Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তীর্থের পথে – ৫

    ৫

    রামীধোপানি ঘাটে নৌকায় রাত্রিরাস করে পরদিন ভোর-ভোর পদব্রজে রওনা দিলেন। আপাতত গন্তব্যস্থল দিনেমারদের ফ্রেডরিক নগর। তারকেশ্বর থেকে প্রায় বারো ক্রোশ পূর্বদিকে। সড়ক বা পথ বলতে কিছু নাই। মাঝে মাঝে বনপথ, কখনো বা ধানক্ষেতের দিগন্ত-অনুসারী প্রান্তরের মাঝখান দিয়ে বিসর্পিল গতিতে আলপথ। দিগভ্রান্ত হবার আশঙ্কা নাই। লক্ষ্য বরাবর পূর্বাভিমুখী। পথে বড় নদীও নাই। বারো-চৌদ্দ ক্রোশ পথ একদিনে পাড়ি দেওয়া যাবে না, বিশেষ রূপেন্দ্র ‘পথি নারী বিবর্জিতা’ শ্লোকের নির্দেশ মানেননি। তা হোক, অসুবিধা নাই কিছু। পথে পড়বে দুটি বর্ধিষ্ণু জনপদ : হরিপাল ও সিংহপুর। মোট দূরত্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পথ পাড়ি দিলে। স্থির করেছেন, দৈনিক প্রায় চার ক্রোশ পথ অতিক্রম করবেন। হরিপাল এবং সিংহপুরে এক এক রাত্রি অতিবাহিত করে তৃতীয় দিনে উপনীত হবেন ফ্রেডরিক নগরে। বস্তুত ঐ ফেরঙ্গ-জনপদটিও তাঁর লক্ষ্যস্থল নয়, তিনি যাবেন রাধাবল্লভপুরে ঐ ফেরঙ্গ-শহরের উপকণ্ঠে।

    চিহ্নিত পথরেখা যেমন নাই তেমনি চিহ্নহারা আলপথে বিপদও কিছু নাই। পথে মাঝে হয়তো কিছু জঙ্গল পড়বে, কিন্তু হিংস্র শ্বাপদের আশঙ্কা নাই। ‘আর চোর-ডাকাতের উপদ্রবও নাই।

    রূপেন্দ্র তাঁর সহধর্মিণীর হাত ধরে যে চিহ্নহারা পথে যাত্রা করলেন সেই পথেই আজ বিপরীত দিক থেকে ছুটে আসে শত শত তীর্থযাত্রী। তাদের সম্বল বাঁকে ফুলের মালা, ঘটে গঙ্গাজল, কপালে শ্বেদবিন্দু, আর মুখে ধর্মবিশ্বাসের লোকায়তধ্বনি : ভোলেবাবা পার করে গা!

    তারকেশ্বর ত্যাগ করে গাছ-গাছালির অন্তরাল অতিক্রম করে ফাঁকা মাঠে পড়েই নজর হল সামনের দিকে একদল যাত্রী। প্রায় আধক্রোশ দূরে। তারাও চলেছে পূর্বাভিমুখে। বোধ করি একই লক্ষ্যমুখে। এতদূর থেকে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না, তবে দলে পনের-বিশজন পুরুষ-স্ত্রী : কিছু অল্পবয়সীও আছে। পুরুষদের অনেকের কাঁধে বাঁক। তাতে মালপত্র। দুটি মালবাহী অশ্বতরও আছে। অনুমান হয়—ওরা সদলবলে চলেছে নূতন আশ্রয়ের সন্ধানে—পশ্চিম থেকে পুবে—বোধকরি ভাগীরথীর পূর্বপারে। বর্গীর হাঙ্গামা শুরু হওয়ার পর থেকে এ দৃশ্য পৌনঃপুনিকতায় ক্লান্তিকর।

    ব্যবধান ক্রমে কমে আসছে। সম্মুখবর্তী দলে আছে বৃদ্ধ ও শিশু; পুরুষেরা মালবাহী। এতক্ষণে বোঝা যাচ্ছে ওরা বাউল। কিন্তু বাউলদের মতো পুরুষেরা প্রকৃতিদত্ত শ্মশ্রু ও ওষ্ঠলোম রাখেনি, যদিও মাথার চুল উঁচু করে চুড়ো বেঁধেছে—যাকে বাউলেরা বলে ‘ধৰ্ম্মিল্ল’ অনেকের ঊর্ধ্বাঙ্গে খেঙ্কা, কাঁধে ঝুলি, হাতে লাঠি। তাদের সঙ্গিনীদের চুলও চুড়ো করে বাঁধা কারও বা পরনে গিরিমাটিতে ছোপানো শাড়ি।

    দ্বিপ্রহরে দূর থেকে নজর হল দলটি একটি দীর্ঘিকার পাড়ে জমিয়ে বসেছে, প্রকাণ্ড একট বটগাছের ছায়ায়। রূপেন্দ্র বললেন, মনে হচ্ছে ওরাও গঙ্গার দিকে চলেছে, তীর্থযাত্রী। চল গিয়ে আলাপ করা যাক। অজানা পথে বড় দলে একসাথে যাওয়াই সুবিধাজনক

    আপত্তি জানালো মঞ্জরী, না! দেখছ না, ওরা ফলারের আয়োজন করছে। এখন আমর গিয়ে উপস্থিত হলে ওরা বিব্রত হবে। ঐ তো কাছেই গ্রাম। আমরা বরং সেদিকেই এগিয়ে যাই। গাঁয়ে হয় তো দোকানে কিছু খাবার কিনতে পাওয়া যাবে। একই দিকে গেলে পথে আবার নিশ্চয় দেখা হবে।

    কথা ঠিক। দলপতি বৃক্ষতলে একটি কিলিঞ্জকে এলিয়ে পড়েছেন—শরকাঠির মাদুর আর কি। ওরা পোঁটলা-পুঁটলি খুলে মধ্যাহ্ন-আহারের আয়োজনে ব্যস্ত। চক্ষুলজ্জা এড়াতে সেদিবে দৃষ্টি না দিয়ে ওঁরা দলটিকে অতিক্রম করে যেতে চাইলেন; কিন্তু তাতেও নিস্তার নেই। হঠাৎ একটি মেয়ে প্রায় ছুটতে ছুটতে এগিয়ে আসে। বাধ্য হয়ে থমকে দাঁড়িয়ে পড়তে হল। মেয়েটির বয়স রূপেন্দ্ররই কাছাকাছি, হয়তো কিছু কম—রীতিমতো সুন্দরী, সুঠাম শরীর, মেদবর্জিত, নাকে রসকলি, ধম্মিল্লর চারপাশে একটা রঞ্জনফুলের মালা জড়ানো। গেরুয়া রঙের শাটিকা, ঊর্ধ্বাঙ্গে ঘননিবদ্ধ কঞ্চলিকা। কাছাকাছি এসে সে যুক্তকরে দণ্ডবৎ হল রূপেন্দ্রর সম্মুখে, কিন্তু প্রশ্ন করল তাঁর সঙ্গিনীকে, তুমি কুসুম না?

    মঞ্জরীও থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছে। বলে, হ্যাঁ, কিন্তু আপনাকে তো …

    যুবতী সে প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তার ডাগর চোখদুটি মেলে রূপেন্দ্রর দিকে অকুণ্ঠিত দৃষ্টিতে তাকায়। বলে, আপনিই তাহলে সেই ধন্বন্তরি?

    রূপেন্দ্র বলেন, আমার নাম শ্রী রূপেন্দ্রনাথ দেবশর্মা …

    দেখ্‌-না-দেখ্‌ মেয়েটি পথের উপরেই সাষ্টাঙ্গে প্রণিপাত করল। রূপেন্দ্র বিব্রত; কিন্তু বিড়ম্বনার তখনো বাকি। পরমুহূর্তেই মেয়েটি উঠে দাঁড়ায় আর অনায়াসে রূপেন্দ্রর দক্ষিণ মণিবন্ধ চেপে ধরে বলে, এমন আড়াল দিয়ে পালিয়ে গেলে তো চলবে না। আপনি আমার বোনাই! এস কুসুম—কর্তামশায়ের সঙ্গে আলাপ করবে—

    গোটা দলটাই উন্মুখ আগ্রহে লক্ষ্য করছে। দলপতিও উঠে বসেছেন। বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি। বেশবাস অন্য সকলেরই মতো, শুধু ঊর্ধ্বাঙ্গে পিরানের পরিবর্তে ‘চিন্ত-কন্থা’—অর্থাৎ নানারঙের কার্পাসখণ্ড /শেলাই করে বানানো আলখাল্লা ধরনের একটি পোশাক—বোধকরি দলপতির শনাক্তিচিহ্ন।

    মেয়েটি বললে, কর্তামশাই! এই দেখুন, কাদের ধরে এনেছি। এ হচ্ছে আমার বোন—রূপনগরের সেই রাইরানী, আর ইনি সেই সোঞাই গাঁয়ের ধন্বন্তরি!

    দলপতি উৎফুল্ল হয়ে সাদর অভ্যর্থনা করেন, কী সৌভাগ্য আমাদের! আসুন, বসুন। অগত্যা বসতে হল। মেয়েটি এতক্ষণে কুসুমমঞ্জরীকে বলে, তুমি আমাকে চিনবে না। আমিও রূপনগরের মেয়ে। তোমাকে বারে বারে দেখেছি। তোমাদের কথা আমার সব জানা। কোথায় চলেছ তোমরা?

    প্রত্যুত্তর করলেন রূপেন্দ্র, দলপতির দিকে ফিরে। বলেন, আপাতত চলেছি হরিপাল। সেখান থেকে সিঙ্গুর হয়ে গঙ্গাতীরে, ত্রিবেণী।

    বাঃ! বাঃ! আমরাও তাই। তাহলে এক যাত্রায় পৃথক ফল কেন হয়? বিশ্রাম করুন। সেবা করুন। তারপর এক সঙ্গে রওনা দেওয়া যাবে। সন্ধ্যার পূর্বেই হরিপালে পৌঁছে যাব।

    রূপেন্দ্র বলেন, এ তো আনন্দের কথা। তবে একটি শর্ত আছে গোঁসাইজী, তীর্থের পথে প্রতিগ্রহ গ্রহণ করতে নেই। আপনি যদি স্বীকৃত হন …

    হাত তুলে বৃদ্ধ ওঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, তিন-চার দিন একসাথে চলতে হবে। বেশ তো, এর পর না হয় তাই হবে। কিন্তু প্রথমবার ও কথা ওঠে না। আপনি অতিথি! আমাদের ব্রাহ্মণ সেবার পুণ্যফল থেকেই বা কেন বঞ্চিত করেন? আর আয়োজন আমাদের সামান্যই—কাঁচা ফলার। দ্বিতীয়ত আমি ‘গোসাই’ নই…

    –বাউল সম্প্রদায়ের দলপতিকে ‘গোঁসাইজী’ সম্বোধন করাই তো প্ৰথা,…

    –তা ঠিক। তবে আমরা বাউল নই, আউল।

    –বাউল নন, আউল! উভয়ের কী পার্থক্য?

    —ব্যাকুলতা আর আকুলতার মধ্যে যা। ওঁরা ‘অচিন পাখির’ সন্ধানে ব্যাকুল, আর আমরা ‘মনের মানুষের’ সন্ধানে আকুল। তা সেসব তত্ত্বকথা পরে হবে, আপাতত ঐ দীঘিতে হাত-মুখ ধুয়ে আসুন।

    আয়োজন সত্যই সামান্য—সিক্ত চিপিটক, ইক্ষুগুড়, কদলী এবং খুরমো।

    আহারান্তে সামান্য বিশ্রাম। সেই অবকাশে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা গেল।

    ঐ মেয়েটি—রাধারানী—এ দলে আছে মাত্র কয়েক মাস। রূপনগরেরই মেয়ে। বন্দিনী ছিল মোহন্ত মহারাজের কুঞ্জে। চার পাঁচ বছর। প্রাক্তন রাইরানী! বর্গীরা যখন রূপনগর বিধ্বস্ত করে তখন সে প্রাণভয়ে অজয়ে ঝাঁপ দেয়। অনেক ঘাটে জল খেয়ে এখন এই দলে এসে মিশেছে। তারও সংসারে ফিরে যাবার পথ নেই—অবশ্য সংসার বলতে কিছু আছে কি না, তাও জানে না মেয়েটি।

    এঁরা ‘বাউল’ নন, ‘আউল’। এই সম্প্রদায়ের কথাও কিছু শোনা গেল।

    এ মতের—অন্তত এই দলের—আদি প্রবক্তার নাম : আউলেচাঁদ।

    নদীয়ার উলা-গ্রামে—ঐ যার নাম পরবর্তীকালে হয়েছিল বীরনগর—সেখানেই সপ্তদশ শতাব্দীর শেষ পাদে আউলেচাদের আবির্ভাব। তাঁর পিতামাতার পরিচয় জানা যায় না। পরম্পরায় জনশ্রুতি ১৬১৬ শকে (1694 খ্রীঃ) ফাল্গুন মাসের প্রথম শুক্রবার তাঁকে আবিষ্কার করেন উলাগ্রামের এক বারুজীবী—নিজের পর্ণক্ষেত্রে। অজ্ঞাতকুলশীলটিকে পুত্রস্নেহে পালন করতে থাকেন। ঐ বারুজীবীর নাম -মহাদেব। দ্বাদশ বৎসর বয়সে আউলেচাদ ঐ পালক পিতার গৃহত্যাগ করেন, কিছুদিন এক গন্ধবণিকের গৃহে অবস্থান করেন। পরে এক ভূস্বামীর ভদ্রাসনে কৈশোর ও যৌবন অতিবাহিত করেন। কিন্তু সংসারে আবদ্ধ থাকার জন্য তিনি ধরা-ধামে আসেননি। পুনরায় গৃহত্যাগ। বঙ্গদেশের নানা অঞ্চল পরিভ্রমণ করে সাঁইত্রিশ বৎসর বয়সে বেজরা গ্রামে প্রকট হন। অনতিবিলম্বে তাঁর বাইশজন শিষ্য হয়। তার মধ্যে হটু ঘোষ, কৃষ্ণদাস হরি ঘোষ, রায়পাল প্রভৃতি প্রধান। ঐ বাইশজন শিষ্য নিয়ে স্থান থেকে স্থানান্তরে পরিভ্রমণ করতেন। নিম্নাঙ্গে কৌপীন, ঊর্ধ্বাঙ্গে খেল্কা—আউলেচাঁদ একটি সহজ সরল ধর্মমত প্রচার করে গিয়েছেন। তাঁর মতে হিন্দু, মুসলমান, ম্লেচ্ছ সবাই সমান—সকলের অন্নই গ্রহণ করতেন নির্বিবাদে। তাঁর সম্বন্ধে প্রচলিত গান :

    “এ ভাবের মানুষ কোথা হতে এলো?
    এর নাইকো রোষ, সদাই তোষ, মুখে সত্য কথা বলো।
    এর সঙ্গে বাইশজন, সবার একটি মন,
    জয়কর্তা বলি, বাহু তুলি, করে প্রেমে ঢলোঢল।
    এ যে হাবা দেওয়ায়, মরা বাঁচায়, এর হুকুমে গঙ্গা শুকালো।।
    এ ভাবের মানুষ কোথা থেকে এলো?”

    আউলেচাঁদ দেহ রাখেন আমাদের কাহিনীকালের অনেক পরে, ১৬৯১ শকে (1770 খ্রীঃ); কিন্তু তাঁর জীবিতকালেই আদিম শিষ্যদলের এক একজন এক-এক মতের প্রতিষ্ঠা করে ভিন্ন ভিন্ন দল গঠন করেন। কেউ কেউ অবশ্য গৃহাশ্রমেও প্রত্যাবর্তন করেন। আউলেচাদের দেহাবসানের পর ঘোষপাড়ার সদোপ রামশরণ পাল যে দলটি গড়েন তাই পরবর্তীকালে সবচেয়ে প্রতিষ্ঠা পায়। সে দলের নাম : কর্তাভজা।

    এই সম্প্রদায়ে গুরুকে বলা হয় ‘মহাশয়’ আর শিষ্যের নাম ‘বরাতি’। আউলেচাঁদ হচ্ছেন ‘আদি-মহাশয়’। তাঁর প্রত্যক্ষ শিষ্য—যিনি আমাদের কাহিনীবর্ণিত দলটির প্রতিষ্ঠাতা, তাঁর নামটা জানা যায় না; কারণ দলে তাঁর নাম ‘প্রথম মহাশয়’। রূপেন্দ্রকে যিনি আপ্যায়ন করে বসালেন তিনি তাঁরই প্রত্যক্ষ শিষ্য—‘দ্বিতীয় মহাশয় সংক্ষেপে এখন ‘কর্তামশাই”।

    রূপেন্দ্র এঁদের ধর্মমত এবং আচরণবিধি বিষয়ে কৌতূহল দেখালে কর্তামশাই করজোড়ে বললেন, “আপন ভজন-কথা, না কহিবে যথা তথা, আপনাকে হইবে আপনি সাবধান।“

    রূপেন্দ্র লজ্জিত হয়ে বলেন, মার্জনা করবেন। সত্যই তো, আমি বহিরাগত; আমার কৌতূহলী হওয়া ঠিক হয়নি।

    কর্তামশাই রূপেন্দ্রর হাতদুটি ধরে বলেছিলেন, না—না—না! আপনাকে বলব। সব কথা খুলে বলব। বিশেষ হেতুতে। তবে এখন নয়। সুযোগ মতো।

    রূপেন্দ্র জানতে চান, নবদ্বীপে আরও কয়েকটি সাধক-সম্প্রদায়কে দেখেছি, যাঁদের দেখলে বাইরে থেকে মনে হয় তাঁরা বাউল—কিন্তু তাঁরা বলেছিলেন যে, তাঁরা বাউল নন। কেউ দরবেশ, কেউ ন্যাড়া। তাঁরাও কি আউলেচাদের শিষ্য?

    কর্তামশাই বললেন, না, না। সাধক-সম্প্রদায়ের মধ্যে নানান সূক্ষ্ম প্রভেদ আছে। ‘আউল’ শব্দটা সহজবোধ্য বলে আমি সেই পরিচয়ই আপনাকে দিয়েছি। বাস্তবে আমরা ‘আউল’ও নই—তার একটি বিশেষ শাখা—যার নাম ‘সহজিয়া’ বা ‘সহজী’। এই মতটি সদ্যপ্রসূত। আপনি যাঁদের কথা বললেন, তাঁরা আউলেচাদের প্রবর্তিত সাধক সম্প্রদায়ভুক্ত নন। ‘দরবেশ’ অথবা ‘সাঁই’ সম্প্রদায়ের প্রবর্তক প্রভুপাদ সনাতন গোস্বামী। তারা নামে ‘উদাসীন’ হলেও প্রত্যেকের এক-একজন প্রকৃতি-সাধিকা থাকে। তবে তারাও হিন্দু-মুসলমানের ফারাক মানে না। বলে, “ক্যা হিন্দু, ক্যা মুসলমান। মিজুলকে কর সাঁইজীকা নাম।” আর ঐ ন্যাড়া সম্প্রদায়ও আউলেচাদ প্রবর্তিত নয়। তার আদি গুরু হচ্ছেন—প্রভু নিত্যানন্দের পুত্র বীরভদ্র। শোনা যায়, প্রভু নিত্যানন্দ তাঁকে স্বমত-বহির্ভূত দেখে ত্যাজ্যপুত্র করেন। আর বীরভদ্র এই সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠা করেন। এঁরাও বাউলদের মতো বিশ্বাস করেন, মানবদেহের মধ্যেই শ্রীরাধা ও শ্রীকৃষ্ণের অধিষ্ঠান। কিশোরীসাধন ও প্রকৃতিভজনের পথেই পরমাত্মাকে পাওয়া যায়! রূপেন্দ্রের দুরন্ত কৌতূহল হচ্ছিল জানতে—ও বিষয়ে ‘কর্তামশাই” কী সিদ্ধান্তে এসেছেন—ঐ প্রকৃতি-পুরুষ তত্ত্ব বিষয়ে। দলে জনা দশেক পুরুষ এবং প্রায় সাত জন রমণী—কিশোরী থেকে প্রৌঢ়া। দলপতির সাধনসঙ্গিনী আছে বলে মনে হল না—অন্তত বয়সের দিক বিচার করে। এরা কি ‘উদাসীন’? ইন্দ্রিয়-সংযম করে থাকেন? ‘সহজী’ নামটিরই বা তাৎপর্য কী? কিন্তু সে বিষয়ে কোনও কৌতূহল দেখালেন না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }