Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ৬

    ৬

    ট্রেন ছাড়তে ছাড়তে রাত আটটা বেজে গেল৷ স্টিম ইঞ্জিনে টানা কাঠের বগি৷ একটা কুপ আমরা সম্পূর্ণ বুক করে নিয়েছি৷ চার জনের শোওয়ার ব্যবস্থা আছে তাতে৷ শহর ছাড়িয়ে ট্রেন ছুটতে শুরু করল উঁচু-নীচু উন্মুক্ত প্রান্তরের মধ্যে দিয়ে৷ ডা. নাসের জানালেন, মাঝরাতে একটা জংশন স্টেশন ছাড়া ভোরের আগে ট্রেন অন্য কোথাও দাঁড়াবে না৷ মধ্যে মধ্যে কয়েকটা ছোটোখাটো স্টেশন আছে অবশ্য৷ কিন্তু নির্জন স্থানে মরু-ডাকাতদের ভয় থাকায় এই ট্রেন আর আজকাল সেসব স্টেশনে দাঁড়ায় না৷ কায়রো থেকে লাক্সরের দূরত্ব হল, ছ-শো ছিয়াত্তর কিলোমিটার৷ ট্রেনে যেতে সময় লাগে বারো ঘণ্টার মতো৷ এর মধ্যে বেশ কিছু অংশ যেতে হয় মরুভূমির মধ্যে দিয়ে৷ আমি আর অংশু মুখোমুখি বসে ছিলাম জানলার পাশে৷ বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকতে বেশ ভালোই লাগছিল৷ কয়েক দিন পরেই মনে হয় পূর্ণিমা৷ প্রায় গোল চাঁদ আকাশে৷ তার আলোয় প্লাবিত বিস্তীর্ণ জনহীন প্রান্তর৷ মাঝে মাঝে নীলনদের ক্যানেলের উপর ছোটো ছোটো সেতু৷ ঘটাং ঘটাং শব্দে তার উপর দিয়ে ছুটে চলেছে ট্রেন৷ ডা. ঘটক আর ডা. নাসের নিজেদের পেশার ব্যাপারে নানা গল্প করছেন৷ একসময় ডা. ঘটক প্রসঙ্গ পালটে ডা. নাসেরকে বললেন, ‘প্রাচীন মিশর সম্বন্ধে আমার খুব একটা ধারণা নেই৷ আপনি যদি এ ব্যাপারে আলোকপাত করেন তাহলে ভালো হয়৷’

    ডা. নাসের বলতে শুরু করলেন মিশরের ইতিহাস৷ আর আমি বাইরের দিকে তাকিয়ে শুনতে লাগলাম তাঁর কথা৷ পাঁচ হাজার বছর আগে নীলনদের তীরে যে প্রাচীন সভ্যতার পত্তন হয়েছিল, তার এক সংক্ষিপ্ত ধারাবিরণী বলে চললেন ডা. নাসের৷ এত সুন্দর তিনি বলছিলেন বিভিন্ন ফারাওয়ের কাহিনি, পিরামিড তৈরির কাহিনি, মনে হচ্ছিল যেন তিনি সব কিছু নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন৷ আমার খুব কৌতূহল ছিল কীভাবে মমি তৈরি করা হত, সে ব্যাপারে৷

    ডা. নাসেরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে তিনি বললেন, ‘আগে বলে নিই কেন মমি তৈরি করা হত৷ মিশরীয়রা মনে করতেন আত্মা অবিনশ্বর৷ জাগতিক মৃত্যুর অর্থ ছিল তাঁদের কাছে শরীরের ঘুমিয়ে পড়া৷ তাঁরা বিশ্বাস করতেন, শরীরকে যদি সংরক্ষিত করা যায়, তাহলে ঘুমিয়ে-পড়া শরীর আবার একদিন জেগে উঠবে৷ তারপর সমাধির মধ্যে রাখা নৌকোয় পাড়ি দেবে শেষ বিচারের জন্য অনন্তলোকের উদ্দেশ্যে৷ আর যাঁরা ফ্যারাও, তাঁরা মিশে যাবেন সূর্যদেবের সঙ্গে৷ মমি তৈরির পদ্ধতি বিভিন্ন চিত্রলিপির মাধ্যমে জানা গিয়েছে৷ পিরামিডের ভিতরে বিভিন্ন দেওয়ালে, বিশেষত যেখানে সমাধি দেওয়া হত সেই কক্ষে এ জাতীয় বহু চিত্রলিপির সন্ধান মিলেছে৷ মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তি পুরুষ মানুষ হলে তার মাথার সব চুল কামিয়ে ফেলা হত, স্ত্রীলোকদের ক্ষেত্রে অবশ্য তা করা হত না৷

    ‘মমি তৈরি করতেন এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা৷ শরীরের ভিতরে যেসব অতি পচনশীল অংশ আছে, প্রথমে তা শরীরের বাইরে বের করে ফেলা হত৷ যেমন বঁড়শি জাতীয় বাঁকানো যন্ত্রের সাহায্যে নাকের ফুটোর মধ্যে দিয়ে বের করে আনা হত মস্তিষ্ক৷ সেই ফাঁকা গহ্বরে কানের ফুটো দিয়ে ভরে দেওয়া হত তরল বিটুমিন৷ যা ঠান্ডা হলে জমে শক্ত হয়ে যেত৷ পেটের বাঁ দিকে ছিদ্র করে অন্ত্র, পাকস্থলী ইত্যাদি বের করে এনে উদরগহ্বর ভালো করে সুরা দিয়ে পরিষ্কার করে তাতে ভরে দেওয়া হত ধূপ মিশ্রিত কাঠের গুঁড়ো৷ এভাবে সম্পূর্ণ হত মমি তৈরির প্রাথমিক কাজ৷ এর পর লবণে দশ সপ্তাহ চুবিয়ে রাখা হত ওই শরীর৷ ফলে মাংস গলে গিয়ে হাড়ের উপর পড়ে থাকত শুধু চামড়া৷ ওই শরীরকে দ্রবণ থেকে তুলে প্রথমে মসলিন জাতীয় সূক্ষ্ম কাপড়ে রঞ্জন মাখিয়ে সেই কাপড় জড়ানো হত মাথা ও মুখে৷ আর ব্যান্ডেজের মতো লম্বা কাপড়ের ফালি জড়ানো হত সারা দেহে৷ একেবার গলা থেকে হাত-পায়ের আঙুল পর্যন্ত৷ বিত্তশালী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হাত-পায়ের আঙুলে পরানো হত সোনার তৈরি খাপ, মুখে মৃত ব্যক্তির মুখাবয়বের আদলে তৈরি সোনার মুখোশ৷ শরীর থেকে বের করে নেওয়া অঃন্তযন্ত্রগুলোকে তরল বিটুমিনে ফুটিয়ে ধাতু বা পাথরের তৈরি ফুলদানির মতো দেখতে পাত্রে ভরে রেখে দেওয়া হত সমাধিক্ষেত্রে৷’

    এসব নানা গল্প শুনতে শুনতে রাত দশটা বেজে গেল৷ ডা. নাসের সঙ্গে করে খাবার এনে ছিলেন৷ খাওয়া-দাওয়ার পর অংশুর হাই উঠতে লাগল৷ উপরের বার্থে শুয়ে পড়ল অংশু৷ তার কিছুক্ষণ পরই দেখলাম, সে ঘুমিয়ে পড়েছে৷ ট্রেন ছুটে চলেছে৷ বাইরে থেকে ভেসে আসা ঠান্ডা বাতাসে বেশ শীত শীত করতে লাগল৷ জানলার কাচের শার্শিগুলো নামিয়ে দিয়ে আমি ডা. নাসেরের মুখোমুখি বসলাম তাঁর কথা শোনার জন্য৷

    ডা. নাসের মনে হয় বুঝতে পারলেন, এর পর আমরা তাঁর কাছ থেকে কী শুনতে চাইব৷ তাই তিনি নিজেই বলতে শুরু করলেন, ‘এবার আমি আপনাদের বলব কেন আমি আপনাদের লাক্সরে নিয়ে চলেছি৷ যদিও যে কথাগুলো আমি আপনাদের বলব তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিতে আমি অপারগ৷ প্রথমত, আমি আগেই আপনাদের বলেছি যে, অংশুর প্রলাপের কিছু কথার সঙ্গে এক প্রাচীন হাইয়ারোগ্লিফিক্সের বক্তব্যের যোগসূত্র আছে বলে মনে হয়৷ ওই হাইয়ারোগ্লিফিক আমি সংগ্রহ করি লাক্সর থেকেই৷ তাতে রানি হাটশেপসুটের মরচুয়ারি মন্দিরের এক কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে৷ ওই মরচুয়ারি মন্দির লাক্সরের কাছেই অবস্থিত৷

    ‘দ্বিতীয়ত সেই মিউজিয়ামের ঘটনাটা! অংশু কী করে জানল? ওই পাত্রগুলো দেখে হঠাৎ ওই কথাটা বলল কেন? জেসের-জেসেরু? ও তো ওই শব্দের মানে জানে না! মিউজিয়ামের কিউরেটরের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে আমি জেনেছি, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে জার্মান প্রত্নবিদ ড. হান্স হাটশেপসুটের মরচুয়ারি মন্দিরের নীচ থেকে ওগুলো আবিষ্কার করেছেন!

    ‘আর তৃতীয়ত, তথ্যটাও বেশ চমকপ্রদ৷ অংশুর বাবা কিন্তু আদতে লাক্সরেরই মানুষ ছিলেন৷ লাক্সরের আখুম নামের একটা ছোট্ট গ্রামে তিনি বড়ো হয়ে ওঠেন৷’ এর পর কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন ডা. নাসের, তারপর বললেন, ‘এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কেন আমি লাক্সরে যাচ্ছি৷ আমার ধারণা, লাক্সরের মরচুয়ারি মন্দিরের সঙ্গে অংশুর একটা সম্পর্ক আছে৷’

    ডা. ঘটক প্রশ্ন করলেন, ‘তৃতীয় তথ্যটা আপনি পেলেন কোথা থেকে?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘দুর্ঘটনার পর অংশুর বাবা-মা যে নার্সিংহোমে ভরতি হন, সেই নার্সিংহোমে এক বৃদ্ধা নার্স আছেন৷ তিনিও একসময় আখুম গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন৷ তিনিই তথ্যটা দিলেন আমাকে৷ গতকাল আমি সেখানে গিয়েছিলাম সেকথা তো আপনারা জানেনই৷ আরও বেশ কিছু তথ্যও আমি সংগ্রহ করেছি তাঁর কাছ থেকে৷’

    ডা. ঘটক আবার প্রশ্ন করলেন, ‘কী সেই তথ্য!’

    ডা. নাসের বললেন, ‘প্রথমত, অংশুর বাবার পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য৷ যেমন তাঁর বাবা-মার কোনো পরিচয় জানা যায় না৷ আখুম গ্রামের এক বৃদ্ধ তাঁকে কুড়িয়ে পেয়ে মানুষ করেছিলেন৷ সেই বৃদ্ধের মৃত্যুর পর জীবিকার সন্ধানে আমন অর্থাৎ অংশুর বাবা কায়রো চলে আসেন৷ কায়রোয় এসে তিনি তেলের কোম্পানিতে চাকরি নেন ও অংশুর মাকে বিয়ে করে ওল্ড কায়রো অঞ্চলে থাকতে শুরু করেন৷

    ‘দ্বিতীয়ত, দুর্ঘটনা প্রসঙ্গেও আমি বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি ওই বৃদ্ধার কাছ থেকে৷ ওই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে বৃদ্ধা আমাকে যেসব কথা জানিয়েছেন তা হল, দুর্ঘটনার পর অংশুর বাবা-মাকে যখন নার্সিংহোমে আনা হয়, তখন অংশুও তাঁদের সঙ্গে ছিল৷ তবে সে ছিল সম্পূর্ণ অক্ষত৷ ঘটনাচক্রে সেদিন রাতে নার্সিংহোমের ডিউটিতে ছিলেন ওই বৃদ্ধা৷ অংশুর বাবাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় আনা হয়৷ সারা শরীর ছিল রক্তাক্ত৷ বিশেষত তাঁর মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লেগেছিল৷ নার্সিংহোমে আনার পর একসময় কিছুক্ষণের জন্য তাঁর জ্ঞান ফিরে আসে৷ তখন তিনি দুর্ঘটনার কারণ সম্বন্ধে যা বলেছেন তা হল, তিনি তাঁর স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে লাক্সর থেকে বেরিয়ে কায়রোয় ফিরছিলেন৷ গাড়িটা তিনি এক বন্ধুর থেকে নিয়েছিলেন৷ দুর্ঘটনার সময় গাড়িটা তিনিই চালাচ্ছিলেন৷ অংশু তার মার সঙ্গে পিছনের আসনে ঘুমোচ্ছিল৷ রাত আটটা নাগাদ তিনি নীলনদের দ্বিতীয় সেতুর কাছাকাছি চলে আসেন ওই সেতু পার হয়ে কায়রোয় প্রবেশ করার জন্য৷

    ‘সেতুতে উঠবার আগে দু-পাশে ঘন জঙ্গলময় রাস্তায় যখন তিনি ঢুকলেন তখন টিপটিপ করে বৃষ্টি শুরু হয়েছে৷ ফাঁকা রাস্তা, অন্য কোনো যানবাহন নেই৷ কাজেই বেশ জোরেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন তিনি৷ হেডলাইটের আলোয় হঠাৎই আমন দেখতে পান, বাঘের চেয়েও বিরাট আকৃতির কুকুর জাতীয় প্রাণী জঙ্গল থেকে বেরিয়ে রাস্তা আটকে দাঁড়াল৷ তিনি তখন ওই প্রাণীটার খুব কাছাকাছি চলে এসেছেন৷ ভয় পেয়ে ব্রেক কষতেই সঙ্গে সঙ্গে উলটে গেল গাড়ি৷ এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারেননি আমন৷ ওই দিন রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়৷ যে ট্রাকড্রাইভার তাঁদের দুর্ঘটনাস্থলে প্রথম দেখতে পেয়ে নার্সিংহোমে পৌঁছে দিয়েছিল, নার্সিংহোমের রেকর্ডে তার যে জবানবন্দি আছে তাতেও কিন্তু একটা কুকুর জাতীয় প্রাণীর উল্লেখ আছে৷ উলটে যাওয়া গাড়িটা দেখতে পেয়ে ট্রাক থেকে নেমে পড়েছিল ড্রাইভার আর তার এক সঙ্গী৷ দুমড়েমুচড়ে যাওয়া গাড়ির ভিতর থেকে অনেক কষ্টে তারা বের করে আনে অংশুর বাবা-মাকে৷ তাঁরা দু-জনেই ছিলেন সংজ্ঞাহীন৷ অংশু কিন্তু গাড়ির মধ্যে ছিল না৷ হঠাৎ রাস্তার পাশে একটা ঝোপের মধ্যে থেকে শিশুকন্ঠের কান্নার শব্দে সেদিকে এগিয়ে যায় তারা৷ ট্রাকের হেডলাইটের একটা অস্পষ্ট আলো তেরছাভাবে গিয়ে সেখানে পড়েছিল৷

    ‘ঝোপের কাছাকাছি গিয়ে সেই আলোয় তারা দেখতে পায়, ঝোপের মধ্যে পড়ে আছে একটা শিশু৷ আর তার মাথার কাছে বসে রয়েছে একটা কুকুর বা শিয়ালজাতীয় প্রাণী৷ অন্ধকারে তার চোখ দুটো জ্বলছে৷ তারা আরও কয়েক পা সেদিকে এগোতেই হঠাৎই প্রাণীটা যেন অদৃশ্য হয়ে গেল৷ অবশ্য সেই প্রাণীটার আকৃতির ব্যাপারে ট্রাকড্রাইভার বিশেষ কিছু বলেনি৷ হতে পারে সেটা নিতান্তই সাধারণ কুকুর বা শিয়াল৷ আসলে দীর্ঘক্ষণ গাড়ি চালিয়ে আসার ফলে ক্লান্তিতে ওই কুকুর বা শিয়াল দেখে দৃষ্টিবিভ্রম হয়েছিল অংশুর বাবার৷ যাই হোক, এর পর তিন জনকেই উদ্ধার করে ট্রাকড্রাইভার ও তার সঙ্গী নার্সিংহোমে পৌঁছে দিয়েছিল৷’ ডা. নাসের এবার একটু থামলেন৷ তারপর বললেন, ‘আশা করি এবার কেন আমরা লাক্সরে যাচ্ছি এবং অংশুর ব্যাপারটার মধ্যে যে অন্যরকম রহস্য লুকিয়ে আছে সে সম্বন্ধে আমি আপনাদের মোটামুটি ধারণা দিতে পারলাম৷’ এরপর ডা. নাসের একদম চুপ করে গিয়ে উপরে শুয়ে থাকা ঘুমন্ত অংশুর মুখের দিকে তাকিয়ে কী যেন চিন্তা করতে লাগলেন৷

    আমি ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম, প্রায় বারোটা বাজতে চলেছে৷ ডা. নাসের নিজের জায়গায় একইভাবে বসে রইলেন৷ আর ডা. ঘটক অংশুর নীচের বার্থে শোওয়ার প্রস্তুতি শুরু করলেন৷ আমিও শুয়ে পড়ব, কিন্তু তার আগে একবার বাথরুম যাওয়ার জন্য কুপ থেকে করিডোরে এসে দাঁড়ালাম৷ সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস এসে লাগল আমার গায়ে৷ করিডোরের উজ্জ্বল আলোগুলো সব নিভে গিয়েছে৷ শুধু হালকা একটা নীল আলো ছড়িয়ে আছে৷ আমি সামনের খোলা জানলাটা দিয়ে বাইরের দিকে তাকালাম৷ চোখে পড়ল অপূর্ব এক দৃশ্য৷ সম্ভবত মরুভূমির মধ্যে দিয়ে ট্রেন ছুটে চলেছে৷ যত দূর চোখ যায় চারদিকে জ্যোৎস্না ভেজা উঁচু-নীচু নির্জন বালিয়াড়ি, কেমন যেন একটা মায়াবি পরিবেশ৷ পৃথিবী ছাড়িয়ে আমরা যেন ছুটে চলেছি অন্য কোনো জগতের উদ্দেশে৷ বেশ কিছুক্ষণ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইলাম বাইরের দিকে৷ বেশিক্ষণ সেখানে দাঁড়ালে ঠান্ডা লেগে যাবে৷ তাই এর পর করিডোর দিয়ে আমি গিয়ে দাঁড়ালাম কম্পার্টমেন্টের শেষ প্রান্তে, বাথরুমের সামনে৷

    দু-পাশে দুটো বাথরুম আর তার পরেই অন্য কম্পার্টমেন্ট যাওয়ার ভেস্টিবিউল৷ আমি প্রথমে ডান দিকের বাথরুমের দরজাটা ঠেললাম৷ কিন্তু সেটা খুলল না৷ বুঝতে পারলাম লোক আছে, কারণ দরজাটা ভিতর থেকে বন্ধ৷ তারপর আমি বাঁ-দিকের বাথরুমে ঢুকে পড়লাম৷ মিনিট দু-এক পর আমি বাথরুম থেকে বেরোলাম৷ দেখি, উলটো দিকের বাথরুমের দরজাটা খোলা৷ সম্ভবত যে এতক্ষণ বাথরুমে ছিল দরজা বন্ধ করতে সে ভুলে গিয়েছে৷ বাথরুম থেকে করিডোরে ঢুকতেই আমার চোখে পড়ল, একটা লোক কম্পার্টমেন্টের শেষ প্রান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে৷ আমিও নির্জন করিডোর দিয়ে আমার কুপের দিকে এগিয়ে গেলাম৷

    কুপগুলো সব নিস্তব্ধ৷ সকলেই শুয়ে পড়েছে৷ আমাদের কুপের আলোটাও নিভে গিয়েছে৷ আমাদের কুপের ঠিক সামনে যখন চলে এসেছি, ঠিক তখনই আমার সামনের লোকটা কম্পার্টমেন্টের শেষ প্রান্তে পৌঁছে একটা বাঁক নিল৷ সেখানে একটা মৃদু আলো জ্বলছিল৷ লোকটা বাঁক নিয়ে কুপের আড়ালে অদৃশ্য হওয়ার আগের মুহূর্তে আলোটা এসে পড়ল তার মুখের উপর৷ তার মুখের এক পাশ আমি দেখতে পেলাম৷ আর কেন জানি না, সঙ্গে সঙ্গেই আমি তাকে চিনে ফেললাম৷ লোকটা হল আলতুনিয়া! তাহলে কি সেও আমাদের সঙ্গে লাক্সরে চলেছে! কিন্তু কেন? কুপের ভিতর ঢুকে দেখি, ডা. ঘটক আলো নিভিয়ে শুয়ে পড়েছেন৷ আর ডা. নাসের একইভাবে বসে বসে কী চিন্তা করছেন৷ তাঁকে দেখে আমি উত্তেজনা চাপতে না পেরে বলেই ফেললাম আলতুনিয়াকে দেখার ব্যাপারটা৷ কথাটা শুনেই তড়াক করে লাফিয়ে উঠে তিনি বললেন, ‘কোন দিকে?’

    আমি আঙুল তুলে দেখিয়ে দিলাম৷ ডা. নাসের সঙ্গে সঙ্গে কুপ থেকে বেরিয়ে সেদিকে এগোতে লাগলেন৷ আমিও তাঁর পিছু নিলাম৷ কম্পার্টমেন্টের শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেলাম আমরা৷ কিন্তু সেখানে কেউ নেই! চোখে পড়ল ভেস্টিবিউলের দরজাটা কে যেন উলটো দিক থেকে বন্ধ করে দিয়েছে৷ হয়তো সে-ই পাশের কম্পার্টমেন্টে চলে গিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দিয়েছে৷ ডা. নাসের বেশ কয়েকবার দরজাটার গায়ে ধাক্কা দিলেন৷ কিন্তু সেটা কেউ খুলল না৷ অগত্যা আমরা আবার ফিরে এলাম নিজেদের কুপে৷ কুপে ঢোকার পর ডা. নাসের শুধু একবার বললেন, ‘আমার দৃঢ় ধারণা, আমার বাড়িতে যে চুরিটা হয়েছে সেটা ওরই কাজ৷ প্যাপাইরাস ও অংশুর ক্যাসেটটার মর্মবস্তু কিছুটা হলেও ও নিশ্চিত উদ্ধার করেছে, যে-কারণে ও আমাদের পিছু নিয়েছে৷’

    আমি কিছুক্ষণ চুপচাপ কুপের মধ্যে দাঁড়িয়ে রইলাম৷ তারপর বার্থে উঠে শুয়ে পড়লাম৷ আলতুনিয়া সত্যিই কি চুরি করেছে? সে কি সত্যই আমাদের ফলো করছে? অংশুর ব্যাপারটা আসলে কী? এসব নানা কথা ভাবতে ভাবতে ট্রেনের দুলুনিতে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }