Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তীর্থের পথে – ১৬

    ১৬

    পরদিন সকাল। রূপেন্দ্র আর গাঙ্গুলীমশাই অশ্বারোহণে এসেছেন ফরাসডাঙ্গায়। এখন হঠাৎ তোমরা রূপেন্দ্রকে দেখলে চিনতে পারতে না। তাঁর গায়ে কুর্তা, অকফলাশোভিত মুণ্ডিত-মস্তক নয়, মাথায় পাগড়ি। এটা তুলসী জোর করে পরিয়েছে ওঁকে। মুণ্ডিতমস্তক ব্রাহ্মণ যে অশ্বারোহী হয় না তা নয়, রূপেন্দ্র সেভাবেই গ্রাম-গ্রামান্তরে চিকিৎসা করতে যেতেন; কিন্তু তুলসী রাজী হয়নি। ফরাসডাঙ্গার ফেরঙ্গ-পরিবেশে সে বড় বেমানান। উপরোধে মানুষ ঢেঁকি পর্যন্ত গিলে থাকে আর এক্ষেত্রে সুন্দরী শ্যালিকার বিশেষ উপরোধ! নিজে হাতে ওঁর মাথায় পাগড়িটা বেঁধে দিয়েছে। মঞ্জরী সকৌতুকে লক্ষ্য করেছে। দুজনে অশ্বারোহণে যখন মাহেশ ত্যাগ করে গেলেন—ওরা দুই বোন পাকাবাড়ির ছাদ থেকে লুকিয়ে দেখেছে। মঞ্জুর নিশ্চয় মনে পড়েনি সেই উদ্ধৃতিটা—সেটা রচিতই হয়নি তখন, ‘রাজপথ দিয়ে চলে এত লোকে/এমনটি আর পড়িল না চোখে/আমার যেমন আছে।।’

    ফরাসডাঙায় ফরাসী-রাজত্ব। তার কর্ণধার তখন যোসেফ ফ্রাঁসোয়া দুপ্লেক্স। ভারতবর্ষে এসেছেন 1720 সালে; ফরাসী চন্দননগরে ফ্রেঞ্চ ইস্ট ইণ্ডিয়া কাউন্সিলের সুপারিন্টেন্ডেন্ট হয়েছিলেন বছর দশেক পরে। 1741-এ তিনি চন্দননগরে পূর্বভারতের ফরাসী উপনিবেশের গভর্নর জেনারেল। অর্থাৎ পূর্ববৎসর। ভারতীয় স্কুলপাঠ্য ইতিহাসে তিনি উপেক্ষিত—যেহেতু অন্তিমে ফরাসী জাতি নয়, ইংরাজই ভারত দখল করেছিল। অন্যথায় রবার্ট ক্লাইভ-এর তুলনায় তিনি ছিলেন সব দিক দিয়েই শ্রেষ্ঠ। পণ্ডিচেরী, কর্নাটক আর চন্দননগরে তিনি যে শাসনব্যবস্থার প্রবর্তন করেন তা ছিল ইংরাজ অথবা নবাবের চেয়ে উৎকৃষ্টতর। তাঁর সততা ছিল সমকালের এক দুর্লভ দৃষ্টান্ত। তাঁর আমলে ইংরাজ আর ফরাসীদের মধ্যে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ শুরু ও শেষ হয়; 1746-এ ফরাসী সেনাপতি লা-বুর্দোনে ইংরাজের হাত থেকে মাদ্রাজের শাসনক্ষমতা ছিনিয়ে নেয় আর গোপনে তা ব্রিটিশ ঈস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রত্যর্পণ করতে রাজী হয়ে যায় প্রচুর উৎকোচের বিনিময়ে। উৎকোচের পরিমাণটা ছিল চল্লিশ হাজার ব্রিটিশ স্টার্লিং। বলা বাহুল্য, সেটা দুপ্লেক্স আর লা-বুর্দোনের মধ্যে বাঁটোয়ারা হবার কথা। সমকালীন প্রথাকে দুপ্লেক্স নস্যাৎ করেন। প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হয়। লা-বুর্দোনে দেশে ফিরে যায় এবং ব্যাস্টিলে বন্দী হয়। দুপ্লেক্স নিজের শেষ কপর্দক পর্যন্ত ব্যয় করে এবং প্রচুর ঋণ করে যুদ্ধ চালিয়ে যান। 1754 সালে তাঁকে দেশে ফিরে যাবার আদেশ দেওয়া হল। নয় বৎসর পরে নিতান্ত দারিদ্র্যের মধ্যে এই অবহেলিত মহানায়কের মৃত্যু হয়। ফরাসী সরকার তাঁর প্রাপ্য মিটিয়ে দিতে অস্বীকার করেন। হেতুটি সহজবোধ্য : দুপ্লেক্স অন্তিমে পরাজিত। ভারত ফরাসী উপনিবেশ হয়নি!

    এই দুপ্লেক্স তখন ফরাসডাঙা বা ফরাসী চন্দননগরের শাসক।

    ভবানীচরণ সহজেই সন্ধান জোপাড় করতে পেরেছেন। রহিম ওস্তাগর যার পালিতপুত্ৰ সেই আকবর ওস্তাগর ফরাসী সেনাবাহিনীর পোশাক বানায়। সে-জাতীয় পোশাক বানানোর কায়দা এদেশের ওস্তাগরেরা জানত না! বস্তুত সেলাই করা জামার প্রচলনই ছিল না তার পূর্ব জমানায়, এই গৌড়মণ্ডলে। মুসলমানদের আগমনের পর সেলাই করা জামা-কাপড়ের প্রচলন শুরু হয়েছে বটে, কিন্তু আঁটোসাটো ফরাসী কুর্তার প্রচলন ছিল না। তাই আকবর ওস্তাগরের নাম সবাই জানে।

    নায়েব-নাজিরের হুকুম পেয়ে দেখা করতে এল রহিম। বছর সাতাশ-আঠাশ। বলিষ্ঠগঠন। মুসলমানী সাজ, গায়ে মেরজাই, মাথায় সফেদ-টুপি। আভূমি নত হয়ে সেলাম করল রূপেন্দ্রকে। ঘরে তখন তিনি একলাই। বললেন, তোমার নাম রহিম? আকবর ওস্তাগরের পালিত-পুত্র তুমি?

    —জী, জনাব।

    —কোথায় দেশ তোমার?

    –রূপনগর, খোদাবন্দ। অজয়ের ধারে, বর্ধমান-ভুক্তিতে। কী কসুর হল আমার?

    –‘কসুর’ হয়েছে ধরে নিচ্ছ কেন? বিশেষ একটা কারণে আমি তোমার খোঁজ নিচ্ছি। তুমি ঐ রূপনগরের গঙ্গাপ্রসাদ বসুর কন্যা শেফালীকে চেন?

    লোকটা স্বতই আতঙ্কগ্রস্ত হল। তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল ঐ উষ্ণীষপরা রাজপুরুষটির দিকে। তার অন্তরে তখন কী-জাতের তুফান তা বোঝা গেল না। ক্রমে তার দৃষ্টি নত হল। বললে, চিনতাম! শেফালী মারা গেছে হুজুর। তার কথা কেন?

    —মারা গেছে! তুমি নিশ্চিত জান?

    —না হুজুর। নিশ্চিতভাবে জানি না। জানতে চাইও না। এসব কথা কেন আমাকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসা করছেন?

    রূপেন্দ্রনাথ স্থিরদৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। তারপর বললেন, ঠিক আছে। তুমি যেতে পার।

    তবু স্থানত্যাগ করল না লোকটা। বললে, আপনি যে-কথা জানতে চেয়েছেন তা আমি বলেছি। কিন্তু আমার প্রশ্নের জবাব তো আপনি দিলেন না, খোদাবন্দ? কেন আমাকে ডেকেছিলেন?

    —আমি ভুল করেছিলাম রহিম। আমি খুঁজছিলাম রামানন্দ দত্তকে। তোমাকে নয়। তাকে জানাতে যে, শিউলী মরেনি!

    এবারও দেরী হল জবাবটা দিতে। তবু বললে, বুঝতে পারছি, আপনি অনেক কথাই জানেন। আমার কাছে সে মৃত—এটা হক কথা নয়, হুজুর?

    —আমি তা ভাবিনি! তুমি জানালে, তাই এখন জানতে পারলাম।

    —শুনেছি, সেই রূপনগরের মঠ বর্গীতে লুট করেছিল। শিউলী যে মারা যায়নি, তা আমি জানতাম না।

    —না, সে জীবিতা। কোথায় আছে তা আমি জানি। তুমি কি তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চাও?

    —কী লাভ খোদাবন্দ? সেও দাগা পাবে। আমিও!

    —তুমি সাদি করেছ? সন্তানাদি কী?

    —জী, না। আমি আজও সে পাপ করিনি।

    উৎসাহে সোজা হয়ে বসেন। বলেন, পাপ কাজ! কী বলছ? সাদি করা পাপকাজ?

    —জী, না। তা বলিনি। কিন্তু কী দরকার তৃতীয় একজনকে এ জটিলতার মধ্যে টেনে আনার? সে তো আমাকে সাদি করে সুখী হবে না!

    রূপেন্দ্র ওর হাতখানা চেপে ধরেন। বলেন, রামানন্দ! তাই যদি হবে তাহলে তুমি কেন আজ তাকে গ্রহণ করতে পারছ না? সে অনেক দাগা পেয়েছে, অনেক নির্যাতন সয়েছে। কিন্তু সেও তো সাদি করেনি? তোমার পথ চেয়ে আছে!

    রহিম তার হাতখানা টেনে নিল না। বললে, সে কি রাজী হবে ধর্মত্যাগ করতে?

    —যদি হয়, তুমি কি তোমার কুসংস্কারকে ত্যাগ করতে পারবে?

    —কুসংস্কার! তার মানে?

    —রাধারানী বহুভোগ্যার জীবন কাটিয়েছে এতদিন! তা তুমি জান!

    মাথা খাড়া করে রহিম বললে, আমি তো কাফের নই গরিবপরবর! আল্লারসুলের দরবারে সে অপরাধের কোন শাস্তির বিধান তো নেই। তাছাড়া সে দুর্ভাগ্য তো হয়েছে রাধারানীর—তাকে আমি চিনি না। আমরা শিউলীর কথা আলোচনা করছি হুজুর! … সে এখন কোথায়?

    রূপেন্দ্র একটু ভেবে নিয়ে বললেন, তুমি কি যে-কোন শর্তে তাকে গ্রহণ করতে স্বীকৃত?

    —যে কোন শর্তে, মানে?

    —আমি জানি না, সে ধর্মত্যাগ করতে স্বীকৃতা হবে কি না। জানি না হিন্দু পণ্ডিতেরা তোমাকে প্রায়শ্চিত্ত করিয়ে কোনও শুদ্ধির মাধ্যমে…

    রহিম মাঝখানেই বাধা দিয়ে ওঠে, মাপ করবেন। আমি রাজী নই। আমি কোনও পাপ করিনি। প্রাণধারণের জন্য খাদ্যগ্রহণ পাপ কাজ নয়! প্রায়শ্চিত্তের কোনও বিধান আমি মানব না!

    —ঠিক কথা, রামানন্দ …

    —মাপ করবেন হুজুর। আমাকে রহিম নামেই ডাকবেন।

    —তাই ডাকব, রহিম! কিন্তু একটা কথা বল। আজ তুমি রহিম, কিন্তু এককালে তুমি তো রামানন্দ ছিলে। এ কথা কি বুঝবে না—কেন শেফালী মুসলমানী হয়ে যেতে পারে না?

    —তাহলে আর উপায় কী বলুন? আমি প্রায়শ্চিত্ত করব না—সে আমার ধর্ম গ্রহণ করবে না। সেক্ষেত্রে …

    —না, না, সে তো তার কথা বলেনি এখনো। আমি কেমন করে জানব? আমি কি জানি : সব কথা শোনার পর কোনটা তার কাছে বড় হয়ে উঠবে—প্রেম, না ধর্ম? তুমি এক কাজ কর। আজ সন্ধ্যায় এখানে এস। আমি জেনে এসে তোমাকে জানাব।

    —একটা কথা শুধু বলুন—আপনি কে? আপনার কী গরজ? আপনি তাকে কী করে চিনলেন?

    —এখন নয়, রহিম। সে-কথাও পরে বলব। তুমি এস এখন।

    আদাব জানিয়ে রহিম প্রস্থান করছিল। আবার তাকে ফিরে ডাকলেন, রহিম!

    —জী?

    —সব কথা তোমাকে এখনি বলতে পারছি না। তবু দু-একটা কথা বলা দরকার। আমি একজন কবিরাজ। শিউলীর চিকিৎসা করছি …

    —ওর কী হয়েছে?

    —মানসিক ব্যাধি। ওর মনের একটা অংশ জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে গেছে। মস্তিষ্কবিকৃতির কোনও লক্ষণ নেই—কথাবার্তা চাল-চলনে সে নিতান্ত স্বাভাবিক। কিন্তু যে তাকে বিবাহ করবে তাকে জানিয়ে রাখা উচিত নরনারীর ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধটাকে সে ঘৃণার চোখে দেখে।

    —রহিম বিন্দুমাত্র বিচলিত হল না। বললে, সেটাই তো স্বাভাবিক, কবিরাজমশাই। যে অত্যাচার তার উপর দিয়ে গেছে …

    রূপেন্দ্র ওর হাতটি আবার টেনে নিয়ে বললেন, তুমি পারবে! তুমি নিশ্চিত তাকে আবার স্বাভাবিক করে তুলতে পারবে। চেষ্টা করে দেখবে, রহিম?

    রহিমের চোখ দুটি ছলছল করে ওঠে। বলে, বাবুজী, জানি না আপনি আমাদের কথা কতদূর জানেন—কিন্তু এটা কেন বুঝছেন না, একমাত্র সেই হতভাগীই পারে এই আধখানা মানুষটাকে আবার একটা গোটা মানুষ করে তুলতে। এ তো শুধু দেওয়া নয় হুজুর! এ যে দেওয়া আর নেওয়া! আমরা দুজনেই তো ভুগছি! একই অসুখে!

    —আরও একটা কথা! আমি যদি তোমাদের দুজনকে কোনও গীর্জায় নিয়ে যাই? তোমরা কি খ্রীস্টান মতে বিবাহ করতে পার না?

    –সে রাজী হলে পারি। কারণ আন্দাজ করছি পাদরী সাহেব আমাকে প্রায়শ্চিত্ত করতে বলবে না! পাদরী তো আর কাফের নন!

    .

    —সেদিনই অপরাহ্ণ কাল। অশ্বারোহণে রূপেন্দ্র রাধারানীকে নিয়ে ফিরে আসছিলেন রাধাবল্লভপুর থেকে ফরাসডাঙ্গায়। প্রকাণ্ড আরবীয় অশ্ব, অনায়াসে দুইজন আরোহীর ভার বহনে সক্ষম। রাধারানীকে নিয়ে আসতে হবে বলে এই ‘উচ্চৈঃশ্রবা’-কেই বেছে নিয়েছিলেন ফরাসী-সরকারের মন্দুরা থেকে। রাধারানী বসেছে সামনে, বাঁ-দিকে, দু-পা ঝুলিয়ে। ডানহাতে একটা পোঁটলা, অপরহস্তে শিথিলবন্ধনে বেষ্টন করে ধরে আছে রূপেন্দ্রের কটিদেশ। অশ্ব আস্কন্দিত গতিছন্দ লাভ করলেই সেই বন্ধনটি প্রতিবর্তী-প্রেরণায় দৃঢ় আলিঙ্গনে রূপান্তরিত হয়ে যায়। রূপেন্দ্র বোঝেন, এটা ঐ বৈষ্ণবীর প্রগলভতা-জনিত কারণে নয়, নিতান্ত প্রাণ ধারণের তাগিদেই মাঝে-মাঝে তার পীবর-প্রত্যঙ্গ নিষ্পেষিত হচ্ছে ওঁর কবাটবক্ষে।

    রাধারানীর ধারণা, ওরা দুজনে আসছে মাহেশে। সে-কথাই বলেছিলেন রূপেন্দ্ৰ কর্তামশাইকে। বলেছিলেন রাধারানী যদি ফিরে না আসে তাহলেও যেন তিনি চিন্তিত না হন; কারণ রোগিণীর নিরাময়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করছেন। ব্যবস্থাটা যে কী জাতীয়, তা বুঝে উঠতে পারেননি কর্তামশাই। তবু আপদ বিদায় হওয়ায় তিনি নিশ্চিন্ত—বিশেষ, মেয়েটি যখন নিজেই রূপেন্দ্রের সঙ্গে চলে যেতে স্বীকৃতা হল।

    রূপেন্দ্রকে দেখে রীতিমতো অবাক হয়ে গিয়েছিল রাধারানী, এ কী, এ কী! এ তো প্রত্যাবর্তন নয়, এ যে আবির্ভাব! গোঁসাইঠাকুর! তুমি রাজপুত্তুর হয়ে গেলে কেমন করে?

    —কর্তা-মশায়ের কাছে শোননি, আমি সিদ্ধপুরুষ? বহুরূপীর মতো আমার রঙ বদলায়!

    —তাই তো দেখছি! কিন্তু যুগলে আসার কথা ছিল যে, রাজপুত্তুর!

    —না! সে বলেছে তোমাকে নিয়ে যেতে। তোমার পোঁটলা-পুঁটলি বেঁধে নাও!

    তাই বামদিকের সড়ক ছেড়ে রূপেন্দ্র যখন দক্ষিণ দিকের রাজপথ ধরলেন তখনই রাধারানী প্রশ্ন করেছিল, এ কী! এদিকে কেন? আমারা কোথায় যাচ্ছি?

    সড়ক যেখানে দ্বিধাবিভক্ত, সেখানে আছে নবাবী পূর্তবিভাগের পথনির্দেশ—সাদা বাঙলায়—কোন দিকে মাহেশ এবং কোনদিকে ফরাসডাঙা। রাধারানী নিরক্ষরা নয়, তার বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে, তাদের গতিমুখ এখন ফরাসী চন্দননগর।

    রূপেন্দ্র বললেন, আমরা যাচ্ছি তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে প্রাণ-ভোমরার সন্ধানে!

    —কিন্তু এমন তো কথা ছিল না গোঁসাই?

    —গোঁসাই! গোঁসাই কে? এখন আমি রাজপুত্তুর!

    —মানছি, কিন্তু রাজকন্যার পথ যে বাঁদিকের সড়কে?

    রূপেন্দ্র বললেন, “এক ঘরে যদি না পোষে তায়/ঘরে ঘরে ফিরে পায় কি না পায়।” রাধারানী চুপ করে যায়। বোধকরি হঠাৎ আতঙ্কগ্রস্তা হয়ে পড়ে। হয়তো তার মনে হয়, কাজটা ভাল হয়নি। এভাবে মানুষটাকে উত্তেজিত করা। ভুল বোঝানো।

    ভুল? তা সে নিজেও জানে না! কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল! নিজের কাছে স্বীকার করতে আর লজ্জা কী? পরিচয় পাওয়ার পূর্বেই ঐ আগুনবরণ মানুষটাকে দেখে সে মুগ্ধ হয়ে গেছিল! প্রথম দিনই। দূর থেকেই। তারপর পরিচয় পাওয়া মাত্র যে-কথাটা ওর মনে পড়েছিল—কী লজ্জা!—সেটার কথা মঞ্জুকেও মন-খুলে বলতে পারেনি : মূর্ছা রোগটা তো তারও হতে পারত! তারপর ঘনিষ্ঠ পরিচয় হয়েছে। মনের যে অংশটা দুমড়ে-মুচড়ে অষ্টাবক্র হয়ে যায়নি—হঠাৎ লক্ষ্য করেছিল সেই অংশে একটা ছোট্ট চারা গাছ! দু-তিন দিনের ভিতরেই সে চারাগাছে দেখা দিয়েছিল কাঁচা কিশলয়, গোপন বৃত্তে মুঞ্জরিত হয়েছিল কচি পুষ্প-কোরক। গানে-গানে দল মেলে ফুটে উঠতে চেয়েছিল সেই কুসুমকলিকা। কিন্তু তাই বলে মঞ্জুর ঘরভাঙার কথা তার সুদূর কল্পনাতেও ছিল না—সে কথা সে স্পষ্টাক্ষরে জানিয়েও দিয়েছিল গোঁসাই ঠাকুরকে।

    কাজটা ঠিক হয়নি। ও পুরুষ। মানবে কেন? প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত পাওয়ার পরেও?

    রাধারানীর মন তখন দ্বিধাবিভক্ত! বুঝেছে—এ ওদের অভিসার! অবৈধ অভিসার! গোঁসাই আজ বেপরোয়া রাজপুত্তুর : ‘চোরের কি কভু নিবৃত্তি আছে!’

    কিন্তু! নিজের মনটাকেই কি চিনতে পেরেছে রাধারানী? সে তো জানে তার সীমারেখা! কাব্যে, গানে, লাস্যে, হাস্যে প্রণয়কথা এক জিনিস, আর…

    শেষ সময়ে যদি ঐ অষ্টাবক্র-মনটা পথ রুখে দাঁড়ায়!

    অশ্বের গতি স্তিমিত হয়ে এল একটি নাকা-চৌকির সম্মুখে। পথের সামনে এড়োএড়ি করে একটি বাঁশ বাঁধা। তার একপ্রান্তে দড়ির বাঁধন; অপরপ্রান্তে ভারী পাথর-বাঁধা হাঁসকল! কী ব্যাপার? পথ রুদ্ধ কেন?

    এটাই কানুন। এটা ফরাসী-চন্দননগরের শহরসীমান্ত। ও-প্রান্ত ফরাসী সরকারের শাসনাধীন। নাকাচৌকীর পাশেই একটি ছোট গুমটি ঘর। তার সম্মুখে পগ্গ মাথায় একজন রক্ষী, ঘরের ভিতর টকটকে লালমুখো এক সাহেব।

    —পথে আগড় দেওয়া কেন?—জানতে চাইল রাধারানী।

    —আমরা নগরসীমান্তে পৌঁচেছি। ছাড়পত্র দেখাতে হয় এখানে।

    রূপেন্দ্র অশ্বপৃষ্ঠ থেকে অবতরণ করলেন। রাধার কটিদেশ বেষ্টন করে তাকে ভূতলে নামিয়ে আনলেন। সাহেবের চোখের সামনে এভাবে অবতরণ করতে সলজ্জ হয়ে পড়ে।

    সহাস্যবদনে ঘর ছেড়ে বাইরে বার হয়ে এল ফরাসী যুবক। এমন রাঙামুখো মানুষ রাধা সারাজীবনে দেখেনি। আর তার সাজপোশাকেরই বা কী বাহার! ঊর্ধ্বাঙ্গে খাটো কুর্তা, নিম্নাঙ্গে যে পরিচ্ছদ—ব্রিচেস্―তা আগে কখনো দেখেনি। মাথায় বিরাট টুপি, তাতে আবার কী একটা পাখির পালক লটকানো। কোমরবন্ধে শুধু তরবারীই নয়, পিস্তলও।

    মাথা থেকে টুপিটা খুলে ওঁদের দুজনকে বলে, বঁ সোয়ে!

    রূপেন্দ্র নমস্কার করে প্রত্যভিবাদন করেন : বঁ সোয়ে’!—কথাটার মানে না জেনেই। ‘নমস্কারে’–’নমস্কার’, ‘রাম-রাম’-এ ‘রাম-রাম’, ‘শুভসন্ধ্যায় যদি ‘শুভসন্ধ্যা’ প্রত্যভিবাদন হয়, তাহলে ‘বঁ সোয়ে’-র ক্ষেত্রেই বা নিপাতনে সিদ্ধ হতে যাবে কেন?

    সাহেব বলে, আঁত্রে, আঁত্রে, সিল ভূ প্লে-

    এবার আর হালে পানি পান না। তবে ওর দুটি হাতের মুদ্রায় বোঝা যায় বক্তব্যটা, আসুন, আসুন, অনুগ্রহ করে ভিতরে আসুন।

    রূপেন্দ্র বিনাবাক্যব্যয়ে জেব থেকে তাঁর অনুমতিপত্রটি বার করে দেখান। পিসেমশাই সেটা ওঁকে দিয়ে রেখেছেন; বলেছেন, প্রয়োজনে সেই সনাক্তিকরণ পত্রটি দেখাতে হতে পারে। সাহেব দেখে খুশি হল। হড়বড় করে কী যেন অনেকটা বলে গেল তার মাতৃভাষায়। রূপেন্দ্র উপায়ান্তরবিহীনভাবে না-য়ের ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে আধা-সংস্কৃত আধা-বাঙলায় বললেন, ফরাসী নাহং বেদ!

    লোকটা বুঝল। সেও নীরবে তার দুটি হাত বাড়িয়ে দিল ফরাসী চন্দননগরের দিকে, যে ভঙ্গিতে কন্যাকর্তা বরযাত্রীদের ‘আস্তাজ্ঞা-হোক’ জানায়।

    অর্থাৎ রূপেন্দ্র নগরে প্রবেশ করতে পারেন।

    রূপেন্দ্র পুনরায় যুবতীর কটিদেশ বেষ্টন করে অশ্বারূঢ়া করতে চাইলেন। রাধা বাধা দিল। বললে, ঐ সাহেবের চোখের সম্মুখে নয়। চল, একটু পায়ে হেঁটে আড়ালে যাই। মুখপোড়া ভাববে আমি বুঝি তোমার বিয়ে করা বউ।

    কোথাও কিছু নেই লালমুখো আকাশ-ফাটানো হাসি হাসল। মাথা থেকে টুপিটা পুনরায় খুলে বিচিত্র ভঙ্গিতে দোলাতে দোলাতে বললে, আশাতে মাদমোয়াজেল! মুখপুড়া কিছু-কিছু বুঝিল! কমপ্রিহেন্দ্‌।

    —ও মা গো। সাহেব বাঙলা বোঝে।—রাধারানীও এখন রাঙামুখো।

    হাঁটতে হাঁটতেই নাকা-চৌকির এলাকাটা পার হয়ে এলেন দুজনে। বাঁক ঘুরতেই একেবারে নির্জন প্রান্তর। শুধু পথের ধারে নয়ানজুলিতক্ গাছ-গাছালির ঘন আচ্ছাদন। রূপেন্দ্র ডাকেন, এবার এস। ঘোড়ার উপর বসিয়ে দিই।

    —না।—রাধারানী সড়কটা পার হয়ে একটা সাঁকোর পাঁচিলের উপর গিয়ে বসল।

    —কী হল আবার?

    —আগে বল, আমরা কোথায় যাচ্ছি?

    —বললাম তো। আমার রাজপ্রসাদে। ফরাসডাঙায়।

    ফরাসডাঙায় রূপেন্দ্র ভেষগাচার্যের রাজপ্রাসাদ থাকার কথা নয়। এটা জানা আছে। হয়তো সেখানে কোন পান্থশালায় একটা কামরা ভাড়া করেছে। সেখানেই নিয়ে গিয়ে ওকে তুলতে চায়। হেতুটা সহজবোধ্য। রাধারানী বলে, কাজটা কি ঠিক হচ্ছে?

    –কেন নয়? এটাই তো তুমি মনে-মনে চাইছিলে, রাধা।

    হঠাৎ রুখে ওঠে। বলে, না। তাহলে তুমি ভুল বুঝেছ আমাকে। আমি তো সেদিন বলেছিলাম গোঁসাঞ, মঞ্জুর ঘর ভাঙতে চাইছি না আমি।

    —আমিও তো সেটা চাইছি না, রাধা।

    —তাহলে মাহেশের বদলে আমাকে এখানে নিয়ে চলেছ কেন?

    রূপেন্দ্র অশ্বটিকে গাছের ডালে বেঁধে ওর পাশটিতে এসে বসলেন, বললেন, তুমি কি আমাকে বিশ্বাস করতে পারছ না, রাধা? আমি তোমার কোন ক্ষতি করতে পারি? তোমার, অথবা মঞ্জুর? জেনে শুনে?

    —তাহলে আমাকে কেন নিয়ে চলেছ ফরাসডাঙায়? মাহেশে কখন যাব?

    —কাল সকালে। রাতটা এখানে কাটিয়ে।

    হঠাৎ ঝরঝরিয়ে কেঁদে ফেলল রাধারানী। বললে, তুমি আমাকে ভুল বুঝেছ ঠাকুর। আমি—- মামি… তুমি যে আমার সব কথা জান না।

    রূপেন্দ্র ওর হাতদুটি তুলে নিয়ে বললেন, আমি তোমার সব কথা জানি, শেফালী!

    –শেফালী?

    —হ্যাঁ। আমি তো সেই ছোট হুজুর নই! আমাকে ভয় কী?

    হঠাৎ অশ্রুআর্দ্র মুখখানি মেলে ও আকুলভাবে বলে, তা তুমি পারবে?

    –কী?

    –এক বিছানায় শুয়েও…যদি আমার মন হঠাৎ বিষিয়ে ওঠে…

    রূপেন্দ্র ওর করমুষ্টি আকর্ষণ করে ওর কপালে একটি চুম্বনচিহ্ন এঁকে দিলেন, বললেন, সে গত্মবিশ্বাস আমার আছে, রাধা। ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেন তোমার গাত্রস্পর্শ করব? তুমিই না লেছিলে, আমি—অসাধারণ!

    হঠাৎ কী যেন হয়ে গেল! আত্মবিস্মৃত হয়ে রাধারানী সবলে আকর্ষণ করে ধরল রূপেন্দ্রকে। ার ওষ্ঠাধরে এঁকে দিল সুনিবিড় এক চুম্বনচিহ্ন। দীর্ঘ সময় ধরে। পরমুহূর্তেই আলিঙ্গন-মুক্ত য়ে দু-হাতে মুখ ঢাকল।

    রূপেন্দ্র অবিচলিত। ব্রত উদ্যাপন করছেন তিনি। অনাসক্ত থাকার ব্রত।

    পুনরায় ওর হাত ধরে আকর্ষণ করেন। বলেন, এবার এস।

    —তুমি রাগ করনি?

    —তোমার কি তাই মনে হল?

    —না। কিন্তু…

    —কিন্তু কী?

    —বোঝ না যেন! তোমার ভাবখানা ছিল—না আবাহন, না বিসর্জন

    রূপেন্দ্র মনে মনে অস্বস্তি বোধ করেন। মেয়েটা বুঝে ফেলেছে! প্রখর বুদ্ধিমতী সে। এমন নিরাসক্ত থাকলে চলবে না। সক্রিয়ভাবে নিরাসক্ত হতে হবে।

    রাধারানী বলে, কী ভাবছ, সত্যি করে বলবে?

    —বলব! তোমার চুমু খাওয়া দেখে মনে হল—জীবনে তুমি এই বোধহয় প্রথম কোন পুরুষমানুষকে চুম্বন করলে—আযৌবনের তৃষ্ণা নিয়ে।

    রাধা সলজ্জে মুখ নিচু করে বললে, কথাটা কিন্তু ঠিকই। এই প্রথম।

    —এর আগে কখনো খাওনি?

    —না! আমাকে খেয়েছে, আমি খাইনি। যেমন এখন তুমি আমাকে খেলে না। এবার রূপেন্দ্রই ওকে সবলে আকর্ষণ করে টেনে আনেন।

    “অধরের কানে যেন অধরের ভাষা,
    দোঁহার হৃদয় যেন দোঁহে পান করে—
    গৃহ ছেড়ে নিরুদ্দেশ দুটি ভালোবাসা
    তীর্থযাত্রা করিয়াছে অধর সংগমে।।”

    তীর্থযাত্রা। তীর্থ শেষ নয়। এ তো শুধু কুসুমচয়নের পর্যায়।

    এর পরিণতি “মালিকা গাঁথিবে বুঝি ফিরে গিয়ে ঘরে।”

    কঠিন সে পরীক্ষা সম্মুখে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }