Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ২

    ২

    ঠিক সাড়ে চারটেয় আমরা ডা. নাসেরের গাড়িতে বেরিয়ে পড়লাম আল-তাহরির স্কোয়ারের কায়রো মিউজিয়ামের উদ্দেশে৷ নির্দিষ্ট সময়ের মিনিট দশেক আগেই আমাদের ঘরের দরজায় টোকা দিয়েছিলেন ডা. নাসের৷ আমরাও তৈরি হয়েছিলাম, কাজেই বেরিয়ে পড়তে কোনো অসুবিধে হল না৷ মিনিট পনেরোর মধ্যেই আমরা এসে পৌঁছোলাম কায়রো মিউজিয়ামের সামনে৷ বিরাট লাল রঙের বাড়ি, তার সাদা তোরণ৷ ডা. নাসের বললেন, তাঁর নিজের ভিতরে প্রবেশের জন্য বিশেষ অনুমতিপত্র আছে৷ তাই তাঁর কোনো টিকিট লাগবে না৷ মিউজিয়ামে মাথাপিছু প্রবেশ মূল্য ২০ ইজিপ্সিয়ান পাউন্ড৷ আর ক্যামেরার জন্য ১০ ইজিপ্সিয়ান পাউন্ড৷ আমাদের তিন জনের টিকিটের দাম সৌজন্য দেখিয়ে ডা. নাসের দিতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু আমরা দিতে দিলাম না৷

    টিকিট কাটার পর আমরা ঢুকলাম মিউজিয়ামে৷ ভিতরে ঢুকতে ঢুকতে ডা. নাসের বললেন, ‘আপনাদের যে রোসেটা স্টোনের কথা বলছিলাম তখন, তার একটা প্রতিলিপি এখানে রাখা আছে৷ আছে আরও বেশ কয়েক হাজার প্রত্নবস্তু৷ সেসব মোটামুটিভাবে দেখতে হলে অন্তত ঘণ্টা পাঁচেক সময় লাগে৷ আজ হাতে সময় অল্প, ঘণ্টা দুয়েক পরেই মিউজিয়াম বন্ধ হয়ে যাবে৷ তাই আজ আমি আপনাদের মিউজিয়ামের বিশেষ কিছু দেখার জিনিস আর মিউজিয়ামের প্রধান আকর্ষণ তুতানখামেনের গ্যালারি দেখাব৷ পরে একদিন হাতে সময় নিয়ে এসে বিভিন্ন খুঁটিনাটি জিনিস দেখিয়ে নিয়ে যাব৷’

    ভিতরে ঢোকার আগে কাপড়ের জুতো পরতে হল৷ একতলার বিশাল হলঘরে ঢুকে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলাম৷ মনে হল, হঠাৎ যেন একটা অন্য জগতে এসে হাজির হয়েছি৷ চারপাশে ছড়িয়ে আছে অজস্র প্রাচীন মূর্তি, পাথরের ফলক, নানা ধরনের ছবি৷ মিউজিয়ামের বিরাট এই প্রদর্শনী-কক্ষে লোকজন প্রায় নেই বললেই চলে৷ চারপাশে কীরকম একটা গা ছমছমে পরিবেশ৷ হাজার হাজার বছরের প্রাচীন মূর্তিগুলি যেন তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে আমাদের৷ অংশু ভিতরে ঢুকবার পর আমার হাতটা জড়িয়ে ধরল৷ মনে হল, ও যেন মনে মনে ভয় পেয়ে গিয়েছে৷ ডা. নাসের বললেন, ‘আপনারা আমার সঙ্গে থাকুন, আমি আপনাদের সব কিছু বুঝিয়ে দিচ্ছি৷’

    ডা. নাসের প্রথমে গিয়ে দাঁড়ালেন বিরাট এক পাথরের মূর্তির সামনে৷ পাথরের সিংহাসনের উপর বসে আছে মূর্তিটি৷ সেটা দেখিয়ে তিনি বললেন, ‘এটা হল প্রাচীন মিশরের বিখ্যাত রাজা বা ফারাও খিওপিসের মূর্তি৷ যিনি ফারাও খুফু নামেই বেশি পরিচিত৷ প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে অর্থাৎ যে সময়কালকে মিশরের ইতিহাসে ওল্ড কিংডম বলে চিহ্নিত করা হয়, সেই সময় তিনি রাজত্ব করতেন মিশরের বুকে৷ খুফুকেই পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য গিজার গ্রেট পিরামিডের নির্মাণকর্তা বলে মনে করা হয়৷’

    এর পর তিনি আমাদের নিয়ে গেলেন একটু দূরে রাখা এক আবক্ষ মূর্তির সামনে৷ তার অনেকখানি নষ্ট হয়ে গেলেও সেটা যে নারীমূর্তি ছিল তা বুঝতে কোনো অসুবিধে হয় না৷ ডা. নাসের বললেন, ‘মনে করা হয়, এটা মিশরের বিখ্যাত রানি ক্লিওপেট্রার মূর্তি৷ যুগ যুগ ধরে যাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে অনেক গল্প-কাহিনি, যদিও তার মধ্যে প্রমাণের বদলে অনুমান বা কল্পনার পরিমাণই বেশি৷’

    একের পর এক তিনি আমাদের দেখাতে লাগলেন নানা মূর্তি৷ তার কোনোটা আমেনহোটেপের, কোনোটা দ্বিতীয় রামেসিসের, কোনোটা অন্যান্য ফারাও বা রানিদের, আর তার সঙ্গে বলে যেতে লাগলেন ওঁদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য৷ প্রদর্শনীকক্ষে রাখা আছে অনেক মমি৷ সেগুলোর পাশে রাখা আছে বিরাট বিরাট পাথরের বাক্স৷ তার গায়ে আবার নানা ধরনের চিত্রলিপি খোদাই করা আছে৷ ডা. নাসেরের মুখে শুনলাম, এই বিরাট বিরাট পাথরের বাক্সকে বলা হয় ‘সারকোফ্যাগাস’৷ মমির কাঠ বা ধাতুর তৈরি আধার সারকোফ্যাগাসের মধ্যে ভরে রাখা হত, যাতে যুগ যুগ ধরে মমিটাকে অক্ষয় রাখা যায়৷

    একটা সারকোফ্যাগাসের গায়ে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে ডা. নাসের বললেন, ‘ভালোভাবে লক্ষ করুন এই খোদাইকরা ছবিগুলো৷ এটা মৃত ব্যক্তির অন্তিম যাত্রার বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ছবি৷ এই দেখুন, প্রথমে ক্রীতদাসের দল মৃত ব্যক্তির জিনিসপত্র বয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তারপর যাচ্ছে পেশাদার ক্রন্দনরত রমণীর দল৷ তারপর চলেছে পুরোহিতের দল স্লেজ গড়িতে কফিন নিয়ে৷ তারও পর বলদে-টানা স্লেজ গাড়িতে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে একটা নৌকো৷ আর সব শেষে চলেছে মৃতের পরিবার-পরিজনেরা৷ ঠিক এই ভাবেই সেই সময় শেষ যাত্রা করা হত৷ এ জাতীয় অনেক ছবি নানা জায়গায় দেখতে পাওয়া যায়৷’

    আমি ডা. নাসেরকে প্রশ্ন করলাম, ‘আচ্ছা, শবযাত্রায় নৌকো কেন? এখানে আরও বেশ কয়েকটা অন্য ছবিতে নৌকো লক্ষ করলাম৷ তা ছাড়া এই সংগ্রহশালাতেও দেখলাম বেশ কয়েকটা নৌকো রাখা আছে৷ এর কি কোনো বিশেষ কারণ আছে?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আছে৷ প্রাচীন মিশরবাসীরা মনে করতেন যে, আত্মার মৃত্যু হয় না৷ ঘুমন্ত দেহ থেকে আত্মা অন্য এক জগতের দিকে যাত্রা করে৷ সেখানে যেতে হয় নদী পার হয়ে৷ তাই প্রত্যেক সমাধিস্থানে একটা করে সোলার বার্জ বা একটা করে নৌকো রেখে দেওয়া হত৷ এই মিউজিয়ামে যেসব নৌকো সংরক্ষিত আছে, সেগুলো সবই বিভিন্ন সমাধিস্থানে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে৷ মৃত ব্যক্তির ক্ষমতা বা পদমর্যাদা অনুযায়ী সমাধিস্থানে রাখা হত কাঠ, রুপো বা সোনার তৈরি নৌকো৷’

    ডা. নাসেরের কথা শুনে ডা. ঘটক তাঁকে বললেন, ‘আমাদের শাস্ত্রেও মৃত্যুর পর নদী পার হওয়ার একটা ব্যাপার আছে৷ সে নদীর নাম বৈতরণী৷ পবিত্র ষাঁড়ের লেজ ধরে সে নদী পার হতে হয়৷’

    ডা. ঘটকের কথা শেষ হতেই ডা. নাসের বললেন, ‘আপনাদের শাস্ত্রের সঙ্গে প্রাচীন মিশরের রীতিনীতির বেশ মিল ছিল দেখছি! শুধু নদী পার হওয়ার ব্যাপারটা নয়, প্রাচীন মিশরীয়রা ষাঁড়কে খুব পবিত্র প্রাণী মনে করত৷ তাদের পুজো করত৷ এমনকী মৃত্যুর পর তাদেরও মমি তৈরি করে ঘটা করে সমাধি দেওয়া হত৷ বেশ কয়েকটি অতি প্রাচীন সারকোফ্যাগাসে ষাঁড়ের মমি পাওয়া গিয়েছে৷’

    এর পর আমরা দেখলাম সেই রোসেটা স্টোনের প্রতিলিপি৷ একতলায় মিউজিয়ামের প্রধান দেখার জিনিসগুলো দেখে এবং কিছু ছবি তুলে আমরা সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় চললাম৷ দোতলায় রয়েছে বালক রাজা তুতানখামেনের গ্যালারি৷ সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে উঠতে আমার হঠাৎ মনে পড়ল, তুতানখামেনের অভিশাপের সেই মিথের কথা৷ আমি ডা. নাসেরকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তুতানখামেনের অভিশাপের ব্যাপারে আপনি কী বলেন?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘মিশরবাসীরা মনে করতেন, কফিনের মধ্যে ঘুমন্ত অবস্থায় অনন্তলোকে যাত্রার প্রতীক্ষা করতেন ফারাওরা৷ তুতানখামেনের সমাধি যেখানে রাখা ছিল তার প্রবেশদ্বারের মাথায় একটা পাথরের ফলকে হাইয়ারোগ্লিফিক ভাষায় কয়েকটা কথা লেখা ছিল৷ মোটামুটি তার মূল কথা হল, রাজা এখানে শান্তিতে ঘুমিয়ে আছেন, তাঁকে বিরক্ত কোরো না৷ আচমকা ঘুম ভেঙে গেলে তিনি তোমাকে অভিশাপ দেবেন৷ এই ফলক এবং যারা তুতানখামেনের সমাধিস্থানে প্রথম প্রবেশ করেছিলেন, তাঁদের পরবর্তীকালে অস্বাভাবিক মৃত্যু তুতানখামেনের অভিশাপের ব্যাপারে মানুষের মনে একটা বিশ্বাসের জন্ম দেয়৷’

    ডা. ঘটক এবার প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি নিজে কি বিশ্বাস করেন অভিশাপের ব্যাপারটা?’

    প্রশ্নটা শুনে গ্যালারিতে ঢোকার মুখে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়লেন ডা. নাসের৷ কয়েক মুহূর্ত যেন নিজের মনে কী একটা চিন্তা করলেন৷ তারপর বললেন, ‘আমি বিশ্বাস করি না করি তাতে কিছু যায়-আসে না৷ তবে এখানকার অধিকাংশ মানুষ কিন্তু এসব ব্যাপার খুব বিশ্বাস করেন৷ তাঁদের সঙ্গে কথা বললেই আপনারা বুঝতে পারবেন৷’

    আমরা ঢুকলাম তুতানখামেনের গ্যালারিতে৷ বিশাল গ্যালারিতে রয়েছে তাঁর সমাধি থেকে পাওয়া কয়েক হাজার প্রত্নবস্তু৷ ডা. নাসেরের মুখ থেকে শুনলাম, সমাধিচোরের দল ফারাও খুফুসহ অন্যান্য রাজার সমাধির যাবতীয় সম্পদ লুন্ঠন করলেও তুতানখামেনের সমাধির সারকোফ্যাগাস অর্থাৎ কফিন রাখার আধারসহ সমস্ত জিনিসই কিন্তু অবিকৃত অবস্থায় ছিল৷ এর দুটো কারণ থাকতে পারে৷ এক, কুসংস্কারের জন্যে তারা তুতানখামেনের সমাধিতে হাত দেয়নি অথবা তারা এই সমাধির সন্ধান পায়নি৷ তুতানখামেনের সমাধি খুঁজে বের করতে ইংরেজ প্রত্নবিদ হাওয়ার্ড কার্টারের সময় লেগেছিল দীর্ঘ ছ-বছর৷ সামান্য প্রমাণ সম্বল করে খড়ের গাদায় সুচ খুঁজতে নেমেছিলেন কার্টার এবং শেষ পর্যন্ত তিনি সফল হন৷ আমরা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম গ্যালারি৷ দেখলাম, অংশুর চোখে-মুখে ঝরে পড়ছে বিস্ময়৷ সব কিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে সে৷

    ডা. নাসেরের কাছ থেকে আরও জানলাম, তুতানখামেনের পিতা ছিলেন ফারাও এখেনাতেন৷ তাঁর নাবালিকা রানি আমেনাতেনের গর্ভে জন্ম হয় তুতানখামেনের৷ এই ফারাও এখেনাতেনের আর এক রানি ছিলেন নেফারতিতি৷ গ্যালারিতে সাজানো আছে বালক রাজার সোনার সিংহাসন, তাঁর ব্যবহৃত সোনা, রুপো, পাথরের তৈরি নানা জিনিসপত্র৷ তবে সবচেয়ে আকর্ষক সোনা ও বহুমূল্য পাথর দিয়ে তৈরি তুতানখামেনের মুখোশ ও তাঁর কফিন৷ পরপর চারটে অলংকৃত কাঠের বাক্সর মধ্যে একটা পাথরের সারকোফ্যাগাস, তার মধ্যে আবার পরপর তিনটে সোনার কফিন, তার মধ্যে শায়িত ছিল বালক রাজার দেহ৷ পণ্ডিতদের অনুমান, দশ বছর বয়সে তিনি সিংহাসনে বসেন৷ বারো বছর বয়সে এক বালিকাকে তিনি বিয়ে করেন ও মাত্র আঠারো বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়৷ আমার ফোটো তোলার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু এই গ্যালারিতে ফোটো তোলা নিষেধ৷ কারণ, ফ্ল্যাশের ঝলকানিতে হাজার বছরের প্রাচীন চিত্রলিপির ক্ষতির আশঙ্কা আছে৷ ডা. নাসের আমাদের উদ্দেশে বললেন, ‘জানেন তো, আধুনিক গবেষকদের অনুমান, মিশরের এই বালক রাজাকে হত্যা করা হয়েছিল৷ তুতানখামেনের খুলিতে একটা দাগ পাওয়া গিয়েছে৷ সম্ভবত মাথায় আঘাত করে তাঁকে হত্যা করা হয়৷ এ ছাড়া কয়েকটা হাইয়ারোগ্লিফিকেও এর ইঙ্গিত মিলেছে৷ তবে অধুনা মৃত্যুর আরও অন্য কারণের কথাও বলা হচ্ছে৷’

    তুতানখামেনের গ্যালারিতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় কেটে গেল৷ হঠাৎ ঘণ্টার শব্দ শোনা গেল৷ ডা. নাসের বললেন, ‘এবার নীচে নামতে হবে৷ মিউজিয়াম বন্ধ হওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে৷ মমির গ্যালারিটা দেখা কিন্তু বাকি রয়ে গেল৷’

    একতলায় নেমে এলাম আমরা৷ তারপর যখন মিউজিয়ামের লম্বা হলঘর পেরিয়ে বাইরে পা রাখতে যাব, ঠিক তখন ডা. ঘটক বললেন, ‘অংশু কোথায় গেল?’

    সত্যিই তো! অংশু আমাদের সঙ্গে নেই! কিন্তু এই একটু আগেই তো সিঁড়ি দিয়ে আমার পাশে পাশে নীচে নামল! তাহলে সে গেল কোথায়? অংশুকে খোঁজার জন্য আমরা আবার পিছনে ফিরলাম৷ একতলার বিরাট হলঘরের কোথাও তাকে পাওয়া গেল না প্রথমে৷ তারপর আমরা দোতলায় উঠবার সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যেতেই দেখতে পেলাম তাকে৷ সিঁড়ি দিয়ে উপরে ওঠার মুখে সে আমাদের দিকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে, এক কোনায় আধো অন্ধকারে টেবিলের উপর রাখা একটা কাচের বাক্স দেখছে৷ ডা. নাসের আমাদের ইশারায় চুপ করতে বলে ধীর পায়ে এগিয়ে গেলেন সেদিকে৷ তাঁর সঙ্গে সঙ্গে আমিও গেলাম৷ দেখলাম, কাচের বাক্সটার গায়ে প্রায় মুখ লাগিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অংশু৷ বাক্সটার মধ্যে রাখা আছে পাথরের লম্বা ফুলদানির মতো দেখতে মুখবন্ধ কয়েকটা পাত্র৷ কয়েক সেকেন্ড সেখানে দাঁড়িয়ে থাকার পর বুঝতে পারলাম, ভিতরের জিনিসগুলোর দিকে তাকিয়ে অংশু যেন বিড়বিড় করে কী বলছে! তার মধ্যে একটা শব্দ আমি স্পষ্ট শুনতে পেলাম, ‘জেসের-জেসেরু’৷ ডা. নাসের এর পর সম্ভবত অংশু কী বলছে তা ভালো করে শোনার জন্য আর এক পা এগিয়ে গিয়ে দাঁড়ালেন৷ কাচের বাক্সর গায়ে তাঁর ছায়া পড়তেই চমকে পিছন ফিরে তাকাল অংশু৷ তার মুখে ফুটে উঠল অপ্রস্তুত ভাব৷ ডা. নাসের তার কাঁধে হাত রেখে সস্নেহে প্রশ্ন করলেন, ‘তুমি জেসের-জেসেরু কাকে বলে জানো?’

    অংশু বলল, ‘না৷’

    ডা. নাসের বললেন, ‘তাহলে তুমি এইমাত্র কথাটা বলছিলে কেন? কথাটা তুমি কোথায় শুনলে?’

    অংশু কোনো উত্তর দিল না৷ যেন ডা. নাসেরের কথা সে বুঝতেই পারল না৷ সে তাকিয়ে রইল তাঁর দিকে৷ আমি একবার তাকালাম বাক্সটার দিকে৷ তার গায়ে কোনো কিছু লেখা নেই৷ মনে হয় সদ্য তৈরি করা হয়েছে বাক্সটা৷ তার কাঠের ফ্রেমের গা থেকে এখনও বার্নিশের মৃদু গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে৷ সম্ভবত বাক্সটা সাময়িকভাবে সেখানে রাখা হয়েছে৷ পরে মিউজিয়ামের অন্য কোথাও ভালো করে রাখা হবে৷ ডা. নাসের আর অংশুকে কোনো প্রশ্ন করলেন না৷ ঢং করে মিউজিয়াম বন্ধ হওয়ার শেষ ঘণ্টা বাজল৷ আর আমরাও বাইরে বেরিয়ে চেপে বসলাম গাড়িতে৷ কায়রো শহরের রাস্তা, দোকানপাট তখন ঝলমলে আলোর মেলায় সেজে উঠেছে৷ সেসব দেখতে দেখতে আমরা পৌঁছে গেলাম হোটেলে৷

    গাড়ি থেকে আমাদের সঙ্গে ডা. নাসেরও নামলেন৷ গাড়ি চালাতে চালাতে তিনি যেন গভীরভাবে কী চিন্তা করছিলেন৷ নিজে থেকে একটা কথাও বলেননি৷ আমরা যখন হোটেলে ঢুকতে যাচ্ছি, তখন হোটেলের কাচের দরজা ঠেলে বাইরে বের হল মাঝারি উচ্চতার বেশ মোটা একটা লোক৷ কালো রঙের সুট পরা, মাথার চুল খুব ছোটো ছোটো করে ছাঁটা৷ তাঁর এক কানে আবার একটা বড়ো সোনার মাকড়ি৷ আমি ছিলাম সকলের প্রথমে৷ আমার পিছনে ছিল অংশু, আর তার পিছনে ডা. ঘটক ও ডা. নাসের৷ আমাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ল লোকটা৷ তারপর বলে উঠল, ‘আরে ডাক্তার নাসের যে! তা হঠাৎ এখানে কী মনে করে? আজকাল হোটেলে থাকছেন নাকি?’ কথাগুলো সে ইংরেজিতে বলল৷

    তার কথা শুনে আমি পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে পড়লাম৷ দেখলাম, ডা. নাসেরও দাঁড়িয়ে পড়েছেন লোকটিকে দেখে৷ ডা. নাসের খুব রুক্ষ স্বরেই এবার লোকটির কথার উত্তর দিলেন, ‘আমি কোথায় থাকছি না থাকছি তা জেনে তোমার দরকার কী?’

    লোকটি আকর্ণ বিস্তৃত হাসি ছড়িয়ে বলল, ‘জেনে রাখা ভালো, আপনি তো আবার অনেক কিছুর খোঁজখবর রাখেন! এখানে-ওখানে যাওয়া-আসা করেন৷ নতুন কিছুর সন্ধান পেলে বলবেন, ভালো দাম পাবেন৷’

    ডা. নাসের কোনো জবাব দিলেন না৷ দেখলাম, তাঁর চোখ-মুখ রাগে লাল হয়ে গিয়েছে৷ লোকটা কিন্তু তখনও হাসছে৷ লোকটির দাঁতগুলো সোনা দিয়ে বাঁধানো৷ হাসি শেষ করে সে গিয়ে উঠে বসল আমাদের গাড়ির ঠিক পাশেই রাখা একটা ছাই রঙের কন্টেসায়৷ গাড়িটা তাকে নিয়ে দ্রুত বেরিয়ে গেল হোটেল ছেড়ে৷ সেদিকে তাকিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে ডা. নাসের বললেন, ‘স্কাউন্ড্রেল৷’

    লিফটে উঠতে উঠতে ডা. ঘটক জিজ্ঞেস করলেন, ‘লোকটি কে?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘ওর নাম আলতুনিয়া৷ একেবার পাকা শয়তান৷ কায়রোয় একটা সুভেনিরের দোকান আছে ওর৷ কিন্তু সেটা হল একটা লোক-দেখানো ব্যাবসা৷ ওর আসল কারবার হল প্রাচীন দুঃস্প্রাপ্য জিনিসপত্র বিদেশে পাচার করা৷ এই লোকদের জন্য কত দুর্মূল্য জিনিস যে এদেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে, তার কোনো ইয়ত্তা নেই৷ এসব ব্যাপারে বেশ কয়েকবার পুলিশের হাতে ধরাও পড়েছিল আলতুনিয়া৷ কিন্তু প্রত্যেকবারই টাকার জোরে আর প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে গিয়েছে৷ ওর ধারণা, আমার কাছে কিছু অতি মূল্যবান হাইয়ারোগ্লিফিক আছে৷ তাই সেগুলো হাতাবার জন্য কিছুদিন হল ও আমার পিছনে লেগে আছে৷’ এর পর কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে ডা. নাসের বললেন, ‘তবে ওর একটা গুণ সকলেই স্বীকার করে৷ ওর মতো ভালো হাইয়ারোগ্লিফিক পড়তে খুব অল্প লোকই পারে৷’

    উপরে ওঠার পর আরও মিনিট দশেক আমাদের সঙ্গ দিলেন ডা. নাসের৷ তার মধ্যে তিনি ডা. ঘটকের সঙ্গে সেরে ফেললেন কিছু কাজের কথা৷ ঠিক হল, আগামী কাল সকাল দশটা নাগাদ তিনি আমাদের নিয়ে যাবেন গিজায় পিরামিড ও স্ফিংক্স দেখাতে৷ ফিরে এসে তিনি আমাদের সঙ্গেই মধ্যাহ্নভোজন সারবেন৷ তারপর ডা. ঘটকের সঙ্গে কিছু কাজের কথা আলোচনা করতে বসবেন৷ কাজের কথা বলতে যে অংশুর ব্যাপার, তা বুঝতে আমার অসুবিধা হল না৷ অংশু সোফায় বসে আমাদের কথাবার্তা শুনছিল৷ ডা. নাসের উঠবার সময় তাকে বললেন, ‘আজ তাহলে আমি যাই বন্ধু!৷ কাল তোমাকে আমি মজার একটা খেলা দেখাব৷’

    অংশু হেসে বলল, ‘আচ্ছা!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }