Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প267 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্যাচ

    হাফ ইয়ারলি পরীক্ষায় এবার বিল্টু দুটো বিষয়ে ক্লাসের মধ্যে সব থেকে বেশি নম্বর পেয়েছে। বাংলা এবং অঙ্ক। ইংরেজিতে ভাল করেছে। ফার্স্ট বয়ের থেকে পিছিয়ে আছে মাত্র দেড় নম্বরে। ভূগোল এবং ইতিহাসও খারাপ হয়নি। বরং ভালই হয়েছে। নম্বর আশির ঘরে। আরও মজার কথা হল, প্রত্যেকবার ড্রইং পরীক্ষায় সে পায় গ্রেড ‘বি’। এবার পেয়েছে ‘এ’ গ্রেড। ছবির বিষয় ছিল, একটি গ্রামের মেলা। বিল্টু কোনওদিন গ্রামের মেলা দেখেনি। তবু ভারী সুন্দর এঁকেছে। এতগুলো ভাল নম্বর পেয়েও বিল্টুর মন ভীষণ খারাপ। বিল্টুর বাবা তাপসবাবু এবং মা বিশাখাদেবীর মন খারাপ। এতই খারাপ যে তাপসবাবু অফিস থেকে ফিরে এক কাপ চা ছাড়া কিছু মুখে তোলেননি। বিশাখাদেবী সোফায় বসে টিভিতে একটা দম-ফাটা হাসির সিরিয়াল দেখছেন, কিন্তু একটুও হাসছেন না। ছোটকা ইউনিভার্সিটি থেকে ফিরে সেই যে নিজের ঘরে দরজা দিয়েছে, এখনও খোলেনি।

    বিল্টুর দাদু একজন হাসিখুশি মানুষ। সবসময়ই তাঁর মুখে হাসি। আজও তাঁর হাসি মুখ। কিন্তু সেই হাসিটা শুকনো। রোজই ঠাম্মা রান্নার আগে বলে দেন, কী কী রান্না হবে। আজ তিনি রতনের মাকে ডেকে বলে দিয়েছেন, সে যেন নিজের ইচ্ছামতো রান্না করে। কোনওভাবে তাঁকে যেন বিরক্ত না করা হয়।

    গোড়া বাড়ি জুড়ে একটা থমথমে ভাব।

    এর কারণ হল, বিল্টু আজ ক্লাস সিক্সের ক্রিকেট টিম থেকে বাদ পড়েছে। পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোনোর পর সিক্স এবং সেভেনের ‘সিলেকশন ম্যাচ’ ছিল। এই ম্যাচে ঠিক হয় আগামী দিনে ক্লাস টিমে কে থাকবে, কে বাদ যাবে। নতুন কেউ ঢুকবে কিনা। গেম টিচার অনিমেষ স্যার সারাক্ষণ মাঠের ধারে বসে থাকেন। ছোট্ট একটা নোটবুকে কী সব লেখেন। মনে হয় খেলোয়াড়দের নামের পাশে নম্বর দেন। খেলা শেষ হয়ে গেলে নতুন টিম ঘোষণা করেন।

    আজ ক্লাস সিক্স দুর্দান্ত খেলে সেভেনকে তেইশ রানে হারিয়ে দিল। গেম টিচার মাঠে নেমে সবার পিঠ চাপড়ে দিলেন এবং বললেন, বিল্টু এবার ক্লাস সিক্সের টিম থেকে বাদ। তার বদলে জায়গা পাবে সুশান্ত। সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবার সময় অনিমেষ স্যার গলা গম্ভীর করে বললেন, কথাটা বলতে আমার খুবই খারাপ লাগছে, কিন্তু কোনও উপায় নেই। বিল্টুর রান ভাল। যে-সময় তাকে উইকেটে গিয়ে দাঁড়াতে হয়, তখন দলের ওপর যথেষ্ট চাপ ছিল। সেই চাপের মুখে দাঁড়িয়ে সে ষোলো রান করেছে। বলেও পারফরমেন্স খারাপ নয়। দুটো গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পেয়েছে। সত্যি কথা বলতে কী, ফিল্ডিংয়ের একটা অংশ নিয়ে তাকে দোষ দেওয়া যায় না। উলটে প্রশংসা করাই উচিত। খুব জোরে ছুটে সে তিনখানা অবধারিত বাউন্ডারি আটকে দিয়েছে। নইলে ওখানেই সেভেন বারো রান পেয়ে যেত। তবু ওকে বাদ দিতে হচ্ছে। কেন দিতে হচ্ছে? কারণ, বাদ দেওয়া ছাড়া কোনও উপায় নেই।’

    এই পর্যন্ত বলে অনিমেষ স্যার দু’বার কাশলেন। মাঠের পাশে রাখা বোতল থেকে জল খেলেন। তারপর আবার শুরু করলেন, বিল্টু আজ মোট পাঁচখানা ক্যাচ মিস করেছে। গুনে গুনে পাঁচ। তার মধ্যে তিনটে ছিল অতি সহজ। এতই সহজ যে সেগুলোকে ক্যাচ না-বলে জল বলা যেতে পারে। একটা ক্যাচ ছিল কঠিন। বাকি একটা মাঝারি ধরনের। আমি খবর পেয়েছি, শুধু আজকের ম্যাচ নয়, এর আগের কয়েকটা খেলাতেও বিল্টু এই কাণ্ড করেছিল। ব্যাট, বল, ছোটাছুটির ফিল্ডিংয়ে সে যথেষ্ট পারদর্শিতা দেখিয়েছিল, কিন্তু ক্যাচ ধরতে পারেনি। আমি মনে করি, এই বয়স থেকে যদি ক্যাচ ধরতে এরকম গোলমাল হয়, তা হলে ভবিষ্যতে খেলতে নেমে বিল্টুরই অনেক ক্ষতি হবে। যে খেলার অন্য দিকগুলোতে এত ভাল করছে, সে ক্যাচে কেন পিছিয়ে থাকবে? ঠিক কিনা? তোমরাই বলো?’

    মাঠে বসে থাকা কেউ মাথা নাড়ল। কেউ নাড়ল না। অনিমেষ স্যার বিল্টুর দিকে নরম গলায় বললেন, মন খারাপ কোরো না বিল্টু। আজ না বুঝলেও একদিন তুমি নিশ্চয় বুঝতে পারবে যে আমি তোমার ভালই চেয়েছিলাম। সবদিকে ভাল পারফরমেন্স দেখিয়েও তুমি যাতে শুধু ক্যাচের জনা কখনও পিছিয়ে না যাও, সেটাই আমি চাই। তুমি ক্যাচের দিকে মন দাও। নিয়ম করে প্রাকটিস করো। আমার বিশ্বাস, ভবিষ্যতে তুমি খুব বড় প্লেয়ার হবে। ক্যাচের জন্য কত বড় বড় ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে গেছে, সে-গল্প তোমাকে আমি একদিন বলব। সুতরাং সামনের ক’টা দিন তোমায় নিজেকে তৈরি করতে হবে। তোমার গার্জেনকে ডেকেও আমি কথাটা বলব বলে ঠিক করেছি। তুমি অবশ্যই তোমার বাবা-মাকে আমার সঙ্গে দেখা করতে বলবে।

    বিল্টুর বাবা চা শেষ করে বললেন, গেম টিচার ঠিক কথাই বলেছেন। ক্রিকেট খেলায় ক্যাচ একটা ইমপর্ট্যান্ট ব্যাপার। ভেরি ভেরি ইমপর্ট্যান্ট।

    বিশাখাদেবী টিভি বন্ধ করে বললেন, আমি অত খেলাটেলা বুঝি না, কিন্তু শুধু একটা জিনিসের জন্য একেবারে টিম থেকে বাদ যাবে? এটাই বা কেমন কথা?

    তাপসবাবু বিরক্ত হয়ে বললেন, আঃ, যেটা বোঝো না, সেটা নিয়ে কথা বলো কেন?

    ‘বলব না! আমার ছেলে ক্লাস টিম থেকে বাদ যাবে, আর আমি চুপ করে থাকব? বিল্টু কি ব্যাট, বল কিছু খারাপ করেছে? নিজের কানেই শুনলে তো। বল না বিল্টু, কত রান করেছিস বাবাকে তার একবার বল। চুপ করে আছিস কেন? বল। ওই যে বাউন্ডারি না কী যেন, সেটাও তো ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকেছিস। তবে?

    আর ক’টা ক্যাচ মিস করেছে সেটা তো বলছ না। একটা দুটো নয়, পাঁচ-পাঁচখানা। প্রায় গোটা টিমটা আজ তোমার ছেলের হাত ফসকে মাটিতে পড়ে গেছে। সেটাও একবার বলো।

    বিল্টু সোফার এক কোণে এতক্ষণ চুপ করে বসে ছিল। এবার কথা না বলে পারল না। বলল, ‘সেভেন আজ আমাদের কাছে হেরেছে।’ তাপসবাবু চোখে বিরক্তি নিয়ে বললেন, তোমার গুণে তো হারেনি। বরং তোমার দোষে হারতে অনেক সময় লেগেছে।

    এমন সময় বিল্টুর ঠাম্মা ঘরে এসে বললেন এবং আলোচনায় যোগ দিলেন। বললেন, দোষ-গুণ অত জানি না। তবে এটা বুঝতে পারছি, বিল্টুকে টিম থেকে বল দেওয়াটা মোটেই ঠিক হয়নি। আমার কেমন সন্দেহ হচ্ছে। মনে হচ্ছে, ওই ছেলেটার কোনও ধরাধরির ব্যাপার আছে। তাপসবাবু ভুরু কুঁচকে বললেন, কোন ছেলেটা? ঠাম্মা বিল্টুর দিকে তাকিয়ে বললেন, আহা, বল না, ছেলেটার নাম কী যেন? আরে, তোর জায়গায় যে ছেলেটা ঢুকল। প্রশান্ত না কী যেন? বিল্টু বলল, সুশান্ত। বিশাখাদেবী বললেন, ওই হল। ওই প্রশান্ত না সুশান্ত কেন চান্স পেল? ও কি ভাল ক্যাচ ধরে? বিল্টু রাগের গলায় বলল, আমি জানি না মা। ইচ্ছে হলে তুমি গিয়ে জিজ্ঞেস করো। তাপসবাবু বিশাখাদেবীর দিকে তাকিয়ে চিন্তিত মুখে বললেন, গেম টিচারের সঙ্গে কে দেখা করতে যাবে? আমি যেতে পারি। কিন্তু অফিসে কী বলে ছুটি নেব? ছেলের ক্যাচের জন্য ছুটি চাওয়াটা কি বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে না?

    দাদু এসে বিল্টুর পাশে বসলেন। নাতির পিঠে হাত রেখে হাসিমুখে বললেন, তোমরা কি এখনই বাড়াবাড়ি করছ না? সামান্য ক্যাচ নিয়ে এত চইচই কি ঠিক হচ্ছে? বিল্টু পরীক্ষায় কী চমৎকার রেজাল্ট করেছে, সেটা একবার দেখো। তা ছাড়া যা শুনলাম তাতে তো মনে হচ্ছে, ও যথেষ্ট ভালই খেলেছে। ঠাম্মা গলা তুলে বললেন, তুমি একটু চুপ করো তো। তোমাদের যুগ আর এখনকার সময় এক নয়। আজকাল আর শুধু পড়াশোনার কোনও দাম নেই। পড়াশোনার সঙ্গে একটা কিছু চাই। শুনলে না, অণিমার মেয়ে অত বড় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, কিন্তু চাকরির ইন্টারভিউতে গান গাইতে বলল। বেচারি নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন গাইতে গিয়ে স্কেল ভুল করল। ব্যস, চাকরিটা হল না। এখন তো সেই মেয়ে সব ছেড়ে বাড়িতে শুধু হারমোনিয়ম নিয়ে প্যাঁ পোঁ করছে। পরেরবার ইন্টারভিউতে উতরোতে তো হবে। আরে বাবা, এখন চাকরি বাকরির বাজার অন্যরকম হয়ে গেছে। অণিমা তো সেদিন খুব আপশোস করছিল। বলছিল, ইস ছেলেবেলায় যদি মেয়েটার গানের ওপর জোর দিতাম।

    দাদু অবাক হয়ে বললেন, ‘তুমি কী বলছ! বিল্টুকে বড় হয়ে একই কাণ্ড করতে হবে? চাকরির ইন্টারভিউতে গিয়ে ক্যাচ ধরতে হবে!’

    তাপসবাবু গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘হতে পারে বাবা। মা ঠিকই বলেছে, এখন কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। পড়াশোনার সঙ্গে আজকাল একটা এক্সট্রা ক্যারিকুলার না-থাকলে কিছু করা যায় না। আমার অফিসের কলিগরা কেউ মেয়েকে নাচ শেখাচ্ছে, ছেলেকে সিন্থেসাইজার কিনে দিয়েছে। এসব তো আর এমনি এমনি করছে না। বিল্টুর তো গানবাজনায় ন্যাক নেই। ক্রিকেটটা ভালবাসে। ভেবেছিলাম, এটাই পারবে। কিন্তু আজকের ঘটনাতে আমি ঘাবড়ে গেছি। লাইন চেঞ্জ করে কিছু করব কিনা ভাবছি।’

    ছোটকা ঘরে এসে ঢুকল। বলল, কিচ্ছু করতে হবে না দাদা। ঘরে শুয়ে এতক্ষণ আমি ভাবলাম। ভেবে দেখলাম, যা করবার আমাকেই করতে হবে। কাল থেকেই শুরু করব। তুই একদম চিন্তা করিস না বিল্টু। ক’দিনের মধ্যে তোকে ক্যাচে ম্যাচে একেবারে মাস্টার বানিয়ে ছাড়ব। শুধু ক্যাচের জোরে তুই বড় বড় খেলায় কেমন চান্স পাস দেখবি।

    সত্যি সত্যি পরদিন থেকে বিল্টুর ক্যাচ নিয়ে সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ল। বেলা বাড়তে বিশাখাদেবী নিজের মতো ‘অ্যাকশনে’ নামলেন। কাল রাতে তিনি অনেক ভেবেছেন। সবকিছুর যখন প্রাইভেট টিউশন আছে, ক্যাচের থাকবে না কেন? নিশ্চয় আছে। খুঁজতে হবে। তন্নতন্ন করে খুঁজতে হবে। তিনি ছোটবোন অনুসূয়াকে টেলিফোন করলেন। খেলাধুলোর বিষয়ে অনুসূয়ার কোনও ধারণা নেই। কিন্তু টিউশন বিষয়ে তার জ্ঞান খুবই বিস্তৃত। এ ব্যাপারে তার রীতিমতো চর্চা আছে। নিজের ছেলে-মেয়েকে সে সব মিলিয়ে সতেরোরকম টিউশনে ঢুকিয়েছে। মেয়ের ভূগোলের টিউটর যেমন আছে, তেমনি আলাদা করে ম্যাপ পয়েন্টিংয়ের জন্য দিদিমণি আসেন। ছেলে বাংলায় কাঁচা। সেই কাঁচা ভাব দূর করতে ব্যাকরণ, কবিতা, প্রবন্ধর জন্য তিনজন মাস্টার রেখেছে। টেলিফোনে দিদির সমস্যা শুনে সে বলল, কোনও চিন্তা করিস না। ঠিক একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।

    বিশাখাদেবী উৎসাহী হয়ে বললেন, ক্যাচের জন্য প্রাইভেট টিউটর পাওয়া যাবে বলছিস?

    আলবাত পাওয়া যাবে। তবে সব থেকে ভাল হত বিল্টুর স্কুলের কোনও টিচারকে রাখতে পারলে। আমি তো ছেলেমেয়ের বেলায় সায়েন্স সাবজেক্টগুলোতে হাতেনাতে ফল পেয়েছি।

    ওদের গেম টিচারকে একবার বলব? উনি কি বাড়িতে এসে ক্যাচ প্র্যাকটিস করাতে রাজি হবেন? ক্যাচ আর সায়েন্স সাবজেক্ট এক নয়।

    এক নয় তো কী হয়েছে? অঙ্কে কাঁচা হলে অঙ্কের স্যার, ক্যাচে কাঁচা হলে তেমনি ক্যাচের স্যার। তুই দিদি আজই একবার বিল্টুর স্কুলে যা। গেম টিচারের সঙ্গে কথা বলে আয়। জিনিসটা সিরিয়াস। ফেলে রাখা ঠিক হবে না। আগেকার দিনের মতো আর নেই।

    বোনের পরামর্শ বিশাখাদেবীর মনে ধরল। শুনতে যেমনই লাগুক না কেন, পরামর্শের পেছনে যুক্তি আছে। তিনি দেরি করলেন না।

    বিশাখাদেবীর কথা শুনে অনিমেষ স্যার থতমত খেয়ে গেলেন। এমন প্রস্তাব তিনি জীবনে পাননি। কেউ পেয়েছে, তাও শোনেননি। ক্যাচের জন্য প্রাইভেট টিউশনি! তিনি বললেন, না না, এসবের কোনও প্রয়োজন নেই। আপনার ছেলে খুবই ভাল খেলে। আমি আসলে চাইছি, ও ক্যাচের ওপর আরও মন দিক। আধুনিক ক্রিকেটে ফিল্ডিংটাই খুব ইমপর্ট্যান্ট হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্বাভাবিক কারণে ক্যাচটাও। পড়াশোনার পাশাপাশি ছেলের খেলাধুলো নিয়ে আপনারা চিন্তা করেছেন জেনে ভাল লাগছে কিন্তু আপনারা এত বেশি চিন্তা করবেন না। খেলতে খেলতে বিল্টু নিজেই ক্যাচের ওপর জোর দেবে। যত বড় হবে তত বেশি করে বুঝতে পারবে ক্যাচ কত জরুরি।

    বিশাখাদেবী কাঁচুমাচু মুখে বললেন, ও-কথা শুনব না স্যার। আপনাকে রাজি হতেই হবে। সপ্তাহে একটা দিন। এই ধরুন রোববার সকালে ঘণ্টাখানেকের জন্য আপনি গেলেন। আমাদের বাড়ির কাছেই মাঠ আছে। বিল্টুকে নিয়ে সোজা ওখানে চলে গেলেন। প্লিজ, আপনি না বলবেন না স্যার।

    এরপরে অনিমেষ স্যার আর কী বলতে পারেন? ভদ্রমহিলা তো নাছোড়বান্দা। রাজি না-হলে হয়তো সারাদিন স্কুলে বসে থাকবে। বাধ্য হয়ে ঘাড় নাড়তে হল।

    ক্যাচের প্রাইভেট টিউটর ঠিক করতে পেরে বিশখাদেবী আনন্দে একশো টাকার সন্দেশ কিনে বাড়ি ফিরলেন।

    এদিকে তাপসবাবুও হাত গুটিয়ে বসে নেই। অফিসে গিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছেন। কলিগরা বলল, একটা ভাল ক্রিকেট কোচিংয়ে ঢুকিয়ে দিতে হবে। আজকাল গলিতে গলিতে ক্রিকেট খেলা শেখানো হয়। এটা কোনও সমস্যাই হবে না। ক্যাচ তো আলাদা কিছু নয়, ক্রিকেটেরই একটা অংশ। কয়েক মাস ওখানেই গেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।

    অফিসে কাজ করতে করতেই তাপসবাবু কয়েকটা ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্পের নাম জোগাড় করে ফেললেন। শুধু তাই নয়, বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে, মধুসূদন পার্কের ‘ওয়ান ডে’ নামের কোচিংয়ে একেবারে টাকা দিয়ে বিল্টুর নাম লিখিয়ে নিশ্চিন্ত হলেন। প্রতি শনিবার বিকেলে সাদা জামা, কেড্স পরে চলে আসতে হবে।

    বাড়ি ঢোকবার আগে এক হাঁড়ি রসগোল্লা কিনে বসলেন তাপসবাবু। বিল্টুর ভাল রেজাল্ট উপলক্ষে কাল কিছুই হয়নি। আজ বাবা-মা’র জন্য একটু মিষ্টি নিয়ে যাওয়া উচিত।

    বিল্টুর ছোটকাই মারাত্মক কাজটা করল। সে নিজেও ভাবতে পারেনি। ইউনিভার্সিটিতে তার এক বন্ধু খবর দিল, যাদবপুর স্টেডিয়ামের কাছে কারা যেন একটা ‘বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরিচালিত ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ খুলেছে। যাতায়াতের পথে সে দেখেছে। সেখানে গিয়ে একবার দেখা যেতে পারে।

    সত্যি বিশেষজ্ঞ কেন্দ্র। একেবারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতো। এখানে। সাধারণভাবে কোনও খেলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না। খেলার এক একটা দিক নিয়ে শেখানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এক-একটা বিভাগের তলায় অনেকগুলো উপবিভাগ। যেমন ফুটবল শেখানো হবে না, কিন্তু কেউ যদি হেড, পেনাল্টি শট, কর্নার কিক আলাদা আলাদা করে শিখতে চায়, তা হলে ভরতি হতে পারে। ক্রিকেটেও তেমন। ফিল্ডিং বিভাগে রয়েছে বাউন্ডারি আটকানো, রান আউট করা, ক্যাচ ধরা সহ বিভিন্ন উপবিভাগ। শেখবার জন্য আলাদা আলাদা ব্যবস্থা।

    ছোটকা একেবারে অভিভূত হয়ে পড়ল। কিন্তু অভিভূত হয়ে কোনও লাভ হল না। কারণ ক্যাচ সেকশনে কোনও জায়গা ফাঁকা নেই। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ম্যানেজার ভদ্রলোক বললেন, ক্যাচে ভিড় বড্ড বেশি। এই সেশনে প্রায় সাড়ে সাতশো ক্যান্ডিডেট হয়ে গেছে। আপনি বরং নেক্সট সেশনে চেষ্টা করবেন। ছোটকার তো মাথায় হাত। বলল, সাড়ে সাতশো! একটা সিটও হবে না? ম্যানেজার ভদ্রলোক হেসে বললেন, আসলে কয়েকদিন হল আমাদের এখানে নতুন দু’জন ট্রেনার জয়েন করেছেন। দু’জনেই মারাত্মক। একজন হামাগুড়ি দিয়ে ক্যাচ ধরা শেখাচ্ছেন, অন্যজন শেখাচ্ছেন উড়ে গিয়ে ধরা। এটা জানাজানির পর থেকেই ভিড় বেড়ে গেছে। এরপর ম্যানেজার ভদ্রলোক একটুক্ষণ চুপ করে কী যেন ভাবলেন। তারপর গলা নামিয়ে বললেন, ক’টা ভি আই পি কোটা আছে। যদি কোনও ভি আই পি ধরতে পারেন, একটা কিছু হতে পারে।

    ক্যাচ শিখতে ভি আই পি ধরতে হবে! এখন ভি আই পি পাওয়া যাবে কোথা থেকে? কোনও বড় লোককেই তো বিল্টুর ছোটকা চেনে না। তা হলে কী হবে? এত বড় একটা সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাবে?

    না, হাতছাড়া হল না। ছোটকার বন্ধু টেলিফোনে তার এক মামাকে তখনই ধরে ফেলল। ভদ্রলোক একজন মস্ত বড় অফিসার। তিনি ভরতির ব্যবস্থা করে দিলেন। বিল্টুর সময় হল বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটে থেকে সাড়ে তিনটে।

    এতসব সেরে ছোটকার বাড়ি ফিরতে সন্ধে হয়ে গেল। কাল ছিল মনখারাপের সন্ধে, আজ মন খুব ভাল। বিল্টুকে আর কে আটকায়? বাড়ি ঢুকে কীভাবে খবরটা দেবে? একটা কায়দা করতে হবে। মিষ্টি কিনলে কেমন হয়? ভাল খবরের সঙ্গে মিষ্টি লাগে। এক কিলো চমচম কিনে বসল। বিল্টুটা চমচম পেলে পাগল হয়ে যায়।

    সন্দেশ, রসগোল্লা, চমচমে বাড়ি একেবারে মিষ্টিময়। তবু আলোচনায় যথেষ্ট ঝাল এবং তেতো ভাব এসে গেল। সেটাই স্বাভাবিক। বিল্টুর ক্যাচ শিক্ষায় তা হলে কোন ব্যবস্থা থাকবে? মা, বাবা না ছোটকার? তিনজনেই চায়, তারটা থাকুক। বিল্টু দেখল, এ বিষয়ে কেউই তার মতামত জানতে আগ্রহী নয়। সে মন দিয়ে চমচম খেতে শুরু করল।

    শেষ পর্যন্ত দাদুর রায়ই মেনে নেওয়া হল। তিনি বললেন ক্যাচ যখন এত গুরুত্বপূর্ণ তা হলে সব ক’টা ব্যবস্থা থাকুক। বেশি শেখায় তো কোনও দোষ নেই।

    রবিবার থেকে চালু হয়ে গেল ক্যাচ টিউশন। অনিমেষ স্যার এসে গেলেন সকাল ন’টায়। প্রথমে বিশাখাদেবী ভেবেছিলেন মাঠে গিয়ে প্রশিক্ষণ চলবে। কিন্তু সেই পরিকল্পনা তিনি বাতিল করলেন। এতে অন্যরা দেখে ফেলতে পারে। তারপর তারাও হয়ত নিজেদের ছেলের জন্য এই ব্যবস্থা চালু করে দেবে। এটা করতে দেওয়া ঠিক হবে না। তাই মাঠের বদলে বারান্দায় প্রশিক্ষণ শুরু হল। বিশাখাদেবী প্রশিক্ষণের সময় মোড়া পেতে ঠায় বসে থাকলেন। অনসূয়া সেরকমই বলে দিয়েছে। বলেছে, শুধু প্রাইভেট টিউটরের হাতে ছেলেমেয়েরা মানুষ হয় না। নজর রাখতে হয়। তুইও রাখবি দিদি।

    শনিবার ছেলেকে ‘ওয়ান ডে’ কোচিংয়ে নিয়ে যান তাপসবাবু। বৃহস্পতিবার বিশেষ ক্যাচ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিল্টু যায় ছোটকার সঙ্গে। একমাস হয়ে গেল এই কাণ্ড চলছে। বাড়ির সকলেই খুশি। মা বলছেন, আর চিন্তা নেই। বিল্টু আবার ক্লাস টিমে চান্স পেয়ে যাবে। আমি ওর স্যারের সঙ্গে কথা বলেছি। উনি বিল্টুর উন্নতিতে খুবই খুশি। বাবা বললেন, শুধু ক্লাস টিমে নয়, আমার তো মনে হয় ও এবার স্কুল টিমে ঢুকে পড়বে। ওয়ান ডে-র কোচিং ম্যানেজার সেরকমই আশা করছেন। ছোটকা ঠোঁটের ফাঁকে হেসে বলল, দূর, তোমাদের ক্লাস টিম আর স্কুল টিম। কিছুদিনের মধ্যে আমার ভাইপো একজন ক্যাচ ওস্তাদ হয়ে যাবে। কত বড় বড় চান্স যে ও তখন পাবে, তোমরা কল্পনাও করতে পারছ না। দাদু হাসিমুখে বললেন, এটা কিন্তু কন্টিনিউ করতে হবে। অনেক সময় ছোটবেলায় শেখানো জিনিস বড় হয়ে মানুষ ভুলে যায়। ঠাম্মা চোখ বড় বড় করে বললেন, বালাই ষাট, ভুলবে কেন? ইন্টারভিউতে সুর ভুলে অণিমার মেয়ের কী কেলেঙ্কারি হয়েছিল মনে নেই?

    ক্যাচ শিখতে বিল্টুর ভালই লাগছে। ভাল তো লাগবেই। ক্লাস টিম, স্কুল টিমে খেলবে এটা তো কম ব্যাপার নয়। শুধু কোনও কোনও দিন রাতে ক্যাচ নিয়ে দুঃস্বপ্নে তার ঘুম ভেঙে যায়। ভয় করে। দিনেরবেলাতেও ভয়ে ভয়ে থাকে। মনে হয়, এই বুঝি তার দিকে কোনও ক্যাচ উড়ে আসছে।

    ফসকে যাবে না তো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }