Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লাল মৃত্যুর মুখোশ – এডগার অ্যালান পো – (অনুবাদক : চিত্তরঞ্জন মাইতি)

    চিত্তরঞ্জন মাইতি এক পাতা গল্প125 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাফানে ব্যাঙ

    লাফানে ব্যাঙ

    রাজার মতো রসিকতা উপভোগ করার মানসিক শক্তি আমি অন্য কারোর মধ্যে দেখিনি। ওঁর জীবনে প্রিয়তম বস্তুই ছিল ঐ রসিকতা। ওঁর আনুকূল্য পাবার সর্বোত্তম পন্থা ছিল যে কোন মজার গল্প ওঁকে সুন্দর করে শোনানো। হয়তো এরই জন্যে ওঁর সাত সাতজন মন্ত্রীই ভঁড় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ওঁরা সবাই রাজার মত বেশ নাদুসনুদুস্ তেল চক্চকে দেহের অধিকারী আর রসিকতা প্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। আমি জানিনে রসিকতা করতে গিয়ে মানুষ মোটাসোটা হয় না দেহের মধ্যে চর্বি বেশি হলে মানুষ রসিক হয়ে ওঠে। তবে এ আমি জানি যে রোগা পাতলা রসিক মানুষ দুর্লভ।

    ওই মন্ত্রীদের রাজা রসিকপ্রবর মনে করতেন আর রসিকতার মধ্যে শালীনতার প্রশ্ন তার কাছে কোনদিনই বড় ছিল না। তাই খুব বড় রকমের রসিকতা উপভোগের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা রাজার পক্ষে অসম্ভব ছিল না। এ বিষয়ে কলাসম্মত সূক্ষ্মতা প্রভৃতি তার ভালোই লাগতো না তাই ভলতেয়ারের ‘জাডিগ’ তাঁর ভালো লাগতো না, লাগত রাবোর ‘গারগাতুয়া অনেক বেশী ভালো। তা ছাড়া মৌখিক বা বাচনিক রসিকতার চাইতে তার আকর্ষণ ছিল রসিকতাপূর্ণ ঘটনার ওপর অনেক বেশী।

    আমি যে সময়ের ঘটনা বর্ণনা করছি তখনো বৃত্তিধারী ভাড়ের রাজদরবারের নিয়মমাফিক কাজ করে চলছিলেন। ইয়োরোপের বহু রাজা তখনো ভাড় পুষছিলেন। সেই সব ভাড়েরা আগেই মতই ময়লা পোষাকের ওপর ঘণ্টা বাঁধছে আর কোমরবন্ধ ব্যবহার করছে পূর্বপ্রথারই অনুসরণে। রাজাদের অনুগ্রহের দান কুড়িয়ে নিতে তখনো ওরা তাদের মনোরঞ্জনের আশায় মজার মজার কাজ করবার জন্যে প্রতিটি মুহূর্তে প্রস্তুত থাকছে।

    আমাদের গল্পের নায়ক যে রাজা তিনিও প্রথানুযায়ী ভাড় রেখেছিলেন একজন। ওঁর যে সাতজন মন্ত্রী গুরুগম্ভীর উপদেশাবলী বর্ষন করতেন তাদের সেই জ্ঞানগর্ভ বিষয়গুলির ভার কমানোর জন্যই বোধহয় তিনি ভাড়টির কাছ থেকে কিছু হাল্কা কথাবার্তা আশা করতেন। মনোরঞ্জনের জন্য নিযুক্ত ঐ ব্যক্তিটি শুধু ভাড় বলেই যে রাজার প্রিয়পাত্র ছিল তা নয়, সে তার স্নেহ বেশী করে আকর্ষণ করেছিল খর্বকায় বিকৃতাঙ্গ মানুষ বলে। রাজদরবারে খর্বকায় মানুষের আধিক্যও দেখা যেত, রাজদরবারের দীর্ঘ কর্মবহুল সময় এই সব বেঁটেখাটো মানুষ আর ভাড়দের সঙ্গ ছাড়া তাদের কাটতোনা। ভাড়দের সঙ্গে এক হয়ে তারা এই বামনদের হাসিঠাট্টা করতেন। আমি আগেই বলেছি যে পরিহাসপ্রিয় মানুষেরা মোটাই হন শতকরা নিরানব্বই ক্ষেত্রে। মনে হয় আমাদের কাহিনীর রাজা এই জন্যেই আত্মপ্রসাদ বোধ করতেন যে তার ভাড়ের একই সঙ্গে তিনটি গুণ আছে। প্রসঙ্গত বলি, এই ভাড়টিকে তিনি ‘লাফানে ব্যাঙ,” বলেই সম্বোধন করতেন।

    আমি হলফ করে বলতে পারি যে ঐ ভঁড়টিকে এই ‘লাফানে ব্যাঙ’ নামটি তার জন্মের পর নামকরণের সময় দেওয়া হয়নি। আসলে এ লোকটি সাধারণ অন্য দশজন মানুষের মত স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারতো না বলে মন্ত্রীসপ্তকের পরামর্শক্রমে এই বিশেষ নামটি ভাড়টিকে দেওয়া হয়েছিল। লোকটি লাফিয়ে লাফিয়ে অদ্ভুতভাবে চলত আর ঐ ভাবে চলবার সময় যে সব শব্দ করত তাতেই কাজ হোত। রাজার ছিল প্রকাণ্ড ভুড়ি আর বিরাট একটা মাথা। তবু দরবারের সবাই রাজার অপূর্ব সুন্দর শরীরের প্রশংসা করত। রাজা তাই তাঁর দরবারে এই বিকলাঙ্গ মানুষটিকে দেখে অসীম আনন্দ অনুভব করতেন।

    আমাদের লাফানে ব্যাঙের পাগুলো ছিল বিকৃত। পথে বা ঘরের মেঝেতে চলতে হলে তার তাই খুব কষ্ট হোত। বেচারার এই ক্ষতি পুষিয়ে দেবার জন্য প্রকৃতি ওর হাতগুলোকে অদ্ভুত শক্তিশালী করে গড়ে দিয়েছিল। গাছে চড়ে বা দড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার কাজে ও যে দক্ষতার পরিচয় দিত তা ছিল দেখবার মত। লাফানে ব্যাঙের দেশ কোথায় জানিনে তবে এটুকু জানি যে বহু দূরের কোন অনুন্নত দেশ থেকেই সে এসেছে। রাজার কোন এক শক্তিমান ও বহু যুদ্ধজয়ী সেনাপতি কোন দূর দেশ থেকে এই মানুষটিকে আর একটি বালিকাকে জোর করে নিয়ে এসে এই রাজাকে উপহার দেন। বালিকাটি বেঁটে খাটো চেহারার হলেও কুৎসিত-দর্শন ছিল না। বরং তার হাত পা খুবই সুন্দর ছিল আর নাচিয়ে হিসেবে সে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিল।

    দুই বন্দীর মধ্যে তাই অত্যন্ত স্বাভাবিক কারণেই একটি অত্যন্ত হৃদ্য সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বস্তুত সেই সম্পর্ক তারা পরস্পর স্বীকার করে নিয়েছিল। লাফানে ব্যাঙ অনেক কায়দা কসরৎ করেও কারো মনোরঞ্জন করতে পারতোনা তাই ট্রিপেট্টার কোন সাহায্যেও আসতো সে। অপরপক্ষে ট্রিপেট্টা তার ছোট শরীরের সৌন্দর্য নিয়ে সকলেরই প্রীতির পাত্রী হয়ে উঠেছিল আর রাজদরবারে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছিল। এর ফলে লাফানে ব্যাঙকে সাহায্য করার কোন সুযোগ পেলেই সে তার সদ্ব্যবহার করত।

    ঠিক মনে নেই কেন, তবে কোন এক ঘটনা উপলক্ষে রাজা একবার মুখোশ পরা বলনাচের ব্যবস্থা করলেন। মুখোশ নাচ বা ঐ রকমের কোন আনন্দোৎসবের আয়োজন হলেই তার সাফল্যের জন্য অনেক খানি দায়িত্ব নিতে হোত লাফানে ব্যাঙ আর ট্রিপেট্টাকে। এসব ব্যাপারে আবার লাফানে ব্যাঙের যে উদ্ভাবনী প্রতিভা ছিল তা অস্বাভাবিক। মূকাভিনয়ের আয়োজন, নতুন নতুন চরিত্র সৃষ্টি, অপূর্ব দর্শন পোষাকের পরিকল্পনা–সবকিছুতে ও ছিল অসাধারণ। তাই লাফানে ব্যাঙ ছাড়া এই ধরনের উৎসব কল্পনাই করা যেতো না।

    মুখোশনাচের রাতের জন্য ট্রিপেট্টার ব্যক্তিগত তত্ত্ববধানে অপূর্ব সজ্জায় সজ্জিত হোল একটি হলঘর। উৎসবকে সফল করতে পারে এমন কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা থেকে কেউই বিরত:,রইল না। রাজসভার প্রতিটি মানুষ নতুন কিছুর আশায় উত্তেজিত হয়ে উঠল। কে কোন মুখোশ পরে কোন চরিত্রে অভিনয় করবে সে কথা স্থির হয়েছিল একসপ্তাহ, কোন কোন ক্ষেত্রে একমাস আগেই। সু সিদ্ধান্তের অভাব কোথাও বিন্দুমাত্রও ছিল না, শুধু রাজা আর তার সাতজন মন্ত্রী কী করবেন সেইটি তারা স্থির করতে পারছিলেন না। এ যে কেন পারছিলেন না তারা তা বলা শক্ত তবে মনে হয় বড় বাধা এসেছিল তাদের অস্বাভাবিক আকারের মোটা শরীরের দিক থেকে। যাই হোক তাঁরা শেষ পর্যন্ত পরামর্শের জন্যে লাফানে ব্যাঙ আর ট্রিপেট্টাকে ডেকে পাঠালেন।

    দুটি ছোট্ট বন্ধ যখন রাজ দরবারে হাজির হোল তখন রাজা মন্ত্রীদের নিয়ে মদ্যপানে নিরত। তবু রাজার মেজাজ যে ভাল নেই তা দেখেই বোঝা গেল। রাজা জানতেন লাফানে ব্যাঙ মদ খায় না। মদ খেলে ও এত বেশী উত্তেজিত হয়ে পড়ত যা তার ছোট্ট শরীরের পক্ষে নিতান্তই কষ্টকর হয়ে দাঁড়াত। তবু রাজা তাকে মদ খেতে আদেশ করলেন। রাজা কিন্তু এই ধরনের রসিকতাই পছন্দ করতেন তাই ব্যাঙকে বাধ্য করলেন মদ খেতে।

    ব্যাঙ, অর ট্রিপেট্টা দরবারে প্রবেশ করতেই রাজা বলে উঠলেন, ব্যাঙ নাও দেখি এই এক পাত্র মদ, চট করে তোমার অনুপস্থিত বন্ধুদের স্বাস্থ্য কামনা করে গিলে ফেল আর তারপর একটু চিন্তা করে বল দেখি কী করা যায়। আমরা চাই নতুন নতুন চরিত্র, বুঝলে, শুধু চরিত্র। সেগুলো এমন হবে যা একেবারে অসাধারণ। একঘেয়ে চরিত্র দেখে দেখে চোখ পচে গেছে। মদটা খেলে তবেই তোমার বুদ্ধি খুলে যাবে।

    সাধারণত এই রকম পরিস্থিতিতে ব্যাঙ রাজার কথা নিয়ে রসিকতাই করে, কিন্তু আজকের পরিবেশটাই ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন রকমের। দিনটি ছিল ব্যাঙের জন্মদিন তাই অনুপস্থিত বন্ধুদের উদ্দেশে মদ খেতে গিয়ে তার চোখে জল এসে গিয়েছিল। অত্যাচারী রাজার হাত থেকে সবিনয়ে মদের গেলাসটি ধরে নেবার পর উষ্ণ কয়েক ফোঁটা চোখের জল ওরই মধ্যে ঝরে পড়ল।

    অনিচ্ছাসত্ত্বেও বেঁটে মানুষটি যখন মদটুকু গলায় ঢেলে দিচ্ছিল তখন রাজা হো হো করে হেসে উঠে বললেন, ‘ব্যাস, এবার দেখ, ভালো এক গেলাস মদ কী বিরাট কাজ করতে পারে। এই তোত, তোমার চোখ চক্ চক্ করতে শুরু করেছে। হতভাগ্য ব্যাঙের চোখ কিন্তু চক্ চক্ নয় বরং মৃদুই হয়ে আসছিল মদের তীব্র ক্রিয়ায়। মদের গেলাসটা টেবিলে রেখে ও এদিক ওদিক তাকাতে শুরু করল প্রায় উন্মাদের মতোই। রাজার রসিকতা খুব ভালো কাজ করেছে দেখে মন্ত্রীদের তখন কী আনন্দ।

    সব চাইতে মেদবহুল ছিলেন প্রধান মন্ত্রী। তিনি বলে উঠলেন, ‘এবার কাজের কথা হোক।’ রাজা বললেন, ‘নিশ্চয়ই। এবার বল দেখি ব্যাঙ কী করা যায়। আমরা ভালো ভালো চরিত্র চাই, হ্যাঁ চরিত্রই। রাজা আবার হো হো করে হেসে উঠলেন। হাসলো ব্যাঙও কিন্তু সে হাসির মধ্যে স্বাভাবিকতা ছিলনা, কেমন যেন অর্থহীন হাসি।

    রাজা প্রায় অধৈর্য হয়ে পড়েছেন তখন। বললেন, ‘বল, বল, তাড়াতাড়ি বল, কী ভাবতে পারছ না কিছু?

    –আজ্ঞে না। আমি কিন্তু খুব নতুন কিছু ভাবতে চেষ্টা করছি । ব্যাঙ কথা বলল কিছুটা দুর্বোধ্য ভঙ্গীতে। মদের ঘোরে সে যে হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছিল তা বেশ বোঝা যাচ্ছিল।

    –চেষ্টা করছি মানেটা কী? চেঁচিয়ে উঠলেন বদরাগী রাজা। পরক্ষণেই বললেন, ‘ও বুঝতে পেরেছি। তুমি একটা গোমড়ামুখো মানুষ। তোমার আরও মদ দরকার। এই নাও, আরো খানিকটা গিলে ফেল।’ বলেই রাজা গেলাসে বেশ খানিকটা মদ ঢেলে বিকলাঙ্গ মানুষটির দিকে এগিয়ে দিলেন। বেচারার তখন দম বন্ধ হয়ে আসছে। সে শুধু বোকার মতো ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে

    দৈত্যের মত হুঙ্কার ছেড়ে রাজা বলে উঠলেন ‘খাচ্ছে না যে? শীগগির খাও বলছি, না হলে তখন কিন্তু ব্যাঙ ইতস্তত করছে।

    রাজা রাগে লাল হয়ে উঠেছেন তখন। মন্ত্রীরা বোকা হাসি হাসছেন আর ওদিকে ট্রিপেট্টার মুখ প্রাণহীন পাণ্ডুর হয়ে উঠেছে। সে ধীরে ধীরে রাজার দিকে এগিয়ে গিয়ে তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে বন্ধুর জন্য মার্জনা ভিক্ষা করল।

    মেয়েটির স্পর্ধায় রাজা কিছুটা বিস্মিত হলেন। কিভাবে নিজের ঘৃণা প্রকাশ করবেন, সেই চিন্তাই তার কাছে বড় হয়ে উঠল। শেষ পর্যন্ত কোন কথা না বলে উনি মেয়েটিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলেন আর তার মুখের উপর ছুঁড়ে মারলেন গেলাসের সবটুকু মদ।

    একটি দীর্ঘশ্বাসও ফেলল না মেয়েটি। একবার উঠে দাঁড়িয়ে পূর্বের মতই টেবিলের তলায় হাঁটু গেড়ে বসল সে।

    সারা হলঘরের মধ্যে নিস্তব্ধতা জমাট বেঁধে উঠল এমন ভাবে যে একটা পাতা বা পালক খসে পড়লেও তার শব্দ অনায়াসে শোনা যেত। কিছুক্ষণ পরে ঘরের ভেতর থেকে একটা খরখরে কর্কশ শব্দ শোনা গেল শুধু। বেঁটে লোকটির দিকে ফিরে উত্তেজিত কণ্ঠে রাজা প্রশ্ন করলেন, “কেন, কেন ওরকম শব্দ করছ তুমি?

    মদের ঝোঁক তখন অনেকখানি কমে এসেছে। ক্রুদ্ধ রাজার মুখের দিকে তাকিয়ে সে বলে উঠল, ‘আমি? আজ্ঞে না, আমার সে সাহস মোটেই নেই। একজন মন্ত্রী বললেন, ‘আমার মনে হয় শব্দটা বাইরে থেকেই আসছে। যতদূর মনে হয় ওখানে একটা টিয়া পাখী তার খাঁচাটায় ঠোঁট ঘষছে।

    ঘটনাটার একটা মনের মত ব্যাখ্যা পেয়ে রাজা খুশী হলেন। তবুও তিনি বলে উঠলেন, ‘ঠিকই, তবে কি জানেন, আমি মনে করছিলাম ঐ শয়তানটা দাঁত কড়মড় করছে।

    এবার ব্যাঙ, হো হো করে হেসে উঠল আর সেই সুযোগে তার বড় বড় আর কুৎসিত দাঁতগুলো সব বেরিয়ে পড়ল। রাজা ত নিজেই ভাঁড়ের মত কাজ করছিলেন তাই অন্যের হাসিতে আপত্তি করার শক্তিও ছিল না তাঁর। তাছাড়া মদও গিলেছিলেন প্রচুর। এবার তিনি শান্ত হলেন আর আরো একগেলাস মদ অবলীলা

    ক্রমে গলায় ঢেলে ফেললেন। ততক্ষণে ব্যাঙ, প্রকৃতিস্থ হয়েছে আর মুখোশনাচের মতলব তার মাথায় এসে গিয়েছে।

    যেন মদ সে ছোয়নি এমনি শান্ত ভাবেই ব্যাঙ বলে উঠল, ‘ঠিক কী ভাবে ধারণাটা মাথায় এলো বলতে পারিনে কিন্তু আপনি যখন মেয়েটিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলেন আর জানালার ওপাশে টিয়ে পাখী কিম্ভুতকিমাকার শব্দ করে উঠল তখনি অন্য একটা চিন্তা আমার মাথায় এসে গেল। আমরা যখন মুখোশ নাচে নাচি তখন কিন্তু এই চরিত্রগুলোতে অভিনয় করি। কিন্তু সে যাই হোক এক্ষেত্রে অসুবিধে হোল এই যে এর জন্যে দরকার আটজনালোক আর–

    বেঁটের উদ্ভাবনী শক্তিতে রাজা তখন ভীষণ প্রীত। উনি হেসে বললেন, ‘কেন? আমরা ত আটজনই আছি এখানে, সাতজন মন্ত্রী আর আমি। এখন বল দেখি তোমার চিন্তাটা কী?

    বিকলাঙ্গটি বলে উঠল, ‘আমরা একে শৃঙ্খলাবদ্ধ আটটি ওরাঙ, ওটাঙ, বলি। ঠিকমত অভিনয় করলে এ একেবারে তুলনাহীন।

    ‘আমরা তাই করব, ঐটেই অভিনয় করব আমরা বেশ শান্ত ভাবে চোখ বন্ধ করে বলে উঠলেন রাজা।

    লাফানে ব্যাঙ, বলল, ‘এই অভিনয়টার সৌন্দর্য কোথায় জানেন, তা হোল ওটায় মেয়েদের মধ্যে যে ভীতির সঞ্চার হয়, সেইখানে।

    ‘বাঃ, সুন্দর’-রাজা আর মন্ত্রীরা একই সঙ্গে বলে উঠলেন।

    ব্যাঙ বলে চলল, ‘আপনাদের ওরাং ওটাঙ সাজানোর ভার আমার ওপর ছেড়ে দিন। ও আমি এমন নিখুঁত ভাবেই করে দেব যে এখানে যারা আসবে তারা আপনাদের জন্তু ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারবে না। এতে ওরা বিস্মিত হবে আর ভয়ও পাবে ভীষণ।

    রাজা ভীষণ খুশী হলেন আর বললেন, ‘এ একেবারে অতুলনীয়। জানো লাফানে ব্যাঙ, আমি তোমার ভাগ্য ফিরিয়ে দোব, মানুষের মত মানুষ বানিয়ে দোব তোমাকে। আমরা যে চেনটা ব্যবহার করব তার ঝন্ ঝন শব্দ সব কিছুকে আরো দুর্বোধ্য করে তুলবে। আপনারা এমন ভাব করবেন, যেন মালিকের কাছ থেকে

    একসঙ্গে সবাই পালিয়ে এসেছেন। যেখানে সুন্দর সুন্দর পোষাক পরা উঁচুদরের ভদ্রলোক আর ভদ্রমহিলারা জমায়েত হন, সেখানে এই মুখোশ নাচটা যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, তা আপনারা অনুমানই করতে পারবেন না। এর বৈসাদৃশ্যটি অসাধারণ।

    ‘এইটিই করব আমরা’–বললেন রাজা। তারপর বেলা হয়ে যাচ্ছিল বলে সবাই উঠে পড়লেন আর ব্যাঙের প্রস্তাবটিকে কার্যকরী করে তোলার জন্যে ব্যস্ত হয়ে উঠলেন।

    আটজনকে ওরা, ওটাঙসাজানো এমন কিছু কঠিন ব্যাপার ছিল না কিন্তু উদ্দেশ্য সাধনের দিক থেকে পরিকল্পনাটি বাস্তবিকই অপূর্ব হয়েছিল। আমি যে সময়ের কাহিনী বলছি তখন সভ্যদেশে ঐ জন্তু দেখা যেতো না। বেঁটে মানুষটি যেভাবে ওদের সাজিয়েছিল তাতে আকৃতিগত সাধ তো ঘটেছিলই কিন্তু তার চাইতেও বড় কথা ওঁরা সৃজন করেছিলেন একটা ভয়াবহ ঘৃণ্য পরিবেশ।

    রাজা আর মন্ত্রীদের প্রথমে খুব আঁটসাট পোষাক পরিয়ে তার ওপর আলকাতরা লাগানো হোল। এর পর কেউ কেউ বললেন তার ওপর পালক লাগালে বেশ মজার হবে। প্রস্তাবটা কিন্তু ব্যাঙ সঙ্গে সঙ্গে নাকচ করে দিল ও বলল জন্তুগুলোর গায়ের লোম সম্পর্কে ধারণা দিতে গেলে এ ক্ষেত্রে শণই ব্যবহার করতে হবে। আলকাতরার ওপর পুরু করে শণ বসিয়ে দেওয়া হোল। এর পর আনা হোল মস্ত বড় একটা শেকল, ওটাকে প্রথমে রাজার কোমরে বাঁধা হোল তারপর এক এক করে বাকী সাতজন মন্ত্রীকে বাঁধা হোল ঐটেতে। আটজন শেকলে বাঁধা অবস্থায় যখন দাঁড়ালেন তখন একটা বৃত্তই সৃষ্ট হোল।

    সিম্পাঞ্জী বা ঐ ধরণের বড় বড় বাঁদর ধরে বাঁধার জন্যে বোর্নিও প্রভৃতি দ্বীপের লোকেরা যে ধরনের বাঁধন ব্যবহার করে, ব্যাঙ শেকলের শেষ অংশটুকু নিয়ে ঐ ভাবে ওঁদের আটজনকে বেঁধে ফেলল। এতে ব্যাপারটা খুবই স্বাভাবিক লাগল দেখতে।

    যে বিরাট হলঘরটাতে মুখোশ নাচের ব্যবস্থা হয়েছিল সেটি ছিল গোলাকার। ঘরটির দেওয়াল খুব উঁচু আর ওপরের একটি জানালা দিয়েই সূর্যের আলো ঘরের মধ্যে এসে পড়ত। একটা বিরাট ঝাড়লণ্ঠন শেকল দিয়ে ঘরের মাঝখানে ওপর থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ওটার ভারসাম্য ঠিক রাখবার জন্য একটা ভারি জিনিস ব্যবহার করা হয়েছিল কিন্তু ঘরের মধ্যে ওটা থাকলে বিশ্রী দেখাবে বলেই ওটাকে গম্বুজের ওপর ছাদে তুলে দেওয়া হয়েছিল।

    হলঘরটাকে সাজিয়ে তোলার দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল ট্রিপেট্রার ওপর। কতকগুলো খুটিনাটি ব্যবহারে সে অবশ্য বেঁটের পরামর্শ নিয়েছিল। তারই পরামর্শমত এই মুখোশনাচ দিনটির জন্যে ঝাড়লণ্ঠনটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার বক্তব্য ছিল এই যে ঘরে খুব ভিড় হবেই আর তাই বহু লোক ঘরের মাঝখানে দাঁড়াতে বাধ্য হবে। ঝড় লণ্ঠন থেকে গরমের দিনে মোম গলে পড়ে ওঁদের দামী পোশাক সব মাটি করে দেবে। তার বদলে হলের মধ্যে কিছু দেওয়ালগিরি বসানো হয়েছিল আর ঘরের দেওয়ালে গোটা পঞ্চাশ ষাট যে মূর্তি ছিল তাদের ডান হাতে সুগন্ধি জ্বলন্ত মশাল রেখে দেওয়া হয়েছিল।

    লাফানে ব্যাঙের পরামর্শমতই দুপুর রাত পর্যন্ত ঐ আটজন ওরাঙ, ওটাঙ, বাইরে অপেক্ষা করছিল। ও চেয়েছিল এই যে ঘরটা মুখোশনাচের লোকে ভরে উঠুক তার পর ওরা ঢুকবে। রাত বারোটা বাজার ধ্বনি মিলিয়ে যাবার আগেই ঝড়ের বেগে ঘরে ঢুকে পড়ল–বরং বলা উচিত শেকলে বাঁধা ছিল বলে ওরা আটজন গড়িয়ে এসে পড়ল হলের ভেতর।

    মুখোশনাচের আসরে যারা এসেছিল তাদের উত্তেজনা আর রাজার আনন্দ সবই হয়ে দাঁড়িয়েছিল অপর্যাপ্ত। ওখানে এমন লোক প্রায় ছিলই না বলা যায় যারা ওই আটজনকে ওরঙ, ওটাঙ, বা ঐ ধরনের কোন জন্তু ভাবেনি। অবশ্য এই রকম আশাই করা গিয়ে ছিল। মেয়েদের অধিকাংশই জ্ঞান হারালেন। রাজা আগেই আসরে অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আসা বারণ করে দিয়েছিলেন। তা না করলে ওঁদের এই মজা দেখানোর বদলে হয়ত অনেক রক্তই ঝরে পড়ত সেদিন।

    সবাই এবার দৌড় দিতে শুরু করল দরজার দিকে। ওদিকেও পথ ছিল বন্ধ, রাজা আদেশ দিয়ে রেখেছিলেন ওঁরা ঢুকে পড়ার পরই যেন দরজায় তালা লাগিয়ে চাবিটা লাফানে ব্যাঙের কাছে জমা দিয়ে দেওয়া হয়।

    সবাই যখন আত্মরক্ষার জন্যে ব্যস্ত তখন বোধ হয় ঝাড়লণ্ঠন ঝুলোবার শেকলটার দিকে নজর পড়ল অনেকের। ওটা ওপর থেকে তলায় নেমে এসেছিল আর ওর আংটাটি মেঝে থেকে ফুট তিনেক ওপরে ঝুলছিল।

    রাজা আর তার সাত সঙ্গী হলঘরের চারদিকে পাক খেয়ে এসে পৌঁছনো মাত্রই সেই ঝাড়লণ্ঠনের শেকলটার সঙ্গে জড়িয়ে পড়লেন। লাফানে ব্যাঙ, ওঁদের অলক্ষে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল। যেই রাজা আর মন্ত্রীদের শেকল ঝাড়লণ্ঠনের শেকলের সঙ্গে জড়িয়ে গেল অমনি ব্যাঙ, এমন ক্ষিপ্রতার সঙ্গে লণ্ঠনের শেকল ধরে টান লাগালো যাতে ওটা আরও খানিক উপরে উঠে গেল আর আটজন একসঙ্গে জড় হয়ে গিয়ে পরস্পরের মুখোমুখী হয়ে পড়লেন।

    ততক্ষণে মুখোশধারীরা কিছু পরিমাণে ভয় কাটিয়ে উঠতে পেরেছে আর পুরো ঘটনাটার মজা উপভোগ করতে আরম্ভ করেছে। ওরা তখন বাঁদরগুলোর বিবাদ দেখে হো হো করে হাসতেও শুরু করেছে। ওদের হাসির ভেতর থেকেই হঠাৎ ব্যাঙের তীক্ষ্ণ কণ্ঠস্বর শোনা গেল, ‘ছেড়ে দিন, আমাকে ছেড়ে দিন দেখি। আমি বোধ হয় ওঁদের সবাইকে চিনিয়ে দিতে পারব। তবে কিনা ওঁদের একটু ভাল করে দেখতে হবে আমাকে।

    ভিড় পেরিয়ে ব্যাঙ, গিয়ে পৌঁছল দেয়ালের কাছে। একটা মূর্তির হাত থেকে জ্বলন্ত মশাল তুলে নিয়ে ও এসে গেল হলঘরের মাঝখানে। তারপর বাঁদরের মত অবলীলাক্রমে লাফিয়ে রাজার মাথায় পৌঁছে সেখান থেকে ঝাড়লণ্ঠনের শেকলটা ধরে কয়েক ফুট ওপরে উঠে গেল সে। সেখান থেকে জ্বলন্ত মশালটা ওরাঙ, ওটাঙ, দলের ওপর ঝুলিয়ে ব্যাঙ, চেঁচিয়ে বললে, “দাঁড়ান, এবার ঠিক বলতে পারব কোনটি কে।

    ব্যাঙের এই রসিকতায় ওরাঙ ওটাঙরা আর অন্যেরা তখন হেসেই অস্থির। এমন সময় ব্যাঙ, তীক্ষ্ণ একটা শিস দিয়ে উঠল আর সঙ্গে সঙ্গে লণ্ঠনের শেকলটা প্রায় ফুট ত্রিশ ওপরে উঠে গেল। শেকলটা এতটা উঠে যাবার পরও ব্যাঙ, আর আটটি ওরাং ওটাঙের মধ্যে দূরত্ব একই রইল আর তখনো ওদের চিনিয়ে দেবার জন্যে সে সমানে জ্বলন্ত মশাল রাজা আর তার সাত জন সঙ্গীর ওপর দুলিয়ে চলেছে।

    উত্তেজিত ভাড়ের কণ্ঠস্বর শোনা গেল, ‘হ্যাঁ, ঠিক, আমি ঠিক মতোই চিনতে পেরেছি এঁদের। এঁরা কারা এখন আর চিনতে বাকী নেই আমার। চেনবার চেষ্টা করছে এ রকম ভান করে সে তখন মশাল দুলিয়ে চলেছে। পর মুহূর্তে রাজাকে খুটিয়ে দেখার উদ্দেশ্যেই যেন, মশালটি তার ওপর নামিয়ে আনল ব্যাঙ। সঙ্গে সঙ্গে আলকাতরা মাখা শনের জামায় আগুন লেগে গেল। কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যেই আটটি ওরাঙ, ওটাঙ, দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল আর দর্শকেরা আর্তনাদ করে উঠল ভীষণ ভাবে। তলা থেকে কোন সাহায্যই ওদের কাছে পৌঁছে দেবার উপায় ছিল না।

    আগুন আরো যখন বেড়ে উঠল তখন ব্যাঙ, শেকল বেয়ে আরও খানিক ওপরে উঠে গেল। সে তখন সকলের নাগালে বাইরে। যখন ব্যাঙ, ওই ভাবে শেকল বেয়ে উঠে যাচ্ছিল তখন হলঘরের মধ্যে সবাই নীরবে ঘটনাটা লক্ষ্য করছিলেন। এই নীরবতার সুযোগ নিয়ে সে আবার বলে উঠল, এখন আমি নির্ভুল ভাবেই সব কিছু দেখতে পাচ্ছি, দেখতে পাচ্ছি কী ধরনের মানুষ ওঁরা। এঁরা হলেন মহামান্য রাজা আর তার সাতজন মাননীয় মন্ত্রী-যে রাজা আত্মরক্ষায় অসমর্থ একটি মেয়েকে নির্মম ভাবে আঘাত করেন আর যে মন্ত্রীরা সেই জঘন্য কাজে রাজাকে আনন্দের সঙ্গে সাহায্য করেন। আমি? আমি হলাম লাফানে ব্যাঙ, একটা ভাড় মাত্র, আর এইটিই আমার শেষ ভাড়ামী।’

    আলকাতরা আর শনের অসম্ভব পরিমানে দহনশীলতার জন্যেই ব্যাতৈর ছোট্ট বক্তৃতা শেষ হতে না-হতেই আটটি বীভৎস দগ্ধ মৃতদেহ একটি বিরাট কৃষ্ণকায় পিণ্ডের মত দুলতে লাগল। ওটা থেকে কাউকেই তখন আর চেনবার উপায় ছিল না। বিকলাঙ্গ মানুষটি ওই শবপুঞ্জের ওপর জ্বলন্ত মশালটি ছুঁড়ে ফেলে ধীর স্থির গতিতে শেকল বেয়ে ছাদে উঠে গিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল। সবাই অনুমান করেন যে এই জ্বলন্ত প্রতিহিংসার জন্য সহায়তা করেছিল ট্রিপেট্টা আর এই জন্যেই সে হলঘরের ছাদে কোথাও লুকিয়ে ছিল নিশ্চয়ই। এই ঘটনার পর ওদের কাউকেই আর ও অঞ্চলে দেখা যায়নি। মনে হয় ওরা দুজন ওদের দেশেই পালিয়ে গিয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক নায়িকার উপাখ্যান
    Next Article আড়ালে আততায়ী : ১২টি খুনের রোমহর্ষক ময়না তদন্ত

    Related Articles

    চিত্তরঞ্জন মাইতি

    এক নায়িকার উপাখ্যান

    August 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }