Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. সপ্তগ্রাম

    ২. সপ্তগ্রাম

    বংশবাটীর কিছু দক্ষিণে আদি সপ্তগ্রাম। বঙ্গসংস্কৃতির মধ্যযুগে তা ‘স্বর্ণনগরী’। তার সে আদিমরূপ আজ চিন্তার বাইরে। বিপ্রদাসের ‘মনসামঙ্গলে’ দেখছি চাঁদ সদাগর সপ্তডিঙা ভাসিয়ে চলেছেন সমুদ্রে—বিপুল বাণিজ্যসম্ভার নিয়ে। পথে পড়ল সপ্তগ্রাম। দেখতে পেলেন :

    “অভিনব সুরপুরী দেখি সব সারি সারি
    প্রতি ঘরে কনকের ঝারা,
    নানা রত্ন অবিশাল জ্যোতির্ময় কাচ ঢাল
    রাজমুক্তা প্রবালের ধারা।।”

    নামকরণের সূত্রটি পাওয়া যাবে পৌরাণিক ইতিহাসে—

    কিংবদন্তি অনুসারে বহু বহুযুগ পূর্বে কান্যকুব্জে ছিলেন এক নৃপতি। নাম প্রিয়বন্ত অথবা প্রিয়ব্রত। তাঁর ছিল সাত-সাতজন জোয়ান ছেলে। তাদের নাম : অগ্নিত্র, মেধাতিথি, বপুষ্মান, জ্যোতিষ্মান, দ্যুতুমান, সবন ও ভব্য। রাজার ছেলে, কিন্তু মতিগতি রাজসিক নয়, সাত্ত্বিক। সাতভাই একযোগে একদিন গৃহত্যাগ করল। ‘যেনাহং নামৃতা স্যাম’– মন্ত্র তাদের, রাজসুখে বাঁধা পড়তে চায় না। দেশ-বিদেশ ঘুরতে ঘুরতে তারা এসে থামল ভাগীরথীর কিনারে। গঙ্গা-যমুনার কিনারে সাতটি স্থানে তপস্যায় বসল তারা। সেই তপস্যাস্থলে গড়ে উঠল সাত-সাতটি গ্রাম : বাঁশবেড়িয়া, বাসুদেবপুর, কৃষ্ণপুর, খামারপাড়া, দেবানন্দপুর, শিবপুর আর ত্রিশবিঘা। এই সাতটি গ্রাম নিয়েই হল সপ্তগ্রাম। পাশেই ত্রিবেণী—ভাগীরথী, সরস্বতী আর যমুনার মুক্তবেণী সঙ্গম। এ কাহিনীরও উল্লেখ আছে বিপ্রদাসের ‘মনসামঙ্গলে’–

    “বহিত্র চাপায়ে কূলে চাঁদ অধিকারী বলে
    দেখিব কেমন সপ্তগ্রাম
    তথা সপ্তঋষিস্থান সর্বদেব অধিষ্ঠান
    শোক দুঃখ সর্বগুণধাম।।
    জ্যোতি হইয়া এক মূর্তি ঋষিমুনি সেরে তথি
    জপ-তপ করে নিরন্তর।
    গঙ্গা আর সরস্বতী যমুনা বিশাল অতি
    অধিষ্ঠান উমা-মহেশ্বর।”

    মাধবাচার্যের ‘চণ্ডীমঙ্গল’, মুকুন্দরামের ‘চণ্ডীমঙ্গল’, মহারাজ লক্ষ্মণসেনের সভাকবি ধোয়ী রচিত ‘পবনদূতম্’ কাব্যে এবং ‘চৈতন্য চরিতামৃতে’ আছে সপ্তগ্রামের বর্ণনা। আগেই বলেছি, গ্রীক ঐতিহাসিক বর্ণিত গঙ্গারিডি রাজ্যের দ্বিতীয় রাজধানীরূপে সপ্তগ্রাম চিহ্নিত।

    চতুর্দশ শতাব্দীর মাঝামাঝি মিশর দেশীয় ভূপর্যটক ইবন বতুতা (1304-68) এসেছিলেন এখানে। আফ্রিকা ছাড়েন 1325-এ, ঘরে ফিরে যান আঠাশ বছর পরে। বাংলার মসনদে তখন সুলতান ফকরউদ্দীন। দিল্লীতে তখন দাস-বংশের গিয়াসুদ্দীন বলবন। ইবন বতুতা প্রসঙ্গক্রমে সপ্তগ্রামের অনেক বর্ণনা দিয়েছেন। এমনকি বাজার দরও—”সপ্তগ্রামে একটা রূপোর দিরামে পাওয়া যায় পঁচিশ রিখল চাউল।” হিসেবটা বুঝিয়ে বলি। তখন মুদ্রা হিসাবে চালু ছিল রূপোর দিনার—আজকের একটাকার মতো। আট দিহরামে এক দিনার। আর ‘পঁচিশ রিখল’ মানে প্রার বিশ কিলোগ্রাম! দুগ্ধবতী একটি গাভীর দাম আজকের তিন টাকা। ‘পরমা সুন্দরী ক্রীতদাসীর দাম একটা সোনার দিরাম।’ অর্থাৎ দশ টাকা! শোনা কথা নয়, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা—”ঐ দামে আমি স্বয়ং একটি সুন্দরী বালিকাকে ক্রয় করেছিলাম। তার নাম লালুয়া।” -লিখে গেছেন ইবন বতুতা।

    এক বৃদ্ধ বাঙালী মুসলমান নাকি বলেছিলেন, ‘সংসারে তিন তিনটি খাওয়াইয়া, মুই নিজে, এক বিবি, আউর এক কমবক্ত নোকর। সম্বৎসরে খাওনের খরচ হল গিয়ে পুরো এক দিনার!

    ইবন বতুতা এ প্রসঙ্গে শেষ উপসংহারে বলেছেন, গোটা হিন্দুস্থানে শুধু নয়, গোটা দুনিয়ায় তখন বাংলাদেশের মতো সস্তার বাজার আর ছিল না।

    হায়রে কবে কেটে গেছে ইবনবতুর কাল!

    আরও জানাচ্ছেন, ফলের বাজারে মিলত—আম, জাম, আঙুর, ডালিম, নারকেল। আহারান্তে পান-চর্বণের রেওয়াজ ছিল। দিন-আনি দিন-খাই চিবাতো পান সুপারি, সৌখীন ব্যক্তিদের জন্য করঙ্কবাহিকা হাজির করত রূপার রেকাবীতে ভিন্ন ভিন্ন খোপে : পান, গুবাক, চুন, অন্যান্য মশলা ও কর্পূর। অর্থাৎ পূর্বযুগে নৈষধচরিতে যে বর্ণনা পাই তা তখনো টিকে আছে। ঘরানা ঘরের মেয়েরা পথ চলত দোলায় চেপে; সেটা পাল্কির বিকল্প। ঢাকা থাকত রেশমের পর্দায়। রেশম আসত ঢাকা অঞ্চল থেকে। দেশে সতীদাহ প্রথা ছিল, তবে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাউকে নাকি পুড়িয়ে মারা হত না।

    আর একটি সূত্রে দেখছি—সাল তারিখ নিয়ে কিছু ভ্রান্তি আছে কিনা জানি না—ইবন বতুতার সপ্তগ্রাম দর্শনের প্রায় পঞ্চাশবছর আগে যখন রুকনউদ্দীন কৈকাউস্ শাহ্ গৌড়াধিপতি, তখন উলুগ-ই-আজম জাফর খাঁ বাহরাম ইংগীন সপ্তগ্রাম অধিকার করেছিলেন। তখন নাকি সেটাই ছিল গৌড়মণ্ডলের শ্রেষ্ঠ নগরী। তার পূর্বে সপ্তগ্রাম ছিল হিন্দু রাজার অধিকারে। কোন রাজার হাত থেকে জাফর খাঁ এই অধিকার ছিনিয়ে নেন তাঁর নাম জানা যায় না। কবি কৃষ্ণরামের ‘ষষ্ঠীমঙ্গল’ কাব্যে অনুমান করা যায় তাঁর নাম শত্রুজিৎ। ঐ জাফর খাঁ একটি বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। ইনি নাকি 1295 থেকে 1313 খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত সপ্তগ্রামে অধিপতি ছিলেন, তাঁর মৃত্যুও হয় ওখানে। সরস্বতী ও ভাগীরথীর সঙ্গমে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, সেখানেই তাঁর সমাধি। বিতর্কিত বিষয়টি হল এই যে, অনেকের মতে ইনিই হচ্ছেন সাধক দরাফ খাঁ, যাঁর নামে সংস্কৃতে রচিত একটি গঙ্গাস্তোত্র পাওয়া যায়।

    দু-আড়াইশ বছর পরের কথা। সুলতান হুসেন শাহ্-র (1493-1519) আমলে সপ্তগ্রামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়—‘হুসেনাবাদ’। নামটি স্থায়ী হয়নি। হুসেন শাহকে নিশ্চয় চিনতে পারছ। তিনি বস্তুত বাঙলাদেশের স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। চৈতন্যদেবের প্রায় সমসাময়িক। তাঁর আমলে অনেক হিন্দু রাজপুরুষ উচ্চপদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। উজির ছিলেন পুরন্দর খাঁ (গোপীনাথ বসু), এছাড়া দবীর খাস (রূপ গোস্বামী), সাকর মল্লিক (সনাতন গোস্বামী), চিকিৎসক মুকুন্দ দাস। একদিকে যেমন রাজধানী গৌড়ে নির্মাণ করেছেন ছোট-সোনা মসজিদ, অন্যদিকে তাঁরই আদেশে ও অর্থানুকূল্যে মালাধর বসু বঙ্গানুবাদ করেন শ্রীমদ্ভগবৎগীতার। প্রতি জেলায় মসজিদসহ হাসপাতালও প্রতিষ্ঠা করেন। সপ্তগ্রামে তিনি একটি টাঁকশাল প্রতিষ্ঠা করেন। তার প্রধান কর্মাধ্যক্ষও একজন হিন্দু। সপ্তগ্রাম-টাঁকশালে মুদ্রিত হুসেন শাহ, শের শাহ্ প্রভৃতির নামাঙ্কিত মুদ্রা পাওয়া গেছে।

    সম্ভবত হুসেন শাহ্রে আমলেও সপ্তগ্রামে পর্তুগীজ প্রভাব পড়েনি। দু-চারটি নৌকায় পর্তুগীজ ব্যবসায়ী হয়তো এসেছে; কিন্তু বড়জাতের অভিযান ঘটেনি। পূর্ণেন্দু পত্রী অবশ্য লিখেছেন, “1533–বাংলা দেশে তখন হোসেন শাহী রাজত্ব। পাঁচটা জাহাজ আর দুশো লোক নিয়ে অ্যাফোনসো ডি মেলো বাংলাদেশে এসে হাজির। উদ্দেশ্যে বাণিজ্য।”[১] মনে হয় তথ্যটায় কোথাও কিছু ভ্রান্তি আছে। পর্তুগীজদের এই নাটকীয় আবির্ভাব যদি 1533 খ্রীষ্টাব্দেই ঘটে থাকে তবে তা হুসেনশাহী জমানায় নয়, কারণ হুসেন ফৌত হয়েছেন 1519 খ্রীষ্টাব্দে। সম্ভবত তখন মামুদ শাহ্ গৌড়েশ্বর।

    [১ ‘পুরনো কলকাতার কথাচিত্র’, পূর্ণেন্দু পত্রী, দে’জ পাবলিশিং, ফেব্রুয়ারি 1982, পূঃ 68.]

    সুলতান মামুদকে তারা নানান মূল্যবান উপঢৌকনে নজরানা দিল। কিন্তু ফল হল উল্টো। কোতোয়াল সনাক্ত করল সেগুলি চট্টগ্রাম অঞ্চলের অপহৃত দ্রব্য! হার্মাদদের অপকীর্তি। ফলে সুলতান মামুদ ডি মেলোকে তার সাঙ্গোপাঙ্গ সমেত কয়েদ করলেন। দুঃসংবাদ পৌঁছালো কেন্দ্রীয় দফতরে, গোয়ায়। গোয়ায় পর্তুগীজ গভর্নর তখন নান্ ডি কুনহা। তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে পাঠিয়ে দিলেন আর এক নৌ-সেনাপতিকে, আন্তোনিয় ডি সিলভা মেজেসকে। মেজেস ঘাঁটি গাড়লেন চট্টগ্রামে। সেখান থেকে তদ্বির-তদারক চলতে থাকে। সুলতান নির্বিকার! বন্দীদের মুক্ত করার কোন গরজ নেই। মেজেস লুট করল চট্টগ্রাম। তাতেও কোন প্রতিক্রিয়া হল না। তখন মেজেস্-এর সেনানায়ক দিয়ানো রিবেলো সসৈন্য অবরোধ করল সপ্তগ্রাম বন্দর। ভাগীরথী দিয়ে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে গেল। সবাই আশা করেছিল এইবার সুলতান মামুদ সবিক্রমে ঝাঁপিয়ে পড়বেন ঐ পর্তুগীজ বোম্বেটেগুলোর উপর। বাস্তবে তা হল না। বরং সুলতান মামুদ ওদের ডেকে এনে সন্ধি করলেন।

    কারণ ছিল। সেটা 1536; দিল্লীর মসনদে তখন বাবর-তনয় হুমায়ুন। তাঁর সঙ্গে সুলতান মামুদের সদ্ভাব আছে। কিন্তু বিহারে কে এক ভূঁইফোড় তরুণ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। বাজারে গুজব সে কৈশোরে ডাকাতি করত। সাসারামে সামান্য এক সুবেদার হাসানের ত্যাজ্যপুত্র—নাম ফরিদ। লোকটা এই কিছুদিন আগেও বিহারের এক সুলতান—বাহার খাঁ লোহানীর কিল্লায় গৃহশিক্ষকের নোকরি করত—তাঁর নাবালক পুত্র জালাল খাঁর ‘আতালিখ’ অর্থাৎ গৃহশিক্ষক। তবে লোকটার যেমন দেহের ক্ষমতা তেমনি দুর্জয় সাহস। কোন এক বিজন বনে তাকে নাকি বাঘে আক্রমণ করে, আর লোকটা তরোয়ালের এক কোপে বাঘটাকে দুখণ্ড করে ফেলে। সুলতান লোহানী তাঁর পুত্রের গৃহশিক্ষককে একটা নয়া খেতাব দেন : শের খান্!

    জবর কিসমৎ লোকটার, আশমান ফুঁড়ে কিমতী-হুরী নেমে এসে ধরা দিল শের খাঁর হাতে। কাশীর কাছে চুনার কিল্লার অধিপতি তাজ খাঁকে বুঝি তারই যুবকপুত্র হত্যা করেছিল কিল্লার দখল নিতে। সদ্যবিধবা লাদ মালিকা তার এক বিশ্বস্ত অনুচরকে পাঠিয়ে দিল যুবক বীর শের খাঁর কাছে—সপত্নীপুত্রের হাত থেকে তাকে রক্ষা করার আর্জি সমেত। শের সসৈন্য চুনারে এসে উদ্ধার করলেন লাদ মালিকাকে। কৃতজ্ঞ মেয়েটি উদ্ধারকারীর হাতে কিলাসমেত তুলে দিলেন কিল্লাদারনিকে!

    সেই ভুঁইফোড় লোকটা নাকি হুমায়ুনকে হিন্দুস্থান থেকে তাড়াতে চায়! বোঝ দুঃসাহস! আর সে-কাজের আগে দখল নিতে চায় বঙ্গাল-মুলুক্‌! হুসেন শাহ তাই সে-সময়ে—সেই 1536 খ্রীষ্টাব্দে—আশঙ্কা করছিল পশ্চিমদিক থেকে শের খাঁর আক্রমণ। পর্তুগীজদের সে আল্লাতালার আশীর্বাদ বলে মনে করল। হাতে হাতে মেলালো।

    শের খাঁ এ যুদ্ধে জয়লাভ করলেন। পর্তুগীজদের সহায়তা সত্ত্বেও শের খাঁ-কে রুখতে পারল না মামুদ। তার অন্যতম হেতু—শের তালিয়াগাড়ির (আধুনিক সাহেবগঞ্জ) প্রচলিত পথে আদৌ আসেনি; শের জানত—সে পথে সুলতান হুসেন তার সৈন্য সমাবেশ করেছে। বনজঙ্গল ভেদ করে সে বাংলায় এল এক ঘুর পথে। সেই অতর্কিত আক্রমণে বিধ্বস্ত হয়ে গেল গৌড়াধিপতি মামুদশাহ্-র বাহিনী। বহু উপঢৌকন দিয়ে সুলতান মামুদ শের খাঁর বশ্যতা মেনে নিল।

    .

    কিন্তু ভারতেতিহাস আমাদের আলোচ্য নয়,আমরা আলোচনা করছি সপ্তগ্রামের ইতিহাস। হুমায়ুন হিন্দুস্থান থেকে বিতারিত, শের খাঁ এখন দিল্লীশ্বর শের শাহ শুর। তা হোক পর্তুগীজের। ঐ সুযোগে সুলতান মামুদের ছত্রছায়ায় সপ্তগ্রামে জাঁকিয়ে বসেছে।

    ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি পাঠান রাজত্বের অবসান; দিল্লীশ্বর হয়েছেন আকবর। সম্রাট আকবরের আমল (1556-1605 )। গৌড়ে তখন সুলেমান কররানির সুলতানি। তাঁকে চিনতে না পারলেও তাঁর সেনাপতিটি তোমাদের অচেনা নয় : কালাপাহাড়! নঞর্থক ভাস্কর্যকীর্তিতে সে সারা পূর্বভারতে কুখ্যাত!

    সুলেমান কররানি সেবার ভূরিশ্রেষ্ঠরাজ রুদ্রনারায়ণের রাজ্যটি দখল করার মতলব ভাঁজছে। রুদ্রনারায়ণ সাহায্য চাইলেন তদানীন্তন কলিঙ্গরাজ মুকুন্দদেবের। এবং পেলেন। রুদ্রনারায়ণের জ্ঞাতিভ্রাতা প্রখ্যাত বীর রাজীবলোচন রায় ভূরিশ্রেষ্ঠ এবং কলিঙ্গের সম্মিলিত বাহিনীর সৈনাপত্য গ্রহণ করেন। 1565 খ্রীষ্টাব্দে রাজীবলোচন মুসলমান সুবেদারের হাত থেকে সপ্তগ্রামকে পুনরুদ্ধার করেন। সপ্তগ্রামকে পুনর্বার অধিকারে আনার সঙ্কল্প নিয়ে সুলেমান কররানি ও তাঁর সেনাপতি কালাপাহাড় উপর্যুপরি চারবার সপ্তগ্রাম আক্রমণ করেন এবং চারবারই ব্যর্থ হন। পরিশেষে রুদ্রনারায়ণকে প্রচুর উপঢৌকন প্রেরণ করে সন্ধিস্থাপন করেন

    সপ্তগ্রাম দীর্ঘদিন পরে আবার হয়ে গেল হিন্দুরাজার শাসনে একটি বন্দর।

    কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক হলেও এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করি—অতঃপর সুলেমান কররানি কলিঙ্গরাজ মুকুন্দদেবকে উচিত শিক্ষা দিতে তাঁর সেনাপতি কালাপাহাড়কে প্রেরণ করলেন উড়িষ্যা বিজয়ে। “ভারতবর্ষের ইতিহাসে যে দুর্ভাগ্য পুনরুক্তিদোষে ক্লান্তিকর এবারেও তাই ঘটল। এই চরম দুঃসময়ে মুকুন্দদেবের অমাত্যবর্গ সুযোগ বুঝে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসল। নিরুপায় কলিঙ্গরাজ কোণার্কের সূর্যমূর্তিটি পুরীর মন্দিরে স্থানান্তরিত করে (সম্ভবত আজও তা সেখানে আছে) স্বয়ং যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হলেন। সে যুদ্ধে বুকের রক্ত দিয়ে মুকুন্দদেব তাঁর অমাত্যবর্গের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করে যান। আর কালাপাহাড়ের অপকীর্তি মহাকালের শিলালেখে চিরস্থায়ী হয়ে রইল উড়িষ্যার নানান দেবদেউলে। এই মুকুন্দদেবই উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন হিন্দুরাজা।”[১]

    [১. ‘কারুতীর্থ কলিঙ্গ’, নারায়ণ সান্যাল, ভারতী বুক স্টল, 1987- পূঃ 119.]

    হয়তো ভুল বলেছি। এ কাহিনী এ গ্রন্থে প্রাসঙ্গিক। আমাকে এর পরের দশকে পলাশী প্রান্তরের যুদ্ধটিও তো বর্ণনা করতে হবে—গৌড়দেশের শেষ স্বাধীন মুসলমান নবাবের সেই মর্মন্তুদ কাহিনীটি। ইতিহাস যে নিজের পুনরাবৃত্তি এই সূত্রে তা জানানো গেল।

    ষোড়শ-সপ্তদশ শতাব্দী থেকে সপ্তগ্রামের ভাগ্যে ঘটল দু-জাতের যুগান্তর। একটি ভৌগোলিক, একটি সাংস্কৃতিক।

    ভৌগোলিক পরিবর্তনের হেতু সরস্বতী নদীর মহামৃত্যু।

    ষোড়শ শতকের ষষ্ঠ দশকে বিদেশী পর্যটক সীজার ফ্রেডরিকের বর্ণনায়—

    “A good tides rowing before you come Satgan, you shall have a place which is called Buttor, and from thence upwards the Ships doe not goe, because that upwards the River is very shallow, and little water.

    ভাষা বা বানান যাই হোক, ক্যাপিটাল অক্ষরের ব্যবহারে যতই যথেচ্ছাচার থাক, বুঝতে আমাদের অসুবিধা হয় না—সরস্বতী তিলতিল করে মরে যাচ্ছে। এতকাল ঐ সরস্বতীর খাতেই প্রবাহিত ছিল ভাগীরথীর মূলধারা। দেশের বাণিজ্যের রাজপথ ছিল সেটাই। সপ্তগ্রাম এতদিন ছিল প্রাচ্যের শ্রেষ্ঠ বন্দর—তাম্রলিপ্ত, চট্টগ্রামের প্রতিদ্বন্দ্বী। খ্রীষ্টীয় সপ্তদশ শতাব্দী পর্যন্ত সরস্বতীতীরের অনেকগুলি বন্দর ছিল সমৃদ্ধশালী : শিয়াখালা, সিঙ্গুর, জনাই, চণ্ডীতলা, বেগমপুর, ঝাঁপড়দহ, মাকড়দহ, আন্দুল, হরিপাল প্রভৃতি। সরস্বতী নদী মজে যাওয়ার পর মাথা চাড়া দিয়ে উঠল গঙ্গাতীরবর্তী হুগলী বন্দর। সে-কথা যথাস্থানে

    ঐতিহাসিক তথা সাংস্কৃতিক পরিবর্তন : বৈষ্ণব প্রভাব।

    চৈতন্য-মহাপ্রভুর আদেশে নিত্যানন্দ প্রভু সংসার জীবন প্রবেশ করেছিলেন। তিনি তাঁর শেষ জীবন অতিবাহিত করেন এই সপ্তগ্রামে।

    গড়ে উঠল দ্বাদশ গোপালের অন্যতম শ্রীমৎ উদ্ধারণ দত্তের শ্রীপাটে প্রতিষ্ঠিত গৌর-নিতাই বিগ্রহমন্দির। শ্রীকর দত্তের পুত্র উদ্ধারণ ছিলেন প্রভু নিত্যানন্দের প্রিয় শিষ্য। পৈত্রিক বিশাল সম্পত্তির অধিকারী হয়ে তিনি সুলতান হুসেন শাহর কাছ থেকে একটি জমিদারী ক্রয় করেন। কাটোয়ার কিছু উত্তরে। নিজ নাম অনুসারে তার নামকরণ করেন ‘উদ্ধারণপুর’। তিনি নিজেই করেন, অথবা উদ্ধারকামী ভক্তবৃন্দ এ নামটি দেন তা জানা যায় না। প্রভু নিত্যানন্দ ঐ জনপদে শেষজীবন অতিবাহিত করেন। শোনা যায়, নিত্যানন্দের বিবাহে উদ্ধারণ দশসহস্র সিক্কা টাকা ব্যয় করেন।

    দ্বিতীয়ত সপ্তগ্রামের আর এক গৌরব, রঘুনাথ দাস গোস্বামী।

    চৈতন্যচরিতামৃত’ বলছেন :

    হিরণ্য গোবর্ধন নাম দুই সহোদর।
    সপ্তগ্রামে বার লক্ষ মুদ্রার ঈশ্বর।।

    হিরণ্য ও তাঁর ভ্রাতা গোবর্ধন মজুমদারের জমিদারীর আয় ছিল বার্ষিক বার লক্ষ টাকা। রঘুনাথ ঐ গোবর্ধনের একমাত্র পুত্র। ধর্মানুরাগী পুত্রকে সংসারী করার অভিপ্রায়ে গোবর্ধন সপ্তদশবর্ষীয় কিশোরের সঙ্গে একটি সুন্দরী বালিকার বিবাহ দিলেন। কিন্তু তবু বেঁধে রাখা গেল না। রাহুলমাতা বা বিষ্ণুপ্রিয়ার নামটা অন্তত মনে রেখেছে ইতিহাস, রঘুনাথজায়ার নামটাও মুছে গেছে!

    বিবাহের অনতিকাল পরেই রঘুনাথ সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। বলরাম আচার্যের শিষ্য। দীর্ঘ ষোলো বৎসর নীলাচলে মহাপ্রভুর সেবা করার সৌভাগ্য লাভ করেন। চৈতন্যদেবের তিরোধানের পর চলে যান শ্রীবৃন্দাবনে। রূপ ও সনাতন গোস্বামীর ঘনিষ্ঠ সাহচর্য লাভ করেন। বৃন্দাবনে তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি রাধাকুণ্ড ও শ্যামকুণ্ড উদ্ধার। বহু গ্রন্থও রচনা করেন। শ্রীবৃন্দাবনের ষড়গোস্বামীর অন্তর্গত এই পরমবৈষ্ণব সপ্তগ্রামের মানুষ। তাঁর স্মৃতিতে প্রতি বৎসর অগ্রহায়ণ মাসের কৃষ্ণা দ্বাদশী তিথিতে আজও সেখানে একটি বৈষ্ণব মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

    ষোড়শ শতাব্দীর শেষ পাদ। একজন ইংরাজ বণিক এলেন সাতগায়। নাম রাল্ফ কিচ। তিনি এসেছিলেন স্থলপথে, মধ্যপ্রাচ্য হয়ে। প্রায় আট বছর ধরে ভ্রমণ করেন ভারতবর্ষ, ব্রহ্মদেশ, শ্যামদেশ (1583-91)। বিলাতে ফিরে গিয়ে তিনি এই পূর্বরাজ্যের এক সোনালী স্বপ্নের ছবি প্রকাশ করেন তাঁর ভ্রমণ-বৃত্তান্তে। সমসাময়িক বিলাতি পত্রিকায় সমালোচনায় বলা হল, “He thrilled London in 1591 with the magnificient possibilities of Eastern commerce.

    সন্ধ্যেবেলার আলোকসজ্জার প্রসঙ্গে যদি সকালবেলাকার পলতে পাকানোর কাহিনী লিপিবদ্ধ করতে হয়, তাহলে 1600 খ্রীষ্টাব্দে রানী এলিজাবেথ যে ইংরেজ কোম্পানিকে সান্ধ্য আলোকসজ্জার ‘চার্টার দিলেন, তার সলতেটি পাকিয়েছিলেন ঐ রালফ্ কিচ।

    .

    উনবিংশ শতাব্দী : হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তাঁর ‘বেণের মেয়ে’তে এঁকেছেন সপ্তগ্রামের সম্পদের চিত্র। সমকালীন সপ্তগ্রামের নয়, অতীতের। বঙ্কিমচন্দ্র উনবিংশ শতাব্দীতে ‘কপালকুণ্ডলা’য় সপ্তগ্রামের পতন সম্বন্ধে যে বিবরণ দিয়েছেন তা যথার্থ:

    “পূর্বকালে সপ্তগ্রাম সম্বৃদ্ধিশালী নগর ছিল। এককালে যবদ্বীপ হইতে রোমক পর্যন্ত সর্বদেশের বণিকেরা বাণিজ্যার্থ এই মহানগরে মিলিত হইত। কিন্তু বঙ্গীয় দশম একাদশ শতাব্দীতে (অর্থাৎ খ্রীষ্টীয় ষোড়শ-সপ্তদশ শতাব্দীতে) সপ্তগ্রামে প্রাচীন সমৃদ্ধির লাঘব জন্মিয়াছিল। ইহার কারণ এই যে, তন্নগরের প্রান্তভাগ প্রক্ষালিত করিয়া যে স্রোতবতী বাহিত হইত, এক্ষণে তাহা সংকীর্ণশরীরা হইয়া আসিতেছিল। সুতরাং বৃহদাকার জলযান সকল আর নগর পর্যন্ত আসিতে পারিত না। এ কারণ বাণিজ্য বাহুল্য ক্রমে লুপ্ত হইতে লাগিল। বাণিজ্য-গৌরব নগরের বাণিজ্যনাশ হইলে সকলই যায়। সপ্তগ্রামের সকলই গেল। বঙ্গীয় একাদশ শতাব্দীতে হুগলী নতুন সৌষ্ঠবে তাহার প্রতিযোগী হইয়া উঠিতে ছিল। তথায় পর্তুগীজেরা বাণিজ্য আরম্ভ করিয়া সপ্তগ্রামের ধনলক্ষ্মীকে আকর্ষিতা করিতেছিলেন।”

    বিংশ শতাব্দী : ইস্টার্ন রেলওয়ে টাইম-টেব্‌ল্ খুঁজলে ছোট-হরফে আদি সপ্তগ্রাম নামটি দেখতে পাবে। কোন কোন লোকাল ট্রেন ওখানে আজও দাঁড়ায় যে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }