Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তীর্থের পথে – ১৩

    ১৩

    কর্তামশায়ের সব সংশয় ঘুচে গেছে। দামোদরের অকাল বন্যা আর ‘নলগিরিদমনের’ উপাখ্যানটি ধন্বন্তরি মেনে নেননি, বারে বারে প্রতিবাদ করে বলেছেন—এসব গালগল্প; কিন্তু হরিপালের ঘটনাটি যে ওঁর প্রত্যক্ষজ্ঞানে লব্ধ। কুসুমমঞ্জরী আর রাধারানীকে নানানভাবে জেরা করে সম্পূর্ণ তথ্যটি তিনি সংগ্রহ করেছেন। বুঝতে পেরেছেন—সেই পুরোহিত কী উদ্দেশ্যে নবদম্পতির ললাটে রক্ততিলক এঁকে দিয়েছিলেন, কাংস্যবাদক বালকটি কেন কুসুমের আঁচল ধরে টেনেছিল, আর সেই বৃদ্ধ ঘোষালমশাই হঠাৎ কেন পিছিয়ে গেছিলেন পুরোহিতের ধমক শুনে : “শুনছেন না, উনি “ মায়ের আহ্বান শুনে এসেছেন!

    সিদ্ধপুরুষ না হলে, শাপভ্রষ্ট দেবতা না হলে, রূপেন্দ্রনাথ যখন প্রণিধান করলেন যে, শ্মশানকালী শবাসন ত্যাগ করে শ্মশানে নেচে বেড়াচ্ছেন তখনই তাঁর সংজ্ঞা হারিয়ে লুটিয়ে পড়ার কথা। পরদিন প্রভাতে মায়ের ওষ্ঠপ্রান্তে তাহলে দেখা যেত কুসুমমঞ্জরীর অঞ্চলপ্রান্তে অনুবিদ্ধ কুঞ্চিকাটি! কিন্তু রূপেন্দ্রনাথ সংজ্ঞাহীন তো হলেনই না, উল্টে ডাকাতে-কালীকে ভর্ৎসনা করে শুনিয়ে দিলেন আদ্যাশক্তির প্রকৃত স্বরূপ কীরকম হওয়া উচিত। ভর্ৎসিতা শ্মশানকালী ভক্তের তিরস্কারে সলজ্জে ফিরে এসে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর নির্দিষ্ট শবাসনে—হ্যাঁ, সলজ্জে জিহ্বা দংশন করে।

    ভেষগাচার্য—সন্দেহাতীতরূপে সিদ্ধ-পুরুষ।

    তাই সুযোগ মতো তাঁর কাছে পেশ করেছেন তাঁর বর্তমান সমস্যাটি। ঐ সিদ্ধপুরুষের সমাধানটিই তিনি নির্বিচারে মেনে নেবেন।

    শীতল-রুক্মিণী বিতাড়নের পর কয়েক বৎসর আখড়ায় দিন নির্বিঘ্নে কেটে যাচ্ছিল। গুরুবাক্য মেনে আশ্রমিকেরা দিনে উপাসনা, নামগান, ভিক্ষা করে; রাতে শাস্ত্রোক্ত বিধি-নির্দেশে কৈবল্যানন্দের সন্ধান করে। চান্দ্রায়ণ-ব্রত উদ্যাপনের পর বৃদ্ধও ফিরে পেয়েছিলেন মানসিক শান্তি। শীতলদম্পতির কী হল, তারা কোথায় আশ্রয় পেল, সে-সব খবর পাননি। রাসের সময় আখড়ায় নানান যাত্রীসমাগম হয়। ঐ একটি দিন সর্বসাধারণের জন্য আখড়া উন্মুক্তদ্বার। রাসলীলায় নানান উৎসব। কাঞ্চনমূল্যে খিচুড়িভোগ সেবা করতে পারে বহিরাগতরা। রাত্রি সমাগমে তারা ফিরে যায় নাম-গান শুনে। কিছু বিত্তশালী ভক্ত বিশেষ অনুমতিতে—সেটিও কাঞ্চনমূল্যে কিনা জানা যায় না—রাত্রিবাসের অনুমতি লাভ করেন। এসকল তথ্য শীতল-রুক্মিণীর যে না-জানা তাও নয়, তবু তারা রাসোৎসবে কোনবার ফিরে আসেনি। আশ্রমিকেরাও, অন্তত কর্তামশায়ের সামনে তাদের নামোচ্চারণ করেনি।

    নতুন করে মুশকিল হল আড়ায় রাধারানী যোগদান করার পরে

    তাকে সাদরেই গ্রহণ করেছিলেন কর্তামশাই। এ তো রীতিমতো সৌভাগ্য। রাধারানী প্রাক্তন রাইরানী। যৌবনবতী—রীতিমতো সুন্দরী। বরাতিরাও উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিল। শুনেছিলেন মেয়েটির করুণ কাহিনী—যেটুকু সে বিবৃত করেছে, শুধু সেইটুকুই। বিস্তারিত জানেন না। সে প্রশ্নে এককথায় ছেদ টেনে দিয়েছিল রাধা : আমি ঐ বিধ্বস্ত রূপনগরের প্রাক্তন রাইরানী। এক বৎসর মোহন্ত মহারাজের সেবা করেছি, পরে বহু-পরিচর্যাও করতে হয়েছে। এর বেশি আর কিছু বলার নেই আমার। যদি আশ্রয় না দিতে পারেন খোলাখুলি বলে দিন।

    কর্তামশাই আশ্রয় দিয়েছিলেন।

    তারপর এই কয়মাসে তিনি তিল তিল করে প্রণিধান করেছেন, কাজটা ভাল হয়নি। কেন, কী বৃত্তান্ত—তা ঠিক জানেন না। বুঝতে পারছেন না। এ যেন এক ষষ্ঠ-ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি। শুধু ঐ মেয়েটি একাই নয়, আশ্রমিক বরাতি এবং তাদের সঙ্গিনীরাও গোপনে আশ্রমিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করছে বলে আশঙ্কা হয়। পূর্ববার হেতুটা আন্দাজ করতে পেরেছিলেন—শীতল-রুক্মিণী ছিল স্বামী-স্ত্রী; তারা সংস্কারমুক্ত হতে পারেনি। যে কোন হেতুতেই হোক, আশ্রমিকেরা গোপনে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছিল। কিন্তু এবার রাধা তো একাকিনী। আশ্রমিকদের মধ্যে কোন একটি বিশেষ পুরুষের প্রতি কি সে আসক্তা? ঐ কমলকুমার? তাহলে সেটা আর সবাই কেন মেনে নেবে?

    কেন তাদের ঈর্ষা হবে না? এবার আর সরেজমিনে তদন্ত করার ভরসা পাননি। গতবারের তিক্ত অভিজ্ঞতাটা স্মরণে থাকায়। আদ্যোপান্ত সমস্যাটা তিনি জ্ঞাপন করলেন রূপেন্দ্রনাথকে। তাঁর উপদেশ চাইলেন।

    রূপেন্দ্র স্বতই বিব্রত বোধ করেন। বলেন, এ ক্ষেত্রে আমি কী করতে পারি? আমি বহিরাগত। দু-এক দিনের ভিতরেই আমাদের সম্পর্কের ছেদ হবে।

    কর্তামশাই ওঁর হাত দুটি ধরে বলেছিলেন, আপনি শুধু বহিরাগত নন, আপনি একজন শাপভ্রষ্ট সিদ্ধপুরুষ…

    রূপেন্দ্র প্রায় গর্জন করে ওঠেন, না! তা যে আমি নই, তা তো বারে বারেই বলছি।

    —তাই সই! স্বীকার করে নিচ্ছি। কিন্তু আপনি ভেষগাচার্য! আমাদের আশ্রম ব্যাধিগ্রস্ত। আপনি চিকিৎসাই করুন।

    রূপেন্দ্র বললেন, বেশ। আমি চেষ্টা করে দেখব।

    তাঁর মনে হল, যে কোন কারণেই হোক ঐ প্রগলভা মেয়েটি তাঁকে কিছু ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখছে। হয়তো যে-কথা সে কর্তা-মশাইকে বলেনি, সে-কথা তাঁকে জানাতে পারে। হয়তো তিনি তাঁর শিক্ষায়, তাঁর বিদ্যায় একটা সমাধানের নাগাল পাবেন, যা ঐ মেয়েটি নিজে খুঁজে পাচ্ছে না। হতে পারে—ঐ মেয়েটি কোনও মানসিক ব্যাধিতে ভুগছে, অথচ সে তা জানে না। ঠিক যেমন বর্ধমানে ঘটেছিল।

    কিন্তু এক্ষেত্রে একটি বিরাট অন্তরায়ও আছে। হরিপালের সেই রাত্রির শেষপ্রহরে রাধারানীর আচরণ এক বিশেষ ইঙ্গিতবাহী—সেটা যে শুধু তার চারিত্রিক প্রগলভতার প্রভাবে তা মনে হয়নি। তিনি নিজে অবিচলিত, একনিষ্ঠ আছেন, কিন্তু ও-পক্ষও কি তাই? রাধা বলেছিল, ‘কে-কোথায় দেখবে আর ভুল বুঝবে।’

    রাধা যদি অন্তরের কোন ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে থাকে, তাহলে তাঁর পক্ষে চিকিৎসা করতে যাওয়ার মধ্যে বিপদ আছে। অবিবাহিত হলে তিনি নিঃসঙ্কোচে এ দায়িত্ব নিতে পারতেন; কিন্তু মঞ্জু যদি ওঁকে ভুল বোঝে?

    বিবেকের নির্দেশে চলেন তিনি। স্থির করলেন, এ কাজের ভালমন্দ, আশঙ্কা ও লাভের কথাটা মঞ্জুর সঙ্গে প্রথমে খোলাখুলি আলোচনা করে নেবেন। তাতে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কাটা কমবে। কিন্তু নির্জনে মঞ্জুর সঙ্গে দুটো কথা বলার অবকাশই যে পাচ্ছেন না। বস্তুত সোঞাই গ্রাম থেকে রওনা হবার পর, বর্ধমানে উপনীত হবার পর তাঁর সঙ্গিনীটির ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য বারেকের তরেও পাননি। বর্ধমানে বাস করতে হয়েছিল পৃথক কক্ষে, এখানেও প্ৰায় তাই। শ্মশানকালীর মন্দির চাতালের সে বীভৎস রাত্রিটা তো হিসাবের বাইরে।

    সুযোগ হয়ে গেল অপ্রত্যাশিতভাবে। মঞ্জু ওঁকে বললে, আচ্ছা মাহেশ গ্রামটা এখান থেকে কাছাকাছি নয়?

    —হ্যাঁ, পাশের গ্রাম। কেন বল তো?

    কুসুমমঞ্জরী কারণটা জানায়। তার মনে আছে যে, তার এক পিসিমার বিবাহ হয়েছে ঐ মাহেশ গাঁয়ে। তাঁকে ও ডাকত ফুলপিসি। তাঁর স্বামীর নামটাও মনে আছে—ভবতারণ গঙ্গোপাধ্যায়। তবে সেটা হুগলী জেলার ‘মাহেশ’ গ্রাম কিনা, ঠিক জানে না।

    রূপেন্দ্র বললেন, খোঁজ করে দেখতে দোষ কী? এত কাছাকাছি যখন এসেই পড়েছি। সত্য হলে তুমি হয় তো অনেক খবর পাবে।

    দলটি যাত্রীশালায় তিন দিন থাকবে। স্থির করলেন, পরদিন ওঁরা দুজন মাহেশ গ্রামে গিয়ে গাঙ্গুলীমশায়ের তল্লাশ করবেন। যদি তাঁর দেখা না-ও পান তবু মাহেশ গ্রামটাতো দেখা হবে।

    কর্তা-মশাই বললেন, মাহেশ থেকে ঘুরে আসতে আপনাদের পাঁচ-ছয় দণ্ড লাগবে। অপরাহ্ণেই ফিরে আসতে পারবেন।

    রূপেন্দ্র বলেন, কিন্তু তাঁদের সাক্ষাৎ যদি পাই, আর তাঁরা যদি পীড়াপীড়ি করেন তাহলে হয়তো দু-এক রাত তাঁদের বাড়িতেই থেকে যাব। সুতরাং বিকালে আমরা ফিরে না এলে ব্যস্ত হবেন না।

    —কিন্তু মনে আছে তো, পশুর পরদিন আমরা ত্রিবেণীঘাটে চলে যাব?

    —আছে বৈকি। তার আগে আমি নিশ্চয় ফিরে আসব। সস্ত্রীক যদি নাও হয় তবে একাই। এরকমই স্থির হয়েছে। কর্তামশাই এরপর সদলবলে ত্রিবেণী চলে যাবেন। সেটাই তাঁদের যাত্রাপথের শেষ লক্ষ্য। অপরপক্ষে রূপেন্দ্রের ইচ্ছা ভাগীরথীর উভয় তীরে কিছু তীর্থদর্শন সেরে সস্ত্রীক যাবেন ত্রিবেণী। যদি সেখানে সাক্ষাৎ না হয় তাই দু-পক্ষই তাঁদের আদি-নিবাসের পাকা-ঠিকানা বিনিময় করে রেখেছেন। সহজিয়া পন্থীদের মূল ঘাঁটি কেন্দুবিশ্বের কাছাকাছি—কদমখণ্ডী-ঘাটের ক্রোশ-খানেক পশ্চিমে। কর্তামশাই ওঁকে বিশেষ করে নিমন্ত্রণ করে রেখেছেন রাসপূর্ণিমায় তাঁর আখড়ায় আসতে। তখনই বার্ষিক মহোৎসব।

    কর্তামশায়ের সঙ্গে কথাবার্তা সেরে পিছন ফিরতেই নজর হল অদূরে রাধারানী একা বসে প্রভাতী তিলকসেবা করছে। তার স্নান সারা। চুল শোকায়নি, তাই ধম্মিল্ল বাঁধা হয়নি এখনো। সমুখে ধাতব দর্পণ। ললাটে রসকলির আলিম্পন রচনায় ব্যস্ত। কথাবার্তা সবই শুনেছে। হঠাৎ ডাক দিল, এদিকে একটু আসবেন, গোঁসাইঠাকুর।

    রূপেন্দ্র সেদিকে এগিয়ে যান। রাধা একটি পশমের আসন এগিয়ে দিয়ে বলে, বসুন, জপতপ হয়েছে?

    —হয়েছে, কিন্তু আমি সমুখে বসে থাকলে তোমার প্রসাধনে ব্যাঘাত হবে না তো কিছু? রাধা মুচকি হেসে বলে, একে ‘প্রসাধন’ বলে না, গোঁসাই। এ হল ‘শৃঙ্গার’–’রস’-এর কথা কিছু জানা আছে? ‘দাস্য সখ্য বাৎসল্য শৃঙ্গার চারি রস/চারিভাবে ভক্ত যত কৃষ্ণ তার বশ!’

    রূপেন্দ্র বলেন, আমি বেরসিক—‘রস’-এর কথা কী জানি? আমি তো বুঝি : ‘পুং স্ত্রিয়াং স্ক্রিয়াঃ পুংসি সম্ভোগং প্রতি যা স্পৃহা/সা শৃঙ্গার ইতি খ্যাতো রতিক্রীড়াদিকারণম্।।’

    অপাঙ্গে দৃষ্টি হেনে রাধা জানতে চায়, তার মানেটা কী হল, ঠাকুর?

    —অমরকোষ বলছেন, ‘স্ত্রীলোকের প্রতি পুরুষের এবং পুরুষের প্রতি স্ত্রীলোকের সম্ভোগকামনায় যা কৃত্য, সেই রতিক্রীড়ার উদ্যোগপর্বের নাম শৃঙ্গার’। প্রসাধনও অবশ্য তাই। তবে প্রসাধন নিতান্তই জাগতিক ব্যাপার, ‘শৃঙ্গার’-এর সঙ্গে মিশে আছে কিছু আধ্যাত্মিক ব্যঞ্জনা—এই যা!

    রাধা কপট তাড়না করে, আপনাকে পণ্ডিত্যেমো করতে হবে না। মঞ্জু কোথায়? তাকে দেখছি না যে?

    —ঘাটে গেছে। স্নান করতে। আমরা দুজন একটু পরেই মাহেশে চলে যাব।

    —শুনেছি! তাহলে বস দিকি শান্ত হয়ে। এই নাও, খাও! এখনো গরম আছে। খুঞ্চিপোষের আবরণ সরিয়ে সে বাল্যভোগের প্রসাদপাত্রটি এগিয়ে দেয়। তাতে কিছু কাটা ফল, আখের গুড় আর দুখানি সেই অপূর্ব পিষ্টক : রাধাবল্লভী। রাধা জানায়, আর সকলের সেবা হয়েছে; শুধু ওদের তিনজনেরটা পৃথক রাখা ছিল।

    রূপেন্দ্র প্রসাদের পাত্রটা ললাটে স্পর্শ করিয়ে আহারে প্রবৃত্ত হলেন। বলেন, শুনেছি তোমাদের কানুনে পুরুষ ‘আপনি’ থেকে ‘তুমি’–র নৈকট্যে নেমে আসে রাতের বেলায়। আজ দেখছি এক শৃঙ্গাররতা সে কানুন দিনের বেলাতেও মানছেন না। হেতুটা কী? ঐ ‘তাহলে? .

    —‘তাহলে’! মানে?

    —একটু আগে তুমি বললে না : ‘তাহলে বস দিকি শান্ত হয়ে’–যখন আমি বললাম মঞ্জু স্নানে গেছে।

    রাধা মুখ টিপে হাসল। অপাঙ্গে আবার দেখে নিল। বললে, আখড়ার সে কানুনটা শুধু ভদ্দরলোকের জন্য। চোরকে আবার ‘আপনি’ বলে কে?

    —চোর! চোর আবার কোথায় পেলে তুমি?

    রাধা তার প্রসাধনী সরঞ্জাম সরিয়ে রেখে ঝোলার মধ্যে হাতড়াতে থাকে। বার করে আনে তার খঞ্জনী-জোড়া। কোথাও কিছু নেই ঠুনঠুন করে তান ধরে :

    “ললিতা কহয়ে শুনহ হরি।
    দেখে শুনে আর রহিতে নারি।।
    শুন শুন ওহে রসিকরাজ।
    এই কি তোমার উচিত কাজ?
    উচিত কহিতে কাহার ডর।
    কিবা সে আপন কিবা সে পর।।

    রূপেন্দ্রের আহার কার্য বন্ধ হয়েছে। ইতি-উতি তাকিয়ে দেখেন। শ্রুতিসীমার মধ্যে আছে অনেক বরাতি। তারা যে-যার তালে মগ্নচৈতন্য। বৈষ্ণবী খেয়াল-বেখেয়ালে খঞ্জনী বাজিয়ে তান ধরে; এতে ওরা অভ্যস্ত। অবাক হয় না। পদকর্তার বিশেষ পদ চয়ন করে যে মনের ভাব তির্যকরূপে প্রকাশ করা যায় তা ওদের ধারণার বাইরে। গান—গান! মোট কথা, কেউ ফিরেও চাইল না। রাধা দ্বিজ চণ্ডীদাসের জবানীতে এগিয়ে চলে :

    “শিশুকাল হইতে স্বভাব চুরি।
    সে কি পারে রহিতে ধৈর্য ধরি।।
    এক ঘরে যদি না পোষে তায়।
    ঘরে ঘরে ফিরে পায় কি না পায়।
    সোনা-লোহা-তামা পিতল কি বাছে?
    চোরের কি কখনো নিবৃত্তি আছে।।”

    সুললিত কণ্ঠ। দরদ দিয়ে গাইছে। রূপেন্দ্র মুগ্ধ, তবু তাঁর ষষ্ঠ-ইন্দ্রিয় সজাগ। বৈষ্ণবী তার মোহজাল বিস্তার করতে চাইছে। পরকীয়া-প্রেম ওদের রক্তে। মঞ্জুর অনুপস্থিতেই শৃঙ্গাররতার এই প্রগলভতা। দ্বিজ চণ্ডীদাসের ঐ বিশেষ পদটি চয়নের মধ্যে একটা তির্যক ইঙ্গিত প্ৰচ্ছন্ন। ওঁর ভিষ-সত্তাকে বারে বারে হুঁশিয়ারী জানাচ্ছে তাঁর সাবধানী মন। ঐ বিলোল কটাক্ষ, এই হঠাৎ ‘তুমি’ সম্বোধন, ঐ ‘এক ঘরে যদি না পোষে তায়’-এর প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত—সবই একটিমাত্র অর্থবহ। বৈষ্ণবী নিজে মজেছে, এখন ওঁকে মজাতে চাইছে। এ পদাবলীর আকৃতি নৈর্ব্যক্তিক নয়, ঈশ্বরমুখীও নয়। অন্তরের একটা সাবধানী অংশ ওঁকে বলছে—ঐ প্রগলভাকে নিবৃত্ত করতে, আর সত্যানুসন্ধানী ভিষগ-সত্তা বলছে—তাতে ইন্ধন জোগাতে। তাহলেই বোঝা যাবে ওর অন্তরের জটিলতাটা কী জাতীয়। কেন তাকে কর্তা-মশাই মনে করছেন মানসিক ব্যাধিগ্রস্তা। আত্মবিশ্বাসে সুদৃঢ় না হলে তিনি কিছুতেই পরবর্তী রসিকতাটা করতে পারতেন না, তুমি আমাকে একটা সাধারণ চোর ঠাওরালে, রাধারানী?

    —সাধারণ? না গোঁসাই। তুমি নিজেই ভাল জান : তুমি অসাধারণ! না হলে কি আমার দিন-রাত এমন একাকার হয়ে যেতে পারে? শোন, ঠাকুর—গান শোন :

    আবার ঠুনঠুন করে বেজে ওঠে ওর খঞ্জনী :

    “ঘর কৈনু বাহির
    বাহির কৈনু ঘর,
    পর কৈনু আপন
    আপন কৈনু পর।
    রাতি কৈনু দিবস
    দিবস কৈনু রাতি,
    বুঝিতে নারিনু সখি,
    তোমার পিরীতি।।”

    রূপেন্দ্র সিদ্ধান্তে এলেন। কর্তামশায়ের আশঙ্কা অমূলক—কমলকুমার নয়। ওর অন্তঃকরণ এতদিন ‘মনের মানুষ’ খুঁজে বেড়াচ্ছিল। সেও একমুখী প্রেমের কাঙাল—সর্বপুরুষে পরমপুরুষকে দেখতে পেত না এতদিন। আজ হয়তো পেয়েছে! পরশমণির সন্ধান!

    এখন কোন পথে অগ্রসর হবেন? যা জানার ছিল বোধকরি জেনেছেন। আরও অগ্রসর হওয়া বিপদজনক! যা প্রাণে-প্রাণে বলার মেয়েটি তা গানে-গানে বলেছে। কী বলবেন, কী করবেন স্থির করে উঠতে পারেন না। হঠাৎ রাধারানীর একটি কথায় আবার সংযম হারালেন। ওঁর দিকে ফিরে মেয়েটি হেসে বলেছিল, ভুল বুঝ না গোঁসাই ঠাকুর। আমি তোমার ঘর ভাঙতে চাইছি না। তবে এ গান না গেয়ে শান্তিও পাচ্ছিলাম না। হয়তো তুমি বুঝলে, নয় তো বুঝলে না—তা হোক, আমার বুকের পাষাণভারটা তো নেমে গেল। ঐ কথাটাতেই সান্ত্বনা খুঁজব, ‘বুঝ লোক, যে জান সন্ধান।”

    রূপেন্দ্র আত্মবিস্মৃত হয়ে ওর হাতখানি তুলে নিলেন নিজের মুঠোয়। অবাক হয়ে বলেন, কী বললে? ‘বুঝ লোক যে জান সন্ধান।’ এ উদ্ধৃতি তুমি কোথায় পেলে রাধা?

    —এঁর কথা তুমি জান না ঠাকুর। এ তোমার অমরকোষ নয়, এ কোন পদকর্তার লেখা গানও নয়। এ এক অখ্যাত আশ্চর্য কবির রচনা। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।

    —জানি, জানি! কিন্তু তুমি তাঁর ‘বিদ্যাসুন্দর’ কোথায় পেলে? ঐ পংক্তিটা তো মাত্র ছয় মাস পূর্বের রচনা।

    রাধা অবাক হয়। কিন্তু তার মন তখন অন্যদিকে। রূপেন্দ্রের মুঠিতে তখনো বন্দিনী হয়ে আছে তার করপল্লব। সে দিকে তাকিয়ে ফের গুনগুনিয়ে ওঠে। এবার খালি গলায় :

    “গায়ে দিয়ে হাত    মোর প্রাণনাথ
    অন্তরে বাঢ়ল সুখ।
    হাসিয়া কাঁদিয়া     আঁখি প্ৰকাশিয়া
    দেখিনু বঁধুর মুখ।।”

    রূপেন্দ্র সলজ্জে ওর হাতটা ছেড়ে দিয়ে বলেন, কই, বললে না? এ কাব্য কোথায় পড়েছ? দুজনের কেউই লক্ষ্য করেননি—অদূরে এসে দাঁড়িয়েছে কুসুমমঞ্জরী। পুকুরঘাট থেকে সিক্তবসনে ফিরে আসছিল সে। হয়তো নজর হত না। হল গানের কলি শুনে। তখনো রাধার হাতখানি রূপেন্দ্রের করায়ত্ত। সে নিজেই যেন লজ্জা পেল। সন্তর্পণে সরে গেল আড়ালে।

    রাধা বললে, ‘বিদ্যাসুন্দর’ আমি পড়িনি, গোঁসাই। কিছু বিক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি শুনেছি শুধু। তাঁর ‘অন্নদামঙ্গল’ পড়েছি। অসাধারণ সেই কবি। মর্মাহত হয়েছি তাঁর বিদ্যাসুন্দরের ক্লেদাক্ত পদে।

    ক্লেদাক্ত পদ। এই যে বললে, তুমি তা পড়নি।

    —সবটা নয়। কিছু কিছু দৈহিক মিলনের পদ মাত্র শুনেছি। ঘোরতর অশ্লীল।

    রূপেন্দ্র প্রায় ধমক দিয়ে ওঠেন, কবি কয়েক বছর ধরে একটি মহাকাব্য রচনা করেছেন, আর তুমি তার দু-একটি পংক্তি পড়ে বুঝে নিলে—তা অশ্লীল?

    রাধা বললে, ভাত সিদ্ধ হয়েছে কিনা বুঝে নিতে দু-চারটি তণ্ডুলকণা পরীক্ষা করাই যথেষ্ট।

    রূপেন্দ্র গর্জে ওঠেন, না, তা যথেষ্ট নয়। ‘রাঁধুনি’ সে ক্ষেত্রে নির্বিচারে কিছু তণ্ডুলকণা দর্বি সহযোগে উঠিয়ে নেয়। তোমাকে সুনির্বাচিত কদন্ন পরিবেশন করা হয়েছে—প্রস্তরচূর্ণ-মিশ্রিত অপক্ক তণ্ডুল। সম্পূর্ণ কাব্যের মূল্যায়ন ওভাবে করা যায় না।

    এবার ‘বঙ্কিম’-রচনা শৈলী আশ্রয় করে আমারই বলে উঠতে ইচ্ছে করছে :’ও রূপেন্দ্র! কী বলিলে! তাহা হইলে সেদিন ভারতচন্দ্রকে ও কথা বলিয়াছিলে কেন?’

    রাধা জানতে চায়, আমি তা ঘটনাচক্রে শুনেছি। ওরা ঐসব অশ্লীল পদ আমাকে পড়ে শোনাতো উত্তেজিত করতে। কিন্তু মাত্র ছয়-মাস পূর্বে রচিত পুঁথির অনুলিপি তুমি কোথায় পেলে?

    রূপেন্দ্র বললেন, অনুলিপি নয়, আমি পড়েছি মূল পুঁথি। কবির হস্তাক্ষরে। ভারত আমার বিশিষ্ট বন্ধু।

    এবার রাধারই সব কিছু ভুল হয়ে গেল। রূপেন্দ্রর হাতটি টেনে নিয়ে বললে, কবি তোমার বন্ধু? তিনি দেখতে কেমন? কত বয়স?

    রূপেন্দ্র কৌতুক করে বলেন, তোমার এই আকুলতা দেখে কবিকে আজ ঈর্ষা হচ্ছে।

    একথায় প্রগলভা মেয়েটির উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠার কথা। কিন্তু এবার আর কোন বাগ্‌বৈদগ্ধের লক্ষণ দেখা গেল না। কেমন যেন বেদনার্ত হয়ে ওঠে। বলে, অসাধারণ কবি ভারতচন্দ্র। হ্যাঁ, `কবি আমার প্রিয়জন, অথচ তাঁর কাব্যের কিছু বাছা বাছা অশ্লীল অংশই শুধু শুনেছি আমি! উপায় কী…

    রূপেন্দ্র বুঝতে পারেন। কারা ঐ অংশবিশেষ শুনিয়েছে রাধাকে—ঐ রূপনগরের ক্লেদাক্ত পরিবেশে। তাদের নমুনা তো স্বচক্ষেই দেখে এসেছেন বীরনগরে। পাষণ্ডটা কী যেন বলেছিল? এ-কাব্যের প্রচার হবে সারা গৌড়মণ্ডলে! তখন নাকি কুমোরভায়াকে মূর্তি গড়ার আগে বিশেষ পল্লীতে যেতে হবে না। ঘরে-ঘরেই তেমন মাটি পাওয়া যাবে।…..ইচ্ছা করছিল, মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের হাতখানা ধরে হিড়হিড় করে এখানে টেনে নিয়ে আসতেও বলতে, ঐ দেখুন মহারাজ! আপনার প্রিয় কবি কী-ভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন

    দুজনের কেউই লক্ষ্য করেন না—কুসুমমঞ্জরী অদূরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে। কাছে এগিয়ে আসবে কিনা মনস্থির করে উঠতে পারছে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }