Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ৭

    ৭

    লাক্সর আধুনিক শহর৷ তার গা ছুঁয়ে বয়ে চলেছে নীলনদ৷ নীলনদের জল এখানে সত্যিই ঘন নীল৷ নদীর তীরে উর্বর পলিমাটিতে উন্মেষ হয়েছিল এক প্রাচীন সভ্যতার৷ তখন তার নাম ছিল ‘থিবস’৷ দু-হাজার বছরের বেশি সময় ধরে থিবসই ছিল ফ্যারাওদের লীলাভূমি৷ মৃত্যুর পরেও হাজার হাজার বছর ধরে তাঁরা শায়িত ছিলেন এই থিবসের মাটিতেই৷ লাক্সরের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা বিরাট বিরাট স্থাপত্যশিল্প আজও সাক্ষ্য বহন করে চলেছে প্রাচীন ফ্যারাওদের গৌরবোজ্জ্বল দিনের৷ তবে শহরের মাঝে দাঁড়িয়ে সেসব কিছুর চিহ্নমাত্র দেখতে পাওয়া যায় না৷ তার জন্য যেতে হয় শহরের বাইরে৷ ঝকঝকে রাস্তাঘাট, বড়ো বড়ো বাড়িঘর, শপিং মল, এয়ারপোর্ট, সব মিলিয়ে যেকোনো আধুনিক শহরের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে লাক্সর৷

    ট্রেন থেকে নামার পর সকাল ন-টা নাগাদ আমরা পৌঁছোলাম শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত হোটেল ক্লিওপেট্রায়৷ ডা. নাসের কায়রো থেকে টেলিফোনে আগেই হোটেল বুকিং করে রেখেছিলেন৷ স্টেশন থেকে ট্যাক্সিতে হোটেলে আসবার পথে ড্রাইভারের সঙ্গে একটা চুক্তি করে ফেললেন৷ চুক্তিটা হল, যত দিন আমরা লাক্সরে থাকব তত দিন সে আমাদের সঙ্গে থাকবে৷ তার জন্য তাকে প্রতিদিন একশো পাঁচ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ইজিপ্সিয়ান পাউন্ড দিতে হবে৷ ডা. নাসের আমাদের জানালেন, লাক্সরে নাকি সব কিছুর দাম মার্কিন ডলারের হিসেবে ঠিক করা হয়৷ সম্ভবত অনেক আমেরিকান আর ইউরোপীয় পর্যটক এখানে আসেন বলেই এই নিয়ম৷ ক্লিওপেট্রা, কায়রোর হোটেল রোসেটার মতো বিশাল না হলেও, মন্দ নয়৷ অনেকটা বাংলো প্যাটার্নের তৈরি দোতলা হোটেল৷ আমরা দোতলায় দুটো পাশাপাশি ঘরে জায়গা পেলাম৷ ঠিক হল, তার একটায় থাকবেন দুই ডাক্তার, অন্যটায় আমি আর অংশু৷ ডা. নাসেরের মুখে শুনলাম, দুটো ঘরের বেশি পাওয়া যায়নি৷ কারণ, যে জার্মান দলটা হাটশেপসুটের মন্দিরের কাছে খননকার্য চালাচ্ছে, তারা গত তিন মাস ধরে এই হোটেলেই আছে৷ তাদের দলনেতার নাম হান্স, বললেন ডা. নাসের৷ খবরের কাগজ পড়েই তিনি তাঁর নামটা জেনেছেন৷ তবে এও বললেন যে, একই হোটেলে যখন উঠেছেন তখন তাঁর সঙ্গে পরিচয় হতে নিশ্চয়ই খুব একটা দেরি হবে না৷

    হোটেলে পৌঁছোবার ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে স্নান-খাওয়া সেরে বাইরে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে নিলাম আমরা৷ অংশুকে নিয়ে আমি যখন ঘরের বাইরে পা রাখতে যাব তখন আমার ঘরে ঢুকলেন ডা. নাসের ও ডা. ঘটক৷ তাঁরা দু-জনেই বাইরে যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ তৈরি৷ ঘরে ঢোকার পরই ডা. নাসের দরজাটা ভিতর থেকে বন্ধ করে দিলেন৷ আমি কিছু বুঝতে না পেরে তাকালাম ডা. ঘটকের দিকে৷ তিনি বললেন, ‘ডা. নাসের তোমার জিম্মায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস রাখতে চান৷’

    আমি বললাম, ‘কী জিনিস?’

    ডা. নাসের এবার তাঁর পকেট থেকে বের করলেন একটা লম্বা কৌটো৷ কৌটোটা দেখতে ঠিক ঠান্ডা পানীয়ের ক্যানের মতো৷ ডা. নাসের তার মধ্যে থেকে বের করে আনলেন রোলকরা কাগজের মতো জিনিস৷ তারপর তিনি সেটা মেলে ধরলেন খাটের উপর৷ দেখলাম, সেটা আসলে একটা প্যাপাইরাস৷ দৈর্ঘ্যে ইঞ্চি পাঁচেক হলেও প্রস্থে প্রায় তিন ফুট৷ জিনিসটা যে অতি প্রাচীন তা দেখলেই বোঝা যায়৷ জিনিসটার মধ্যে ছোটো ছোটো ছবির মতো হাইয়ারোগ্লিফিক্স আঁকা রয়েছে৷ কিছু জায়গা তার অস্পষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ সম্ভবত বয়সের জন্যেই এমন হয়েছে৷ জিনিসটা কিছুক্ষণ খাটের উপর মেলে ধরার পর ডা. নাসের আবার সেটা আগের মতো গুটিয়ে ফেলে বললেন, ‘এটা আরও লম্বা ছিল৷ বলতে পারেন এটা অর্ধেক মাত্র৷ বাকি অর্ধেকটা সেদিন আমার বাড়ি থেকে চুরি হয়ে গিয়েছে৷ এটাও যেত৷ কিন্তু ব্যাঙ্কের ভল্টে ছিল বলে বেঁচে গিয়েছে৷ এই প্যাপাইরাসের বয়স তিন হাজার বছরেরও বেশি৷ এর অর্ধেকটা আমার বাড়ি থেকে কে হস্তগত করেছে, সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত৷ আমার ধারণা সে এটাও হাতাবার চেষ্টা করবে৷ তাই এটা আপনার কাছে লুকিয়ে রাখতে চাই৷’ এই বলে তিনি আমার দিকে তাকালেন৷

    আমি বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করলাম, ‘আমার কাছে! কিন্তু কোথায়?’

    ডা. নাসের আঙুল তুলে খাটের উপর রাখা আমার ক্যামেরার ব্যাগটা দেখিয়ে দিলেন৷ আমি বললাম, ‘ওর মধ্যে? যে কেউই তো ওর মধ্যে থেকে জিনিসটা ছিনিয়ে নিতে পারে৷’

    ডা. নাসের বললেন, ‘প্যাপাইরাসটা ওর মধ্যে থাকবেও, আবার থাকবেও না৷’

    আমি তাঁর অদ্ভুত কথা শুনে বললাম, ‘মানে?’

    তিনি হেসে বললেন, ‘আপনি ব্যাগটার মধ্যে থেকে আগে সব জিনিসপত্র বের করুন৷’

    তাঁর কথামতো ব্যাগটার মধ্যে থেকে সব কিছু বের করে ফেললাম৷ সব কিছু বলতে ক্যামেরা, দুটো টেলিলেন্স আর গোটাকতক রঙিন ফিলটার, ইউ ভি ফিলটারের চাকতি৷ ডা. নাসের একটা টেলিলেন্স হাতে নিয়ে বললেন, ‘এর মাথার দিকের কাচটা খোলা যায় তো?’

    আমি উত্তর দিলাম, ‘হ্যাঁ৷’

    সঙ্গেসঙ্গেই বুঝতে পারলাম তিনি কী বলতে চাইছেন৷ কয়েক মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়ে গেল কাজটা৷ রোলকরা প্যাপাইরাসটা দিব্যি ঢুকে গেল টেলিলেন্সের ভিতরে৷ বাইরে থেকে যাতে বোঝা না যায়, তার জন্য আমি তার মুখে পরিয়ে দিলাম একটা নীল রঙের কাচের ফিলটার৷ ব্যস, আর কোনো কিছু বোঝার উপায় রইল না৷ অংশু অবাক হয়ে সব কিছু দেখল, কিন্তু মুখে কিছু বলল না৷

    কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্যামেরার ব্যাগ কাঁধে নিয়ে আমরা গাড়িতে উঠে বসলাম৷ অংশু বসল ড্রাইভারের পাশে, আর আমরা তিন জন বসলাম পিছনে৷ আমি ভেবেছিলাম, আমরা নিশ্চয়ই হাটশেপসুটের মরচুয়ারিতে যাব৷ কিন্তু ডা. নাসের ড্রাইভারকে কার্নাক যাওয়ার নির্দেশ দিলেন৷ যদিও কার্নাক আর হাটশেপসুটের মন্দির একই পথে না আলাদা পথে, সে সম্বন্ধে আমার কোনো ধারণা ছিল না৷ নীলনদের গা বেয়ে ঝকঝকে রাস্তা ধরে গাড়ি চলতে শুরু করল৷ স্টেশন থেকে হোটেলে আসার পথে বা কার্নাক যাওয়ার পথে একটা জিনিস লক্ষ করলাম, লাক্সরের প্রধান রাস্তাগুলো সবই প্রায় নীলনদের পার ধরে তৈরি হয়েছে৷ রাস্তায় চলতে চলতেই গাড়ির ভিতর থেকে দেখা যাচ্ছে নীলনদের বুকে ভেসে চলা সাদা রঙের বিরাট বিরাট ক্রুজ জাহাজ বা প্রমোদতরী আর পালতোলা নৌকোগুলোকে৷ এমনকী প্রমোদতরীর ডেকে দাঁড়ানো মানুষদেরও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘লাক্সরের তিনটে অংশ৷ এক, লাক্সর শহর, দুই, নীলনদের পশ্চিম তীরে অবস্থিত ফ্যারাও এবং তাঁর রানিদের প্রাচীন সমাধিক্ষেত্র ভ্যালি অব কিংস ও ভ্যালি অব কুইনস এবং তিন, শহরের উত্তর-পূর্ব কোনে অবস্থিত কার্নাক৷ কার্নাক হল আসলে একটা গ্রাম৷ ওখানে আজও প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে মিশরীয় স্থাপত্যকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কার্নাক মন্দির৷ আমি অন্তত তিরিশবার গিয়েছি ওখানে৷ কিন্তু প্রতিবারই আমার মনে হয়েছে, যেন প্রথমবার পা রাখলাম কার্নাকের মন্দির চত্বরে৷ এমনই বড়ো, এমনই তার সৌন্দর্য, তার প্রতিটি সোপানশ্রেণি, প্রতিটি পাথর, স্তম্ভমূর্তি যেন স্মরণ করিয়ে দেয় ফ্যারাওদের গৌরবোজ্জ্বল নানা অধ্যায়ের কথা৷’

    মন্দিরে ঢোকার দু-পাশে সার সার ভেড়ামুখো স্ফিংক্স বসানো আছে৷ প্রত্যেক স্ফিংক্সের সামনের দুই থাবার মাঝে একজন করে ফ্যারাওয়ের মূর্তি৷

    ডা. নাসের আমাদের এই ভেড়ামুখো স্ফিংক্সগুলো দেখিয়ে বললেন, ‘আপনারা জানেন যে, প্রাচীন মিশরের প্রধান দেবতা ছিলেন সূর্যদেব৷ ফ্যারাওরা নিজেদের তাঁর অংশ বা সন্তান বলে শাসনকার্য পরিচালনা করতেন৷ আসলে ঐশ্বরিক ব্যাপারটা ফ্যারাওদের নামের সঙ্গে যুক্ত রাখা হত ধর্মভীরু প্রজাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য৷ ভেড়ামুখো স্ফিংক্স আসলে হচ্ছে সূর্যদেব বা আমনের প্রতিমূর্তি৷ আর ওঁদের থাবার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা মূর্তিগুলো সবই আসলে ফ্যারাও দ্বিতীয় রামেসিসের মূর্তি৷ এর মাধ্যমে বোঝানো হচ্ছে যে, পিতা সূর্যদেব বা আমন রক্ষা করছেন তাঁর পুত্র দ্বিতীয় রামেসিসকে৷ আর একটা কথা আমি আপনাদের বলি, ফ্যারাওদের ঐশ্বরিক ব্যাপারটা সবচেয়ে বেশি প্রচার করতেন সমাজের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তিবর্গ অথবা পুরোহিতরা৷ নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্যই তাঁরা এসব করতেন৷ লুকোনো মাটির নীচের সুড়ঙ্গপথে তাঁরা হাজির হতেন আমনের মূর্তির পিছনে৷ সেখানে দাঁড়িয়ে তাঁরা বক্তব্য রাখতেন৷ মূর্তির সামনে জড়ো-হওয়া মানুষরা ভাবত স্বয়ং আমনই বলছেন ওইসব কথা৷ কার্নাক মন্দিরের নির্মাতা আমেনহোটেপের যখন জন্ম হয় তখন তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছিল৷ কেউ যাতে সদ্যোজাত আমেনহোটেপের কোনো ক্ষতি করতে না পারে তাই কৌশলী প্রধান পুরোহিত আমনের মূর্তির পিছনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, যে শিশু জন্ম নিয়েছে সে আমার সন্তান৷ শুনে সকলে ভেবেছিল স্বয়ং সূর্যদেবই ঘোষণা করলেন কথাটা৷’

    ডা. নাসেরের কথাগুলো ভবিষ্যতে আমার কাজে আসতে পারে ভেবে পকেট ডায়েরিতে নোট করে নিলাম৷ পাথর-বাঁধানো পথ বেয়ে এসে দাঁড়ালাম কার্নাক মন্দিরের প্রথম তোরণের সামনে৷ চল্লিশ ফুটেরও বেশি উঁচু হবে এই তোরণ, ঘাড় উঁচু করে দেখতে হয়৷ তবে তার কাজ অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছে৷ প্রথম তোরণ অতিক্রম করে আমরা এসে দাঁড়ালাম চারদিক প্রাচীর দেওয়া একটা খোলা জায়গায়৷ প্রাচীরের গায়ে আঁকা ও খোদাই করা নানাধরনের ছবি৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘এ ছবিগুলো মিশরের চলন্ত ইতিহাস! নানাধরনের ছবি আছে৷ তাতে ফ্যারাওদের রাজ্যাভিষেকের দৃশ্য, তাদের বিচারালয়, ফ্যারাও এবং সেই সময়ের মিশরবাসীদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, উৎসব থেকে শুরু করে একদম শেষযাত্রার দৃশ্য পর্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে৷ লক্ষ করলাম, অংশু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে সেগুলো৷ এতটাই মনোযোগ দিয়ে সে ছবিগুলো দেখার চেষ্টা করছে যে, মাঝে মাঝে সে আমাদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ছে৷ আর একটা ব্যাপার লক্ষ করলাম, ডা. নাসের আমাদের বোঝার সুবিধের জন্য নানা কথা বলছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর দৃষ্টি আসলে অংশুর মুখের উপর নিবদ্ধ৷ মনে হল, তিনি যেন ছবিগুলো দেখার সময় অংশুর মুখের অভিব্যক্তি পড়ার চেষ্টা করছেন৷ হাঁটতে হাঁটতে আমরা হাজির হলাম দ্বিতীয় তোরণের সামনে৷ এরই মধ্যে বেশ কয়েকটা ফোটোও তুলে নিলাম৷ দ্বিতীয় তোরণের একটু আগে দাঁড়িয়ে ফ্যারাও দ্বিতীয় রামেসিসের বিশাল দুটো মূর্তি৷ দ্বিতীয় তোরণ পেরিয়ে আমরা ঢুকলাম বিরাট একটা হলঘরে৷ এত বড়ো হলঘর আমি এর আগে কখনো দেখিনি৷ দানবাকৃতির অসংখ্য স্তম্ভ ধরে রেখেছে মাথার উপরে পাথুরে ছাদকে৷ হলঘরের মধ্যে আলোআঁধারি খেলা করছে৷ একটু জোরে কথা বললেই সেই শব্দ প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে আসছে কানে৷ বেশ মজা লাগছে শুনতে৷ ডা. ঘটককেও দেখলাম, তাঁর স্বাভাবিক গাম্ভীর্য ভুলে দু-বার জোরে জোরে ‘অংশু অংশু’ বলে ডাকতে৷ সঙ্গেসঙ্গেই অংশু ডাকটা প্রতিধ্বনিত হতে লাগল৷ অংশুও হাততালি দিতে লাগল৷ ডা. নাসেরের মুখে শুনলাম, এর নাম ‘হাইপোস্টাইল হল’৷ অসংখ্য ছোটো-বড়ো মূর্তি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা আছে বিভিন্ন জায়গায়৷ ডা. নাসের আমাদের সব কিছু বুঝিয়ে দিতে লাগলেন৷ হাইপোস্টাইল হল থেকে বেরিয়ে একের পর এক তোরণ পেরিয়ে আমরা এসে দাঁড়ালাম অপেক্ষাকৃত ছোটো মাপের ষষ্ঠ তোরণের সামনে৷ ডা. নাসের জানালেন, এই ষষ্ঠ তোরণ তৈরি করান ফ্যারাও তৃতীয় টুথমোসিস এবং আগের পঞ্চম তোরণটি তৈরি করান ফ্যারাও প্রথম টুথমোসিস, যিনি ছিলেন রানি হাটশেপসুটের বাবা৷

    হাটশেপসুটের কথা শুনে আমি আগ্রহী হয়ে ডা. নাসেরকে প্রশ্ন করলাম, ‘আচ্ছা, হাটশেপসুটের তৈরি কিছু নেই এখানে?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘আছে৷ আপনি দেখতে চান? তাহলে আমার সঙ্গে আসুন৷’ এই বলে তিনি আবার পিছনে ফিরলেন৷

    কিছুটা অক্ষত একটা ফ্যারাও মূর্তি দেখিয়ে ডা. নাসের বললেন, ‘এটাই হল হাটশেপসুটের মূর্তি৷ রানি হাটশেপসুট পুরুষদের মতো পোশাক পরতেন৷ এখানকার দেওয়ালে খোদিত ফ্যারাও মূর্তিগুলো সবকটাই হাটশেপসুটের৷ তবে মূর্তিগুলোকে যে আপনারা ভাঙা দেখছেন, তা কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে নয়৷ আসলে মূর্তিগুলোকে ভেঙে ফেলা হয়েছিল৷ রানি হাটশেপসুট তাঁর পঁচিশ বছরের রাজত্বকালে কার্নাক মন্দিরের বিভিন্ন দেওয়ালে এ জাতীয় অনেক মূর্তি খোদাই করান৷ কিন্তু হাটশেপসুটের মৃত্যুর পর তৃতীয় টুথমোসিস সিংহাসনে বসে লাক্সর সহ মিশরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা তাঁর সমস্ত কীর্তি ধ্বংস করার নির্দেশ দেন৷ আসলে একজন মহিলাকে তিনি তাঁর পূর্বসূরি বলে মানতে চাননি৷ একমাত্র মরচুয়ারি মন্দিরই এই ধ্বংসলীলা থেকে রক্ষা পায়৷ সম্ভবত কোনো ধর্মীয় কারণেই ফ্যারাও তৃতীয় টুথমোসিস মরচুয়ারি মন্দিরে হাত দেননি৷’

    কার্নাক মন্দির দেখতে আমাদের ঘণ্টা তিনেক কেটে গেল৷ তারপর বেশ কিছুক্ষণ মন্দির চত্বরে বসে গল্প করলাম আমরা৷

    কথা প্রসঙ্গে ডা. নাসের বললেন, ‘আমি আপনাদের প্রথমে এখানে নিয়ে এলাম দুটো কারণে৷ প্রথমত, কার্নাক মন্দির মিশরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দর্শনীয় স্থান৷ পরে যদি কোনো কারণে আপনাদের দেখাতে না পারি তাই আগেই দেখিয়ে রাখলাম৷ দ্বিতীয়ত, আলতুনিয়া যদি সত্যিই পিছু নিয়ে এখানে এসে থাকে তাহলে আমাদের এখানে আসায় সে কিছুটা বিভ্রান্ত হবে৷ কারণ, সে নিশ্চয়ই হাইয়ারোগ্লিফিকটা পড়েছে, এ ব্যাপারে তাকে বিশেষজ্ঞও বলা যেতে পারে৷ কাজেই তার নিশ্চয়ই ধারণা ছিল যে, লাক্সরে নেমেই আমরা প্রথমে ছুটব হাটশেপসুটের মরচুয়ারির দিকে৷ হয়তো সে এখন গিয়ে বসে আছে হাটশেপসুটের মরচুয়ারি মন্দিরে৷ আমরা কাল ভোরে রওনা হব সেদিকে৷’

    অংশু একসময় আমাদের চেয়ে একটু দূরে গিয়ে একটা স্ফিংক্সের থাবার উপর চড়ে বসল৷ সেই সুযোগে আমি আমার মনের মধ্যে জমে থাকা বেশ কয়েকটা প্রশ্ন ডা. নাসেরকে একসঙ্গে জিজ্ঞেস করে ফেলাম, ‘আচ্ছা প্যাপাইরাসে ঠিক কী লেখা আছে? তার সঙ্গে অংশুর কথার কোথায় মিল আছে? হাটশেপসুটের মরচুয়ারির সঙ্গে সেসবের সম্পর্কটাই বা কী?’

    ডা. নাসের হয়তো উত্তর দিতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু অংশু স্ফিংক্সের উপর থেকে নেমে আমাদের দিকে এগিয়ে আসতে লাগল৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘একথা এখন থাক, পরে আপনাদের সব বুঝিয়ে বলব৷’

    কার্নাক মন্দির ছেড়ে আমরা যখন হোটেলে ফেরার জন্য গাড়িতে উঠে বসলাম, সূর্য তখন পশ্চিম আকাশে হেলে পড়েছে৷ তার লাল আভা ছড়িয়ে পড়েছে কার্নাক মন্দিরের পাথুরে স্তম্ভে৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }