Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    মনোজিৎ কুমার দাস এক পাতা গল্প118 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. বই আমাদের পথপ্রদর্শক

    একটি ভালো বইয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং তার মালিক হওয়া
    প্রকৃত পক্ষে একটি চিরস্থায়ী সম্পদ

    .

    তরুণদের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাদের চিন্তাভাবনার সঙ্গে মত বিনিময় করার আমার একটি মিশন ছিল। গত দুই দশকে প্রায় ১৯.৫ মিলিয়ন তরুণের সঙ্গে আমি মিলিত হয়েছি। তরুণদের কাছ থেকে আমি কী শিখেছি? তরুণদের কাছে আমার বার্তাটিই বা কী?

    ২০১০ এ আমি যে অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলাম তা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। আমি ইউএস এর লেক্সিংটনের গাটন কলেজ অব বিজিনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস এর ৭২ জন গ্রাজুয়েট ও পোস্ট গ্রাজুয়েটদের এক একটি ক্লাসে কথা বলেছিলাম। আমরা এক একটি ক্লাসে তিরিশ মিনিট সময় নেই।

    একদিন, স্টেফানী নামের একটি মেয়ে আমাকে একটি অসাধারণ প্রশ্ন করে বসলেন। স্টেফানী এই কোর্সে যোগদানের আগে স্কুল টিচার ছিলেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞসা করলেন, ‘ড. কালাম, রাতে আমি আপনার লেখা বইগুলোর একটি পড়েছি। আপনি বহু কাজ করেছেন। আমাকে বলুন কোন্ কাজটি করে আপনি পরম সুখ লাভ করেছেন?’

    আমার উত্তর আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব। আমরা ১৯৮০ এ প্রথম দেশীয় স্যাটেলাইট লঞ্চ ভিইয়েকল এসএলভি-৩ উড্ডন করি। এতে আমি যারপর নাই খুশি হই। ১৯৮৯ এ অগ্নি ২০০০ কিলোমিটার এর গন্তব্যে যখন পৌছাল তখন আমাকে অন্য ধরনের সুখ দিল। ১৯৯৮ এ আমাদের টিম সাফল্যের সঙ্গে ৫২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের পোখরান মরুভূমিতে একটি নিউক্লিয়ার অস্ত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন করলে, আমি বড়োই আনন্দ পেলাম। যখন আমাদের টিম ভিশন ২০২০ সফল করে ভারতকে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশে পরিবর্তিত করার জন্য প্রস্তুত করল তখন আমার মধ্যে সুখের অনুভূতি জেগে উঠল। তারপর স্টেফানী আমাকে প্রশ্ন করল, ‘কিন্তু কোটিতে আপনি পরম সুখ পেয়েছিলেন?

    আমি তাকে বললাম, ‘আমি চরম আনন্দ পেয়েছিলাম যখন পোলিও আক্রান্ত শিশুদের জন্য হালকা ওজনের ক্যালিপার তৈরি করতে বিশেষ অবদান রাখি। হালকা ওজনের ক্যালিপার ব্যবহারের ফলে পোলিও আক্রান্ত ছেলে-মেয়েদের ব্যথা দূর হওয়ায় তারা সহজে হাঁটাচলা করতে পারায় আমি পরম সুখ অনুভব করলাম। আমার জীবনের অন্য কোনো অবদানে কখনোই এতটা পরম সুখ অনুভব করিনি।’

    আমি পরম সুখ অনুভব করেছি ভালো ভালো বই পাঠে, সেগুলোর পাতা থেকে আসল অর্থ উপলব্ধি করে। এক একটা ভালো বই পাঠ করে জ্ঞানঋদ্ধ হই। বই আমার স্থায়ী সঙ্গী। মাঝেমধ্যে বইগুলোর বিষয় আমার সম্মুখে প্রতিভাত হয়ে ওঠে। বই আমাদের জীবনযাত্রায় পথপ্রদর্শক হিসাবে কাজ করে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তা কার্যকরী থাকে। আমি ১৯৫৩ এ চেন্নাইয়ের মুর মার্কেটের পুরনো বইয়ের দোকান থেকে লাইট ফ্রম মেইনি ল্যাম্প নামে একখানা বই কিনেছিলাম। এই বইখানা আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে যায়। এই বইখানা পাঁচ দশক যাবৎ আমার সঙ্গের সাথি ছিল। বইখানা সব সময় পড়ার ফলে বেশ কয়েকবার বাইন্ডিং করা হয়েছিল। আমার মনে বইটি গভীরভাবে রেখাপাত করে। আমার এক বন্ধু ২০০৪ এ নতুন সংস্কারের একই বই আমাকে উপহার দিয়েছিল। সে বলেছিল যে, সর্বোত্তম জিনিস হিসাবে সে আমাকে বইখানা দিচ্ছে।

    ২০০৯ এর ১১ আগস্টে আমি তামিলনাড়ুর IROD এ ভ্যালেডিক্টোরি ফাংসন উদ্বোধন করতে গিয়েছিলাম। আমি আমার ভাষণে পরামর্শ দিয়েছিলাম যে প্রত্যেককে এক ঘণ্টা করে প্রতিদিন বইমেলায় কাটিয়ে ভালোমানের বই পড়া উচিত। এতে তারা জ্ঞান সমৃদ্ধ হয়ে তাদের ছেলে-মেয়েদেরকে জ্ঞানঋদ্ধ করে গড়ে তুলতে পারবে। তাদের ছেলে-মেয়েরা একদিন বড়ো মানুষ হিসাবে গড়ে উঠতে পারবে। আমি সমস্ত পিতামাতাকে পরামর্শ দিয়েছিলাম, প্রত্যেকের বাড়িতে কমপক্ষে ২০টি বই নিয়ে একটা ছোট্ট লাইব্রেরি গড়ে তুলতে। সেই লাইব্রেরিতে থাকবে দশটা শিশুতোষ বই, শিশুরা অল্প বয়সেই বাড়িতে বসে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারবে ও উপলব্ধি করতে পারবে তাদের পিতামাতা মানসম্পন্ন বই পাঠ করেন। এই সমাবেশে অনেক লোক উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আমার এই ভাবনাটাকে ভালোভাবে উপলব্ধি করে তাঁদের বাড়িতে তাৎক্ষণিকভাবে একটি লাইব্রেরি গড়ে তুলেছিলেন। আমি অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে নীচের শপথটা করিয়ে নিয়েছিলাম।

    ‘আজ প্রথমেই আমি ২০টি বই নিয়ে আমার বাড়িতে একটি হোম লাইব্রেরি গড়ে তুলব, আর তাতে ১০টি শিশুতোষ বই থাকবে।’

    ‘আমার ছেলে-মেয়েরা এই হোম লাইব্রেরিটিকে ২০০ বইয়ের একটি বড়ো লাইব্রেরিতে উন্নীত করবে। আমার নাতি নাতনিরা হোম লাইব্রেরিকে ২০০০ বইয়ের একটি লাইব্রেরিতে উন্নীত করবে।’

    ‘আমি মনে করি আমাদের লাইব্রেরি সারাজীবনের মূল্যবান সম্পদ এবং আমাদের পরিবারের মূল্যবান সম্পত্তি হিসাবে বিবেচিত হবে। আমরা আমাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে কমপক্ষে একঘণ্টা প্রতিদিন লাইব্রেরিতে কাটাব পড়াশোনা করে।’

    এই বিষয়ে শপথ গ্রহণ করানোর পর অবাক করা ঘটনা ঘটে গেল। এক ঘণ্টার মধ্যে বইমেলার বুকস্টল থেকে সমাবেশে উপস্থিত লোকেরা হাজার হাজার বই কিনে নিল। বইমেলার বুকস্টলের প্রায় বই বিক্রি হয়ে গেল।

    অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন, হোম লাইব্রেরি হচ্ছে সর্বোত্তম সম্পদ। হোম লাইব্রেরিতে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে বই পড়লে ছেলে-মেয়েরা মহান শিক্ষক, বড়ো নেতা, বড়ো বৃদ্ধিজীবী, বড়ো প্রকৌশলী, বড়ো বিজ্ঞানীতে পরিবর্তিত হতে পারবে। আপনারা প্রত্যেকে একটি হোম লাইব্রেরি গড়ে তুলতে পারেন, যা পুরো পরিবারকে প্রত্যেকদিন ডিনারের সময় সাধারণ বিষয়ে আলোচনা করতে পারবেন। এভাবে পারিবারক জ্ঞান সমৃদ্ধ করে পুরো পরিবারে টেকসই ঐক্য গড়ে তুলতে পারেন।

    (২৪ জানুয়ারি ২০১৫ জয়পুর লিটারেচার ফেসটিভ্যালে দেওয়া ভাষণ থেকে)

    ১০. প্রত্যেকের হাতে একখানা বই

    আমরা অবশ্যই ভাষার বাধা, দূরত্ব,
    মূল্যের প্রতিকূলতা অতিক্রম করে প্রত্যেকের
    হাতে বই পৌঁছে দিতে পারব।

    .

    প্রিয় বন্ধুগণ, ভারত ২০২২ এর মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন দক্ষ লোকের মিশন সফল করবে। ৫০০ মিলিয়ন মানুষের অধিকাংশই তরুণতরুণী। তাদের বই ও জার্নাল থেকে জ্ঞান আহরণ করে জ্ঞান সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। দেশে লাইব্রেরির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কীভাবে লাইব্রেরির সান্নিধ্য পেতে পারি?

    একটি ভালো ব্যবস্থা ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি। ইন্ডিয়াতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ভ্ৰাম্যমাণ গ্রাহক আছে। আমরা মোবাইলভিত্তিক লাইব্রেরি স্থাপন করতে পারি। সারাদেশে মোবাইলভিত্তিক লাইব্রেরির মাধ্যমে বই পড়ার সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। তাছাড়াও মোবাইল ফোনে অনুবাদক কাজ করতে পারবে। মোবাইল অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদের সুযোগসুবিধা পেতে পারি। এই সমস্ত বইয়ের অডিও সিস্টেমও চালু করতে পারি। অডিও সিস্টেম চালু হলে বই পড়ার পরিবর্তে শোনার মাধ্যমে জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব হবে। আমরা এভাবে সত্যি সত্যি ভাষার বাধা, দূরত্ব ও মূল্যের প্রতিকূলতা অতিক্রম করে পড়াশোনার সামর্থ্য গড়ে তুলে প্রত্যেক মানুষের কাছে বই পৌঁছে দিতে পারব।

    চিকিৎসক থেকে দার্শনিকে পরিবর্তিত হওয়া নোবেল বিজয়ী অ্যালেক্স ক্যারলের বই ম্যান, দি আননোন পাঠ করে আমি জ্ঞান সমৃদ্ধ হয়েছি। এই বইয়ে আলোকপাত করা হয় মন ও শরীর কীভাবে সমন্বিতরূপে কাজ করে। আপনি একটাকে ব্যবহার, আর একটাকে অবজ্ঞা করতে পারবেন না। বিশেষভাবে যে ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখে তাদের এই বইটি পড়া উচিত। এই বইটি পাঠ করলে তারা শিখতে পারবে যে মানুষের শরীর যান্ত্রিক পদ্ধতিতে গঠিত নয়। শরীর সবচেয়ে অখণ্ড ও স্পর্শকাতর ফিডব্যাক পদ্ধতির সঙ্গে একটি বড়ো ধরনের বোধ সম্পন্ন সজীব পদার্থ দ্বারা গঠিত। মানুষের নিয়ম শৃঙ্খলা গড়ে উঠেছে মনস্তাত্ত্বিক ও শরীরবৃত্তের সমন্বিত জীবনের মেলবন্ধনে।

    আমি শ্রদ্ধার চোখে দেখি থিরুভাল্লুভারের থিরুক্কুরাল বইটিকে। বইটি জীবনের জন্য একটি চমৎকার কোড অব কন্ডাক্ট। লেখকের ভাবনায় উঠে এসেছে একটি দেশ, ভাষা, ধর্ম, কৃষ্টি এবং মানুষের মনের কথা। থিরুক্কুরাল বইখানা ছয় দশক যাবৎ আমার জীবনে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে। এই বইয়ে বলা হয়েছে যে নদী, হ্রদ, কিংবা পুকুরের গভীরতা যাই হোক না কেন, পানির অবস্থা যাই হোক না কেন লিলি ফুল সব সময়ই ফোটে। অনুরূপভাবে, যদি লক্ষ্য অর্জনের দৃঢ় সংকল্প থাকে তবে লক্ষ্যে পৌঁছানো অসম্ভব হলেও একজন মানুষ সাফল্য লাভ করবেই।

    গ্রামের একটি ছেলের আত্মজীবনী আমি এখন আপনাদের কাছে বলব। ছেলেটির আত্মজীবনী পড়ে আমি লেজার প্রযুক্তির ভাবনায় মুগ্ধ হই।

    ১৯৬৮ এ আইআইটি, খড়গপুর থেকে পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রিধারী পশ্চিম বাংলা থেকে আসা একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী বিখ্যাত এয়ারোস্পেস কন্ডাক্টর নোর্থরোপ করপোরেশন রিসার্চ অ্যান্ড টেকনোলজির টিমে যোগদান করেন। তিনি সেখানে পদার্থবিদ হিসাবে অসাধারণ কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করেন। তিনি কাৰ্বন মনোঅক্সাইড (সিও) লেজার বিভাগে কাজ করছিলেন। তাঁর রিসার্চের উপর ভিত্তি করে ১৯৬৮ এ তার সহকর্মীরা নোর্থরোপ এ সবচেয়ে শক্তিশালী কন্টিনিউয়াস লেজার আধুনিকায়ন করেন। তিনি পদার্থ বিজ্ঞানী হিসাবে সামনের দিকে এগিয়ে যান। এই ভারতীয় বিজ্ঞানী রুম টেম্পারেচারের জন্য লেজার অপারেট তৈরি করতে সক্ষম হন। কিছুদিন আগেও যা তৈরি করার কথা ভাবাও সম্ভব ছিল না।

    লসএঞ্জলের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সেমিনারে ভারতীয় এই বিজ্ঞানী তাঁর আবিষ্কারের ফলাফল প্রদর্শন করেন। ‘ফাদার অব দি এইচ বোম’ খ্যাত এডওয়ার্ড টেলার ভারতীয় বিজ্ঞানীর উপস্থাপনার সময় চক্রান্ত করে বাথরুম করার অজুহাত দেখিয়ে রুম থেকে বাইরে চলে যান। যাওয়ার আগে বিজ্ঞানীকে তিনি ফিরে না আসা পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পেশ স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়ে যান। পরবর্তীতে একজন রাশিয়ান বিজ্ঞানী একটি প্রখ্যাত জার্নালে লেখেন, ‘ভৌমিকের সিও লেজারের উপর কাজে লেজার সম্বন্ধে কোনো কিছুই বাদ যায়নি।’ তার আর্টিকেল এই বিজ্ঞানীকে আন্তর্জাতিক সুনাম এনে দেয়। আপনারা কি জানেন ভারতীয় এই বিজ্ঞানীর নাম? এই বিজ্ঞানীর নাম ড. মণিলাল ভৌমিক। তিনি ‘কোড নেম গড’ নামে বিখ্যাত বইয়ের লেখক। তিনি এই বইতে বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার মধ্যে সম্পর্কের কথা দেখান। আমি একটানা বইটি পড়ে ফেললাম। আমি প্রত্যেকটি অধ্যায় উপভোগ করি। বইটিতে ড. ভৌমিকের জীবনের ব্যথাবেদনা ও আনন্দ উঠে এসেছে। আমি নিশ্চিত আপনারা সবাই অবশ্যই গভীর আগ্রহভরে এই লেজার বিজ্ঞানীর সম্বন্ধে পড়বেন। লেজারের উপর তার আবিষ্কারের ফলে আই সার্জারির গুরুত্বপূর্ণ LASIK (লাসিক) এর উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হয়।

    এখন আমি দুদশক আগে হনলুলুতে ঘটা একজনের জীবনের সত্য ঘটনা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব। এই ঘটনাটি আমি স্টেভেন আ. কেভের লেখা এভরিডে গ্রেটনেস বই এ পড়েছিলাম।

    লিণ্ডি কুনিশিমা ও গেরিয়ের দুই মেয়ের মধ্যে ট্রুডির বয়স তেরো বছর আর ছোটো মেয়ে জেনিফার বয়স নয় বছর এবং স্টেভেন নামের ছেলেটির বয়স আঠারো মাস। গেরি তার ছেলের মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু একটা লক্ষ করল। একজন নিউরোলজিস্টের দ্বারা ব্রেনের ভার্মিস এরিয়ার সিটি স্ক্যান করানোর পর দেখা গেল বডি ম্যাসেলের থেকে ব্রেনে মেসেজ যাওয়া আসা করছে না তা ডেভেলপ না করায়। নিউরোলজিস্ট জানিয়ে দিলেন স্টেভেন কখনোই হাঁটাচলায় বা মানসিক ও শারীরিকভাবে স্বাভাবিক হবে না। এ দুঃসংবাদে গেরির আহার নিদ্রা বন্ধ হয়ে গেল। ট্রুডি কিন্তু ডাক্তারের পরীক্ষানিরীক্ষা করার পর ডাক্তারের ঘোষণাকে চ্যালেঞ্জ জানাল এই বলে যে তিনি স্টেভেন সম্পর্কে যা বলেছেন তা সে বিশ্বাস করে না। সে জানাল যে, স্টেভেন স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সে নিজেই চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তারা প্রত্যেকদিন ডিনার টেবিলে পড়াশোনা করত। তারা স্টেভেনকে একটি প্যাসেজ পড়ে শোনাতে লাগল। ফলে শোনাটা স্টেভেনের অভ্যাসে পরিণত হলো। জেনিফার ও ট্রুডি তাকে প্রশ্ন করে জীবজন্তুর ছবিতে হাত রেখে তাকে প্রশ্ন করতে থাকল। কয়েক সপ্তাহ তারা স্টেভেনের কাছ থেকে কোনো জবাব পেল না।

    তিন মাস পরে স্টেভেন তার আসন থেকে মোচড় মেরে শিশুদের বইগুলোর দিকে হাত বাড়াল। স্টেভেন বইয়ের পাতায় টোকা মারতে থাকল যে পর্যন্ত না জীবজন্তুর ছবিগুলো দেখতে পায়। পরের রাতে জেনিফার বই পড়তে প্রস্তুতি নিলে তাদের ভাই হামাগুড়ি দিয়ে জেনিফারের সেই দিকে এসে সেই পাতাগুলো খুলে ফেলল। এ থেকে এটা বোঝা গেল স্টেভেনের স্মরণ শক্তি আছে, আর তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    স্টেভেনের সামনে জেনিফার ও ট্রুডি পিয়ানো বাজাতে থাকে। একদিন জেনিফার পিয়ানো বাজানো প্রাকটিস করার পর স্টেভেনকে তার আসন থেকে তুলে পিয়ানোর নীচে বসিয়ে দিল। সে সময় সে একটা অজানা নতুন শব্দ উচ্চারণ করল। সে গুনগুন করে সুর করতে থাকল। একই সঙ্গে তাদের পরিবার তার ম্যাসেলে ম্যাসেজ করতে থাকল। গেরি, ট্রুডি ও জেনিফার ছেলেটির ঠোঁটের মাঝে পিনাট বাটার পুরে দিতে শুরু করল। তাতে সে তার জিবে ও দাঁতের পাটিতে এক্সাইজ হতে থাকল। স্টেভেন সাড়ে চার বছর বয়সেও কথা বলতে পারল না, তবে সে মুখ দিয়ে শব্দ করতে পারছিল। তার কিন্তু স্মৃতিশক্তি আছে বলে মনে হলো। তার হাতের কাছে ৩০০ পিস জিগস পাজেল দিলে তা খণ্ড খণ্ড অংশকে নিয়ে ঠিকমতো সাজাতে পারল।

    কয়েকটি স্কুল থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর লুইস বোগার্ট তাকে রবার্ট এলেন মোন্তেসরী প্রাক স্কুলে ভর্তি করে নিলেন। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর স্টেভেন নিজেকে উপলব্ধি করার জন্য দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ হলো।

    একদিন বোগার্ট পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষকদের কাজ দেখছিলেন। তিনি দেখলেন শিক্ষক একজন ছাত্রকে তার সংখ্যা জিজ্ঞাসা করছেন। ‘সংখ্যা কত?’ শিশুটি বলল, ‘কুড়ি!’ স্টেভেন হঠাৎ বলে ফেলল। বোগার্ট অবাক হলেন। স্টেভেন ভালোভাবে কথা বলতে পারে না। কিন্তু স্পষ্টভাবে তো সঠিক নম্বরটা বলতে পেরেছে। বোগার্ট শিক্ষিকার নিকটবর্তী হলে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “স্টেভেন কি এমনটা বলেছে?’

    শিক্ষিকাটি বললেন, ‘না। আমরা তাকে এক থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যা বলেছি। কিন্তু তার মুখ থেকে কোনো সংখ্যা বের হয়নি। ওই ঘটনাটি বোগার্ট স্টেভেনের মাকে বললেন, ‘স্টেভেন যা বলতে যোগ্যতা অর্জন করেছে ঠিক তাই সে বলতে শুরু করেছে।’ তখনো তার ব্রেনের মোটরের দক্ষতা কম ছিল। জেনিফার, গেরি ও ট্রুডি কঠিন পরিশ্রম করতে লাগল তার হাতের লেখা স্পষ্ট করার জন্য। একদিন স্টেভেন জেনিফারকে আশ্বাস দিয়ে বলল, ‘আমি এটা করতে পারব। তোমরা আমাকে সময় দাও।’

    তারপর থেকে ধীরে ধীরে স্টেভেনের উন্নতি হতে লাগল। ১৯৯০ এ তাকে সাধারণ ধারার একটি ক্যাথোলিক স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া হলো। সম্মিলিত দৃঢ়সংকল্পের শক্তিতে এভাবে একটি শিশুকে নিরাময় করানো সম্ভব হলো।

    (৯ ডিসেম্বর ২০১৪ এ পুডুচেরির ন্যাশনাল অন নলেজ, লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন নেটওয়ার্কিং এর উদ্বোধনী ভাষণ থেকে।)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশনস অ্যান্ড দ্য রিমেকিং অব ওয়ার্ল্ড অর্ডার – স্যামুয়েল পি. হান্টিংটন
    Next Article বউ – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }