Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লবঙ্গীর জঙ্গলে – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লবঙ্গীর জঙ্গলে – ২

    ২

    সৌমেনবাবুরা এবার জুকু ক্যুপে ক্যাম্প করেছেন। সেখানেই কাঠ কাটা হচ্ছে।. টুল্বকার কাছে ভীম্‌দ্ধারার পুরানো ক্যাম্পটাও আছে। কিন্তু এবার কি আর ক্যাম্পে থেকে জঙ্গল দেখার সৌভাগ্য হবে আমার? চন্দনীর বিপদটা কি কে জানে?

    সৌমেনবাবু দুপুরে খাওয়ার সময় বললেন, উনি কোনো খবরই জানেন না চন্দনীর এবং একটু অভিমানমিশ্রিত বিরক্তিও দেখালেন। কটকে এত লোক থাকতে, ভুবনেশ্বরে সৌমেনবাবু নিজে থাকতে তবু চন্দনী হঠাৎ কোলকাতা থেকে আমাকে তলব করেছে বলে।

    তারপর হেসে বললেন, যারা ঝুটঝামেলা ভালোবাসে ঝামেলা-ঝক্কি তাদের চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে। বুঝলেন।

    আমি হেসে বললাম, যা বলেছেন।

    সবজীমণ্ডীতে গিয়ে কিছু কাঁচা বাজার করে নিয়েছিলাম। চাল, ডাল, তেল, ঘিও। কোথায় থাকব, কি খাব কিছু ঠিক নেই। তাঁবু থাকলে ভালো হত। ত্রিপল চেয়ে নিলাম একটা। আমার পয়সা থাকলে পুরোনো স্টেশন-ওয়াগন কিনে ডিজেল এঞ্জিন বসিয়ে ক্যারাভান বানিয়ে নিতাম একটা। যে কোনো জঙ্গলে যেখানে সেখানে যখন ইচ্ছে থাকা যেত তাহলে।

    এ জীবনে অনেক সাধই অপূর্ণ রইল, তার মধ্যে এও একটা বড় সাধ। হিন্দোলের পর ঢেন্‌কানল্ ‘ পেরোলাম। গরম এখনও তেমন পড়েনি। সামনেই দোল। ঢেন্‌কানলে এক কাপ চা আর পোড়াপিঠে খেয়ে শেষ বিকেলে অংগুলে এসে পৌঁছলাম। অংগুল থেকে টিকড়পাড়া যাব। কৰ্তৃপটা-পূর্ণাগড়-পম্পাশর- পূর্ণাকোট হয়ে। গহন জঙ্গল পথের দুপাশে। অন্য জানোয়ারের ভয় করি না। পথে হাতী পড়লে মুশকিল করতে পারে।

    পূর্ণাকাটে যখন এসে পৌঁছলাম তখন অন্ধকার ঘন। এখানে আরেক কাপ চা খেয়ে টিকড়পাড়ার দিকে চললাম। টিকড়পাড়ার ঘাটে গিয়ে জিপ থামালাম প্রায় দেড়শ মাইল এসে। জিপটা একটা দোকানের সামনে পার্ক করিয়ে, দোকানিকে জিপ দেখতে বলে, ঘাটের মুখে শেষ যে দোকান সেখানে গিয়ে শুধোলাম ওড়িয়াতে, চন্দনী বলে কোনো মেয়ের খোঁজ জানো? টিকড়পাড়ায় থাকে?

    এই দোকানদারদের অনেকেই আমাকে চেনে। বৌধ ও ফুলবানী যাতায়াতের পথে অথবা জঙ্গল থেকে এসে অনেক সময় আমরা টিকড়পাড়ায় ঘাট থেকে মাছ কিনে এইসব দোকানে ভেজে নিয়ে খেতাম। এখানকার মহানদীর সাতকোশীয়া গণ্ডের মাছের স্বাদই আলাদা।

    দোকানি অবাক হয়ে বলল, কে চন্দনী?

    আমি চন্দনী চন্দ্ৰকান্ত দুজনের কথাই বললাম।

    লোকটা চিনল বলে মনে হল না।

    তারপর বলল, আপনি বসুন, আমি খোঁজ করছি।

    আমি ওর দোকানের সামনে বাঁশের বেঞ্চে বসে পাইপটা ধরালাম।

    সামনে মহানদীর সাতকোশীয়া গণ্ড। আবছা চাঁদের আলোয় ভারী সুন্দর দেখাচ্ছে। শীতলপানির উল্টোদিকে বাঁক নিয়েছে নদীটা। ওপারে পদ্মতলা, শীতলপানি, মাথা উঁচু ঘন অরণ্যানীবেষ্টিত পাহাড়। বন, পাহাড়, এই নদী, নদীর পাড়ে বেঁধে রাখা ছোট-ছোট জেলে নৌকো, হিলজার্স কোম্পানির মোটর বোটটা, সবই যেন চাঁদনী রাতে কেমন মোহময় অপার্থিব বলে মনে হচ্ছে।

    খুব জোরে নিশ্বাস নিলাম আমি। ফুসফুস সাফ হয়ে গেল। অনেক—অনেকদিন পর আমি আমার একমাত্র বিশ্বস্ত প্রেমিকার কাছে এসেছি—এই বন, পাহাড়, নদী, এই জঙ্গলের গন্ধ, খোলা বাতাসের এলোমেলা চুলের স্বস্তি : সব সব। কী ভালো যে লাগে তা কি বলব। কোলকাতার খাঁচায় বন্দী একটা দু-পেয়ে জানায়োর বহুদিন পর আবার চারপেয়েদের রাজ্যে ফিরে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল।

    অনেকক্ষণ পর দোকানী ফিরে এল, সঙ্গে মোটাসোটা একজন হস্তিনী মেয়ে। দোকানি গম্ভীর মুখে বলল, মাউসী। অর্থাৎ মাসী খবর জানে।

    মাউসী পাকা ব্যবসাদারের মতো মুখ করে শুধোল, আমি কি চাই; কোন বয়সের মেয়ে চাই?

    থতমত খেয়ে দোকানির দিকে চাইলাম আমি।

    দোকানি আমার চাউনী আমাকে ফেরৎ দিয়ে, মাউসীকে বলল, চন্দনী। বাবু চন্দনীকেই চায়।

    মাউসী তাচ্ছিল্যের গলায় বলল, চন্দনীর ঘরে লোক আছে। তোমাকে একটু দাঁড়াতে হবে।

    তারপর আবার জিপগাড়ি ও আমার ভদ্র পোশাক তীক্ষ্ণ চোখে দেখে নিয়ে বলল, সারারাত থাকবে?

    কি বলব ভেবে না পেয়ে বললাম, হুঁ।

    –তবে দশ টাকা লাগবে। আর আমার পাঁচ টাকা। অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে বলল মাসী।

    বললাম, ঠিক আছে।

    দোকানি আমার চোখের দিকে চেয়ে বুঝল কিছু একটা গোলমাল হয়ে গেছে। তারপর বলল, চা বানাই?

    বললাম, বানাও।

    মাউসী অগ্রিম পনেরো টাকা নিয়ে চলে গেল।

    বলল, ঘর খালি হলে তোমাকে এখান থেকে ডেকে নিয়ে যাব।

    আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছিলাম। এই ঘাটে বহুবার এসেছি, গেছি। থেমেছি। এক- দুবার খিচুড়ি রাঁধিয়েও খেয়েছি। কিন্তু কখনও জানিনি যে, প্রকৃতির এই আশ্চর্য উদার প্রসন্নতার নীচে পৃথিবীর আদিমতম অন্ধকার বাসা বেঁধে আছে। বিড়িগড়ের চন্দনীকে এইভাবে আবিষ্কার করব বলে দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। এখন বুঝলাম যে, কেন ও স্থানীয় মুরুব্বীদের কাছে সাহায্য চায়নি। ও হয়তো যে কারণেই হোক আমাকেই ওর সবচেয়ে আপনজন ভেবেছিল। এটা সৌভাগ্য ভেবেছিলাম। এখন দেখছি দুৰ্ভাগ্য।

    দোকানি মুখ নিচু করে চা বানাচ্ছিল।

    আমি বললাম, চিনি কম দিও।

    ও স্বগতোক্তির মতো বলল, ঘাসিয়ানী মেয়েদের কেউ কেউ এরকম; সবাই নয়। আপনি অবাক হলেন বাবু? এ তো গত পঞ্চাশ বছর ধরে চলেছে। তারপর বলল, ভাগ্যিস চলছে, নইলে আমরা তো না খেয়ে মরতাম। ওদের জন্যেই অনেকখানি কেনাবেচা, বাবুদের আসা-যাওয়া।

    কেউ, কেউ? ঘাসিয়ানী মেয়েরা! আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না।

    অল্প বয়সী চিকণ মেয়েগুলো। চক্‌চকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন চেহারা। তেল দিয়ে পাটি করে চুল আঁচড়ায়, মাথায় লাল-নীল-হলুদ ফুলের মতো ফিতে বাঁধে, বড় বড় পেতলের ঘড়া কোমরে বসিয়ে মহানদী থেকে জল আনে, চান করে সেখানে। কখনও সখনও নৌকায় জিপ বসিয়ে নদী পেরোবার সময় হঠাৎ তাদের কারো কারো অনাবৃত সুডৌল বুকে চোখ পড়ে ভালো লাগায় এবং লজ্জাতেও চমকে উঠেছি। ওদের সুন্দর শরীর, ওদের অবসরের ধীর জীবন, ওদের চটুল সরল তারল্য এ সবকিছুকেই ঐ দারুণ পটভূমির এক অঙ্গাঙ্গী টুকরো বলে মেনে নিয়েই ভালো লাগায় বিবশ হয়েছি।

    মনটা বড় খারাপ হয়ে গেল। কেন যে মানুষ ফুল দেখেই খুশি থাকে না, দু-হাতে ফুলের পাপড়ি ছেঁড়ে, পদ্ম বনে হাতীর মতো ঢুকে পড়ে সুন্দরকে অসুন্দর করে, সারল্যকে কদর্য করে! সবচেয়ে লজ্জা লাগে একথা ভাবলে যে, যারা তা করে তারা আমাদেরই মতো অপেক্ষাকৃত শিক্ষিত ও শহুরে মানুষ। এত বছর পরে, আজ হঠাৎ বুঝতে পারলাম যে, এই অর্ধনগ্ন গামছা পরা দোকানদাররা, এই অশিক্ষিত ঘাসিয়ানি ছোট ছোট মেয়েগুলো, আমাদের মতো গাড়িচড়া, ইংরিজি-বলা বাবুদের কী চোখে দেখে, কী ভেবে হাসে ওরা। কী ভেবে এ ওর গায়ে ঢলে পড়ে!

    দোকানি চা এগিয়ে দিল।

    মুখ নিচু করে চা খেতে খেতে বড় আপনমনে, গ্লানিতে আমার মুখ লাল হয়ে উঠল।

    অনেকক্ষণ পরে মাউসী এল। পিছনে পিছনে ছায়ার মতো খাকি হাফ-প্যান্ট আর খাকি-হাফ-শার্ট পরা একজন মাঝবয়সী লোক। এই-ই তাহলে এতক্ষণ চন্দনীর ঘরে ছিল? লোকটা কাছাকাছি কোনো জঙ্গলে ফরেস্ট গার্ড হবে হয়তো অথবা কোনো কাঠের বা বাঁশের ঠিকাদারের মুহুরী-টুহুরী! লোকটা ঘাটের দিকে নেমে গেল কোনোদিকে না চেয়ে।

    চন্দনীর উপর আমার খুব রাগ হতে লাগল। তার চেয়েও বেশি চন্দ্রকান্তর উপর। বিড়িগড়ের মুক্ত উদার নির্মল আবহাওয়া থেকে চন্দ্রকান্ত চন্দনীকে এ কোথায় নামিয়ে আনল? চন্দনীর অপরাধ কি? এটাই একমাত্র অপরাধ যে, চন্দ্রাকান্তকে ও ওর সর্বস্ব দিয়ে ভালোবেসেছিল?

    পরক্ষণেই আবার মনে হল, বলরাম কি এই মেয়ের জন্যই পাগল হয়ে গেছিল। এইরকম একজন কন্যার জন্যেই কি সে গুণ্ডা হাতীর পায়ের তলায় পড়ে প্রাণ হারাল?

    কেন জানি না, সমস্ত মেয়ে জাতটার উপর আমার বড় ঘেন্না জন্মে গেছে। কী শহরে কী জঙ্গলে এরা পারে না এমন জিনিস নেই। ওদের স্বার্থপরতার, ওদের সুখের লোভের, ওদের নির্লজ্জ সাধের শেষ নেই কোনো। বড় ইতর; বড় ইতর এরা। যে ভালোবাসে, তাকে এরা পায়ে মাড়ায়, পায়ে মাড়িয়ে এদের সুনামের জন্যে অথবা দুর্নামেয় ভয় এড়ানোর জন্যে, শরীরের সুখের জন্যে, গয়নার জন্যে, ভালো খাওয়া পরার জন্যে এরা যাকে তাকে জড়িয়ে ধরে; যার তার কাছে তার যা পরম ধন তা বিকোয়।

    কিন্তু কেন? শরীরের কোনো নিভৃত কেন্দ্রবিন্দুই কি তাদের পরম ধন? তাদের মন বলে কি কোনো পদার্থই নেই, কোনো কৃতজ্ঞতা বোধ, প্রেমের বোধ কিছুই কি নেই? দুটি সুন্দর পায়ের মধুর মধ্যস্থলেই কি এদের সমস্ত বাঙ্ময় ব্যক্তিত্ব নিভৃত নম্রতায় স্থির হয়ে থাকে? লজ্জা; লজ্জা; এ বড় লজ্জার।

    যেখানে জিপ রেখেছিলাম, সেই দোকানিকে দুটো টাকা দিয়ে রাতে জিপটাকে দেখতে বললাম।

    ও বলল, গরমের দিন। ওর এক ছেলেকে গাড়িতে শুয়ে থাকতে বলবে সারারাত, কিছু চুরি যাওয়ার ভয় নেই।

    ও কি জানবে? যা চুরি হওয়ার তা চুরি হয়ে গেছে এই রাতেই। বুকের মধ্যে দারুণ এক গর্বময় স্নিগ্ধ সরলতার বোধই চুরি হয়ে গেছে। কোন পাহারাদার সেই চুরি রুখবে?

    গলিটা সরু। এদিকে ওদিকে মাটির দেওয়ালের খড়ের ঘর। বাঁশের কঞ্চির বা ফালি বাঁশের বেড়া তোলা। বেড়ায় বেড়ায় নানান লতা লতিয়ে আছে। কোনো ঘরে কেরোসিনের কুপী জ্বলছে। বাচ্চার গলা শোনা যাচ্ছে। কুকুরের ভুক্-ভুক্। শুয়োরের ঘোঁৎ-ঘোঁৎ, বিড়ালের মিউ-মিউ।

    মাউসীর পিছনে চলেছি তো চলেইছি। বস্তির প্রায় শেষে এসে মাউসী থামল। বেড়ার মধ্যের দরজা দিয়ে আমাকে নিয়ে গেল। উঠোনে একটা সজনে গাছ, তুলসী মঞ্চ। একটা কালো রোগা কুকুর সামনের দু-পায়ের উপরে মাথা রেখে শুয়েছিল। আমাকে দেখে একবার চোখ খুলল, অস্ফুটে একটা আওয়াজ করল, তারপর আবার চোখ বুজে ফেলল। বুঝি ঘেন্নায় আমার দিকে তাকাল না।

    মাউসী দরজা দেখিয়ে ফিরে গেল। বলল, দরজা খুলো না, সারারাত। কতরকম লোক আসে যায়।

    সারারাত তাহলে এই ঘাটে নানান সরীসৃপের আসা-যাওয়া? কত কী-ই জানিনি এতদিন?

    দরজা ঠেলে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে দিলাম ভিতর থেকে। তখন ওঘরে কেউ ছিল না।

    ঘরের মধ্যে একটা বাঁশের মাচা তার ওপর শতছিন্ন তোশক। উপরে একটা কুঁচকানো নীল রঙা কী বেডকভার। তালগোল পাকানো তেলচিটে বালিশ একটা। কত লোক যুদ্ধ করে এর উপর কে জানে? ঘেন্নায় আমার গা রি-রি করতে লাগল। ঘরের কোণায় কটক-চন্ডীর পট। সিঁদুর লেপা। বলরাম ও জগন্নাথের পটও আছে। চারপাশেই মাটির দেওয়ালে বনের কাঁটায় লটকানো অভব্য ভঙ্গিমায় দাঁড়ানো প্রায় বিবসনা একটি মেয়ের ছবিওয়ালা ক্যালেন্ডার। দু-ঘরের মাঝের চৌকাঠে কুপী জ্বলছে কেরোসিনের।

    ভিতর থেকে চন্দনী ওড়িয়াতে বলল, বসো বাবু, আসছি এক্ষুনি। লক্ষ্মীটি বোস। গলার স্বর এখনো মৌটুসী পাখির মতোই মিষ্টি আছে, কিন্তু মনে হল সেই সারল্য নেই স্বরে। বেসাতির স্থূল ঘর্ষণে ঘর্ষণে পসারিনীর ধূর্ততা লেগেছে গলায় হায়! চন্দনী!

    একেই কি দেখেছিলাম বিড়িগড়ের দুর্গ থেকে নেমে আসার সময়? একেই কি অনবধানে মনের গোপন কোণে ভালোবেসেছিলাম? চন্দ্রকান্তর বিয়েতে আমি কি সত্যিই খুশি হয়েছিলাম? সেই পরিবেশে দাঁড়িয়ে, সেই হতবাক্-আমাকে শুধোলাম আমি। চন্দনী কি আমার কাছে শুধুমাত্র একটি জংলী মেয়েই? তাই-ই যদি হবে, তাহলে কোলকাতা থেকে এতদূরে অন্যের হাতে লেখানো চিঠি পেয়ে কেন এত কষ্ট করে, নিবিড় গভীর বনের ধূলি-ধূসরিত বিপদসংকুল পথ ঠেলে এত দূরে এলাম? চন্দনীকে এই পরিবেশে আবিষ্কার করার জন্যেই কি?

    যাকে পনেরো টাকায় এক রাতের জন্যে পাওয়া যায়, তাকে সারাজীবনের জন্যে পাওয়ার দাম কত? পাঁচ হাজার? দশ হাজার? ব্যস্?

    চন্দনী, তুমি এতই সস্তা! সব মেয়েই কি এত সস্তা? তাই-ই বোধহয়। নইলে ‘পারিধীর’ বলরামরা কেন মরে গিয়েও বেঁচে যায়! কেন তারা তোমাদের নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েও অমর হয়?

    ঘেন্না, ঘেন্না, থুথু ফেলতে ইচ্ছা করল আমার।

    চন্দনী আমাকে চিনতে পারল না। ঘরে এসে সেই খাটে বসল। দেখতে আরো সুন্দরী হয়েছে ও। কোমরের কাছটা একটু ভারী হয়েছে। মুখটা ভরেছে। কুমারীর কুমারীত্ব ঘুচলে কুমারীর সৌন্দর্য ছাপিয়ে যে এক ঢল নামে সেই ঢল নেমেছে ওর সারা অঙ্গে।

    চেহারায় গভীরতা এসেছে, মনে না আসলেও।

    চন্দনী প্রথমে আমাকে চিনতে পারেনি। কেন চিনতে পারেনি তা ওই-ই জানে। হয়তো আমি সত্যিই আসব একথা ও বিশ্বাস করেনি। হয়তো আমারও চেহারার পরিবর্তন হয়েছে এই তিন বছরে।

    ও হাত ধরে আমাকে যখন ওর খাটে বসাতে যাবে, তখুনি ও হঠাৎ আমায় চিনতে পারল। চিনতে পেরেই স্তব্ধ হয়ে গেল।

    বিড়িগড়ে কখনও সে জামা বা শায়া পরেনি। এখানে জামা, শায়া সব পরেছিল। কিন্তু স্তন-সন্ধির অনেকখানি যাতে দেখা যায়, যাতে নারী মাংস লোভীরা আকৃষ্ট হয় ওর নরম উজ্জ্বল কালো সৌন্দর্যে তাই জামার অনেকখানি উৎসাহে উন্মুক্ত।

    আমাকে চিনতে পেরে চন্দনী বুকে আঁচল টেনে দিয়েছিল। তারপর এমন সময় দরজার কাছে গিয়ে দরজায় পিঠ দিয়ে দাঁড়াল। কোনো কথা বলল না। বড় বড় চোখ মেলে আমার দিকে চেয়ে রইল। ওর দু-চোখের পাতা বেয়ে ঝর্ ঝর্ করে জল পড়তে লাগল।

    আমি খাটের এক কোণায় বসে পড়ে পাইপ খোঁচাবার ভান করে মুখ নিচু করে রইলাম।

    কাঁদুক। অনেক না কাঁদলে ও সত্য-মিথ্যা কিছুই আমাকে বলতে পারবে না। ওর কি বলার আছে আমাকে শুনতে হবে। সেই কারণেই এতদূরে আসা।

    কিছুক্ষণ পর ও একবার ফুঁপিয়ে উঠেই নীচের ঠোট দিয়ে উপরের ঠোঁটটা কামড়ে ধরল।

    আমি আস্তে ডাকলাম, চন্দনী!

    ও সাড়া দিল না।

    আবার বললাম, কথা বলবে না তুমি? তাহলে ওতদূর থেকে আমাকে ডেকে পাঠালে কেন? তোমার জন্যে কি করতে পারি, বলবে না?

    চন্দনীর খুব কষ্ট হতে লাগল। যন্ত্রণায় ও মাথাটা এদিক ওদিক করতে লাগল। চোখের জলে ওর গাল, বুকের জামা, শাড়ির আঁচল সব ভিজে যেতে লাগল।

    আমি উঠে গিয়ে ওকে হাতে ধরে নিয়ে এসে খাটে বসালাম।

    কী যেন হয়ে গেল আমার। যা আগের মুহূর্তেও করব বলে ভাবিনি, তাই-ই করলাম। থর্ থর্ করে কাঁপতে থাকা চন্দনীকে ডান হাতে জড়িয়ে আমার বুকের কাছে নিয়ে এলাম। ওর শাড়ির আঁচল দিয়ে ওর চোখের জল মুছিয়ে দিলাম।

    কিছুক্ষণ আগে যে ঘরকে, যে মানুষকে ঘৃণা ছাড়া দেওয়ার কিছু আমার ছিল না, তাকে এই মুহূর্তে সমবেদনা জানালাম আমি।

    আমাদের প্রত্যেকের বুকের মধ্যে কত বিভিন্নমুখী মানুষ থাকে আমরা কি অনি? কোন মানুষটা এসে যে আমাদের উপর দখল নেয়, তা আগে থেকে কেউই ল:৩ পারি না। এই মুহূর্তের আমার সঙ্গে কিছুক্ষণ আগের মানুষটার কোনোই মিল। নেং আমি ইতিমধ্যেই চন্দনীকে ক্ষমা করে দিয়েছি। ওর জবাবদিহি না শুনেই।

    চন্দনী প্রথম কথা বলল : আমার কাছে অংগুল থেকে এক বাবু এসেছিল। তাকে তোমার ঠিকানা দিয়ে একটা চিঠি লিখতে বলেছিলাম। সেও লিখবে বলে ভাবিনি, লিখলেও সে চিঠি তুমি পাবে বলে জানিনি; পেলেও তুমি যে আমার চিঠি পেয়ে সত্যিই এতদূরে আসবে একথা বিশ্বাসও করতে পারিনি।

    আমি চুপ করে রইলাম।

    ও বলল, খিদে পেয়েছে? তুমি কি কিছু খাবে?

    আমি বললাম, পরে।

    তারপর বললাম, তোমার কথা বলো। চন্দ্রকান্ত কোথায়?

    চন্দনীর মুখে ঘৃণা ফুটে উঠল।

    বলল, ও একটা মানুষ নয়। ওর জন্যেই আমার এই অবস্থা। কি কষ্ট যে করেছি কোনোরকমে বেঁচে থাকার জন্যে গত দু-মাস, তা আমিই জানি। হাঁপানীর রুগী —মাসের মধ্যে অর্ধেক দিন অসুস্থ থেকেছে, আর অর্ধেক দিন বনে-বাদাড়ে ঘুরে বেড়িয়েছে। একটা আকাট পাষণ্ড। বলেই, চন্দনী ডুকরে কেঁদে উঠল।

    বাইরে থেকে একটা কর্কশ পুরুষকণ্ঠ বলে উঠল, তোকে মারধোর করছে নাকি? চন্দনী তাড়াতাড়ি বলল, না, না। আমার স্বামীর কথা বলছি।

    লোকটা ঘড়ঘড়ে গলায় বলল, স্বামী ঘণ্টায় একটা করে পাবি, গাড়ি চড়ে আসা শাঁসালো খদ্দের বিগড়ে গেলে সব গেল।

    লোকটা ভেবেছিল, আমি ওড়িয়া বুঝি না বা ওড়িয়াতে কথা বলতে পারি না।

    চন্দনী বলল, ঠিক আছে, তুমি যাও।

    আমি বললাম, বলো, বলে ওর গা থেকে হাত নামিয়ে নিলাম।

    চন্দনী নিজে আমার হাতটা টেনে নিয়ে নিজের হাতে ধরে নিজের কোলে রাখল। বিছানায় উঠে দেওয়ালে হেলান দিয়ে আসন করে বসল। আমাকে সামনে বসাল। বলল, চন্দ্রকান্ত একটা জোচ্চোর, খুনী। তুমি আমাকে এখানে ফেলে যেও না। আমাকে কোলকাতায় নিয়ে চলো। তোমার ঝি হয়ে থাকব আমি। তাও ভালো। তবু তুমি আমাকে বাঁচাও।

    আমি বললাম, বলো, যা বলছিলে।

    চন্দনী লজ্জা পেল। তারপর বলল, ও একটা হাতী মেরেছে টুল্বকায় চুরি করে। ফরেস্ট অফিসের লোকরা, পুলিশের লোকরা সব ওকে খুঁজে বেড়াচ্ছে চারদিকে। হিলজার্স কোম্পানির বাংলোতে অনেক সাহেবরা এসে আছেন। এখন পাখি মারা পর্যন্ত বন্ধ। আর ও হাতী মেরে দিল।

    আমি বললাম, উনি তো বরাবরই এরকম। আইন মানা তো ওঁর রক্তে নেই। কিন্তু হাতী মারলেন কেন? দাঁত কি খুব বড় ছিল? অনেক টাকা পেয়েছিল?

    চন্দনী হাসলও। তখনও ওর চোখ ভিজে ছিল। ওর হাসিটা বড় মিষ্টি দেখাল। বলল, তাহলেও তো বুঝতাম! লোকে গরিব হলে, কষ্টে পড়লে অনেক কিছু খারাপ কাজ করে ফেলে পেটের দায়ে। বউকে, প্রেমিকাকে খুশি রাখবার জন্যে, তাদের শাড়ি গয়না দেওয়ার জন্যেও অনেকে চুরি ডাকাতি করে, তারও একটা মানে বুঝি। ওসব কিছু না! ঐ হাতীটা নাকি ওকে অপমান করেছিল। ওর মধ্যে নাকি ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল। ও নাকি বুকের মধ্যে ভয় নিয়ে বাঁচতে চায়নি কখনও। আচ্ছা এমন কে আছে যার ভয় নিয়ে বেঁচে না থাকতে হয়? তুমি যে শহরে চাকরি করো তোমার যে মালিক তাকে তুমি ভয় করো না? আমি চন্দ্রকান্তকে ভয় করিনি? কোনো-না-কোনো ভয় বুকে নিয়ে সকলকেই যে বাঁচতে হয় একথা কখনও মানলো না গোঁয়ার লোকটা। পায়ে হেঁটে-হেঁটে গত বর্ষায় হাতীটাকে মেরেছিল ও। হাতী মেরে লুকোনো যায় না। হৈ হৈ পড়ে গেল চারদিকে। দিল্লি থেকে কোলকাতা থেকে ওয়াইল্ড-লাইফ না কি বলে তার সব বড়কর্তারা এল। জঙ্গলে ছুঁচ খোঁজার মতো করে ওকে খুঁজল। কিন্তু পেল না। এদিকে হাতী মারল ও, আর সেই হাতীর দাঁত পা কেটে নিয়ে গেল সঙ্গে সঙ্গে অন্য লোকে। যখন ধরা পড়ল, তখন বলল, চন্দ্রকান্ত বলেছিল কেটে নিয়ে তাকে পৌঁছে দিতে ওগুলো। তারা ছাড়া পেল ঠিকই, কিন্তু তাদের অপরাধটা পড়ল ওর ঘাড়ে। ওর নির্ঘাৎ জেল হবে ধরা পড়লে। আর জেল না হলে সারাজীবন জঙ্গলে জঙ্গলে জংলী জানোয়ারের মতো ঘুরে বেড়াবে।

    তারপর বলল, মরুক ও। মরলে বাঁচি। কাকে ভুল করে ভালোবেসেছিলাম ভাই? এমন ভুল কেউ কি করে?

    আমি চুপ করে রইলাম।

    আমি বললাম, তুমি তো জানতে। চন্দ্ৰকান্ত তো তোমাকে বলেছিলেন যে, ঘর বাঁধার লোক তিনি নন। তবু তুমি জেদ করে বিয়ে করতে গেলে কেন তাঁকে। পারলে কি ধরে রাখতে? এই তো হাল হল তোমার?

    —পারলাম না, পারলাম না। বলে চন্দনী মাথা নাড়ল।

    চন্দনীর হার স্বীকার ও হার স্বীকারের করুণ ভঙ্গী দেখে আমার বড় দুঃখ হল।

    চন্দনী বলল, কিন্তু আর যে কাউকে ভালোবাসতেও পারলাম না। এমন কি ভালো লাগাতেও পারলাম না। এক তোমাকে ছাড়া।

    আমি চমকে উঠলাম!

    বললাম, আমি কে? আমি তোমার কেউ না।

    চন্দনী মলিন হাসল। বলল, তা তো বটেই। নইলে কেউ কি আর পরের লেখা চিঠি পেয়ে চারদিনের মধ্যে সব কাজকর্ম ছেড়ে দিয়ে এই নরকে এসে পৌঁছয়?

    একটু থেমে চন্দনী বলল, জানো, আমাদের শরীরের দাম পুরুষদের কাছে অনেক, এ ক-দিনে বড় ঘৃণার সঙ্গে তা জেনেছি। কিন্তু আমাদের নিজেদের কাছে কিছুমাত্র নয়। গত দু-মাসে কত পুরুষ এই শরীরটা নিয়ে ছিনিমিনি খেলল, কিন্তু মনটাকে ছুঁতে পারল না একজনও। ভারী অবাক লাগে ভাবলে। শরীরের নোংরা তো মহানদীতে চান করলেই ধুয়ে যায়, মনের ময়লা যে ধোয়া যায় না কিছুতেই।

    তারপর বলল, চন্দ্রকান্তকে আমি কী-ই না দিয়েছি। কিন্তু ওকে আমি ঘৃণা করি। যে পুরুষ মেয়েদের ভালোবাসার মর্যাদা দেয় না, সে পুরুষ নয়। চন্দ্রকান্তও একটা জানোয়ার। বন জঙ্গলেই ও ফেরারি হয়ে থাকুক আজীবন। ওর মুখ দেখতে চাই না আমি।

    আমি বললাম, আর মনে হয় হাতীদের সঙ্গে চন্দ্রকান্তর একটা গভীর ঝগড়া ছিল। এটা ঠিক সাধারণ ঝগড়া নয়। হাতীটাকে না মারলে তিনি বোধহয় নিজের কাছে হেরে যেতেন। নিজের কাছে হেরে যাওয়ার, হেরে থাকার লোক চন্দ্রকান্ত নয়। এই হার-জিৎ ওঁর কাছে বাঁচা-মরার চেয়েও বড়। তুমি হয়তো বুঝবে না। বললেও বুঝবে না।

    তারপর বললাম, তোমার মনে নেই বিড়িগড়ের হাতীদের কথা? আমার মনে আছে। যেদিন আমাদের ক্যাম্পের পাশের কুয়োতলায় হাতীগুলো এল, যেদিন পারিধীতে-যাওয়া সেই ছেলেটিকে পায়ের তলায় ফেলে দিল হাতী, যেদিন বলরামকে মারল, সেইসব দিনের কথা মনে আছে আমার। এখনও স্পষ্ট মনে পড়ে, সেই রাতে হাতীগুলোর পায়ের নখে ছররা মেরে যখন তাড়িয়ে দিয়েছিলাম আমি, তখন চন্দ্রকান্ত আমাকে বলেছিলেন, “আপনি বুঝবেন না এদের অসহায়তা। অসহায়, দুর্বল, নিরস্ত্র এইসব লোকগুলোর এত বড় পাহাড়ের মতো সবল ও বদমাইস হাতীর সামনে পড়ে নিরুপায়ভাবে প্রতিদিন মার খাওয়া যে কি অসম্মান ও লজ্জার তা আপনি, আপনার মতো শহুরে শিকারিরা হয়তো বুঝবেন না।”

    চন্দনী বলল, তুমি যাই-ই বল, লোকটা বড় স্বার্থপর। জীবনে নিজেরটাই বুঝল। নিজের জেদ, নিজের খুশি, নিজের স্বাধীনতা, তার জন্যে অন্যের যে কি দাম দিতে হল তা একবারও বুঝল না। এমনই যদি হবে, তাহলে আমাকে বিয়ে করলে কেন?

    আমি বললাম, একথা বলা তোমার অন্যায় চন্দনী। তোমার মনে আছে কিনা জানি না, যেদিন তুমি আমি আর চন্দ্রকান্ত বিকেলে বেড়াতে বেরিয়েছিলাম, যেদিন সন্ধ্যার পর ঘাসের বনে গিয়ে তোমাকে আদর করলেন চন্দ্রকান্ত চাঁদের রাতে, সেদিন আমার সামনেই উনি তোমাকে বলেছিলেন, “তুই এত বোকা কেন রে চন্দনী? তুই ঘর বাড়ি, গরু বাছুর, নিশ্চিন্তি সব ছেড়ে আমার মতো পথের লোককে বিয়ে করছিস কেন? তোকে আমি একটা ঘর পর্যন্ত দিতে পারবো না। যা তুই নিকিয়ে, পরিষ্কার করে, তোর মনের মতো করে সাজিয়ে রাখবি। নিজের ঘুরে ‘নইলে, নিজের স্বামীর ঘরে নইলে, কোনো মেয়েকে কি মানায়? বল?”

    চন্দনী বলল, হ্যাঁ। মনে আছে। কিন্তু আমি এ-কথার জবাবে কি বলেছিলাম সেই বলেছিলাম যে, তুমি আমার পাশে পাশে থেকো। আমাকে ছেড়ে যেও না কখনো। তোমার কাছে আমি আর কিছুই চাইব না।

    তারপর বলল, বল, বলেছিলাম কি না?

    আমি বললাম, হ্যাঁ, বলেছিলে।

    চন্দনী হঠাৎ বলল, এবার তুমি কিছু খাও। আমার ঘরে কী-ই বা আছে। যা রেঁধেছিলাম বিকেলে তাই-ই খাও।

    খাট থেকে নেমে যাবার সময় হঠাৎ আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে বলল, এই ঘরে আমার হাতে খাবে তো তুমি?

    ভারী সুন্দর দেখাল চন্দনীকে, যদিও ওকে আমি সবসময়েই সুন্দর দেখছি। ওর হাঁটা, ওর কথা বলা, ওর চোখের চাউনি

    আমি হাসলাম, তারপর ঠাট্টা করে বললাম, না খাবো না।

    —না খাওয়াই উচিত তোমার। চন্দনীও হেসে বলল।

    তারপর পাশের ঘরে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকোজাগর – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article বনবিবির বনে – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }