Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নবদ্বীপ-কৃষ্ণনগর – ৬

    ৬

    সে রাত্রে কবির ঘুম এল না। কাতু, কাত্যায়নীকে তিনি দেখেননি, চেনেন না। মনে মনে তার একটা আন্দাজী আলেখ্য আঁকতে পারেন শুধু। রূপেন্দ্র রূপবান—সম্ভবত তার ভগ্নীটিও রূপসী। বয়স তার ষোলো। হাতে শাঁখা, লোহার খাড়ু। সিঁথিতে জ্বলজ্বল করে জ্বলছে সিন্দুর বিন্দু। শান্তিপুরে ডুরে শাড়ি পরে মেয়েটি প্রদীপ হাতে তুলসীমঞ্চে প্রদীপ নামিয়ে রেখে মৃত্তিকা বেদিকায় মাথাটা নামিয়েছে। গলায় আঁচল দিয়ে ….

    কিন্তু এ কী? ও তো কাত্যায়নী নয়! ও যে—রাধা!

    রাধা! এগারো বছর বয়সে তাকে ভালবেসে বিয়ে করেছিল একটি পনের বছরের শ্যামবর্ণ কিশোর—কবি হবার স্বপ্ন দেখত সে! কবি তার সিঁথিতে সিঁদুর আর হাতে শাঁখা ছাড়া আর কী দিতে পেরেছেন? না, দিয়েছেন! একটি পংক্তি—তাঁর কাব্যে :

    “রাধানাথ তব দাস পুরাও মনের আশ
    তব ঋণিচক্রে ঋণে তর গো।।”

    ঐ কাব্যগ্রন্থের আদর যতদিন থাকবে—রসপিপাসু বাঙালী যতদিন ভারতচন্দ্রের কাব্যরস আহরণ করবে—ততদিন বেঁচে থাকবে ঐ বঞ্চিতা হতভাগিনী সীমন্তিনীর নামটা!

    কবি ভারতচন্দ্র হচ্ছেন: ‘রাধানাথ’![১]

    [১. প্রসঙ্গত কুলীন ব্রাহ্মণকবি ভারতচন্দ্রও একপত্নিক।]

    নিদ্রাহীন রাত্রে অতীত জীবনের স্মৃতি যেন ভিড় করে আসছে। একের পর এক ধনী ভূস্বামী বংশে ভারতচন্দ্রের জন্ম। প্রাচীন বাঙলার সুবিখ্যাত সারস্বততীর্থ ভূরিশ্রেষ্ঠ এলাকায় পাণ্ডুয়া গ্রামে তাঁর জন্মভূমি ও শৈশব-লীলা। চতুরানন নামে এক ব্রাহ্মণ চতুর্দশ শতাব্দীতে ভুরসুট পরগণায় একটি রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর পুত্র-সন্তান ছিল না। তাঁর জামাতা-শাখা ভুরশুটে প্রাধান্য পায়। ঐ রাজবংশের একটি শাখায় ভারতচন্দ্রের জন্ম। সেটা 1712 খ্রীষ্টাব্দ। অর্থাৎ উনি রূপেন্দ্রনাথের চেয়ে বয়সে পাঁচ বছরের বড়। পিতার নাম নরেন্দ্রনারায়ণ বায়। বিরাট সম্পত্তি তাঁর। ভারত পিতার কনিষ্ঠ সন্তান। সম্পত্তির ব্যাপারে বর্ধমানরাজ কীর্তিচন্দ্রের সঙ্গে নরেন্দ্রনারায়ণের বিবাদ দেখা দেয়। বেগতিক দেখে কনিষ্ঠ পুত্রটিকে নরেন্দ্রনারায়ণ তার মাতুলালয়ে পাঠিয়ে দিলেন। মণ্ডলঘাট পরগণায় নওয়াপাড়া গ্রামে। সেখানে চতুষ্পাঠীও আছে, মক্তবও আছে। অভিভাবকদের নির্দেশ ছিল, তিনি মাতুলালয়ে ফারসী শিখবেন, যাতে ভবিষ্যতে কোন রাজ সরকারে কর্ম সংস্থান করতে পারেন। কিশোর ভারতচন্দ্র সে নির্দেশ তুচ্ছ করে ভর্তি হলেন চতুষ্পাঠীতে। তাঁর স্বপ্ন কবি হবার—সংস্কৃতটা তাই আবশ্যিক। চৌদ্দ-পনের বছর বয়সে তিনি সংস্কৃত ভাষায় যথেষ্ঠ ব্যুৎপত্তি লাভ করেন এবং শিক্ষাগুরুর প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন।

    তাঁর বয়স যখন মাত্র পনের তখন একটা ঘটনা ঘটল—যে ঘটনা তাঁর জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করে। পাঠশালায় যাতায়াতের পথে পাশ্ববর্তী গ্রাম তেজপুরের একটি পর্ণকুটীরের গবাক্ষে একটি বালিকাকে প্রায়ই লক্ষ্য করতেন। নির্দিষ্ট সময়ে—ওঁর যাতায়াতের নির্দিষ্টকালে মেয়েটি প্রতিদিন জানলায় এসে বসে থাকত আর ডাগর চোখে ওঁকে দেখত। ভারত কৌতূহলী হয়ে পড়েন। সন্ধান নিয়ে জানলেন, ঐ ভদ্রাসনটি কেশরকুনী আচার্যের। মেয়েটি তাঁরই কন্যা বছর নয়-দশ বয়স তার। বালিকার এই বিচিত্র ব্যবহারে ভারত কৌতুক বোধ করেন। লক্ষ্য করে দেখেছেন, চোখাচোখি হলেই সে মুখ ফিরিয়ে নেয়। কী দেখে মেয়েটি? মাত্র পনের বছর বয়স হলেও কিশোরটি ভবিষ্যতে হতে চলেছে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর—হেতুটি প্রণিধান করতে অসুবিধা হয় না।

    তাঁর হৃদয়ও কি ব্যাকুল হত না? হত। তবে তিনি তো ঐ নিরক্ষরা মেয়েটির মতো ‘ভূবিলাসানভিজ্ঞা’ সরলা বালিকা নন! মনে মনে বলতেন : “ভো ভো রাজন্ আশ্রমমৃগো২য়ং ন হন্তব্যো ন হন্তব্যঃ!”

    তারপর একদিন। তিথিটা মনে আছে। মাঘী শ্রীপঞ্চমী। চতুষ্পাঠীতে সেদিন পাঠ বন্ধ! বাগদেবীর আরাধনা হচ্ছে। ছুটির দিন—তবু কী জানি কিসের টানে উনি পার্শ্ববর্তী গ্রামের দিকে চলতে থাকেন। সেই সুচিহ্নিত গৃহটির সামনে দিয়ে যাবার সময় দেখতে পেলেন শিউলি-বোটায় ছোপানো একটি শাড়ি পরা মেয়েটি বসে আছে জানলায়। চোখাচোখি হতে আজ সে মুখ ফিরিয়ে নিল না। যেন সে ওঁরই প্রতীক্ষায় বসে ছিল এতক্ষণ। ডাক দিল, শুনুন? ভারতচন্দ্র নিজের পিছন দিকে তাকিয়ে দেখলেন। না, পথে দ্বিতীয় ব্যক্তি নাই। তবু নিশ্চিন্ত হতে প্রশ্ন করেন, আমাকে বলছ?

    —হ্যাঁ, একবারটি আসবেন? বাবা আপনাকে কিছু বলবেন।

    দুরন্ত কৌতূহলে ভারতচন্দ্র আচার্যমশায়ের ভদ্রাসনের দিকে অগ্রসর হয়ে যান। গৃহাভ্যন্তর থেকে বার হয়ে এলেন এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক। গৃহস্বামী নিশ্চয়। মুণ্ডিত মস্তক। দীর্ঘ অকফলা। গায়ে উত্তরীয়, পায়ে খড়ম।

    ভারতচন্দ্র বলেন, আপনি কি আমাকে খুঁজছিলেন?

    —হ্যাঁ, বাবা। আমার একটি উপকার করবে?

    —বলুন?

    —তুমি ব্রাহ্মণ তো?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। আমার নাম ভারতচন্দ্র, ঠাকুরের নাম নরেন্দ্রনারায়ণ রায়। আমরা রাঢ়ী শ্রেণীর। কৌলীক উপাধি মুখোপাধ্যায়। কেন, ঠাকুর মশাই?

    —তুমি কি প্রাতরাশ করেছ?

    ভারতচন্দ্র রীতিমতো অবাক হয়ে যান। বলেন, আজ্ঞে না। চতুষ্পাঠীর দিকে যাচ্ছিলাম! অঞ্জলি দিয়ে প্রসাদ পাব।

    —ও! তা বাবা আমার একটি উপকার করে যাও। প্রতি বৎসর আমার ভদ্রাসনে বাগদেবীর পূজা করি। মূর্তিপূজা নয়, গ্রন্থ পূজা। আমি নিজেই করি। সব ব্যবস্থাই হয়ে আছে। কিন্তু এই মাত্র একটি দুঃসংবাদ শুনলাম—আমার অতি দূর সম্পর্কের একটি জ্ঞাতি দুনিয়ার মায়া কাটিয়েছেন। দূর সম্পর্ক বটে, তবে দশরাত্রের জ্ঞাতি! তুমি বাবা দুটি ফুল ফেলে পূজাটা সেরে দিয়ে যাবে? তাহলে রাধা অঞ্জলি দিয়ে দুটি প্রসাদ মুখে দিতে পারে।

    ভারতচন্দ্র যথারীতি ন্যাকা সাজলেন, রাধা! রাধা কে?

    —আমার কন্যা। সেই তো বললে তুমি ব্রাহ্মণ। কই রে রা–ধে!

    বাসন্তী রঙের ছোপানো শাড়ি পরে নোলক-পরা দশমবর্ষীয়া মেয়েটি এসে বাপের পাঁজর ঘেঁষে দাঁড়ায়। নত নেত্রে।

    ভারতচন্দ্র মেয়েটিকে প্রশ্ন করেন, তুমি কেমন করে জানলে আমি ব্ৰাহ্মণ?

    মেয়েটির কুমারী-সিঁথি দেখা যাচ্ছে এখন। সরমে মাথাটা প্রায় বুকের উপর।

    ততক্ষণে মাথায় আধো-ঘোমটা টেনে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন পণ্ডিতগৃহিণী। বললেন, আমিও অরে তাই জিগাই। তা রাধা কইল কি তোমারে উড়ুনী জড়ানো গায়ে দ্যাখছে, পৈতাগাছখান কান্ধে আছিল।

    প্রমাণিত হল, এক কালে আচার্যমশাই টোপর মাথায় গঙ্গার ওপারে গেছিলেন। পণ্ডিতগৃহিণীর ‘সুমধুর ভাষাৎ’—হেত্ব্যর্থে পঞ্চমী সূত্রে।

    ভারতচন্দ্র পূজা করলেন। লৌকিক আচার অনুসারে রাধাও অঞ্জলি দিতে পারল না। তারও অশৌচ চলছে। তবে পূজান্তে টোপাকুল মুখে দিল মহানন্দে।

    ভারতচন্দ্র মেয়েটিকে প্রশ্ন করেন, তুমি পড়াশুনা কর? সরস্বতীর পূজা তো খুব করছ ঘটা করে। বাঙলা পড়তে পার?

    রাধা সলজ্জে মাথাটা নিচু করে। শিরশ্চালনে জানায়, না!

    পণ্ডিতগৃহিণী বলেন, মাইয়া-মানুষের নেখাপড়া শিতি নাই! জান না?

    ভারতচন্দ্র রাধার বাবাকে প্রশ্ন করেন, আপনারও তাই বিশ্বাস?

    প্রৌঢ় পণ্ডিত দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, কী করব বল বাবা? লোকাচার! মূর্খগুলো ভেবে দেখে না—স্বয়ং বাগেশ্বরী কী করে সাক্ষর!

    পণ্ডিতগৃহিণী একটি রেকাবিতে ফল মিষ্টি প্রসাদ সাজিয়ে নিয়ে এলেন। স্বীকৃত হতে পারলেন না ভারতচন্দ্র। অজুহাত দেখালেন—তাঁদের চতুষ্পাঠীতে পূজা এখনো অসমাপ্ত

    রাধার মা বললেন, তাইলে একদিন মধ্যাহ্নে এই হানে আইস্যা দুটি অন্ন সেবা করি যেও! অশৌচ মিটলে। আইবে তো?

    ভারতচন্দ্র স্বীকৃত হলেন। রাধার দিকে ফিরে বলেন, লেখাপড়া তো শেখনি, রান্না করতে শিখেছ?

    রাধা নোলক নেড়ে বলেছিল, বলব না!

    –বলবে না! কেন? বলবে না কেন?

    –বলতে হবে আপনাকে!

    —আমি রাঁধতে জানি কি না?

    —তা নয় মশাই! যেদিন অন্নসেবা করতে আসবেন সেদিন খেয়ে বলতে হবে, কোন ব্যঞ্জন মায়ের হাতের, কোনটি মেয়ের।

    বেশ কিছুদিন পরের কথা। সহপাঠী বংশীলাল একদিন বললে, শুনেছিস ভারত, সেই মেয়েটার বে ঠিক হয়ে গেছে! কী কপাল! বরটা বুড়ো-হাবড়া! তিনকুড়ি বয়স তার!

    —কোন্ মেয়েটা রে?—ভারত কৌতূহলী।

    —সেই যাদের বাড়ি তুই সরস্বতী পূজা করে দিয়ে এসেছিলি। তেজপুরের আচায্যি বাড়ির। রাধা! তোর তো নিমন্ত্রণও ছিল! গেলি না কেন?

    বুকের মধ্যে টন্‌টনিয়ে উঠেছিল। বংশীর হাতটা চেপে ধরে বলেছিল, তুই ঠিক জানিস? বুড়ো বর?

    —ওমা, জানব না কেন? ললিত গাঙ্গুলীর বয়সের কি গাছ-পাথর আছে? মুখে একটা দাঁত নেই। এক মাথা পাকা চুল। তার বড় নাতিরও তো বে হয়ে গেছে!

    পনের বছরের কিশোর! রক্তে তখন আগুন জ্বলে! হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়ে গেল তার গোপনে গিয়ে সাক্ষাৎ করল কেশরকুনী আচার্যের সঙ্গে। বললে, এ আপনি কী করছেন পণ্ডিত মশাই! অমন লক্ষ্মীর প্রতিমাকে ভাসিয়ে দিচ্ছেন?

    অরক্ষণীয়া কন্যার পিতা ম্লানমুখে বলেন, কী করব বাবা? কৌলিন্য মর্যাদা দেবার সামর্থ্য যে আমার নেই। উপযুক্ত পাত্র কোথায় পাব? গাঙ্গুলী-মশাই এক কপর্দক মাত্র কৌলিন্যমর্যাদা নিয়ে …

    অপরিসীম দার্ঢ্যে কিশোরটি বলেছিল, উপযুক্ত পাত্র কিনা জানি না, তবে আমার পিতামহের হাতি ছিল, আমাদের বাড়ি আজও দোল-দুর্গোৎসব হয় …..

    পণ্ডিতমশাই আকাশ থেকে পড়েন, তুমি! তোমার মাতুল রাজী হবেন?

    –সম্ভবত নয়। আপনার কন্যা যদি রাজী থাকে আর আপনার যদি হিম্মৎ থাকে তাহলে আমি স্বীকৃত! গোপনে! আমি কুলীন, এবং পাটি ঘর।

    আচার্য ওকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, এ যে আমার স্বপ্নেরও অতীত বাবা! বেঁচে থাক তুমি। দীর্ঘজীবী হও! এমন হৃদয় তোমার! তুমি দেশের মুখোজ্জ্বল করবে।

    ভবিষ্যদ্বাণীটি আধাআধি সার্থক করেছিলেন আচার্যের জামাতা বাবাজীবন।

    দীর্ঘজীবী হতে পারেননি। কিন্তু স্বল্পজীবনের মধ্যেই দেশের মুখোজ্জ্বল করেছিলেন।

    কিন্তু লক্ষ্মীর প্রতিমাকে ঘরে আনতে পারেননি।

    সংবাদ পেয়ে ভারতের অভিভাবকেরা তাকে মাতুলালয় থেকে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন। ওঁদের সংসারে তখন প্রচণ্ড অশান্তি—বর্ধমানরাজের অত্যাচারে। তার উপর নাবালকটির ঐ হঠকারিতায় কবির লাঞ্ছনার আর অবধি রইল না। কিশোর-কবি ক্ষোভে অভিমানে গৃহত্যাগ করেন। আশ্রয় পান হুগলী জেলার বাঁশবেড়িয়া গ্রামের পশ্চিমে দেবানন্দপুর নিবাসী রামচন্দ্ৰ মুন্সীর বাড়িতে। সেখানে থেকে বহু কষ্টে ফারসী ভাষা আয়ত্ত করেন। কবি ঈশ্বরগুপ্ত সে-আমলে ভারতচন্দ্রের কৃচ্ছসাধন বর্ণনা করতে লিখছেন, “দিবসে একবার মাত্র রন্ধন করিয়া সেই অন্ন দুই বেলা আহার করেন, প্রায় কোন দিবস ব্যঞ্জন পাক করেন নাই। একটা বেগুন পোড়ার অর্ধভাগ এ-বেলা এবং অর্ধভাগ ওবেলা আহার করিয়া তাহাতেই তৃপ্ত হইয়াছেন।” এখানে থাকতেই তিনি মুন্সীর বাড়িতে সত্যনারায়ণের পূজা উপলক্ষ্যে একটি ‘ব্রতকথা’ রচনা করেন: কবির প্রথম রচনা।

    ফারসী ভাষা আয়ত্ত করে কবি ফিরে এলেন স্বগৃহে। দাদারা তাঁর পুনর্বার বিবাহ দেবার আয়োজন করল। দৃঢ় প্রতিবাদ করলেন কবি। বললেন, আমার এক স্ত্রী বর্তমান। আপনারা তাকে গ্রহণ করেননি। উপার্জনক্ষম হলে আমি তাকে স্বগৃহে নিয়ে আসব। দ্বিতীয়বার দারপরিগ্রহ কদাচ করব না।

    এই সময় কবিকে পাঠিয়ে দেওয়া হল বর্ধমানে। বর্ধমানরাজ কর্তৃক অপহৃত সম্পত্তি উদ্ধার করতে। মোক্তার হিসাবে। রাজশক্তির অসীম ক্ষমতা! কবি মিথ্যা অজুহাতে গ্রেপ্তার হলেন। কারারুদ্ধ কবি কোনক্রমে পালিয়ে যান। এই পলায়নে তাঁকে সাহায্য করেছিল পারিবারিক পুরাতন ভৃত্য ভোলা নাতে! দুজনে বনজঙ্গল দিয়ে পথ খুঁজে খুঁজে উপনীত হন কটকে। কবির পরিচয় ও জ্ঞানের পরিচয় পেয়ে মুগ্ধ হয়ে যান মহারাষ্ট্রীয় সুবেদার শিব ভট্ট। রঘুজী ভোঁসলের তরফে তিনি তখন কটকের শাসনকর্তা। তাঁর অনুগ্রহে পুরুষোত্তমধামে বাস করার অনুমতি পান। তখন তিনি প্রায় সন্ন্যাসী! কিন্তু ভোলা প্রামাণিক ছায়ার মতো তাঁর সঙ্গে লেগে আছে।

    কী ভাবে ঐ ধূর্ত প্রামাণিকের চক্রান্তে কবি আবার সংসারে ফিরে আসতে বাধ্য হন তার প্রামাণিক ইতিহাস নাই; আছে শৈল্পিক ইতিকথা: নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের—’অমাবস্যার ‘গান’-এ। নারায়ণ গাঙ্গুলীর কল্পনা অনুসারে ঐ সময় রাধার সঙ্গে ভারতের পুনর্মিলন হয়—পুনর্মিলনই বা বলি কেন? বিবাহকালে রাধা ছিল এগারো বৎসরের বালিকা—এই তার প্রথম স্বামী সন্দর্শন! [১]

    [১. ‘মিতে’–দার কল্পনা ছাড়া এ বিষয়ে পণ্ডিত গবেষকেরও সমর্থন আছে। যথা—ডঃ ভূদেব চৌধুরীর ‘বাঙলা সাহিত্যের ইতিকথা’ প্রথম খণ্ড।]

    অনতিবিলম্বেই কবি চলে যান ফরাসডাঙায়—দেওয়ান ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরীর আশ্রয়ে কর্মের অনুসন্ধানে। রাধাকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, মাথা-গোঁজার একটা ব্যবস্থা হলেই, দুবেলা দু-মুঠো অন্নের সংস্থান হলেই, তাকে নিজের কর্মস্থলে নিয়ে যাবেন। সুযোগ হয়নি। দেওয়ান ইন্দ্রনারায়ণের সুপারিশে এসেছেন কৃষ্ণনগরে। কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে আশ্রয় দিয়েছেন, বৃত্তি দিয়েছেন; কিন্তু তাঁর উপার্জন এখনো এমন হয়নি যে, সেই সূর্যমুখী ফুলের চারাগাছটিকে গোয়াড়ি-কৃষ্ণনগরের উদ্যানে এনে রোপণ করেন।

    বিশ্বাস করতে মন চায় না, নয়? যে ‘অন্নদামঙ্গল’ আজ এম-এ-র পাঠ্য—তা স্বীকৃতি পাওয়ার পরেও ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর সস্ত্রীক বসবাসের মতো সচ্ছলতার মুখ দেখতে পাননি তাঁর আটচল্লিশ বছর জীবনের ত্রিশটি বছর কিন্তু ইতিমধ্যে কেটে গেছে!

    রাজাদেশে কবি এখন অন্নদামঙ্গলের সম্প্রসারণ করছেন। বিদ্যাসুন্দরের আদিরসাত্মক পদগুলি রচনা করছেন! ‘অমাবস্যার গান’ গাইছেন!

    তোমরা কি কবির জন্য দু-ফোঁটা চোখের জল ফেলবে?

    তোমরা ফেলবে কি না জানি না, কবি ফেলেছিলেন—সে রাত্রে। না, রাধার জন্য নয়। সেই না-দেখা, না-চেনা কাত্যায়নীর উদ্দেশ্যে!

    কবি জানেন, সেই উপেক্ষিতা যৌবনভারনম্রার অন্তর্লীন বেদনাটি কী তীব্র। তিমি যে কবি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }