Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ৫

    ৫

    ভোর পাঁচটা নাগাদ টেলিফোনের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল৷ অংশু তখন আমার পাশে শুয়ে ঘুমোচ্ছে৷ টেলিফোনটা ডাইনিংয়ে রাখা৷ আমি বিছানা ছেড়ে উঠতে যাওয়ার আগেই বুঝতে পারলাম, ডা. ঘটক গিয়ে ফোনটা ধরলেন৷ মিনিট পাঁচেক পর ডা. ঘটক এসে টোকা দিলেন আমার ঘরে৷ বিছানা ছেড়ে উঠে গিয়ে দরজা খুললাম৷ দেখলাম, তাঁর চোখে-মুখে কেমন একটা উত্তেজনার ভাব৷ তিনি বললেন, ‘ডা. নাসের ফোন করেছিলেন, তিনি বললেন কাল সন্ধ্যেয় তাঁর বাড়িতে নাকি একটা সাংঘাতিক চুরি হয়ে গিয়েছে! বেশ কয়েকটা মূল্যবান জিনিস নিয়ে গিয়েছে চোরের দল৷ তিনি বেলা বারোটা নাগাদ আমাদের এখানে আসবেন৷ আর একটা কথা তিনি জানালেন, আজ সন্ধ্যের ট্রেনে তিনি আমাদের নিয়ে লাক্সরের উদ্দেশে রওনা হবেন৷ যদিও কারণটা তিনি আমাকে টেলিফোনে জানাননি৷’

    ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে এই খবর পেয়ে আমিও খুব আশ্চর্য হয়ে গেলাম৷ এর পর আমি আর বিছানায় শুলাম না৷ মুখ-হাত ধুয়ে, ব্যালকনিতে গিয়ে দাঁড়ালাম৷ আস্তে আস্তে জেগে উঠছে কায়রো শহর৷ বাতাসে একটু ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব৷ বেশ ভালোই লাগছিল ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে থাকতে৷

    ছ-টা নাগাদ অংশুর ঘুম ভাঙল৷ ডা. ঘটকও ইতিমধ্যেই ফ্রেশ হয়ে নিয়েছিলেন৷ কিন্তু ব্রেকফাস্ট খেতে খেতে সাতটা বেজে গেল৷ ডা. ঘটক বললেন, ইচ্ছে হলে আমি সকাল বেলা কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসতে পারি৷ তবে তিনি যাবেন না৷ ডা. নাসের যদি আবার ফোন-টোন করেন বা হঠাৎ চলে আসেন, তাই তিনি হোটেলেই থাকবেন৷

    আমিও চিন্তা করলাম হোটেলে না বসে থেকে শহরটা দেখে নেওয়াই ভালো৷ ডা. নাসের তো আর বারোটার আগে আসবেন না! ঘণ্টা চারেক অন্তত বেড়াবার সময় পাওয়া যাবে৷ আমি শহর দেখতে যাব শুনে অংশুও বলল, সেও আমার সঙ্গে যাবে৷ ডা. ঘটক সম্মতি দিলেন৷ আটটা নাগাদ আমরা বেরিয়ে পড়লাম হোটেল ছেড়ে৷ কিন্তু হোটেল কম্পাউন্ড ছেড়ে বড়ো রাস্তায় এসে দাঁড়াতেই মনে হল, কোথায় যাব! কায়রো শহরের কিছুই তো আমাদের জানা নেই৷ কাছে যে বাজারটা আছে, তার কী নাম, কোনদিকে সেটা, তাও জানা নেই! ভাবলাম, হোটেলের রিসেপশন থেকে জেনে আসি৷ ঠিক তখনই আমার মনে পড়ে গেল কায়রো শহরের একটা জায়গার নাম, ‘মাইদান তহরির’৷ ডা. নাসেরের মুখে শুনেছি এই নামটা৷ জায়গাটা নাকি শহরের প্রাণকেন্দ্র, অনেকটা কলকাতার ধর্মতলা বা বিবাদি বাগের মতো৷

    একটা ট্যাক্সি থামিয়ে আমরা উঠে পড়লাম৷ ড্রাইভার ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে অবিশ্রান্ত বকবক করতে করতে আমাদের নিয়ে ছুটে চলল মাইদান তহরির দিকে৷ পথে যেতে যেতে বিশাল বড়ো একটা বিল্ডিং চোখে পড়ল৷ বেশ কয়েকটা দেশের পতাকা উড়ছে সেখানে৷ তার প্রবেশ তোরণের সামনে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে পাহারা দিচ্ছে বিরাট পুলিশবাহিনী৷ ড্রাইভার জানাল এই বাড়িটাই হল আরব লিগের হেড কোয়ার্টার৷ আধ ঘণ্টার মধ্যেই আমরা পৌঁছে গেলাম মাইদান তহরিতে৷ গাড়ি থেকে নেমেই জায়গাটার মাহাত্ম্য বুঝতে পারলাম৷ চারদিকে সব চোখ-ধাঁধানো বড়ো বড়ো বাড়ি, অফিস, শপিংমল৷ ন-টা এখনও বাজেনি, কিন্তু লোকজনের ভিড় ভালোই৷ রাস্তায় যান চলাচলও করছে প্রচুর৷ যেখানে আমরা গাড়ি থেকে নামলাম তার সামনেই একটা পিৎজার দোকান৷ যদিও প্রাতরাশ সেরে এসেছি তবুও ঢুকলাম দোকানটায়৷ কাউন্টারে টাকা জমা দিয়ে ল্যাম্ব পিৎজা আর দু-রকম পানীয় নিলাম৷ আমার জন্য কফি আর অংশুর জন্য মিল্কশেক৷ দোকানের ভিতরটা বেশ বড়ো৷ অনেক লোক বিভিন্ন টেবিলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে খাচ্ছে৷ কোনার দিকে একটা টেবিলে বসলাম আমি আর অংশু৷ খেতে খেতে দু-জন গল্প করতে লাগলাম৷ আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তার কেমন লাগছে বেড়াতে?

    সে বলল, খুব ভালো৷ কিন্তু সে একটা আক্ষেপও করল৷ তার হোমের বন্ধুরা নাকি কিছুতেই বিশ্বাস করবে না সে পিরামিড দেখেছে! আমি তখন তাকে বললাম, আমি যে ফোটোগুলো তুলছি তার একটা করে কপি তাকে উপহার দেব৷ সেগুলো দেখার পর তার বন্ধুরা নিশ্চয়ই তার কথা বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে৷ কথাটা শোনার পর আশ্বস্ত হল সে৷ কথা বলতে বলতে আমাদের খাওয়া যখন প্রায় শেষ হয়ে এসেছে ঠিক তখনই অংশু হঠাৎ কথা বন্ধ করে আমার পিছন দিকে তাকাল৷ আর তার পর মুহূর্তেই একটা প্রশ্ন আমার কানে এল, ‘আপনারা কি ইন্ডিয়ান?’

    আমি বসে ছিলাম দরজার দিকে পিছন ফিরে৷ কথাটা কানে আসার সঙ্গেসঙ্গে ঘাড় ফিরিয়ে দেখলাম, আমার ঠিক পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে একজন লোক৷ কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আমি চিনে ফেললাম লোকটিকে৷ লোকটা হল পরশু সন্ধ্যের সেই আলতুনিয়া৷ আমাকে তাকিয়ে থাকতে দেখে সে তার প্রশ্নটা আবার করল৷ আমি উত্তর দিলাম, ‘হ্যাঁ, আমরা ইন্ডিয়ান৷’

    এবার সে প্রশ্ন করল, ‘নাসেরকে আপনারা চেনেন?’

    লক্ষ করলাম, নাসের শব্দটা উচ্চারণ করার সময় তার গলায় কেমন একটা তাচ্ছিল্যের ভাব ফুটে উঠল৷ সে কী বলতে চাইছে বুঝতে না পেরে আমি তাকিয়ে রইলাম তার দিকে৷

    আলতুনিয়া তার সোনা-বাঁধানো দাঁতগুলো বের করে হাসল৷ তারপর বলল, ‘নাসেরকে আপনারা চেনেন না, ও একটা খুনি৷ কায়রো শহরের যেকোনো পুরোনো মানুষকে জিজ্ঞেস করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন, আমি সত্যি বলছি কি না৷’

    এই বলে আর একবার দাঁত বের করে হেসে কাচের দরজা ঠেলে দোকানের বাইরে বেরিয়ে গেল৷ আমি বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম খোলা দরজাটার দিকে৷ তারপর হাত ধুয়ে অংশুকে নিয়ে দোকানের বাইরে এসে দাঁড়ালাম৷

    আমার মনের মধ্যে শুধু ঘুরতে লাগল আলতুনিয়ার কথাটা৷ ডা. নাসেরের মুখে লোকটার সম্বন্ধে যতটুকু শুনেছি, তাতে এ জাতীয় লোকের মুখে মিথ্যে কথা খুব সামান্য ব্যাপার৷ আর ডা. নাসেরকে দেখে কখনোই মনে হয় না, তিনি একজন খুনি৷ হয়তো ডা. নাসেরের প্রতি বিদ্বেশবশতই সে কথাটা বলে গেল আমাকে৷

    এসব ভাবতে ভাবতে ফুটপাথ ধরে হাঁটতে লাগলাম আমরা৷ রাস্তার পাশে বড়ো বড়ো সব দোকান, তার অধিকাংশই জামা-জুতোর৷ আর আছে বিভিন্ন ধরনের প্রাচীন সামগ্রী বা অ্যান্টিকের দোকান৷ দুটো বহুতল শপিং মলের মধ্যে দিয়ে একটা লম্বা সরু গলি চলে গিয়েছে৷ আমরা ঢুকে পড়লাম সেই গলির মধ্যে৷ গলির দু-পাশে সারি সারি প্যাপাইরাস আর মিশরীয় চিত্রশিল্পের দোকান৷ ‘প্যাপাইরাস হাউজ’ নামের একটা দোকানের ভিতর ঢুকলাম আমি আর অংশু৷ বেশ বড়ো দোকান, ভিতরে টাঙানো রয়েছে প্যাপাইরাসের উপর আঁকা মিশরীয় চিত্রকলার অপূর্ব সব সম্ভার৷ ফ্যারাওদের জীবনযাত্রা, প্রাচীন মিশরের নানা দেবদেবী, বিভিন্ন ফ্যারাওদের ফোটো, পিরামিড তৈরির দৃশ্য, কী নেই সেই ফোটোর মধ্যে! নিপুণ হাতে সব কিছু আঁকা হয়েছে৷ একটা জিনিস লক্ষ করলাম, সব ফোটোতেই নীল রঙের ব্যবহার খুব বেশি৷

    কায়রো মিউজিয়াম বা গিজার পিরামিডের সুড়ঙ্গেও এই একই জিনিস লক্ষ করেছি৷ দোকান থেকে প্যাপাইরাসের উপর আঁকা দশটা গ্রিটিংস কার্ড কিনলাম, দেশে ফিরে তা পরিচিতজনদের উপহার দেব বলে৷ প্রত্যেকটা কার্ডের দাম নিল পাঁচ ইজিপ্সিয়ান পাউন্ড৷ দোকানের মালিক একজন বৃদ্ধ ভদ্রলোক৷ কীভাবে প্যাপাইরাস থেকে কাগজ তৈরি করা হয় তা জানতে চাই শুনে তিনি আমাদের নিয়ে গেলেন দোকানের পিছনে কারখানায়৷ সেখানে জনাদশেক লোক কাজ করছে৷ প্রথমে প্যাপাইরাসের ডাঁটাগুলোকে খণ্ড খণ্ড করে কেটে জলে ভিজিয়ে রাখা হয়৷ তারপর সেগুলোকে আবার লম্বালম্বিভাবে চিরে কাঠের ভারী ব্লকের নীচে চেপে কাগজ তৈরি করা হয়৷ দোকানের মালিক সব কিছু ঘুরিয়ে দেখালেন আমাদের৷ অংশুকে তিনি বেশ বড়ো এক খণ্ড কাগজও উপহার দিলেন৷ ভদ্রলোককে ধন্যবাদ জানিয়ে যখন আমরা দোকানের বাইরে বেরোতে যাব তখন অংশু দরজার কোনে টাঙানো একটা ফোটোর দিকে এগিয়ে গেল৷ তারপর ভালো করে দেখতে লাগল ফোটোটা৷ আমিও গিয়ে দাঁড়ালাম তার পিছনে৷ ফোটোটা বেশ বড়ো৷ আনুবিসের ফোটো, প্রাচীন মিশরের এই শিয়ালদেবতা ছিলেন মমি তৈরির দেবতা, কেউ কেউ বলেন, ‘মৃত্যুর দেবতা’৷ ফোটোতে সে থাবা বাড়িয়ে বসে আছে৷ ছুঁচলো মুখ, সোনালি রঙের খাড়া কান, গলা আর মাথা কালচে নীল বর্ণের৷ বেশ কিছুক্ষণ ফটোটার দিকে তাকিয়ে থাকার পর অংশু আমার দিকে ফিরে বলল, ‘ওকে আমি চিনতে পেরেছি৷’

    আমি বললাম, ‘কাকে?’

    প্রথমে সে ফোটোটার দিকে আঙুল তুলে দেখাল৷ তারপর বলল, ‘কাল রাতে স্বপ্নের মধ্যে আমি ওকে চিনতে পেরেছি৷ অন্ধকারের মধ্যে আমি শুয়ে ছিলাম আর দেখতে পাচ্ছিলাম ওর জ্বলন্ত চোখ দুটো৷ ও আমাকে ভয় দেখাচ্ছিল, আমি উঠে বসতে পারছিলাম না৷ তারপর একসময় আস্তে আস্তে অল্প আলো ফুটে উঠল ঘরের মধ্যে৷ অনেক উঁচু থেকে আসছিল আলোটা৷ সেই আলোয় আমি দেখতে পেলাম, ও আমার সামনে বসে আছে৷’

    এই বলে অংশু চুপ করে গেল৷ আমি প্রশ্ন করলাম, ‘তারপর?’

    অংশু বলল, ‘ওকে দেখে আমি আরও ভয় পেয়ে উঠে বসতে গেলাম৷ তাই দেখে ও এগিয়ে আসতে লাগল আমার দিকে৷ আমি উঠতে পারলাম না, ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম৷ তারপর কী হল আমার মনে নেই৷ যখন চোখ খুললাম তখন দেখি, আমি বিছানায় শুয়ে আছি৷ ভোর হয়ে গিয়েছে৷’

    এর পর আর একমুহূর্ত দোকানের মধ্যে দাঁড়াল না অংশু৷ প্রায় ছুটেই দোকানের বাইরে বেরিয়ে রাস্তার নেমে দাঁড়াল৷ সেখান থেকে ট্যাক্সি ধরে সাড়ে এগারোটা নাগাদ হোটেলে পৌঁছে গেলাম আমরা৷ হোটেলে পৌঁছোবার পর ডা. ঘটক আমাদের জানালেন, ডা. নাসের আবার টেলিফোন করেছিলেন৷ গোছগাছ সব করে রাখতে হবে৷ সন্ধ্যে সাতটায় লাক্সরের ট্রেন৷ হোটেল ছেড়ে চেক আউট করতে হবে আমাদের৷ আমি ঘরে টুকিটাকি জিনিস ব্যাগের মধ্যে গুছিয়ে রাখতে শুরু করলাম৷ কিছুক্ষণ পর ডোরবেলের শব্দ শুনে বুঝতে পারলাম ডা. নাসের এসে গিয়েছেন৷ ডা. ঘটকই গিয়ে দরজাটা খুললেন৷ আমি বেরিয়ে এলাম ঘর থেকে৷ ডা. নাসেরকে দেখেই বুঝলাম, তাঁর চোখে-মুখে কেমন একটা ক্লান্তির ছাপ৷ কালকের পোশাকটাই রয়েছে তাঁর পরনে৷ দেখে মনে হল, পোশাক পরিবর্তনের সময়ও তিনি পাননি৷ ভিতরে ঢুকেই তিনি প্রথমে ঢকঢক করে এক গ্লাস জল খেলেন৷ এর পর অংশুর জন্য টিভি সেটটা চালিয়ে আমরা গিয়ে বসলাম ডা. ঘটকের ঘরে৷

    কোনোরকম ভূমিকা না করেই ডা. নাসের বললেন, ‘কাল রাতে আপনাদের এখান থেকে বেরিয়ে প্রথমে ভাবলাম, বাড়ি চলে যাই৷ তারপর আবার ভাবলাম, রাত তো খুব একটা বেশি হয়নি, বরং একটা অনুসন্ধানের কাজ সেরে যাই৷ তাই কাল অংশুর মা-র চিকিৎসা সংক্রান্ত যে কাগজটা আপনাদের কাছ থেকে পেলাম, তাতে যে নার্সিংহোমের ঠিকানা লেখা ছিল, গিয়ে হাজির হলাম সেখানে৷ নার্সিংহোমটা নীলনদের দ্বিতীয় সেতুর কাছে পিরামিড রোডে৷ নার্সিংহোমের মালিক আমার বিশেষ পরিচিত৷ পেশার সূত্রে আগে বেশ কয়েকবার আমি সেখানে গিয়েছি৷ সেখানে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল, তাদের রেকর্ড দেখে কায়রোয় অংশুর মা-বাবার ঠিকানা ইত্যাদি সংগ্রহ করা যায় কি না৷ মালিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ফলে সব তথ্য আমি সংগ্রহ করলাম৷ এবং বলা যেতে পারে যেটুকু তথ্য আমি পাব বলে ভেবেছিলাম, তার চেয়ে অনেক বেশি তথ্য পেলাম৷ তবে সেসব ব্যাপার আমি আপনাদের পরে বলব, শুধু এটুকু বলে রাখি, সেখানে গিয়ে আমি জানতে পেরেছি, সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর অংশুর বাবাকেও তার মা-র সঙ্গে আনা হয় ওই নার্সিংহোমে৷ সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়৷ এবং দুর্ঘটনা ঘটার সময় অংশুও তার বাবা-মার সঙ্গে ছিল৷ যাই হোক, নার্সিংহোম থেকে বাইরে বেরোতে বারোটা বেজে গেল৷ সাড়ে বারোটা নাগাদ আমি গিয়ে পৌঁছোলাম আমার আস্তানায়৷ আমার ফ্ল্যাটটা তিনতলায়৷ গত দু-দিন ধরে কী একটা কারণে আমাদের অঞ্চলে সন্ধ্যের পর থেকেই বিদ্যুৎ থাকছে না৷ আসছে সেই গভীর রাতে৷ কালও তার ব্যতিক্রম হয়নি৷

    ‘অন্ধকার সিঁড়ি দিয়ে হাতড়ে হাতড়ে আমি উপরে উঠলাম৷ তারপর পকেট থেকে চাবি বের করে তালাটা খুলতে যেতেই দেখি, তালাটা খোলা! ভাবলাম, হয়তো তালাটা ঠিকমতো বন্ধ করে যাইনি৷ কারণ, তাড়াহুড়োয় এর আগে এ-ধরনের ঘটনা দু-একবার ঘটেছে৷ দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকলাম, আর সেই মুহূর্তেই বিদ্যুৎ চলে এল৷ আর তার সঙ্গেসঙ্গে যা দেখলাম, তাতে আমি অবাক হয়ে গেলাম৷ দেখলাম, আমার বসবার ঘরের সব কিছু ছড়িয়ে ছিটিয়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে আছে৷ ছুটে গেলাম শোওয়ার ঘরে৷ সেখানেও একই অবস্থা৷ আমার আলমারি, দেরাজ সব কিছু হাট করে খোলা! বেশ কয়েক মিনিট আমার সময় লাগল ব্যাপারটা কী হয়েছে বুঝে উঠতে৷ তারপর বুঝলাম, চোর ঢুকেছিল ঘরে৷ তবে তারা সাধারণ চোর নয়৷ আলমারিতে হাজার দশেক ইজিপ্সিয়ান পাউন্ড ছিল৷ সেগুলো তারা হাতে পেয়েও নিয়ে যায়নি৷ কাগজপত্রগুলো তারা বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করেছে৷ পরে বুঝতে পারলাম, তারা কী নিয়ে গিয়েছে৷ নিয়ে গিয়েছে এক দুর্মূল্য প্যাপাইরাসের খণ্ডিতাংশ৷ বাকিটা ভল্টে রাখা ছিল বলে বেঁচে গিয়েছে৷ আর নিয়ে গিয়েছে অংশুর ভয়েস রেকর্ড করা সেই অডিও ক্যাসেটটা৷’ এই বলে থামলেন তিনি৷

    ডা. ঘটক প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি পুলিশে খবর দিয়েছেন?’

    তিনি বললেন, ‘না৷ কারণ, আমার ধারণা, তারা এ ব্যাপারে কিছু করতে পারবে না৷ শুধু শুধু ঝামেলা বাড়বে৷’

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘আপনার কাউকে সন্দেহ হয়?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘হ্যাঁ হয়, আলতুনিয়াকে৷ কিন্তু আমার হাতে কোনো প্রমাণ নেই৷ বেশ কিছুদিন ধরেই ও এই প্যাপাইরাসটা হাতাবার চেষ্টা করছিল৷’

    ডা. নাসের আলতুনিয়ার কথা বলায় আমি একবার ভাবলাম, সকাল বেলার ঘটনাটা তাঁকে বলি৷ কিন্তু আলতুনিয়া বলেছে তিনি খুনি, এ কথাটা তাঁকে বলতে কেমন যেন বাধল আমার৷ তাই আর কথাটা তুললাম না৷ মনে মনে ভাবলাম, পরে ডা. ঘটককে বলব ব্যাপারটা৷ ডা. নাসের এর পর বললেন, ‘আমি আর এখন বসব না৷ কায়রো ছাড়ার আগে আমাকে আরও বেশ কিছু কাজ সেরে নিতে হবে৷ ঠিক সময় আমি আপনাদের নিতে আসব৷’

    এই বলে তিনি যখন চেয়ার ছেড়ে উঠতে যাচ্ছেন তখন ডা. ঘটক তাঁর উদ্দেশ্যে বললেন, ‘যদি কিছু মনে না করেন, তাহলে আপনাকে একটা প্রশ্ন করব?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘না না৷ মনে করব কেন! আপনি বলুন কী জানতে চান?’

    ডা. ঘটক বললেন, ‘আমরা যে আজ লাক্সর যাত্রা করব তা কি নিছকই ভ্রমণের জন্য, নাকি অন্য কিছু ব্যাপার আছে?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘প্রথমত, মিশরের পুরাতত্ত্বের ভাণ্ডার বলতে লাক্সরকেই বোঝায়৷ আইফেল টাওয়ার না দেখলে যেমন ফ্রান্স ভ্রমণ সম্পূর্ণ হয় না, মিশরের ক্ষেত্রে তেমনই হল লাক্সর৷ এটা হল ওখানে যাওয়ার একটা কারণ৷ আর দ্বিতীয়টা হল, আমার ধারণা লাক্সরের সঙ্গে অংশুর ব্যাপারটার কোথাও একটা যোগসূত্র আছে৷ এটাই আমার লাক্সর ভ্রমণের প্রধান কারণ৷ হয়তো লাক্সরে গেলে অংশুর অদ্ভুত অসুখের কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া গেলেও যেতে পারে৷ আমার এ ধারণা কেন হয়েছে তা আপনাদের আমি রাতে ট্রেনে যেতে যেতে বলব৷’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }