Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোঞাই – ১৪

    ১৪

    —বস, বাবা রূপেন্দ্র। তুমিও বস তারাপ্রসন্ন। তোমাদের সঙ্গে একটি অত্যন্ত গোপন এবং অত্যন্ত জরুরী আলোচনা আছে। শুনেছ বোধহয়, কাল প্রত্যুষে আমি কাটোয়া যাচ্ছি?

    কথা হচ্ছিল ব্রজেন্দ্রনারায়ণের বৈঠকখানায়। ওঁরা দুজনেই আদিষ্ট হয়ে আসন গ্রহণ করেন। রূপেন্দ্র বলেন, হ্যাঁ, তারাদার কাছে এইমাত্র শুনলাম। পক্ষকালের জন্য আপনি কাটোয়া যাচ্ছেন। মহালয়ার তর্পণ সেরে ফিরে আসবেন।

    —হ্যাঁ। কিন্তু আমার উদ্দেশ্য দুটি। ঐ অবকাশে আমি দাঁইহাটিতে পণ্ডিত ভাস্কররাম পন্থের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে আসব। তোমরা তাঁর নাম শুনেছ?

    রূপেন্দ্র বলেন, শুনেছি। মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণ। গত বৎসর তিনি যখন ঐ দাইহাটিতেই অকালবোধন করছিলেন তখন নবাব আলিবর্দী মহাষ্টমীর দিন তাঁকে অতর্কিতে আক্রমণ করেন। অষ্টমীতে প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে ভাস্কর পণ্ডিত নাকি কোনক্রমে আত্মরক্ষা করে মহারাষ্ট্রে ফিরে যান।

    —ঠিকই শুনেছ। কিন্তু পন্থজীর উদ্দেশ্য কী, কেন তিনি পুনর্বার ফিরে এসেছেন জান?

    —আন্দাজ করতে পারি। যবনের উপর প্রতিশোধ নিতে।

    —সেটা তো আপাত উদ্দেশ্য। মূল লক্ষ্যটা? কী নিয়ে বিরোধ? কী হতে পারে এর পরিণাম?

    —না, সে বিষয়ে আমার কোন ধারণা নেই। তুমি কিছু জান, তারাদা?

    তারাপ্রসন্ন নেতিবাচক গ্রীবাভঙ্গি করেন।

    ব্রজেন্দ্র জানালেন পূর্বদিন তিনি বর্ধমানরাজ তিলকচাঁদের কাছ থেকে একটি গোপন নির্দেশ পেয়েছেন। বস্তুত রাজাদেশেই তিনি কাটোয়া যাচ্ছেন। দাঁইহাটি তার কাছেই। সেখানে বর্তমানে অধিষ্ঠান করছেন ঐ মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণ। ব্রজেন্দ্র বর্ধমানরাজের দূত হিসাবে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চলেছেন। জানতে—এ রাজ্য থেকে যবন-শাসন নির্মূল করতে যদি বর্ধমানরাজ তাঁর হস্তপ্রসারিত করে দেন তাহলে বিনিময়ে কী প্রতিশ্রুতি তাঁকে দেওয়া হবে।

    রূপেন্দ্র প্রশ্ন করেন, আপনার কি ধারণা পন্থজী যবন শাসনের অবসান ঘটিয়ে বঙ্গদেশে হিন্দুরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন?

    ব্রজেন্দ্র দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, আমার ধারণা, ভাস্কর পণ্ডিতের উদ্দেশ্য তা আদৌ নয়। কী জবাব দেব? সে দিগ্বিজয়ী নয়, একজন লুটেরা, ডাকাত। অত্যন্ত কূটবুদ্ধি—কিন্তু লোভী ও নির্মম! রঘুজী ভোঁসলেও তাই।

    —তিনি কে?

    —সর্বাগ্রে ঐতিহাসিক পটভূমিকাটুকু জেনে নাও।

    মহারাষ্ট্রীয় অভ্যুত্থান ও তার তদানীন্তন স্বরূপ সম্বন্ধে ব্রজেন্দ্রনাথ একটি চুম্বকসার শোনালেন!

    শিবাজী মহারাজের ছিল সেই উদ্দেশ্য—হিন্দুরাজ্যের প্রতিষ্ঠা। কিন্তু সেই মহানায়কের দেহাবসানের পর মারাঠা বাহিনী ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে গেল। তারা ক্ষমতাদৰ্শী, স্বার্থপর, অর্থলোলুপ। চতুর্বর্গের শুধু মাঝের দুটির দিকেই তাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ। পরস্পরের প্রতি প্রচণ্ড বিদ্বেষ। এদেরই একটির দলপতি হচ্ছেন নাগপুর অঞ্চলের মারাঠা দস্যু-সর্দার রঘুজী ভোঁসলে। আর তাঁর প্রধানমন্ত্রী ঐ কূটবুদ্ধি ব্রাহ্মণ : ভাস্কররাম পন্থা

    রঘুজী নবাব আলিবর্দীর কাছে ‘চৌথ’ দাবী করে দূত পাঠালেন। ‘চৌথ’ হচ্ছে রাজ্যের সম্পূর্ণ রাজস্বের চারভাগের এক ভাগ।

    শিবাজীর জীবিতকালেই দিল্লীর বাদশাহ্ স্বীকার করে নিয়েছিলেন এই চৌথ সংগ্রহের অধিকার মারাঠাদের আছে। ভাস্কর পণ্ডিত রঘুজীর তরফে তাই নবাব আলিবর্দীর কাছে চৌথ চেয়ে পাঠালেন। অস্বীকার করলেন আলিবর্দী—না চৌথ, না সরদেশ মুখ।

    সেটা অষ্টাদশ শতাব্দীর চতুর্থ দশক—অর্থাৎ আমাদের কাহিনীর কাল। নাগপুরের পাহাড়- পর্বত ডিঙিয়ে অশ্বারোহী বর্গী সৈন্য নিয়ে ভাস্করপণ্ডিত রওনা হলেন বংগাল-মুল্‌ক্। তখন বাঙলা বলতে রিহার ও উড়িষ্যার অনেকখানি সমেত। বীরভূম-বিষ্ণুপুরের শালবন ডিঙিয়ে ছোট ছোট টাট্টু ঘোড়ায় চেপে এসে হাজির হল লুঠেরার দল। তাদের পিঠে ঢাল, মাথায় উষ্ণীষ, কোমরে তলোয়ার, হাতে বল্লম! বেশ কিছু বন্দুকধারীও।

    ভাস্কর পণ্ডিত ইতিপূর্বেও একবার এসেছেন বঙ্গদেশে, সর্দার রঘুজীর তরফে চৌথ সংগ্রহ করতে। গত বৎসর দুর্গা পূজার মরশুমে। সেবার বর্গীরা খুব কিছু অত্যাচার করেনি। ওঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল ভয় দেখিয়ে চৌথ সংগ্রহ করে যাওয়া। অজয় নদ যেখানে গঙ্গায় মিশেছে সেই কাটোয়া-ঘাটের কাছাকাছি ঘাঁটি গেড়েছিলেন। তখন শারদীয়া দুর্গাপূজা আসন্ন। হিন্দুদের সহানুভূতি পাবেন আশা করে ভাস্কর সাড়ম্বরে দুর্গা পূজার আয়োজন করেছিলেন। তখন বঙ্গদেশে শাক্তরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ভাস্করপণ্ডিত নবদ্বীপের পণ্ডিতসমাজকে সামাজিক বিদায় পাঠিয়ে খুশি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেবার তিনি পূজা সমাপ্ত করে যেতে পারেননি। মহাষ্টমীর দিন বৃদ্ধ আলিবর্দী খাঁ তাঁকে সসৈন্য আক্রমণ করে বিধ্বস্ত করেছিলেন। প্রতিমা ফেলে ভাস্কর কোনক্রমে প্রাণ নিয়ে পালাতে সক্ষম হয়েছিলেন।

    নিয়তির কী নিষ্ঠুর পরিহাস! সে সময় অনেক হিন্দু বর্ধিষ্ণু জমিদার মনে-প্রাণে চেয়েছিলেন ভাস্কর পণ্ডিত পরের বছর ফিরে আসুন। অসমাপ্ত পূজা সাঙ্গ করুন। আর ঐ আলিবর্দী নামক মহিষাসুরটার শিরশ্ছেদ করুন।

    ভাস্কর ফিরে এলেন, কিন্তু এবার নিজমূর্তি ধরে। লুটেরার মূর্তিতে। এবার তাঁর যাত্রা পথে যেসব গ্রাম পড়ল—হিন্দু অথবা মুসলমান গ্রাম—সেখানে অকথ্য অত্যাচার করতে করতে। সে অমানুষিক অত্যাচারের বর্ণনা সবার জানা। পুনরুল্লেখ নিষ্প্রয়োজন। যাঁরা ভাস্করকে হিন্দুধর্মের ধ্বজাধারী ভেবেছিলেন তাঁরা অধোবদন হলেন।

    নিয়তির সেটাই চূড়ান্ত পরিহাস নয়। কিছু সম্ভ্রান্ত মুসলমান আমীর ওমরাও ঐ কাফের পণ্ডিতকে গোপনে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছিলেন! তাঁরা সবাই সরফরাজ খাঁর আত্মীয়রঙ্কু ও অনুগ্রহভাক্

    সরফরাজ খাঁ প্রাশ্বর্তী বাঙলার নবাব। মুর্শিদকুলী খাঁর দৌহিত্র। মাত্র তের মাস তিনি অধিষ্ঠিত ছিলেন বাঙলার মসনদে। মুর্শিদাবাদের অনতিদূরে গিরিয়ার ময়দানে তাঁর নবাবী ফুরালো। আলিবর্দীর হাতে। সেটা 1740 খ্রীষ্টাব্দ।

    সরফরাজ খাঁর আত্মীয়বন্ধুদের আরও একটি যুক্তি ছিল—আলিবর্দী যে শুধু বাঙালী নন তাই নয়, তিনি আদৌ হিন্দুস্থানী মুসলমান ছিলেন না। তাঁর বাপ আরবী, মা তুর্কিদেশের মেয়ে। তা সে যাই হোক, ভাস্কর পণ্ডিত বঙ্গদেশে প্রত্যাবর্তন করলেন—বলা যায়—হিন্দু- মুসলমানের যৌথ আমন্ত্রণে! নিয়তির পরিহাস ওটাই : আতিথ্য ধর্ম পালনের সময় ভাস্কর পণ্ডিত সমদর্শী! হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে কোনও ফারাক রাখেননি। যে গ্রাম জ্বালিয়েছেন, যে নরনারীর শিরশ্ছেদ করেছেন, যে সমস্ত রমণীকে তাঁর সৈন্যদল যৌথ বলাৎকারে জীবস্মৃত করেছে—তারা কাফের এবং যবন। সে অত্যাচারের বীভৎসতা দুশ বছর পরেও মিলিয়ে যায়নি। আজও বাঙলার গ্রামে মায়েরা শিশুদের ঘুমপাড়ায় সেই একই সুরে—

    ‘খোকা ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো, বর্গী এল দেশে।’

    সে-খোকা রামও হতে পারে, রহিমও হতে পারে।

    সে আমলে দেশের একপ্রান্তের সংবাদ অপরপ্রান্তে পৌঁছাতে সময় লাগতো। তাছাড়া অতিরঞ্জনের ভারে অধিকাংশ খবরই ভারাক্রান্ত। বর্ধমানরাজ তিলকচাদের তাই তখনো স্বপ্নভঙ্গ হয়নি। মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণ পণ্ডিতটির ভিতর তিনি তখনও শিবাজী মহারাজের ভাগোয়া-ঝাণ্ডার পতাকাধারীকে খুঁজতে ব্যস্ত। তিনি আশা করে আছেন—ভাস্কর পণ্ডিত তাঁর বর্গী সৈন্য নিয়ে আক্রমণ করবেন মুর্শিদাবাদ; বিধর্মীকে গদিচ্যুত করে প্রতিষ্ঠা করবেন হিন্দু রাজ্য। যার তিনটি স্তম্ভ—নাটোরের রানী ভবানী, নদীয়ার কৃষ্ণচন্দ্র এবং বর্ধমানের তিলকচাঁদ।

    ব্রজেন্দ্রনারায়ণ ইমানদার লোক, তাই তাঁকে দূতরূপে প্রেরণ করতে চাইলেন দাঁইহাটি। ব্রজেন্দ্রনারায়ণ বললেন, আমার কিন্তু মোহভঙ্গ হয়ে গেছে। আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি—ঐ ভাস্কর আর তার বর্গী সৈন্য এসেছে বাঙলাকে লুট করতে। চৌথ আদায় হোক আর না হোক ওরা নাগপুরে ফিরে যাবার পথে একইভাবে গ্রামের পর গ্রাম লুট করতে করতে যাবে। তাই আমাদের অবিলম্বে গড়ে তুলতে হবে প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

    তারাপ্রসন্ন বলেন, কিন্তু কী নিয়ে লড়ব আমরা? আমাদের না আছে ঢাল-তলোয়ার, গোলাবারুদ, না শিক্ষিত সৈন্যদল। ফাঁকা মাঠে অশ্বারোহী সৈন্যদলকে আমরা রুখব কী করে?

    ব্রজেন্দ্র বললেন, শোন বলি। দুটি যুক্তি আমাদের তরফে। দুটি বিষয়ে আমাদের স্থান বর্গীদলের উপরে। এক : সংখ্যাগরিষ্ঠতা; দুই: মরণপণ লড়াই করার প্রবণতা। বিচার করে দেখ—ওদের আছে বন্দুক। আমার লড়ব তীরধনুক দিয়ে। কিন্তু প্রতিটি বন্দুকধারীর মহড়া নিতে যদি হাজির থাকে পঞ্চাশজন মরণপণ তীরন্দাজ, তাহলে লড়াইয়ের ফল অন্যরকম হতে পারে। ওরা আসছে লুট করতে, মেয়েদের ইজ্জত বাঁচাতে নয়। তাই বাধা পেলেই তারা ভিন্ন পথে অগ্রসর হয়ে যাবে।

    সমস্ত পরিকল্পনাটি ব্যক্ত করলেন তিনি।

    গ্রামবাসীর বন্দুক নেই, অসিচালনা বা অশ্বারোহণ তারা জানে না—যারাও বা জানে তাদের না আছে অসি, না অশ্ব। প্রতিরোধ করতে হবে তীরধনুকে। বর্গী আক্রমণের সূচনামাত্র গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে প্রচারিত করতে হবে সেই বিপদবার্তা। হিন্দুগ্রামে শঙ্খধ্বনি—শঙ্খ প্রতিটি ঘরেই আছে। মুসলমান গ্রামে প্রস্তুত রাখতে হবে দামামা। তাছাড়া তৈরী করতে হবে ধনুক ও তীর। শত শত, সহস্র সহস্র। তীরধনুকের ব্যবহার শিখতে সময় লাগে না। বিপদসঙ্কেত শ্রবণমাত্র হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে জওয়ানরা উঠে বসবে পথপার্শ্বের অযুত-নিযুত বৃক্ষচূড়ায় অশ্বারোহী বাহিনী নিকটবর্তী হলেই মুষলধারে বর্ষণ করতে হবে তীর।

    বন্দুকধারীরা পরাজিত হবে না, মুখ ঘুরিয়ে নিতে বাধ্য হবে। তারা খুঁজে নিতে চাইবে অরক্ষিত গ্রাম। কিন্তু এই সোঞাই গ্রামের আদর্শে যদি রাঢ়খণ্ডের প্রতিটি জনপদ একইভাবে মরণপণ প্রতিরোধের আয়োজন গড়ে তোলে তাহলে বর্গীর দল এ রাজ্য ছেড়ে অন্যত্র সরে যাবে, সহজ শিকারের সন্ধানে।

    দীর্ঘ আলোচনা হল। ব্রজেন্দ্র বললেন, সব কিছুই এখন করতে হবে গোপনে। বর্ধমান-রাজ যেন অসন্তুষ্ট না হন। সংবাদটা জানাতে হবে আশপাশের গ্রামেও—হিন্দু-মুসলমান এবং অন্ত্যজ পল্লীতে। রূপেন্দ্র এবং তারাপ্রসন্ন সেইসব গ্রামের মাতব্বরদের যেন একইভাবে সতর্ক করে আসেন। সঙ্গোপনে প্রতিরোধ ব্যবস্থার উদ্যোগ করেন। বললেন, আমি খাজাঞ্চিকে বলেছি এক সহস্র মুদ্রা আপাতত তোমাদের হাতে দেবে। তোমরা লোহা সংগ্রহ কর। কামারদের নিয়োজিত করে তীরের ফলা বানানোর কাজ এখনই শুরু করে দাও। বাঁশ ঝাড় কেটে ধনুক বানাও।

    প্রথম প্রহর সমাপ্তির যাম ঘোষণা হল। ব্রজেন্দ্র উঠে দাড়ালেন। বললেন আজ এই পর্যন্তই। তোমাদের কোন প্রশ্ন আছে?

    রূপেন্দ্রও উঠে দাঁড়িয়েছিলেন। বলেন, আজ্ঞে হ্যাঁ। ঐ মেয়েটি, যাকে রূপনগরের মোহন্তবাবাজী—

    ব্রজেন্দ্র একটি হাত তুলে ওঁকে মাঝপথে থামিয়ে দিলেন। বললেন, এ অঞ্চলে ঐ একটি মাত্র কেল্লা; মোহন্ত মহারাজের। তাঁর নিজস্ব সৈন্যদল আছে। বাদবাকি গোটা রাঢ়খণ্ড উন্মুক্ত প্রান্তর—যেখানে অশ্বারোহী সৈন্যদলকে রোখা যায় না। এমনকি, অজয়ের তীরে ইছাই ঘোষের পরিত্যক্ত শ্যামরূপার গড়টাকেও কেউ সংস্কার করা প্রয়োজন বোধ করেনি। না রূপেন্দ্র—বর্গী বিপর্যয়ের এই সন্ধিক্ষণে আমারা কিছুতেই রূপনগরের মোহন্ত মহারাজের বিরক্তি উৎপাদন করতে পারি না।

    রূপেন্দ্র নতনেত্রে কিছুক্ষণ নীরবে অপেক্ষা করলেন। তারপর বললেন, আপনি এখনই বলছিলেন, মা-বোনের ইজ্জৎ বাঁচাতে আমাদের মরণপণ লড়াই করতে হবে, কিন্তু যে হতভাগিনীর বিলকুল কেউ নেই….

    কেমন যেন বেদনার্ত হয়ে ওঠে ব্রজেন্দ্রর মুখ

    বললেন, উপায় নেই! সেই হোক প্রথম শহীদ!

    —শহীদ! এ তো শুধু বুকের রক্ত দেওয়া নয়, জেঠামশাই! এ যে ইজ্জং-কা-সওয়াল! ব্রজেন্দ্র কক্ষান্তরে যাবার জন্য পা বাড়িয়েছিলেন। এ কথায় ঘুরে দাড়ান। বলেন, তুমি তার চিকিৎসক রূপেন্দ্র—

    —কিন্তু আপনি তার অভিভাবক, জেঠামশাই! আমাকে মোহন্ত মহারাজ চিঠি লিখেছেন তার চিকিৎসার জন্য, আপনাকে তার নিরাপত্তার জন্য—

    ব্রজেন্দ্রনাথের একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ল। বলেন, তোমার আয়ুর্বেদশাস্ত্রে যদি নিষেধ না থাকে তাহলে ফেরত পাঠানোর সময় সেই হতভাগিনীর আঁচলে এক পুরিয়া বিষ বেঁধে দিও। যাতে ইজ্জতের বদলে জান দিয়ে সে দেশ-মাতৃকার সেবা করতে পারে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }