Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লবঙ্গীর জঙ্গলে – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লবঙ্গীর জঙ্গলে – ৬

    ৬

    অনেক বেলা অবধি ঘুমিয়েছিলাম। যখন ঘুম ভাঙল, দেখি চন্দনী নেই। মেঘ সরে গেছে। বৃষ্টি-ধোওয়া গাছ-পালায় সকালের রোদ ঝক্‌ক্‌ করছে। বাইরে নানা লোকের গলা শোনা যাচ্ছে। ক্যুপ্-কাটা কুলীদের আজ হাজ্রীর দিন। রত্নাকর কখন এসেছে জানি না। এখন একটা পাথরে বসে টিপ সই দিয়ে সকলকে হপ্তা দিচ্ছে। আজ হাট আছে তিন ক্রোশ দূরে। রোজ পেয়ে সকলে হাটে যাবে। নুন কিনবে। তেল কিনবে, সামান্য কেরোসিন এবং সর্ষে, আফিং-এর গুঁড়ো, একটু শাকসবজি। মেয়েরা নিম করৌঞ্জের তেল, লাল-নীল ফিতে। শাড়ি ছিঁড়ে গিয়ে থাকলে শাড়ি। ছেলের গামছা। শাড়ি গামছা বছরে একবারের বেশি কিনতে পারে না ওরা।

    দেখি, চন্দনী কাচের গ্লাসে করে চা এনে দাঁড়িয়েছে। চন্দনীকে সবসময়ই সুন্দর দেখায়। ঘুম ভেঙে, ঘুমন্ত অবস্থায়, দুপুর, সন্ধে সবসময়।

    বলল, কাল রাতে আসতে ভিজেছো বৃষ্টিতে, আদা দিয়ে চা বানিয়েছি। ওঠো, চা খাও।

    চা নিয়ে, গায়ে চাদর জড়িয়ে বাইরে এলাম।

    বললাম, চল, আমিও আজ হাটে যাব। হাট পর্যন্ত জিপ যাবে?

    ওরা সকলে খুব খুশি হল। বলল, জিপ রেখে হাঁটতে হবে কিছুটা।

    বললাম, ঠিক আছে।

    রত্নাকর তাচ্ছিল্যর গলায় বলল, আপনি আবার এ-হাটে কি কিনতে যাবেন? এ হাটে ভদ্রলোকরা যায় না।

    ও যে ভদ্রলোক, তা একাদশ-ফেল রত্নাকর বিশেষভাবে জানে।

    আমি বললাম, আমি যে ভদ্রলোক তা জানলি কি করে তুই?

    রত্নাকর বলল, কি যে বলেন, তার ঠিক নেই।

    রত্নাকর এসব হাটে যায় না। ওখানে বন-জঙ্গলের ঠিকাদারদের ক্যুপ্‌-কাটা কুলীদের ভিড়। ওখানে শ্রেণী-সচেতন মহুরীরা যায় না। নারাণ কালিন্দীদের মতো কাউকে পাঠায়।

    চন্দনী বলল, নারাণদা তাড়াতাড়ি ভাত চাপাও। খেয়ে-দেয়ে যাবে তো?

    -হ্যাঁ! হ্যাঁ! নারাণ বলল। তাড়া কিসের? নারাণ যতক্ষণ না খাবে, হাট উঠবে না ততক্ষণ। বসবেও না।

    বেলা দশটা বাজে। এবার নালার উপরে গিয়ে প্রাতঃকৃত্য ও চানটান সারতে হয়। এমন সময় হঠাৎ একটা জিপ আসতে দেখা গেল। এত লোকের গণ্ডগোলে এতক্ষণ শব্দটা কানে আসেনি কারো।

    জিপ থেকে একজন দারোগা ও ফরেস্টার নামলেন। দারোগার চোহারাটা কচ্ছপের মতো। খাদ্য-পানীয় ও বিনা আয়াসের রোজগারে লোকটা তামসিকতার এক স্থূল দৃষ্টান্ত হয়ে গেছে। ফরেস্টারের চেহারা সাত্ত্বিক-সাত্ত্বিক; ফর্সা, রোগা, ছিপছিপে ভালোমানুষ মুখ।

    ফরেস্টার বললেন, এখানে কাল শম্বর মারা হয়েছে?

    রত্নাকর অবাক হওয়ার স্বরে বলল, তাই নাকি? আমি জানি না তো? কাল আমি ছিলাম না সারাদিন।

    কম্ফু মাটিতে বসে ওর সাপমুখো লাঠিটাতে কি যেন মালিশ করছিল। হঠাৎ দারোগা ওকে ডেকে বললেন, তোর নাম কি? কি করিস তুই?

    কম্ফু ঠাণ্ডা গলায় বলল, আমার নাম কম্ফু। জড়ি-বুটির বদ্যি আমি। বলদের চিকিৎসা করছি।

    দারোগা বললেন, তুই কিছু জানিস?

    —কি জানি? বলে, অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে উল্টো প্রশ্ন করল কম্ফু।

    —শম্বর মারা হয়েছে কিনা?

    –তা কে না জানে? সকলেই তো জানে। সকলেই মাংস খেয়েছে। আমরা সকলে মিলেই মাংস ভাগ করে খেয়েছি।

    —সে কথা বলছি না। কে মারল শম্বরটাকে? সেই কথা জানতে চাইছি। দারোগা বললেন।

    কম্ফু কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর বোকার মতো মুখ করে বলল, ভগবানে মেরেছে বোধহয় আমাদের খাওয়ার জন্যে। কতদিন আমরা মাংসের মুখ দেখিনি। দেড়-দু-বছর।

    —ভগবানে মেরেছে মানে? দারোগা চটে উঠে বললেন।

    কম্ফু আবারও বোকা বোকা মুখ করে বলল, বাজ পড়ার আওয়াজ হল পাহাড়ের ওপর। দৌড়ে গিয়ে দেখি শম্বরটা মরে পড়ে আছে।

    —ইয়ার্কি পেয়েছিস? দারোগা বললেন। গুলির শব্দ পাওয়া গেছে ছবিবাবুর ক্যাম্পেও। তুই বলছিস ভগবানে মেরেছে?

    কম্ফু আবারও বলল, গুলি কি বাবু? আফিং-এর গুলি? সে তো নারাণ সকাল- সন্ধ্যা খায়। শব্দ তো শুনিনি কখনও।

    দারোগা বললেন, চল্, তোকে এক্ষুনি বেঁধে নিয়ে যাব। দারোগার সঙ্গে ফাজলামি! কার সঙ্গে কি করে কথা বলতে হয় জানিস না?

    কম্ফু বলল, তা যা বলেছেন। ঐ জন্যেই সকলের সঙ্গে ঝগড়া হয় আমার সবসময়। আমার বউকে জিজ্ঞেস করুন। বলেই, হেই সীতা, বলে বউকে ডাক দিল।

    নারাণ বলল, তোর বউ কি ঘরে আছে? জঙ্গলে গেছে।

    —ওঃ। বলল কম্ফু। যেন নিরাশ হল সাক্ষীর অভাবে।

    দারোগা বলল, কে মেরেছে না বললে এখানে যত লোক আছে সবাইকে বেঁধে নিয়ে যাব।

    কম্ফু বলল, এক জিপে কি অত জায়গা হবে? তারপরই আমার দিকে ফিরে বলল, বাবুর জিপ নিলেও হবে না। দু-জিপেও না।

    একটু থেমে বলল, বাবুকেও বেঁধে নিয়ে যাবেন না কি?

    দারোগা বলল, বাবু-টাবু বুঝি না, সকলকেই বেঁধে নিয়ে যাব

    এতগুলো লোকের সামনে আমাকেও বিনা কারণে বেঁধে নিয়ে যাওয়ার কথায় আমার একটু অবাক লাগল। রাগও হল। গ্রামগঞ্জের লোকেরা এইরকম দারোগাকেই সরকার বা সরকারের প্রতিভূ বলে জানে। এই বাঁশবনে শেয়াল রাজা দারোগার এত আস্ফালন সহ্য হল না আমার।

    আমি বললাম, আপনি অবান্তর কথা বলছেন।

    দারোগা তখন আমাকেও চোখ রাঙিয়ে বলল, পুলিশের লোকে এমনি করেই কথা কয়, আমাকে সহবৎ শেখাবেন না, ধরে তাহলে সত্যিই নিয়ে যাব থানায় আপনাকে সহবৎ শেখাবার জন্যে।

    আমি বললাম, তাহলে যদি বলি আমিই মেরেছি। আপনি কি আমাকে বেঁধে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন?

    চোখের কোণে দেখলাম, কম্ফু নারদের মতো নড়ে-চড়ে বসল।

    দারোগা এক হাঁক ছাড়লেন। দুজন হাফ-প্যান্ট পরা লাঠি হাতে পুলিশ এসে আমার সামনে দাঁড়াল।

    দারোগা বললেন, অবশ্যই রাখি।

    চন্দনী খুব ভয় পেয়ে গেল। ও দৌড়ে কম্ফুর পিছনে গিয়ে দাঁড়াল জড়সড় হয়ে।

    দারোগা চন্দনীর দিকে তাকিয়ে রইলেন একদৃষ্টে।

    আমি বললাম, এটা বাড়াবাড়ি হচ্ছে। আপনার লোকদের এখান থেকে এক্ষুনি সরে যেতে বলুন। আপনি ভেবেছেন কি? কি ঠাউরেছেন নিজেকে?

    আমার কথাতে পুলিশগুলো সরে গেল বটে কিন্তু দারোগা কোমরে হাত দিয়ে রিভলবার বের করতে গেলেন।

    আমি মুখে আর কিছু না বলে কোমর থেকে পিস্তল খুললাম।

    দারোগা হাত নামিয়ে নিলেন।

    ফরেস্টার দারোগাকে কানে কানে কিসব বললেন।

    আমি বললাম, ফের রিভলবারের ভয় দেখিয়েছেন তো খারাপ হবে।

    দারোগা বললেন, আপনি দারোগাকে ধমকান। সাহস তো কম নয় আপনার।

    আমি বললাম, দারোগা নিজে যদি আসামীর মতো ব্যবহার করে তাহলে আর কি করা যায়?

    এমন সময় পথের উপর থেকে কে যেন বলে উঠল, ঝগড়াটা কিসের? কার সঙ্গে কার ঝগড়া?

    চোখ তুলতেই দেখলাম, চন্দ্রকান্ত। একটা পাথরের উপর বসে আছেন। দুটো গাছের ফাঁকে।

    দারোগা বললেন কনস্টেবলদের, এই ধর, ধর, পালিয়ে না যায়; ঐ সেই হাতী- মারা ফেরারী।

    কনস্টেবলদের খুব একটা উৎসাহ দেখা গেল না চন্দ্রকান্তকে ধরতে যাওয়ার।

    চন্দ্রকান্ত বললেন, আমিই আসছি দারোগাবাবু। অত বড় ভুঁড়ি নিয়ে এতখানি চড়াই উঠতে আপনার কষ্ট হবে। আপনার কনস্টেবলদেরও।

    বলেই তর তর করে চন্দ্রকান্ত নেমে এলেন। পাথরে পাথরে পা রেখে পাকদণ্ডী দিয়ে। যে পাকদণ্ডী দিয়ে প্রথম দিন আমি কম্ফুকে নামতে দেখেছিলাম।

    দারোগা কোমরের কাছে একবার হাত এনে, আমার দিকে চোখ পড়তেই নামিয়ে নিলেন।

    চন্দ্রকান্ত বললেন, ছবি নায়েক কি বলেনি যে, কে মেরেছে শম্বরটা? আপনারা জানেন না? কি ফরেস্টারবাবু?

    ফরেস্টারবাবু বললেন, জানি।

    —দারোগাবাবু কি জানেন? চন্দ্রকান্ত বললেন।

    —জানি, দারোগাবাবু বললেন।

    -তবে? আপনারা আমার কাছে না এসে এদের উত্ত্যক্ত করছেন কেন?

    দারোগাবাবু রেগে বললেন, আপনার ঠিকানা কি আপনি থানায় দিয়ে এসেছিলেন?

    —না। তা দিইনি। তবে আপনার বন্ধু ছবি নায়কের কাছে ছিল! ইচ্ছে করলেই আসতে পারতেন।

    তারপই চন্দ্রকান্ত ফরেস্টারকে বললেন, নমস্কার ফরেস্টারবাবু, আপনার মেয়ের অসুখ করেছিল, কেমন আছে এখন?

    ফরেস্টারবাবু এই অভাবনীয় ব্যবহারে অভিভূত হয়ে পড়লেন।

    বললেন, আপনি কেমন করে জানলেন? হ্যাঁ! ভাল আছে।

    —ভালো লোকদের সব খবর রাখতে হয় আমার। খারাপ লোকেরও।

    বলেই, দারোগাবাবুকে বললেন, সদরের সেই আফিং-এর চোরাকারবারীর সঙ্গে দোস্তি চালিয়ে যাচ্ছেন এখনও? কামাই জোর হচ্ছে বলুন!

    দারোগাবাবুর মুখ বেগ্‌নে হয়ে গেল।

    চন্দ্রকান্ত আমার দিকে ফিরে বললেন, আমি নাম-ঠিকানা সব দেবো, একটা ভালো করে লিখে দেবেন তো আই-জিকে। আমি একটা শম্বর মেরে যারা দেড় বছর মাংস খায় না তাদের খাইয়ে মহাপাতকের কাজ করেছি। আমাকে ধরতে এসেছেন ইনি!

    দারোগাবাবু বললেন, ঠিক আছে। আমি দেখে নেবো।

    —দেখে নেবো কেন? এখুনি দেখুন। আসুন আমাকে বেঁধে নিয়ে যান পারেন তো? এমন দিন-দুপুরে না পারলে পরে কি আর পারবেন? চন্দ্ৰকান্ত বললেন।

    তারপর বললেন, আমার অপরাধটা কি? একটা শিঙাল শম্বর মেরেছি এই-ই তো। আপনি আপনার শালাকে নিয়ে গত মাসে রাতের বেলা তিনটে মাদী শম্বর মেরে নিয়ে যাননি? এই জঙ্গল থেকে? বলুন আপনি? তারিখ বলব, কবে? জিপের নাম্বার বলব?

    দারোদাবাবু আঁৎকে উঠলেন।

    চন্দ্ৰকান্ত বললেন, আইন যাঁরা খাটান, দয়া করে তাঁরাও আইনটা মানবেন। যান। এবার বাড়ি যান। ওঃ হোঃ ভুলেই গেছিলাম। এখন তো ছবি নায়েকের কাছে যাবেন। আজ রাতটা নিশ্চয়ই কাটাবেন ওখানে। ফুর্তি-টুর্তি হবে। তাই-ই না?

    দারোগাবাবু ফরেস্টারবাবুকে প্রায় টেনে নিয়ে জিপে উঠলেন।

    জিপটা স্টার্ট করতেই চন্দ্রকান্ত একেবারে দারোগার পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন বললেন, আবারও হয়তো এখানে আপনাকে আসতে হবে। তখন এদের কাছে না এসে সোজা আমার কাছেই আসবেন। নইলে, অন্য কাউকে পাঠাবেন – যে পরিষ্কার, যার নিজের লুকোনোর মতো কিছু নেই। যার সাহস আছে, যার সঙ্গে লড়ে মজা, এমন লোককে। আপনি মশাই একটা ছুঁচো। আপনার গাল-পোড়া বেঁটে বন্ধুর মতো।

    দারোগাবাবু কনস্টেবলগুলোর সামনে চুপ করে বসে রইলেন।

    জিপটা চলে গেল ধুলো উড়িয়ে।

    নারাণ বলল, বাবু চা খাবেন?

    —চা? খাওয়া। বহুদিন খাইনি।

    তারপরই চন্দনীকে দেখতে পেয়ে বললেন, কি রে? কেমন আছিস? সুখেই তো আছিস মনে হচ্ছে।

    চন্দনীও ঠেস দিয়ে বলল, তা আছি! তোমার সঙ্গে থাকতে সুখ কাকে বলে জানতে পারলাম কই?

    চন্দ্রকান্ত হাসলেন। বললেন, তোর সুখ আর আমার সুখ আলাদা রে চন্দনী! রাগ করিস্ কেন? সবাই কি সবাইকে সুখী করতে পারে?

    রত্নাকর এতক্ষণ দূরে দাঁড়িয়েছিল।

    চন্দ্রকান্ত বললেন, রত্নাকর, কাছে আয়।

    রত্নাকর কাছে আসতেই হঠাৎ এক প্রচণ্ড চড় লাগালেন চন্দ্রকান্ত রত্নাকরকে।

    চড় খেয়ে রত্নাকর ঘুরে পড়ে গেল মাটিতে। ওর কর্তৃত্ব, ওর হাতঘড়িশুদ্ধ হাত, ওর অথরিটি সব ধুলোয় ধুলো হল।

    সকলে এ ব্যাপারে স্তম্ভিত হয়ে গেল। আমিও।

    রত্নাকর উঠে বসল মাটিতে, গালে হাত দিয়ে।

    চন্দ্ৰকান্ত বললেন, কাল দারোগাকে খবর দিয়েছিলি তুই? তুই নিজে কুটরা মেরে খাস্ না? শম্বর তো মেরেছি আমি, কিন্তু আমি কি খেয়েছি? তোদের জন্যেই মেরেছিলাম।

    কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, শোন রত্নাকর। আর কখনও যদি জানতে পাই যে, তুই গোয়েন্দাগিরি করেছিস, তোকে গুলি করে মেরে ঝুলিয়ে রাখব এই গাছটায়।

    আবার বললেন, দেখে নে ভালো করে; এই গাছটায়।

    রত্নাকর মুখ নীচু করে, অত লোকের সামনে, ওর সমস্ত মাতব্বরী ধুলোর সঙ্গে লুটিয়ে ক্যুপ্-কাটা কুলিদের চোখের সামনে আস্তে আস্তে ঢুকে গেল ঝুপড়ির মধ্যে।

    চা খেতে খেতে চন্দ্রকান্ত বললেন, সৌমেনবাবু কবে আসবে রে?

    নারাণের মালিক চন্দ্রকান্তর হাতে মার খাওয়াতে নারাণ চন্দ্রকান্তর সঙ্গে ঠিক কি রকম ব্যবহার করবে বুঝে উঠতে পারছিল না। চাকরি গেলে সর্বনাশ। আফিং-এর গুলি না হলে ও মরে যাবে। একদিনও বাঁচবে না। এ ভব সংসারে আফিং আর দীনবন্ধু ছাড়া ওর আর কেউ নেই।

    নারাণ ঝুঁকি না নিয়ে বলল, আমি জানি না।

    চন্দ্রকান্ত আর কোনো কথা না বলে চায়ের গ্লাসটা নামিয়ে রেখে পাকদণ্ডী দিয়ে উঠে জঙ্গলে মিলিয়ে গেলেন।

    অপসৃয়মান চন্দ্রকান্তর দিকে চেয়ে দেখলাম, ওঁর হাত খালি। বন্দুক রাইফেল কিছুই নেই সঙ্গে। ভাবলাম, দারোগা তবুও ছেড়ে দিয়ে গেল কেন ওঁকে?

    তারপরই মনে হল, ভয়ের জন্যে। দারোগার বুকে ভয় আছে। অনেক কিছুর ভয়। অনেক অন্যায়ের ভয়ের পোকা দারোগার বুকে থিক থিক করছে। অন্য দিকে চন্দ্রকান্তর বুক ভয়শূন্য। চন্দ্রকান্তর পায়ের শব্দ জঙ্গলের শুকনো পাতার মধ্যে মিলিয়ে গেল।

    আমার বয়স হল অনেক কিন্তু জীবনে এই প্রথমবার উপলব্ধি করলাম যে, কার হাতে কোন হাতিয়ার থাকে সেটা সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। কার বুকে কি থাকে সেইটেই সবচেয়ে বড় কথা। হাতে হাতিয়ার না থাকলেও যায় আসে না, হাতটা পরিষ্কার থাকা চাই। এমন কটা লোক সংসারে আছে যে, দু-হাত উপরে তুলে বলতে পারে যে, ‘দ্যাখো! আমার হাতে ময়লা নেই কোনো, লুকোবার নেই কিছুমাত্র। আমি পরিষ্কার।’

    কম্ফু বলল, আমি যাই একটু ঘুরে আসি।

    বললাম, কোথায় যাবে?

    চন্দনী, চন্দ্রকান্ত চলে যাওয়া অবধি চুপ করেই ছিল। ও হঠাৎ বলল, আমিও যাব।

    –কোথায়? আমি শুধোলাম।

    —তোমার সঙ্গে। আমারও বেড়ানো হবে।

    বুঝলাম, যদিও চন্দ্ৰকান্তকে ও আর স্বীকার করে না, চন্দ্রকান্তও স্বীকার করে না ওকে। কিন্তু যেখানে চন্দনী আছে, যাদের আশ্রয়ে, সেই তাদেরই মাতব্বর রত্নাকরকে চড় মেরে গেলেন চন্দ্রকান্ত। এইটা বড় অস্বস্তির কারণ হয়েছিল ওর কাছে।

    আমি ওর চোখের দিকে চেয়ে সেকথা বুঝলাম।

    বললাম, এসো। চলো আমাদের সঙ্গে।

    বসন্তবনের দুপুরে পাহাড়-জঙ্গলে হেঁটে বেড়ালে নেশা ধরে। এ নেশা আফিং- এর নেশার চেয়েও অনেক গাঢ়। ঝুরু ঝুরু করে হাওয়া বইছে পাহাড়ে পাহাড়ে। আমের বোলের গন্ধের সঙ্গে মিশে গেছে প্রথম মহুয়ার গন্ধ। এখন প্রজাপতির দিন। রঙ বেরঙের প্রজাপতির সুতো দিয়ে সবুজ বনের জমিতে কোন অদৃশ্য নিপুণ রসিক তাঁতী যেন তাঁত বুনে চলেছেন। রঙে-রঙে কাটাকুটি, মেশামেশি হয়ে রঙ-বেরঙে একাকার হয়ে যাচ্ছে। কাঁচপোকা উড়ছে। তার ডানায় চেনাই উড়ছে। নেপালী ইঁদুর তাদের গাঢ় বাদামী শরীরে রোদ প্রতিফলিত করে বড় বড় গাছের ডালপালা পাতা ঝাকাঝাকি করে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। ধূসর-কালো কাঠবেড়ালী তার ছোট ছোট দুই হাতের মধ্যে জংলী ফল ধরে গাছের গুঁড়ির আড়াল থেকে লাজুক চোখে উঁকি মারছে। পাখিগুলোর কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই মাটিতে কে হেঁটে গেল না গেল। রোদভরা বাসন্তী আকাশ ওদের ডাক দিয়েছে। নীচের পত্রপুষ্পশোভিত বিচিত্ৰ বর্ণের বসন্তবন আর উপরের অশেষ আকাশ এই নিয়েই ওরা খুশি আছে। মাঝে মাঝে কোনো বোকা পাখি, বাজের মতো, চিলের মতো, পাহাড়ী স্বয়নার মতো, আকাশের ওপারে কিছু আছে কি না দেখার জন্যে উড়ে উড়ে সোজা উপরে রোদ- চকচক ছোট্ট বিন্দুতে রূপান্তরিত হয়ে যাচ্ছে। তারপর আকাশের বুকে আরও আকাশ, তার পরেও আরও আকাশের খোঁজ নিয়ে ফিরে আবার তাদের ভালোবাসার, গন্ধের, শব্দের, ফুলফলের পৃথিবীতে নেমে আসছে। গলা তুলে এ ওকে ডাকছে, গদগদ হয়ে কত কথা বলছে।

    একটা অর্জুনের ডালে রোদ এসে পড়েছে। তার পাতায় একটি ছোট্ট মৌসুমী পাখি বসে শীষ দিচ্ছে। আমার পা থমকে গেল। চন্দনীর হাত ধরে আমি দাঁড়িয়ে পড়লাম সেখানে। কতটুকু পাখি! কিন্তু ঐটুকু পাখিকে ভগবান কী দেননি! চোখ, নাক, কান, ঠোট, মুখ। শুধু ঠোটই যে দিয়েছেন, তাই-ই নয়, সেই ঠোঁটে কী সুর দিয়েছেন, কী গায়কী! ওকেও খেতে শিখিয়েছেন, ভালোবাসতে শিখিয়েছেন। যা দেননি তা আমাদের মতো সর্বগ্রাসী ক্ষিদে, লোভ, ঈর্ষা, ক্ষমতার কামনা, পরশ্রীকাতরতা। ঐ সামান্যতার মধ্যেও ওকে আমার মতো দত্তভরা মরণশীল মানুষের চেয়ে কত বড় করে দিয়েছেন। ভাবলে অবাক লাগে।

    একটা পাখি যখন ডানা মেলে উড়ে যায়, একটা পাতা যখন হাওয়ায় বৃন্তচ্যুত হয়ে ঘুরে ঘুরে আরতি করে ধরিত্রীর পায়ে পড়ে, এক গুচ্ছ ফুল থেকে, আমের বোল থেকে যখন গন্ধ ওড়ে, যখন হরিণীর তার কাজলকালো চোখে চকিতে চেয়ে বনের গভীরে শুকনো পাতায় মচমচানি তুলে দৌড়ে যায়, চিতাবাঘ যখন তার চিত্র- বিচিত্র শরীরে জঙ্গলের কিনারায় চিত্রার্পিতের মতো নিঃশব্দে এসে দাঁড়ায়, তখন বারবারই আমার মনে হয় মিছিমিছি মানুষ হয়ে জন্মালাম। শুধু দত্ত নিয়ে, গর্ব নিয়ে, সংস্কার নিয়ে নীচ ঘৃণিত এক সম্মানের ও ক্ষমতার লোভ নিয়ে মিছিমিছিই এই জীবনটাকে নষ্ট করে গেলাম। ওদের মতো হলে কত সহজে তাঁর সঙ্গে একাত্ম হতে পারতাম। না জেনেও তাঁকে ভালোবাসতে পারতাম! নিজের অজ্ঞাতসারে, আত্মশ্লাঘা আর উচ্চম্মন্যতায় কুব্জদেহ আঁতেলসভার সমর্থন ও শিরোপা ছাড়াই সর্বোত্তম উত্তরণের শরিক হতে পারতাম। কিছুই হল না। বনের জন্তু না হয়ে শহরের জন্তু হয়ে সমস্ত জীবনটাই বরবাদ হয়ে গেল।

    চন্দনী আমার হাতে টান দিল। চমক ভাঙল আমার। দেখি, কম্ফু অনেক দূরে চলে গেছে।

    একটা মৌটুসী পাখি উড়ল। অর্গুনের ডালটা কাঁপতে লাগল। কাপতে লাগল পাতাগুলো। কম্পমান সবুজ পাতাগুলো হলুদ রোদটাকে চতুর্দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিতে লাগল।

    হঠাৎ তাকিয়ে দেখি, একটা আমলকী গাছের নীচে একজোড়া রাজ ঘুঘু, ফল্সা রঙা। সুডৌল পুরুষ ঘুঘুটা বড় আদরে, বড় সোহাগে বড় সযত্নে স্ত্রী ঘুঘুটাকে আদর করছে।

    আমার কী হল জানি না আমি। চন্দনীকে আমি দু-হাত দিয়ে কাছে টানলাম। আমার ঠোঁট ওর ঠোটে আমার বুক ওর বুকে! তারপর বড় আদরে, বড় সোহাগে, বড় যতনে, ঘুঘুটার কাছ থেকে শিখে চন্দনীর ভিজে নরম কমলা-কোয়া ঠোঁট, নিঃশেষে আমার ঠোঁট দিয়ে চুষে নিলাম। শুধুমাত্র চন্দনীর ঠোটই নয়, তার সঙ্গে এই বসন্তবনের মধ্য দিনে যত রূপ, রস, গন্ধ, শব্দ, স্পর্শ ছিল তার সবটুকু আর্দ্রতা এবং জ্বালাও আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় দিয়ে আমি নিংড়ে শুষে নিলাম, নিতে থাকলাম; চন্দনীর ঠোটের মধ্যে দিয়ে।

    আমার সমস্ত শরীর থরথর করে কাঁপতে লাগলো ভালোবাসায়, ভালোলাগায়। শরীর, এই ডিজেলের ধোঁয়ায় নিঃশ্বাস নেওয়া এই কয়লার ধোঁয়ায় কালো শরীরে যে এত কোষ আছে তা’ আমি এর আগের মুহূর্তেও জানিনি। বুকের মধ্যে রক্ত ছলাৎ ছলাৎ করে সে কথা এই প্রথম আমায় জানান দিল।

    বয়সের হিসাবে যুবক হয়েছিলাম আগে আজ আমি এই দুপুরে এই বনের আলোছায়ায়, এই পাখির ডাকে ফুলের গন্ধে, চন্দনীকে বুকে করে প্রথম জানলাম যে, যৌবনের মানে কি। যৌবনের পরিপূর্ণতা, পরিপ্লুতী কোথায়?

    মনে মনে বললাম, চন্দী, আমার চন্দনীরে! ভাগ্যিস তুই ডাক পাঠিয়েছিলি আমার। নাহলে বালকত্ব আমার কখনও ঘুচতো না। একদিন যৌবনকে টপকে গিয়ে বার্ধক্যের দরজায় কড়া নাড়তাম। এই যৌবন, এই বন, এই চন্দনী; আমি কি করব। কি করব আমি এত আনন্দ নিয়ে? আমি আজ রাজাধিরাজ। এইই প্রথম, আমার প্রথম কৈশোরের প্রেমিকা এই প্রকৃতিরই বুকে দাঁড়িয়ে, তারই এক স্নেহধন্যা বন্যা মেয়েকে নিয়ে আমি আমার যৌবনের পুরুষসত্তাকে নিবেদিত করলাম অনাদিকালের স্নিগ্ধ অথচ ঝাঁঝালো প্রকৃতিসত্তার কাছে।

    চন্দ্ৰকান্ত! তুমি অনেক বড়। তুমি সাধারণ নও। আমাদের আশীর্বাদ করো যেন আমরা সাধারণ মানুষ ও মানুষী হিসেবে এই বনভূমিতে বাকী জীবন বড় সুখে বড় ভালোবাসায় কাটাতে পারি। বেশি লোভ নেই আমার। সামর্থ্যও নেই। তুমি আগে যেও, আমরা পেছনে থাকব। তোমার মতো ত্যাগ আমার জন্যে নয়। আমি আমাকে ভালোবাসি, এই পৃথিবীকে ভালোবাসি, এই নরম লতানো শরীরের পাখির মতো ওম-ধরা মসৃণ বুকের চন্দনীকে ভালোবাসি। আমাকে এই ভোগের মধ্যে ডুবে থাকতে দাও। চন্দনীকে আমার মতো করে পূজো করতে দাও আমায়।

    হঠাৎ উপর থেকে কম্ফু হাঁক দিল।

    বলল, কি হল? কাঠের মতো দাঁড়িয়ে কেন? সাপ?

    চন্দনী খিল্‌ খিল করে হেসে উঠল। বলল, কম্ফু ভাইরে। শঙ্খচূড়। পায়ে দাঁড়িয়ে মুখে ছোবল মারে।

    কম্ফু প্রথমে বুঝল না। না বুঝেই, তরতর করে কিছুটা নেমে এলো উৎরাই বেয়ে। তারপরই বুঝতে পেরে, হেসে ফেলল।

    বলল, দারোগা ব্যাটা যাওয়ার পর তবু একটু হাসা গেল।

    আমি বললাম, কম্ফু, কাম-জ্বরের কোনো ওষুধ আছে?

    কম্ফু হাসল। বলল, আছে আছে! সব ব্যারামেরই অসুধ আছে। ওষুধ তো সামনেই আছে। কিন্তু অনুপান নেই। অনুপান তৈরি করে দেবো যদি চাও।

    আমার বড় খুশি খুশি লাগছিল নিজেকে। অর্গলমুক্ত।

    বললাম, দিও দিও; শিখিয়ে পড়িয়ে দিও। আমি বড় আনাড়ী।

    কম্ফু হেসে উঠল। চন্দনী লজ্জা পেল।

    তারপর আমরা তিনজনেই আবার উঠতে লাগলাম উপরে।

    উপরে যখন উঠে এলাম, তখন চোখ জুড়িয়ে গেল। আধ স্কোয়ার কিলোমিটার মতো একটা মালভূমি—চতুর্দিকে ঘন সেগুনের বন। পাতাগুলো হাতীর কানের মতো বড় বড়। তারপর একটু ঝোপ-ঝাপ অর্গুন শিয়ারি, গিলিরি, কিছু কিছু বাইগবা, তারপরই ফাঁকা মালভূমি। নীচে ঝোপ-ঝাড় লতাপাতা কিছু নেই। সমস্ত জায়গাটায় কয়েকশ আমলকী গাছ। শুধু ফলে ভরা। সব পাতা ঝরে গেছে, শুকনো ডালে ডালে লক্ষ লক্ষ আমলকী। গাছতলায় কত যে আমলকী পড়ে আছে তা কি বলব। আমলকী আরও দেরীতে ফলে অন্যান্য জঙ্গলে, এখানে কিসের তাড়া বুঝলাম না।

    কয়েকশ পাখি এসে জমেছে জায়গাটায়। ময়না, টিয়া, বুলবুলি, বসন্তবৌরি, পাহাড়ী ময়না; কুম্ভাটুয়া, দোয়েল, কোকিল আরো কত শত নাম না-জানা পাখি।

    আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়েছিলাম।

    কম্ফু বলল, একটা বারিরি!

    চন্দনী চমকে উঠল। বলল, যাঃ!

    –যাঃ না। সত্যি এটা বারিরি।

    শব্দটা উচ্চারণ করতে করতে কম্ফুর চোয়াল শক্ত হয়ে উঠল।

    আমার প্রথমে মনে পড়ছিল না। তারপর হঠাৎ মনে পড়ে গেল। খন্দ্রা মেরিয়া বলি দিত যে সময়, জীবন্ত মানুষের মাংস খুবলে নিত, তখন আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে যে বধ্যভূমিতে নিয়ে যেত খন্দ্রা, তারই নাম বারিরি। ‘বারিরি’ মানে বধ্যভূমি।

    মেরিয়া-প্রথা বহুদিন হল উঠে গেছে, কিন্তু বারিরি নামটি এখনও রয়ে গেছে ওদের মনে, অবচেতনে। বারিরি শব্দটার মধ্যেই কেমন একটা গা-শিরশির ভয়ের ভাব আছে।

    কম্ফু বলল, একদিন রাতের বেলা এখানে এসো। দেখবে পালে পালে চিতল হরিণ চরে বেড়াচ্ছে, আমলকী খাচ্ছে, আর তাদের মাথার উপর ঘুরে ঘুরে টী-টী পাখি ডেকে বেড়াচ্ছে চমকে চমকে হাট্টিটি—হাট্টিটি—হাট্টিটি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকোজাগর – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article বনবিবির বনে – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }