Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানি হাটশেপসুটের মমি – ৯

    ৯

    আমরা উঠে এলাম বিরাট এক পাথুরে চত্বরে৷ তারপর বেশ কয়েক মুহূর্ত অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম সামনের দিকে৷ আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে রানি হাটশেপসুটের বিশাল মরচুয়ারি মন্দির৷ তার একতলা ও দোতলার বিরাট বিরাট পাথরের স্তম্ভগুলো কিছুটা ক্ষয়ে গেলেও এখনও প্রাচীন মিশরীয় শিল্পরীতির সাক্ষ্য বহন করে চলেছে৷ জনহীন রুক্ষ প্রান্তরে সে একাকী দাঁড়িয়ে আছে আপন গাম্ভীর্য নিয়ে৷ সেই কোন সুদূর অতীত সভ্যতার বিকাশ যখন সবে শুরু হয়েছে, তখন রানি হাটশেপসুট তৈরি করেছিলেন এই মন্দির৷ তারপর অনেক রাজবংশের উত্থানপতন হয়েছে, নীলনদ দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল৷ সেসব কিছুর সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে এই মন্দির৷ হয়তো হাজার বছর পরেও দাঁড়িয়ে থাকবে, স্মরণ করাবে রানি হাটশেপসুটকে৷

    আমরা উপরে ওঠার পর আমাদের দেখে ঢিলে পোশাকপরা কয়েকজন লোক ছুটে এল৷ বুঝতে পারলাম, তারা নিশ্চয়ই গাইড৷ তারা কাছে আসতেই ডা. নাসের আরবি ভাষায় কী যেন বললেন৷ তা শুনে লোকগুলো বিমর্ষভাবে ফিরে গেল৷ ডা. নাসের বললেন, ‘যেসব মিশর গবেষকরা এসব জায়গায় কাজ করতে আসেন তাঁদের কিন্তু এইসব গাইড একদম পছন্দ করে না৷ কারণ, অধিকাংশ সময়েই এরা সাধারণ পর্যটকদের ভুলেভরা অথবা মনগড়া তথ্য পরিবেশন করে৷ কিন্তু গবেষকরা সবসময় তথ্যপ্রমাণ খোঁজার চেষ্টা করেন৷ যুক্তি দিয়ে সব কিছু বিশ্লেষণ করেন৷ তাই আমি গবেষক পরিচয় দিতে ওরা বেজার মুখে চলে গেল৷ তা ছাড়া নতুন কোনো খননকার্য চলার সময় সেই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের বা পর্যটকদের ঢোকা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়৷ তাতে অনেক সময় পেটে টান পড়ে গাইডদের ৷ গবেষক বা পুরাতত্ত্ববিদদের তারা এইজন্যেও অপছন্দ করে৷ ভাবে, এই বুঝি তারা এসে আবার খোঁড়াখুড়ি শুরু করল৷’

    ডা. নাসের মনে হয় আরও কিছু বলতে যাচ্ছিলেন৷ কিন্তু তার আগেই কানে এল, ‘হাই ডা. নাসের!’

    তাকিয়ে দেখলাম, ড. হান্স এগিয়ে আসছেন আমাদের দিকে৷ কাল হোটেলে তাঁকে দেখেছিলাম কোট-প্যান্টে, কিন্তু আজ তাঁর একেবারে অন্য পোশাক! পরনে খাকি রঙের শার্ট-প্যান্ট, কোমরে চওড়া বেল্ট, হাঁটুর নীচ পর্যন্ত ঢাকা জুতো, মাথায় শোলার টুপি৷ কাছে এসে তিনি টুপি খুলে আমাদের তিন জনের সঙ্গে করমর্দন করলেন৷ তারপর অংশুর দিকে টুপিটা বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, ‘এখানে প্রচণ্ড রোদ, এটা তুমি নাও৷’

    সেটা নেওয়া উচিত হবে কি না তা বুঝতে না পেরে অংশু তাকাল আমার দিকে৷ তাকে ইতস্তত করতে দেখে ডা. হান্স এবার টুপিটা নিজেই তার মাথায় পরিয়ে দিলেন৷ তারপর আমাদের উদ্দেশে বললেন, ‘চলুন, আগে একটু বিশ্রাম নিন৷ মরচুয়ারি দেখার জন্য তো সারাদিন রয়েছে৷ তা ছাড়া আমার কাজের জায়গাটাও তার আগে আমি আপনাদের দেখাব৷’

    আমরা চত্বর পেরিয়ে মরচুয়ারি মন্দিরের গা ঘেঁষে তাঁর পিছুপিছু চলতে শুরু করলাম৷ চারপাশে ছড়িয়ে আছে নানাধরনের শিল্পকলা, বিশেষত নানাধরনের প্রাচীন মিশরীয় দেবদেবীর মূর্তি আর ফ্যারাওদের মূর্তি৷ যদিও তার মধ্যে বেশ কিছু মূর্তি আজ আর অক্ষত অবস্থায় নেই৷ তবে মরচুয়ারির দেওয়ালের গায়ে সার সার ফ্যারাওদের মূর্তিগুলো কিন্তু অক্ষত অবস্থায় আছে৷ ডা. নাসের আমাকে ওই ফ্যারাও মূর্তিগুলো দেখিয়ে বললেন যে, সেগুলো আসলে রানি হাটশেপসুটের মূর্তি৷

    মন্দির বাঁ-পাশে রেখে চক্রাকার পথে চলতে চলতে আমরা এসে হাজির হলাম মন্দিরের পিছন দিকে৷ তারপর আবার ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নামতে শুরু করলাম৷ যে পথ বেয়ে আমরা নীচের দিকে নামছি, তার পাশে প্রায় ভাঙা একটা পাথরের উঁচু প্রাচীর আছে৷ তাই রোদটা সরাসরি গায়ে লাগছিল না৷ বেশ একটা ছায়া ছায়া ভাব জায়গাটায়৷ প্রায় দেড়শো ফুট নীচে নামার পর আমরা এসে দাঁড়ালাম মরচুয়ারি মন্দিরের ঠিক নীচে পাহাড়ের ঢালে, কিছুটা সমতল জায়গায়৷ আরও অনেকটা নীচে একটা চওড়া জায়গায় চোখে পড়ল সার সার তাঁবু৷ বুঝতে পারলাম, ওখানেই রাতে থাকব আমরা৷ যেখানে আমরা এসে দাঁড়ালাম, সে জায়গায় কোদাল-বেলচার শব্দ শোনা যাচ্ছে৷ তার ঠিক সামনেই পাহাড়ের ঢালে একটা সুড়ঙ্গে ঢোকার পথ৷ জনা কুড়ি লোক কাজ করছে সেখানে৷ জায়গাটার চারপাশে ছোটো ছোটো পাথরের টুকরো রাখা আছে৷ সুড়ঙ্গের ভিতর থেকে মাথায় ঝুড়ি করে পাথরের টুকরো বাইরে এনে ফেলছে শ্রমিকের দল৷ সুড়ঙ্গে ঢোকার পথের একটু দূরে কীভাবে যেন গোটা তিনেক খেজুর গাছ জন্মেছে৷ অনেকক্ষণ পর এই শুষ্ক মরুময় পাথুরে অঞ্চলে গাছগুলো দেখে ভারি ভালো লাগল৷ গাছগুলোর নীচে একটা বড়ো তাঁবু খাটানো আছে৷ তার নীচে বসে আছে দু-জন শ্বেতাঙ্গ ও এক জন বিশালদেহী আফ্রিকান৷ তার কাঁধে একটা রাইফেল৷ আমাদের দেখতে পেয়েই তারা উঠে দাঁড়াল৷

    ড. হান্স সুড়ঙ্গের দিকে আঙুল তুলে বললেন, ‘ওটা আমিই আবিষ্কার করেছি৷ এখনও শেষ পর্যন্ত পৌঁছোতে পারিনি, ভিতরে কাজ চলছে৷ কিছুক্ষণ পর আমি আপনাদের ওর ভিতরে নিয়ে যাব৷’

    সুড়ঙ্গের কাছ দিয়ে আমরা এসে দাঁড়ালাম তাঁবুর সামনে৷ ড. হান্স তিন জনের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিলেন৷ শ্বেতাঙ্গ দু-জনের নাম কার্ল এবং পাউল৷ ড. হান্সের এই দু-জন সহকারীও জার্মান৷ আর কৃষ্ণাঙ্গ লোকটির নাম ঘালি৷ আসলে সে কেনিয়ার লোক৷ কিন্তু বছর কুড়ি ধরে সে মিশরে আছে৷ এখানকার এক সিকিউরিটি এজেন্সিতে চাকরি করে৷ কাজের তাগিদে পর্যটক বা গবেষকদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ায় সে৷ ড. হান্সের মুখে শুনলাম, তাঁর আর একজন জার্মান সঙ্গী আছে, নাম হাইমুট৷ সে সুড়ঙ্গের ভিতর খননকার্যের তদারকি করছে৷ তাঁবুর নীচে একটা ক্যাম্পখাট পাতা৷ তার উপর বসলাম আমরা৷ তাঁবুর এক কোনায় বেশ কিছু জিনিসপত্র রাখা৷ আমরা তাঁবুতে বসবার পর ডা. হান্সের সহকারী কার্ল সেখান থেকে কফির পাত্র এনে আমাদের হাতে ধরিয়ে দিলেন৷ আর তার সঙ্গে দিলেন রুটির মতো দেখতে একধরনের খাবার৷ মুখে দিয়ে দেখলাম, খাবারটা বেশ সুস্বাদু৷ অংশু কফি খেল না৷ কিন্তু মনে হয় খিদে পেয়েছিল৷ কারণ, পাত্রে রাখা বাড়তি রুটিটা সে হাতে তুলে নিল৷ সেটা খাবার পর আমার কাছ থেকে জলের বোতল নিয়ে ঢকঢক করে বেশ অনেকটা জল খেল৷

    ড. হান্স বললেন, ‘আশা করি এ অঞ্চলে রাত কাটাতে আপনাদের খুব একটা মন্দ লাগবে না৷ এখানে দিনের বেলা খুব গরম, কিন্তু সূর্য ডোবার পরেই ঠান্ডা নামতে শুরু করে৷ তখন খুব আরাম৷’

    ডা. নাসের বললেন, ‘হ্যাঁ, ব্যাপারটা আমি জানি৷ একসময় আমি এ অঞ্চলে অনেক রাত কাটিয়েছি৷ তখন অবশ্য আমার মাথায় এত বড়ো টাক ছিল না৷’

    তাঁর কথা শুনে ড. হান্স সহ আমরা সকলে হেসে উঠলাম৷ ড. হান্স এরপর ডা. নাসেরের উদ্দেশে বললেন, ‘আপনি এখানে আসায় আমি হয়তো উপকৃত হব৷ কারণ, আমি জানি আমার চেয়ে আপনার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অনেক বেশি৷’

    ডা. নাসের তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বললেন, ‘আপনাকে সাহায্য করতে পারলে আমি নিশ্চয়ই খুশি হব৷ তবে আমি কিন্তু পণ্ডিত নই৷ আপনার মতো এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিও আমার নেই৷ আমার পেশা ডাক্তারি৷ মিশরের ইতিহাস ছেলেবেলা থেকেই আমাকে আকর্ষণ করে৷ তাই সময় সুযোগ পেলে এ ব্যাপারে একটু জানার চেষ্টা করি মাত্র৷ তার চেয়ে বেশি কিছু নয়৷’

    অংশু পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল খানিক দূরে একটা পাথরের কাছে৷

    ডা. ঘটক এতক্ষণ আমার মতোই চুপচাপ বসে ড. হান্স আর ডা. নাসেরের কথাবার্তা শুনছিলেন৷ এবার তিনি ড. হান্সের উদ্দেশে প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি এখানে কীসের অনুসন্ধান করছেন? কোনো ফ্যারাওয়ের মমির?’

    ড. হান্স বললেন, ‘না৷ ফ্যারাওদের সমাধি দেওয়া হত ওই দূরের ভ্যালি অফ কিংসে৷ আমি অনুসন্ধান করছি অন্য এক মমির৷ সে কোনো ফ্যারাও বা ক্ষমতাবান লোক ছিল না৷ কিন্তু নিয়তি তাকে জড়িয়ে দিয়েছিল রানির মরচুয়ারি মন্দিরের সঙ্গে৷ যদিও তার ব্যাপারটা আদপে সত্যি না-ও হতে পারে৷ কারণ, খুব সামান্য সূত্র ধরে আমি কাজ শুরু করেছি৷ জানি না শেষ পর্যন্ত আমি সফল হতে পারব কি না!’

    ডা. নাসের তাঁর কথা শুনে বললেন, ‘কার্টারও কিন্তু খুব সামান্য সূত্রের উপর ভিত্তি করে খুঁজে বের করেছিলেন তুতানখামেনের সমাধি৷ এরকম আরও অনেক উদাহরণ আমার জানা আছে৷ আশা করি আপনিও সফল হবেন৷ কিন্তু আপনি কার সমাধি খুঁজছেন?’

    ড. হান্স উত্তর দিতে যাচ্ছিলেন কিন্তু তার আগেই একটা আর্ত চিৎকার আমাদের কানে এল৷ চমকে আমরা তাকালাম সেই পাথরটার দিকে, যার দিকে গিয়েছে অংশু৷ ডা. ঘটকের ঠিক পিছনেই দাঁড়িয়ে ছিল ঘালি৷ চিৎকার শোনামাত্র সে বিদ্যুৎগতিতে ছুটল পাথরটার দিকে৷ আর তার পিছনে ছুটলাম আমরা সকলে৷ পাথরটা বেশ বড়ো৷ তার পিছনে গিয়ে দেখি, অংশু মাটির উপর পড়ে আছে৷ তার শরীর থরথর করে কাঁপছে, চোখ দুটো যেন ঠিকরে বেরিয়ে আসছে৷ ঘালি তাকে মাটির উপর থেকে সঙ্গেসঙ্গে কোলে তুলে নিল৷ যেখানে অংশু পড়ে ছিল, সে জায়গাটা ছোটো ছোটো পাথরে ভরতি৷ তার হাত পঁচিশেক দূরে রয়েছে একটা গভীর খাদ৷ কোনো লোকজন নেই সেখানে৷

    ডা. ঘটক অংশুকে দেখে বললেন, ‘মনে হচ্ছে হঠাৎ ও ভয় পেয়েছে কোনো কারণে৷’

    ডা. নাসেরও একই মত জানালেন৷ কাঁধে ঝোলানো জলের বোতল থেকে জল নিয়ে তিনি ছেটাতে লাগলেন অংশুর মুখে৷ কয়েক মিনিটের মধ্যে সে ধীরে ধীরে কিছুটা স্বাভাবিক হল৷ যদিও তার মুখে-চোখে তখনও ভয়ের রেশ লেগে আছে৷ ঘালির কোল থেকে নীচে নেমে দাঁড়াল সে, তারপর ডা. ঘটকের কোমর জড়িয়ে ধরল৷ ডা. ঘটক সস্নেহে তার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘অংশু, তুমি কি ভয় পেয়েছ?’

    অংশু মাথা নেড়ে জানাল, ‘হ্যাঁ৷’

    ডা. ঘটক বললেন, ‘তোমার কোনো ভয় নেই, আমরা সকলেই তো তোমার সঙ্গে আছি৷ কিন্তু কেন ভয় পেলে তুমি?’

    অংশু এবার ভয় ভয় চোখে আঙুল তুলে একটা জায়গা দেখিয়ে দিল৷ জায়গাটা একদম খাদের ধারে৷ ফণিমনসা জাতীয় গাছের একটা বড়ো ঝোপ রয়েছে সেখানে৷ দেখলাম, তার মধ্যে থেকে বেরিয়ে আছে একটা আনুবিসের মাথা৷ বুঝতে পারলাম, ওটা হঠাৎ দেখে ভয় পেয়েছে অংশু৷ আনুবিসের মাথাটা কুচকুচে কালো, মনে হয় শ্লেট পাথরে তৈরি৷ অন্য সকলেই ব্যাপারটা বুঝতে পারলেন৷ ডা. নাসের অংশুর উদ্দেশে বললেন, ‘ওটা তো একটা মূর্তি! কায়রো মিউজিয়ামে আগেও তুমি ওই মূর্তি দেখেছ, কার্নাক মন্দিরেও হয়তো দেখেছ৷ তাহলে ভয় পেলে কেন?’

    অংশু আবার বিড়বিড় করে বাংলায় বলল, ‘ওটা নড়ছিল, আমি চিনতে পেরেছি ওকে৷’

    সে কী বলল বুঝতে না পেরে ডা. নাসের আমার দিকে তাকালেন৷ আমি তাঁকে বললাম অংশু কী বলল৷ তিনি এরপর ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলেন মূর্তিটার দিকে৷ তারপর মূর্তির মাথায় হাত রেখে চিৎকার করে অংশুর উদ্দেশ্যে বললেন, ‘এই দেখো, আমি ওর মাথায় হাত রাখলাম৷ এটা একটা পাথরের মূর্তি৷ তুমি কাছে এসে দেখে যাও৷’

    অংশু কিন্তু গেল না৷ আমি শুনতে পেলাম সে বিড়বিড় করে বলল, ‘আমি ঠিক চিনতে পেরেছি ওকে৷ কাল রাতেও আমি ওকে ঘুমের মধ্যে দেখেছি৷’

    অংশুর কথাটা মনে হয় ডা. ঘটকেরও কানে গেল৷ তিনি আমার দিকে তাকালেন৷ আমার মনে পড়ে গেল কায়রোর প্যাপাইরাসের দোকানে আনুবিসের ফোটো দেখেও একই কথা বলেছিল অংশু৷ আর বুঝতে পারলাম, এত ঘন ঘন যখন সে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে, তখন তার সেই অদ্ভুত ব্যাপারটা ঘটতে আর বেশি দেরি নেই৷ হয়তো আজ বা কালই সেটা ঘটবে৷

    অংশু মূর্তিটার কাছে না যাওয়ায় ডা. নাসের ফিরে এলেন আমাদের কাছে৷ আমরা তাঁবুতে গিয়ে মিনিট দশেক বসলাম৷ অংশু আরও কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর ডা. হান্স একটু ইতস্তত করে বললেন, ‘এবার আপনাদের যদি অসুবিধে না হয় তাহলে সুড়ঙ্গের ভিতরটা দেখিয়ে আনতে পারি৷ তবে ভিতরে অক্সিজেনের পরিমাণ একটু কম, ছোটো ছেলেটির একটু কষ্ট হতে পারে৷’

    তাঁর কথা শুনে ডা. ঘটক বললেন, ‘অংশুকে এই মুহূর্তে ভিতরে নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না৷ ও আবার কোনো কারণে ভয় পেলে বিপত্তি ঘটতে পারে৷ আপনি বরং ডা. নাসের আর আমার তরুণ বন্ধুকে নিয়ে ভিতরে যান৷ আমি অংশুকে নিয়ে এখানেই বসি৷’

    ডা. ঘটক ও অংশুকে রেখে সুড়ঙ্গের ভিতরে যেতে ইচ্ছে না করলেও শেষ পর্যন্ত ডা. নাসেরের অনুরোধে ক্যামেরার ব্যাগ কাঁধে আমিও তাঁর পিছনে পা বাড়ালাম৷

    প্রথমে ড. হান্স তারপর ডা. নাসের ও সবশেষে আমি, এইভাবে আমরা ঢুকলাম সুড়ঙ্গের ভিতর৷ অন্যরা তাঁবুতেই রয়ে গেলেন৷ সুড়ঙ্গের ভিতর দু-জনে পাশাপাশি হাঁটা যায়৷ হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় মাথার উপর মসৃণ ছাদ৷ সুড়ঙ্গ প্রথমে ঢালু হয়ে তারপর আবার উপর দিকে উঠেছে৷ দেওয়ালের গায়ে মাঝে মাঝে আলো বসিয়ে অন্ধকার দূর করার চেষ্টা করা হয়েছে৷ আলোগুলো হয়তো ব্যাটারি দিয়ে জ্বালানো হয়৷ বেশ কিছুটা পথ যাওয়ার পর আমরা এসে দাঁড়ালাম একটা হলঘরে৷ তার সারা দেওয়াল জুড়ে ছড়িয়ে আছে নানাধরনের ছবি৷ সে ঘর থেকে আবার বেশ কয়েকটা সুড়ঙ্গ নানাদিকে বেরিয়ে গিয়েছে৷ তারই একটা ধরে আরও কিছুক্ষণ উপর দিকে এগোবার পর আমরা হাজির হলাম আর একটা হলঘরে৷ ঘরটা সার্চলাইটের আলোয় আলোকিত৷ ঘরের এক কোনায় একটা পাথরের দেওয়ালের উপর গাঁইতি চালাচ্ছে শ্রমিকের দল৷ পাথরের উপর লোহার ফলকের আঘাতে আগুনের ফুলকি ছিটকে বেরোচ্ছে৷ একজন শ্বেতাঙ্গ তাদের কাজের তদারকি করছিলেন৷ আমাদের দেখতে পেয়ে তিনি সামনে এসে দাঁড়ালেন৷ ড. হান্স তাঁর সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিলেন৷ তিনি ড. হান্সের সহযোগী, নাম হাইমুট৷ এ ঘরের দেওয়ালও নানাধরনের চিত্রলিপিতে সাজানো৷

    ড. হান্স বললেন, ‘আমরা এখন যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, বলা যেতে পারে এটা হাটশেপসুটের মরচুয়ারি মন্দিরের ঠিক নীচে অবস্থিত৷’

    ডা. নাসের এতক্ষণ চুপ করেছিলেন৷ তিনি এবার প্রশ্ন করলেন, ‘ড. হান্স, এই সুড়ঙ্গের সন্ধান আপনি পেলেন কীভাবে?’

    হান্স বললেন, ‘ফ্রান্সের লুভর মিউজিয়ামে রাখা এক শিলালিপি থেকে৷’

    ডা. নাসের আবার প্রশ্ন করলেন, ‘কী লেখা আছে তাতে?’

    ‘লেখা আছে এক হতভাগ্য বালকের কথা, হাটশেপসুটের মন্দিরের নীচে যাকে সমাধি দেওয়া হয়েছিল৷’

    আমার মনে হল, তাঁর কথা শুনে ডা. নাসের যেন একটু চমকে উঠলেন৷ তিনি যেন আর একটা কী প্রশ্ন করতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু তার আগেই ড. হান্স চাপা স্বরে বললেন, ‘এ ব্যাপারে আর এখানে আলোচনা করা ঠিক হবে না৷ যেসব শ্রমিক এখানে কাজ করছে এরা ইংরেজি বোঝে৷ অনেক সময় এরা সমাধি-চোরদের কাছে পয়সার লোভে খবর পৌঁছে দেয়৷ সমাধিতে পৌঁছে দেখা যায় গবেষকদের আগেই সেখানে হানা দিয়ে সব কিছু নিয়ে গিয়েছে চোরের দল৷’

    তাঁর কথা শুনে আর কোনো প্রশ্ন করলেন না ডা. নাসের৷ তিনি এর পর ঘরের দেওয়ালে আঁকা ছবিগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে শুরু করলেন৷ দেখতে দেখতে একটা জায়গায় বেশ অনেকক্ষণ দাঁড়ালেন তিনি৷ খুব মনোযোগ দিয়ে চেয়ে রইলেন মাটি থেকে একটু উপরে আঁকা একটা ছবির দিকে৷ তারপর ড. হান্সের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘সম্ভবত ঠিক পথেই চলেছেন আপনি! শেষ পর্যন্ত হয়তো দেখা যাবে আমি আর আপনি একই জিনিস খুঁজতে এখানে এসেছি৷’

    ড. হান্স তাঁর কথাটা বুঝতে না পেরে ডা. নাসেরের মুখের দিকে তাকালেন৷ ডা. নাসের কিন্তু আর কোনো কথা বললেন না৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সেখান থেকে বাইরে বের হওয়ার জন্য পা বাড়ালাম৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }