Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প267 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দূরের ম্যাজিক

    এইমাত্র গোপন সূত্রে খবর পেলাম, আগামী শনিবার ম্যাজিশিয়ান অর্জুন সেন আমাদের বাড়িতে আসছেন। তিনি অল্প কিছুক্ষণ থাকবেন। গল্প করবেন। চা বিস্কুট খাবেন। অনুরোধ করলে কয়েকটা ম্যাজিক দেখাতে পারেন। খবর বিশ্বাস না হলে বড়দের কাউকে জিজ্ঞেস করা যেতে পারে।

    এই চিঠি বাবলার। বাবলা আমার খুড়তুতো ভাই। সাত দিন হল ওর সঙ্গে আমার সঙ্গে ঝগড়া চলছে। ঝগড়ার বিষয় অতি গুরুত্বপূর্ণ। ঘুড়ির লেজ। কথা কাটাকাটি দিয়ে শুরু হলেও ঝগড়া শেষে হাতাহাতি পর্যন্ত গড়িয়ে গেছে। আমি চুপচাপ ছাদ থেকে নেমে আসি এবং ভূগোল বই খুলে পড়তে বসে যাই। ঘোর বিকেলে গলা ফাটিয়ে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু পড়বার কোনও ইচ্ছে আমার ছিল না। তবু পড়তে লাগলাম। আসলে এর পিছনে আমার একটা অন্য মতলব ছিল। অল্পক্ষণের মধ্যেই সে মতলব কাজে দিল। আমাকে পড়তে দেখে কাকিমা ছাদে উঠে গেলেন এবং বাবলাকে কান ধরে নীচে নিয়ে এসে অঙ্ক করতে বসিয়ে দিলেন। আমি মুখ টিপে হাসলাম।

    তারপর থেকেই বাবলা আমার সঙ্গে কথা বন্ধ করে দিয়েছে।

    তবে কথা বন্ধ মানে তো এমন নয় যে, আমাদের কোনও কথা নেই। অবশ্যই আছে, সেসব খুবই জরুরি কথা। বাধ্য হয়েই সেগুলো আমাদের বলতে হচ্ছে চিঠি লিখে। এই চিঠি দেওয়া-নেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছে টুম্পা। টুম্পা আমাদের জেঠতুতো বোন। ক্লাস ফাইভে পড়ে। মুখটা বোকার মতো করে রাখে, আসলে দারুণ বুদ্ধিমতী। আমাদের কথা বন্ধে সে খুবই খুশি। কারণ, চিঠিপিছু সে আমাদের কাছ থেকে পারিশ্রমিক পাচ্ছে। নানা ধরনের পারিশ্রমিক। হজমি গুলি, মৌরি লজেন্স, পুতুলের মাথার ফিতে। চিঠি আর্জেন্ট হলে পরিশ্রমিক দামি। ড্রয়িংখাতা, প্যাস্টেল।

    আমাদের বাড়িটা খুব বড়। সামনে খানিকটা বাগান, ভিতরে ছড়ানো উঠোন আর উপরে বড় ছাদ। কলকাতার পুরনো ধরনের বাড়ি যেমন হয়। আমাদের বাড়ি যেমন বড়, তেমন আমরা থাকিও একসঙ্গে অনেকজন। কাকারা থাকেন তিনতলায়। সেখানে টানা বারান্দা। বারান্দার পাশেই ছোড়দি বড়দির ঘর। বর্ষার সময় এই বারান্দায় আমি আর বাবলা ক্রিকেট প্র্যাকটিস করি। দিদিরা বারণ করলেও শুনি না। জেঠুদের চারতলায় আছে মেজদার কম্পিউটার ঘর। আমি, বাবা, মা থাকি দোতলায়। দোতলায় খাবার জায়গা। রাতে আমরা বাড়ির সবাই সেখানে একসঙ্গে খেতে বসি। একতলায় বসবার জন্য দুটো বড় বড় ড্রইংরুম রয়েছে। একটায় টিভি চলে, অন্যটা মাস্টারমশাই এলে আমরা পড়তে বসি। এটা খুব সুবিধের। পড়বার সময় আমরা কান খাড়া করে টিভিতে খেলার কমেন্ট্রি শুনি, পারলে গানটানও শুনি। মাস্টারমশাইও শোনেন। মুখে অবশ্য বিরক্তি দেখান।

    আমাদের বাড়ি হইচইয়ের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু কিছুদিন হল, একটা থমথমে ভাব চলছে। রাগরাগ ব্যাপার। শুধু আমার আর বাবলার নয়, এই মুহূর্তে এই বাড়ির অনেকের মধ্যেই কথা কাটাকাটি, মান অভিমান, মুখ দেখাদেখি বন্ধ। ছোড়দা বলেছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা যেমন বাড়িতে ঢুকলে সবাইকে পাকড়ায়, আমাদের বাড়িতেও এখন সেরকম হয়েছে। রাগারাগির ইনফ্লুয়েঞ্জা সবাইকে ধরেছে। ছোঁয়াচে অসুখ।

    স্কুলে ছুটি চলছে। পড়ার চাপ কম। হাতে অজস্র সময়। এই সুযোগে আমি একটা কাণ্ড করেছি। একটা লাইন-টানা খাতায় বাড়ির সকলের রাগারাগিগুলো গুছিয়ে লিখে রাখার চেষ্টা করছি। অনেকটা অসুখের কারণ আর লক্ষণের মতো। কাজটা কঠিন। তথ্য সংগ্রহের ব্যাপার আছে। একা সবটা পারছি না। সেইজন্য টুম্পার মারফত বাবলার কাছে মাঝেমধ্যেই সেই খাতা পাঠাতে হচ্ছে। বাবলা মতামত লিখে দিচ্ছে।

    এখন পর্যন্ত যতটা লেখা হয়েছে, তা এরকম—

    (১) ঘুড়ির লেজ: সম্প্রতি আমার এবং বাবলার মধ্যে ঘুড়ির লেজ নিয়ে মারপিট হয়েছে। সেদিন বাবলা ঘুড়ির লেজ লাগাতে চেয়েছিল। আমি রাজি হইনি। বাবলার মতে, লেজ লাগালে ঘুড়ির দাপট বাড়ে। আমি বলছি, লেজ থাকলে ঘুড়িয়ে হনুমানের মতো দেখায়। এই নিয়ে গোলমাল।

    লক্ষণ: ঝগড়া, ঘুড়ি ছিঁড়ে ফেলা, মারপিট এবং কথা বন্ধ।

    বাবলার সংযোজন: বিকেলে সবাইকে শুনিয়ে ভূগোল পড়তে বসা খুবই অন্যায় হয়েছিল। সব কিছুর ক্ষমা আছে, এর কোনও ক্ষমা নেই। আছে শুধু ভয়ংকর প্রতিশোধ।

    (২) কম্পিউটার: বাবলার মেজদা এবং আমার ছোড়দির মধ্যে গত সোমবার সন্ধেবেলা কম্পিউটারের দখল নিয়ে বড় ধরনের একটা ঝামেলা হয়েছে। ছোড়দি বলেছিল, কম্পিউটারে সিডি চালিয়ে সিনেমা দেখবে। মেজদা তেড়ে গিয়ে বলছে, কম্পিউটার কি তোর সিনেমা হল? আমি এখন ইন্টারনেট খুলব।

    লক্ষণ: মেজদা আর ছোড়দি কথা বলছে ঠিকই কিন্তু কেউ কারও মুখের দিকে তাকাচ্ছে না।

    বাবলার সংযোজন: মনে হচ্ছে না, এই ঝামেলা সহজে মিটবে। মুখের দিকে না তাকিয়ে কথা বলা খুব কঠিন ঝামেলা। সহজে মেটে না।

    (৩) সম্ভবত কানে দুল: বড়দির সঙ্গে জেঠিমার রাগারাগির কারণ মনে হচ্ছে, কানের দুল। শোনা যাচ্ছে, জেঠিমার দেওয়া একটা কানের দুলের ডিজাইন নাকি বড়দির পছন্দ হয়নি। বড়দি সেই দুল পরছে না। তাতেই জেঠিমা খেপে আগুন। তবে এই খবর টুম্পার। খবর ঠিক নাও হতে পারে।

    লক্ষণ: মুখোমুখি হলেই দু’জনে মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে।

    বাবলার সংযোজন: শুধু মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে না, কাল বিকেলে বড়দিকে দেখে জেঠিমা ছাদ থেকে নেমে গেছেন।

    (৪) বড়ি: কাকিমা আর আমার মায়ের মনোমালিন্যের ইসু হল, বড়ি। সোমবার রান্না করবার সময় দেখা গিয়েছিল, স্টকে বড়ি বেশি নেই। কাকিমা ট্যাংরা মাছের ঝোলে বড়িগুলো দিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। মা চেয়েছিলেন বড়ি যাক শিম-আলুর তরকারিতে। এই নিয়ে অভিমান।

    লক্ষণ: অনেক বড়ি আনা হয়েছে এবং সব খাবারেই আমরা এখন বড়ি পাচ্ছি। এত বড়ি, অসহ্য লাগছে। কিছু করার নেই। মা-কাকিমার ঝামেলা না মিটলে, বড়ি-অত্যাচার থেকে মুক্তির কোনও উপায় নেই। এ বাড়ির রান্নার ইনচার্জ ওঁরা দু’জনেই। কোথায় বড়ি থাকবে, কোথায় থাকবে না, সে সিদ্ধান্ত ওঁদেরই মিলিতভাবে নিতে হবে।

    বাবলার সংযোজন: আর সহ্য হচ্ছে না। আরও দুটো দিন দেখব, তারপর আমি বড়ির ব্যাপারে বিদ্রোহ ঘোষণা করব ঠিক করেছি। সেরকম হলে অনশন পর্যন্ত যেতে পারি।

    (৫) মোবাইলের রিংটোন: মেজদির সঙ্গে বড়দির গোলমালের বিষয়, মোবাইল ফোনের রিংটোন। গত মাসে দু’জনে মিলিতভাবে একটা মোবাইল কিনেছে। মিলিত মোবাইল কেনার বিষয়টা নিয়ে বাড়ির সকলেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। ওরা শোনেনি। এদিকে বড়দি পছন্দ করে বাংলা গানের সুরওলা রিংটোন। মেজদি রিংটোনে হিন্দি সিনেমার গান ছাড়া ভাবতেই পারে না। তিন দিন আগে এই নিয়ে বিচ্ছিরি কাণ্ড।

    লক্ষণ: দুই বোনের ঝগড়া এবং ঝগড়া শেষে ফ্যাঁস ফ্যাঁস করে কান্না দু’জনেই কেউ আর মোবাইল ফোনটায় হাত দিচ্ছে না। বাবলার সংযোজন: আমার একটা মোবাইলের খুবই প্রয়োজন। ওরা রেগে গিয়ে জিনিসটা আমাকে দিয়ে দিলে খুবই ভাল হয়।

    (৬) জানা যায়নি: অল্প ক’দিন হল, বাবা আর জেঠুর মধ্যে একটা ঠান্ডা গরম সম্পর্ক চলছে। কারণটা জানতে পারিনি, তবে ব্যাপারটা মনে হচ্ছে, সিরিয়াস।

    লক্ষণ: রাতে পাশাপাশি দু’জনে চুপচাপ বসে খেয়ে উঠে যাচ্ছেন। ‘হুঁ, হুাঁ’ ছাড়া কথা নেই।

    বাবলার সংযোজন: কারণ জানার জন্য মা’কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। মা বলেছেন, বড়দের ব্যাপারে ছোটদের ঢুকতে নেই।

    (৭) ঠান্ডা চা এবং কালু: রান্নার মাসি কালুর মা এবং ড্রাইভারকাকুর খিটিমিটি এখন চরম পর্যায়ে। ড্রাইভারকাকুর প্রধান নালিশ হল, কালুর মা নাকি তাঁকে ইচ্ছে করে রোজ রোজ ঠান্ডা চা দেয়। অন্যদিকে কালুর-মায়ের অভিযোগ, একদিন দরজা খুলে গাড়িতে উঠে বসার মতো সামান্য অপরাধে ড্রাইভারকাকু নাকি কালুর কান মলে দিয়েছেন।

    লক্ষণ: রোজ ভোরে দু’জনে গলা ফাটিয়ে ঝগড়া করছে।

    বাবলার সংযোজন: কালু অতি বিচ্ছু ছেলে। শুধু কানমলা নয়, সঙ্গে গালে দুটো চড়ও লাগানো উচিত। ও শুধু গাড়িতে উঠে বসেনি, দীর্ঘক্ষণ ধরে হর্নও বাজিয়েছে।

    রাগারাগির খাতা বেশ জমে উঠেছে। এবার আমি খাতায় জেঠু এবং কাকার গোলমালটা নোট করব ভাবছিলাম, এমন সময় টুম্পার হাত দিয়ে বাবলার এই মারাত্মক চিঠি এসে পৌঁছোল।

    অর্জুন সেন! অর্জুন সেনের মতো এত বড় একজন ম্যাজিশিয়ান আমাদের বাড়িতে আসছেন। বিশ্বাস হচ্ছে না। কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছে না। দেশ-বিদেশে সর্বত্র ওঁর খ্যাতি। ওঁর তিন ঘণ্টার একটা ম্যাজিক শো দেখলে ঘোর কাটতে পাক্কা তিন দিন লাগে! গত বছর বাবা আমাদের নিয়ে গিয়েছিলেন। এক মাস আগে টিকিট কেটেও সামনে সিট পাইনি। ওঁর একটা ম্যাজিক নিয়ে তো বিদেশেও খুব হইচই পড়ে গেছে। জাপানের কোনও একটা পত্রিকায় নাকি লিখেছে: এই খেলাটা উনি প্রতিটা শোয়ের শেষে দেখান। সব ম্যাজিশিয়ান শো শেষ হয়ে গেলে হাঁটতে হাঁটতে স্টেজ থেকে বেরিয়ে যান অথবা সামনে পরদা পড়ে যায়। একমাত্র অর্জুন সেন যান উড়তে উড়তে! সবাই দেখতে পায়, স্টেজ থেকে উনি কয়েক ফুট উপরে ভাসছেন! ভানার মতো হাত নাড়ছেন! উইংসের পাশ পর্যন্ত উড়ে গিয়ে উনি আবার ফিরে আসেন। দর্শকদের বলেন, না, ওদিক দিয়ে যাব না। ওদিকে বড্ড মেঘ। মেঘের ভিতর দিয়ে গেলে জামাকাপড় ভিজে যাবে। আমি বরং এ পাশ দিয়ে যাই।

    এই ম্যাজিক দেখে দর্শকরা এতটাই অভিভূত হয় যে, হাততালি দেওয়ার কথাও ভুলে যায়। সেদিন টুম্পা তো বাড়ি ফিরে, রাতে ঘুমের মধ্যে হাততালি দিয়েছিল!

    সেই অর্জুন সেন এই বাড়িতে আসবেন। আমি খাতাটাতা ফেলে রেখে তিনতলায় ছুটলাম। তিনতলায় পৌঁছে দেখি, অবাক কাণ্ড! যে দু’জন মানুষ কাল রাতেও খাবার টেবিলে চুপচাপ বসে খাচ্ছিলেন, তাঁরা এখন বারান্দায় দুটো চেয়ার পেতে বসে হেসে হেসে কথা বলছেন। রাগটাগ সব গেল কোথায়! কাছে গিয়ে শুনি, ওঁরা ম্যাজিশিয়ানের আসা নিয়েই কথা বলছেন। শুনলাম, গত সপ্তাহে কাকু একটা বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে অর্জুন সেনও যান। তিনি নাকি বরের দূর সম্পর্কের মামা হন। আধ ঘণ্টায় একশো তিনখানা অটোগ্রাফ দিয়ে হাঁপাচ্ছিলেন ম্যাজিশিয়ান। এই অবস্থায় কাকুর সঙ্গে ওঁর আলাপ হল। তারপরই কথায় কথায় বেরিয়ে পড়ল, কাকু আর অর্জুন সেন ছেলেবেলায় লেখাপড়া করেছেন একই স্কুলে। ব্যস, আড্ডা জমে গেল। স্কুলের বন্ধু বলে কথা! ফেরবার সময় কাকু ওঁকে বাড়িতে আসার নেমন্তন্ন করে বসলেন। অর্জুন সেন টেলিফোন নম্বর, ঠিকানা সব টুকে নিয়ে জানালেন, সময় পেলে অবশ্যই যাবেন। কাকু বাড়িতে কথাটা কাউকে বলেননি। ভেবেছিলেন, সত্যি যদি আসেন, তা হলে সবাইকে দারুণ চমকে দেওয়া যাবে।

    সেটাই হয়েছে। কাল হঠাৎ অর্জুন সেনের সেক্রেটারি কাকুকে অফিসে টেলিফোন করলেন। বললেন, শনিবার ইভনিং ফ্লাইটে ম্যাজিশিয়ান সেন মুম্বই যাচ্ছেন। সম্মোহন বিদ্যা নিয়ে কী একটা সেমিনার আছে। এয়ারপোর্ট যাওয়ার পথে তিনি স্কুলের বন্ধুর বাড়িতে খানিকটা সময় কাটাতে চান।

    আনন্দ আর উত্তেজনা একসঙ্গে হলে যে কী অবস্থা হয়, সেটা এখন টের পাচ্ছি। কেমন একটা পাগল পাগল লাগছে। ইচ্ছে করছে, সবাইকে ডেকে বলি। বাবা বোধহয় মুখ দেখে আমার মনের কথা ধরে ফেললেন। চোখ পাকিয়ে বললেন, “খবরদার টুলু, ঘটনা যেন জানাজানি হয়। জানাজানি হলে গোটা পাড়া এ-বাড়িতে ভেঙে পড়বে। সবাই ম্যাজিক দেখতে চাইবে। তোর কাকুও বারণ করে দিয়েছে।”

    আমার কিছুই মাথায় ঢুকছে না। এখনই বাবলার সঙ্গে বসতে হবে। এত মজা হচ্ছে যে, বাবলা যদি আজ আমাকে ঘুড়িতে একটার বদলে তিনটে লেজ লাগাতে বলে তাতেও মনে হচ্ছে, রাজি হয়ে যাব।

    ছাদে, জলের ট্যাঙ্কের পাশে বাবলা আর আমার মিটিং বসল। মিটিংয়ের মাঝখানে টুম্পা হাঁপাতে হাঁপাতে এসে হাজির। সেও খবরটা পেয়ে গেছে। আমাদের ভাব হয়ে গেছে দেখে তার ভেঙে পড়ার কথা। আমাদের ভাব মানে তার হজমি গুলি, লজেন্স বন্ধ। আজ কিন্তু ভেঙে পড়ল না। একগাল হেসে বলল, আমি ওঁকে ট্রেনের ম্যাজিকটা দেখাতে বলব।

    আমি টুম্পাকে ধমকে বললাম, একেবারে বোকার মতো কথা বলবি না! বাড়িতে এইসব ম্যাজিক দেখানো যায় না।

    বাবলা বলল, আমি দেখতে চাইব গানের খেলাটা।

    এই ম্যাজিকটা খুব মজার। ম্যাজিশিয়ান মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে যে-কথাই বলুন না কেন, মুখ থেকে বের হওয়ামাত্র সেটা হাওয়া থেকে সুর জোগাড় করে গানের মতো হয়ে যায়। বিরক্তি, রাগ, ধমক— সবই যেন এক-একটা গান! একটা সময় সুরের এই বাড়াবাড়ি দেখে ম্যাজিশিয়ান নিজেই ভেঙে পড়েন। তিতিবিরক্ত হয়ে কাঁদতে শুরু করেন। মজার ব্যাপার হল, সেই কান্নাও সুরের মতো শুনতে লাগে! তখন হাততালি আর হাসিতে হল ভেঙে পড়ার জোগাড় হয়। আমি অবশ্য চাইব, অর্জন সেন ‘ছিল রুমাল, হয়ে গেল বিড়াল’ ম্যাজিকটা দেখান। এই ম্যাজিকে একটা রুমাল বিড়াল হয়ে যাবে। তবে এক সমস্যা আছে। এটার জন্য একটা রুমাল আর একটা বিড়াল লাগবে। রুমাল কোনও সমস্যা নয়। দিদিদের কয়েক হাজার রুমাল আছে। একটা সরিয়ে রাখলেই হবে। কিন্তু বিড়াল? চেষ্টা করে দেখতে হবে।

    তিনজন ছাদ থেকে নীচে নেমে এসে শুনি, রান্নাঘরে বিরাট হইচই। মা আর কাকিমার গলা। নিশ্চয়ই বড়ি নিয়ে ঝামেলা আরও ভয়ংকর চেহারা নিয়েছে। ইস, এই সময় ঝামেলা! ভয়ে ভয়ে আমরা রান্নাঘরে উঁকি দিলাম। দিয়েই চমকে উঠলাম! হইচই হচ্ছে ঠিকই, তবে সেটা গোলমালের হইচই নয়, আনন্দের হইচই। সব মান-অভিমান ভুলে গিয়ে মা-কাকিমা দু’জনে মিলে মহা আনন্দে অর্জুন সেনের জলখাবারের মেনু ঠিক করছেন। দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে আমরা মেনু শুনতে লাগলাম। মা বললেন, পাটিসাপটা, গোকুল পিঠে, চিঁড়ের পুলি আর শেষে ছানার পায়েস।

    কাকিমা একগাল হেসে বললেন, দারুণ বলেছ দিদি। এর সঙ্গে কেক, চিকেন স্যান্ডউইচ, পিৎজার ব্যবস্থা রাখব।

    মা বললেন, কেক কিন্তু তোমাকে ঘরে বানাতে হবে। কেক খেয়ে দেখবে অর্জুন সেন ঠিক তোমাকে একটা সার্টিফিকেট লিখে দেবেন— শ্ৰীমতী কেকের ম্যাজিশিয়ান।

    দু’জনেই খুব হাসতে লাগলেন। আমরাও হেসে ফেললাম। মা চোখ পাকিয়ে বললেন, অ্যাই, দরজার আড়ালে কে রে?

    বিকেলে দেখি, বড়দি, ছোড়দি সেজেগুজে বেরোচ্ছে। ওদের সঙ্গে বেরোবে বলে টুম্পাও রেডি। বাবলা আমার কানে কানে বলল, যা বাবাঃ, এদের অত রাগারাগি, কান্নাকাটি সব গেল কোথায় রে? এ যে দেখি খুব ভাব! ইস ছোড়দির হাতে মোবাইলটাও রয়েছে দেখছি!

    আমাদের দেখে বড়দি চোখ বড় করে বলল, শনিবার তুই আর বাবলা কিন্তু সাবধানে থাকিস। অর্জুন সেনকে বলব, তোদের দুটোকে ভ্যানিশ করে দিতে।

    টুম্পাটা মহা পাজি। বড়দির কথা শুনে হ্যা হ্যা করে হাসতে লাগল।

    ছোড়দি বলল, অ্যাই বাবলা, মা’কে বলে দিস, আমরা এখন ড্রেস কিনতে যাচ্ছি। অত বড় একটা মানুষের সামনে তা যেমন-তেমন পোশাক পরে থাকা যাবে না!

    শনিবার সকাল থেকে বাড়িতে হুলস্থুল কাণ্ড। কাকু অফিস না-গিয়ে সব তদারকি করছেন। এক-একজনের এক-একটা দায়িত্ব। মা, কাকিমা, জেঠিমা ঘরদোর পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েছেন। ওঁদের সাহায্যে আছে কালুর মা আর ড্রাইভারকাকু। টুম্পা আমাকে খবর দিয়েছে, কালুর মা এবং ড্রাইভারকাকুর মধ্যে ঝামেলা মিটে গেছে। ড্রাইভারকাকু কালুর মাকে আশ্বাস দিয়েছেন, ম্যাজিশিয়ান এলে কালুকে তিনি ম্যানেজ করে বাড়ির ভিতর ঢুকিয়ে দেবেন। তবে কথাটা আগে থেকে যেন কেউ না জানে। যদিও কথা জানাজানি হয়ে গেছে। কালুর মা নিজেই সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে।

    অর্জুন সেন যে ঘরে বসবেন সেটা সাজাচ্ছে বড়দি। এই কাজে বড়দিকে সাহায্য করছেন জেঠিমা। যে জেঠিমার সঙ্গে দু’দিন আগেও মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়েছিল, সেই জেঠিমাই এখন হাসিহাসি মুখে বড়দির অর্ডার মতো পরদা, সোফার কভার, টেবিল ক্লথ, ফুলদানি সাপ্লাই করছেন! তবে মেজদা আর ছোড়দির কাজটা সবচেয়ে সুন্দর। ওদের এখন দেখলে কে বলবে, কম্পিউটার নিয়ে কয়েক দিন আগে ওদের মধ্যে একটা বড় ধরনের ঝামেলা হয়ে গেছে? ওরা দু’জনে মিলে কম্পিউটারে চমৎকার করে লিখেছে— ‘আমাদের বাড়িতে জাদুকর সেনকে স্বাগতম।’ এই লেখার একটা প্রিন্ট বের করে দরজায় লাগিয়ে দেওয়া হবে।

    সব মিলিয়ে বাড়িজুড়ে একটা খুশি খুশি ভাব। দুপুরে খাওয়াও স্পেশ্যাল। অর্জুন সেনের আসা উপলক্ষে বাড়ির লোকদের জন্যও মা আর কাকিমা অনেক আইটেম রেঁধে ফেলেছেন। সকলে দল বেঁধে বসে পড়লাম। খেতে খেতেই মিটিং চলল। ফাইনাল মিটিং। কাকু বললেন, মনে হচ্ছে, পাঁচটা নাগাদ এসে পড়বেন, সুতরাং চারটের মধ্যে আমরা যেন রেডি থাকি। সবচেয়ে ভাল হয়েছে, বাইরের কাউকে বলা হয়নি। ঝামেলা করার কেউ নেই। দু’-চারটে ম্যাজিকট্যাজিক যদি দেখান, তা হলে তো দারুণ হয়! তবে বেশি আবদার করাটা ঠিক হবে না। হ্যাংলামি মনে হবে।

    টুম্পা বলল, বাবা, আমি কিন্তু ওঁর হাতে ফুল তুলে দেব।

    বড়দি বলল, সে না হয় দিস, কিন্তু দেখিস, সেই ফুলের গোছ অর্জুন সেন যেন তোর পরীক্ষার মার্কশিট না বানিয়ে দেন। তা হলে কিন্তু কেলেঙ্কারি হবে।

    সবাই খুব জোরে হেসে উঠলাম।

    ছোড়দা বলল, অ্যাই, তোমরা হাসি থামিও না। আমি একটা ফোটো তুলে রাখি। দাঁড়াও, আমি হাতটা চট করে ধুয়ে নিই।

    ছোড়দা আজ ফোটো তোলার দায়িত্ব পেয়েছে। ঠিক হয়েছে, অর্জুন সেনকে নিয়ে সে একগাদা ফোটো তুলবে। পুরো একটা সিরিজ। বাড়িতে ঢোকা থেকে একেবারে চলে যাওয়া পর্যন্ত। সেই সিরিজের নামও ঠিক হয়ে গেছে। নাম হবে, ‘আমাদের সঙ্গে অর্জুন সেন।’ আমি আর বাবলা ছোড়দাকে আগে থেকেই বলে রেখেছি, আমাদের সঙ্গে আলাদা আলাদা ফোটো তুলে দিতে হবে। স্কুলে নিয়ে যাব। স্কুলে ফোটো না-দেখালে কেউ বিশ্বাস করবে না। তবে ছোড়দা দেখছি, সকাল থেকেই ফোটো তুলতে শুরু করে দিয়েছে! বড়দির পরদা টাঙানো, মায়ের পাটিসাপটা তৈরি, কাকিমার পরিবেশন, ছোড়দির ড্রেস রিহার্সাল, আমার আর বাবলার গোপন বৈঠক আর আমাদের সকলের হাসি। পটাপট সব তুলছে।

    কাল আমাদের যে ভয়ানক মন খারাপ হয়েছিল, তা এখন আর একটুও নেই। কারণ, আমরা এখন দুটো গাড়িতে চেপে বাড়ির সবাই মিলে বসিরহাট যাচ্ছি। বসিরহাটে বাবার এক বন্ধুর দারুণ একটা নার্সারি রয়েছে। সেখানে আজ আমাদের পিকনিক হবে। কালুকেও সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। তাকে বসতে দেওয়া হয়েছে জানলার পাশে। রবিবারের সকালে রাস্তা ফাঁকা বলে গাড়ি ছুটছে হুহু করে।

    আসলে কাল রাতে বাবা চুপিচুপি ফোন করে এই পিকনিকের ব্যবস্থাটা করেছেন। আমাদের মন ভাল করে দেওয়ার জন্যই করেছেন। আমাদের মন অনেকটা ভাল হয়ে গেছেও। গাড়ির পিছনের সিটে বসে ছোড়দি আর বড়দি গান ধরেছে। টুম্পাও গলা মেলাচ্ছে। কাকু যে-ই ওঁর হেঁড়ে গলায় গেয়ে উঠলেন, আমরা সকলে হাততালি দিয়ে উঠলাম।

    কাল ম্যাজিশিয়ান অর্জুন সেন আমাদের বাড়িতে আসতে পারেননি। এয়ারপোর্ট থেকে টেলিফোন করে অনেক দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কথা দিয়েছেন, আর-একদিন আসবেনই আসবেন। আমরা সকলে খুব ভেঙে পড়েছিলাম। টুম্পা তো কেঁদেই ফেলল। বাবলা দেখলাম, মুখ ঘুরিয়ে ফেলল। আমারও কান্না পাচ্ছিল। ম্যাজিক দেখা হল না।

    এখন কিন্তু অন্যরকম মনে হচ্ছে। ম্যাজিক দেখতে না-পাওয়ার দুঃখটা ঠিক নয়। ম্যাজিশিয়ান অর্জুন সেন বাড়িতে আসতে পারেননি ঠিকই, কিন্তু ম্যাজিক দেখাতে তিনি ভুল করেননি। সেই ম্যাজিক তিনি দেখিয়েছেন দূর থেকে। এত লোকের রাগ, মান-অভিমান, ঝগড়া, কথা বন্ধ— কীভাবে যেন সব একেবারে ভ্যানিশ করে দিয়েছেন!

    অর্জুন সেন সত্যি যদি কোনওদিন আমাদের বাড়িতে আসেন, তা হলে ওঁর কাছ থেকে এই রাগ ভ্যানিশের ম্যাজিকটা শিখে নিতে হবে।

    উনি শেখাবেন কি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }