Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ৩

    ৩

    সকাল বেলা একটু দেরি করেই ঘুম ভাঙল আমার৷ ঘড়িতে দেখলাম সাড়ে আটটা বেজে গিয়েছে৷ আসলে অনেক রাত পর্যন্ত ‘দ্য আইজ অব দি স্ফিংক্স’ বইটা আমি পড়ে শেষ করে, রাত দুটো নাগাদ ঘরের বাতি নিভিয়েছি৷ তা ছাড়া আসবার সময় প্লেনেও আমি ঘুমোইনি৷ তাই সকালে আমার উঠতে দেরি হয়ে গেল৷ অনেক আগেই ঘুম থেকে উঠে পড়েছিলেন ডা. ঘটক আর অংশু৷ আমি ঘরের বাইরে আসতেই ডা. ঘটক বললেন, ‘বেশ ভালোই একটা ঘুম দিলে দেখছি! তাড়াতাড়ি মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নাও, আমি ব্রেকফাস্টের অর্ডার দিচ্ছি৷’

    আমার বেশ লজ্জা করল তাঁর কথা শুনে৷ সাড়ে আটটা বেজে গিয়েছে অথচ আমার জন্য তাঁর আর অংশুর ব্রেকফাস্ট করা হয়নি এখনও! অংশুর হয়তো খিদে পেয়েছে৷ তাকে দেখলাম খাবার টেবিলে বসে টেলিভিশনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে৷ মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই ব্রাশ করে মুখ ধুয়ে খাবার টেবিলে বসলাম আমি৷ ততক্ষণে ইন্টারকমে ব্রেকফার্স্টের অর্ডার দিয়ে ডা. ঘটকও টেবিলে এসে বসেছেন৷ আমি তাঁর পাশে বসবার পর তিনি বললেন, ‘জানো তো সৌরভ, ভোররাতে আমি একটা খুব মজার স্বপ্ন দেখেছি! দেখলাম, একটা বিরাট বড়ো পিরামিডের একদম মাথায় চড়ে বসেছি আমি৷ সেখান থেকে নীচে নামার চেষ্টা করছি কিন্তু কিছুতেই নীচে নামতে পারছি না৷ শুধু চিৎকার করছি, আমাকে নীচে নামিয়ে দাও, নীচে নামিয়ে দাও বলে৷ শেষে চিৎকার শুনে আমার পাশে আবির্ভূত হলেন একজন ফারাও৷ ঠিক যেমন ফারাওয়ের বেশ কয়েকটা ফটো কাল আমি মিউজিয়ামে দেখেছি৷ তিনি আমাকে বললেন, নামতে হলে উপর থেকে নীচে লাফ দাও৷ আমি বললাম, এত উঁচু থেকে নীচে লাফ দেব কী করে! তিনি তখন বললেন, তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরো, আমি তোমাকে নীচে নামিয়ে দেব৷ তাঁর কথা শুনে আমি তাঁকে দু-হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরলাম৷ আর তিনি আমাকে নিয়ে লাফ দিলেন নীচে৷ তাঁকে নিয়ে আমি আছড়ে পড়লাম নীচে৷ সঙ্গেসঙ্গে ঘুমটা ভেঙে গেল আমার৷ ঘুম ভেঙে আমি কী দেখি জানো? দেখি, খাট থেকে নীচে পড়ে গিয়েছি! আর যাকে আমি ফারাও ভেবে জড়িয়ে ধরেছিলাম, সেটা আসলে একটা পাশবালিশ!’

    ডা. ঘটকের কথা শুনে আমি আর অংশু হো হো করে হাসতে লাগলাম৷ ডা. ঘটক নিজেও যোগ দিলেন তাতে৷ একটু পরেই ব্রেকফাস্ট এসে গেল৷ ব্রেকফাস্ট সারার পর আমরা স্নানের জন্য তৈরি হলাম৷

    ঠিক দশটায় নীচের রিসেপশন থেকে ফোন এল, ডা. নাসের এসেছেন৷ আমরা তিন জন তৈরি হয়েছিলাম৷ ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নীচে নেমে গেলাম৷ কিন্তু রিসেপশনে তো তিনি নেই! একটা ঢিলেঢালা পোশাকপরা মাথায় পাগড়িবাঁধা লোক কথা বলছে রিসেপশন কাউন্টারে বসে-থাকা আল মামুনের সঙ্গে৷ লোকটি পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে ছিল৷ আমাদের পায়ের শব্দ শুনে লোকটি ফিরে তাকাতেই আমরা চমকে উঠলাম৷ আরে, ইনি তো ডা. নাসের! পিছন থেকে তাঁকে এ পোশাকে চিনতেই পারিনি৷ ডা. নাসের মনে হয় বুঝতে পারলেন ব্যাপারটা৷ তাই তিনি আমাদের কাছে এসে বললেন, ‘এ পোশাকের নাম ব্যালিবিয়া, স্থানীয় পোশাক, খুব আরামদায়ক৷ আমাকে অবশ্য পেশার কারণে অধিকাংশ সময় কোট-প্যান্টই পরতে হয়৷’

    হোটেল ছেড়ে আমরা রওনা দিলাম গিজার দিকে৷ গল্প করতে করতে আমরা একসময় নীলনদের ব্রিজ পেরিয়ে হাজির হলাম শহরের শেষ প্রান্তে৷আস্তে আস্তে পালটে যাচ্ছে দু-পাশের দৃশ্যপট৷ আরও কিছুক্ষণ চলার পর ডা. নাসের হঠাৎ বললেন, ‘ওই যে, দেখতে পাচ্ছেন?’

    তাঁর দৃষ্টি অনুসরণ করে দেখি, দূরে আকাশের বুকে দেখা যাচ্ছে পিরামিডের চুড়ো! প্রথমে একটা, তারপর আস্তে আস্তে আরও দুটো চোখে পড়ল৷ আমরা এসে হাজির হলাম পিরামিড চত্বরে৷ ঊষর প্রান্তরে গর্বিত ভঙ্গিতে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম ‘গ্রেট পিরামিড’৷

    গাড়ি থেকে নামতেই একদল লোক দৌড়ে এল আমাদের কাছে৷ তাদের কেউ ব্যালিবিয়া বিক্রেতা, কেউ সুভেনির বিক্রেতা, কেউ বা আবার উটের মালিক৷ পর্যটকদের মধ্যে অনেককেই দেখলাম উটের পিঠে চেপে পিরামিড চত্বরে ঘুরে বেড়াতে৷ যে লোকগুলো আমাদের কাছে এসেছিল ডা. নাসের আরবিতে তাদের উদ্দেশ্যে কী একটা বলতেই তারা দূরে চলে গেল৷ হাঁটতে হাঁটতে আমরা দাঁড়ালাম গ্রেট পিরামিডের সামনে৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘এই গ্রেট পিরামিডের নির্মাতা মিশরের ইতিহাসের অন্যতম বিখ্যাত রাজা খিওপিস বা খুফু৷ যিশু খ্রিস্টের জন্মের দু-হাজার দু-শো নব্বই বছর আগে তিনি গ্রেট পিরামিড তৈরি করেন৷ এর মাথাটা একটু ক্ষয়ে গিয়েছে৷ আগে এর উচ্চতা ছিল একশো ছেচল্লিশ মিটার৷ এখন একশো সাঁইত্রিশ মিটার৷ এর পাশেরটা তাঁর ছেলে খ্রুফুর পিরামিড৷ উচ্চতা একশো ছত্রিশ মিটার৷ আর ওই যে দূরে ছোটো পিরামিডটা দাঁড়িয়ে, সেটা নাতি মেনকুরুর পিরামিড৷’

    আমরা প্রথমে সিঁড়ি দিয়ে কিছুটা নীচে নেমে ঢুকলাম গ্রেট পিরামিডের সেই কক্ষে, যেখানে একসময় শায়িত ছিলেন ফারাও খুফুর মরদেহ৷ কিন্তু সেখানে এখন কিছু নেই৷ শুধু আছে মিশরের পুরাতত্ত্ব বিভাগের একটা বোর্ড৷ তাতে এই পিরামিড বা ফারাও খুফুর সম্পর্কে গুটিকয় কথা লেখা৷ ডা. নাসেরের মুখে শুনলাম, এই তিনটি পিরামিডের সব কিছু অনেক আগেই সমাধিচোরের দল হাতিয়ে নিয়েছিল৷ পরবর্তীকালে অতি সামান্য যা কিছু উদ্ধার হয়, তা কায়রো মিউজিয়ামে রক্ষিত আছে৷

    গ্রেট পিরামিড দেখার পর আমরা একে একে দেখলাম, অন্য দুটো পিরামিডও৷ তবে সবচেয়ে ভালো লাগল মেনকুরুর পিরামিড৷ এই পিরামিডে ঢোকার পথ অদ্ভুত৷ মাটি থেকে বেশ কিছুটা উঁচুতে পিরামিডের গায়ে সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ৷ লোকজনকে ধোঁকা দেওয়ার জন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল৷ বেশ একটা রোমাঞ্চ হচ্ছিল সংকীর্ণ সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে মেনকুরুর পিরামিডের নীচে নামতে৷

    এসব দেখতে আমাদের ঘণ্টাখানেক সময় কেটে গেল৷ সব শেষে আমরা এসে দাঁড়ালাম স্ফিংক্সের সামনে৷ বালুকাময় প্রান্তরে যুগ যুগ ধরে এই তিনটি পিরামিডকে পাহারা দিয়ে চলেছে মানুষের মুখ আর সিংহের দেহধারী এই স্ফিংক্স৷ নীল নদের তীরে এই প্রাচীন সভ্যতার দেশে অনেক কিছু গড়ে উঠেছে৷ ধ্বংস হয়েছে তার চোখের সামনে৷ বহু সাম্রাজ্যের উত্থান-পতনের সাক্ষী সে৷ কতবার বইয়ের পাতায় দেখেছি তার ফটো! তার সামনে এসে আমি কোনোদিন দাঁড়াতে পারব, তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি! আবেগ কাটিয়ে ওঠার পর আমি বেশ কয়েকটা ফোটো তুললাম তার৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘একসময় এর নাম ছিল, হোর-এম-আখেট অর্থাৎ দিগন্তে অবস্থিত হোরাস৷ হোরাস এক দেবতার নাম৷ আর আরবি ভাষায় একে বলা হয় আবু-এল-হোল, যার মানে হল, ত্রাসের পিতা৷’

    অংশু অবাক হয়ে দেখছিল বিশাল এই মূর্তিটাকে৷ হঠাৎ সে প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা, ওর নাকটা ভাঙা কেন?’

    প্রশ্নটা আমার মনেও এসেছিল৷ উত্তরটা শোনার জন্য আমিও তাকালাম ডা. নাসেরের দিকে৷ তিনি বললেন, ‘আসলে কয়েক হাজার বছর ধরে ও একভাবে এখানে বসে পাহারা দিয়ে চলেছে মিশরের সভ্যতাকে৷ সেই প্রাচীনকাল থেকে ওর উপর দিয়ে বয়ে চলেছে মরুঝড়৷ তা ছাড়া রোদ-বৃষ্টি ইত্যাদি তো আছেই৷ এসব কারণে ওর নাকসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে৷ আর একসময় স্ফিংক্সের নাক লক্ষ করে গুলি ছুড়ে নিশানা পরীক্ষা করত বন্দুকবাজরা৷’

    ডা. নাসেরের কথা শুনে অংশু বলল, ‘এখন করে না?’

    ডা. নাসের হেসে বললেন, ‘না, এখন আর কেউ তা করে না৷ কেউ করলে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যাবে৷’

    দানিকেনের বইটায় পড়ছিলাম বিশাল এই স্ফিংক্সের উচ্চতা বাইশ মিটার, দৈর্ঘ্য আশি মিটার৷ আলেকজান্ডার, নেপোলিয়নের মতো মহাবীরেরা একদিন এসে দাঁড়িয়েছিলেন এই মূর্তির পদতলে৷ শ্রদ্ধায় মাথা নত করে ছিলেন এর সামনে৷

    ডা. ঘটকের মধ্যে এমনিতে আবেগের বহিঃপ্রকাশ কম৷ তিনি দেখলাম, বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে ডা. নাসেরের হাত জড়িয়ে ধরে আবেগঘন কন্ঠে বললেন, ‘আজ আপনি আমাকে যা দেখালেন তার কোনো তুলনা নেই! যদি মিশরের আর কিছু দেখা না-ও হয়, তাহলেও আমার কোনো আপশোস থাকবে না৷’

    ডা. নাসেরের কাছ থেকে এর পর বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করে লিখে নিলাম পকেট ডায়েরিতে৷ পিরামিড চত্বরের ফুটপাথে অনেক সুভেনিরের দোকান৷ আমি একটা দোকান থেকে ইঞ্চি ছয়েকের একটা বেলে পাথরের স্ফিংক্সের মূর্তি কিনলাম৷ দাম নিল দশ ইজিপ্সিয়ান পাউন্ড৷ এক ইজিপ্সিয়ান পাউন্ডের মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় সাত টাকা৷ এর পর আমরা ফেরার জন্য গাড়িতে উঠলাম৷ বেলা দেড়টা নাগাদ আমরা পৌঁছে গেলাম আমাদের হোটেলে৷

    হোটেলে পৌঁছে আমরা একসঙ্গেই খাওয়া-দাওয়া করলাম৷ একটা জিনিস লক্ষ করলাম, আগের দিন দুপুরে যে নিরামিষ তরকারি আমরা খেয়েছিলাম, সেটা কিন্তু প্রতিবারই খাবার সময় দেওয়া হচ্ছে৷ জিনিসটা কী, তা ডা. নাসেরকে জিজ্ঞেস করতে তিনি বললেন, ‘এর নাম মোলোখিয়া৷ মিশরীয়দের খুব প্রিয় খাবার৷ মোলোখিয়ার পাতা খুব রসালো আর সুস্বাদু হয়৷ মিশরে প্রচুর পরিমাণে এর চাষ হয় এবং এর জন্য অন্য চাষও মার খায়৷ মিশর সরকার অনেকবার এর চাষ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু রাজনৈতিক কারণে তা সম্ভব হয়নি৷’

    খাওয়া শেষ করে হাত-মুখ ধোওয়ার পর ডা. নাসের অংশুর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘কাল আমি তোমাকে যে খেলা দেখাব বলেছিলাম, সেটা কিন্তু আমি ভুলিনি৷ আমি একটু পরেই তোমাকে সে খেলা দেখাব৷ তার আগে আমি খেলা দেখাবার জিনিসগুলো সংগ্রহ করি৷’

    অংশু প্রশ্ন করল, ‘কী জিনিস?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘আর দু-মিনিট অপেক্ষা করো৷ তাহলেই সব দেখতে পাবে৷’ ডা. নাসের ইন্টারকমে রিসেপশনে কী যেন বললেন৷

    এর মিনিট দু-এক পরেই ডোরবেলের শব্দ শুনে দরজা খুলে দেখলাম, হোটেলের একজন একগাদা ছুরি আর কাঁটাচামচ নিয়ে এসেছে৷ ডা. নাসেরের কথামতো লোকটার কাছ থেকে সেগুলো নিয়ে নিলাম৷ হোটেলের লোকটা টেবিলের উপর থেকে আমাদের খাবারের প্লেট নিয়ে চলে যাওয়ার পর ডা. নাসের সেই ছুরি-কাঁটাচামচগুলোকে গোল করে সাজালেন টেবিলের উপর৷ তাঁর কথামতো চেয়ারগুলো টেবিলের পাশ থেকে সরিয়ে রেখে কিছুটা পিছিয়ে গিয়ে দাঁড়ালাম আমরা তিন জন৷ ডা. নাসের অংশুর দিকে তাকিয়ে একবার হাসলেন৷ তারপর টেবিল থেকে দুটো ফোটো তুলে নিয়ে শূন্যে ছুড়ে দিলেন৷ সে দুটো উপরে ওঠার পর তাঁর হাত পর্যন্ত নামতে যতটা সময় নিল তার মধ্যেই তিনি টেবিল থেকে দুটো কাঁটাচামচ তুলে নিয়ে সে দুটোকেও শূন্যে ছুড়ে দিলেন৷ এর পর তাঁর হাতের অদ্ভুত কৌশলে ছুরি-কাঁটাচামচগুলো শূন্যে লাফালাফি করতে লাগল৷ আমরা অবাক হয়ে দেখছি তাঁর জাগলিং৷ এর পর আরও দুটো, তারপর আরও দুটো, এইভাবে আরও বাড়তে লাগল শূন্যে লাফালাফি করা ছুরি আর কাঁটাচামচের সংখ্যা৷ একসময় সম্পূর্ণ ফাঁকা হয়ে গেল টেবিল৷ সব ছুরি-কাঁটাচামচই শূন্যে ভাসতে লাগল৷ মিনিট দশেক পর খেলা শেষ করলেন ডা. নাসের৷ খেলা শেষ হওয়ার সঙ্গেসঙ্গেই আমরা হাততালি দিয়ে উঠলাম৷

    ডা. ঘটক তাঁকে প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি এই খেলা শিখলেন কোথায়?’

    তিনি বললেন, ‘অনেক বছর আগে আবুসিম্বলে একটা গবেষণার কাজে বেদুইনদের তাঁবুতে মাস ছয়েক কাটাতে হয় আমাকে৷ তখন তাদের কাছ থেকেই শিখি৷’

    অংশু এতক্ষণ চোখ বড়ো বড়ো করে তাকিয়ে ছিল ডা. নাসেরের দিকে৷ সে হঠাৎ বলল, ‘আর কী খেলা জানেন আপনি?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘জানি নয়, জানতাম৷ একসময় আমি খুব ভালো বন্দুক ছুড়তে পারতাম৷ তবে সে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগের কথা৷ আমরা বন্ধুরা মিলে দলবেঁধে মরুভূমিতে হুবার পাখি শিকার করতে যেতাম৷’

    অংশু আবার গোল গোল চোখে প্রশ্ন করল, ‘আপনিও কি তাহলে স্ফিংক্সের নাক লক্ষ করে বন্দুক ছুড়েছেন?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘হ্যাঁ, ছুড়েছি তো! তখন ওটাই তো ছিল আমাদের লক্ষ্যভেদের জায়গা৷ তখন কায়রোয় এত লোকজন, দোকানপাট কিছুই ছিল না৷ এত ট্যুরিস্টও আসত না এখানে৷ গিজার চারদিক প্রায় সবসময় ফাঁকা থাকত৷ কায়রোর তামাম বন্দুকবাজের দল জমায়েত হত সেখানে তাদের নিশানা পরীক্ষার জন্য৷ আমিও যেতাম সেখানে৷ ওখানেই একবার একটা অ্যাক্সিডেন্ট ঘটে যায় এই খেলাকে কেন্দ্র করে৷ আর তার পরেই বন্দুক ছোড়া বন্ধ করে দিলাম আমি৷ অবশ্য বাবার আমলের সেই ইংলিশ রিপিটার রাইফেলটা এখনও আমার ঘরের কোনায় ধুলোমাখা অবস্থায় পড়ে আছে৷’

    আমি একবার ভাবলাম ডা. নাসেরকে জিজ্ঞেস করি যে, অ্যাক্সিডেন্টটা কী ঘটেছিল? যে কারণে তাঁকে বন্দুক ছোড়া ছেড়ে দিতে হল! কিন্তু পরক্ষণেই ভাবলাম, প্রশ্নটা হয়তো একান্তই ব্যক্তিগত হয়ে যাবে৷ তাই আর জিজ্ঞেস করলাম না৷

    ডা. নাসের এবার ডা. ঘটককে বললেন, ‘আমি আপনাকে বলেছিলাম যে, আপনার সঙ্গে সেই বিশেষ ব্যাপারে আলোচনা করব আজ৷ কিন্তু তার আগে আমার একবার কায়রো মিউজিয়ামে যাওয়া বিশেষ প্রয়োজন৷ একটা জরুরি কথা মিউজিয়ামে কিউরেটরের কাছ থেকে আমাকে জানতে হবে৷ তারপর সন্ধ্যে বেলা এসে আমি আপনার সঙ্গে আলোচনা করতে বসব৷ এখন আপাতত আপনারা বিশ্রাম নিন৷’ এ কথা বলার পর তিনি অংশুকে হঠাৎ একটা অদ্ভুত প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা অংশু, তুমি কি আরবি ভাষা পড়তে বা লিখতে জানো? অথবা আরবি ভাষা বুঝতে পার?’

    অংশু প্রশ্নটা শুনে প্রথমে বুঝতে পারল না৷ সে তাকিয়ে রইল ডা. নাসেরের দিকে৷ ডা. নাসের এবার একটু অন্যভাবে তাকে প্রশ্নটা করলেন, ‘তুমি কী কী ভাষা জানো?’

    অংশু বলল, ‘ইংরেজি আর বাংলা৷’

    অংশুর উত্তর শোনার পর ডা. নাসের আর কিছু বললেন না৷ আমাদের কাছে বিদায় নিয়ে তিনি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়লেন৷ তিনি চলে যাওয়ার পর ডা. ঘটক চলে গেলেন নিজের ঘরে, আর আমি অংশুকে নিয়ে আমার ঘরে চলে এলাম৷ খাটে শোওয়ার পর অংশু আমাকে বলল, ‘জানো তো, কাল রাতে আমি আবার সেটা দেখতে পেয়েছি৷’

    আমি বললাম, ‘কোনটা?’

    অংশু বলল, ‘ওই যে স্বপ্নটা, আমি অসুখ হলে দেখতে পাই৷ একটা অন্ধকার ঘরে শুয়ে আমি, আর কে যেন দাঁড়িয়ে রয়েছে আমার সামনে৷ অন্ধকারের মধ্যে তার জ্বলন্ত চোখ দুটো শুধু দেখতে পাচ্ছি৷ আমি উঠে বসবার চেষ্টা করছি কিন্তু পারছি না৷ কে যেন বেঁধে রেখেছে আমাকে৷ আমার খুব ভয় করছে৷’

    আমি অংশুর মাথায় হাত বুলিয়ে বললাম, ‘তুমি ভয় পেয়ো না, তোমার অসুখ ভালো হয়ে যাবে৷ ডা. ঘটক আর ডা. নাসের ভালো করে দেবেন তোমাকে৷ তোমার শরীর খারাপ লাগলে তুমি সঙ্গেসঙ্গে বলবে আমাদের৷ এখন তুমি ঘুমোও৷’

    অংশু অন্য দিকে পাশ ফিরল আমার কথা শুনে৷ আমি মনে মনে ঠিক করলাম, অংশুর স্বপ্ন দেখা যে শুরু হয়ে গিয়েছে তা বিকেল বেলায় জানিয়ে দিতে হবে ডা. ঘটককে৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }