Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রামায়ণের উৎস কৃষি – জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়

    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প204 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. আদিশ্লোক—মা নিষাদ – দ্বিতীয় প্রকরণ

    ০২. দ্বিতীয় প্রকরণ – আদিশ্লোক—মা নিষাদ

    বাল্মীকি রামায়ণের প্রথম শ্লোক,
    তপঃ সাধ্যায়নিরতং তপস্বী বান্ধিদাং বরম্।
    নারদং পরিপপ্রচ্ছ বাল্মীকিমুনিপুঙ্গবম্॥ ১
    (১.১.১)

    অর্থাৎ, মহৰ্ষি বাল্মীকি তপোনিরত স্বাধ্যায়-সম্পন্ন বেদবিদদিগের অগ্রগণ্য মুনিবর নারদকে সম্বোধন করলেন।

    নারদের নিকট বাল্মীকির জিজ্ঞাস্য ছিল সম্প্রতিকালে লোকে সর্বগুণে বিভূষিত শ্রেষ্ঠ কে?

    উত্তরে নারদ রামের পরিচয় তথা জীবন বৃত্তান্ত শোনালেন।

    কথোপকথন শেষে নারদ বিদায় নিলে বাল্মীকি শিষ্য ভরদ্বাজকে সঙ্গে নিয়ে অবগাহনের উদ্দেশ্যে জাহ্নবীর অদূরে তমসায় উপনীত হয়ে ভরদ্বাজকে কলস রেখে বল্কল দিতে বললেন। বল্কল নিয়ে তমসার বনে বিচরণকালে বাল্মীকি সুরতাসক্ত ক্ৰৌঞ্চমিথুন দেখলেন। হেনকালে অদৃশ্য ব্যাধ কর্তৃক ক্ৰৌঞ্চ নিহত হলে শোকাভিভূত বাল্মীকির কণ্ঠ হতে উদ্‌গীত হল,
    মা নিষাদ প্রতিষ্ঠাং ত্বমগমঃ শাশ্বতীঃ সমাঃ।
    যৎ ক্ৰৌঞ্চমিথুনাদেকমবধীঃ কামমোহিতম্॥১৫
    ( ১.২.১৫ )

    এই শ্লোকটি আদিশ্লোক হিসাবে গণ্য হয়ে আসছে। যদিও এটি রামায়ণের প্রথম কাণ্ডের দ্বিতীয় সর্গের পঞ্চদশতম শ্লোক। এই শ্লোকের প্রচলিত আক্ষরিক অর্থ, ‘রে নিষাদ! যেহেতু তুই, এই ক্ৰৌঞ্চমিথুনমধ্যে কামমোহিত ক্ৰৌঞ্চকে বধ করিয়াছিস, অতএব তুই চিরকাল প্রতিষ্ঠা লাভ করিবি না।‘

    শ্লোক উদ্‌গীত হওয়ার পর বাল্মীকি শিষ্যকে বললেন,—‘এই চতুস্পাদবদ্ধ, প্রতিপদে সমানাক্ষর ও বীণালয়-সমন্বিত বাক্য, শোক সময়ে আমার মুখ হইতে নিগত হইয়াছে, অতএব ইহা শ্লোকই হোক।

    অতঃপর অবগাহনান্তে এই বিষয়ে চিন্তা করতে করতে বাল্মীকি আশ্রমে ফিরলে ব্রহ্মা উপস্থিত হন।

    ব্ৰহ্মার উপস্থিতিতে আত্মমগ্ন বাল্মীকি ঐ শ্লোক উচ্চারণ করলে ব্ৰহ্মা এটি শ্লোক হিসাবে স্বীকার করে নিয়ে বাল্মীকিকে এইভাবে রামকথা রচনা করার নির্দেশ দিয়ে বর দিলেন বাল্মীকি রামের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সকল প্রকাশ্য ও রহস্য তথ্য অবগত হবে।

    এখানে লক্ষণীয় যে বাল্মীকি প্রথম নারদের নিকট রামকথা অবগত হয়েছিলেন। নারদের বিবৃত কাহিনীই উত্তরকাণ্ড বাদে বাকি ছয়টি কাণ্ডে বাল্মীকি বিস্তারিত করেছেন।

    সুতরাং বাল্মীকি রামকথার স্রষ্ট নন। একটি তৎকালীন প্রচলিত কাহিনী অবলম্বনে বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেছিলেন।

    আদিশ্লোকটির আক্ষরিক অর্থ এবং পটভূমিকা অনুসারে মানতে হয় ক্ৰৌঞ্চমিথুনের পুরুষ-ক্ৰৌঞ্চ বধের দৃশ্যে মুহ্যমান বাল্মীকির কণ্ঠ হতে শ্লোকের আবির্ভাব ঘটেছিল।

    কিন্তু এই শ্লোকটির অন্য অর্থও আছে।

    মা অর্থ লক্ষ্মী।

    নিষাদ, নিষদ এবং নিষাধ সমার্থক, যার অর্থ ধরা হয় পতি।

    সুতরাং, মা নিষাদ শব্দের অর্থ লক্ষ্মীপতি অর্থাৎ নারায়ণ।

    নার (জল)এ যার অয়ন (শয়ন, আশ্রয়)। সহজ কথায় মেঘ।

    বসুন্ধরার কন্যা সীতা লক্ষ্মীর অংশজাত। সীতা অর্থ হলরেখ।

    কৃষিকাজের সার্থকতা মেঘের বারিবর্ষণে, বিনা জলে কর্ষিত জমি বন্ধ্যা,-অ-লক্ষ্মী।

    ক্ৰৌঞ্চ অর্থ রাক্ষস বিশেষ।

    রক্ষ্‌ (রক্ষা করা) ধাতু নিষ্পন্ন রাক্ষস শব্দের অর্থ, যাহা হইতে (ধনাদি) রক্ষিত হয়।

    প্রাণ-জগতের সৃষ্টি স্থিতি এবং লয়ের মূলে দ্যাবাপৃথ্বী। স্থূলভাবে, দ্যৌঃ অর্থে অন্তরীক্ষের সূর্য এবং পৃথ্বী অর্থে কর্ষণযোগ্য ভূখণ্ড; এই দুয়ের সংযোগ মূলতঃ মানব সমাজের অগ্রগতির উৎস। গ্রীষ্মকালের প্রচও দাবদাহ জীব জগতের ধ্বংসের কারণ হয়ে ওঠে। এই অবস্থার নিরসন হয় বর্ষা মেঘের আবির্ভাব ঘটলে। আদিশ্লোকে গ্রীষ্মকালীন দ্যাবাপৃথ্বীকে রহস্যে ক্ৰৌঞ্চ-মিথুন আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

    দ্যৌঃ এবং পৃথ্বীকে আদিলোকে রাক্ষস অর্থে ধরে ক্ৰৌঞ্চমিথুন বলা হয়েছে। সূর্য এবং পৃথিবী সকল সময়েই মিথুনাবদ্ধ থাকলেও দক্ষিণায়নাদির প্রাক্‌কালে গ্রীষ্মঋতুতে সূৰ্যতেজে ধরিত্রী উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এই তপ্ত অবস্থাকে মহাকাব্যে কামমোহিত বলা হয়েছে।

    অতএব, আদিলোকটির অর্থ দাঁড়ায়,—দ্যাবাপৃথ্বীর দ্যৌঃকে আচ্ছাদিত করে লক্ষ্মীপতি তুমি আবিভূত হয়ে শাশ্বত প্রতিষ্ঠালাভ কর।

    এই অর্থে আদিশ্লোকটি মেঘবন্দন।

     

    বলা যায় রামায়ণ মহাকাব্যর এইটি মঙ্গলাচরণ এবং আদিশ্লোকটি সমগ্র রামায়ণের বীজস্বরূপ।

     

    রামকাহিনীর প্রথম বক্তা নারদ, সম্মতিদাতা ব্ৰহ্মা, রচনাকত বাল্মীকি এবং প্রয়োগকত লবকুশ।

    নারদ,—নার (জল) + দা (দেওয়া)—ড কর্তৃ। যিনি জল দান করেন। অথবা, না (সৃষ্টিকতা) র (সংহারকতা) দ (পালনকতা)।

    উভয় ক্ষেত্রেই ভাবার্থে অন্তরীক্ষ।

    বল্মীক (উইঢিবি) শব্দ হতে উদ্ভূত বাল্মীকি অর্থে কাকরহীন ভূখণ্ড অর্থাৎ আবাদযোগ্য জমি এই ইংগিত করা যায়।

    সুতরাং বলা যায় বাল্মীকি (আবাদযোগ্য ভূখণ্ড) একদা নারদের (অন্তরীক্ষের) নিকট জানতে চেয়েছিলেন এই বিশ্বে শ্রেষ্ঠ কে?

    উত্তরে রামকথার অবতারণা, অর্থাৎ মেঘের শ্রেষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা করা যদি মেঘের বারিবর্ষণ না হত তাহলে পৃথিবীও চন্দ্রের মত প্রাণহীম থাকত। জলের আবির্ভাবে পৃথিবীপৃষ্ঠে প্রাণের বিকাশ।

    প্রাণ-জগতের শ্রেষ্ঠ জীব মানবজাতির ক্ৰমবিকাশে আবাদীজমিতে কৃষিকাজের ভূমিকা অগ্রগণ্য।

    কৃষিকাজ ঋতুচক্ৰ তথা মেঘচক্রের উপর নির্ভরশীল। বর্ষায় আশানুরূপ বর্ষণ না হলে কৃষিকাজ ব্যাহত হয়। অপরদিকে সীতা অর্থাৎ হলকর্ষত জমি লক্ষ্মীস্বরূপ হিসাবে গণ্য হবে তখনই, যখন রাম অর্থাৎ মেঘদেবতা আশীৰ্বাদস্বরুপ বারিবর্ষণে সীতাকে সিঞ্চিত করবে।

    দ্যোঃ এবং পৃথ্বী আদি পিতা ও মাতা। দ্যৌঃ মেঘকে ধারণ করে, সুতরাং রাম দ্যৌঃ-এর পুত্র।

    পৃথ্বীর বুকে হলকর্ষণ করলে সীতার আবির্ভাব ঘটে, একারণে সীতা বসুন্ধরা-কন্যা।

    আদি পিতামাতার সূত্রে রাম ও সীতা ভাইবোন। কিন্তু বৰ্ষাঋতুতে বারিবর্ষণের সূত্র ধরে উভয়ের মধ্যে সংযোগসাধন না ঘটলে সৃষ্টি স্থিতিলাভ করতে পারে না। এক্ষেত্রে এদের সম্পর্ক দাঁড়ায় স্বামী-স্ত্রী। যেহেতু রামায়ণে সকল বস্তু এবং তথ্যকে মানবিক স্বৰূপে প্রকাশ করা হয়েছে, সেকারণে রাম (মেঘদেবতা) এবং সীতার (কৃষিশ্রী) মধ্যে দুই ধরণের সম্পর্ক আপাতঃদৃষ্টিতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। কিন্তু এই দুই সম্পর্ক বিজ্ঞানদৃষ্টিতে বিচার করলে প্রকৃত তথ্য উপলব্ধি করতে অসুবিধা হয় না।

    আদিশ্লোকের সমর্থক ব্রহ্মা।

    নিরাকার ব্রহ্ম সাকার অবস্থায় ব্ৰহ্মা।

    সুতরাং বাল্মীকির মেঘবন্দনার মধ্যেই পরবর্তী কার্যকারণ অর্থাৎ ফসল উৎপাদন নিহিত রয়েছে। এই কার্যকারণের প্রতি ইংগিত দেওয়ার জন্যই ব্ৰহ্মার সম্মতি।

    রামায়ণের প্রয়োগকতা লবকুশ। লব ও কুশ শব্দ দুটির মধ্যেই কৃষিসত্তা অর্থাৎ উদ্ভিদের বীজ হতে আবির্ভাবের তথ্য লুকিয়ে রয়েছে।

     

    নারদের নিকট রামকথা শোনার পর বাল্মীকি শিষ্য ভরদ্বাজকে নিয়ে জাহ্নবীর অদূরে তমসায় গমন করেন। সেখানে বাল্মীকি শিষ্যকে কলস রেখে বল্কল দিতে বলেন। তারপর তমসার বনে বিচরণকালে সুরতাসক্ত ক্ৰৌঞ্চমিথুনের পুরুষ-ক্লোঞ্চের নিধন-দর্শনে শ্লোকের আবির্ভাব।

    এই বিবরণ জ্যোতিবিজ্ঞানের প্রতি ইংগিত দেয়।

    রামায়ণের কালে সূর্য কর্কটরাশিতে এলে শ্রাবণ মাস বর্ষা ঋতুর প্রথম মাস। ক্ৰৌঞ্চমিথুন শব্দটি সূর্যর মিথুনরাশির পুনর্বসু নক্ষত্রে অবস্থান ইংগিত করছে। যুগ্ম-তারকা পুনর্বসু নক্ষত্র মিথুনের দোতক। পুনর্বসু নক্ষত্রর তারাগুলির সমন্বয়ে ক্ৰৌঞ্চমিথুন কম্পন করা যায়।

    সূর্যর এই অবস্থানকাল গ্রীষ্মঋতুর শেষ মাস আষাঢ়। ধরে নেওয়া যেতে পারে তিথি অমাবস্যা, এক্ষেত্রেও মিথুন শব্দটি প্রয়োগ করা যায়। যেহেতু অমাবস্যায় সূর্য ও চন্দ্র সমসূত্রে থাকে।

    জাহ্নবী অর্থে ছায়াপথ। জাহ্নবীর অদূরে অর্থে ছায়াপথের পূর্বদিকস্থ পুনর্বসু নক্ষত্র।

    তমসা শব্দে বৃষ্টিহীন প্রচণ্ড গ্রীষ্মে ধ্বংসোন্মুখ পরিবেশকে বুঝানো হয়েছে। গ্রীষ্মঋতুর শেষে জলাশয় শুকিয়ে যায়, নদীর বুকে বালির চর জেগে ওঠে, বায়ুপ্রবাহ ও ভূ-পৃষ্ঠ রুক্ষ ও তপ্ত, জলাভাবে উদ্ভিদাদি শ্ৰীভ্রষ্ট ও মৃতপ্রায়, জীবজগৎ তৃষ্ণাত ও ক্লান্ত, আকাশের রং তাম্রবর্ণ।

    এই ধ্বংসোম্মখে পরিস্থিতিতে বাল্মীকি বিচরণ করার কালে পুরুষ ক্ৰৌঞ্চ নিহত হয়।

    নিহারিকাপ্রবহ হতে সূর্যর সৃষ্টি, একারণে দ্বিজ। সূর্যরশ্মি বিশাল বিশ্বে প্রসারিত, সুতরাং বিস্তৃতপক্ষ। গ্রীষ্মের আকাশের রং তাম্রবর্ণ, অতএব তাম্রশীর্ষ।

    ক্ৰৌঞ্চ অর্থাৎ কোঁচবকের মিথুনকাল গ্রীষ্মঋতুর শেষে ও বর্ষার প্রথমে। সুতরাং ক্ৰৌঞ্চবধ অর্থে গ্রীষ্মের শেষে প্রথম আবিভূত মেঘ দ্বারা সূর্যর আচ্ছাদন।

    সূর্য আড়াল হলেও ভূপৃষ্ঠ হতে তখনও তাপ বিকিরণ হয়। একারণে ক্ৰৌঞ্চের শোকে ক্রোঞ্চীর অস্থিরতা প্রকাশ করা।

    তাম্রশীর্ষ বিস্তৃতপক্ষ দ্বিজ পুরুষ ক্ৰৌঞ্চ গ্রীষ্মকালীন সূর্যর প্রতীক। জ্যোতিবিজ্ঞান দৃষ্টিতে বাল্মীকিকে ব্ৰহ্মহৃদয় নক্ষত্র ধরা যায়।(১)

    অদৃশ্য ব্যাধ শব্দ সেক্ষেত্রে লুব্ধক তারাকে ইংগিত করে।

    এই দৃষ্টিভঙ্গিতে আদিশ্লোকের আবির্ভাবের পটভূমিকাটি চিন্তা করলে গ্রীষ্মকালীন পরিবেশে বৃষ্টির কামনায় মেঘবন্দনার স্বরূপ সুস্পষ্ট হয়।

    যেহেতু রামায়ণে মেঘদৈবত রাম ও কৃষিশ্রী সীতার সকল চরিত্র আলোচিত হবে, সেকারণে বৰ্ষাঋতুর প্রাক্‌কালে মেঘবন্দনা করে মঙ্গলাচরণ করা হয়েছে।

     

    আদিশ্লোকের মধ্যে সংগীত বিজ্ঞানের ইংগিত রয়েছে। বাল্মীকি বারংবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বিবিধ-অর্থবহ এই কাব্য বীণাতন্ত্রীলয়ে সংগীত শাস্ত্রানুসারে পঠিত ও গীত হবে।

    পাঠ্যে গেয়ে চ মধুরং প্রমাণেস্ত্রিভিরম্বিতম্।
    জাতিভিঃ সপ্তর্ভিযুক্তং তন্ত্রীলয়সমম্বিতম্॥ ৮
    রসৈঃ শৃঙ্গারকরুণহাসারৌদ্রভয়ানকৈঃ।
    বীরাদিভী রসৈর্যুক্তং কাবামেতদগায়তাম্॥ ৯ (১.৪.৮-৯)

    অর্থাৎ, এই কাব্য পাঠ ও গানে মধুর, দুত, মধ্য ও বিলম্বিতরূপে ত্ৰিবিধ-প্রমাণ-সংযুক্ত ষড়জ ও মধ্যম প্রভৃতি সপ্তস্বর-সংযুক্ত, বীণালয়বিশুদ্ধ এবং শৃঙ্গার, করুণ, হাস্য, রৌদ্র, ভয়ানক ও বীর প্রভৃতি সমুদয় রসসংযুক্ত।

    উপরোক্ত শ্লোক হতে সুস্পষ্ট যে রামায়ণের কালে সংগীতের ক্ষেত্রে স্থান, লয়, মূছন, জাতি, স্বর প্রভৃতির বিশেষ প্রচলন ছিল। কিন্তু দেখা যায় রামায়ণে বাল্মীকি কোথাও ‘রাগ’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। সুতরাং বলা যায় তখন ‘রাগ’ শব্দটির প্রচলন হয়নি, কিন্তু যে কার্যকারণ হতে রাগ শব্দটির উদ্ভব, সেই কার্যকারণ অবশ্যই বর্তমান ছিল।

    পণ্ডিতগণের মতে খৃঃ পূঃ ৬০০-৫০০ অব্দে সংগীতের ক্ষেত্রে চারটি ধারা বা সম্প্রদায় ছিল।

    (১) ব্রহ্মা বা ব্ৰহ্মাভরত সম্প্রদায়,

    (২) গন্ধৰ্ব নারদ সম্প্রদায়,

    (৩) মুনি ভরত সম্প্রদায়,

    (৪)  নন্দিকেশ্বর সম্প্রদায়।

    কেউ কেউ ব্রহ্মাভরত ও মুনি ভরত সম্প্রদায়কে একই মনে করেন এবং তাঁদের মতে সম্প্রদায় চারটি নয়, তিনটি।

    একথা স্বীকৃত যে নারদ, ভরত প্রভৃতি নামগুলি গোত্ৰনাম হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে পরবর্তীকালে কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত।

    ভরত বাল্মীকির সহসময়ী।(২)

    আদিশ্লোকের পশ্চাদ্‌পটে দেখা যায় নারদ প্রথম রামকথা ব্যক্ত করেন। তারপর বাল্মীকির ক্ৰৌঞ্চবধ দর্শন ও শ্লোকের আবির্ভাব। পরে অবচেতন ভাবে ব্রহ্মার সম্মুখে ঐ শ্লোক উদ্‌গীত হলে ব্রহ্মা এটি সমর্থন করে রামায়ণ রচনার নির্দেশ দেন।

    এখানে নারদ, ব্রহ্মা ও বাল্মীকি-শিষ্য ভরদ্বাজ নামগুলি প্রাচীন ভারতের সংগীতশাস্ত্র প্রবর্তকগণের প্রতি ইংগিত রাখছে।

    ব্ৰহ্মা বৈদিক সংগীতরীতির এবং নারদ লৌকিক বা গান্ধৰ্বরীতির প্রবর্তক। নারদের রামকথাকে ধরে নেওয়া যায় তৎকালীন কৃষিভিত্তিক কোন প্রাচীন লোকসংগীতের মার্জিত রূপ।

    নারদ লোকসংগীতের সুর ইত্যাদি মার্জিত করে মার্গসংগীত পর্যায়ে উন্নীত করেছিলেন। নারদ বীণাযন্ত্রেরও উদ্ভাবক।

    বাল্মীকির শিষ্যর নাম ভরদ্বাজ।

    ভরত + জন্‌—ড কর্তৃ; ভরদ্বাজ অর্থে ভরতের পুত্র। শিষ্য সকল সময়েই পুত্রস্থানীয়। সুতরাং শিষ্য ভরদ্বাজের গুরু অবশ্যই ভরত। বাল্মীকি ও ভরত সমার্থক; ক্ষেত্র। কুশলব গান্ধৰ্ব সংগীত তত্ত্বে পারদর্শী ছিল।

    তৌ তু গান্ধৰ্বতত্ত্বজ্ঞে স্থানমুচ্ছনকোবিদে।
    ভ্রাতরে স্বরসম্পন্নেী গন্ধৰ্বাবিব বৃপিণেী॥ ১০ (১.৪.১০)

     

    কুশলব বাল্মীকি আশ্রমে লালিত পালিত হয়েছে। তাদের রামায়ণ শিক্ষাও বাল্মীকির নিকট। সুতরাং বাল্মীকি অবশ্যই সংগীতে বিশেষতঃ গান্ধৰ্বরীতিতে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। মনে হয়, বাল্মীকি তার রামায়ণ গানে নারদীয় ও বৈদিক উভয় সংগীত ধারার মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে সংগীত বিজ্ঞানের সংস্কার সাধন করেছিলেন। এরই ইংগিত দেওয়া হয়েছে নারদের রামকথা কথনে, বাল্মীকির সুরারোপিত কাব্যছন্দের উদ্ভাবনে এবং ব্ৰহ্মার স্বীকৃতিদান ঘটনায়।

    ব্ৰহ্মা জানতেন না শ্লোকের আবির্ভাবের পূর্বঘটনা। অথচ শ্লোকটির স্বীকৃতিদান করে ঐভাবে রামের চরিত্র বর্ণনের জন্য বাল্মীকিকে নির্দেশ দিলেন। অতএব শ্লোকটির শব্দার্থ এবং স্বর সংস্থান মেঘবন্দনার স্বরূপ সুস্পষ্ট করে তুলেছিল, এই কারণেই ব্ৰহ্মা রামকথা অর্থাৎ কৃষিভিত্তিক লোকসংগীতের পরিমার্জিত গ্রন্থনার নির্দেশ দিয়েছিলেন। রামকথা শোনার পর বাল্মীকি শিষ্য ভরদ্বাজকে সংগে নিয়ে জাহ্নবীর অদূরে তমসায় গিয়েছিলেন অবগাহন কারণে। ভরদ্বাজের সংগে ছিল কলস। বাল্মীকি শিষ্যকে কলস রেখে বল্কল দিতে বললেন। বল্কল হাতে নিয়ে বিচরণের কালে ক্ৰৌঞ্চবধ দর্শন।

    অবগাহন অর্থে স্নান। কিন্তু কোন কিছুর গভীরে প্রবেশ করা অথবা কোন চিন্তায় আত্মমগ্ন হওয়া অবগাহন শব্দে প্রকাশ করা যায়।

    কলস—কল (মধুরাস্ফুট ধ্বনি)—শে + ড কর্তৃ।
    কলস শব্দ দ্বারা মৃদংগ, খোল প্রভৃতি মৃত্তিকাধার জাতীয় বাদ্যযন্ত্রকে বুঝানো যায়।

    বল্কল—বল্‌ (আস্তরণ কর।) + কল; বৃক্ষত্ত্বক।

    বীণার প্রতিশব্দ বল্লকী।

    বল্লকী—বল (আস্তরণ করা) + ণকৃ কর্তৃ + ঈপ্‌।

    উভয় শব্দ আস্তরণ করা শব্দজাত বিধায় রহস্য সৃষ্টির কারণে অবগাহন ও কলস শব্দের সংগে সামঞ্জস্য রেখে ‘বল্কল’ শব্দটি রূপকার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। তারযন্ত্র মূলতঃ বৃক্ষত্বক দিয়ে তৈরী হয়।

    জাহ্নবী, তমসা, ক্ৰৌঞ্চ-মিথুন, অকর্দমতীর্থ প্রভৃতি শব্দ দ্বারা কাহিনীতে গ্রীষ্মকালীন প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে মেঘবন্দনার সময়কালকে যেমন নির্দেশ করা হয়েছে, তেমনি কলস, বস্কল, অবগাহন শব্দ দ্বারা সংগীত তথ্য সুচিহ্নিত।

    দেখা যায় বাল্মীকির রামায়ণ রচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল বহু অর্থবহ এই গীতিকাব্য অবলম্বন করে চারণের ছদ্মবেশে সীতার গর্ভজাত কুশ ও লবকে তাদের পিতা রাজা রামচন্দ্রর সম্মুখে উপস্থাপিত করা। এই উদ্দেশ্যে বিষয়বস্তু হিসাবে লোকসংগীতের রামকথাটির নব-রূপায়ন সম্পর্কে বাল্মীকি চিন্তা করেছিলেন।

    গান্ধৰ্ব-সংগীত বিশেষজ্ঞ বাল্মীকি প্রথমে মৃদংগ জাতীয় বাদ্যযন্ত্র সহযোগে মেঘবন্দনার নতুন সুর সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মনঃপুত না হওয়ায় তারযন্ত্রের শরণাপন্ন হন।

    মেঘবন্দনার উপযুক্ত কাল গ্রীষ্মঋতুর শেষ পর্যায়ে; যখন মানুষ তথা জীবজগৎ মেঘ সমাগম ও বারিবর্ষণ ব্যাকুলভাবে কামনা করে। সংগীতের ভাব ও সুর (পরবর্তী কালে অর্থাৎ বর্তমান সময়ে যাকে রাগ বলা হয়) ঋতু তথা সময়কাল আশ্রিত। সুতরাং বাল্মীকি তৎকালীন প্রচলিত মেঘবন্দনা তথা মেঘগীতির সুরে বিবতন সাধনের চিস্ত ভাবনার কালে কলসজাতীয় বাদ্যযন্ত্র বর্জন করে তারযন্ত্র অবলম্বন করেছিলেন। এই প্রচেষ্টার ফলশ্রুতি হল শ্লোকের আবির্ভাব।

     

    ক্ৰৌঞ্চবধ প্রসংগে শৃঙ্গার, বীভৎস, করুণ ও রৌদ্র রসের অবতারণা করা হয়েছে। এই রসগুলির আশ্রিত স্বর যথাক্রমে মধ্যম, নিষধ, ষড়্জ এবং ধৈবত ৷ এই চারটি স্বরের আদ্যাক্ষর নিয়ে আদিশ্লোকের প্রথম শব্দ —মা নিষাদ। মা শব্দটি স্বতন্ত্র রাখার হেতু মধ্যম বাদী বা গ্রহস্বর। নিষাদ শব্দের ‘দ’ অক্ষর ইংগিত করছে ধৈবত বর্জিত।

    এই চারটি স্বরের উপর ভিত্তি করে প্রাচীনকালে ‘মেঘরাগ’ জাতীয় মেঘবন্দনা গাওয়া বিচিত্র নয়। সেক্ষেত্রে বাদী মা (মধ্যম), সম্বাদী ষ (ষড়্‌জ), ঔড়বষাড়ব জাতি, ধ (ধৈবত) বর্জিত। ধ্রুবপদ।(৩) পণ্ডিতগণের মতে চার স্বরের রাগ অনার্য সংগীতের পর্যায়ে পড়ে।(৪)

    বর্তমান কালের মেঘ তথা বর্ষা আশ্রিত মেঘরাগের প্রাচীন উল্লেখ একাদশ-দ্বাদশ খৃষ্টাব্দের আগে পাওয়া যায় না। কিন্তু মল্লার বা মল্লহার বা মলহার রাগের অস্তিত্ব পঞ্চম-সপ্তম খৃষ্টাব্দে ছিল।

    দেশজ রাগগুলি কোন বিশেষ স্থান বা গোষ্ঠীকে নির্দেশ করে। সেক্ষেত্রে মল্লার দেশজ রাগ মল্পজাতি অথবা প্রাচীন মলদ দেশের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। গঙ্গার দক্ষিণে মলদরাজ্য এবং সেই অঞ্চলে মল্পগণের বসবাস উভয়ই ইতিহাস-সিদ্ধ।

    খৃষ্টপূর্ব ৩য়-২য় শতকে রচিত জাতক কাহিনীর মৎস্য জাতকে (নং ৭৫) মেঘবর্ষণের উদ্দেশ্যে গীত মেঘগীতির উল্লেখ আছে। জাতকে ‘রাগ’ শব্দের উল্লেখ নাই; কিন্তু মেঘবর্ষণের উদ্দেশ্যে যে বিশেষ ধরণের সংগীত ছিল তার সুস্পষ্ট ইংগিত পাই। রামায়ণে সংগীত-তত্ত্বের উল্লেখ অনুসরণ করে পণ্ডিতগণ এই মহাকাব্য রচনার সময়কাল নির্ধারণ করেছেন খৃঃ পূঃ চতুর্থ শতক।(৫) সুতরাং খৃঃ পূঃ চতুর্থ শতকে রামায়ণের কালে মেঘবন্দন সংশ্লিষ্ট চারটি স্বর আশ্রিত মেঘগীতির অস্তিত্ব অন্‌-আর্য কোন সম্প্রদায়, বিশেষ করে কৃষিনির্ভরশীল সম্প্রদায়ের মধ্যে বৰ্তমান ছিল এই কথা সহজেই অনুমান করা যায়।

    সুতরাং আদিশ্লোকের মধ্যে অন্তর্নিহিত সংগীত-তত্ত্বের ইংগিত অনুসরণ করে শ্লোকটির কৃষিসত্তা স্বীকার করতে হয়।

     

    উপরোক্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে মনে হয় না আদিকবি অবগাহনের উদ্দেশ্যে তমসা নামক নদীতীরে বল্কল হাতে বিচরণকালে কামমোহিত ক্ৰৌঞ্চ-মিথুনের ক্ৰৌঞ্চকে নিহত হতে দেখেছিলেন।

    আদিশ্লোকটি বিবিধার্থবহ। এর মধ্যে নব উদ্ভাবিত ছন্দ, পরিমার্জিত স্বর-সংযোজন এবং মহাকাব্যর মূল বক্তব্য বিষয়ের ইংগিত রাখা হয়েছে। বর্তমান অর্থভেদ অনুসরণে ক্ৰৌঞ্চবধ ঘটনাটি মূল কাহিনী হতে বিচ্ছিন্ন মনে হবে না।

    বাল্মীকি রামকথার স্রষ্টা নন, মনে করি নারদও নন। প্রাচীনতম কালের কৃষিজীবি মানবগোষ্ঠীর মেঘদেবতার বন্দনায় স্বতঃস্ফূত আবেগের মধ্য দিয়ে এই কাহিনী আত্মপ্রকাশ করেছিল। সেই রামকথা একান্তভাবে মেঘদৈবত রাম ও কৃষিশ্রী সীতাকে অবলম্বন করে। নারদ সেই কাহিনীর সুর মাগ-সংগীতের অন্তর্ভূক্ত করেছিলেন। বাল্মীকি তাঁর প্রয়োজনমত কাহিনী ও সুর উভয়ই সর্বজনগ্রাহ্য করে ‘রামায়ণ’ রচনা করেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশুনছ, কোথাও আছো কি কেউ?
    Next Article জিম করবেট অমনিবাস (অখণ্ড) – মহাশ্বেতা দেবী সম্পাদিত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }