Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোঞাই – ২১

    ২১

    রূপেন্দ্র বজ্রাহত হয়ে গেলেন জেঠামশায়ের মুখে কথাটা শুনে—

    —না রূপেন্দ্রনাথ! আমি এ বিবাহপ্রস্তাবে সম্মত হতে পারি না!

    মহাষ্টমী অতিক্রান্ত। সন্ধিপুজোর ঢাকের বাদ্যি একটু আগে থেমেছে। ব্রজেন্দ্রনাথের খাশ কামরায় বসেছেন ওঁরা দুজন—রূপেন্দ্র আর ব্রজেন্দ্রনাথ। মাটিতে ফুলকাটা পশমের আসনে। সমস্ত দিন মহাষ্টমীর উপবাস গেছে। এখন প্রসাদ পেতে বসেছেন। সামনে দুটি পাথরের থালা। প্রসাদ গ্রহণ শেষ হয়েছে। একটু আগে ঐ দুটি থালায় সাজানো ছিল—নানান ফলমূল, লুচি, নিরামিষ তরকারি, পায়েস, পক্কান্ন, খেজুর গুড়, তিলেখাজা, চন্দ্রপুলি, মায় বর্ধমান থেকে আনানো সীতাভোগ। ভাদুড়ী-বাড়িতে ‘বলি’ হয় না। আগে হত। ব্রজেন্দ্রনারায়ণের পিতৃদেবের আমলে নাকি একবার বলি আটকে যায়। তার পর থেকে ও প্রথা উঠে গেছে। সামনে বসে আছেন বড়মা, তালপাখা হাতে। গরমও নেই, মাছিও নেই—পাখাটা হাতে আছে নিতান্ত অভ্যাসবশে। দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে একগলা ঘোমটা টেনে তারাসুন্দরী—কখন কী প্রয়োজন হয়।

    সংবাদটা গোপন—এতদূর গোপন যে, জমিদারবাড়ির সব কয়টি পুরললনাই তা গোপনে জানে। প্রত্যেকেই ঐ মুখরোচক সংবাদটির উপসংহার হিসাবে শ্রোতার সাবধানবাণীটি শুনেছে: তোকেই শুধু বললাম, এখনি পাঁচকান করিস না।

    জগুপিসি নাকি আজ দুপুরে তাঁর ‘গঙ্গাজলে’র মাথাটা টেনে নিয়ে কানে কানে বলেছিলেন, তোরে একটা ‘গোপন-কথা’ বলতে এলাম, গঙ্গাজল! একটা বিয়ের-প্রস্তাব! তা আমি বলনি!

    ব্রজেন্দ্রসুন্দরীর বুঝতে কোনও অসুবিধা হয়নি। তবু ন্যাকা সেজে বলে ছিলেন, এ আবার কী হেঁয়ালী? ‘গোপন-কথা’ বলতে এসেছিস্—আবার বলছিস্–’বলবনি’?

    —কেন বলব? আমার একটা ময্যাদা নেই! আমি হলাম গে বরের ঘরের পিসি! আমি কেন প্রস্তাব তুলব? তুই মেয়ের তরফের! তুই কথা তুলবি, আমার হাতে পায়ে ধরবি—আমি শুধু রাজী হব!

    ব্রজসুন্দরী বলেছিলেন, ওসব আধিক্যেতা ‘সম্বন্দ-করা’ বিয়েতে হয়! এ কী তাই? এ তো…

    মনের উচ্ছ্বাসে তিনি ভুলে গেছিলেন শ্রোতা জগু ঠাকরুণ। কালিদাসের একটি সুবিখ্যাত শ্লোক শুনিয়ে দিয়েছিলেন তিনি—‘যেখানে মদন পঞ্চশর স্বয়ং ব্যবস্থাপক সেখানে পুরোহিত নিষ্প্রয়োজন।’

    জগুপিসি ঐ ‘গোপন কথাটা’ জানেন—তাঁর দুঃসাহসিনী গঙ্গাজল ঐ অংবংভাষাটা আয়ত্ত করেছে—নিভ্যয়ে! কেন করবে না? দেবী অংশে জন্ম তার! সে জানে, কোন অলপ্পেয়ে যমদূত সে অপরাধে ওঁর সিঁথির দিকে হাত বাড়াতে সাহস পাবে না—ভস্ম হয়ে যাবার ভয়ে! ধমকে উঠেছিলেন তিনি, ওসব অংবং-মন্ত্র রাত্তিরে শোনাস তোর বরকে! আমাকে যা বলবি তা সাদা-বাঙলায় বল্‌ দিনি?

    —কী আর বল্ব বল? একবগ্গা আমাকে ‘জীবন’ দিল, আর আমি ওকে একটা ‘জীবনসঙ্গিনী’ দিতে পারব না?

    সমস্ত দিনে গোপনে গোপনে এই রসঘন আনন্দবার্তাটা মহিলামহলে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু এ কী অসৈরন নিদান হাঁকলেন বড়কর্তা! তিনি সম্মত নন!

    প্রশ্নটা ব্রজসুন্দরীই পেশ করেন, এ কী বলছেন আপনি? কুসুমমঞ্জরীর সঙ্গে রূপেন্দ্রনাথের বিবাহপ্রস্তাবে আপনার সম্মতি নেই?

    জনান্তিকে ‘তুমি সম্বোধন করলেও প্রকাশ্যে তিনি ‘আপনি’ বলেন!

    ব্রজেন্দ্রনারায়ণ বললেন, সেই কথাই বলেছি, গিন্নি! কারণ আমি জানি, তোমরা রূপেন্দ্রকে বাধ্য করেছ এ বিবাহে সম্মত হতে। তার মনোগত বাসনা—আজীবন কৌমার্যব্রত গ্রহণ করে আর্তের সেবা করে যাওয়া। সে তার সঙ্কল্পচ্যুত হতে স্বীকৃত হয়েছে—শুধু ঐ মেয়েটিকে উদ্ধার করতে!

    ব্রজসুন্দরী রুখে ওঠেন, না হয় তাই হল! তাতেই বা আপনার আপত্তি কিসের?

    —আপত্তি এজন্য যে, তোমাদের রজ্জুতে সর্পভ্রম হয়েছে। কুসুমমঞ্জরীর যে বিপদের আশ্রঙ্কা তোমরা করেছ সে বিপদ থেকে মেয়েটি ইতিমধ্যে উদ্ধার পেয়েছে। ওর ‘রাইরানী হওয়ার আশঙ্কা আর নেই!

    —কেন?

    —যেহেতু রূপনগরের মোহান্ত-মহারাজের পরলোকপ্রাপ্তি ঘটেছে! পঞ্চমীর দিন।

    রূপেন্দ্রনাথ এতক্ষণ অধোবদনে বসে ছিলেন। এ সংবাদে মুখ তুলে তাকালেন। বললেন, এ সংবাদ জানা ছিল না; কিন্তু আশঙ্কা তো তাতেও দূরীভূত হয়নি, জেঠামশাই! মোহন্ত মহারাজ গতায়ু—কিন্তু তাঁর গদীটা তো আছে! আবার কেউ উঠে বসবে তাতে। হয় তো সেই ‘ছোটহুজুর’!

    —না! সেও তীরবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। তরুণ ঈশানের তীরে বিদ্ধ হয়ে।

    —ঈশেনের তীরে’! মানে, আমাদের ঈশেন?

    —হ্যাঁ তাই! রূপনগরের মঠ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। সমস্ত গ্রামটা নিশ্চিহ্ন! মোহন্ত মহারাজের ধনাগার লুণ্ঠিত—তার সেই গোপিকার দল…আহ্!

    আচমন করে উঠে পড়লেন তিনি।

    ব্রজেন্দ্রনারায়ণ তারপর শোনালেন এক বিচিত্র সংবাদ। বিস্তারিতভাবে। এ সংবাদ তিনি পেয়েছেন বিশেষ সংবাদবহ মারফত। সম্পূর্ণ গোপন রেখেছেন। জানে, একমাত্র তারাপ্রসন্ন! সংক্ষেপে তা এই—

    ভ্রাতুষ্পুত্রের মুখে সংবাদটা শুনে হিতাহিতজ্ঞান লোপ পেয়ে গিয়েছিল মোহন্ত মহারাজের! ভাদুড়ী-মশাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল—অবিলম্বে রূপনগরের মেয়েকে ফেরত পাঠাতে। গো-গাড়িটা আজ প্রায় মাসখানেক অপেক্ষা করছে। স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও গাড়িটা ফিরে আসেনি। মোহন্ত মহারাজ তখন আদেশ দিয়েছিলেন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রকে—মেয়েটিকে ছিনিয়ে আনতে। দুই হাতিয়ারবন্দ সহচরকে নিয়ে ‘ছোটহুজুর মোহন্ত মহারাজের হুকুম তামিল করতে তখনই ঘোড়া ছুটিয়ে রওনা হয়েছিল। সোঞাই গায়ের সেই অর্বাচীন কবিরাজটা তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। খালি হাতে। শুধু তাই নয়—সেই দুঃসাহসী কবিরাজটার চোখের সম্মুখে কে একটা বাগদির-পো মহামহিম মোহন্ত মহারাজের দূতের গালে চপেটাঘাত করেছে। ক্ষিপ্ত হয়ে যাবার কথাই! প্রেমদাস গোঁসাই তৎক্ষণাৎ আদেশ দিয়েছিলেন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রকে—অবিলম্বে সসৈন্য সোঞাই আক্রমণ করতে। শুধু মেয়েটিকে ছিনিয়ে আনলেই চলবে না—শূলে বিদ্ধ করে আনতে হবে সেই কবিরাজ আর তার বাগদি-চেলার ছিন্ন মুণ্ডু দুটো!

    ছোট হুজুর জানিয়েছিল, সে মহাষ্টমীতে ফিরে আসবে বলে হুঁসিয়ার’ জানিয়ে এসেছে।

    হুঙ্কার করে উঠেছিলেন, না, এখনি! এই মুহূর্তে! কামান নিয়ে যেতে হবে না। তাহলে পৌছতেই তিন দিন লেগে যাবে। সঙ্গে নিয়ে যা এক শ বন্দুকধারী ঘোড়সওয়ার আর হেরম্বদাসকে।

    ‘হেরম্বদাস’ ওঁর রণহস্তীর পোষাকী নাম।

    আদেশমাত্র সৈন্য সমাবেশ করে ওরা রওনা হয়েছিল।

    নিয়তির পরিহাস! ভাস্কর পণ্ডিতও সেই সময় চলেছে মুর্শিদাবাদ-মুখো। দাঁইহাটি থেকে উত্তরমুখো, ভাগীরথীর পশ্চিম কিনার ধরে। তার গুপ্তচর এসে সংবাদ দিল সে স্বচক্ষে দেখেছে, রূপনগরের গড় থেকে শতাধিক অশ্বারোহী আর একটি রণহস্তী নিয়ে মোহন্ত-মহারাজের সৈন্যদল পশ্চিমমুখো কোথায় যেন চলেছে। ভাস্কর সাবধানী। সে কাটোয়ায় এক বেলা অপেক্ষা করল—বিস্তারিত সংবাদ সংগ্রহ করল। অচিরেই জানতে পারল সঠিক সংবাদ সৈন্যদল চলেছে বর্ধমানের কী একটা গাঁয়ে—স্থানীয় এক জমিদারকে সায়েস্তা করতে। ভাস্কর তৎক্ষণাৎ বুঝে নেয়—রূপনগরের গড় বস্তুত অরক্ষিত! জনশ্রুতি আগেই সংগ্রহ করা ছিল—মোহন্ত-মহারাজের রত্নভাণ্ডার কুবেরীর্ষিত! বর্গী সৈন্যদল মুখ ঘোরালো।

    ছোট-হুজুর সোঞাই গাঁয়ের পারানি-ঘাটে যে দিনটি কলার ভেলায় দামোদর পার হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেছে, সেই সারাটি দিনে অজয়ের তীরে নির্মূল হয়ে গেছে রূপনগরের গড় ও গ্রাম। সন্ধ্যাবেলায় সেই দুঃসংবাদ দিতেই রূপনগর থেকে ছুটে এসেছিল অশ্বারোহী সংবাদবহ—ছোট হুজুরকে মর্মান্তিক বার্তাটা পেশ করতে। বেচারি এসে শোনে, সেই ছোট- হুজুরও ভেসে গেছে দামোদরের স্রোতের টানে!

    সহজ ভাষায় ভীমা আর ঈশান যাদের সঙ্গে সারাদিন কাজিয়া করেছে তারা বর্গী সৈন্য আদৌ নয়—রূপনগরের ফৌজ! এপার থেকে তাদের সনাক্ত করা যায়নি। শুধু বোঝা গিয়েছিল তারা হিন্দু।

    ভাস্কর রূপনগরকে ধূলিসাৎ করে, মোহান্ত-মহারাজের দ্বিখণ্ডিত দেহটা অজয়ে নিক্ষেপ করে তারপর রওনা হয় উত্তরমুখো

    নিতান্ত সৌভাগ্য গঙ্গার পূর্ব-উপকূলের জনপদগুলির কালীগঞ্জ, পলাশীপাড়া, রেজিনগর, বা বেলডাঙার। বর্গী সৈন্য ভাগীরথীর পশ্চিম উপকূল ধরে চলেছিল উত্তরমুখো—কাটোয়া ঘাট থেকে মুর্শিদাবাদ। গঙ্গা পার হওয়ায় কোন বাধা ছিল না। কিন্তু ভাস্কর পন্থের হাতে সময় ছিল অল্প। তার গোপন খবর ছিল, নবাব আলিবর্দী বালেশ্বরে থাকতেই খবর পেয়েছেন—বর্গী সৈন্য তাঁর রাজধানী আক্রমণ করতে পারে। নবাবী সৈন্য বালেশ্বর-দাঁতন পার হয়েছে। তারাও দ্রুতপদে এগিয়ে আসছে মুর্শিদাবাদের দিকে। তাই শুধু ভাগীরথীর পূর্বপারের জনপদ নয়, পশ্চিমপারের গ্রামগুলিও সে-যাত্রা বর্গী-আক্রমণ থেকে রেহাই পেল—কেতুগ্রাম, ভরতপুর, কান্দি, খড়গ্রাম। বিদ্যুৎগতিতে বর্গী সৈন্য ঝাঁপিয়ে পড়ল খাশ মুর্শিদাবাদে-লালবাগ, আজিমগঞ্জে।

    নবাবী দুর্গ অধিকার করতে পারল না তারা। আলিবর্দী ঐ রূপনগরের প্রেমদাস বাবাজীর মতো মূৰ্খ নয়—যুদ্ধযাত্রা করার পূর্বে নিজের প্রাসাদ ও তোষাখানা সুরক্ষিত করে রাখার কথা ভোলে না। কিন্তু বর্গী সৈন্য অনায়াসে দখল করে নিল জগৎশেঠের ধনাগার!

    বর্গীরা আক্রমণ করতে আসছে শুনে জগৎশেঠ ফতেচাঁদ সপরিবারে মুর্শিদাবাদ ত্যাগ করে আত্মগোপন করেছিলেন। ভাস্করপন্থ তাঁর গদি লুট করে পেয়েছিলেন দু কোটি আর্কট মুদ্ৰা!

    আজকের হিসাবে তা কত হাজার কোটি টাকা তা বলতে পারব না! শুধু মনে করিয়ে দিতে পারি—মুর্শিদাবাদের বাজারে তখন এক তঙ্কায় পাঁচ মণ চাউল পাওয়া যেত! সেটাও কিন্তু আমার কাহিনীর শেষ চমক নয়! এর পরে আমাকে বলতে হবে—ঐ ক্ষয়ক্ষতিতে বিশেষ বিব্রত হননি জগৎশেঠ ফতেচাঁদ।

    বর্গীর হাঙ্গামা মিটে গেলে আবার গদিয়াল হয়ে বসে নাকি বলেছিলেন—ঐসিন তো হোতাই হ্যয়। থোড়া-বহুৎ নুকসান হো গ্যয়া! ক্যা কিয়া যায়?

    পরবৎসরই নবাবকে উপহার দিয়েছিলেন এক কোটি আর্কট মুদ্রা!

    সে যা হোক—বিস্তারিত ইতিহাস শুনিয়ে ভাদুড়ী-মশাই তাঁর ধর্মপত্নীর দিকে ফিরে বলেছিলেন, এখন তো বুঝলে, রূপেন্দ্রকে বিবাহ করতে বাধ্য করার কোন প্রয়োজন নেই! কুসুমমঞ্জরী আমার কন্যারূপে এ বাড়িতে অনায়াসে আশ্রয় পেতে পারে—সোঞাই গায়ের কূলবধূ না হলেও!

    ব্রজসুন্দরী বললেন, আপনি আমাকে একটা কথা বুঝিয়ে বলুন দেখি। পুরুষ মানুষ বিবাহে সম্মতি দেয় কেন? অরক্ষণীয়া একটি কন্যাকে উদ্ধার করতে?

    ব্রজেন্দ্র গম্ভীর ভাবে বলেন, শাস্ত্র বলেছেন,—না! ‘পুত্রার্থে ক্রিয়তে ভাৰ্যা!

    —শাস্ত্রের বাক্য থাক! একবগ্গা শাস্ত্রনির্দেশে চলে না, চলে বিবেকের নির্দেশে!

    —তা ওর বিবেক কী নির্দেশ, কেন দিচ্ছে, তা আমি কেমন করে জানব?

    রূপেন্দ্রনাথ বুড়োবুড়ির এ জাতীয় কথোপকথনের কোন অর্থ গ্রহণ করতে পারেন না। কী নিয়ে তর্ক? কিসের বিবাদ?

    বৃদ্ধা বলেন, আপনি কি শুধু শাস্ত্রই পড়েছেন। কাব্য পড়েননি?

    ব্রজেন্দ্র বললেন, তা কাব্য তো তুমিও যথেষ্ট পড়েছ, গিন্নি। বল, তোমার মুখ থেকেই শুনি—

    —তাই শুনুন তবে। এই মাত্র যে শব্দটা উচ্চারণ করলেন—‘গৃহিণী’ সেটা ‘গৃহ’ শব্দের সমার্থক—ন গৃহং গৃহমিত্যাহুগৃহিণী গৃহমুচ্যতে’।[১] একবগ্গার গৃহ ‘দ্বিবন্ধা’ না হলে ‘অরণ্যং তেন গন্তব্যং যথারণ্যম্ তথা গৃহম!’[২] কিছু বুঝলেন?

    ব্রজেন্দ্র বললেন, একটু একটু!

    ‘গুণী গুণং বেত্তি ন বেত্তি নিৰ্গুণো
    পিকো বসন্তস্য গুণং ন বায়ুসঃ।’[৩]

    —তা তো বটেই। সেক্ষেত্রে পিক-কুহু কী বলছে শুনুন,

    “কবিতা বনিতা চৈব সুখদা স্বয়মাগতা
    বলদাকৃষ্যমানা চেৎ সহসা বিরসায়তে।’[৪]

    রূপেন্দ্রনাথ রীতিমতো স্তম্ভিত! এ কী শুরু করেছেন ওঁরা! যেন দুই কাব্যতীর্থ সংস্কৃতে কবির-লড়াই জুড়ে দিয়েছেন! পরমুহূর্তেই বুঝে ফেলেন এই কবির লড়াইয়ের মূল-উৎসটা কোথায়! ওঁরা দুজনে মিলে একটা কৌতুক করছিলেন এতক্ষণ! সমস্তটাই নিদারুণ রসঘন প্রমোদন! যদিও সম্পর্কটা ‘জেঠা-জেঠি, কিন্তু বয়সের ফারাকটা ‘দাদু-দিদার! আনন্দের আতিশয্যে বুড়োবুড়ি আজ উচ্ছসিত! তাই এই প্রগল্ভতা। কিন্তু দ্বারপ্রান্তে অপেক্ষা করছে পুত্রবধূ—তাই তার বোধগম্য ভাষায় হৃদয়ের উচ্ছ্বাসটাকে ব্যক্ত করতে পারছেন না—দুজনেই ক্রমাগত সংস্কৃতে মনের আবেগকে মুক্তি দিচ্ছেন!

    ব্রজেন্দ্রকে নীরব দেখে বড়মা বলে ওঠেন, এবার যে আমার ‘চাপান’। আপনারই ‘উতোর’ দেবার কথা। কিছু বলছেন না যে?

    কী বলব? ‘ভদ্রং কৃতং কৃতং মৌনং কোকি-লৈৰ্জলদাগমে
    দর্দুরা যত্র বক্তারস্ত্রত্র মৌনং হি শোভনম।।’[৫]

    হঠাৎ বড়-মার নজরে পড়ে দ্বারপ্রান্তে তারাসুন্দরীর চক্ষুদ্বয় বিস্ফারিত হয়ে গেছে। মাথা থেকে তার যে ঘোমটা খসে গেছে, তাও সে টের পায়নি। বড়-মা লজ্জা পেলেন। তৎক্ষণাৎ নিজেকে সংযত করে বলেন; একবগ্গা! শোন! এ তোমার বড়মার আদেশ! সাতই অঘ্রাণ দিন স্থির হয়েছে! যাবতীয় ব্যবস্থা করে ফেল ইতিমধ্যে।

    রূপেন্দ্রর আচমন শেষ হয়েছিল ইতিপূর্বেই। তিনি উভয়ের পদধূলি গ্রহণ করেলেন।

    —-

    [১. যে গৃহে গৃহিণী অনুপস্থিত তাকে ‘গৃহ’ বলা চলে না। গৃহিণীই গৃহকে গৃহ-মর্যাদা প্রদান করে।

    ২. তার পক্ষে বনে যাওয়াই ভাল; কারণ তার কাছে অরণ্যও যা, গৃহও তাই।

    ৩. গুণীব্যক্তিই গুণীর সমাদর করতে পারে। যে নির্গুণ সে কী বুঝবে? বসন্তের মহিমা কোকিলই বোঝে, কাক বোঝে না।

    ৪. কবিতা আর কবিপ্রিয়া যখন স্বেচ্ছায় সলজ্জচরণে এগিয়ে আসেন তখনই কবি সার্থক। জোর-জবরদস্তি করে ধরে আনলে—কী কবিতা, কী কবিপ্রিয়া—কেউই রসমণ্ডিতা হয় না। সরস হলেও তা শুকিয়ে যায়।

    ৫. সময়ে সময়ে মৌন থাকাই ভদ্রতা। বর্ষাগমে যখন ভেকদল সরব হয় তখন কোকিলেরা নীরব থাকে।]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }