Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ৮

    ৮

    ভোর ছ-টার মধ্যেই ঘুম থেকে উঠে পড়লাম আমরা৷ স্নান সেরে, ব্রেকফাস্ট খেয়ে যখন আমরা হোটেলের বাইরে পা রাখলাম, তখন ঘড়িতে কাঁটায় কাঁটায় সাতটা বাজে৷ সঙ্গে দুটো ছোটো ব্যাগে হালকা কিছু জিনিসপত্র নিয়েছি৷ কারণ, রাতে আর হোটেলে ফিরব না আমরা৷ কার্নাক মন্দির থেকে হোটেলে ফিরে আসার পর আমাদের সঙ্গে ডা. হান্সের পরিচয় হয়েছে৷ হান্স হলেন সেই জার্মান প্রত্নবিদ, যাঁর নেতৃত্বে হাটশেপসুটের মরচুয়ারির কাছে খননকার্য চলছে৷ তাঁকে না দেখার আগে আমার ধারণা ছিল, তিনি মনে হয় প্রবীণ মানুষ হবেন৷ কিন্তু দেখলাম, তিনি একজন বছর তিরিশের তরতাজা যুবক৷ চেহারাটাও খুব সুন্দর৷ দীর্ঘ শরীরে কোথাও একফোঁটা বাড়তি মেদ নেই৷ মাথায় একরাশ সোনালি রঙের ঝাঁকড়া চুল, নীল রঙের উজ্জ্বল চোখ, নাক-মুখ সব কিছুই যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা৷ কথাবার্তাতেও বেশ একটা সপ্রতিভ ভাব আছে৷ তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়ে আমাদের সকলেরই বেশ ভালো লেগেছে৷ হান্স মাঝে মাঝে রাতে থেকে যান মরচুয়ারির কাছে ফেলা তাঁবুতে৷ খননকার্যের শ্রমিকরা ওখানেই থাকে৷ আগামীকাল পূর্ণিমা, জ্যোৎস্নার আলোয় নাকি আশ্চর্য সুন্দর লাগে সেই রহস্যময় উপত্যকা৷ তাই তাঁরই আমন্ত্রণে আমরা দুটো রাত কাটাতে চলেছি সেখানে৷ তিনি অবশ্য আরও ভোরে সেদিকে রওনা হয়ে গিয়েছেন৷ ওখানেই তাঁর সঙ্গে আমাদের আবার দেখা হওয়ার কথা৷

    হোটেলের বাইরে মিনিট দশেক আমাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হল গাড়ির জন্য৷ গাড়ি আসার পর ড্রাইভার জানাল, তার নাকি টায়ার পাংচার হয়ে গিয়েছিল৷ তাই আসতে দেরি হল৷ যাই হোক, আমরা চেপে বসলাম গাড়িতে৷ আমাদের গন্তব্য নীলনদের পশ্চিম তীরবর্তী অঞ্চল৷ গাড়ি শহর ছাড়িয়ে নীলনদের ব্রিজ পেরিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই এসে পড়ল এক অজানা প্রান্তরে৷ তার বুক চিরে চলেছে মসৃণ কালো রাস্তা৷ সবেমাত্র আটটা বাজে৷ কিন্তু এর মধ্যেই রোদের তেজ বাড়তে শুরু করেছে৷ বেশ গরম লাগছে৷ অনেক দূরে আকাশের কোলে একটা কালো রেখা৷

    ডা. নাসের বললেন, আমরা নাকি যাচ্ছি ওখানেই৷ কালো রেখাটা আসলে পাহাড়শ্রেণি৷ ওই পাহাড়ি উপত্যকাতেই শায়িত আছেন প্রাচীন মিশরের ফ্যারাও এবং তাঁদের রানিরা৷ আর তার কাছেই রয়েছেন রানি হাটশেপসুটের মরচুয়ারি মন্দির৷

    আমি ডা. নাসেরকে রানি হাটশেপসুটের সম্বন্ধে বলতে অনুরোধ করলাম৷ তিনি বলতে শুরু করলেন, ‘প্রাচীন মিশরের ইতিহাসে বেশ কয়েকজন রানির নাম শোনা যায়, যাঁরা বিভিন্ন কারণে বিখ্যাত৷ তাঁদের মধ্যে নেফারতিতি ও ক্লিওপেট্রার নাম প্রায় সকলেই জানে৷ গল্প-কাহিনির দৌলতে তাঁদের নাম ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে৷ রানি নেফারতিতি বা রানি ক্লিওপেট্রা বিখ্যাত ছিলেন তাঁদের অপরূপ সৌন্দর্যের জন্য৷ রানি হাটশেপসুট কিন্তু মিশরের ইতিহাসে বিখ্যাত অন্য কারণে৷ হাটশেপসুটই একমাত্র রানি, যিনি একটানা প্রায় পঁচিশ বছর ফ্যারাও হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মিশরের শাসনকার্য পরিচালনা করেছেন৷

    ‘বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মহিলাকে মিশরের সিংহাসনে বসতে হয়েছে, সাধারণত তাঁদের সিংহাসনে বসতে হয়েছিল নানা সংকটের কারণে৷ যেমন, হঠাৎ ফ্যারাওয়ের মৃত্যু বা তাঁর উত্তরাধিকারী না থাকা ইত্যাদি৷ কিন্তু তাঁদের মধ্যে কেউই হাটশেপসুটের মতো স্থায়ীভাবে ফ্যারাওয়ের সিংহাসনে নিজের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি৷ কয়েক বছর আনুষ্ঠানিকভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করার পর তাঁদের দায়িত্ব তুলে দিতে হয়েছে অন্যের হাতে৷ তাঁরা শাসনকার্য পরিচালনা করলেও কেউই কিন্তু নিজেদের ফ্যারাও হিসেবে ঘোষণা করেননি৷ তাঁরা মূলত রানি হিসেবেই থেকে গিয়েছিলেন৷ ব্যতিক্রম শুধু হাটশেপসুট, যিনি নিজেকে ফ্যারাও হিসেবে ঘোষণা করেন এবং দক্ষতার সঙ্গে আমৃত্যু শাসনকার্য পরিচালনা করেন৷

    ‘মিশরের প্রথম মহিলাশাসকের নাম সেবেকনেফ্রু৷ তিনি ছিলেন ফ্যারাও চতুর্থ আমনক্রমহেটের স্ত্রী৷ তাঁর মৃত্যুর পর ১৭৮৭ থেকে ১৭৮৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত অর্থাৎ মাত্র চার বছর রানি হিসেবে মিশরের শাসনকার্য পরিচালনা করেন৷ তবে তিনি মূলত পুরোহিতদের নির্দেশেই শাসনকার্য পরিচালনা করতেন৷ হাটশেপসুট ছিলেন ফ্যারাও প্রথম টুথমোসিসের মেয়ে৷ একথা আমি আপনাদের আগে বলেছি৷ সেকালের প্রথা অনুযায়ী হাটশেপসুটের বিয়ে হয় তাঁর বৈমাত্রেয় ভাই প্রথম টুথমোসিসের ছেলে দ্বিতীয় টুথমোসিসের সঙ্গে৷ প্রথম টুথমোসিসের মৃত্যুর পর ফ্যারাও হন দ্বিতীয় টুথমোসিস, আর প্রধান রানি হন হাটশেপসুট৷ ১৪৭৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে যখন দ্বিতীয় টুথমোসিসের মৃত্যু হয়, তখন তাঁর আর এক রানির সন্তান, সিংহাসনের উত্তরাধিকারী তৃতীয় টুথমোসিস ছিলেন শিশু৷ হাটশেপসুটের কোনো ছেলে ছিল না৷ তাঁর ছিল একটিমাত্র মেয়ে, নাম নেফ্রুর৷ সেও তখন ছিল নাবালিকা৷ এরকম অবস্থায় মিশরের শাসনকার্য পরিচালনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন হাটশেপসুট৷ কিন্তু তাঁর এই দায়িত্ব গ্রহণ ছিল তৃতীয় টুথমোসিসের প্রতিনিধি হিসেবে৷ কার্নাক মন্দিরের গায়ে এক চিত্রলিপিতে এর সপক্ষে প্রমাণও মিলেছে৷ সেই ছবিতে দেখা যায়, প্রথমে রাজছত্র মাথায় দাঁড়িয়ে আছেন তৃতীয় টুথমোসিস আর তাঁর এক-পা পিছনে রানির মুকুট পরে দাঁড়িয়ে আছেন হাটশেপসুট৷ এই ছবি থেকেই বোঝা যায় প্রাথমিক অবস্থায় তিনি ছিলেন নাবালক ফ্যারাওয়ের প্রতিনিধি৷

    ‘কিন্তু দু-বছর শাসনকার্য এভাবে পরিচালনার পর ১৪৭৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সূর্যদেব আমনরার উৎসবের দিনে সমবেত জনতার সামনে হঠাৎই হাটশেপসুট নিজেকে ফ্যারাও হিসেবে ঘোষণা করেন৷ এবং তার সঙ্গেসঙ্গে নিজেকে ঘোষণা করেন আপার ইজিপ্ট ও লোয়ার ইজিপ্টের অধীশ্বর হিসেবে৷ আমি কী বলছি তা লক্ষ করবেন, অধীশ্বরী নন কিন্তু, অধীশ্বর৷ অর্থাৎ একই সঙ্গে তিনি নিজেকে পুরুষ হিসেবেও চিহ্নিত করেন৷ কারণ, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় একজন মহিলাকে কেউ ফ্যারাও বলে মেনে নেবে না৷ তাই তাঁর এই ঘোষণা৷ তিনি বলেন যে, তিনি আসলে আমনরার সন্তান এবং তিনি পুরুষ৷ এর পর তাঁর সাজপোশাকও পালটে যায়৷ ফ্যারাওদের অর্থাৎ পুরুষদের মতো পোশাক পরতে শুরু করেন তিনি৷ এমনকী, ফ্যারাওদের মতো নকল লম্বা দাড়িও পরতে থাকেন৷ যে কারণে কার্নাক মন্দিরে বা মরচুয়ারি মন্দিরে তাঁর যেসব ছবি বা মূর্তি দেখা যায়, তা দেখে প্রাথমিক অবস্থায় সকলেই তাঁকে পুরুষ বলে ভুল করে৷

    ‘এ তো গেল হাটশেপসুটের সিংহাসনে বসার গল্প৷ কিন্তু শাসক হিসেবেও তিনি অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দেন৷ আশপাশের রাজ্যগুলোর সঙ্গে তিনি বন্ধুত্বমূলক সম্পর্ক স্থাপন করে তাঁর সাম্রাজ্যের নিরাপত্তা সুদৃঢ় করেন ও ব্যাবসাবাণিজ্যের উন্নতিসাধন করেন৷ ইথিওপিয়ায় তাঁর বাণিজ্যতরী বাণিজ্য করতে যেত৷ সোনা ও সম্পদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সুদানে এক সামরিক অভিযানও করেন তিনি৷ তবে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল, নিজের মরচুয়ারি মন্দির তৈরি, যা দেখে আজও আমাদের বিস্মিত হতে হয়৷’

    তন্ময় হয়ে ডা. নাসেরের কথা শুনছিলাম৷ হঠাৎ অংশু বলল, ‘আমরা কি পাহাড়ে উঠছি?’

    বাইরে তাকিয়ে দেখি, সত্যিই এক রুক্ষ পাহাড় বেয়ে উঠতে শুরু করেছি আমরা৷ চারদিকে কোনো সবুজের চিহ্ন নেই৷ সর্বত্র শুধু হলদেটে রঙের পাথরের স্তূপ৷ তার মধ্যে দিয়ে রাস্তা ক্রমশ উপরের দিকে উঠে গিয়েছে৷ গাড়ির গতি ধীর হয়ে আসতে লাগল৷ পাকদণ্ডীর কোনো কোনো বাঁক বেশ সংকীর্ণ৷ একটু এদিক-ওদিক হলে নীচে আছড়ে পড়তে হবে৷ যত আমরা উপরে উঠছি ততই যেন পাল্লা দিয়ে রোদের তেজ বাড়ছে৷ গাড়ির মধ্যে ঘেমে উঠতে লাগলাম আমরা৷ বেশ খানিকটা উপরে ওঠার পর একটা পাথুরে টিলায় চোখে পড়ল একটা ছোট্ট বাড়ি৷

    সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে ডা. নাসের বললেন, ‘ওটা হল হাওয়ার্ড কার্টারের বাড়ি, যিনি তুতানখামেনের সমাধি আবিষ্কার করেন৷ ওই বাড়িতেই থাকতেন তিনি৷’

    একসময় আমরা উঠে এলাম পাহাড়ের উপর এক চত্বরে৷ বেশ কয়েকটা রাস্তা বেরিয়েছে সেখান থেকে৷ ঢালু হয়ে তারা আবার পাথুরে দেওয়ালের গা ঘেঁষে নীচের দিকে অদৃশ্য হয়েছে৷ চত্বরের এক পাশে বিরাট এক সাইনবোর্ডে একটা ম্যাপ আঁকা আছে৷ আর ম্যাপের মাথার উপর ইংরেজিতে বড়ো বড়ো হরফে লেখা আছে, ‘ওয়েলকাম টু ভ্যালি অফ কিংস’৷ বুঝতে পারলাম, আমরা এসে গিয়েছি ফ্যারাওদের সেই প্রাচীন সমাধিস্থানে৷

    ডা. নাসের বললেন, ‘আমরা কিন্তু এখানে এখন থামব না৷’ তারপর একটু দূরে এক উপত্যকার দিকে আঙুল তুলে বললেন, ‘ওটা হল, ‘ভ্যালি অব কুইনস’৷ এর মধ্যে দূরত্ব তিন কিলোমিটার৷ এই ভ্যালি অব কিংসের পূর্ব থেকে পশ্চিমে ছড়িয়ে রয়েছে ফ্যারাওদের অসংখ্য টুম বা সমাধি৷ এই ফ্যারাওরা প্রত্যেকেই ১৫৬০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ১১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ মধ্যবর্তী সময়ে মিশরের সিংহাসনে বসে ছিলেন৷ তবে তাঁদের সমাধিগুলোয় কিছুই আর অবশিষ্ট নেই বললেই চলে৷ যুগ যুগ ধরে চোরের দল লুন্ঠন করে নিয়েছে সমাধির মধ্যে রাখা ফ্যারাওদের অতুলনীয় সম্পদ৷ আর তাঁদের মমিগুলো অধিকাংশই এখন রাখা আছে কায়রো মিউজিয়ামে৷ তুতানখামেনের মমি অবশ্য এখনও এখানেই আছে৷ এ প্রসঙ্গে আপনাদের একটা কথা বলি৷ যেহেতু রানি হাটশেপসুট নিজেকে ফ্যারাও এবং পুরুষ বলে ঘোষণা করেছিলেন, তাই তাঁর মমি প্রাথমিক অবস্থায় ভ্যালি অফ কুইনসের বদলে এখানেই রাখা হয়৷ পরবর্তীকালে নাকি তাঁর মমি এখান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নুবিয়ান মরুভূমিতে পুঁতে ফেলা হয়৷ সম্ভবত এ কাজ হয় ফ্যারাও তৃতীয় টুথমোসিসের নির্দেশে৷ তিনি মিশরের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিলেন হাটশেপসুটের নাম৷’

    ডা. ঘটক জিজ্ঞেস করলেন, ‘কেন?’

    ডা. নাসের বললেন, ‘প্রথমত, হাটশেপসুটের জন্য তাঁর সিংহাসনে বসা বিলম্বিত হয়েছিল৷ ফলে তাঁর প্রতি তৃতীয় টুথমোসিসের একটা স্বাভাবিক আক্রোশ ছিল৷ দ্বিতীয়ত, পুরুষতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একজন মহিলাকে ফ্যারাওয়ের মর্যাদা দিতে কেউ চাননি৷ শুধু তৃতীয় টুথমোসিসই নন, তাঁর পরবর্তীকালে কোনো রাজাই তাঁকে ফ্যারাও হিসেবে চিহ্নিত করতে চাননি৷ অথচ হাটশেপসুট বিদ্যা, বুদ্ধি, রাজ্যশাসনের ব্যাপারে অন্যদের চেয়ে কোনো অংশে কম ছিলেন না৷’

    ডা. নাসেরের কথা শুনতে শুনতে আমরা উপত্যকার ঢাল বেয়ে নামতে শুরু করলাম৷ বেশ কিছুটা নীচে নামার পর আবার উপরে ওঠার পালা৷ এবড়োখেবড়ো রাস্তা বলে গাড়িও চলছে খুব ধীর গতিতে৷ ভ্যালি অফ কিংস থেকে নীচে নেমে ভ্যালি অফ কুইনসের গা বেয়ে চলতে লাগলাম আমরা৷ রাস্তার পাশে পাহাড়ের গায়ে হঠাৎ চোখে পড়ল একটা গুহামুখ৷ তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকজন স্থানীয় মানুষ৷ সাদা চামড়ার পর্যটকদের কয়েকটা গাড়ি সেখানে দাঁড়িয়ে আছে৷ একটা সাইনবোর্ডও টাঙানো রয়েছে গুহামুখের মাথায়৷ কিন্তু তাতে এত ছোটো হরফে লেখা আছে যে, চলন্ত গাড়ি থেকে তা পড়া সম্ভব নয়৷ আমাদের গাড়ি গুহার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বেশ কয়েকজন স্থানীয় মানুষ গাড়ির দিকে এগিয়ে এল৷ ডা. নাসের হাত নেড়ে বুঝিয়ে দিলেন যে, আমরা এখানে থামব না৷ এর পর তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেন, ‘এটা হল রানি নেফারতিতির সমাধিতে ঢোকার পথ৷ যে লোকগুলো গাড়ি থামাবার চেষ্টা করেছিল তারা হল গাইড৷ নেফারতিতির গুহায় বেশ কিছু সুন্দর চিত্রলিপি আছে৷ তবে গুহার শেষ প্রান্তে যেখানে রানির সমাধিকক্ষ আছে, সে পর্যন্ত কাউকে যেতে দেওয়া হয় না৷ কারণ, সরকারি নিষেধাজ্ঞা আছে৷’

    নেফারতিতির গুহা ছাড়িয়ে আরও একটু এগোবার পর আমরা হাজির হলাম আরও রুক্ষ এক অঞ্চলে৷ রাস্তার দু-পাশে শুধু বিরাট বিরাট পাথরের স্তূপ আর দিগন্ত বিস্তৃত বালিয়াড়ি৷ সূর্যকিরণে তারা যেন দাউদাউ করে জ্বলছে৷ চারদিকে কোথাও কোনো প্রাণের চিহ্ন নেই৷ সম্পূর্ণ অচেনা এ জগৎ! দেখে মনের মধ্যে কেমন যেন ভয় করে৷ কাউকে যদি এখানে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তার মৃত্যু একদম নিশ্চিত৷ অংশু আর ডা. ঘটককেও দেখলাম, চুপ করে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকতে৷ মনে মনে এ জায়গার একটা নামকরণ করে ফেললাম আমি, ‘দ্য ভ্যালি অফ ডেথ’ বা ‘মৃত্যুউপত্যকা’৷

    আমার মনের ভাব পাঠ করেই কি না জানি না, ডা. নাসের হঠাৎ বললেন, ‘এই রুক্ষ-শুষ্ক প্রান্তরেও কিন্তু প্রাণের স্পন্দন আছে৷ শিয়াল ও বেশ কয়েক ধরনের ছোটোখাটো মাংসাশী প্রাণী আছে এখানে, আর আছে স্যান্ড ভাইপার সহ বেশ কয়েক ধরনের বিষধর সাপ! দিনের বেলায় রোদের প্রচণ্ড তাপ থেকে বাঁচতে তারা লুকিয়ে থাকে পাথরের ফাটলে অথবা বালির নীচের গর্তে৷ রাত হলেই তারা বাইরে বেরিয়ে আসে৷ তারপর সারা রাত ধরে প্রকৃতির নিজস্ব নিয়মে বয়ে চলে তাদের জীবনমৃত্যুর খেলা৷ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গেসঙ্গেই আবার তারা লুকিয়ে পড়ে নিজেদের আস্তানায়৷’

    আমাদের গাড়ি একসময় লম্বা বাঁক নিল, আর তখনই চোখে পড়ল কিছু দূরে এক পাহাড়ের ঢালের মাথায় দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক প্রাচীন স্থাপত্য৷ তার বিরাট বিরাট সাদা থামগুলো দূর থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে৷ মিনিট খানেকের মধ্যে গাড়ি এসে থামল সেই পাহাড়ের ঢালে এক চত্বরে৷ ডা. নাসেরই প্রথম নামলেন গাড়ি থেকে৷ তারপর নামলাম আমরা৷ বাইরে প্রচণ্ড রোদ থাকলেও গাড়ির ভিতরের গুমোট ভাব থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলাম৷ ডা. নাসের বললেন, ‘আমাদের ব্যাগগুলো সব নামিয়ে ফেলতে হবে৷ গাড়ি আর যাবে না, বাকি পথটা আমাদের হেঁটেই উঠতে হবে৷’

    ব্যাগ, জলের বোতল ইত্যাদি গাড়ি থেকে নামিয়ে ফেললাম আমি৷ কিছু দূরে বেশ কয়েকটা গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে৷ তার মধ্যে পাশাপাশি রাখা দুটো ধুলোমাখা জিপগাড়ি দেখে আমি চিনতে পারলাম৷ সে দুটোকে আমি গতকাল সন্ধ্যের সময় হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি৷ নিশ্চয়ই ওগুলো ড. হান্সের৷ পাহাড়ের উপর ওঠার জন্য যেখান থেকে সিঁড়ি শুরু হয়েছে, সেখানে একটা লোহার গেট আছে৷ তার পাশে একটা টিকিট কাউন্টার৷ আমি টিকিট কাউন্টারের দিকে পা বাড়াতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু ডা. নাসের বললেন, তার দরকার হবে না৷ কারণ, মরচুয়ারি মন্দিরে যাওয়া ও এই অঞ্চলে থাকার জন্য তিনি বিশেষ অনুমতিপত্র সংগ্রহ করে এনেছেন কায়রোর সরকারি দপ্তর থেকে৷

    ডা. নাসের ড্রাইভারকে নির্দেশ দিলেন, সে যেন তার গাড়িটা নিয়ে পাহাড়ের উলটো দিকে অর্থাৎ মরচুয়ারির পিছন দিকে চলে যায়৷ ওখানে বেশ কিছু তাঁবু ফেলা আছে৷ তার কাছাকাছি যেন সে গাড়ি পার্ক করে৷ সেখানেই তার সঙ্গে আমাদের দেখা হবে৷ আমরা আমাদের জিনিসপত্র নিয়ে গিয়ে দাঁড়ালাম উপরে ওঠার সিঁড়ির মুখে৷ ডা. নাসের তাঁর সেই অনুমতিপত্রটা উপরে ওঠার গেটের মুখে টিকিট পরীক্ষককে দেখাতেই সে সম্ভ্রমে গেট খুলে দিল৷ পাথুরে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে শুরু করলাম আমরা৷ সকলের আগে উঠতে লাগল অংশু৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }