Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তীর্থের পথে – ৭

    ৭

    “বাউল’-তত্ত্বের মতো ‘বাউল শব্দটির উৎপত্তিও রহস্যাবৃত। ক্ষিতিমোহন সেন-মশায়ের মতে বায়ুগ্রস্ত অর্থাৎ পাগলাটে ধরনের মানুষকে লোকে বাউল বলত, অথচ ব্রজেন্দ্রনাথ শীলের সিদ্ধান্ত ‘আউয়াল’ শব্দ থেকে প্রথমে ‘আউল’ এবং পরে ‘বাউল’ শব্দের উৎপত্তি। সুনীতিকুমার বলেছিলেন, দেশজ শব্দ ‘বাউল্যাং এর গঙ্গোত্রী। আবার ইদানীং কোন কোন পণ্ডিতের মতে ‘ব’-সাধনায় ‘উল’ বা সিদ্ধিলাভ যে করেছে সেই হচ্ছে ‘বাউল’। তা এসব তো আজকালের কথা। আমাদের কাহিনীর কালে কোথায় বা ব্রজেন শীল আর কোথায় বা সুনীতি চাটুজ্জে! তা হোক, তবু তখনও বাউল সাধকেরা জানতেন ‘ব’-সাধনার কথা, এবং সেপথে কী ভাবে ‘উল’ হতে হয়!

    বাউল কোন ধর্মসম্প্রদায় নয়, গুহ্যমার্গের এক বিশিষ্ট সাধনার স্তরে সিদ্ধিলাভই তাঁদের লক্ষ্য। ত্রিকোণাকৃতি ঐ ব’-অক্ষরটি প্রকৃতির দ্যোতক ত্রিবেণীর ঘাট! সেই ঘাটে জোয়ানের গোনে মীনের প্রত্যাশায় প্রহর গোণা! রজ-বীজ, নীর-ক্ষীর, রূপ-স্বরূপের ক্রিয়াচারে রসের ভেয়ানে সহজ মানুষ সেখানে মনের মানুষ খোঁজে। ব্রহ্মাণ্ড সেখানে ধরা দেয় ভাণ্ডে! ভাণ্ড কোথায় পাব? কেন? এই তো নবদ্বারী মানবদেহ! পুরুষ-প্রকৃতি দমের কাজে, রসের ভেয়ানে, অটল বীজরূপী পরমাত্মার সঙ্গজনিত মহানন্দের আস্বাদ পায়। তা, এসব হল গিয়ে তত্ত্ব কথা! তুমি-আমি বুঝব না—বুঝবে রসিকজন। সহজ ভাষায়: পরমদেবতা শ্রীরাধাকৃষ্ণের যুগলরূপ মানবদেহে নিত্য বিরাজমান। তাঁকে খুঁজে দেখ, পাবে। নরদেহ পরিত্যাগ করে 1. বেহুদ্দো তাকে বাইরে খুঁজতে যেও না। এ যেন কপালে চশমা তুলে,অন্ধ হয়ে চশমা খোঁজা :

    “কারে বলবো কে করবে বা প্রত্যয়
    আছে এই মানুষে সত্য নিত্য চিদানন্দময়।।”

    বাউল সচরাচর একটি মাত্র সাধনসঙ্গিনীকে নির্বাচন করে। তারই সঙ্গে জীবন বিকায়। সাধনপদ্ধতি অতি গুহ্য ব্যাপার। তার ভিতর এমন সব ক্রিয়াকলাপ আছে যা সাধারণ মানুষের কাছে রীতিমতো বীভৎস, ন্যক্কারজনক মনে হতে পারে, যেমন ‘চারিচন্দ্রভেদ’ ক্রিয়া। কিন্তু বাউল তাকেও পবিত্র পুরুষার্থ-সাধন বলে বিশ্বাস করেন। অক্ষয়কুমার দত্ত বলছেন, “সকল কথা অন্যের জানিবার উপায় নেই; জানিলেও পুস্তকে সবিশেষ বিবরণ প্রদান সঙ্গত নহে।” মোটকথা, বাউল বিশ্বাস করেন—ঐ ঐকান্তিক প্রেম যখন পরিপক্ক হয়, তখন আর স্ত্রী-পুরুষে ভেদাভেদ থাকে না—আত্মবিস্মৃত যুগল সাধকসাধিকা বাহ্যজ্ঞানশূন্য হয়ে শ্রীরাধাকৃষ্ণের পবিত্রলীলায়; বিলীন হয়ে যান :

    ‘তখন আপনি পুরুষ কি প্রকৃতি
    নাইকো জ্ঞান কিছুই স্থিতি
    অকৈতব ঠিক যেন ক্ষিতি—বাক্য নাই।।”

    আউলেচাদের প্রত্যক্ষ শিষ্য ‘প্রথম কর্তা-মশাই’ এই পথেই সাধনমার্গে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তারপর তাঁর সাধনসঙ্গিনীর দেহান্তে তাঁর এক বিচিত্র উপলব্ধি হল। তাঁর মনে হল—‘বাউল’-তত্ত্ব অত্যন্ত জটিল। রাধাতত্ত্বের সঙ্গে পরকীয়া-তত্ত্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাউল যদি তার একমাত্র ঐ সাধনসঙ্গিনীর দেহমন্দিরে ‘রাধা’কে খোঁজে, তবে সে পরকীয়া-তত্ত্বকে অস্বীকার করতে বাধ্য হয়। একমুখী সেই প্রেমের সঙ্গে গৃহস্থ-মানুষের স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কের কী প্রভেদ? দ্বিতীয়ত ঐ ‘চারিচন্দ্রভেদ’ ক্রিয়াটিকেও তিনি তত্ত্বগতভাবে স্বীকার করতে পারছিলেন না। তাঁর প্রতীতি হল—এই বিশ্বপ্রপঞ্চে তো একমুখী প্রেম স্বীকৃত নয়। পশুপক্ষী, সরীসৃপ, মৎস্য, কীটপতঙ্গ তো প্রকৃতি-পুরুষের লীলাখেলায় এই প্রাণহীন পৃথিবীকে অনায়াসে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাদের কাছে তো স্বকীয়-পরকীয়ার প্রভেদ নেই। এই ধারণাটা শুধুমাত্র মানুষের—সামাজিক বিধানে এই বাধা। এ বাধা উত্তরণই পুরুষার্থ!

    তিনি নতুন বিধান দিলেন। সহজ সমাধান—‘সহজী’ পন্থা।

    বরাতিদের অর্থাৎ শিষ্য-শিষ্যাদের প্রেম একমুখীন হতে পারবে না। সবাই কৃষ্ণ, সবাই রাধা।

    বললেন, গুরু দুই প্রকার—দীক্ষা গুরু ও শিক্ষা গুরু। বিপত্নীক দলনেতা হলেন স্বয়ং দীক্ষাগুরু। তিনি শিষ্য শিষ্যাদের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন—বুঝিয়ে দেন সাধনমার্গের আচরণবিধি। কিন্তু নিজে তিনি ইন্দ্রিয় সংযমে অভ্যস্ত। প্রকৃতি সাধনে বিরত। কিন্তু প্রতিটি শিষ্য-শিষ্যার একাধিক শিক্ষাগুরু—এক এক রাত্রে এক এক জন। পর্যায়ক্রমে। দলভুক্ত প্রতিটি পুরুষের ভিতর সেই পরমপুরুষ শ্রীকৃষ্ণের সন্ধান করবে শিষ্যারা; যেমন প্রতিটি বরাতি প্রতিটি দলভুক্তা প্রকৃতির তনু-মন্দিরে খুঁজবে শ্রীরাধিকাকে। মন্ত্র হল :

    “গুরু করব শত শত মন্ত্র করবো সার।
    যার সঙ্গে মন মিলবে দায় দিব তার।।”

    শিষ্য-শিষ্যা জোটাতে অসুবিধা হল না। অন্যান্য সম্প্রদায়ের পুরুষ কিসের টানে এসে জুটল তা অনুমান করা শক্ত নয়। পুরুষ স্বভাবতই বৈচিত্র্যসন্ধানী—‘নাল্পে সুখমস্তি’ মন্ত্রটা জানুক না জানুক, তারা গুটিগুটি এসে জুটল। শিষ্যারা এল নানান ঘাট থেকে—অধিকাংশই সমাজত্যক্তা। উপায়ান্তরবিহীন! পতিতালয়ের চেয়ে এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আশ্রয়লাভই বাঞ্ছনীয় মনে করল তারা।

    দ্বিতীয় কর্তা-মশাইও এসে যোগদান করেছিলেন প্রথম যৌবনে।

    দীর্ঘদিন সহজী-পন্থায় সাধনভজন করে পৃথক আখড়ায় এখন গদিয়াল হয়েছেন। ‘কর্তা-মশাই’ পদলাভ করেছেন প্রৌঢ়ত্বের সীমান্তে। অসুবিধা হয়নি কিছু। যৌবন তখন অস্তমিত। প্রথম সমস্যা দেখা দিল বছর-পাঁচেক আগে। মনে সংশয় জাগল—পথটা কি ঠিক? এ সন্দেহ জাগল একটি সদ্য আগত দম্পতিকে কেন্দ্র করে। তারা স্বামীস্ত্রী—যুগলে এসে যোগদান করল সম্প্রদায়ে, বিচিত্র হেতুতে : শীতলচন্দ্র আর রুক্মিণী

    শীতলচন্দ্র সম্পন্ন গৃহস্থের সন্তান। ব্রাহ্মণ, কিন্তু সব ছেড়ে ছুড়ে সংসার ত্যাগ করে স্ত্রীর হাত ধরে পথে বার হয়েছিল। এ-ঘাট সে-ঘাট সেরে এসে পৌঁছালো ওঁদের আখড়ায়।

    শীতলের বিবাহ হয়েছিল তের বছর বয়সে, ভিনগাঁয়ের এক নোলক-দোলানো নবমবর্ষীয়ার সঙ্গে। প্রচলিত প্রথা অনুসারে গৌরীদানের পর রুক্মিণীর পিতৃদেব তাকে স্বগৃহেই মানুষ করেছিলেন। কন্যা বয়ঃপ্রাপ্তা হলে বৈবাহিককে সংবাদ পাঠালেন—এবার দ্বিরাগমনের আয়োজন করতে। বিবাহের অব্যবহিত পরে যদি দ্বিরাগমন হয়, তাহলে দিনক্ষণ দেখতে হয় না। অন্যথায় বৈশাখ, অগ্রহায়ণ অথবা ফাল্গুন মাসে—রবি, চন্দ্র ও বৃহস্পতি শুদ্ধ থাকলে—যাত্রোক্ত শুভলগ্নে দ্বিরাগমন প্রশস্ত। শীতলের পিতৃদেব দিনক্ষণ বিচার করে পুত্রকে পাঠিয়ে দিলেন শ্বশুরালয়ে। প্রত্যাগমন দিবসের এক সপ্তাহ পূর্বেই। অনুরোধটা সেই জাতেরই ছিল বৈবাহিক মহাশয়ের—নতুন জামাইকে কিছু আদর-আপ্যায়ন করতে চায় পুরললনার দল। শীতল তখন বিংশতিবর্ষীয় তরুণ, রুক্মিণীর যৌবনভারনম্র দেহে ষোলকলা পুরেছে। মাত্র সাতটি দিবসরজনীর সাধনা—কিন্তু তার ভিতরেই শীতলচন্দ্র তার সহধর্মিণীর মধ্যে উদ্ধার করল : শ্রীরাধাকে।

    শীতলের পূজ্যপাদ পিতৃদেবের জ্যোতিষগণনায় বোধকরি কিছু ভ্রান্তি হয়ে থাকবে। দ্বিরাগমন নির্বিঘ্নে হল না। প্রত্যাবর্তনের পথে নববধূর পাল্কি রুখল একদল ডাকাত। বাধা দিতে গিয়ে শীতল মারাত্মকভাবে আহত হল। সালঙ্কারা ষোড়শী অপহৃতা হল ডাকাতের হাতে। সে আমলে জমিদারের হাতি বুড়ো হয়নি, তার গলায় ঢন্নঢনিয়ে ঘণ্টা বাজতো না—কিন্তু ঢাকিরা তখনো খালে-বিলে ঢাক বাজাতো! এ ঢাকের বাদ্যি যে সৃষ্টির প্রথম প্রভাত থেকে শেষ প্ৰলয় তক্। মারাত্মকভাবে আহত শীতলচন্দ্র তার সহধর্মিণীকে অবশ্য খুঁজে পেয়েছিল বনমধ্যে। না, তাকে খুঁজতে হয়নি, খুঁজে পেয়েছিল মেয়েটিই। নববধূর যাবতীয় স্বর্ণালঙ্কার অপহরণ করে নিয়ে গেছে ডাকাতদল। তার সঙ্গে আরও কিছু। শাঁখা-সর্বস্ব একবস্ত্রা ধর্ষিতাকে অরণ্যেই অচৈতন্য অবস্থায় ফেলে রেখে গেছে। জ্ঞান ফিরে আসার পর টলতে টলতে সে ফিরে আসে দুর্ঘটনার স্থলে। শীতল তখনো অচৈতন্য। তার মাথা ফেটে গেছে। রক্ত ঝরছে। রক্তক্ষরণ অবশ্য ঐ হতভাগিনীরও হচ্ছে তখনো—মাথা থেকে নয়, ঊর্ধ্বাঙ্গ থেকেই নয়। তবু পার্বত্য ঝরনায় শাড়ির আঁচল ভিজিয়ে সে বারে বারে মুছিয়ে দিল স্বামীর ক্ষতস্থানটা। ক্রমে তারও জ্ঞান হল।

    হতভাগ্য দম্পতি পদব্রজে ফিরে এল তাদের ভিটেতে, বহু কষ্টে।

    তখনই শুনল মর্মান্তিক দুঃসংবাদটা! নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ ঐ অপবিত্রা পুত্রবধূকে ঠাঁই দিতে পারবেন না তাঁর ভদ্রাসনে। বাপের বাড়িতেও মেয়েটিকে রেখে আসার পথ নাই। রুক্মিণীর একটি অনূঢ়া অনুজা আছে। নিগৃহীতা আত্মজাকে আশ্রয় দিলে ব্রাহ্মণকে অনিবার্যভাবে জাতিচ্যুত হতে হবে।

    হতভাগিনীর সামনে তখন তিনটি খোলা পথ: পতিতালয়, ধর্মান্তরগ্রহণ অথবা আত্মহত্যা।

    শীতলচন্দ্র দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নিল : চতুৰ্থপথ!

    স্ত্রীর হাত ধরে পথে নামল সে।

    অনেক ঘাটে জল খেয়ে শেষ-মেশ কর্তামশায়ের স্নেহচ্ছায়ায় আশ্রয় পেল। তখন তাদের অবস্থা ভারতচন্দ্র বর্ণিত শিব-অন্নপূর্ণার মতো। সহজী-মতের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় মন দেবার অবকাশ নাই। বর্ষাকাল—সবার আগে চাই মাথার উপর একটা আচ্ছাদন, দু-বেলা দু-মুঠো অন্ন!

    সমস্যা দেখা দিল। অন্য জাতের। অচিরেই কর্তামশাই অনুভব করলেন—‘সহজীতত্ত্ব’ ওরা মনেপ্রাণে গ্রহণ করেনি, করতে পারছে না। বিচক্ষণ লোক, আন্দাজ করলেন, সমাধান নিজে থেকেই হয়ে যাবে। পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া জীবমাত্রের ধর্ম। মানিয়ে নিয়েছিল বলে মনেও হল। তারপর সন্দেহ জাগল। নানান সূত্রে। বুঝলেন—ওদের একমুখী প্রেম বহুধা হয়নি, হচ্ছে না। না শীতল, না রুক্মিণী। তার চেয়েও অবাক করা খবর—আখড়ার আর সব বরাতি ওদের ঐ অদ্ভুত তত্ত্বটাই মেনে নিয়েছে। নিতান্ত গোপনে। পর্যায়ক্রমে শীতল যাকে নিয়ে শয়ন করে সে যেন তার ভগিনী; রুক্মিণী যার কক্ষে রাত্রিবাস করে সে যেন তার অগ্রজ! আশ্রমিকেরা আপত্তি করে না! ঐ ধর্ষিতা মেয়েটির করুণ কাহিনী শুনে তারা, কী-জানি-কেমন করেওদের তত্ত্বটাই মেনে নিয়েছে! রুক্মিণী ‘রাধিকা’ নয়, ওদের বৌ-ঠাকরুণ!

    এ কী অনাচার! আখড়ায় পাপ প্রবেশ করেছে! বিশ্বজনীন কৃষ্ণরাধা তত্ত্ব ওরা মানছে না—ঐ ওদের দুজনের ক্ষেত্রে। কর্তা-মশাই ভয় পেলেন! প্রকাশ্যে প্রশ্নটা পেশ করতে সাহস পেলেন না। যদি ওরাও প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসে! আশঙ্কাটা অমূলক কিনা সেটা সবার আগে যাচাই হওয়া দরকার।

    আশ্রমে কর্তামশায়ের জন্যে আছে একটি নির্দিষ্ট পর্ণকুটীর, বাদবাকি সকলের জন্য একট প্রকাণ্ড দোচালায় ছোট ছোট খুপরি। যে গৃহটির দেওয়াল নাই।

    বাঁশখুঁটির উপর দো-চালা আর গবাক্ষের নিম্নতল পর্যন্ত বুকা-মুলি ততা বাঁশের বরফি-জাফরি। জানলার বালাই নেই। যেহেতু দাম্পত্যজীবনের গোপনতা নিষ্প্রয়োজন তাই গৃহনির্মাণে এই ব্যয়সঙ্কোচ। নৈশ-আহারান্তে বরাতিরা যখন সাধনসঙ্গিনীদের হাত ধরে জোড়ায়-জোড়ায় নিজ নিজ কক্ষে চলে যায় তখন বিনিদ্রনয়নে জেগে বসে থাকেন কর্তামশাই। তাঁকে দেখতে হবে, জানতে হবে—আখড়ায় অনাচার প্রবেশ করেছে কিনা। গুরুর নির্দেশ—প্রকৃতি-পুরুষের অনাবিল সাধনা অব্যাহত আছে কিনা। কৃষ্ণপক্ষের ঘনান্ধকারে ধ্বনিনির্ভর সিদ্ধান্ত ভ্রান্ত হতে পারে, কিন্তু শুক্লপক্ষে কিছুই গোপন থাকে না।

    ঘরে ঘরে সাধনরত প্রেমিকযুগল প্রকৃতি-পুরুষের সেই আদিম সংস্কারে কৈবল্যানন্দ লাভের জন্য উদ্‌গ্রীব আর বৃদ্ধ নিঃশব্দ পদসঞ্চারে সারারাত ঘুরে মরেন অতৃপ্ত প্রেতের মানসিকতায় বক্ষপদ সরীসৃপের ভঙ্গিতে। কোন কক্ষে কীজাতের ক্রিয়াকলাপ হচ্ছে! শুক্লপক্ষের চন্দ্রকলা যেমন ক্রমশ পূর্ণতার পথে অভিসারী, ওঁর প্রত্যক্ষজ্ঞানও তেমনি তিল তিল করে পরিণত হতে চলেছে। ক্রমে দৃঢ় প্রতীতি জন্মালো—তাঁর আশঙ্কা অমূলক নয়। রুক্মিণীকে একরাতে দেখতে পেলেন না আশ্রমিক কোন বরাতির বাহুবন্ধে পরম তৃপ্তিতে নিদ্রা দিতে। তেমনি আশ্রমের অন্য কোন নারীকেও বারেকের তরে দেখতে পেলেন না শীতলচন্দ্রের বক্ষলীনারূপে! এ কী অনাচার! এ কী পাপ!

    তারপর এক রাত্রি। সেটা পূর্ণিমার কাছাকাছি। ফিনকি দিয়ে কাকজোৎস্না ফুটেছে। বৃদ্ধ জানতেন পালাবদলের পালায় পর্যায়ক্রমে সে রাত্রে শীতলচন্দ্র আর রুক্মিণী একই সাধন কক্ষে। রাত্রি তৃতীয় প্রহর। চরাচর নিস্তব্ধ। নিঃশব্দসঞ্চারী উরগের মতো চার হাতে-পায়ে এগিয়ে এলেন সেই নির্দিষ্ট কক্ষটির নিকটে। অতি সন্তর্পণে কক্ষমধ্যে দৃপাত করেই বৃদ্ধ যেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়েন। হ্যাঁ, সাধনতত্ত্বের গৌরীশৃঙ্গে উন্নীত হয়েছে, ওরা—”তখন আপনি পুরুষ কি প্রকৃতি/নাইকো জ্ঞান কিছুই স্থিতি—

    ওরা বাহ্যজ্ঞানলুপ্ত। কিন্তু তিনি? যা জানবার তা তো জেনেছেন, তাহলে চোখ ফিরিয়ে নিতে পারছেন না কেন? সরে যেতে পারছেন না কেন অন্তরালে? প্রচণ্ড আত্মধিক্কারে মনটা বিষিয়ে গেল! কোনক্রমে টলতে টলতে ফিরে এলেন নিজের কক্ষে। আত্মদর্শন হল যেন! এই যে পক্ষকাল ধরে একটি বৃদ্ধ অতৃপ্ত প্রেতের মতো ঘরে ঘরে উকি দিয়ে ফিরেছে সে কি সত্যই আশ্রমের হিতার্থে সরেজমিন তদন্ত করছিল? নাকি সেই হতভাগ্য ছিল যৌবনোত্তীর্ণ এক সঙ্গিনীহীন দর্শনকামী? তত্ত্বদর্শন নয়, চর্মচক্ষুর দর্শন! না হলে কেন স্বেদবিন্দু ফুটে উঠেছে তাঁর ললাটে, দ্রুততর হয়েছে নাড়ির গতি, উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সর্বদেহ।

    ছি—ছি—ছি! এ কী দেখলেন! তার চেয়েও বড় কথা—দর্শনজনিত এ কী অসংযমী অধঃপতন!

    শীতল আর রুক্মিণীকে পরদিন বিতাড়ন করলেন আশ্রম থেকে। নিজে চান্দ্রায়ণ ব্ৰতে প্রায়শ্চিত্ত করলেন একমাস কাল।

    .

    রূপেন্দ্র বলেন, তাহলে আপনার সমস্যা তো মিটেই গেছে। নিজেও প্রায়শ্চিত্ত করেছেন, অপরাধীরাও বিতাড়িত হয়েছে।

    চক্ষুমার্জনা করে কর্তা-মশাই বললেন, না, ধন্বন্তরি-মশাই। সমস্যা মেটেনি। আবার নতুন জাতের সমস্যা দেখা দিয়েছে। সে বিষয়েই আপনার পরামর্শ নিতে চাই। কিন্তু তার পূর্বে আমাকে বলুন—আমাদের এই সহজিয়া সাধনমার্গের মূলেই কি কোনও ভ্রান্তি আছে? বারে বারে কেন এ জাতীয় প্রত্যবায় হচ্ছে?

    রূপেন্দ্রনাথ মেদিনীবদ্ধ দৃষ্টিতে অনেকক্ষণ চিন্তা করলেন। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। যারা ভিক্ষায় গিয়েছিল তারা এখনো প্রত্যাবর্তন করেনি। বরাতিরা দূরে দূরে নিজ-নিজ কাজে ব্যস্ত। কুসুমমঞ্জরী আর রাধা রন্ধনকার্যে ব্যাপৃতা। ওঁর মনে হয়—ঐ সরল জিজ্ঞাসুকে প্রত্যাখ্যান করা অন্যায় হবে। বললেন, কর্তা-মশাই, আপনার জ্ঞান গুরুমুখীবিদ্যায়। আমার গ্রন্থমুখী শিক্ষায়। বাউল-তত্ত্ব নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে চর্চা করার সুযোগ কখনো হয়নি। তবু নানান গ্রন্থপাঠে যেটুকু জেনেছি, বুঝেছি, তা আপনাকে জানাতে পারি একটি শর্তে—যদি আপনি আমার এই বিশ্লেষণটিকে কোন সিদ্ধপুরুষের আপ্তবাক্য বলে গ্রহণ না করেন। আমি সত্যই তা নই, তবে এক ক্ষণজন্মা মহাপুরুষের চরণতলে শিক্ষালাভের সুযোগ আমার হয়েছে। তাই আমার এ-বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত তা শুধুমাত্র আমার বিবেক-নির্দেশিত। আপনি বিচার করে নিজ সিদ্ধান্তে আসবেন।

    —বেশ, তাই বলুন। প্রথমে আমাকে বলুন ঐ রাধাতত্ত্বের কথা,

    –প্রথমেই বলে রাখি, ‘রাধাতত্ত্ব’টি আমার মতে : অর্বাচীন।

    –অর্বাচীন-শিহরিত হয়ে ওঠেন!—কী বলছেন আপনি! রাধাতত্ত্ব!

    —না–না—না! সে অর্থে বলিনি। ‘অর্বাচীন’ বা ‘অধোগত’ বলিনি আমি। অবার্চ শব্দের ঈন ভাবার্থে ‘অর্বাচীন’ বলেছি।

    কর্তা-মশাই করজোড়ে বললেন, আমি সংস্কৃত জানি না, ধন্বন্তরি-মশাই!

    —মানে, অপ্রবীণ, আধুনিক, নবীন। কোন প্রাচীন শাস্ত্রে শ্রীরাধিকার উল্লেখ নাই। শ্রীকৃষ্ণের প্রামাণ্য জীবনী গ্রন্থ হচ্ছে শ্রীমদ্ভাগবত—সেখানে কৃষ্ণপ্রেমিকা এক সখীর উল্লেখ আছে বটে, ‘রাধা’ নাম নাই। ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ, দেবী ভাগবত, পদ্মপুরাণ এবং নারদপঞ্চরাত্রে ‘রাধার’ উল্লেখ আছে। শ্রীকৃষ্ণের বামপার্শ্বে ষোড়শী নবযৌবনসম্পন্না শ্রীরাধিকা ঐ সব পুঁথিতে বিষ্ণুবল্লভা, শ্ৰী বা লক্ষ্মীদেবীর গুণ ও লক্ষণযুক্তা। তিনি বৃষভানুর কন্যা নন, আয়ান ঘোষের পত্নী নন। শ্রীকৃষ্ণের মাতুলানী নন। এই পরকীয়া পরিকল্পনাটি আদিতে কে করেছিলেন বলা যায় না, তবে জয়দেবের ‘গীতগোবিন্দে’ প্রথম রাধাকৃষ্ণ প্রণয়লীলার পূর্ণাঙ্গ রূপটি বিকশিত হল। বসন্তরাস, মান, অভিসার, বাসকসজ্জা, বিরহ, মিলন প্রভৃতি দ্বাদশসর্গে এবং বাইশটি গীতে তাঁর রাধাকৃষ্ণ লীলা বর্ণিত। এই গীতগুলি প্রাকৃত শব্দের মিশ্রণে সংস্কৃতে রচিত। তারপর আবির্ভূত হলেন নানান পদকর্তা। খাঁটি বাঙলায় প্রথম পুঁথি বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন’। শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পর রাধাকৃষ্ণ-লীলার দৃষ্টিকোণ কিছু বদলে গেল। ‘দেহজ-মিলন স্থলে ‘ভাব-মিলন’। কিন্তু ‘রাধাতত্ত্বের কথা থাক। যে নামেই ডাকুন, আপনাদের,তথা বাউলদের সাধনতত্ত্বের গভীরে বাস্তবে আছে ‘প্রকৃতি-পুরুষ’ তত্ত্ব। এটি আদৌ ‘অর্বাচীন’ নয়। প্রাগার্য সভ্যতাতেও পুরুষ ও স্ত্রী জাতির লিঙ্গপূজার আয়োজন ছিল। চীনখণ্ডেও অনুরূপ ‘য়াঙ-য়িং’ তত্ত্ব অতি পুরাতন। আপনারা সহজী-পন্থার মূলে যে অভ্যুপগমটি গ্রহণ করেছেন, সেখানে কিছু সন্দেহের অবকাশ আছে। আপনার গুরুদেবের মতে প্রকৃতিতে একমুখী প্রেম অস্বীকৃত। পশুপক্ষী, বক্ষপদ, মৎস্য এবং কীটপতঙ্গরা সে বিধান মানে না, এ বাধা মানব সমাজের। প্রথম কথা—তথ্যটা নির্ভুল নয়। অনেক পশু ও পক্ষী আজীবন একমুখীপ্রেমে আবদ্ধ থাকে। তবে স্বীকার্য, তারা সংখ্যায় অল্প। দ্বিতীয়ত মনুষ্যসৃষ্ট ব্যবস্থাপনা মাত্রেই দূষণীয় এ যুক্তি গ্রাহ্য নয়। ইন্দ্রিয়-সংযম, উপচিকীর্ষা, তিতিক্ষা এগুলিও তো মনুষ্যসমাজ সৃষ্ট। ঐ যে দুজন ওখানে অন্নপাক করছে আমাদের নৈশাহারের ব্যবস্থাপনায়, এই যে কর্মবিভাগ, পারস্পরিক সাহায্য এও তো সামাজিক বিধানে। কই এ-সব তো ত্যাগ করছি না। তৃতীয় কথা : মানবসভ্যতা বিবাহপ্রথা গ্রহণ করার পর প্রেমের একমুখীন স্বরূপটা সৃষ্ট হয়েছে—সে আজ কয়েক সহস্র বর্ষের অভিজ্ঞতা। অত সহজে কি তাকে ত্যাগ করা যায়? যায় কি যায় না সেটা পরের কথা—তার পূর্বে বিচার্য : সেটা কি বাঞ্ছনীয়? শীতলচন্দ্র আর রুক্মিণী তাদের সংস্কার পরিত্যাগ করতে পারেনি, তাই আপনাদের মতে তারা ব্রাত্য। কিন্তু আমার মতে তারা আদৌ ‘ব্রাত্য’ নয়, তারা এ আখড়ার প্রচুর প্রলোভনকে জয় করে তাদের একমুখী প্রেমকে রক্ষা করতে পেরেছিল—তারা তাদের সাধনায় উত্তীর্ণ, সার্থক। তাদের সফলতা আরও উজ্জ্বল এ-কারণে যে, তারা এ আশ্রমের অন্যান্য আবাসিকদের পর্যন্ত নিজ ধর্মমতে গোপনে দীক্ষা দিতে পেরেছিল। তারাও ইন্দ্রিয়-সংযম করে ওদের একমুখী প্রেমকে সম্মান জানিয়েছে।

    কর্তা-মশাই এতক্ষণ নীরবে শুনে যাচ্ছিলেন। তাঁর প্রতিক্রিয়া কী হল তা বোঝা গেল না। আখড়ায় নতুন জাতের কী সমস্যা হয়েছে সেটাও বলার সুযোগ হল না। এই সময়ে অন্যান বরাতিরা সবাই ফিরে এল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }