Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প119 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. তারুণ্যের প্রজ্বলিত মন

    তারুণ্যের শক্তি সুনির্দিষ্টভাবে একটা পরিবর্তন আনবে

    .

    আজ আমি শেয়ার করতে চাই কীভাবে তরুণদের মন চালিত হলে সমাজ, দেশ ও পৃথিবীর সমৃদ্ধি ঘটবে। আমার কথায় তারুণ্যের মনমানসিকতা প্রজ্বলিত করা ও বড়োসড়ো চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার বিষয় উঠে আসবে।

    ২০০৭ এর এপ্রিলে গ্রিস সফরের মনোরম অভিজ্ঞতা আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। আমি এথেন্সের অ্যাক্রোপোলিস পর্বতের শিখরে উঠার জন্য যোগাযোগ করেছিলাম। যাওয়ার পথে ১৫০ জন ছাত্রের একটা দলের দেখা পাই। তারা বন্ধুভাবাপন্ন ছিল। তাদের সঙ্গে শিক্ষকরা ছিলেন। তাঁরা এগিয়ে এসে ছাত্রদের সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দিলেন। তাঁরা বললেন যে, ভারতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মিলিত হতে পেরে তাঁরা খুবই খুশি। ছেলে-মেয়েরা আমার কাছ থেকে কিছু কথা শুনতে চাইল। সেই মুহূর্তে আমার মনে পড়ল পৃথিবীকে অনেক কিছু দান করা গ্রিসের মহান ব্যক্তিদের মধ্যে সক্রেটিস, প্লেটো ও এরিস্টোটলের কথা। আমার যুবক বয়সে ছাত্রাবস্থায় প্লেটোর বাণীগুলো আমার মনে ঝঙ্কার তুলত। তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন এক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যেখানে শুধু একটি মাত্র শ্রেণির মানুষের মধ্যে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সুখ থাকবে না বরং সর্বোত্তম সুখশান্তি থাকবে সবার মধ্যে।’ এটা বলা হয়েছিল ২৪০০ বছর আগে। অনুরূপভাবে, কাছাকাছি সময়ে তামিল কবি সেন্ট থিরুভাল্লুভার বলেন, একটি জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে রোগব্যাধি মুক্ত হওয়া, উচ্চ আয় উপার্জন করার যোগ্যতা, উচ্চ উৎপাদনশীলতা, সৌহার্দ্যপূর্ণ বসবাস এবং শক্তিশালী প্রতিরক্ষা। প্রত্যেক দেশের নাগরিকেরা কীভাবে এই সমস্ত উপাদানগুলো অর্জন করতে পারে? এ সব চিন্তাভাবনা থেকে আমার মনে হয়েছিল, গ্রীসের ছাত্রছাত্রী ও তরুণদের কাছে কী বলতে হবে। আমি ধীরে ধীরে বারবার লাইনের পর লাইন আবৃত্তি করলাম। এই স্তোত্রটা আমি প্রথম এক ভারতীয় আধ্যাত্মিক কেন্দ্রে শুনেছিলাম।

    ন্যায়নিষ্ঠা

    হৃদয়ে যখন ন্যায়নিষ্ঠা থাকে
    চরিত্রে তখন সৌন্দর্যের বিকাশ ঘটে।
    চরিত্রে যখন সৌন্দর্য থাকে
    গৃহে তখন ঐক্যতান সৃষ্টি হয়।
    গৃহে যখন ঐক্যতান থাকে
    দেশে তখন শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়
    জাতি যখন শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে
    পৃথিবীতে তখন শান্তি সুসংহত হয়।

    শুধুমাত্র ছাত্রছাত্রীরাই আমার সঙ্গে বারবার আবৃত্তি করছিল না, ওই সময়ে অ্যাক্রোপোলিসের চারপাশে যে সমস্ত ট্যুরিস্টরা উপস্থিত ছিল তারাও আমার সঙ্গে আবৃত্তি করতে লাগল। আমি উপলব্ধি করলাম, বহুদেশের লোকজন ন্যায়নিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত হয়েছে। ন্যায়নিষ্ঠা প্রত্যেক ব্যক্তি, পরিবার, দেশ ও পৃথিবীতে সুখ সমৃদ্ধির জন্য কতটা প্রয়োজন।

    পৃথিবীতে তরুণদের মনমানসিকতাকে প্রজ্বলিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি তারুণ্যের শক্তিতে বলিয়ান। যদি সঠিকভাবে এই শক্তিকে প্রজ্বলিত করা যায়, তবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে মানবতাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। আর তা করতে পারলে সমৃদ্ধি ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবেই।

    আসুন আমরা পৃথিবীতে যে দুটো প্রধান সমস্যা নিয়ত আমাদের মোকাবিলা করতে হয় তা নিয়ে আলোচনা করি। একটি হচ্ছে ৭ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণই দারিদ্র্য সীমার নীচে বসবাস করছে। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫০ ভাগই নিরাপদ পানি পায় না। বহু সংখ্যক ছেলে-মেয়ে মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। পৃথিবীর তরুণেরা এই সব সমস্যার সমাধান করার জন্য কী অবদান রাখছে? যদি প্রত্যেক শিক্ষিত মানুষ কমপক্ষে অন্তত পাঁচজনকে স্বাক্ষরতা দান করে তবে পৃথিবী থেকে নিরক্ষরতা দূর হয়ে যাবে। তরুণেরা কি নিরাপদ পানি পান করার বার্তা পৌঁছে দিতে পারে? তরুণেরা কি ‘আউট অব বক্স সলুসনস’ প্রয়োগ করে পানির দুষ্প্রাপ্যতা রোধ করতে পারে?

    আমি ‘লিড ইন্ডিয়া ২০২০’ নামে তরুণদের একটি আন্দোলনের প্রস্তাব করেছি। আমি তরুণ ছাত্রছাত্রীদের বলেছি, এই মিশনের ভিত্তি হবে দশ দফা শপথ, যা আমি বিশেষভাবে ডিজাইন করেছি। তরুণদেরকে শপথ করতে হবে এই বলে যে, তারা সাক্ষরতা, পরিবেশ, সামাজিক ন্যায় বিচার, শহর ও গ্রামের পার্থক্য, ও দেশের উন্নয়নের জন্য তারা প্রত্যেকেই লক্ষ্যে পৌছানোর উদ্দেশ্যে কাজ করবে। আমি তাদেরকে জোর দিয়ে বলি জীবনের যৎসামান্য লক্ষ্য থাকাটা একটা অপরাধ। তারুণ্যের উন্নয়নের জন্য থাকতে হবে বহুমাত্রিক দিকদর্শন। তরুণদের অবশ্যই কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। তাদের জ্ঞান বৃদ্ধি করে কর্মজীবনের লক্ষ্যে পৌঁছে, পরিবার, সমাজ ও জাতিকে উন্নত করতে হবে। নারী পুরুষকে পুরোপুরিভাবে মানবিকতাবোধ সম্পন্ন হতে হবে। প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের থাকতে হবে প্রশংসাসূচক অভিব্যক্তি। যখন আমি ভালো কাজের কথা আলোচনা করছিলাম, তখন আমি মহাত্মা গান্ধীকে তাঁর মা যে উপদেশ দিয়েছিল সে কথা বললাম। মহাত্মা গান্ধীকে তাঁর মা বলেছিলেন, ‘বাছা, যদি তুমি সারাজীবন কারো জীবনকে সুখময় করার জন্য ব্যয় করতে পার, তবে তোমার জন্মটা হবে মানবিক এবং তাহলেই তোমার জীবন হবে সফল।’ এই উপদেশ গান্ধীজীর মনে গভীরভাবে রেখাপাত করে। তাই তিনি সারাজীবন মানবিকতার জন্য কাজ করে গেছেন।

    আত্মনির্ভরতা সম্বন্ধে আর একটা উদাহরণ তুলে ধরতে চাই। ২০০৩ সালের প্রাক্কালে আমি অরুণাচল প্রদেশ সফর করছিলাম। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩৫০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত তাওয়াঙ-এ একটি বৌদ্ধমঠও সেখানে পরিদর্শন করি। প্রায় সারাদিনই আমি মঠটিতে ছিলাম। মঠের ধারে কাছের গ্রামগুলোতেও গিয়েছিলাম। প্রচণ্ড শীত সত্ত্বেও গ্রামগুলোর তরুণ এবং বৃদ্ধদের মনে আমি সুখের সন্ধান পেয়েছিলাম। ৪০০ বছরের পুরনো তাওয়াঙ মঠে বিভিন্ন বয়সী সন্ন্যাসীদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। আমি তাদের মনে প্রশান্তি প্রত্যক্ষ করে মুগ্ধ হই। আমি নিজেকে প্রশ্ন করেছিলাম, তাওয়াঙ ও তার চারদিকের গ্রামগুলো কেন এত চমৎকার? গ্রামগুলোর মানুষজন ও সন্ন্যাসীরা কত শান্তিতে বসবাস করছে, নিজেরা পারস্পরিক সৌহার্দ্য স্থাপন করে। আমি প্রধান ভিক্ষুকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করি। তিনি হেসে বললেন, ‘আপনি ভারতের রাষ্ট্রপতি, আপনি আমাদের কথা ও পুরো দেশের কথা জানেন।’

    আমি তখন তাকে আবার বলি, ‘বৌদ্ধ ভিক্ষু ও গ্রামবাসীদের মেলবন্ধন সম্বন্ধে জ্ঞাত হওয়া আমার প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে এ বিষয়ে আপনি আপনার চিন্তাপ্রসূত বিশ্লেষণ আমাকে জানান।’

    মঠটিতে মহামতি বুদ্ধের সোনালি রঙের সুন্দর মূর্তি রয়েছে। প্রধান সন্ন্যাসী বিভিন্ন বয়সের প্রায় এক শত ভিক্ষুর সমাবেশ করালেন। আমি তাদের মাঝে বসলাম। সেখানে প্রধান ভিক্ষু একটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখলেন। তাঁর সেই বক্তব্যের কিছু কথা আমি এখানে প্রকাশ করতে ইচ্ছা করছি। তিনি বললেন, ‘আজকের দিনে পৃথিবীতে আমরা অবিশ্বাস এবং অসুখী সমস্যার মাঝে বসবাস করছি, যা এক সময় সন্ত্রাসের রূপ নিচ্ছে। এই মঠের আমরা সবাই কিন্তু বিশ্বাস করি, মন থেকে “আমি ও আমাকে” কথা দুটো বাদ দিতে পারলেই আপনি অহংভাব ত্যাগ করতে পারবেন। যদি আপনি অহংভাব ত্যাগ করতে পারেন, তবে আপনার মন থেকে আপনার সঙ্গীর প্রতি বিদ্বেষ দূর হয়ে যাবে। যদি মন থেকে ঘৃণা বিদ্বেষ দূর হয়ে যায়, তবে আপনি সন্ত্রাস করার ভাবনা ও সন্ত্রাসী কাজ করা থেকে বিরত হবেন। যদি আমাদের মন থেকে সন্ত্রাসী মনোভাব দূর হয়ে যায়, তবে মানুষের মনে শান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি হবে।’ আমি উপলব্ধি করলাম শান্তিপূর্ণ জীবনের জন্য এই সুন্দর সমীকরণের অর্থ। একজন ব্যক্তির পক্ষে “আমি” এবং “আমাকে” এই অহংবোধ দূর করা কঠিন। এ জন্য তরুণ বয়স থেকে আমাদের শিক্ষা ও মূল্যবোধ অর্জন করা প্রয়োজন। শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ সমাজের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমি আর একটা উত্তর খুঁজে পেয়েছিলাম।

    আমি বুলগেরিয়া সফরে গিয়ে একটা প্রাচীন গির্জা পরিদর্শন করেছিলাম। সেখানে আমি বিশেষ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন খৃষ্টসন্তদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করি। আমি তাদের কাছে তাওয়াঙ মঠের অভিজ্ঞতার কথা বললাম। খৃষ্টসন্তরা আমার সঙ্গে একমত পোষণ করে বললেন যে, ক্ষমা হচ্ছে একটা উত্তম জীবনের ভিত্তি।

    অনুরূপভাবে, আমি ভারতের তরুণ সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মস্থানে গিয়ে অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা লাভ করি। স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর ভাষণে প্রাচ্যপ্রতীচ্য সমাজের শ্রোতৃমণ্ডলীকে মন্ত্রমুগ্ধ করেন জীবনের আধ্যাত্বিকতা ও ব্যবহারিক জ্ঞান দান করে। আমি তাওয়াঙ মঠের অভিজ্ঞতার কথা তাঁদেরকে বলি। তাঁরা আমার সঙ্গে একমত হন। তাঁরা আমাকে বলেন যে, একটা ভালো অভ্যাস উন্নয়নের ইচ্ছা শান্তি ও সুখের দিকে ধাবিত হয়।

    আমি আজমীর শরিফ পরিদর্শন কালে শুক্রবারের নামাজে অংশ গ্রহণ করি। সেখানে সুফী সাধকরা আমাকে বলেন যে, এক দিকে সর্বশক্তিমানের সৃষ্টি মানুষ, অন্যদিকে আর একটা শক্তিশালী সৃষ্টি শয়তান। শুধুমাত্র ভালো কাজ উত্তম চিন্তাভাবনায় চালিত হয়, উত্তম চিন্তাভাবনা সর্বশক্তিমানের ভালোবাসায় উদ্ভাসিত আধ্যাত্মিক চিন্তাবিদদের বার্তা হচ্ছে যে, অনেক অনেক ধ্যান আর আধ্যাত্মিক চিন্তাচেতনা, যা ধর্ম, ভৌগোলিকতা ও সময়কে অতিক্রম করে। যদি আমরা ধর্ম ও জাতির মধ্যে আধ্যাত্মিক সেতুবন্ধন রচনা করতে পারি, তবে অনেক সমস্যা যেমন, গরিব ও ধনীদের ব্যবধান দূর করতে পারব। আমি নিশ্চিত, বিশ্বায়িত তারুণ্য নিরাপদ বিশ্ব গড়তে বিশেষভাবে কাজ করে।

    ২০১১ এর ২৮ সেপ্টেম্বর হার্ভার্ড ও এমআইটি থেকে আসা একটা সম্মিলিত দলের সামনে ‘লিডারশিপ, ইয়ুথ অ্যান্ড গ্লোবাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ বিষয়ে বক্তব্য রেখেছিলাম। ইউএসএ ও বিভিন্ন মহাদেশ থেকে আসা ৫০০ ছাত্রছাত্রী আমার বক্তব্য শুনতে অংশ গ্রহণ করে। আমার বক্তব্যের পর ছাত্রছাত্রীরা নয়টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে নয় সেট প্রশ্নমালা তৈরি করে। নয় সেট প্রশ্নের মধ্যে তিন সেট প্রশ্ন আসে ইউএসএ টিমের কাছ থেকে। ইউএসএ টিম আমাকে প্রশ্ন করে, আপনি কেন ভারতে মিসাইল এবং অ্যাটোমবোম তৈরি করেছেন? যেখানে আপনার দেশের সব জনগণের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো মৌলিক প্রয়োজনগুলোর অভাব রয়েছে? তাদের প্রশ্নের জবাবে আমি বলেছিলাম, যদি আপনারা স্টাডি করে দেখেন, তবে দেখবেন ৫,০০০ বছরের ভারতের ইতিহাসে ভারত মাত্র ৬০০ বছর ভারতীয়দের দ্বারা শাসিত হয়েছে। বাকি সময়টা আমরা আক্রান্ত হয়েছি বিভিন্ন দেশ থেকে

    আসা বহু রাজ্যের শাসকদের দ্বারা। তারা আমাদের দেশ দখল করে শাসন করেছে। সর্বশেষে ব্রিটিশদের দ্বারা ভারত ৩০০ বছরের বেশি শাসিত হয়েছে। আমরা নব্বই বছরের সংগ্রামের ফলে স্বাধীনতা লাভ করেছি। সুতরাং ইতিহাস আমাদেরকে এই শিক্ষাদান করে যে, আমাদেরকে ন্যূনতম শক্তি অর্জন করতে হবে। পর্যাপ্ত সামরিক সরঞ্জামাদির অধিকারী হয়ে, ভারতের কষ্টার্জিত স্বাধীনতাকে রক্ষা করে, আমাদের দেশকে সমৃদ্ধি ও শান্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমরা দেখতে পেলাম, আমাদের দেশের চারদিকের দেশগুলো বিপুল পরিমাণের নিউক্লিয়ার অস্ত্র দ্বারা পরিবেষ্টিত। শুধুমাত্র ন্যূনতম শক্তি অর্জন করা ছাড়া আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। অনুরূপ ভূরাজনৈতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত দেশের জন্য এই নীতি প্রযোজ্য। যাইহোক, আমরা ‘প্রথমে ব্যবহার নয়’ এই নীতিতে বিশ্বাসী। ভারত কিন্তু তার জিডিপি-এর ৩ শতাংশের কম প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করে। ভারত অবশ্যই তার কষ্টার্জিত সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর। শক্তি প্রদর্শনের জন্য এই অঞ্চলের অনেক দেশই বদ্ধপরিকর, এটা কিন্তু সত্য।

    পরবর্তী প্রশ্ন আসে এশিয়ান টিমের কাছ থেকে। পাকিস্তান থেকে আসা একজন ছাত্রীর নেতৃত্বে এই টিমটি গঠিত ছিল। ছাত্রীটি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ড. কালাম আপনি কি আমাকে বলবেন, বর্তমান বা ভবিষ্যতের যে-কোনো সময়ে ভারত ও পাকিস্তান তাদের নাগরিকদের সমৃদ্ধি ও শান্তির জন্য একত্রে কাজ করতে পারবে?’ এই প্রশ্নের জবাবে আমি বললাম, ‘মোটের উপর আমরা উভয় দেশ একই অবকাঠামোতে আছি। আমরা দেখেছি, ইউরোপীয়ান দেশগুলো শত শত বছর ধরে নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করেছে। তারাই দুটো বিশ্বযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল। কিন্তু সমৃদ্ধি ও শান্তির জন্য ইউরোপের ২৭টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত ৮০০ সদস্যের একটি পার্লামেন্ট বর্তমানে কাজ করে চলেছে। আমি নিশ্চিত, কয়েক দশকের মধ্যে এশিয়াতে একদিন পুনরায় এই ধারা বহাল হবে। সে সময় ভারত ও পাকিস্তান এক যোগে সমৃদ্ধি ও শান্তির জন্য কাজ করবে। এমনকি এশিয়াতে SARRC রাষ্ট্রগুলো একদিন EU এর মতো সংস্থায় রূপান্তরিত হবে।

    তৃতীয় প্রশ্ন আসে MIT এর একজন ছাত্রের কাছ থেকে। ‘ড. কালাম, আমাকে অনুগ্রহ করে বলুন, পরবর্তী বিশ বছরে প্রযুক্তির কী ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আপনি আশা করেন। আমি স্বীকার করলাম যে, এটা খুব ভালো একটা প্রশ্ন।’ আমি বললাম, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধিত হবে। বায়ো-সায়েন্স, ন্যানো-সায়েন্স, তথ্য প্রযুক্তি এবং পরিবেশগত বিজ্ঞান একই অভিমুখে ধাবিত হবে এবং সমাজের মঙ্গলের জন্য নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটবে।

    অদূর ভবিষ্যতে এখনকার চেয়েও নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্বের প্রয়োজন হবে। এখন আমি আপনাদের সঙ্গে ‘এভরি গ্রেটনেস’ নামে একটা বইয়ের কথা বলতে চাই। মেক্সিকোতে ঘটা একটা অভিজ্ঞতার কথা এই বইয়ে উঠে এসেছে। মেক্সিকোর লা মেসা কারাগারে একটি দাঙ্গা হয়। পঁচিশ শত কয়েদিকে জেলখানার কম্পাউন্ডে রাখা হয়েছিল। জেলখানাটি কিন্তু মাত্র ৬০০ জন কয়েদির জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কয়েদিরা ক্রোধান্বিত হয়ে পুলিশের উপর ভাঙা বোতল ছুড়ে মারতে থাকে। ফলে, পুলিশ তাদের উপর মেশিনগানের গুলি চালায়। তারপর সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চি লম্বা ছোটোখাটো তেষট্টি বছর বয়সের এক বৃদ্ধা মহিলা শান্তভাবে জনতার মাঝে ঢুকে পড়ে এবং দু’হাত প্রসারিত করার ভঙ্গিতে শান্তির জন্য আকুতি জানাতে থাকে। বৃষ্টির মতো বুলেট এসে পড়াকে উপেক্ষা করে, সে সেখানে শান্তভাবে দাঁড়িয়ে দাঙ্গা থামানোর জন্য আবেদন করে, সবাই শান্ত হয়। সিস্টার আন্তোনিয়া ছাড়া কেউই সেদিন এগিয়ে আসেনি। কেন লোকজন মহিলাটার কথা শুনেছিল? কারণ, পেছনে ফেলে আসা দশকগুলোতে বৃদ্ধা মহিলাটি কয়েদিদেরকে সেবাযত্ন করেছে। সে সারাটা জীবন খুনি, তস্কর এবং মাদক জগতের সম্রাটদেরকে নিজের সন্তানের দৃষ্টিতে দেখে এসেছে। মহিলাটি ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায় তাদের প্রয়োজন মিটিয়ে এসেছে। সে তাদেরকে নানাভাবে যত্নআত্তি করত। বৃদ্ধা মহিলাটির নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় কয়েদিরা তাকে সম্মান করত। আর সে কারণেই সে কয়েদিদেরকে শান্ত করতে পারল। মহিলাটি তাদেরকে যা করতে বলল, তারা তাই করল। মানবিকতার জন্য এটা বড়ো একটা বার্তা! মহিলাটির মধ্যে নেতৃত্বদানের ক্ষমতা থাকায় সে কয়েদিদেরকে শান্ত করতে পেরেছিল। পৃথিবীর মিলিয়ন মিলিয়ন বোবা মানুষের জন্য আমাদেরও কিন্তু অনুরূপ করুণাসিক্ত ভালোবাসা প্রদর্শন করা প্রয়োজন।

    দশ বছরের বালক বয়সে অমার প্রত্যক্ষ করা একটি বিষয় তোমাদের সঙ্গে শেয়ার করতে ইচ্ছা করি। আমাদের বাড়িতে মাঝেমধ্যে চমৎকার ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন ভিন্ন ভিন্ন ধরনের তিনজন মানুষ মিলিত হতেন। তাঁরা ছিলেন বিখ্যাত রামেশ্বরম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ও বৈদিকশাস্ত্রে পণ্ডিত পকশী লক্ষ্মমানা শাস্ত্ৰীগাল, রামেশ্বরম দ্বীপে স্থাপিত গির্জার প্রতিষ্ঠাতা রেভারেন্ট ফাদার বোদাল এবং মসজিদের ইমাম আমার বাবা। তাঁরা তিনজন একত্রে মিলিত হয়ে,

    দ্বীপের সমস্যা সম্বন্ধে আলোচনা করে, সেগুলোর সমাধান করতেন। তাছাড়াও তাঁরা সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে গঠনমূলক আলাপআলোচনা করতেন। দ্বীপটিতে তাদের পারস্পরিক সম্পৃক্ততা ফুলের সৌরভের মতো চারিদিকে যেন ছড়িয়ে পড়ত। কখনো ধর্মের গুরুত্ব সম্বন্ধে আলাপ-আলোচনা করতে গিয়ে এই তিনজন মানুষের মহামিলনের স্মৃতি মনে পড়ত। ভারতে হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের মনে অখণ্ডতার চিত্র আমার মনে ভেসে ওঠে।

    সারাবিশ্বে কৃষ্টি, ধর্ম ও সভ্যতা নিয়ে এখন খোলামেলা সংলাপ করা অধিকতর জরুরি। আমরা দেখেছি, রাশিয়ানরা কেমনভাবে স্পুটনিক উৎক্ষেপণ করেছে কিংবা নীল আর্মস্ট্রং চাঁদে অবতরণ করেছেন। বিশ্বের যুব সমাজ এ সব ঘটনার কথা জেনে বিদ্যুতের মতো চমকিত হয়েছে। মহাকাশ যাত্রার মিশন শেষ করে যখন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা মহাকাশযাত্রী তার সহকর্মীদের সঙ্গে পৃথিবীর মাটিতে ফিরে আসছিল, তখন সারা পৃথিবী তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রার্থনা জানিয়েছিল। কমনওয়েলথ দেশগুলোতে ক্রিকেট সমাদৃত হয়, আর অন্যদিকে তখন ইউরোপের দেশগুলোতে ফুটবল খেলা চলে উদ্যমের সাথে। তাদের উচ্ছ্বাস দেশের সীমানা পেরিয়ে যায়। অনুরূপভাবে শিল্পকলা ও সঙ্গীত তরুণদের মনে কেমনভাবে রেখাপাত করে তার অনেক দৃষ্টান্ত আমি অবলোকন করেছি।

    কয়েক বছর আগে, যখন আমি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মিলিত হই, তখন আমরা তরুণদের জন্য একটা উপগ্রহ তৈরিতে সম্মত হয়েছিলাম, যার সাহায্যে বিভিন্ন দেশের তরুণরা একত্রে কাজ করতে পারে। এ ধরনের সম্মিলিত কর্মের ফলে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করতে সহায়ক হয়। তার ফলে তাদের মধ্যে নতুন পথ আবিষ্কারের দিগন্তও উন্মোচিত হয়। এরূপ সহযোগিতার উদ্দীপন ঘটাতে হবে তরুণদের মধ্যে বিশ্বায়িতভাবে। ইয়ুথ স্যাটেলাইটের ধারণা দেশগুলোর জয়েন্ট ভেনচারের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয়। ভারতের স্পেস এজেন্সি ও রাশিয়ার উদ্যোগে ২০১১ এর ২০ এপ্রিল তারিখে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষিপ্ত হয়। আমি তারপর ইসরো টিমকে পরামর্শ দেই ইয়ুথ স্যাটেলাইটের সিরিজ উৎক্ষেপণ চলমান রাখতে, যাতে তারা একে প্লাটফরম হিসাবে ব্যবহার করতে পারে।

    প্রিয় বন্ধুগণ, যদি আপনারা আমাকে জিজ্ঞাসা করেন গত তিরাশি বছরে আমার জীবন কীভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে, তবে সবাইকে বলতে হয় একটা মেসেজের কথা। মেসেজটি এ ধরনের। যখন আমার বয়স সতেরো বছর তখন আমার বড়ো বড়ো সঙ্গী ছিল। ওই সঙ্গীরা আর কেউ নয়, বিখ্যাত বিখ্যাত বই। বইগুলোই আমার সারাজীবনটাকে সমৃদ্ধ করেছে। আমি সবাইকে নিম্নের বইগুলো পড়ার পরামর্শ ও সুপারিশ করছি:

    • ‘লাইট ফ্রম মেনি ল্যাম্পস বাই লিলিয়ান এইচলার
    • ‘এম্পার অব দি মাইন্ড বাই ডেনিস ওয়েটলে
    • ‘থিরুক্কুরাল’ বাই থিরুভাল্লুভার
    • ‘এভরিডে গ্রেটম্যান বাই স্টেভেন আর. কোভে
    • ‘দ্য স্টোরি অব মাই এক্সপেরিয়েন্স উইথ ট্রু বাই মহাত্মা গান্ধী

    পৃথিবীকে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট অনেক অনেক বিবাদকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। একজন তরুণ হিসাবে সবাইকে সকল বিবাদ দূরে সরিয়ে রেখে বিশ্বজনীন ঐক্যের জন্য কাজ করতে হবে। আপনারা কি তা করতে প্রস্তুত?

    কাজের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের একটি হচ্ছে, এগিয়ে যাওয়া পরিচ্ছন্ন সবুজ এনার্জি এবং একটা পরিচ্ছন্ন পৃথিবী নামক গ্রহের জন্য কাজ করে যাওয়া। এটার অর্থ হচ্ছে, ৭ বিলিয়ন মানুষের সুন্দর জীবনের জন্য একটা মিশন গ্রহণ করা। যদি আপনারা সবাই সুন্দর জীবনের উদ্দেশে এই মিশনের জন্য কাজ করেন, তবে পৃথিবী ফসিল ফুয়েল থেকে মুক্ত হবে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন মারাত্মক জ্বালানিকে দূরে সরিয়ে দিয়ে সোলার পাওয়ার, নিউক্লিয়ার পাওয়ার ও বায়ো ফুয়েল ব্যবহার করে আমরা পরিচ্ছন্ন শক্তিলাভ করতে পারি। অবশ্যই এই মিশন সফল করতে তরুণদেরকে উদ্ভাবনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে। আমি আস্থাশীল, তরুণরা নেতৃত্বের এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারবে। আজ থেকেই কাজে লেগে পড়তে হবে। আপনারা কি অদম্য কর্মশক্তির মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারবেন?

    হ্যাঁ প্রিয় বন্ধুরা, তরুণরাই তাদের শক্তি দিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে একটা পরিবর্তন ঘটাতে পারবে—এই পরিবর্তন দেশ ও বিশ্বের সমৃদ্ধি বহন করে আনবে।

    (BMICH, কলোম্বোতে ২৬ জুন ২০১৫ এ ছাত্রছাত্রীদের কাছে ভাষণ থেকে।)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম
    Next Article ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }