Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    তপন বাগচী এক পাতা গল্প180 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. সাময়িকপত্র সম্পাদনা

    ০৬. সাময়িকপত্র সম্পাদনা

    কবিতা-রচনার পাশাপাশি সাময়িকপত্র সম্পাদনার ক্ষেত্রেও রুদ্র ছিলেন সমান মনোযোগী। তার সম্পাদিত কোনো পত্রিকাই দীর্ঘস্থায়ী হয় নি। কিন্তু একথা স্পষ্ট যে, একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি সম্পাদনাকর্মে ব্রতী হয়েছিলেন। বলা যায়, তাঁর কবিতাকর্ম এবং সম্পাদনাকর্ম প্রায় একই সময়ে শুরু হয়েছে। স্কুলজীবনেই তার সম্পাদনার হাতেখড়ি। তখনো তিনি ‘রুদ্র’ নন কেবলই ‘মুহম্মদ শহিদুল্লাহ। তার সম্পাদনায় প্রথম যে-সংকলনটি বেরিয়েছিল তার নাম ‘দুর্বিনীত’। পরবর্তীকালে ‘অনামিকার অন্য চোখ ও চুয়াত্তোরের প্রসব যন্ত্রণা’, ‘অশ্লীল জ্যোৎস্নায়’, ‘স্বরূপ অন্বেষা’, ‘poiema’ প্রভৃতি সাহিত্যপত্রের সম্পাদক এবং ‘সাহস’ নামের একটি সাহিত্যপত্রের প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    দুর্বিনীত

    ১৯৭৩ সালে, রুদ্রের বয়স সবে সতের-য় পড়েছে, বের করলেন ‘দুর্বিনীত’ নামের একটি সাহিত্য-সংকলন। রুদ্র তখন ওয়েস্ট এড হাইস্কুলের ছাত্র, এসএসসি পরীক্ষার্থী। এটি ছিলো একুশের সংকলন। প্রকাশকাল লেখা ছিল ‘আটই ফাগুন, ১৩৭৯’। প্রকাশক হিসেবে মুদ্রিত হয়েছে দুর্বিনীত শিল্প সাহিত্য গোষ্ঠীর’-র নাম। রুদ্র ছিলেন এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক। তখনো তিনি ‘রুদ্র’ নাম গ্রহণ করেন নি। এই সংগঠনের ঠিকানা ছিলে রুদ্রের মামার বাসার ঠিকানা–৫০, লালবাগ। রুদ্র তখন এই বাসায় থাকতেন। ‘দুর্বিনীত’ সংকলনটি ছাপা হয়েছিল মিছ-ওয়ান প্রিন্টার্স, ১৫/এফ আজিমপুর রোড, ঢাকা থেকে। প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন রুদ্র এবং ইকবাল হাফিজ। প্রকাশনায় যারা সহযোগিতা করেছেন তারা হলেন– হেলাল আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, আতিকুল আলম, ইকরামুল হুদা, জাহিদ রেজা সানি, মাসুদ আহমেদ, মাহবুব ইফতেখার, ফারুক আহমেদ ও ইরশাদুল্লাহ। ‘দুর্বিনীত’-র ঘোষণা হিসেবে ছাপা হয়েছিল বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ‘আমি চির দুর্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস, …থেকে প্রথম সাতটি চরণ। বোঝা যায় ‘দুর্বিনীত’ নামটি নজরুলের কবিতা থেকেই গৃহীত হয়েছিল। আর সম্পাদকীয় হিসেবে ছাপা হয়েছিল ‘দুর্বিনীত’ নামে একটি কবিতা। কবিতাটি হুবহু উদ্ধৃত হতে পারে।

    দুর্বিনীত
    মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    আমি দুর্বিনীত নির্ভীক সৈনিক;
    জন্মেছি এঁদো বস্তির দুর্গন্ধতায়
    অন্ধকার কালরাতে জলন্ত স্ফুলিঙ্গ যেন–
    প্রচণ্ড এক বুক উত্তপ্ত নক্ষত্র।

    দ্বন্দ্বের মুখোমুখি ভাঙ্গনের উল্লাসে
    আমি অট্টহাসে কঁপাই ভুবন,
    শোষণের স্বর্ণলঙ্কা পোড়াই
    লেজের বীভৎস হনুমান অগ্নিতে।
    ঘুণে ধরা সমাজের ঘরখানা
    পদাঘাতে ভেঙ্গে ফেলি চুরমার
    আমি শাসন শোষণ ভয় করি না।

    আমি শ্মশানে কবরে শত
    মৃতের বুকে বিদ্রোহ আনি,
    পৃথিবীর সহস্র পুনর্জন্মে
    আমি নির্বিঘ্নে জন্ম নেই,
    আমি অমর পাপিষ্ঠ–আমি মরি না।
    তোমাদের বিশ্বাসী স্রষ্টার কলিজা
    ছিঁড়ে ফেলে পান করি এক বুক রক্ত।
    ধর্মের কণ্ঠনালী ভেঙ্গে
    পান করি দুর্গন্ধ পুঁজ–
    বিষাক্ত এ পাপিষ্ঠ মুখে।

    কবিতাটি রুদ্রের কচিহাতের লেখা। নজরুল-প্রভাবিত এই কবিতায় মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ‘দ্রোহী’ ও ‘রুদ্র’ রূপটি ধরা পড়ে। এরপর থেকেই তিনি নামের আগে ‘রুদ্র’ শব্দটি জুড়ে দেন। সংকলনটির সম্পাদনার যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেছেন রুদ্র। কিন্তু তার নাম ছাপা হয়েছে ‘সম্পাদক সহযোগী হিসেবে। সম্পাদক হিসেবে নাম ছাপা হয়েছে ‘দুর্বিনীত শিল্প সাহিত্য গোষ্ঠী’-র সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান-এর। ইনি ছিলেন রুদ্রের স্কুল-শিক্ষক।

    অনামিকার অন্য চোখ এবং চুয়াত্তোরের প্রসব যন্ত্রণা

    রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ সম্পাদিত দ্বিতীয় সাময়িকী হচ্ছে ‘অনামিকার অন্য চোখ এবং চুয়াত্তোরের প্রসব যন্ত্রণা।’ প্রকাশকাল ১৯৭৪ সালের শহিদ দিবস। পত্রিকায় উল্লেখ ছিল ‘আটই ফালগুন ত্যারোশা আশি। এটি ‘আমরা পদাতিক সম্প্রদায়’-এর পক্ষ থেকে তমদ্দন প্রেস, ৫০ লালবাগ থেকে মুদ্রিত, প্রকাশিত ও প্রচারিত। সম্পাদনা-সহকারী ছিলেন আহমেদ হেলাল। এই সংকলনের সঙ্গে রুদ্রের যে-সব বন্ধু ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন তাদের প্রত্যেকের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য মুদ্রিত ছিল। যেমন :

    জীবনের বিধ্বস্ত পান্ডুলিপিখানা নোতুন আংগিকে সংশোধন কোরতে চাই।–শাহজান। মাখন

    সোনার হরিন চাই না, মাটির কাছাকাছি যাবো।–মাহমুদ হাসান

    মুখোমুখি হোতে হবে জেনেই এ্যাতোটা দুঃসাহসী হোতে পেরেছি।–-ইকবাল আহমেদ দুলু

    প্রতিবন্ধকতার জলোচ্ছাস আমার নিপুন ভিত টলাতে পারবে না। সংশপ্তক প্রত্যয়ে নিষিদ্ধ পদাতিক হবো।–আহমেদ হেলাল

    অন্য চোখ আছে বোলেই অনামিকা তোর বুকের উত্তপ্ত সোঁদা ঘ্রানে চিরকাল বুনবো প্রেমের বীজ আমি তুখোর তুমুল জারজ।–রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    সম্পাদকীয় হিসেবে ‘একুশ তুই আর আসিস না’ এবং ‘উপলব্ধির সাদা কালো’ নামে দুটি রচনা প্রকাশিত হয়েছে। নাম উল্লেখ করা না-হলেও কারো বুঝতে বাকি থাকে না যে রচনাদুটি লিখেছিলেন রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ নিজেই। এই রচনাদুটিতে রুদ্রের সাহিত্য সম্পর্কিত চিন্তা-ভাবনার ছায়া পড়েছে। রুদ্রের সাহিত্যজীবনের ঊষাকালের খবর জানতে এ-দুটি রচনা সহায়ক হতে পারে। এখানে বানান-সম্পর্কিত নতুন চিন্তার প্রকাশ রয়েছে। উদ্ধৃতিতে রুদ্র-ব্যবহৃত বানান-ই অক্ষুণ্ণ রাখা হল।

    একুশ তুই আর আসিস না

    ক্যানো আসবি, কার কাছে আসবি? তোর বুকের গরোম রক্তের স্পর্শে একদিন নিষিদ্ধ বিক্ষোভ হোয়েছি। অপ্রতিরোধ্য ব্যারিকেড গোড়েছি। কৃষ্ণচূড়ার বিক্ষুব্ধ লাল ছুঁড়ে দিয়েছি তোর সুনীল করতলে। কিন্তু আজ তোর খোঁপায় রজনীগন্ধা অথবা স্মিত হাসি ভালো লাগে না আর। আমরা তোর অন্তর্বাসে হাত দিয়েছি। কী কোরবো বল, কিছুই। পাই নি যে আমরা! মেনড্রাক্স আজ একমাত্র সংগী–সম্বল একবুক জারজ স্মৃতির। বিষ। তোর মর্যাদা দেবার মতো কিছুই নেই।

    আর আসিস নে হতভাগী। সত্যি বোলছি এবার এলে নিশ্চয়ই তুই সতীত্ব হারাবি।

    ‘উপলব্ধির সাদা কালো রচনাটি এর পাশাপাশি ভিন্ন পৃষ্ঠায় ছাপা হয়েছিল। উপলব্ধির ভিন্নতা বোঝাতে হয়তো এরকম করা হয়েছিল। লেখাটি এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে–

    উপলব্ধির সাদা কালো

    নিশ্চয়ই। যোদি কিছু ভুল দৃষ্ট হয় তীব্র সমালোচনা করুন। উৎসাহ পাবে, উদ্দীপনা বাড়বে। অনর্থক শিশুসুলভ স্নেহের প্রত্যাশী নই। নিশ্চয়ই চোখে পোড়বে অনেক স্থানেই অশ্লীল শব্দ ব্যবহৃত হোয়েছে। কী কোরবো বলুন আমরা সকলেই যে ভদ্রবেশী অশ্লীলতার পরোম পূজারী। অস্বীকার কোরতে পারবেন? সাহিত্যে অশ্লীলতা অনাবশ্যক বোলে তর্কো কোরতে পারেন কিন্তু জাগতিক জীবনে কী অশ্লীলতা নিষিদ্ধ কোরতে পারবেন? যেহেতু জীবন এবং জগৎ বাদ দিয়ে সাহিত্য অসম্ভব তাই সাহিত্যে অশ্লীলতা অনাবশ্যক নয় বরং জীবনকে বেঁধে রাখার নিপুণ প্রয়াস।

    হয়তো প্রতিবাদ কোরবেন অনাবশ্যক দুঃশ্চিন্তায় নরোকগামী হোচ্ছি। তবে স্বীকার আপনাকে কোরতেই হবে যে গতানুগতিকতার চিরশত্রু ব্যতিক্রমধর্মী আমরা স্পষ্টতই অসম্ভব দুঃসাহসী।

    আবহমান এই বাংলায় একদিন স্বাচ্ছন্দের স্বচ্ছ বাতাস ছিলো। সোনালী সম্ভাবনার সবুজ পাল তুলে ভেসে যেতো দৈনন্দিন জীবন আশার রূপোলী নদীতে। শালিকের ধূসর চোখ কাকের মসৃন পালোক আশ্বিনের ভরা ক্ষেত বৈশাখের মাতাল বাতাস আর অনংগ বধুর সিথির সিঁদুর নিয়ে একটি নিবিড় সংসার পেতেছিলো আজীবন দুঃখিনী এক মা।

    হঠাৎ একদিন আকাশে মেঘ উঠলো সমস্ত সবুজ ওরা কেড়ে নিতে চাইলো। আমরা। চিৎকার কোরলাম নিজস্ব কণ্ঠে। ওরা শেকল দ্যাখালো। আমরা কারাগার চিনলাম বিক্ষোভের লাল ঠোঁটে চুমু খেলাম। মৃত্যুর সাথে সংগম কোরলাম আজন্ম সম্পর্কে, তাই মেঘ গাঢ় কালো হোলো। আর মেঘের ভেতোর সঞ্চিত হোতে থাকলো বিক্ষুব্ধ বজ্র। আসন্ন ভাংগোনের সম্ভাবনা।

    মেঘে ঢাকা সূর্য মুক্ত হোলো। কিন্তু তখোন সমস্ত সবুজগুলো পুড়ে গ্যাছে। সে নিবিড় সংসারে অভাবের টর্নেডো, সমস্যার মহামারী আর যন্ত্রনার শ্মশান হোলো বুকের কাছাকাছি কবর শিয়রে জেগে আছে।

    এই সংখ্যায় শহীদুল্লাহ কায়সার, হাসান হাফিজুর রহমান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, শামসুর রাহমান, ফজল শাহাবুদ্দিন, আবদুল গনি হাজারী, আবু কায়সার, নির্মলেন্দু গুণ, রফিক আজাদ, মহাদেব সাহা, উমাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, দাউদ হায়দার, মখদুম মাশরাফী, মিয়া মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, ওমর আলী এবং রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর কবিতা ছাপা হয়েছে।

    অশ্লীল জ্যোৎস্নায়

    অনিয়মিত কবিতাপত্র পরিচয় নিয়ে ‘অশ্লীল জ্যোৎস্নায়’-এর ১ম বর্ষের ১ম সংখ্যা বেরিয়েছিল ১৯৭৫ সালে ফেব্রুয়ারিতে। এর একটি মাত্র সংখ্যাই প্রকাশিত হয়েছিল। এর সহকারী সম্পাদক ছিলেন আহমেদ হেলাল। প্রকাশনায় পদাতিক সম্প্রদায়ের সাহিত্য বিভাগ। কার্যালয়ও ছিল পূর্ববৎ–৫০ লালবাগ, ঢাকা। এই পত্রিকার মাধ্যমে রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ সাহিত্যের একটি নতুন সংযোজন হিসেবে উপলিকা’ রচনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। লক্ষ করা যায় যে, মূর্ধণ্য ‘ণ’ বর্জনের প্রবণতা থাকলেও এ লেখাদুটিতে তা ঘটে নি। উপলিকা’ সম্পর্কে তার নিজের ব্যাখ্যা ও ঘোষণা এখানে তুলে ধরা যায়–

    উপলিকা সম্পর্কিত উপস্থাপনা

    না কবিতা। না গল্প। সুরটা হবে কাবিতিক। এবং উপস্থাপনাটা হবে গাল্পিক। মূলত কবিতার স্বচ্ছন্দ গতি নিয়ে এর শুরু এবং গল্পের বিন্যাসে বিন্যস্ত। জটিলতা সবসময় পরিত্যাজ্য। যতোটা সম্ভব তার ধারাবাহিকতা আবশ্যক। সমাপ্তিটা ছোটগল্পের মতোন। সহজ শব্দের ব্যবহার বাঞ্ছনীয়।

    নিঃসন্দেহে সাহিত্যে এটা একটা নোতুন সংযোজন। সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ‘ক্ষমা নেই’ গ্রন্থের রচনাগুলোয় অবশ্য উপলিকার গুণগত দিক থেকে সাদৃশ্য রয়েছে। তবে ঐ রচনাগুলোর প্রথম অবস্থায় খুব একটা উদ্বিগ্নতা ছিল না, য্যামোন থাকে না রচনাটা শেষ হলে।

    উপলিকার প্রধান উপজীব্য হচ্ছে রচনার প্রথম থেকে পাঠককে যে পরিবেশ বা যে ধারণার মাঝে নিয়ে যাওয়া হবে ঠিক শেষ মুহূর্তে সেই পরিবেশ থেকে সম্পূর্ণ নোতুন। একটা পরিবেশ বা অবস্থানে পাঠককে ছুঁড়ে দিতে হবে।

    অর্থাৎ ঠিক সেই নোতুন পরিস্থিতির কথা না বলা পর্যন্ত পাঠক সে-সম্পর্কে সামান্যতম আভাষও পাবে না। তাই সে বিষয়বস্তু ভাবগত হোক আর বস্তুগত হোক।

    এ দেশের আবদুল মান্নান সৈয়দের কয়েকটা কবিতাকে মোটামুটিভাবে উপলিকা বলে ধরা যেতে পারে। কিন্তু ঐ একই কারণে সম্পূর্ণভাবে ধরা যায় না। তাছাড়া সৈয়দের কবিতায় দুর্বোধ্য শব্দের ব্যবহার একটু বেশি।

    ফরহাদ মজহারের কয়েকটি কবিতায় উপলিকার কিছু কিছু গুণ লক্ষ্যণীয়। আবুল হাসানেরও তাই।

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বেশির ভাগ কবিতাকেই উপলিকা বলা যেতে পারতো, যদি না ঐ কবিতাগুলোয় কবিতার ঘ্রাণ একটু কম থাকতো।

    উপলিকার আর একটি বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ কোরছি। তা হলো এর আকার খুব বেশি দীর্ঘ করা যাবে না। মোটকথা উপলিকা হোচ্ছে না-গল্প না-কবিতা।

    এরপরে সম্পাদকীয় ঘোষণা হিসেবে লেখা হয়—

    উপলিকা সম্পর্কে বিশদ আলোচনা এবং এ-সম্পর্কে লেখকদের মতামত আগামী সংখ্যায় ছাপা হবে।

    যে-কোনো লেখকই ‘উপলিকা’ বিভাগে লেখা পাঠাতে পারবেন। সেগুলোকে উপলিকা

    হোতে হবে। সবশেষে নমুনা হিসেবে ‘একটি মারাত্মক স্বপ্নভুক দিন’ এবং ‘একদিন ওনামে কাউকেই চিনতাম না’ শীর্ষক দুটি উপলিকা প্রকাশিত হয়েছে। রুদ্র ছাড়াও এ-সংকলনে কবিতা লিখেছেন আলাউদ্দিন আল আজাদ, মহাদেব সাহা, নির্মলেন্দু গুণ, রফিক আজাদ, মাকিদ হায়দার, দাউদ হায়দার, কামাল চৌধুরী প্রমুখ।

    স্বরূপ অন্বেষা

    আলী রীয়াজ, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ এবং মঈনুল আহসান সাবের যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন ‘স্বরূপ অন্বেষা’ নামের একটি প্রবন্ধ-সংকলন। এঁরা তিনজনেই সত্তর দশকের সাহিত্যে শীর্ষস্থানীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বর্তমানে বিবিসি-র বাংলা সার্ভিসের সিনিয়র প্রডিউসার ডক্টর আলী রীয়াজ প্রাবন্ধিক হিসেবে, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ কবি হিসেবে এবং সাপ্তাহিক বিচিত্রার সাবেক সহকারী সম্পাদক মঈনুল আহসান সাবের কথাসাহিত্যিক হিসেবে খ্যাতিমান। ১৯৭৮ সালের মে মাসে সংকলনটি প্রকাশ করেছিলেন তিতাস প্রকাশনী, ৪ শান্তিনগর বাজার, ঢাকা ১৭-এর পক্ষে নীয়াজ আহমেদ। ছাপা হয়েছিল শিলালিপি মুদ্রায়ণ, ৪৫/৩ রামকৃষ্ণ মিশন রোড থেকে। প্রচ্ছদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল কাজী হাসান হাবীবের করা নামলিপি এবং কামরুল। হাসানের করা উডকাঠের প্রতিলিপি। ‘স্বরূপ অন্বেষায় প্রবন্ধ লিখেছিলেন, স্ত্ৰিআবিদ রহমান (সাম্প্রদায়িকতা), সলিমুল্লাহ খান (শিক্ষার সংকট), আলী রীয়াজ (বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ) এবং মোরশেদ শফিউল হাসান (কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমস্যা : চুর্ণচিন্তা)।

    সাহস

    ১৯৭৯ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয় ‘সাহস’ নামের একটি কবিতা-সংকলন। এর প্রিন্টার্স লাইনে লেখা হয়েছে, ‘রাখাল প্রকাশনীর পক্ষে রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ কর্তৃক সিদ্ধেশ্বরী সড়ক, ঢাকা ১৭ থেকে প্রকাশিত।’ অর্থাৎ রুদ্র এখানে সম্পাদক নন, প্রকাশক। সম্পাদক হিসেবে ছাপা হয়েছিল আলী রীয়াজ ও সাজ্জাদ হোসেনের নাম। এ-সংকলনে রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ছাড়াও জাফর ওয়াজেদ, সাজ্জাদ হোসেন, কামাল চৌধুরী প্রমুখের কবিতা প্রকাশিত হয়েছে।

    Poiema

    Poiema-এর একটিমাত্র সংখ্যা বেরিয়েছিল ১৯৮০ সালের মার্চ মাসে। রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ছিলেন এর যুগ্মসম্পাদক (joint editor)। সম্পাদক মুহম্মদ নূরুল হুদা, নির্বাহী সম্পাদক মুহম্মদ সিরাজুল হক, সহকারী সম্পাদক কাজী রোজী ও মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস, ডিজাইনার রাজা মিয়া। প্রকাশক শাহানা হুদার ঠিকানা ৬৬/১ জামাল খান রোড, চট্টগ্রাম উল্লেখিত হলেও এটি ছাপা হয়েছিল শাহাজাহান প্রিন্টিং ওয়ার্কস ৯৭/২ সিদ্দিক। বাজার, ঢাকা থেকে। এর সম্পাদকীয় দপ্তর হিসেবেও একই প্রেসের ঠিকানা ব্যবহৃত হয়েছে। এর মূল্য রাখা হয়েছিল ৩০ টাকা (বাংলাদেশ) ও দুই ডলার (বিদেশ)। ত্রৈমাসিক হিসেবে প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও এটি পরে আর কোনো সংখ্যায় প্রকাশিত হয় নি। এটি মূলত ইংরেজি ভাষার সাহিত্য-পত্রিকা। পরিচিতিতে লেখা হয়েছে ‘poems from Bangladesh’। সেই হিসেবে এটি বাংলা কবিতার অনুবাদ পত্রিকা। প্রথম সংখ্যায় কবি আবুল হাসানের দুটি কবিতা, জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর প্রবন্ধ ‘The poetry of Shamsur Rahman’ এবং আহসান হাবীবের সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছে। ‘Poems : First wave’ শিরোনামে পঞ্চাশের দশক ও পূর্ববতী কবি এবং ‘Poems : Second wave’ শিরোনামে ষাটের দশক ও পরবর্তী কবিদের কবিতার অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর কবিতাও সেখানে ছিল। কবিতাটি অনুবাদ করেছিলেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। এছাড়া এ-সংখ্যায় যাদের নাম সূচিপত্রে পাওয়া যায় তারা হলেন মাসুদ মাহমুদ, সিদ্দিকুর রহমান ও মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস – শ্রী কৈলাসচন্দ্ৰ সিংহ প্রণীত
    Next Article বাঙালনামা – তপন রায়চৌধুরী

    Related Articles

    তপন বাগচী

    রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস – শ্রী কৈলাসচন্দ্ৰ সিংহ প্রণীত

    August 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }