Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রোদনভরা এ বসন্ত – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প92 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. দুটা মাছি ভন ভন করছে

    বারসাতের মুখের ওপর অনেকক্ষণ ধরে দুটা মাছি ভন ভন করছে। একটা বড় একটা ছোট! বড়টার রঙ ঘন নীল। বারসাত বিস্মিত চোখে মাছি দুটার দিকে তাকিয়ে আছে। বৃষ্টি-বাদলার সময় মাছি উড়ে না। বৃষ্টি শুরু হলেই মাছিরা যে যেখানে আছে সেখানে ঝিম ধরে বসে থাকে। বৃষ্টির পানি পাখায় লাগলে মাছিদের উড়তে অসুবিধা হয় বলেই তাদের এত সাবধানতা।

    অথচ এই মাছি দুটা উড়েই যাচ্ছে। বাইরে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। সেদিকেও তাদের নজর নেই। তারা উড়ে উড়ে জানালা পর্যন্ত যাচ্ছে আবার ফিরে এসে বারসাতের নাকের কাছাকাছি ওড়াউড়ি করছে। বারসাতের কেন জানি মনে হচ্ছে এই মাছি দুটার একটা (বড়টা যেটার গায়ের রঙ ঘন নীল।) তার নাকের ফুটো দিয়ে ঢুকে পড়ার চেষ্টায় আছে। যে কোনো। মুহর্তে এই কাজটা সে করবে।

    খুবই অদ্ভুত চিন্তা-ভাবনা। মাছিরা এমন কাজ কখনো করবে না। তারা জাপানি কামাকাজি পাইলট না। বারাসাত তাদের শত্রুও না। তারপরেও সে এই চিন্তা মাথা থেকে দূর করতে পারছে না। জ্বর বেশি হলে মানুষের মাথায় উদ্ভট চিন্তা আসে। বারসাতের গায়ে জ্বর। বেশ ভালোই জ্বর। মাথার ভেতর এরোপ্লেন চলার মতো শব্দ হচ্ছে। জ্বর খুব বেড়ে গেলে মাথার ভেতর এরোপ্লেন চলার মতো শব্দ হয়। এরকম জ্বর-তপ্ত মাথায় উদ্ভট চিন্তা আসতেই পারে।

    বারসাত শুয়ে আছে তার দূর-সম্পর্কের মামার বাগানবাড়িতে। বাড়ির নাম পদ্মাকাঠের একতলা বাড়ি। বড় বড় জানালা। জানালা খুললেই চোখে পড়ে বাড়ির পেছনের পদ্ম পুকুর। পুকুরে সত্যিকার পদ্ম ফুটে আছে। মীরু এই বাড়ি দেখলে মুগ্ধ হত। সেটা সম্ভব হল না। মীরু আসেনি, বারসাতকে একা আসতে হয়েছে। বারসাত তিন বেহালাবাদক ঠিক করে রেখেছিল। এরা পদ্ম নামের বাড়ির উঠানে বসে থাকবে। বারসাত এবং মীরুর বাড়ির গেট দিয়ে ঢুকতে দেখলে বেহালায় বাজাতে থাকবে—

    লীলাবালী লীলাবালী
    বড় যুবতী কন্যা কি দিয়া সাজাইতাম তরে?

    বারসাতের আসতে দেরি দেখে তিন বেহালাবাদকের মধ্যে দুজন বারান্দার সোফায় লম্বা হয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। একজন জেগে রইল। সেই একজন বারসাতকে একা ঢুকতে দেখে খানিকটা বেদিশা হয়ে গেল। তারপরেও সে বেহালা হাতে নিল। বাজাব না-কি বাজাব না ভঙ্গিতে তাকাল। বারসাত বলল, লাগবে না। বেহালা বাজানোর দরকার নেই।

    বেহালাবাদক বলল, আপনার কী হয়েছে? চোখ টকটকা লাল।

    বারসাত বলল, আমার কিছু হয় নাই, চোখে লাল রঙ মেখেছি। মেয়েরা ঠোটে লিপস্টিক দেয়। আমি ঠোটে দিয়েছি আই স্টিক। আপনাদের তো টাকা-পয়সা আগেই দিয়ে রেখেছি এখন বাড়ি চলে যান। বিদায়।

    বাজনা বাজাব না?

    বাজনা বাজাতে হবে না। বাজনার দরকার ছিল আমার স্ত্রীর জন্যে। স্ত্রী নাই, বাজনাও নাই।

    উনি কোথায়?

    জানি না উনি কোথায়। আপনারা বিদায় হন। টা টা বাই বাই।

    ভাই সাব আপনার কি জ্বর? আপনি তো দাঁড়ায়ে থাকতে পারতেছেন না।

    বারসাত বলল, দাঁড়িয়ে থাকতে না পারলেও কোনো সমস্যা নেই। আমি এক্ষুনি বিছানায় শুয়ে পড়ব। এক মাস ঘুমাব। গিনিস বুক অব রেকর্ডে নাম তুলে ফেলব। একবিংশ শতাব্দীর রিপ ভ্যান উইংকেল।

    বারসাত কতক্ষণ ঘুমুচ্ছে বা কতক্ষণ ঘোরের মধ্যে আছে তা সে জানে না। তার কাছে মনে হচ্ছে সে বেশির ভাগ সময় অচেতন অবস্থাতেই থাকে। মাঝে মাঝে সামান্য চেতনার মতো আসে তখন পদ্ম নামের বাগানবাড়ির কেয়ারটেকারের সঙ্গে তার কিছু কথাবার্তা হয়। কেয়ারটেকারের নাম রফিক। রফিকের চেহারা বারসাতের কাছে একেক সময় একেক রকম মনে হয়। প্রবল জ্বরের কারণেই এরকম হচ্ছে এটা বারসাত বুঝতে পারছে। মেয়েরা সাজগোছ করে চেহারা বদলায়। ছেলেদের চেহারা বদলায় না। রফিকের চেহারা একেক সময় একেক রকম দেখানোর আর কোনো কারণই নেই। জ্বর বারসাতের মাথা এলোমেলো করে দিচ্ছে।

    জ্বর খুব যখন বাড়ছে তখন আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে। মাথার ভেতর ঝিঝি পোকার ডাক শোনা যাচ্ছে। এক পর্যায়ে ঝিঝি পোকার ডাকটা বেহালার শব্দের মতো হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে তিন বেহালাবাদক বাজাচ্ছে—

    লীলাবালী লীলাবালী
    বড় যুবতী কন্যা কি দিয়া সাজাইতাম তরে।

     

    বারসাত ডাকল, রফিক রফিক

    রফিক প্লেটে করে কাটা পেঁপে নিয়ে ঢুকল। যে কোনো খাদ্যদ্রব্য দেখলেই বারসাতের সমস্ত শরীর মোচড় দিয়ে ওঠে। ইচ্ছা করে খাদ্যদ্রব্য নিয়ে যে ঢুকেছে তার গায়ে বমি করে ভাসিয়ে দেয়। এবারো একই ঘটনা ঘটল। বারসাত নিজেকে সামলে নিয়ে অনেক কষ্টে প্রায় আদুরে গলায় বলল, কেমন আছ রফিক?

    রফিক হড়বড় করে বলল, আমি তো ভালোই আছি। আফনের অবস্থাটা কী কন দেহি।

    আমিও ভালোই আছি শুধু এই মাছি দুটা খুব বিরক্ত করছে। মাছি দুটা মারতে পারলে একশ টাকা বকশিশ পাবে। বড় মাছিটা মারতে পারলে পাবে সত্তর টাকা আর ছোটটা মারতে পারলে ত্রিশ। দেখ তো মারতে পার কি না।

    একশ টাকা বকশিশ রফিককে কাবু করতে পারল না। সে পেঁপের প্লেট বিছানার পাশের টেবিলে রাখল। কঠিন কোনো কথা বলবে এর রকম ভঙ্গিতে বারসাতের খাটের পাশে এসে দাঁড়াল। থমথমে গলায় বলল, স্যার আমি আপনেরে দুইটা কথা বলব মন দিয়া শুনেন।

    বারসাত বলল, তোমার কথা আমি মন দিয়েই শুনি রফিক। মীরুর কথা যতটা মন দিয়ে শুনি ততটা মন দিয়ে হয়তো শুনি না। সেটা সম্ভবও না। তারপরেও…

    স্যার আপনি কথা কইয়েন না। আমি কী বলতেছি শুনেন। আপনার আল্লাহর দোহাই লাগে।

    বল শুনছি।

    আপনের শরীর খুবই খারাপ। আপনারে এইখানে রাখতে কোনো ভরসা পাই না। আপনের এইখানে মৃত্যু হলে আমরা বিরাট বিপদে পড়ব।

    বিপদের কী আছে? মানুষের মৃত্যু হয় না? মৃত্যু হলে এখানে কবর দিয়ে দিবে। কিংবা আমাকে ইটসহ বস্তায় ভরে পদ্ম পুকুরে ফেলে দেবে। কোনো সমস্যা নাই।

    স্যার শুনেন, উল্টাপাল্টা কথা বলে লাভ নাই। আজ সন্ধ্যায় আমি টেম্পো ভাড়া করে আনতেছি। আমি আপনারে নিজে ঢাকায় দিয়ে আসব।

    রফিক এখন তুমি আমার কথা মন দিয়ে শোনো আমার শরীরের যে অবস্থা–পথেই মারা যাব তখন তুমি বিরাট বিপদে পড়বে। পুলিশ তোমাকে ধরে নিয়ে যাবে। তোমার সঙ্গে নিরীহ বেবিটেক্সিওয়ালাকে ধরে নিয়ে যাবে। হেভি প্যাদানি দেবে। পুলিশের পাদানি খেয়েছ কখনো? মারাত্মক জিনিস।

    স্যার আপনি ঢাকার বাড়ির আত্মীয়-স্বজনের ঠিকানা দেন। আমি তাদের নিয়া আসি।

    তোমাকে এইসব কিছু করতে হবে না। আমি শরীরে বল পাওয়া শুরু করেছি। এক-দুই দিনের ভেতর উঠে বসব। তখন তুমি একটা বেবিটেক্সি ডেকে আনবে। আমি বেবিটেক্সিতে উঠে ফুড়ুৎ করে চলে যাব। আমার সঙ্গে তোমাকে আসতে হবে না। কাজেই পথে যদি মারা যাই তোমাকে কেউ ধরবে না। বেবিটেক্সিওয়ালাকে ধরবে।

    স্যার আপনি এত কথা বলতেছেন কেন?

    শরীর যে ঠিক হতে শুরু করেছে এটা তোমাকে বোঝানোর জন্যে এত কথা বলছি। এখন তুমি দয়া করে পেঁপের পিরিচটা সামনে থেকে নাও। তোমাকে তো বলেছি আমার সামনে কোনো খাদ্যদ্রব্য আনবে না। আমি বাতাস খেয়ে বাঁচব। এখন থেকে আমি বায়ু-ভুক।

    আজকেও কিছু খাবেন না?

    না। কিছু না খাওয়াও এক ধরনের চিকিৎসা। এই চিকিৎসার নাম উপবাস চিকিৎসা।

    অন্য কিছু খাইতে ইচ্ছা করে?

    এই মুহূর্তে একটা জিনিস খেতে ইচ্ছা করছে। জিনিসটার নাম মার্বেল সিঙাড়া। মার্বেলের সাইজ। একসঙ্গে দুটা-তিনটা মুখে দেয়া যায়। মগবাজার কাজি অফিসের কাছে এই সিঙাড়া বানানো হয়। মীরুর খুবই পছন্দের খাদ্য। একবার সে আটত্রিশটা সিঙাড়া খেয়ে ফেলেছিল। তখন আমি তাকে টাইটেল দিলাম সিঙাড়া কন্যা। এই অপূর্ব সিঙাড়া যে কারিগর বানায় তার নাম নেক মর্দ। অদ্ভুত নাম না?

    রফিক জবাব দিল না। পেপের প্লেট নিয়ে চলে গেল। বারসাত চিৎ অবস্থা থেকে পাশে ফিরল। তার মাথায় কবিতার লাইন আসছে। সবই উল্টা হয়ে আসছে। ব্যাপারটা কী? মাথা কি পুরো খারাপ হয়ে গেল–

    য়াখিরা নম্পক ন্নক্ষু ব্ধক্ষু ন্তেপ্রালজ
    য়াকিআঁ যাকিআঁ গুচিণরচ লজস

    বারসাত বুঝতে পারছে না তার পৃথিবী উল্টো হয়ে যাচ্ছে কি না। মাথার ভেতর বড় রকমের কোনো ঝামেলা অবশ্যই হচ্ছে। হোক ঝামেলা। মাথার ভেতর উলটপালট ঝামেলা হলে খারাপ লাগে না।

    Ring a ring O roses
    A pocket full of poises
    Atishoo! Atishoo!
    We alf fall down.

    এই কবিতাটা মাথায় উল্টা আসেনি। ঠিকমতোই এসেছে। ১৬৬৫ সনে লন্ডনে যখন ভয়াবহ plague দেখা দিল তখন লন্ডনের ছেলেমেয়েরা এই ছড়াটা রাস্তায় রাস্তায় বলে বেড়াত। We all fall do down. আমরা সবাই মরে পড়ে যাব। কারণ আমাদের হয়েছে ভয়াবহ ব্যাধি–প্লেগ!

    রফিক রফিক।

    রফিক বিরক্ত মুখে দরজার কাছে এসে দাঁড়াল। বারসাত বলল, তাড়াতাড়ি বালতিটা আনো। আমি বমি করব। বমির টাইম চলে এসেছে। বমি করার পর কী হবে জানো? We all fall down.

    রফিক বালতি নিয়ে এসেছে। বালতির রঙ ঘন লীল। রঙটা চোখে লাগছে। অসুস্থ অবস্থায় কটকটা হলুদ রঙ চোখে লাগে। লাল রঙ লাগে। নীল রঙ কি লাগে?

    রফিক!

    জি স্যার।

    আমি আর বাঁচব না। আমার আত্মীয়-স্বজনকে খবর দাও।

    স্যার বলেন কারে খবর দিব।

    আমার মাকে খবর দিতে পার। তাকে খবর দেবার সমস্যা কী জানো? তিনি এসেই আমার সঙ্গে ঝগড়া শুরু করবেন। ক্যাটক্যাট কথা বলবেন। এমন সব কথা যা শুনলে নিতান্ত ভালোমানুষের গায়েই আগুন ধরে যাবে।

    স্যার কথা না বলে চুপ করে শুয়ে থাকেন। রেস্ট নেন।

    কথা বলাতেই আমার রেস্ট হচ্ছে। রবীন্দ্রনাথের একটা বিখ্যাত গান আছে— আমার এই কথা বলাতেই আনন্দ। উঁহু ভুল করেছি, গানটা হচ্ছে— আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ। রফিক।

    জি।

    তুমি বিরক্ত মুখ করে হলেও আমার যথেষ্ট সেবা করেছ। আমি যদি কোটিপতি হতাম তাহলে উইল করে তোমাকে লাখ বিশেক টাকা দিয়ে। যেতাম। আমি হতদরিদ্র। বাজারে আমার দেনা হল তেইশ হাজার টাকা। বিয়ে যে আমার হয়নি সেটা একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। রফিক!

    জি।

    দুটা মাছি আমার নাকের কাছে ভ্যান ভ্যান করছিল। এরা কোথায় গেছে একটু দেখ তো। এদেরকে ধরার জন্যে একশ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিলাম। জীবিত বা মৃত একশ টাকা দেয়া হবে।

    স্যার আপনি শুয়ে থাকেন আমি মাথায় পানি ঢালি।

    যা ঢালতে ইচ্ছা হয় ঢাল। একটাই শুধু কথা, আমার মা যদি আমার খোঁজে চলে আসে তাহলে বলবে আমি মারা গেছি। বলতে পারবে না?

    অবশ্যই বলতে পারবে। বলতে না পারার কিছু নেই। সামান্য মিথ্যা বলা হবে। তবে ঠিক মিথ্যাও না। আমি তো মারাই যাচ্ছি। আমি যদি অতি বিখ্যাত কেউ হতাম তাহলে তুমি একটা বই লিখতে পারতে–

    বারসাত আলীর সঙ্গে
    শেষ কিছু সময়।

    আমি বিখ্যাত কেউ না। বিখ্যাত কেউ হবার কোনো সম্ভাবনাও আমার মধ্যে নেই। আমার মত মানুষরা জীবন শুরু করে প্রাইভেট টিউটর হিসেবে। জীবন শেষ করে কোচিং সেন্টারের ম্যানেজার হিসেবে।

    রফিক বারসাতের মাথায় পানি ঢালতে শুরু করেছে। বারসাত কথা। বলা বন্ধ করেছে। তবে এখন তার অন্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। তার কাছে। মনে হচ্ছে বিছানার পাশে তার মা দাড়িয়ে আছেন। তাঁর মুখ থেকে জর্দার গন্ধ পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। জর্দার কড়া গন্ধের কারণে বারসাত বুঝতে পারছে না— তার মা কি সত্যি সত্যি চলে এসেছেন না কি সে যা দেখছে। ঘোরের মধ্যে দেখছে।

    মাকে দেখতে ইচ্ছা করছে না। বারসাত চোখ বন্ধ করল। তাতেও লাভ হল না। চোখ বন্ধ অবস্থাতেও সে তার মাকে পরিষ্কার দেখতে পেল।

    লাভের মধ্যে লাভ আগের মা জর্দার গন্ধ নিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে। ছিলেন। এই মা কথা বলা শুরু করলেন।

    এই তোর কী হয়েছে?

    জানি না।

    শরীর থেকে চামড়া উঠছে না কি?

    শরীর থেকে চামড়া উঠবে কেন? আমি কি সাপ?

    শরীর থেকে চামড়া ওঠা রোগ তোর বাপেরও হয়েছিল। এই রোগেই সে মারা গেল। এটা তোদের বংশের ধারা। চামড়া ওঠা রোগে মৃত্যু।

    দুষ্ট লোকে বলে বাবা মারা গেছেন তোমার ক্যাটক্যাটানি শুনে। বাবা যখন মৃত্যুশয্যায় তখনো তুমি তার কানের কাছে দিনরাত ক্যাটক্যাট করেছ।

    তোর বাপের সঙ্গে কী করেছি সেটা তোর বাপের আর আমার ব্যাপার। রোজ হাশরে আমার মধ্যে আর তোর বাপের মধ্যে ফয়সালা হবে।

    ফয়সালা হলে তো ভালোই।

    লোকমুখে শুনলাম তুই গোপনে বিয়ে করেছিস।

    বিয়ে করার চেষ্টা করেছিলাম মা। শেষ মুহূর্তে পাত্রী আসেনি বলে বিয়ে হয়নি।

    তাহলে তো ভালোই হল। এখন তুই আমার বোনের মেয়েকে বিয়ে কর।

    ফাতিলকে বিয়ে করতে বলছ?

    ফাতিলটা আবার কে?

    লতিফাকে উল্টো করে বললাম ফাতিল। এখন বেশির ভাগ শব্দ আমার। মাথায় উল্টো করে আসছে।

    লতিফার মত মেয়ে পাবি না। তোকে সে মাথায় করে রাখবে। একশ বার লাথি দেবার পরেও মাথা নিচু করে রাখবে। কোনো শব্দ করবে না।

    বারসাত গুনগুন করে বলল,

    লাথি-কন্যা নাম
    আজ আমি তোমাকে দিলাম।

    কী বললি?

    একটা কবিতা বলেছি মা।

    কী কবিতা?

    লতিফাকে নিয়ে কবিতা। তুমি কি একটা কাজ করবে? লতিফাকে পাঠিয়ে দেবে। আমি অসুস্থ মানুষ। সে আমার সেবা করুক।

    তুই কি পাগলটাগল হয়ে গেলি? একটা কুমারী মেয়েকে এমন নির্জন জংলা টাইপ জায়গায় একা পাঠিয়ে দেব? তোর চিন্তা-ভাবনা তো ভালো না। তোর চিন্তা-ভাবনাও দেখি তোর বাবার মত।

    বাবার চিন্তা-ভাবনা এ রকম ছিল?

    হুঁ। আমি তোর বড় বোনের জন্মের সময় এক মাস ছিলাম হাসপাতালে। হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে দেখি তোর বাবা অল্প বয়েসী এক কাজের বুয়া রেখেছে। সেই বুয়া ঠোটে লিপস্টিক মাখে। তোর বাবার দিকে তাকিয়ে কেমন করে জানি হাসে।

    তুমি কি করলে, ঝেঁটিয়ে বিদায় করলে?

    বিদায় করব কি? তোর বাবা বিদায় করতে দিলে তবে না বিদায় করব। একদিন দেখি কি সে তোর বাবার পিঠে তেল মালিশ করে দিচ্ছে।

    ঐ বুয়ার নাম কি ছিল মা?

    রানী।

    শেষ পর্যন্ত তাকে বিদায় করলে কি ভাবে মা?

    কি কষ্টে যে বিদায় করেছি তা শুধু আমি জানি আর আল্লাহপাকে জানেন। তোর বাবা তাকে ছাড়াবে না, সেও এই বাড়ি ছেড়ে যাবে না।

    উনি দেখতে কেমন ছিলেন মা?

    উনি উনি করছিস কেন? কাজের বুয়ার আবার উনি কি।

    দুষ্টু লোকে যে বলে বাবা গোপনে ঐ বুয়াকে বিয়ে করেছিলেন সেই জন্যেই সম্মান করে উনি বলছি।

    এক থাপ্পড় দিয়ে আমি তোর দাঁত ফেলে দেব।

    ছড়া শুনবে মা?

    কী শুনব?

    ছড়া। ইংরেজি ছড়া—

    Atishoo! Atishoo!
    We all fall down.

    এর মানে কী?

    এর মানে হল আমাদের সবারই প্লেগ রোগ হয়েছে। আমরা সবাই মরে। পড়ে থাকব তুমি, আমি, রানী বুয়া, লতিফা, ঐন্দ্রিলা, নীলুফার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরূপার পালঙ্ক – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article লিলুয়া বাতাস – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }