Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    মনোজিৎ কুমার দাস এক পাতা গল্প118 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৭. সৃজনশীল নেতার ক্রমবিকাশ

    একজন নেতাকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে সততার
    সঙ্গে কৃতকার্য হওয়া উচিত।

    .

    আমার ইগনাইটেড মাইন্ড বইখানা ২০০১ এ প্রকাশিত হয়। মানুষের অগ্রগতির জন্য আলো জ্বালানো, সৃজনশীল শিক্ষাদান, নৈতিকতাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক মন সৃষ্টির লক্ষ্যে আমার ব্যক্তিগত মিশনের প্রেক্ষিতে। আমার পেশাগত দায়দায়িত্ব আমাকে সুযোগ করে দেয় প্রযুক্তি ও মিশনের জন্য বিভিন্ন স্তরে সৃজনশীল ও প্রকাশমান নেতৃত্বের বিশেষ লক্ষণগুলোকে বুঝতে। পৃথিবীর নেতৃবৃন্দ মহান মহান দার্শনিক, নবজাগরণের পথিকৃতদের আত্মজীবনী ও স্পষ্ট বক্তব্য থেকে আমি সব সময়ই অনুপ্রাণিত হয়েছি। যখন ইন্ডিয়ার ভিশন ২০২০ এর ক্রমবিকাশের জন্য আমি জাতীয় দলে অংশ ছিলাম, তখন প্রযুক্তি, সমাজ, ও দেশের নেতৃত্ব সম্বন্ধে উপলব্ধি করি। তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে উন্নয়ন সম্পর্কে তাদের প্রশ্ন থেকে আমার মনে পুনরায় নেতৃত্ব সম্বন্ধে প্রতিফলন ঘটে। রাষ্ট্রপতি থাকাকালে ও তার পরবর্তীকালে আমার সুযোগ ঘটে দেশ ও বিদেশের মহান মহান নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার। আপনারা আমার সঙ্গে একমত হবেন যে আনুষ্ঠানিক, সাংগঠনিক, জাতীয় ও বিশ্বায়িতম্ভরে সৃজনশীল নেতৃত্ব মানবজাতির শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য জরুরি।

    সুতরাং কেমনভাবে সৃজনশীল নেতৃত্বের প্রকাশ ঘটে? সৃজনশীল নেতৃত্ব শুরু হয় নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য বর্তমান থাকলে:

    • সুস্পষ্টভাবে উদ্ভাসিত করা
    • মধ্যধারার ব্যবস্থাপনা সম্বন্ধে উপলব্ধি করা
    • দৃঢ়বিশ্বাস ও সহানুভূতির সাহস করা
    • বর্ধিষ্ণু প্রযুক্তির প্রতি প্রত্যাশিত সামাজিক দূরদর্শিতা দেখানো
    • সবুজ বিপ্লবের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক কৃষ্টির জন্য কৃষক ও প্রশাসকদের সঙ্গে বৈজ্ঞানিক মেধার সমন্বয় সাধন করা
    • বিজ্ঞানে আজীবন মিশন
    • শক্তি সামর্থ্য ও সৎ প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা

    জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর কথা দিয়েই আমাকে শুরু করতে দিন। ব্রিটিশের কব্জা থেকে তিনি অহিংস নীতির উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে আমাদের দেশকে স্বাধীন করেন। বেশ কয়েক বছর আগে আমি অসাধারণ অভিজ্ঞতা অর্জন করি যে, একজন মাত্র মানুষ বিপুল জনগোষ্ঠীকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। দিল্লিতে মহাত্মা গান্ধীর নাতনি সুমিত্রা কুলকার্নির সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়। তিনি তাঁর দেখা ঠাকুরদা মহাত্মা গান্ধী সম্বন্ধে একটি ঘটনার কথা আমাকে বলেন।

    প্রত্যেকদিন গান্ধীজী সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থনায় অংশ গ্রহণ করতেন। প্রার্থনার শেষে তিনি সচরাচর অভাবী লোকদের কল্যাণের জন্য স্বেচ্ছায় দান গ্রহণ করতেন। তাঁর অনুগামীরা যে যাই দিক না কেন তা সংগ্রহ করে হিসাবপত্র করে রাখা হতো।

    সংগৃহীত অর্থকড়ির হিসার গান্ধীজীর ডিনারের আগে তাঁকে দেওয়া হতো। পরদিন ব্যাংকের একজন লোক আসতেন সংগৃহীত অর্থ নিতে। একদিন ব্যাংকের লোকটি জানাল যে তাকে দেওয়া টাকার মধ্যে কয়েকটি পয়সার অমিল হয়েছে। গান্ধীজী এ কথা শুনে তাকে বললেন যে এটা হচ্ছে গরিবদের জন্য দান, যার প্রত্যেকটি পয়সার হিসাব আমি রাখি।

    প্রিয় বন্ধুগণ, আপনাদের সবাইকে ন্যায়পরায়ণতা অনুশীলন করতে হবে। আপনারা সবাই আগামীকালের ম্যানেজার ও নেতা, আপনাদেরকে অবশ্যই চিন্তাভাবনা ও কাজে ন্যায়পরায়ণার অনুশীলন করতে হবে।

    ২০০৪ এর ১৬ সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান পরিচালিত ১৯০০ শতকের ভিনটেজ পরিচালিত একটি ট্রেনের ফার্স্ট ক্লাস কামরায় আমার ভ্রমণকালে পুনরায় গান্ধীজীর কথা স্মরণ হলো। আমার মনে পড়ল একদিন এই ট্রেনে গান্ধীজী ভ্রমণ করেছিলেন। গান্ধীজী ট্রেনের এক স্টেশন থেকে আর এক স্টেশনে ভ্রমণ করে জাতিগত বৈষম্য দূর করার জন্য সংগ্রাম করছিলেন। সেই কথা আমার মনে পড়ল। শীতের একরাতে ট্রেন পিটারমার্টিজবার্গে বিরতি দিলে সেখানে দৈত্য আকৃতির একজন অমানুষ গান্ধীজীকে মারধর করে। গান্ধীজীকে ফার্স্ট ক্লাস কামরা থেকে বের করে দেয় গায়ের রঙ কালো হওয়ার কারণে। যখন আমি পিটারমার্টিজবার্গ স্টেশনে নামলাম তখন রেল স্টেশনে একটি ফলক আমার চোখে পড়ল। ফলকের লেখাটি আমি পড়লাম। ফলকে লেখা রয়েছে :

    এম. কে. গান্ধীকে এই স্টেশনে
    প্রথম শ্রেণির কামরা থেকে
    ৭ জুন ১৮৯৩
    নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    এই ঘটনা তাঁর জীবনের গতি পরিবর্তন করে দেয়। তিনি সেখানে জাতিগত অবদমনের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন। ওই দিন থেকে তিনি অহিংস আন্দোলন শুরু করেন। এটাই ছিল অহিংস নীতির পুনর্জন্ম ৩০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে কলিঙ্গ যুদ্ধের পর। পরবর্তীতে গান্ধীজী অহিংস ধর্মকে আরো উন্নত করে ভারতের স্বাধীনতার জন্য শক্তিশালী অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করেন। তিনি আব্রাহাম লিঙ্কনের গেটিসবার্গের ভাষণের দ্বারা অনুপ্রাণিত হন। গান্ধীর শিক্ষা অহিংস আন্দোলনে অনুপ্রেরণা যোগায়। বিশেষ করে ইউএস সিভিল রাইট নেতা মার্টিন লুটার কিং গান্ধীজীর অহিংস আন্দোলনের দ্বারা অনুপ্রাণিত হন।

    আমি পিটারমার্টিজবার্গ স্টেশনে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম তা থেকে আমার মনে দুটো দৃশ্যপটের উদয় হলো। একটা দৃশ্য ছিল রোবিন আইল্যান্ডের যেখানে ড. নেলসন ম্যান্ডেলা একটি ছোট্ট সেলে ছাব্বিশ বছর কারারুদ্ধ ছিলেন। আর একটি দৃশ্য ছিল ড. নেলসন ম্যান্ডেলার বাড়ির।

    কেপ টাউন তার টেবল মাউন্টেনের জন্য বিখ্যাত। এই মাউন্টেনে টেবল পিক, ডেভিল পিক ও ফেক পিক নামে তিনটি শৃঙ্গ আছে। শৃঙ্গগুলোর মধ্যে সারাদিন ব্যাপী একটি সুন্দর দৃশ্যপট বর্তমান ছিল। মাঝেমধ্যে কালো মেঘ এবং কখনো সাদা মেঘের আনাগোনা শৃঙ্গগুলোকে যেন আলিঙ্গন করে যায়। টেবল মাউন্টেন আটলান্টিক সাগরের খুবই কাছে। আমি হেলিকপ্টারে কেপ টাউন থেকে দশ মিনিটে রোবেন আইল্যান্ডে পৌঁছালাম। যখন আমরা দ্বীপটিতে পৌঁছালাম তখন সাগর শান্ত ছিল। সমস্ত দ্বীপটিতে নীরবতা বিরাজ করছিল। এই স্থানে মানুষের স্বাধীনতাকে শৃঙ্খলিত করে রাখা হয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার মি. আহমেদ কাথরাদা ড. ম্যান্ডেলার সহকারাবন্দি ছিলেন। তিনি আমাদেরকে স্বাগত জানালেন। তার ছোট্ট রুমটি দেখে আমার বিস্ময়ের শেষ নেই। সমস্ত মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষাকে যিনি পূর্ণ করেছিলেন তিনি ওই ছোট্ট রুমটিতে ঘুমাতেন। আমার মনে পড়ল, ৬ ফুট লম্বা নেলসন ম্যান্ডেলা ওই রুমে ছাব্বিশ বছর কারারুদ্ধ থেকে নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। তাঁর জীবনের বেশিরভাগ বছর কাটিয়েছিলেন এই শান্ত দ্বীপটিতে। যখন জেলের ওয়ার্ডেনরা ঘুমিয়ে থাকত তখন তিনি জেলে বসে প্রতিদিন ছোটো ছোটো চিঠিতে স্বাধীনতার পাণ্ডুলিপি লিখতেন। সেই পাণ্ডুলিপি থেকেই পরিশেষে তাঁর বিখ্যাত বই এ লঙ ওয়াক টু ফ্রিডম প্রকাশিত হয়।

    আমার পক্ষে এটা ছিল একটি বড়ো ধরনের ঘটনা, জোহান্সবার্গে ড. ম্যান্ডেলার সঙ্গে তার বাড়িতে সাক্ষাৎ। সে কী উষ্ণ অভ্যর্থনা! ছিয়াশি বছরের মানুষটির মুখে হাসি লেগে ছিল। বন্ধুগণ, আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে ইচ্ছুক ম্যান্ডেলার মিলিত হওয়ার ঘটনা। ড. ম্যান্ডেলার বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে উৎফুল্ল দেখতে পেলাম। আমি ভাবলাম, এই লোকটিই দক্ষিণ আফ্রিকাকে শৃঙ্খল মুক্ত করে দেশটিকে স্বাধীন করেন।

    তিনি আমাকে বিদায় জানাতে হাতের লাঠি রেখেই হেঁটে হেঁটে বারান্দায় এলেন। আমি তাকে ধরে হাঁটতে সাহায্য করলাম। হাঁটার সময় আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ড. ম্যান্ডেলা, আপনি কাকে আন্দোলনের অগ্রপথিক মনে করে দক্ষিণ আফ্রিকাতে দমনকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুললেন? সেই কথাটি কি আমাকে বলবেন।’ তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বললেন, ‘অবশ্যই দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাধীনতা আন্দোলনে একজন অগ্রপথিকের অনুপ্রেরণায় আমি আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্ষম হই। সেই অগ্রপথিক হচ্ছেন এম. কে. গান্ধী। ভারত আমাদেরকে মহাত্মা গান্ধীকে দিয়েছিলেন। আমরা আপনাদের কাছে দুই দশক পরে মহাত্মা গান্ধীকে ফিরিয়ে দিয়েছি।’ স্বাধীনতা লাভের পর, ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হন।

    ড. ম্যান্ডেলাকে স্থানীয় ভাষায় মাডিবা বলে ডাকা হয়। তিনি মৃত্যুবরণ করলে তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় সারা বিশ্বের নেতারা হাজির হন। ড. ম্যান্ডেলার জীবন ও সংগ্রাম থেকে আমি ২০০০ বছর আগে থিরুভাল্লুভারের লেখা থিরুক্কুরালস বইটির অনুষঙ্গ দেখতে পাই।

    দুইজন রাজনৈতিক নেতা মহাত্মা গান্ধী ও ড. নেলসন ম্যান্ডেলা ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে স্বাধীনতা দান করেন। তাঁদের এই সংগ্রামের অনুপ্রেরণায় অনেক দেশই স্বাধীনতা লাভের জন্য সংগ্রামে লিপ্ত হয়।

    এখন আমি চীনের আধুনিক শিল্পবিপ্লবের স্থপতি দেং জিয়াওপিং সম্বন্ধে বলব। তাঁর নেতৃত্বে চীনে দ্রুততার সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে এবং জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি ও বিশ্ব অর্থনীতিতে উন্নয়নের বন্ধন গড়ে ওঠে। দেং জিয়াওপিং ডিসেম্বর ১৯৭৮ এ চীনের প্রখ্যাত নেতা হয়ে ওঠেন। চীনে তখনো সাংস্কৃতিক বিপ্লব চলছিল। কয়েক শত মিলিয়ন চীনা দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হয়। চীন দ্রুততার সঙ্গে অধিকতর শক্তিশালী, ধনী ও আধুনিক রাষ্ট্র হয়ে ওঠে।

    আধুনিক করে গড়ে তোলার জন্য ডেং বিশ্বের প্রধান প্রধান দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে উদ্যোগী হন। ইউরোপ, জাপান, ইউএসএ সহ বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশের সঙ্গে চীনের সুসম্পর্ক স্থাপিত হয়। চীনের উন্নয়নের জন্য দেং জিয়াওপিং অর্থনৈতিক রূপকল্প আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়।

    এখন আমি ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির রূপকল্প সম্বন্ধে কিছু কথা আপনাদের কাছে উপস্থাপন করব। প্রফেসর বিক্রম সারাভাই ছিলেন আমার গুরু। খুব কম লোকের ভাগ্যে এত বড়ো মাপের মানুষের সরাসরি সান্নিধ্য জোটে। সাত বছর প্রফেসর বিক্রম সারাভাই এর সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে এক পাতার বিবরণ থেকে স্পেস প্রোগ্রামের প্রথম লগ্নের রূপকল্পকে আমি অবলোকন করেছিলাম। সেই এক পাতার বিবরণ নিয়ে অবিরত কাজ করার শিক্ষা ছিল সত্যি সত্যি আমার জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছানোর চাবিকাটি।

    ১৯৭০ এ দেওয়া প্রফেসর বিক্রম সারাভাই এর বিখ্যাত বিবরণীতে তিনি বর্ণনা করেন, “ভারত তার শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও তরুণদের জ্ঞানভাণ্ডারের সাহায্যে তার নিজস্ব রকেট সিস্টেম (স্যাটেলাইট ভিইয়েকল) তৈরি করতে পারবে। তারা ভারতের যোগাযোগ, দূরভাষ, ও মেট্রোলোজিকাল স্পেসক্রাফটের উন্নয়ন করবে। আমি এখনো সেই বিবরণটির ফলাফল দেখে আপ্লুত হয়ে পড়ি। আজ ভারত তার জমিন থেকে যে-কোনো ধরনের স্যাটেলাইট লঞ্চ ভিইয়েকল, যে-কোনো ধরনের স্পেসক্রাফ্ট উৎক্ষেপণের ক্ষমতা অর্জন করেছে। মহাশূন্য প্রযুক্তি ও মহাশূন্য বিজ্ঞানের মাধ্যমে ভারত পৃথিবীর মহাশূন্য প্রকল্পের অংশীদার হতে পেরেছে।

    এম.এস. স্বামীনাথন ভারতের সবুজ বিপ্লবের জনক হিসাবে পরিচিত। তাঁর নেতৃত্বে ভারত উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন গম উৎপাদনে সাফল্য লাভ করেন। ১৯৪৩ এ পশ্চিম বাংলায় দুর্ভিক্ষে ৩ মিলিয়ন মানুষ মারা যাওয়ার কারণে স্বামীনাথন কৃষিক্ষেত্রকে গবেষণার বিষয় হিসাবে বেছে নেন।

    স্বামীনাথন তার সহকর্মী ও ছাত্রদের সঙ্গে সারা পৃথিবীর সাহচর্যে কাজ করেন। ব্যাপকভাবে এ কাজ করতে গিয়ে চারা জন্মানো, কৃষি গবেষণা ইত্যাদির ক্ষেত্রে নানা সমস্যায় তাকে পড়তে হয়। ১৯৮৩-তে তিনি কৃষকদের অধিকার এবং ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারটেকিং অন প্লান্ট জেনেটিক রিসোর্সেস (IUPGR) এর উন্নয়নের ধারণা লাভ করেন। তিনি ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব জেনেটিকস এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৮৭ সালে প্রথম ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ লাভ করেন। স্বামীনাথনের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় সচেতনা সৃষ্টি হয় যে, ক্ষুধা প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, এটা মানুষের আচরণের দ্বারা সৃষ্ট একটি দুর্যোগ। মানুষের দ্বারা সৃষ্ট সমস্যা মানুষের দ্বারাই সমাধান হতে পারে। ভারতের প্রথম সবুজ বিপ্লবে অগ্রদূত ছিলেন স্বামীনাথন। স্বামীনাথনের এই সফলতা আসে রাজনৈতিক রূপকল্পকার ড.সি সুব্রামানিয়ানের নির্দেশনায় ও কৃষকদের সমর্থনে তাঁর টিমের সহযোগিতায়। তাঁরা ভারতকে ক্ষুধার রাজ্য থেকে মুক্ত করেন। ‘সিড টু গ্রেন’ রূপকল্পের আওতায় ভারত খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণের কাছাকাছি পৌছাতে সক্ষম হয়। অবশ্য এটা ঘটাতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাকে কাজ করতে হয়।

    চন্দ্রশেখর সুব্রাহ্মনিয়ানের বিখ্যাত আবিষ্কার ছিল জ্যোতির্বিজ্ঞানে চন্দ্রশেখর লিমিট। লিমিট বর্ণনা করে একটি সাদা বামন তারকার সর্বাধিক পিণ্ড (- ১.৪8 সোলার পিণ্ডসমূহ) বা সমতুল্যভাবে, একটি তারকার সর্বনিম্ন পিণ্ড স্বাভাবিকভাবে একটি নিউরোন তারকায় নিথর বা কালগহ্বরে একটি সুপার নোভায় পরিণত হয়। চন্দ্রশেখর লিমিট দ্বারা স্থিরীকৃত হয় নির্দিষ্ট পিণ্ড কত দীর্ঘ সময় একটি তারকায় কিরণ দেয়। ১৯৮৩-তে চন্দ্রশেখর সুব্রাহ্মনিয়ান তাঁর এই আবিষ্কাররের ফলে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

    ১৯৪৭ এ চন্দ্রশেখরের দু’জন ছাত্র টিসাং-দাও লী এবং চেন নিং ইয়াং পার্টিকেল ফিজিকস রিসার্চ ডক্ট্রাল প্রার্থী ছিলেন। চন্দ্রশেখর সুব্রাহ্মনিয়ান উইসকোনসিন-এর লেক জেনেভার ইয়ের্কস অজার্ভাটোরিতে অফিস চালালেও তিনি আবহাওয়া খারাপ থাকলেও নিয়মিত চিকাগো পর্যন্ত ১০০ মাইল ড্রাইভ করে যেতেন। এবং ইয়াংকে গাইড ও পড়াশোনা শিখাতে যেতেন। ১৯৫৭ এ তাঁর এই দুই ছাত্র তাদের কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। চন্দ্রশেখর নোবেল পুরস্কার লাভের তিন দশক আগে তাঁর ছাত্ররা নোবেল পুরস্কার পান। এটাও প্রকাশ করে বিজ্ঞান ও তাঁর ছাত্রদের প্রতি চন্দ্রশেখর সুব্রাহ্মনিয়ানের অঙ্গীকার। চন্দ্রশেখরের কাছে বিজ্ঞানই ছিল আজীবনের সাধনা। এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তরুণদেরকে বিজ্ঞানের প্রতি আবেগপ্রবণ করে তোলে।

    প্রফেসর সারাভাইয়ের কাছ থেকে প্রফেসর সতীশ ধাওয়ান ISRO-এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রফেসর সারাভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র ও বিচক্ষণ ব্যবস্থাপক। তিনি ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ ও উন্নয়নের জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলেন। তিনি সংস্থা, শিল্পকারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অ্যাপলিকেশন ব্যবহারকারীদের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপনে চেষ্টা করেন। তিনি একটি প্রাতিষ্ঠানিক কৃষ্টিকালচার সৃষ্টিতে যেন যান্ত্রিক ছিলেন। উন্নয়ন, প্রোজেক্ট, প্রোগ্রামস ও মিশন ব্যবস্থাপনায়ও তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়।

    পরিশেষে, আমি আপনাদের সঙ্গে নেতৃত্বের সফলতার কথা শেয়ার করব। এ. শ্রীধরন ‘মেট্রো ম্যান অব ইন্ডিয়া’ হিসাবে পরিচিত। তিনি ১৯৯৫-২০১২-তে দিল্লি-মেট্রোর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ছিলেন। ১৯৬৪ এর ডিসেম্বরের সাইক্লোনে তামিলনাড়ুর মেইন ল্যান্ডের আমার জন্মস্থান রামেশ্বরমের সঙ্গে সংযুক্ত পামবান ব্রিজের অংশ বিশেষ ভেঙে যায়। রেলওয়ে তিন মাসের মধ্যে ব্রীজটি মেরামত করার লক্ষ্য স্থির করে। শ্রীধরনকে ব্রিজটির মেরামত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি মাত্র ছেচল্লিশ দিনের মধ্যে ব্রিজটিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনেন।

    ১৯৭০ এ শ্রীধরনকে ভারতের প্রথম কলকাতা মেট্রোর প্লানিং, ডিজাইন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯০ এ ভারতের কোনকান রেলওয়ের চেয়ারম্যান পদে শ্রীধরনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এটা ছিল ভারতের প্রথম বোট (বিল্ড-অপারেট-ট্রান্সফার) ভিত্তিক প্রধান প্রকল্প। এই প্রকল্পে নরম জমিনে ৭৬০ কিমি রেলপথ, ১৫০টি ব্রিজ ও ৯৩টি টানেল তৈরি করা হয়। তেমন উল্লেখযোগ্য ব্যয় ছাড়াই সরকারি সেক্টরের এই প্রোজেক্ট যথাসময়ে সম্পন্ন হয় শ্রীধরনের নেতৃত্বে। শ্রীধরন দিল্লি মেট্রোর কাজ নির্দিষ্ট দিনের আগেই তাদের নির্দিষ্ট বাজেটে সম্পন্ন করেন। ২০০৫ এ শ্রীধরনকে ফ্রান্স সরকার চেভালিয়ের দ্য লা লেজিওন ডি’অন্নেউর (নাইট অব দি লেজিওন অব অনার) পুরস্কার প্রদান করে।

    সুতরাং আমরা এ থেকে দেখতে পাই :

    ক. নেতাকে অনাবিষ্কৃত পথ দিয়ে ভ্রমণ করার সমর্থ অবশ্যই থাকতে হবে।

    খ. নেতাকে অবশ্যই জানতে হবে কীভাবে সাফল্য ও ব্যর্থতাকে মোকাবিলা করতে হবে।

    গ. নেতার অবশ্যই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস থাকতে হবে।

    ঘ. নেতা ব্যবস্থাপনায় ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখা উচিত হবে।

    ঙ. নেতার প্রত্যেকটি কাজ স্বচ্ছ হওয়া উচিত হবে।

    চ. নেতার সততার সঙ্গে কাজ ও সাফল্যলাভ করা উচিত হবে।

    আমি সৃজনশীল নেতাদের প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে আলোচনা করেছি দেশের ও দেশের বাইরের ছাত্রছাত্রী ও লোকজনের সঙ্গে। তরুণদের মধ্যে উদ্যমী করে গড়ে তুলতে আমি পারি, আমরা পারি, দেশও পারে। পৃথিবীর আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে আমরা পুরো মানবজাতিকে উপকার করতে পারি। আমরা নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্যগুলোকে কেন্দ্রীয়ভূত কবে তরুণদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে পারি। নেতৃত্বের গুণাবলি নিশ্চিতভাবে পৃথিবীর মানুষদেরকে ক্ষমতাশীল করতে পারে।

    (৭ নভেম্বর ২০১৪ এর পিকিং ইউনিভার্সিটি, বেজিং এ সাসটেনেবল ডিভেলপমেন্ট সিস্টেম ও সৃজনশীল নেতৃত্বের উপর জীবনধারা প্রসঙ্গে বক্তব্য থেকে।)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশনস অ্যান্ড দ্য রিমেকিং অব ওয়ার্ল্ড অর্ডার – স্যামুয়েল পি. হান্টিংটন
    Next Article বউ – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }