Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপা – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প125 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. আমি যে কজন গাধা মানুষকে চিনি

    আমি যে কজন গাধা মানুষকে চিনি তোর সুলতান চাচা তাদের মধ্যে এক নম্বর। গাধা শ্রেষ্ঠ।

    সুলতান চাচা মোটেই গাধা মানুষ না। ভাল মানুষ, বুদ্ধিমান মানুষ। কথা রিপিট করলেই মানুষ গাধা হয় না।

    চুপ করে ভাত খা। তোর জ্ঞানী কথা ভাল লাগছে না।

    চুপ করেই তো খাচ্ছি। কথা তুমি শুরু করেছ। তুমি একতরফা কথা বলবে আমি চুপ করে থাকব এটা তো ফেয়ার না।

    তোর সুলতান চাচাকে গাধা মানব প্রমাণ করে দেব। প্রমাণ করাব?

    কর।

    থাক। তোর সঙ্গে কোন কথা নেই। আমি নিঃশব্দে খাব।

    নিঃশব্দে তুমি খাচ্ছ না বাবা। কড়মড় করে শসা কামড়াচ্ছ। আমার উপরের রাগ শসার উপরে ঢালছ।

     

    হারুন মেয়েকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসেছেন। খাবার সময় হালকা গল্প-গুজব করতে তিনি পছন্দ করেন। রূপা বেশির ভাগ সময় আলোচনা হালকা পর্যায়ে রাখে না। কঠিন পর্যায়ে নিয়ে যায়। হারুনকে মেজাজ খারাপ করে আলোচনা শেষ করতে হয়।

    রূপা বলল, বাবা। তোমার ইতিহাস কাব্য কেমন চলছে?

    হারুন বললেন, তোর কথার মধ্যে ফাজলামী ভাব লক্ষ করছি। এটা আমার পছন্দ না।

    রূপা বলল, তাহলে ঐ প্রসঙ্গ থাক। অন্য প্রসঙ্গ। তলাবিহীন কুয়া সম্পর্কে তো কিছুই বললে না। কুয়া পেয়েছিলে?

    হুঁ।

    সত্যি তলা নেই?

    মস্ত বড় একটা পাথর ছুড়ে মেরেছিলাম। সেই পাথর পানিতে হিট করেছে এমন শব্দ পাই নি।

    রূপা বলল, মনে হয় কুয়ায় পানি নেই।

    হারুন বললেন, পানি না থাকলে মাটি তো থাকবে। মাটিতে পড়ার শব্দ হবে না?

    হয়ত নিচে মাটি নেই। নরম কাদামাটি। পাথর কাদামাটিতে শব্দ না করেই দেবে গেছে।

    হতে পারে।

    বাবা! তুমি মেজাজ খারাপ করে খচ্ছি। বদ হজম হবে। মেজাজ ঠিক কর। আমি একটা থিওরি বের করেছি। শুনবে?

    বল শুনি।

    আমার ধারণা এই পৃথিবীর প্রতিটি মানব সন্তানকে কোনো না কোনো Special gift দিয়ে পাঠানো হয়। বেশির ভাগ মানুষই তাদের এই গিফট সম্পর্কে জানে না। তোমার ঘড়ি বালিকা, ঘড়ি না দেখে সময় বলতে পারে। তার মতো আমিও হয়ত কিছু পারি। তুমিও পার। যদিও এখন কোনো কারণে পারছো না।

    হারুন কিছু বললেন না। রূপা বলল, বাবা তুমি কি গিফট নিয়ে এসেছ বলে তোমার ধারণা?

    আমি কোন গিফট নিয়ে আসিনি।

    অবশ্যই এসেছ। চিন্তা করে বল।

    হারুন কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, কোনো কারণ ছাড়া মানুষকে বৈরী করার ক্ষমতা নিয়ে আমি পৃথিবীতে এসেছি। এটাই আমার Special Gift. উদাহরণ হল তোর মা। আমি এমন কি করেছি যে সে আমাকে ছেড়ে চলে গেল? তুই একটা কারণ দেখা সে কেন গেছে।

    রূপা বলল, মানুষ হিসেবে তুমি খুবই Predictable. কোন কাজের পর তুমি কোন কাজ করবে তা আগে থেকে বলে দেয়া যায়। প্রেডিকটেবল মানুষ হল যন্ত্রের মতো। মেয়েরা যন্ত্র মানব পছন্দ করে না। মা এই জন্যেই তোমাকে ছেড়ে চলে গেছে এবং ভাল করেছে।

    হারুন বললেন, যার কাছে গেছে সে খুব আনপ্রেডিকটেবল? সে তো চশমা চোখে ছাগল ছাড়া কিছু না। ছাগলের সঙ্গে তার একটাই তফাৎছাগল ব্যা ব্যা করে আর সে চিবিয়ে চিবিয়ে কথা বলে। যখন কথা বলে তখন মনে হয় জাবর কাটছে। ছাগলার ছাগলা।

    রূপা বলল, বাবা তুমি উনার উপর শুধু শুধু রাগ করছ। উনি মাকে তোমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে যান নি। মা স্বেচ্ছায় গেছেন। রাগ করলে তুমি মার উপর রাগ করতে পার।

    ঐ ছাগলাটা তোর কাছে রসগোল্লা?

    রূপা বলল, খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে মানুষের তুলনা করা ঠিক না, তবে উনি মানুষ ভাল। যথেষ্টই ভাল।

    ছাগলাটার ভাল কি আছে যা আমার নেই?

    আলোচনাটা থাক না বাবা।

    থাকবে না। আমি শুনতে চাচ্ছি। তোর কাছে ছাগলাটা কীভাবে মহামানব হয়ে গেল।

    বাবা। তুমি প্রচণ্ড রেগে গেছ। আমি তোমার রাগ আর বাড়াব না। খাওয়া শেষ কর। মটরশুটি দিয়ে কৈ মাছের ঝোল ক্লাসিক পর্যায়ের ভাল হয়েছে!

    তোর ক্লাসিক কৈ মাছের আমি গুষ্ঠি কিলাই। হারুন খাওয়া ছেড়ে উঠে দাড়ালেন।

    রূপা হতাশ গলায় বলল, বাবা তুমি ছেলেমানুষ না। দুই মাস আগে আমরা তোমার ষাট বছর পূর্তির উৎসব করেছি। এই বয়সে তুমি যদি রাগ করে ভাত না খাও সেটা হবে খুবই হাস্যকর।

    হারুন বললেন, গোদের উপর বিষফোঁড়ার কথা আমরা বলি। তুই হচ্ছিস গোদের উপর ক্যানসার কিংবা এরচেয়েও খারাপ কিছু গোদের উপর এইডস। তুই কাল ভোরে চলে যাবি। তোর মা এবং তার মহামানব স্বামীর সঙ্গে বাস করবি। আমার মতো প্রেডিকটেবল মানুষের সঙ্গে থাকার তোর কোনো দরকার নেই। কাল ভোরে তুই অবশ্যই আমার সংসার থেকে অফ হয়ে যাবি। অবশ্যই, অবশ্যই।

    রূপা বলল, তুমি যে খুব প্রেডিকটেবল মানুষ তার উদাহরণ আমি এখন দেব। কিছুক্ষণের মধ্যেই তুমি আমাকে বলবে, আমি খেতে বসছি, রূপা তুই আমার সামনে বোস। কেউ সামনে না বসলে আমি খেতে পারি না।

    হারুন বললেন, এমন কথা আমি যদি বলি তাহলে আমি মানুষ জাতির কেউ না। আমি কুকুর প্রজাতির। ভাল জাতের কুকুরও না। দেশী নেড়ি কুত্তা।

    হারুন টেবিল থেকে কফি মগ তুলে দেয়ালে ছুড়ে মারলেন। কফি মগটা রূপার ছোটবেলার এবং খুবই পছন্দের। স্কুলে ড্রেস এস ইউ লাইক টোকাই মেয়ে সেজে পেয়েছিল। টোকাই রূপার বড় বাঁধানো ছবি তাদের বাসায় ছিল। রূপার মা বাড়ি ছেড়ে যাবার সময় ছবিটা সঙ্গে নিয়ে গেছেন।

    হারুন মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, এখন শিক্ষা হয়েছে?

    রূপা বলল, হয়েছে। আজকের ডিনার আমার জন্যে বিশেষ শিক্ষা সফর।

    হারুন বললেন, এত কিছুর পরেও তুই হাসিমুখে খাওয়া-দাওয়া করতে। পারছিস?

    রূপা বলল, পারছি। তোমার মেজাজ খারাপ হয়েছে। আমার তো হয় নি। ক্লাসিক কৈ মাছের ঝোলের পুরো বাটি আমি শেষ করব। তুমি রাতে কোনো সময় না কোনো সময় খেতে আসবে। তখন দেখবে কৈ মাছের বাটি খালি।

    ভারভ্যারানি বন্ধ কর। ফাজিল মেয়ে।

    রূপা বাবার দিকে তাকিয়ে হাসল।

    হারুন দোতলায় উঠে গেলেন। মলিনা কফি মগের ভাঙা টুকরা তুলতে তুলতে বলল, খালুজান আইজ বেজায় রাগছে। অবশ্য পুরুষ মানুষের রাগ ভাল জিনিস। মেনা বিলাইয়ের মত পুরুষ কোনো কামের না। নারী চিনি লাজে, পুরুষ চিনি রাগে।

    রূপা বলল, কথা কম বল মলিনা, তোমার কথার যন্ত্রণায় আমি অস্থির।

    মলিনা বলল, আপনি আমার কথার যন্ত্রণায় অস্থির আর আমি অস্থির মদিনার কথার যন্ত্রণায়। এই মেয়ে রাইতে ঘুমায় না। খালি কথা কয়।

    কার সাথে কথা বলে?

    আমি বললে তো বিশ্বাস যাবেন না, সে কথা কয় ভূতের সাথে। এই বাড়িতে না-কি একটা ভূত আছে। ভূতটার সাথে মদিনা গফ করে। আমি তারে বলেছি, আমার লগে রাইতে থাকবা না। আফার সাথে গিয়া থাক। আফাও শুনুক তোমার ভূতের গফ। আমি একলা শুনব কোন দুঃখে।

    রূপা বলল, মদিনাকে থাকতে বল আমার সঙ্গে। আমার অসুবিধা নাই।

    মলিনা বলল, বুঝছেন আফা, হে ভূতের সাথে গফ করে। ভূত তো দুই একটা কথা বলবে। আমি ভূতের কথা কিছু শুনি না। মদিনা একলাই কথা কয়। মাইয়াটা পাগল। তার মাথা কামাইয়া তালুতে পাগলের তেল দিলে ভাল হয়। আমাদের অঞ্চলের বশির কবিরাজ পাগলের তেল বেচে। পঞ্চাশ টাকা বেতিল। দুই বোতল একত্রে কিনলে পঁচাশি টেকা। পনরো টাকা কমিশন।

    রূপা নিজের ঘরের দিকে রওনা হল। মলিনার কথার হাত থেকে বাঁচার একটাই উপীয় সামনে থেকে সরে যাওয়া।

     

    মদিনা বিছানা বালিশ নিয়ে রূপার সঙ্গে ঘুমুতে এসেছে। মেঝেতে বিছানা করে শুয়েছে। রূপার একবার মনে হল মেয়েটাকে বলে, মদিনা মেঝেতে শোবার দরকার নেই। এসো খাটে উঠে এসে আমার সঙ্গে শোও। আমরা দুজনই মহাশক্তিধর মানব প্রজাতির অংশ। টাকা-পয়সা নামক একটি বিষয়ের কারণে আমরা আলাদা হয়ে গেছি। টাকা-পয়সার বিষয়টা অন্য কোনো প্রজাতির মধ্যে নেই বলে তারা আলাদা হয় নি।

    রূপা বলল, তোমার ভূতটার কি অবস্থা? ভূত এখনো দেখ?

    দেখি। আপনের ঘরে খাড়ায়া ছিল। আমারে দেইখা চইলা গেছে।

    তোমাকে ভয় পায়?

    জী না, তয় হে আমার উপরে নারাজ।

    নারাজ কেন?

    আমি তারে দেখতে পারি এই জন্যে হে নারাজ। হে চায় না কেউ তারে দেখুক।

    রূপা গায়ে চাদর টানতে টানতে বলল, তোমার মাথায় সমস্যা আছে। তোমাকে আমি একজন ভালো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব। ডাক্তার তোমার

    দরজায় টোকা পড়ছে। রূপা বলল, কে?

    হারুন বললেন, রূপা মা, ভাত খেতে যাচ্ছি। তুই এসে বোস। তুই না বসলে খেতে পারব না।

    ক্ষুধায় অস্থির হয়েছ বাবা?

    হুঁ।

    রূপা বলল, তুমি টেবিলে যাও আমি আসছি।

    মদিনা চাপা গলায় বলল, আফা আপনার পিতা খুবই ভালোমানুষ। আমি এমন ভালোমানুষ দেখি নাই।

    হারুন আগ্রহ করে খাচ্ছেন। তার বাঁ পাশে রূপা বসেছে। সে বাবার খাওয়া দেখছে। তার মুখ হাসি হাসি। হারুন বললেন, আমি ডিসিসান নিয়েছি এখন থেকে আনপ্রেডিকটেবল সব কর্মকাণ্ড করব।

    রূপা বলল, ভাল তো! এই বয়সে আমার বিয়ে করাটা হবে সবচে আনপ্রেডিকটেবল ঘটনা। বিয়ে করবে ঠিক করেছ?

    হ্যাঁ। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে পাত্রী খুঁজব। তারপর ধুমধাম করে বিয়ে। আমি ঠাট্টা করছি না। আমি সিরিয়াস।

    রূপা বলল, সত্যি সত্যি তুমি যদি বিয়ে কর তাহলে ভালই হবে। তুমি মোটামুটি নিঃসঙ্গ একজন মানুষ। বিয়ে করলে সার্বক্ষণিক সঙ্গী পাবে। পীর-ফকিরের সন্ধানে যখন যাবে নতুন মা তোমার সঙ্গে যাবে।

    তাকে মা ডাকবি?

    কেন ডাকবো না।

    তোর মা যে মহামানবকে বিয়ে করেছে তাকে কি তুই বাবা ডাকিস?

    না।

    তাহলে আমি যাকে বিয়ে করব তাকে মা ডাকবি কোন লজিকে?

    বাবা ডাকা অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার। মা ডাকা সহজ।

    বাবা ডাকা কঠিন কেন?

    জানি না কেন।

    হারুন বললেন, নবীজির একটা হাদিস আছে। নবীজি বলেছেনআল্লাহর পরে আমি যদি আর কাউকে সিজদা করার হুকুম দিতাম সে হত বাবা। এর অর্থ হচ্ছে বাবা অনেক বড় ব্যাপার। এই কারণেই বাবা ডাকা এত কঠিন।

    হতে পারে।

    হারুনের খাওয়া শেষ। তিনি বেসিনে হাত ধুতে ধুতে বললেন, সুন্দর করে একটা বিজ্ঞাপন রেডি করে দিস। পাত্রী চাই লিখবি না। লিখৰি জীবনবান্ধবী চাই।

    সঙ্গে কি তোমার যুবক বয়সের কোনো ছবি যাবে?

    ঠাট্টা করবি না। আই মিন বিজনেস। বিজ্ঞাপনে আমার বয়স উল্লেখ থাকবে। আমার যেসব ত্রুটি আছে, তারো উল্লেখ থাকবে।

    তোমার ত্রুটিগুলি কি?

    তোর মার কাছ থেকে জেনে নিস। স্ত্রীরাই স্বামীর ত্রুটি সবচে ভাল জানে।

    রূপা বলল, বাবা! তুমি একজন ত্রুটিহীন মানুষ।

    হারুন বললেন, আমাকে খুশি করা টাইপ বলবি না। কাজের কথায় আয় জীবন বান্ধবী চাই লেখা ঠিক হবে না। লোকজন অন্য অর্থ করতে পারে। জীবন সঙ্গিনী লেখাই ভাল।

    যদিদং হৃদয়ং তব
    অদিদং হৃদয়ং মম

    এর মানে কি? এর মানে হল, তোমার হৃদয় যা। আমার হৃদয়ও তা।

    রাত তিনটা বাজে।

    রূপার ঘুম ভেঙে গেছে। ঘরের বাতি নেভানো। বারান্দায় বাতি জ্বলছে। সেই আলোয় ঘরের ভেতরটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। রূপা দেখল মদিনা বিছানায় বসে আছে। হাত নেড়ে নেড়ে কথা বলছে।

    আপনারে বললাম, আপনে আফার ঘরে ঢুকবেন না। আফার ক্ষতি করলে আমি কিন্তু আফনেরে ছাড়ব না। এই বাড়ির মেলা ঘর আছে খালি পইড়া থাকে। সেই খানে থাকেন। আফার পিছে ঘুর ঘুর করেন কি জন্যে?

    রূপা ডাকলো, মদিনা!

    মদিনা চমকে তাকালো।

    রূপা বাতি জ্বালালো। বিছানার পাশে রাখা টেবিল থেকে পানির গ্লাস নিয়ে চুমুক দিল।

    মদিনা মাথা নিচু করে বসে আছে। রূপার দিকে তাকাচ্ছে না। রূপা বলল, কার সঙ্গে কথা বল মদিনা?

    মদিনা নিচু গলায় বলল, ভূতটার সাথে।

    তোমার ভূতটা কি এখনো আছে?

    না।

    তুমি একাই ভূতের সঙ্গে কথা বল? ভূত কথা বলে না?

    টুক টাক কথা কয়! বেশি না।

    ভূতটার কি কোনো নাম আছে?

    না। ভূতটা আপনের পিছে লাগছে। তাড়াতাড়ি বিয়া করেন আফা। এই ভূতটা কুমারী মেয়ের পিছে ঘুরে আপনার বিয়া হইলে অন্য মেয়ের সন্ধানে চইলা যাবে।

    রূপা হাই তুলতে তুলতে বলল, ভূতের আলাপটা শুনতে ভাল লাগছে না। তুমি ঘুমাও। আমি বাতি নিভিয়ে দিচ্ছি। ভূত যদি আসেও তার সঙ্গে কথা বলতে যাবে না।

    রূপা বাতি নিভিয়ে দিল। ঘুমের সমস্যা আর কখনো হয়। আজ। সে এপাশ ওপাশ করতে লাগল। ভূত-প্রেত বলে সত্যি কি কিছু আছে? যদি থাকে তাদের জগতটা কেমন? তাদের চিন্তা-ভাবনাই বা কেমন?

    আফা।

    এখনো জেগে আছো। ঘুমাও।

    আপনে কি আমার উপর রাগ হইছেন?

    রাগ হব কেন?

    আমি যে একজনের বিষয়ে বলেছি উনার অবস্থা ভালো না।

    রূপা বলল, যা মনে আসে তাই বলে ফেলা ঠিক না।

    আফা আমি মিথ্যা বলি নাই।

    অনেক সময় আমরা ভাবি সত্যি কথা বলছি, আসলে তা না।

    উনার শইলে নীল রঙের চাদর। নাকে নল। আমি পরিষ্কার দেখলাম।

    কখন দেখলে?

    এই কিছুক্ষণ আগে। উনার মাথার কাছে একটা ঘড়ি আছে। ঘড়িতে তিনটা বিশ বাজে।

    ঠিক আছে। এখন ঘুমাও।

    আমি ঘড়ির সময় কীভাবে দেখি আপনারে বলব?

    না। বকবকানি বন্ধ। এক মলিনাকে নিয়ে কুল পাচ্ছি না। তুমি হয়েছ দ্বিতীয় মলিনা। ঘুমাও।

    মদিনা ক্ষীণ স্বরে বলল, মনে করেন আপনে আমারে বললেন, মদিনা! কয়টা বাজে? ঘর অন্ধকার আমি কিছু দেখতেছি না কিন্তু চউখ বন্ধ করলেই, এই বাড়ির যে কোন একটা ঘড়ি দেখব। আফা আমার মনে হয় আমার বিরাট কোনো অসুখ আছে।

    রূপা বলল, আমারও তাই ধারণী। এখন আর কথা না।

    রাত তিনটা পঁচিশ মিনিটে রাশেদকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তার লাংসের কার্যক্ষমতা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। কৃত্রিম যন্ত্রে ফুসফুসে অক্সিজেন দেবার ব্যবস্থা করতে হবে। সকালের আগে তা করা যাচ্ছে না। সকাল পর্যন্ত সময়টা রাশেদকে নিজের উপরে টিকে থাকতে হবে।

    রাশেদের মনে হচ্ছে ট্রেনে করে সে যাচ্ছে। ট্রেনটা টানেলের ভেতর ঢুকেছে। টানেলের ভেতর সারি সারি হলুদ আলো। টানেলের দুপাশে ছোট ছোট ঘর। রাশেদ বিড়বিড় করে বলল,

    রেলগাড়ি ঝমাঝম, পা পিছলে আলুর দম
    ইস্টিশনের মিষ্টি কুল, শখের বাগান ‘গোলাম’ ফুল।

    গোলাম ফুলটা আবার কি? গোলাপ ফুল হবার কথা না? সে আবারও ছড়াটা বলল, গোলাপ ফুলের জায়গায় আবারও গোলাম ফুল হয়ে গেল।

    এতক্ষণ সে ট্রেনে যাচ্ছিল হঠাৎ দেখল ট্রেনটা হাসপাতালের ট্রলি হয়ে গেছে। ট্রলি ঠেলছে রূপা ব্যানার্জি। তার গায়ে রাতে শোবার পাতলা পোশাক। শরীর দেখা যাচ্ছে। তার ঠোঁটে সিগারেট। সে ধোয়া ফেলছে রাশেদের মুখে। সিগারেটের ধোঁয়ায় রাশেদের গা গুলাচ্ছে।

    রূপা ব্যানার্জি বলল, তুমি কি ভেবেছিলে? আমাকে ছেড়ে পালিয়ে বাঁচবে? পালাতে পেরেছ?

    না।

    মাইকেল মধুসূদনের কবিতা শুনবে?

    না।

    আহা শোন না–জলধির অতল সলিলে, পষিস যদিও তুই, পষিব সে দেশে। এর অর্থ হচ্ছে–সাগরের নিচে লুকিয়ে থাকলেও আমি তোমাকে খুঁজে বের করব।

    হুঁ।

    তুমি যে মারা যাচ্ছ এটা বুঝতে পারছ?

    হুঁ।

    কি মজার কথা। মারা যাবার কথা ছিল আমার। আমি ঠিকই বেঁচে আছি। তুমি মরে যাচ্ছ।

    হুঁ।

    তোমার কবরে কি এপিটাফ হবে তুমি চিন্তা করেছ?

    না।

    আমি একটা বলব?

    বল।

    তোমার কবরে লেখা থাকবে–পাখি উড়ে গেছে।

    আচ্ছা।

    কালো গ্রানাইট পাথরে সাদা অক্ষরে লেখা। সেখানে উড়ন্ত একটা পাখির ছবিও থাকবে। তোমার কী পাখি পছন্দ?

    ঘুঘু পাখি।

    আচ্ছা ঠিক আছে–ঘুঘু পাখিই থাকবে। পাখিটার নিচে লেখা থাকবে। বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান। হি হি হি।

    রূপা ব্যানার্জি শব্দ করে হাসছে। সে একা হাসছে না। আরো অনেকেই হাসছে। যারা হাসছে তারা কি সবাই ট্রেনের যাত্রী? ট্রেন থেমে আছে কেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরুমালী – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article রূপার পালঙ্ক – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }