Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাশীধাম – ৪

    ৪

    উপবাসক্লিষ্টা কন্যাটির মুখের দিকে সমস্ত দিন চোখ তুলে তাকাতে পারেননি। এ কী হয়ে গেল! এমন আকাশভাঙা বিপর্যয়ের সম্মুখী হতে হবে এ যে তাঁর দুঃস্বপ্নের অগোচর! পুরন্দর ক্ষেত্রী দুঃশাসক নানাবিধ অত্যাচার সে চালিয়ে যাচ্ছে এ দুঃসংবাদ যে না পান তা নয়। তার অত্যাচারে রাজপুরোহিত অবসর নিয়েছেন, মন্ত্রী অপসারিত। সেনাপতি বজ্ৰধর দেশত্যাগী—সে নাকি বর্তমানে শাহাবাদভুক্তির রোহিতাশ্ব দুর্গের দুর্গাধিপ। প্রাক্তন কাশী নরেশের একান্ত বিশ্বস্ত দুর্ধর্ষ লাঠিয়াল ঈশান কৈবর্তের শাস্তির কথা কে না জানে? তার কুটিরে নাকি রাজাসাহেবের নির্দেশে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়—নিদ্রাগত ঈশানকে সপরিবারে হত্যা করতে। পুরন্দর লোকটা কামুক। তার অসিঘাটের বাগানবাড়িতে দেখা যায় নিত্য নূতন হুরী। শোনা যায়, তার ভিতর কিছু যবনীও আসে নাকি! এবং ভদ্রঘরের কুলনারীরাও! বলপ্রয়োগে! এদিকে অতিশয় ধূর্ত। প্রতিটি ঘাঁটিতে বসিয়েছে নিজের বিশ্বস্ত প্রতিনিধি। গুপ্তচরেরা রাজ্যের সর্বত্র সন্ধান করে বেড়ায়—প্রজাবিদ্রোহ সে কিছুতেই হতে দেবে না। শাসনের নামে কাশীরাজ্যকে শোষণ করার সুপরিকল্পিত বন্দোবস্ত। এসব তথ্য মোটামুটি জানাই ছিল। যেহেতু তিনি নিজে ভিন্ন পথের পথিক, তাই দ্বারকেশ্বর বিদ্যার্ণব এইসব রাজনৈতিক বিপর্যয়ের বিষয়ে কোনদিন মাথা ঘামাননি।

    আজ ঘামাতে হচ্ছে—যেহেতু শেলটা আজ এসে বিঁধেছে তাঁরই পাজর-সর্বস্ব বুকে!

    লোকটা আজ বেপরোয়া। কারণ আছে। ঘটনাচক্রে আজ কাশীর বৃহত্তর জনসমাজ বিদ্যার্ণব আর তাঁর কন্যাটির বিপক্ষে। নারীর মুক্তি, নারীর স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা—সেইসব কথা এই কূপমণ্ডূকেরা চিন্তাই করতে পারে না। কন্যার পরামর্শে তিনি চতুষ্পাঠী উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন ছাত্রীদের জন্যও। ‘ব্রহ্মবাদিনী’ ছাত্রী নয় ‘সদ্যোদ্বাহা’। অর্থাৎ যারা প্রাকবিবাহ-কালে বিদ্যাশিক্ষা করবে। সংস্কৃত কাব্য পড়তে শিখবে, সংস্কৃত মন্ত্র উচ্চারিত হলে তার অর্থ বুঝবে। এ ছাড়া সংসারী হবার পর পূজা অর্চনার জন্য পরমুখাপেক্ষী হতে হবে না। মদালসার মতো পুত্রকে ব্রহ্মবিদ্যা দান করতে না পারুক, অন্তত তার অক্ষর পরিচয়ের সহায়ক হবে। কিন্তু পিতাপুত্রীর যৌথপ্রচেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ। কাশীবাসী কোন গৃহস্থ তাঁর কন্যাকে চতুষ্পাঠীতে প্রেরণ করেননি। এই কূপমণ্ডূক সমাজ কন্যাদের শিক্ষিত করতে ভয় পায়। বৈধব্যের ভীতি!

    বিদ্যার্ণব এবং তাঁর পালিতা কন্যা যে সমাজে নারী-শিক্ষার দীপশিখাটি প্রজ্বলিত করতে চেয়েছিলেন সেই সমাজ সম্বন্ধে আমাদের কোন ধারণা নেই। থাকবে কোথা থেকে? তখন না ছিল কোন সংবাদপত্র না মাসিক পত্রপত্রিকা। বাঙলাভাষার তখন চর্চা হত সামান্য। দলিল- দস্তাবেজ সব ফার্সিতে। ভুললে চলবে না, আমাদের আখ্যায়িকার কালে রাজা রামমোহনের বয়স দুই বৎসর! উইলিয়াম কেরী—যাঁর উদ্যোগে পঞ্চানন কর্মকার শ্রীরামপুর মিশন প্রেসে ম্যাথু-লিখিত সুসমাচারের প্রথম পৃষ্ঠাটি বাঙলাভাষায় মুদ্রিত করেন—সেই কেরী সাহেব তখনো ভারতবর্ষে আসেননি। তাই আমাদের আখ্যায়িকার ঘটনাকালের প্রায় সত্তর বছর পরের তিনটি উদ্ধৃতি পাঠকের দরবারে পেশ করি—তাহলে আন্দাজ পাবেন, আমাদের কাহিনীর কালে সমাজের কী অবস্থা ছিল—

    ১। “বালিকাগণকে বিদ্যালয়ে পাঠাইলে ব্যভিচার সংঘটনের আশঙ্কা আছে।” (সংবাদ প্রভাকর, 12.5.1849 )

    ২। “স্ত্রীজাতি বিদ্যাবতী হইলে পতির প্রতি অশ্রদ্ধা করিবেন” (সংবাদ-প্রভাকর, 31.5.1849)

    ৩। “স্ত্রীলোকেরা বিদ্যারসিকা হইলে ব্যাপিকা হইবেন। ব্যভিচার করিবেন, রন্ধনাদি গৃহকর্ম করিতে চাহিবেন না, পতিসেবা এবং পুত্রকন্যাদির মলমূত্রাদি ধৌত করিবেন না, গরুকে যাব দিবেন না, পাকশালায় গোবর লেপন করিবেন না, বাসন মাজিবেন না, পতির উচ্ছিষ্ট খাইবেন না, শয্যা পাড়িবেন না, পান সাজিবেন না, স্বামীর পদতলে তৈল দিবেন না, পতির পাদোদক গ্রহণ করিবেন না।” (সংবাদ প্রভাকর, 19.6.1849 )

    তবু সেই অশীতিপর বৃদ্ধ বৈদান্তিক আর তাঁর পালিতা কন্যা দুর্গাবাড়ি অঞ্চলের গৃহস্থদের দ্বারে দ্বারে ফিরেছেন—কেউ স্বীকার করেননি। ‘অষ্টমবর্ষে তু ভবেৎ গৌরী’ নিয়ম তখনো চালু আছে; কিন্তু কৌলিন্য প্রথার প্রাদুর্ভাবে অনেক হতভাগিনীকে হয়তো আজন্ম কুমারীই থাকতে হত—পাত্রের অভাবে। কুলীনপাত্র কিছু মূল্য ধরে দিলে পিসী-ভাইঝিকে হয়তো একই লগ্নে উদ্ধার করে দিয়ে যায়—কিন্তু ত্রিরাত্রির বেশি শ্বশুরালয়ে থাকতে স্বীকৃত হয় না। বছরে যে মাত্র তিনশ পঁয়ষট্টির অধিক রাত্রি নাই! সেইসব স্বামীসুখবঞ্চিতাদের অভাব ছিল না—বালবিধবাদের দল তো ছিলই। তবু দ্বারকেশ্বর বিদ্যার্ণবের চতুষ্পাঠীতে একটিও ছাত্রীর শুভাগমন ঘটেনি।

    তবু চলছিল। কিন্তু এ কী বিপর্যয়!

    কী যেন বলে গেল পুরন্দর?

    “কুলীন ব্রাহ্মণের বিধবা সহমরণে যেতে ভীতা হলে তার কী অন্তিম পরিণাম হয়!”

    হ্যাঁ। সেটাই সমাজের বিধান!

    স্বামীর মৃত্যুতে মরতে তোমাকে হবেই! এটা স্ত্রীজন্মের অনিবার্য নিয়তি। তবে কীভাবে মরতে চাও সেটা বেছে নেবার অধিকার সমাজ তোমাকে দিয়েছে। ইচ্ছা করলে স্বামীর দেহান্তে তার সঙ্গে চিতায় উঠে বসতে পার। তখন তোমার কী সম্মান! তোমার পায়ে ওরা আলতা পরিয়ে দেবে, সিঁদূরে সিঁদূরে ব্রহ্মতালুটা আগুনবরণ করে দেবে! অলক্তকরাগে রঞ্জিত করে তোমার রাতুল চরণদ্বয়ের ছাপ তুলে নিয়ে যাবে। তুমি যে মহাসতী! অবশ্য তোমার গায়ের গহনাগুলো সব খুলে নেবে। ওগুলো আগুনে পুড়িয়ে ফেলার তো কোন অর্থ হয় না। পরের মেয়েটিকে তো পার করতে হবে! একবস্ত্রা হয়ে তুমি স্বামীর মাথা কোলে নিয়ে জ্বলন্ত চিতায় পতিসহ পুষ্পক রথে ড্যাংডেঙিয়ে স্বর্গপানে রওনা হতে পার

    তা যদি না চাও, তাহলেও আগুনে তোমাকে পুড়তে হবে। অন্য জাতের আগুন! সমাজ এ বিষয়ে উদার—কোন জাতের আগুনে পুড়বে তা তোমার ইচ্ছানুসারে। একেবারে প্রথম পর্যায়েই যদি আগুনে পুড়তে ভয় পাও তাহলে আমৃত্যু—অন্তত আযৌবন, দগ্ধে দগ্ধে মরতে পার। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সেবা করে। তাদের কাম চরিতার্থ করে। যা তোমার অভিরুচি। তোমার অন্তিমগতি বড় বড় শহরের লালবাতি-জ্বলা কোন এক স্বর্গে!

    আগুন এবং স্বর্গ দুটোই পাবে। যে পথেই যাও!

    কিন্তু ভদ্রভাবে কোন বিগতভর্তার প্রাণধারণের প্রচেষ্টা? সেটা আকাশকুসুম! মনু তেমন বিধান দিয়ে যাননি—অন্তত এটাই ওদের মনুসংহিতার ভাষ্য!

    তা না হয় হল। কিন্তু এখন কী করবেন বিদ্যার্ণব? কীভাবে ধর্মরক্ষা হবে তাঁর আদরের পালিতা কন্যার? রাজমাতার দরবারে আর্জি পেশ করার প্রচেষ্টা বৃথা। সেই অন্তঃপুরে তিনি প্রবেশ করতেই পারবেন না। কন্যাটিকে সেখানে পাঠাতে পারেন—কিন্তু তাতেও ফল হবে না কিছু। রাজমাতা নিঃসহায়া। বস্তুত রাজাবরোধের ভিতর তিনি বন্দিনীমাত্র!

    দ্বারকেশ্বর অকৃতদার। জীবনের একেবারে শেষ পর্যায়ে নিতান্ত দৈবক্রমে তাঁর সংসারে এসেছে এই মা-জননী। তার ফেলে আসা বর্ধমানের জীবনের কথা প্রায় কিছুই জানেন না। বৃদ্ধ কোন কৌতূহল কখনো দেখাননি, মেয়েটিও স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে তা জানায়নি।

    শুধু জানেন—সে এক পণ্ডিত পিতার আদরের দুলালী : রূপমঞ্জরী। গৌরীদান করেছিলেন পিতা কন্যার নবম বর্ষে। ত্রয়োদশে বিধবা। আর জানতেন—অসাধারণ মেধা ঐ বাল-বিধবার, অনন্যসাধারণ চারিত্রিক দৃঢ়তা।

    প্রায় পাঁচ বছর আগেকার কথা। এক নিদাঘ প্রত্যুষে তার সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন দশাশ্বমেধ ঘাটের একান্তে। তখনো পুব আকাশটা ফর্সা হতে শুরু করেনি। পথঘাট নির্জন। এই ব্রাহ্ম-মুহূর্তেই বিদ্যার্ণব গঙ্গাস্নান সেরে আসেন—কী শীত, কী বর্ষা। হঠাৎ নজরে পড়ে পথের ধারে বসে আছে একটি যুবতী মেয়ে। দু হাঁটুর মধ্যে মুখটা গুঁজে। ওর পিঠটা মাঝে মাঝে ফুলে-ফুলে উঠছে। মেয়েটি যে কাঁদছে তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই। কিন্তু বৈয়াকরণিক পণ্ডিতের মনে পড়ে গেল হেত্বর্থে পঞ্চমী-বিভক্তির সূত্রটা। অগ্নিকে চোখে না দেখেও শুধু ধূম দর্শনে যদি প্রমাণিত হয় ‘পর্বতো বহ্নিমান’; তাহলে ওর পৃষ্ঠ-আন্দোলনাৎ’ সিদ্ধান্তে আসা যায়—অন্ধকারে মুখ লুকিয়ে মেয়েটি কাঁদছে। ওঁর মনে হল—মেয়েটি পথ হারিয়েছে। ধীরপদে এগিয়ে এসে ওর পিঠে একটা হাত রাখলেন।

    চমকে অশ্রুআর্দ্র মুখখানা মেলে ধরতেই বৃদ্ধ বললেন, কী হয়েছে মা? কাঁদছিস্ কেন? বাড়ির পথ খুঁজে পাচ্ছিস না?

    মেয়েটি বললে, না বাবা, বাড়িই নেই, তার পথ হারাবো কী করে?

    অনেক পীড়াপীড়ির পর শুনলেন, মেয়েটি গত রাত্রের মধ্যযামে এসে পৌঁচেছে এই ঘাটে। নৌকাযোগে। কে যে ওকে এভাবে মধ্যরাত্রে দশাশ্বমেধ ঘাটে নামিয়ে দিয়ে গেল তার নামটা কিছুতেই স্বীকার করল না। তবে এটুকু জানাল যে, সে নিজে কুলীন ব্রাহ্মণ বংশের বালবিধবা। তিনকুলে তার কেউ নেই। অগতির গতি ঁবিশ্বনাথের চরণে আশ্রয় নিতে আসছিল। পথে বিপর্যয়। কী জাতের বিপর্যয় তাও স্বীকার করল না। ওর আদি নিবাস বঙ্গভূমে। বর্ধমান জিলার সোঞাই গ্রামে।

    ইতিমধ্যে আলো ফুটেছে। স্নানার্থীদের ভিড় বাড়ছে। একটি পঞ্চবিংশতিবর্ষীয়া রোরুদ্যমান’ অনিন্দ্যকান্তি বিধবার সঙ্গে আলাপনরত বৃদ্ধকে দেখে অনেকে কৌতূহলী হয়ে ঘনিয়ে এল : কী হয়েছে পণ্ডিতমশাই?

    বিদ্যার্ণব স্তম্ভিত হয়ে গেলেন মেয়েটির উপস্থিতবুদ্ধি দেখে। তার চেয়েও বেশি, ওর মুখে নির্ভুল দেবভাষা শুনে। মেয়েটি তার বক্তব্যের শেষাংশ পেশ করল সংস্কৃত ভাষায়! কৌতূহলী মানুষজন ও দুর্বোধ্য ভাষার নাগাল গেল না—যে যার পথ দেখল। বৃদ্ধ সবিস্ময়ে প্রশ্ন করেন, সংস্কৃতেই—এ দেবভাষা কার কাছে শিখেছিস?

    —আমার পিতৃদেবের কাছে। তাঁরও ছিল চতুষ্পাঠী। তদুপরি তিনি ছিলেন প্রখ্যাত কবিরাজ। তিনিই আমাকে সহমরণে যেতে দেননি, তাই গ্রামে জাতিচ্যুত হয়ে বাস করতেন। তাঁর বৈকুণ্ঠলাভের পরে বাধ্য হয়ে আমি কাশীযাত্রা করেছিলাম—

    বিদ্যার্ণব দৃঢ়মুষ্টিতে রূপমঞ্জরীর হাতটি ধরে বলেছিলেন, আয়।

    —কোথায় বাবা?

    —’বাবা’ বলে ডেকেছিস, আবার বোকার মতো জানতে চাইছিস, ‘কোথায়’? চল, আগে দুজনে গঙ্গাস্নানটা সেরে নিই—

    —এগুলো?

    এতক্ষণে বিদ্যার্ণবের নজর হল, মেয়েটির হাতে একটি পুঁটুলি। বললেন, ঘাটেই কারও কাছে জমা রেখে বাপবেটিতে স্নান সেরে নেব, আয়।

    রূপমঞ্জরী স্বীকৃতা হল না। পুঁটুলি খুলে দেখাল তার সম্পদ। সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত দুটি দ্রব্য : একটি জীবন্ত কবুতর আর একটি দুর্লভ বামাবর্ত শঙ্খ।

    গঙ্গাস্নান মাথায় উঠল। মেয়ের হাত ধরে ফিরে এলেন চতুষ্পাঠীতে। এগুলি ওঁর মা-জননী কোথায়, কেমন করে পেয়েছে তা আর জানতে চাননি।

    জীবনযাত্রার ছকটাই গেল পালটে। চিরদিন একলাটি থেকেছেন। একবেলা স্বপাক আহার। এখন সংসারের সব দায়-ঝক্কি মা-জননীর। এত দীর্ঘদিনের অভ্যাসটা ছাড়তে প্রথমটা রাজি হননি ঐ স্বপাক আহার। কিন্তু যখন বুঝলেন, সে অভ্যাসটা ত্যাগ করতে না পারলে কন্যাটিকেই ত্যাগ করতে হবে, তখন বাধ্য হয়ে মেনে নিলেন। তারপর পাঁচ-পাঁচটি বছর কেটে গেছে।

    পঞ্চবিংশতিবর্ষীয়া রূপমঞ্জরী আজ ত্রিশের কোঠায়। ব্যাকরণ, কাব্য, স্মৃতি, ন্যায়, নব্যন্যায়, সমাপ্ত করে আজ মা-জননী কাশীর পণ্ডিত সমাজে বিদ্যালঙ্কার।

    বাকি আছে শেষ জ্ঞান: ব্রহ্মবিদ্যা। সেটা উনি দেবেন না। না, মন্ত্রদীক্ষা দিতে স্বীকৃত হননি। বিদ্যার্ণব নিজে দীক্ষিত সন্ন্যাসী নন। তাই মা-জননীকে বলে রেখেছেন উপযুক্ত গুরুর ব্যবস্থা — তিনি করে দেবেন। সম্ভাব্য গুরু যে কে, তা জানাননি তাঁর কন্যাটিকে। কিন্তু নিজে মনে মনে তাকে নির্বাচন করে রেখেছেন। সেই মহাযোগীর বর্তমান অধিষ্ঠান এই কাশীধামেই—যাবৎ চন্দ্রার্কমেদিনী না হলেও অন্তত পূর্ববর্তী সপ্তদশ শতাব্দী থেকে! উনি অবশ্য কাউকে মন্ত্রদীক্ষা দিতে চান না—তবে একথাও ঠিক যে, তিনি নিতান্ত খেয়ালী। শিশুর মতো সরল। হঠাৎ রাজি হলেও হয়ে যেতে পারেন।

    সবই পরিকল্পনা করা ছিল—ইতিমধ্যে এই বিনামেঘে বজ্ৰপাত!

    নাঃ। পুরন্দরের ওটা ফাঁকা আওয়াজ নয়!

    আশ্রমে নেমে এসেছে একটা মৃত্যুশীতল কুাটিকা। পুরন্দরের কুৎসিত শাস্তিদানের প্রস্তাবটা ছিল যথেষ্ট সোচ্চার। আশ্রমিক ছাত্রদলের মধ্যে যারা কিশোর বা তরুণ তারা না-বুঝল তা নয়! তরুণ আশ্রমিক ব্রাহ্মণ বিদ্যার্থীরা ক্ষাত্রধর্মের অভাবটা অনুভব করল যেন

    পরদিন রমারঞ্জন বললে, আপনাকে কখনো বলা হয়নি দিদি, আমার এক বড় ভগ্নী ছিলেন। আপনার চেয়ে কিছু বড়ই হবেন—এবং তিনি ছিলেন শ্যামবর্ণা। আমার কৈশোরে তাঁকে মণিকর্ণিকায় দাহ করে এসেছি। আপনাকে দেখলে আমার নিরন্তর তাঁর কথা মনে পড়ে যায়।

    রূপমঞ্জরী বুদ্ধিমতী। সহজেই বুঝতে পারে রমা আজ অন্তরঙ্গ হতে চাইছে—ছোটভাইয়ের আসনটা দৃঢ়তর করতে চাইছে। সেই অশ্লীল বিপদটার কথা আলোচনা করার পূর্বপ্রস্তুতি। সে কথা সহাধ্যায়ীর সঙ্গে আলোচনা করতে সঙ্কোচ হয়, দিদির সঙ্গে নয়।

    রমারঞ্জন প্রশ্ন করে, আপনার এমন নাম হল কেন? হটী?

    —তোমার নাম রমারঞ্জন হল কেন?

    —বাঃ। তার একটা অর্থ আছে। ‘হটী’র মানে কী?

    রূপমঞ্জরী বলেন, ওটা আমার নাম নয়, পিতৃদত্ত উপাধি। ‘হট’ শব্দের অর্থ সংস্কৃতে নানান প্রকার। যেমন : ‘বিদ্রোহ-বুদ্ধি’, উদাহরণ : “মনসার হটে সাধু ভিক্ষা মাগি খায়”—এটা মনসার ভাসান থেকে। আবার ‘হট’ মানে ‘ক্রোধ’; যেমন ঘনরামের শ্রীধর্মমঙ্গলে আছে, “হটে হৈমবতী ঘরে হানিল তার শির”। অথবা ‘জোর-জবরদস্তী’, যেমন দুর্গাপঞ্চরাত্রিতে ‘হট’ শব্দের ব্যবহার—”আজি হবে এ সঙ্কট, তেঁই হর কৈলা হট।” ‘হটী’ নিঃসন্দেহে ‘স্ত্রী-আম ঈপ’। আমি অবশ্য জানি না, পিতৃদেব আমার কোন গুণে মুগ্ধ হয়ে ঐ ডাকনামের উপাধি দিয়েছিলেন—বিদ্রোহবুদ্ধি, ক্রোধ অথবা জবরদস্তী।

    —তাহলে আপনার নামটা কী দিদি?

    —সেটা শুনলে তুমি হাসবে ভাই: রূপমঞ্জরী।

    —কেন? হাসব কেন?

    —আমার এই নেড়ামুণ্ডি

    কথাটা শেষ করতে পারেন না। রমারঞ্জনও অধোবদন হয়। দুজনেরই মনে পড়ে যায় পুরন্দরের সেই অশ্লীল কদর্য ইঙ্গিত : ন্যাড়ামুণ্ডির সঙ্গে দ্বন্দ্ব-যুদ্ধটা জমবে না।

    রমারঞ্জন আর দ্বিধা করে না। সরাসরি নেমে পড়ে কাজের কথায়, নিশ্চয় বুঝতে পারছেন দিদি, আজ আপনার সঙ্গে খোশগল্প করতে আসিনি আমি। গুরুদেব তো বজ্রাহত তালগাছের মতো নিথর হয়ে আছেন। লক্ষ্য করেছিলেন কিনা জানি না, আজ তিনি গঙ্গাস্নানে যাননি—বোধকরি বিগত পঞ্চাশ বছরে এই প্রথম! এমন উদাসীনভাবে বসে থাকাটা তো কোন কাজের কথা নয়।

    বিদ্যালঙ্কার ম্লান হাসলেন। বললেন, আমি তো উদাসীনের মতো বসে নেই রমা। সংসারের কাজ তো করে যাচ্ছি একই ভাবে-

    —কিন্তু কী করে করছেন?

    —সহজেই। যে হেতু আমি সমাধানে পৌঁছে গেছি। উদ্ধার পাবার পথ আমার ‘হস্তামলকবৎ’!

    উৎসাহে সোজা হয়ে বসে রমারঞ্জন, কী তা?

    —তুমি রূপমতীর নাম শুনেছ রমারঞ্জন? মালোয়া রাজ্যের জনপদকল্যাণী ‘রূপমতী’?

    —না। আপনি তাঁর কথা কোথায় শুনলেন?

    —আমার বাবামশায়ের কাছে। তিনি আরবী-ফার্সি দুটো ভাষাই জানতেন। রূপমতীর উপাখ্যান আছে আবুল ফজলের আকবরনামায়। শোন, তোমাকে গল্পটা বলি আগে। নামসাযুজ্যে রূপমতীর কথাই আজ মনে পড়ে গেল আমার। শোন গল্পটা—

    আকবর বাদশার ফৌজ নিয়ে বীরদর্পে সেনাপতি আধম খাঁ প্রবেশ করল পরাজিত মালোয়ার রাজধানীতে। আধম হুকুম জারি করে রেখেছিলে—মুগল সৈন্য মালোয়ার যৌবনবতীদের ইচ্ছামতো দখল করতে পারে। শুধুমাত্র যদি মালোয়ারাজ্যের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী রূপমতীকে ধরতে পারা যায় তাহলে কেউ তার গাত্র স্পর্শ করবে না। তাকে পৌঁছে দিতে হবে স্বয়ং সিপাহসালারের শিবিরে।

    হত্যা-উৎসব শেষ হল রাত্রির তৃতীয় যামে। ক্লান্ত অবসন্ন রক্তমাখা আধম শয্যাগ্রহণের উপক্রম করছে। ঠিক তখনি এল জবর খবর : রূপমতীকে জিন্দা পাওয়া গেছে!

    উৎসাহে চারপাইয়ের উপর উঠে বসল আধম : তব লাও বহ্ ছুকরিকো!

    দুই মুগল সৈন্য দুই বাহুমূল ধরে নিয়ে এল বন্দিনীকে। রূপমতীর ঘাঘরা ছিন্নভিন্ন, ওড়না খসে গেছে, কঞ্চলিকা স্থানচ্যুত। তার কপালে রক্তের ধারা। আধম অবাক বিস্ময়ে দেখছিল।

    শিবির নির্জন হলে, প্রহরীরা নিষ্ক্রান্ত হলে, গোঁফে চাড়া দিয়ে আধম বললে, শোন বাঈজী! বেয়াদবী আমার বিলকুল লা পসন্দ। রাত্রে যাকে আমার বিছানায় উঠে বসার অধিকার দিই তার সতীপনা আমার বরদাস্ত হয় না। বেচাল দেখলে তোমার ঐ কাঁচুলী-খসা বুকের উপত্যকায় এই ছোরাখানা আমূল বিদ্ধ করে দিতে আমার হাত কাঁপবে না! কিছু বুঝলে?

    চৌষট্টিকলায় পারঙ্গমা রূপমতী একটি কুর্নিশ করে বললে,

    ‘বক্‌ৎল-এ চুন মনীপর খাতিরৎ
    খুশ্‌নূদ সী গরদদ্।
    বজায় মিন্নৎ ওয়ালি টেঘ-ই-তুদন্‌
    আলুদ মী গরখুদ।।

    কিছু বুঝলেন?

    আধমের শিরস্ত্রাণ ভেদ করে কাব্যমাধুর্য আদৌ প্রবেশ করল না। বললে, সোজা ভাষায় কথা বল?

    —সোজা ভাষায় তার অর্থ:

    খুন- খারাবির রঙ-তামাশায় খেলতে হোলী চাও?
    খুশ্ হবে কি গুপ্তিখানা বিধলে বুকে? দাও!
    তোমার খুশেই হই খুশিয়াল, ভয় শুধু মোর দিলে
    খুন কলঙ্কে লিপ্ত হবে তোমার ছোরাটাও।।

    আরও সহজ ভাষায়—আমি বাঈজী, সুরৎ আর জওয়ানি নিয়েই আমার মহব্বতের বেসাতি। তাই জানতে চাইছি, মুগল সেনাপতির রুচিটা কী জাতের? আমার মঞ্জিলে আতিথ্য গ্রহণ করে আমাকে স্বমহিমায় দেখতে চান? না কি রক্তমাখা বিবস্ত্রা একটা নারীদেহ ধর্ষণ করেই আপনি তৃপ্ত?

    আধম স্তম্ভিত হয়ে গেল। গ্রহণ করল বাঈজীর আমন্ত্রণ। পরদিন সন্ধ্যায় সেজে-গুজে আতর মেখে সে উপস্থিত হল রক্তস্নাত জনপদের শেষ প্রান্তে—বাঈজীর মঞ্জিলে। সেখানে শুয়ে আছে রূপমতী—অতিথির জন্য সাজানো আছে নানান উপকরণ : সিরাজি, চষক, ভৃঙ্গার, নানান বাদ্যযন্ত্র, তবক্-দেওয়া সুগন্ধী পান, রূপার রেকাবিতে গোড়ে মালা। আর তার মাঝখানে রেশমী চীনাংশুকে আবৃত রূপমতীর মৃতদেহ!

    রমারঞ্জন আত্মবিস্মৃত হল। হঠাৎ দুই হাত চেপে ধরল রূপমঞ্জরীর। আর্তকণ্ঠে শুধু বললে, ন্‌—না!

    পরক্ষণেই সে সম্বিত ফিরে পায়। সলজ্জে হাত ছেড়ে দেয়। এবার রূপমঞ্জরীই সেই হাত দুটি চেপে ধরে বলে, দিদির একটা মিনতি, রমা! আমার তো তিনকুলে কেউ নেই। মণিকর্ণিকাঘাটে এ দিদির মুখাগ্নিটাও তুই করিস!

    রমারঞ্জন দিদির হাত ছাড়িয়ে ছুটে পালিয়ে যায়।

    .

    পরদিন সে আবার এল। বললে, প্রণাম করতে এলাম দিদি। কাশীধামের বাইরে যাচ্ছি! কাল ফিরে আসব।

    —কোথায় যাচ্ছ ভাই?

    —সাসারামের পথে রোহিতাশ্ব দুর্গে। গুরুদেব একটি পত্র দিয়েছেন বজ্রধর মিশ্রকে। জবাব নিয়ে আসতে হবে।

    বিদ্যালঙ্কারের মনে পড়ল না তিনি কে। রমারঞ্জন বুঝিয়ে দিল বজ্রধর মিশ্র হচ্ছেন প্রাক্তন কাশীরাজের প্রধান সেনাপতি। কাশীনরেশের মৃত্যুর পরে তাঁকে পদচ্যুত করেছে রাজাসাহেব। বর্তমানে তিনি শাহাবাদভুক্তির রোহিতাশ্ব কিল্লার দুর্গাধিপ। মহামহোপাধ্যায় দ্বারকেশ্বর বিদ্যার্ণবকে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন। তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করেছেন গুরুদেব

    এবার বিদ্যালঙ্কার নিজেই আপত্তি তোলেন—এ হতে পারে না! একটি মেয়ের জন্য হয়তো অসংখ্য সৈনিকের মৃত্যু হবে! তা আমি হতে দেব না, দিতে পারি না।

    রমারঞ্জন দৃঢ় প্রতিবাদ জানায়, এবার আপনিই ভুল বলছেন দিদি। একটি নারীর জন্য নয়, একটি আদর্শের জন্য।

    কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না। ব্যর্থ হল রমারঞ্জনের পরিশ্রম। দুর্গাধিপ বজ্রধর মিশ্র রোহিতাশ্ব দুর্গে অনুপস্থিত। সৈন্যসংগ্রহ মানসে তিনি কোথায় কোথায় ঘুরছেন। পাটনা-শাহাবাদ অঞ্চলে যেসব দস্যুর দল বিচ্ছিন্নভাবে ডাকাতি করে সেইসব দুর্ধর্ষ ঘোড়সওয়ারদের নিজ সৈন্যদলে বেতনভুক সিপাহীতে রূপান্তরিত করার দুঃসাহসিক প্রচেষ্টা তাঁর। দুর্গরক্ষার জন্য যেসব অধীনস্থ সেনানায়কদের রেখে গেছিলেন তারা এতবড় দায়িত্ব নিতে স্বীকৃত হল না। কাশীশ্বরের সৈন্য-বাহিনী সংখ্যায় বৃহত্তর। তদুপরি—জনশ্রুতি, কোম্পানির ফৌজ পুরন্দরের সহায়। লক্ষ্ণৌ-প্রয়াগ ক্যান্টনমেন্টের সঙ্গে রাজা-সাহেবের আঁতাত আছে!

    রমারঞ্জন দ্বিতীয় একটা বিকল্প সমাধানের ইঙ্গিত দিয়েছিল—গোপনে দিদিকে নিয়ে সে কাশীরাজ্য ত্যাগ করে যাবে। রূপমঞ্জরী স্বীকৃতা হতে পারেনি। প্রথমত সে-ক্ষেত্রে অকথ্য অত্যাচার হবে রমারঞ্জনের পরিবারবর্গের উপর। সে কাশীরই বাসিন্দা। তার বাবা, মা এবং ভগ্নীরা কাশীর প্রজা। দ্বিতীয়ত সমাজ তো ওদের ভাইবোনো সম্পর্কটা বুঝবে না—এই গৃহত্যাগের একটা কদর্য ইঙ্গিত করবে; সমাজে পতিত হবেন রমারঞ্জনের পিতৃদেব; মাথা হেঁট হয়ে যাবে দ্বারকেশ্বর বিদ্যার্ণবের।

    বিদ্যালঙ্কার কিন্তু বিচলিতা নন—সমাধান তো তাঁর মুঠায়—’হস্তামলকবৎ’!

    রূপমঞ্জরীর আদর্শ—রূপমতী!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }