা. নাসের?’

    তিনি আঙুল তুলে ছাপগুলো দেখিয়ে দিলেন৷ ভালো করে দেখার পর আমার কাছে ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়ে গেল৷ পায়ের ছাপগুলো আসলে আমাদেরই৷ ডা. নাসের মৃদুস্বরে বললেন, ‘সারাদিন আমরা একই সুড়ঙ্গের গোলকধাঁধায় ঘুরে বেড়িয়েছি৷ এ ঘরের এক দিক দিয়ে বেরিয়ে আর এক দরজা দিয়ে একই জায়গায় ফিরে এসেছি৷ এখন বুঝতে পারছি অংশু কেন দুটো সুড়ঙ্গের কোনোটাতেই ঢুকতে চাইছিল না! আসলে আমরা আটকে গিয়েছি এখানে৷ সমাধিচোরদের ফাঁকি দেওয়ার জন্য ফ্যারাওরা এ ব্যবস্থা করে রাখতেন৷’

    আমি আতঙ্কিত হয়ে প্রশ্ন করলাম, ‘আমরা কি কোনোদিন পৃথিবীর আলো দেখব না?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘হয়তো তাই৷’

    তাঁর কথা শুনে আমার বুকের ভিতর যেন হাতুড়ি পেটা শুরু হল৷ মনে হল, আমি এবার পাগল হয়ে যাব! আমি স্থাণুর মতো দাঁড়িয়ে রইলাম৷ অংশু আমার পাশে চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে আর মৃদু মৃদু দুলছে৷ প্রতিটি মুহূর্ত যেন অসহ্য মনে হতে লাগল৷

    কয়েক মিনিট পর ডা. নাসের যেন নিজেকে একটু শক্ত করে আমাকে বললেন, ‘চলুন, আমরা এখন শুয়ে পড়ি৷ ঘণ্টা পাঁচেক পর একটা শেষ চেষ্টা করা যাবেখন৷ তারপর কপালে যা আছে হবে৷’

    তাঁর কথা শুনে আমার মনেও একটু সাহস এল৷ ঘরের এক কোনায় একটা পাথরের বেদি ছিল৷ অংশুকে নিয়ে গিয়ে প্রথমে শুইয়ে দিলাম সেখানে৷ ডা. নাসেরের কথামতো জলের বোতলের তলায় যেটুকু জল ছিল তা ঢেলে দিলাম অংশুর গলায়৷ তারপর মশাল নিভিয়ে দু-জনে শুয়ে পড়লাম অংশুর পাশে৷ জলও নেই, আলোও প্রায় শেষ! কীভাবে বাইরে যাব আমরা! অন্ধকারে শুয়ে শুয়ে এসব চিন্তা করতে করতে আবার আতঙ্ক ঘিরে ধরল আমাকে৷ আতঙ্ক এবং পথশ্রমের ক্লান্তিতে কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি ঘুমিয়ে পড়লাম৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }