Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ৪

    ৪

    সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ ডা. নাসের হোটেলে চলে এলেন৷ তিনি আসার সময় অংশুর জন্য ‘কিং কং অ্যালাইভ’ নামের একটা সিনেমার সিডি এনেছিলেন৷ সেটা চালিয়ে দেওয়ার পর অংশু দেখতে বসল৷ আর আমরা ডা. ঘটকের ঘরে বসলাম আলোচনার জন্য৷

    ডা. নাসেরই প্রথম মুখ খুললেন৷ তিনি ডা. ঘটকের উদ্দেশে বললেন, ‘যদিও ব্রাসেলসে মেডিক্যাল কনফারেন্সে গিয়ে সারা রাত ধরে অংশুর অসুখ সম্বন্ধে আপনার মুখ থেকে পুরো ব্যাপারটাই শুনেছি এবং অসুস্থ অবস্থায় অংশুর যে কথাবার্তা আপনি ক্যাসেটবন্দি করে আমাকে পাঠিয়ে ছিলেন, তাও শুনেছি৷ তবুও আর একবার প্রথম থেকে আমি তা শুনতে চাই৷ কারণ, আমার বয়স হয়েছে তো! কোনো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আমি ভুলে গিয়ে থাকতে পারি৷ তা ছাড়া শুনতে শুনতে যদি মনের মধ্যে নতুন কোনো প্রশ্ন জাগে, তাহলে আমি তা এখনই জেনে নিতে পারব৷’

    ডা. নাসেরের কথা শুনে ডা. ঘটক বললেন, ‘তাহলে একেবারে গোড়া থেকেই শুরু করা যাক৷ অংশুর সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয় বছর তিনেক আগে৷ একদিন সন্ধ্যে বেলা আমি আর আমার তরুণ বন্ধু দাবা খেলছিলাম আমার কলকাতার বাড়ির একতলার চেম্বারে বসে৷ সকাল থেকেই সেদিন খুব বৃষ্টি হচ্ছিল, বিকেলেও তার বিরাম নেই৷ ফলে অন্য দিনের মতো রোগী দেখার চাপ ছিল না৷ রাত আটটা নাগাদ সাদা পোশাকপরা এক ভদ্রলোক এসে হাজির হলেন আমার চেম্বারে৷ নিজের পরিচয় দিলেন তিনি ফাদার ডিসুজা বলে৷ কলকাতার একটা অরফান হোম চালান তিনি৷ তাঁর হোমে একটা ছোটো ছেলে বুকের যন্ত্রণায় কষ্ট পাচ্ছে৷ তাই তিনি আমাকে ডেকে নিয়ে যেতে এসেছেন৷ আমি তাঁকে বললাম, আপনাদের হোমের নিজস্ব কোনো ডাক্তার নেই? তিনি উত্তর দিলেন, ছিলেন৷ তিনি বৃদ্ধ হয়েছিলেন৷ মাত্র দিন কয়েক আগে মারা গিয়েছেন৷ অগত্যা খেলা বন্ধ করে আমাকে উঠে পড়তে হল৷ মিনিট পাঁচেকের মধ্যে তৈরি হয়ে নিয়ে আমি চড়ে বসলাম ফাদার ডিসুজার সঙ্গে আনা গাড়িতে৷

    ‘আধ ঘণ্টার মধ্যেই আমরা পৌঁছে গেলাম অরফ্যান হোমে৷ গাড়ি থেকে নামার পর ফাদার আমাকে নিয়ে গেলেন রোগীর ঘরে৷ ঘরটা ছোটো, তাতে সামান্য কিছু আসবাবপত্র আছে৷ ঘরে ইলেকট্রিক বালব ছিল না৷ টেবিলের উপর শুধু একটা মোমবাতি জ্বলছিল৷ তার মৃদু আলো ছড়িয়ে পড়েছিল সারা ঘরে৷ সেই আলোয় দেখলাম, একটা বছর সাতেকের ছোটো ছেলে বিছানায় শুয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করছে৷ কাছে যাওয়ার পর বুঝতে পারলাম, ও যেন মাঝে মাঝে কীসব বলছে৷ কিন্তু কী বলছে তা আমি বুঝতে পারলাম না৷ সে চোখ বুজে আছে, আর ডান হাত দিয়ে তার বাঁ দিকের বুকের কাছটা খামচে ধরে আছে৷ দেখে মনে হল, যন্ত্রণাটা বুকেই হচ্ছে৷

    ‘আমি প্রথমে তার খাটের পাশে বসলাম৷ তারপর হার্টবিট পরীক্ষা করার জন্য আমার পোর্টেবল ইকো-কার্ডিওগ্রাফ যন্ত্রটা বের করলাম ব্যাগ থেকে৷ যন্ত্রটা দেখতে অনেকটা ল্যাপটপের মতো৷ তাতে একটা এল সি ডি স্ক্রিন বা পরদা আছে৷ হৃৎস্পন্দনের রেখাচিত্র ফুটে ওঠে সেখানে৷ যন্ত্রের তারটা ছেলেটির বুকে লাগাতে একটু বেগ পেতে হল আমাকে৷ কিছুতেই ছেলেটি বুক থেকে হাত সরাতে চাইছিল না৷ শেষে জোর করে হাতটা সরাতে হল৷ ছেলেটির সারা শরীর যন্ত্রণায় মোচড় দিচ্ছিল৷ কোনোরকমে তারটা এয়ার ক্লিপের সাহায্যে লাগালাম৷ তারটা যাতে সে খুলে ফেলতে না পারে, তার জন্য একটা হাত আমি, আর অন্য হাতটা ফাদার চেপে ধরে রইলেন৷ যন্ত্রটা চালু করে দিতেই তাতে ফুটে উঠল তার হৃৎস্পন্দন রেখাচিত্র৷

    ‘দেখলাম উল্লম্ব রেখাগুলো তীব্র গতিতে উপর-নীচে ওঠা-নামা করছে৷ অর্থাৎ তার হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি৷ এই অবস্থায় যে-কোনো মুহূর্তে হার্টফেল করতে পারে ছেলেটা! কেন এমন হচ্ছে তা ভাবতে গিয়ে কয়েক মুহূর্তের জন্য আমি অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিলাম৷ ফলে হাতের মুঠিটাও হয়তো আলগা হয়ে গিয়েছিল৷ সেই সুযোগে এক ঝটকায় ছেলেটি হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে বুক থেকে খুলে ফেলল তারটা৷ তারপর বুকটা আগের মতো খামচে ধরে দুর্বোধ ভাষায় কী একটা বলে উঠে ছটফট করতে করতে কেমন যেন নিস্তেজ হয়ে পড়ল৷ শুধু তার শরীরটা মৃদু কাঁপতে থাকল৷ আমি আবার তাড়াতাড়ি তারটা লাগিয়ে দিলাম তার বুকে৷ এবার কিন্তু সেটা লাগাতে খুব একটা বেশি বেগ পেতে হল না৷ তার হাতটা খুব শিথিল বলে মনে হল৷ যন্ত্রটা চালু হয়ে গেল সঙ্গেসঙ্গেই৷ কিন্তু পরদায় চোখ পড়তেই আমি দেখতে পেলাম, সেই দ্রুত উপর-নীচ করা উল্লম্ব রেখাগুলো উধাও হয়েছে৷ তার বদলে পরদা জুড়ে একটা সমান্তরাল সরলরেখা তিরতির করে কাঁপছে৷ হৃৎস্পন্দন থেমে গিয়েছে ছেলেটার! সম্ভবত হার্টফেল করেছে৷ আমি ফাদারের দিকে তাকিয়ে বললাম, আমি দুঃখিত, কিছু করতে পারলাম না! ফাদার আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনি নিশ্চিত যে, ও আর নেই! ওর আগে যখন বুকে ব্যথা হয়েছিল তখনও কিন্তু ও যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে এরকম নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল৷ তারপর আবার ধীরে ধীরে ওর চেতনা ফিরে এসেছিল৷ আমি বললাম, আগে কী হয়েছিল আমি বলতে পারব না৷ তবে এবার আর ও জেগে উঠবে না৷’

    ডা. ঘটক একটু জল খেলেন, তারপর ডা. নাসেরের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলেন, ‘আমার আপনার যা পেশা তাতে চোখের সামনে মৃত্যু দেখাটা আশ্চর্য কিছু নয়৷ কিন্তু চোখের সামনে একটা ফুটফুটে ছোটো ছেলের মৃত্যু দেখে মনটা খারাপই লাগছিল৷ আরও খারাপ লাগছিল কিছু করতে পারলাম না বলে৷ বেশ কিছুক্ষণ তার খাটের পাশে মাথা নীচু করে বসে রইলাম আমি৷ হঠাৎ ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে ঘর সংলগ্ন একচিলতে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালাম৷ ফাদারও আমার সঙ্গে এসে বারান্দায় দাঁড়ালেন৷ বৃষ্টিটা দেখলাম, থেমে গিয়েছে৷ মেঘের আড়াল থেকে উঁকি মারছে গোল চাঁদ৷ আজ মনে হয় পূর্ণিমা৷ ছেলেটির ডেথ সার্টিফিকেট আমাকেই লিখে দিতে হবে৷ তাই ছেলেটির নাম ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে চাইলাম ফাদারের কাছে৷ তখনই শুনতে পেলাম, ওর নাম অংশু৷ বছর তিনেক ধরে আছে ফাদারের অরফ্যান হোমে৷ ও যখন ফাদারের কাছে এসেছিল তখন ও ছিল বছর চারেকের৷ ফাদারের কাছে এও জানতে পারলাম, এর আগে ও বারতিনেক এরকমই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল৷ আমি ফাদারকে জিজ্ঞেস করলুম, ওকে আগে কোনো ভালো ডাক্তার দেখেছিলেন কি না৷ ফাদার একটু ম্রিয়মাণ হয়ে বললেন যে, ইচ্ছে থাকলেও অনেক সময় আর্থিক কারণে তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না৷ সামান্য অনুদানের উপর নির্ভর করে অরফ্যান হোম চালাতে হয় তাঁকে৷ তা ছাড়া অংশুর অসুস্থতা কখনোই দিন দুয়েকের বেশি স্থায়ী হয়নি৷

    ‘যাই হোক, নানা কথাবার্তা বলতে বলতে মিনিট পনেরো কেটে গেল৷ তারপর আমি এসে বসলাম ছেলেটির খাটের পাশে৷ যদিও ঘণ্টা তিনেকের আগে নিয়মমতো ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া ঠিক নয়, তবুও ভাবলাম, ওটা ফাদারকে এখনই দিয়ে যাই৷ কী আর হবে তাতে৷ প্যাড বের করে লিখে ফেললাম সেটা৷ সার্টিফিকেটের উপর চোখ বুলিয়ে ফাদারের হাতে যখন সেটা তুলে দিতে যাচ্ছি, তখনই হঠাৎ আমার নজর পড়ল ছেলেটির বুকের দিকে৷ সার্টিফিকেটটা ফাদারের দিকে বাড়িয়ে দিয়েও আমার হাতটাকে কোলের কাছে গুটিয়ে আনলাম৷ মনে হল, ছেলেটির বুকের কাছটা যেন ক্ষীণভাবে ওঠানামা করছে৷ এর পর আমি ধীরে ধীরে ফিরে তাকালাম আমার যন্ত্রের পর্দার দিকে৷ কারণ, তারটা আমি তখনও ছেলেটার বুক থেকে খুলিনি৷

    ‘তাকিয়ে যা দেখলাম তাতে আমার নিজের হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাওয়ার জোগাড়৷ দেখি, সেই উল্লম্ব রেখাগুলো আবার খেলা করতে শুরু করছে পর্দা জুড়ে৷ অর্থাৎ ছেলেটির হৃদযন্ত্র আবার চলতে শুরু করেছে৷ এরকম যে কখনো ঘটে না তা নয়৷ তবে কোটিতে বা লাখে একটা ঘটে৷ আরও এক ঘণ্টা পরে যখন আমি ফাদারের সঙ্গে তাঁর অরফ্যান হোম ছেড়ে বাড়ির দিকে রওনা হলাম, তখন ছেলেটি ঘুমিয়ে পড়েছে বিছানায়৷ এবং তার হৃৎস্পন্দন তখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক৷ ফাদার যখন আমার বাড়ির সামনে নামিয়ে দিলেন, তখন আমি তাঁকে বলে দিলাম যে, পরদিন আমি নিজেই আবার দেখতে যাব অংশুকে৷

    ‘কেন এরকম হল! সারারাত ভাবতে ভাবতে আমার ঘুম এল না৷ পরদিন সকাল বেলা আমি আবার গিয়ে হাজির হলাম সেখানে৷ ফাদার ডিসুজা অফিসঘরে ডেকে আনালেন অংশুকে৷ দেখলাম, ও প্রায় সম্পূর্ণ সুস্থ৷ শুধু শরীরটা সামান্য দুর্বল৷ এ ছাড়া তেমন কিছু লক্ষ করলাম না৷ ফাদারের সঙ্গে এর পর কিছু সৌজন্যসূচক আলোচনা করে আমি উঠে পড়লাম৷ আর তার আগে ফাদারকে আমি আমার টেলিফোন নাম্বার দিয়ে বলে এলাম যে, ভবিষ্যতে যদি অংশু আবার এরকম অসুস্থ হয়ে পড়ে তাহলে তিনি যেন তৎক্ষণাৎ আমাকে খবর দেন৷

    ‘এর পর আমি আবার ডুবে গেলাম দৈনন্দিন কাজের ব্যস্ততায়৷ ঘটনাটা প্রায় ভুলতেই বসেছিলাম৷ কিন্তু মাস সাতেক পর হঠাৎই একদিন সন্ধ্যে বেলা ফাদারের টেলিফোন পেলাম৷ আর সেদিনই আমি সচেতনভাবে প্রথম প্রত্যক্ষ করলাম সেই আশ্চর্য ঘটনা৷ যন্ত্রণাকাতর অংশুর হৃৎপিণ্ড মিনিট দশেকের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল৷ তারপর হঠাৎই আবার তা নিজে থেকে কাজ শুরু করল৷

    ‘অংশুর ব্যাপারটা পেয়ে বসে আমাকে৷ ঘটনাটা এর পর বারকয়েক প্রত্যক্ষ করলেও এই অসম্ভব ঘটনা কীভাবে ঘটছে তার কোনো সমাধানসূত্র খুঁজে পাইনি আমি৷ তাই ব্রাসেলসে গল্প করতে করতে আপনাকে বলি ঘটনাটা৷ যদিও আমার ভয় ছিল যে, ঘটনাটা শোনার পর আপনি আমার মানসিক সুস্থতা সন্দেহ প্রকাশ করতে পারেন৷’

    এর পর ডা. ঘটক কী বলতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু ডা. নাসের তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, ‘এখন বলুন অংশুর পিতৃপরিচয় বা পাস্ট হিস্ট্রি সম্পর্কে কতটুকু তথ্য আপনার জানা আছে?’

    ডা. ঘটক বললেন, ‘বিভিন্ন সময় আলোচনা প্রসঙ্গে ফাদারের মুখ থেকে যতটুকু এ ব্যাপারে আমি শুনেছি তা হল, অংশুর বাবা ছিলেন মিশরীয় আর মা ভারতীয়৷ কায়রোয় একটা তেল কোম্পানিতে চাকরি করতেন ওর বাবা-মা৷ ওর মা এই চাকরির সুবাদেই মিশরে আসেন ও মিশরীয় ভদ্রলোককে বিয়ে করেন৷ অংশুর যখন মাত্র এক বছর বয়স তখন এক মোটর অ্যাক্সিডেন্টে অংশুর বাবার মৃত্যু হয় ও অংশুর মা মারাত্মকভাবে জখম হন৷ ভদ্রমহিলা সাময়িকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠার পর অংশুকে নিয়ে ফিরে যান ইন্ডিয়ায়৷ তারপর তিনি আশ্রয় নেন বেনারসের এক দূরসম্পর্কীয় আত্মীয়ের কাছে৷ ভদ্রমহিলার বাবা-মা, ভাই-বোন, নিকটাত্মীয় কেউ ছিলেন না৷ কিন্তু দেশে ফিরবার পর ভদ্রমহিলা আর কোনোদিন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি৷ বছর দেড়েকের মধ্যেই ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে চলে যান৷ যে ভদ্রলোকের কাছে অংশুকে রেখেছিলেন, বার্ধক্য এবং সম্ভবত আর্থিক কারণে তিনি আর অংশুর দায়িত্ব নিতে চাননি৷ তাকে তিনি তুলে দেন বেনারসের এক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের হাতে৷ কিছুদিন পর তাঁরা আবার অংশুকে পাঠিয়ে দেন কলকাতায় ফাদার ডিসুজার অনাথালয়ে৷’

    ডা. নাসের আবার প্রশ্ন করলেন, ‘অংশুর বাবা-মার নাম, কায়রোয় তাঁরা কোথায় থাকতেন, কোন কোম্পানিতে চাকরি করতেন এসব সম্পর্কে কিছু জানেন কি?’

    ডা. ঘটক বললেন, ‘মা-র নামটা জানি, রুক্মিণী৷ এ ছাড়া অন্য কিছু বলতে পারব না৷ তবে আমার কাছে একটা কাগজের ফোটোকপি আছে, হয়তো আপনি সেটা পেলে আপনার কোনো কাজে আসতে পারে৷’ এই বলে তিনি চেয়ার ছেড়ে উঠে গিয়ে ব্রিফকেসের ভিতর থেকে একটা কাগজ বের করে ডা. নাসেরের দিকে এগিয়ে দিলেন৷

    কাগজটা খুলতে খুলতে ডা. নাসের জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী এটা?’

    ‘কায়রোয় অংশুর মা-র চিকিৎসা সংক্রান্ত একটা কাগজ, ফাদার ডিসুজা আমাকে দিয়েছিলেন৷ অংশু যখন অরফ্যান হোমে আসে তখন তার কাগজপত্রের মধ্যে এটা ছিল৷’ উত্তর দিলেন ডা. ঘটক৷

    কাগজটার উপরে বেশ কিছুক্ষণ চোখ বোলালেন ডা. নাসের৷ তারপর বললেন, ‘কাগজটা সত্যিই আমার কাজে আসবে৷ একটা শেষ প্রশ্ন আমি এখন আপনাকে করতে চাই, অংশুর অসুস্থতার আগে বা পরে তার মধ্যে অন্য কোনো পরিবর্তন লক্ষ করেছেন কি?’

    ডা. ঘটক বললেন, ‘না, এমনি কোনো পরিবর্তন দেখিনি৷ তবে ও অসুস্থ হওয়ার কয়েক দিন আগে রাতে নাকি ঘুমের মধ্যে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখেছিল৷ তা হল, একটা অন্ধকার ঘরে নাকি একলা শুয়ে আছে ও৷ আর অন্ধকারের মধ্যে দুটো জ্বলন্ত চোখ তাকিয়ে আছে ওর দিকে৷ ও সেখান থেকে উঠে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু কিছুতেই উঠে বসতে পারে না৷ কেউ যেন ওর হাত-পা বেঁধে রেখেছে মাটির সঙ্গে৷ আর একটা কথাও বলেছিল ও৷ যেখানে ও শুয়ে থাকে সে জায়গাটা নাকি খুব ঠান্ডা৷ প্রত্যেকবারই ও এই একই স্বপ্ন দেখে৷’

    আমি এতক্ষণ শ্রোতার ভূমিকা পালন করছিলাম৷ ডা. ঘটকের উদ্দেশে এবার আমি বললাম, ‘অংশু কিন্তু কাল রাতে আবার সেই একই স্বপ্ন দেখেছে৷ আজ দুপুর বেলা শুয়ে শুয়ে ও সেই কথাটা বলেছে আমাকে৷’

    ডা. নাসের বললেন, ‘তার মানে ব্যাপারটা আবার ঘটতে চলেছে৷’

    ডা. ঘটক বললেন, ‘অংশুর কথা যদি ঠিক হয়, তাহলে আর দিন ছয়-সাতেকের মধ্যেই আপনি দেখতে পাবেন সেই আশ্চর্য ঘটনা৷ এর পর কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন ডা. ঘটক৷ তারপর ডা. নাসেরের উদ্দেশে বললেন, ‘অংশুর ব্যাপারে আপনার মতামত কী?’

    প্রশ্নটা শুনে ডা. নাসের প্রথমে কী যেন একটু চিন্তা করলেন৷ তারপর বললেন, ‘এ ব্যাপারে এখনও মতামত দেওয়ার সময় আসেনি৷ তবে আমি আপনাদের কয়েকটা কথা বলি৷ ব্রাসেলসে যখন আমি অংশুর ব্যাপারটা প্রথম শুনি, তখন আমার মনে হয়েছিল, গ্রেট আর্টারিজে রক্ত সঞ্চালন সংক্রান্ত কোনো ত্রুটির জন্য এরকম হলেও হতে পারে৷ কারণ, এই সমস্যায় আক্রান্ত বছর ছয়েকের একটি ছেলের হৃৎস্পন্দন আমি মিনিট দেড়েকের জন্য স্তব্ধ হয়ে যেতে দেখেছিলাম একবার৷ অবশ্য দ্বিতীয়বার যখন তার হৃৎস্পন্দন থেমে যায়, তখন আর তা চালু করা যায়নি৷ মৃত্যু হয় তার৷ কিন্তু আপনার মুখ থেকে অংশুর ব্যাপার শোনার পর মনের মধ্যে দুটো খটকা তৈরি হয়৷ এক, গ্রেট আর্টারিজে ত্রুটির জন্যে বারবার এ ঘটনা ঘটা কি সম্ভব? দুই, অংশুর দুর্বোধ ভাষায় প্রলাপ বকার ব্যাপারটা আসলে কী? এইজন্যে অংশুর ব্যাপারে মনের মধ্যে একটা কৌতূহল তৈরি হয়৷

    ‘এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আমি আমার পরিচিত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা চালাই৷ যদিও এ ব্যাপারে তাঁরা কোনো সমাধানসূত্র আমাকে দিতে পারেননি৷ তাঁদের মধ্যে কয়েকজন আবার নিছক গল্প ভেবে উড়িয়ে দিয়েছেন ব্যাপারটা৷ আর দ্বিতীয় প্রশ্নের অর্থাৎ দুর্বোধ প্রলাপ বকাটা আসলে কী, তা বোঝার জন্য সেটা রেকর্ড করে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতে বলি আপনাকে৷

    ‘অডিও ক্যাসেটটা হাতে আসার পর সেটা আমি খুব ভালো করে শুনি এবং তার মর্মবস্তু আংশিক হলেও উদ্ধার করতে পারি৷ এবং তারপরেই বলতে গেলে অংশুর সম্পর্কে আমার আগ্রহ একশো গুণ বেড়ে যায়৷ কথাটা আপনাদের অবিশ্বাস্য বলে মনে হতে পারে৷ তবু বলি, আপনারা জানেন, প্রাচীন মিশর সম্পর্কে আমি একটু-আধটু চর্চা করি৷ বেশ কিছু দুর্মূল্য প্যাপিরাসও আমার সংগ্রহে আছে, তার একটার চিত্রলিপির সঙ্গে হঠাৎই অংশুর প্রলাপের টুকরো টুকরো শব্দের বেশ কিছু সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছি আমি৷ যা বলতে গেলে এক কথায় অসম্ভব ব্যাপার!’

    এর পর ডা. নাসের আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘কাল আপনি আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন যে, মমির অভিশাপের মতো যেসব গল্প শোনা যায় সেসব ব্যাপার আমি বিশ্বাস করি কি না? না, আমি বিজ্ঞানের ছাত্র, কোনো অতিপ্রাকৃত ঘটনায় আমার বিশ্বাস নেই৷ কিন্তু অংশুর কালকের একটা ব্যাপার আমার বিশ্বাসে কোথায় যেন একটু নাড়া দিয়েছে৷’

    আমি বললাম, ‘কোন ব্যাপারটা?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘কাল মিউজিয়ামের কাচের বাক্সর সামনে দাঁড়িয়ে বাক্সর ভিতরের পাত্রগুলোর দিকে তাকিয়ে জেসের-জেসেরু শব্দটা উচ্চারণ করছিল৷ এর অর্থ রানি হাটশেপসুটের মরচুয়ারি৷ পিরামিডের ভিতরে শবদেহ নিয়ে ঢোকার আগে যেখানে শবদেহ এনে রাখা হত বা মমি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কাজ করা হত, সেই জায়গাকে বলা হয় মরচুয়ারি বা মরচুয়ারি মন্দির৷ মিউজিয়ামের কিউরেটরের কাছ থেকে আজ আমি শুনেছি ওই কাচের বাক্সর মধ্যে রাখা পাত্রগুলো সবে এক মরচুয়ারি থেকে সংগ্রহ করে মিউজিয়ামে এনে রাখা হয়েছে৷ মমি তৈরির সময় মৃতদেহের অঃন্তযন্ত্র শরীর থেকে বের করে ওই ফুলদানি-আকৃতির পাত্রের মধ্যে রাখা হত৷ পরবর্তী সময়ে মুখবন্ধ পাত্রগুলোকে একটা বাক্সে ভরে সেই বাক্সকে সমাধির মধ্যে মৃত ব্যক্তির অন্যান্য জিনিসপত্রের সঙ্গে রেখে দেওয়া হত৷ প্রশ্ন হল, পাত্রগুলো যে মরচুয়ারি থেকে সংগৃহীত তা ওর জানার কথা নয়৷ যদি ও কোনোভাবে মরচুয়ারি সম্পর্কিত শব্দটা শুনেও থাকে, তাহলে পাত্রগুলো দেখে হঠাৎই কেন তার কথা মনে হল? অথচ অংশু কিন্তু আমাকে বলেছে, শব্দটার মানে ও জানে না৷’

    ডা. নাসেরের কথা শুনে আমরা দু-জনেই অবাক হয়ে গেলাম৷ ডা. নাসের এবার তাঁর ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘রাত ন-টা বাজে, এখন আমাকে উঠতে হবে৷ কাল সকালে আমি আসব না, বিকেল বেলা আসব৷ সারাদিন ধরে আমাকে কাল বেশ কিছু খবর সংগ্রহ করতে হবে৷ আপনারা বরং সকালের দিকে কাছেই একটা বাজার আছে, সেখানে ঘুরে আসতে পারেন৷’ এই বলে ডা. নাসের আমাদের শুভরাত্রি জানিয়ে বিদায় নিলেন৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }