Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লা নুই বেঙ্গলী – মির্চা এলিয়াদ

    মির্চা এলিয়াদ এক পাতা গল্প263 Mins Read0
    ⤶

    লা নুই বেঙ্গলী – ১৫

    ১৫

    দিনের পর দিন আমি একটা চাকরির খোঁজে পোর্ট কমিশনার্স অফিস এবং অন্যান্য জায়গায় হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াতে লাগলাম।.. কথা দিয়েছিল ফ্রেঞ্চ কনস্যুলেটে ট্রানশ্লেটরের চাকরি করে দেবে, সেটাও পাওয়া গেল না। আমার সম্বল বলতে আর শত টাকার বেশি কিছুই নেই, অথচ এখানে থাকতে গেলে আমার কিছু রোজগারের ব্যবস্থা চাইই। এই বিপদের সময়ও হ্যারল্ড আমার প্রতি প্রচণ্ড দুর্ব্যবহার করলো। আমি তাকে বলেছিলাম আমায় কটা দিন তার ঘরে থাকতে দিতে –আমি ১৫ তারিখেই তার বাসা ছেড়ে দেবো, কিন্তু সে আমার কথা রাখতে অস্বীকার করলো একটা বাজে অজুহাতে, যাতে আমি বিপদে পড়ি সে বললো, আমি নাকি আর খ্রীস্টান নই, কাজেই একজন পৌত্তলিকের সঙ্গে সে একঘরে শুতে পারবে না। আসল কথাটা হলো, সে আমার অবস্থাটা পুরোই জানতো। সে জানতো, আমার কাছে আর বিশেষ টাকা নেই, আর আমার এখুনি একটা ভালো মাইনের চাকরিরও সম্ভাবনা নেই। মাদাম রিবেইরো এই সুযোগে ভুলেই গেল আমি তার জন্য কতটা করেছি। সে কেবল হ্যারল্ডের ঘরে আমাকে নেহাৎ দেখে ফেলে, অনেক কষ্টে এক কাপ চা খাওয়াতে চাইলো মাত্র আমার আর বিক্রি করে পেট চালানোর মত অবশিষ্টও কিছুই নেই। খুব ভেঙে পড়লাম। বড় অসহায় অবস্থায় দিন কাটছে বড় হতাশায়, বড় কষ্টে।

    আমি আবার খোকার সঙ্গে দেখা করলাম। সে আমায় মৈত্রেয়ীর আর একটা চিঠি দিলো। আমি সেটা নিতে অস্বীকার করলাম। সে আমায় মনে করিয়ে দিলো যে আমি ইঞ্জিনিয়ার মশাইকে আমার ওয়ার্ড অফ অনার দিয়েছিলাম। আমি কি সত্যই কোনো কথা দিয়েছিলাম? আমার তো মনে পড়ছে না। খোকা এমন ভাণ করলো, যেন মৈত্রেয়ীই বারবার তাগিদ দিচ্ছে আমাকে একদিন ভবানীপুরের পার্কে কিংবা সিনেমাহলে দেখা করার জন্য। মৈত্রেয়ী নাকি আমায় টেলিফোন করতে চেয়েছিল। আমি ফিরিয়ে দিলাম, সত্যি বলতে কি একটু রূঢ়ভাবেই সব অস্বীকার করলাম। যখন বোকার মতো মাথা খারাপ করে চোখের জলে সব কিছু শেষ করে দিতে হচ্ছে তখন আবার কোথা থেকে শুরু করবো?

    —ওকে বলে দিও, ও যেন তার অ্যালেনকে ভুলে যায়। সে মরে গেছে। কেউ যেন আর তার জন্য অপেক্ষা না করে।

    আমি আমার ভেতরটা হাতড়ে বেড়াতে লাগলাম, আর কি আমার ক্ষমতা আছে আবার নতুন করে শুরু করার মতো! মৈত্রেয়ী কি সত্যিই আমার ওপর চিরকালের জন্য নির্ভর করে থাকতে পারবে? কিন্তু আমি কোনো উত্তরই খুঁজে পেলাম না, কিছুই বুঝে উঠতে পারলাম না। ওকে যদি নিয়ে যেতেই হয়, হ্যাঁ তাই,… কিন্তু কী নিয়ে পালাবো? কী করে আবার ভবানীপুরের বাড়িতে ঢুকবো, কী করে মিঃ সেনের শ্যোনদৃষ্টি এড়াবো? হয়তো আবার নানা রকমের ঝামেলা বাধবে, হয়তো আমার বোধের কেউ মূল্যই দেবে না! হয়তো ও নিজেই আর আমায় বুঝবে না আমার ওপর ভরসা করতে পারবে না। আমি জানি না, –আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। আমার এখন কেবল একটাই ইচ্ছে, ও আমায় ভুলে যাক, ও যেন আমার জন্য কষ্ট না পায়!

    আমাদের ভালোবাসা চিরজন্মের মত শেষ হয়ে গেছে।

    কাল ভোর থেকে টেলিফোনটা বেজেই চলেছে। কেবল একই কথা ভেসে আসছে, ‘অ্যালেন কোথায়? আমি একটু ওর সঙ্গে কথা বলতে চাই। ওকে একটু বলে দিন, ব্যাপারটা খুবই জরুরি, …ওর বান্ধবী মৈত্রেয়ী ফোন করছে….।’ শেষ পর্যন্ত আমার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলো ফোন ধরতেই ও বললো, ‘অ্যালেন, এখুনি চলে এসে এই কালামুখীর সঙ্গে তোমার এতদিনের সমস্ত সম্পর্ক শেষ করে দিয়ে যাও।

    আমার ইচ্ছে করতে লাগলো, এক্ষণি ছুটে চলে যাই, ওর বুকে নিজেকে আছড়ে ফেলি, কিন্তু না আমি কেবল মৃদু হাসলাম মাত্র। একটা বুনো অভিমান যেন আমায় পেয়ে বসেছে আমার যন্ত্রণা ক্রমশ তুঙ্গে উঠছে আর ও তুঙ্গে উঠুক যতক্ষণ তা আমার সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে না যায়। তারপর হাঁটু গেড়ে বসে বলবো—ভগবান! যথেষ্ট হয়েছে!

    আজ আমি যখন ব-এর সঙ্গে টেলিফোনে কথা শেষ করছি, হঠাৎ রিসিভারের মধ্যে দিয়ে কানে এলো আর একটা গলার স্বর। আমি সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলাম, মৈত্রেয়ীর গলা। কত ভয়ে, কত সন্তর্পণে বলছে,—অ্যালেন, তুমি কেন চাইছো না যে আমি তোমার সঙ্গে কথা বলি? তুমি আমায় ভুলে গেছো….?

    আমি নিঃশব্দে টেলিফোনটা রেখে দিলাম। আশ পাশের টেবিল-আলমারি ধরে টলতে টলতে নিজের ঘরে এসে পৌঁছলাম। ওঃ ভগবান, কেন, কেন আমি ওকে ভুলতে পারছি না! কেন এই যন্ত্রণার আগুন কিছুতেই নিভছে না?….আমি এমন একটা কিছু করতে চাই, মৈত্রেয়ী আমাকে ভুল বোঝে, আমার ওপর বিরক্ত হয়, যা জোর করে ওকে আমায় ভোলার সুযোগ করে দেবে। আমি আর একটা মেয়ের সঙ্গে মিশবো ঠিক করেছি, সে গারতি এবং আমি ভবানীপুরে খোকার সঙ্গে দেখা করে কথাটা বলেও এলাম…..

    বার্মা অয়েল কোম্পানির সঙ্গে কথাবার্তা অনেক এগিয়েছে।ওরা একজন এজেন্ট চাইছে। মনে হচ্ছে আমি পোস্টটা পেয়ে যাবো। আমার পাওয়াটাও খুবই দরকার। সেদিন সারা দুপুর ও বিকেলটা টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরিতে ফ্লুভিয়্যাল এজেন্টে কাজকর্ম সম্পর্কে প্রচুর পড়াশোনা করলাম। এদিকে পুলিশও আমার ব্যাপারে এই নিয়ে দুবার খোঁজ খবর করেছে। ইওরোপীয়ান বেকারদের এখান থেকে ধরে ধরে আবার দেশে চালান করে দিচ্ছে। আমাকেও যদি দেয়, তাহলে তা হবে আমার পক্ষে নিষ্ঠুরতম পরাজয়……

    আজ আমার কাগজপত্রগুলো ঘাঁটতে ঘাঁটতে হঠাৎ মৈত্রেয়ীর একটা চিঠি বেরিয়ে পড়লো চিঠিটা অজ্ঞাতনামা কেউ লিখিছিল ওকে, ওর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে, সঙ্গে একটা বিশাল ফুলের তোড়াও ছিল, চিঠিটা পড়ার এক অদম্য ইচ্ছে আমায় পেয়ে বসলো। কিন্তু আমি এখনও বাংলায় বড় কাঁচা, তাই চিঠিখানা পাশের ডাক্তারখানার এক ভদ্রলোককে দিয়ে পড়িয়ে নিলাম। ওটায় লেখা—’…ওগো আমার চির-না-ভোলা, চির জাগরূপ দীপশিখা, আজ আমি তোমায় দেখতে যেতে পারছি না আজ তোমায় একান্ত একা, একান্ত আমার করে তো পাবো না, যেমন করে সেদিন তোমায় সম্পূর্ণ আমার করে আশ্লেষে পেয়েছিলাম, আর সেদিন তো…..’

    ওঃ আর পড়া অসম্ভব! আমার ভেতর এক প্রচণ্ড ঈর্ষা অমানুষিক যন্ত্রণায় ধক ধক করে জ্বলে উঠলো। আমি আমার টেবিলে কাঠ দুহাতে প্রাণপণে চেপে ধরে নিজেকে সামলাতে লাগলাম। তা হলে আর আজিও আমাকে ফোন করা কেন? এ কী তামাশা! ওঃ ভগবান! আমি যে বড় ভালোবেসে ছিলাম, বডড ভালোবেসে ফেলেছিলাম! তা হলে কি সবটাই আমার ভুল? কোথায় আমার ভুল, কোথায় আমার গলদ? নাকি, বিপক্ষে সকলেরই অনেক, অনেক কিছু বলার রয়ে গেছে?

    আজকাল আমি আর ডায়েরিতে সব ঘটনার কথা লিখি না আশা করছি, খুব শিগগরই ভারতবর্ষের সঙ্গে আমার সমস্ত সম্পর্ক শেষ হবে! আমার চাকরির ব্যবস্থা হয়ে গেছে। যদি ও এখনও পাকা হয়নি, তবু আমি নিশ্চিত যে, এ চাকরিটা আমার হবেই, এবং আমায় সিঙ্গাপুরে গিয়ে যোগ দিতে হবে, ওরা আমার যাওয়ার খরচ পাঠিয়ে দিয়েছে আমার চারপাশে আমাকে কিছু বলার মতো কেউ নেই। আমি নিজেই উৎসাহিত ও চাঙ্গা করে তুলেছি যাতে কাজটা পেয়ে যাই….।

    হ্যারন্ডের সঙ্গে আমার বিচ্ছেদ অনিবার্য হয়ে উঠেছে নেহাৎ ক্লারা যদি না থাকতো তাহলে এতদিন হয়েই যেতো কিছু একটা। ওর ওপর একটা ভয়ঙ্কর রাগ চেপে বসেছে আমার মনে। ব্যাপারটা নিয়ে একদিন গারতির ঘরেই সঙ্গে ক্লারার তুমুল ঝগড়া হয়ে গেছে। তারপর থেকে আমি গারতির ঘরেই আছি আর দুনিয়া শুদ্ধ লোকে আমাদের সবচেয়ে সুখী পরিবার বলে ধরে নিয়েছে। লোকে ভাবছে আমার দুজনে বুঝি গোপনে বিয়েটা সেরে নিয়েছি। গারতি আসল সত্যটা ভালো করেই জানে আমি মৈত্রেয়ীর প্রেমে পাগল হয়ে আছি আর ওর সঙ্গে ঘুরলেই মৈত্রয়ী আমার ওপর ক্ষেপে দূরে সরে যেতে পারে।

    খোকা নানা ছুতোয় আমাকে ধরবে বলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সে আমায় যত চিঠি পাঠাচ্ছে আমি তার অর্ধেকও পড়ে দেখছি না। সেগুলো ন্যক্কারজনক ইংরেজীতে লেখা। সে বার বার আমায় লিখেই চলেছে যে মৈত্রেয়ী সেই মারাত্মক ভুলটা করবে বলে ঠিকই করে ফেলেছে, আর তার ফলে লোকে তাকে খোঁজাখুঁজি করবে। আর সবচেয়ে বড় কথা, মৈত্রেয়ী নাকি আমার কাছেই এসে উঠবে। তার এই মতলবের কথা পড়ে আমি মনে মনে বেশ শঙ্কিতই বোধ করলাম। কিন্তু আমি তাকে আমার এই ভাবনার কথা ঘুণাক্ষরেও জানতে দিলাম না বরং খুব রূঢ় ভাবেই এ সব ব্যাপার এবং যা সে আমায় আগে বলেছিল, সব কিছু পুরোপুরিই উড়িয়ে দিলাম। খোকা আমায় প্রায় ভয় দেখিয়েই জানিয়ে দিয়েছে যে আমায় খুঁজে বার করার জন্য মৈত্রয়ী কোনো বাধাকেই গ্রাহ্য করবে না নাটক একেবারে….।

    সিঙ্গাপুর। আমার সঙ্গে মিসেস সেনের ভাইপো জ- এর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল।ও এখানকার একটা প্রিন্টিং ওয়ার্কসে কাজ করে। অপার আনন্দে দুজনে দুজনকে জড়িয়ে ধরলাম, কত পুরনো দিনের কথা হলো। ও-ই আমার প্রথম পরিচিত ব্যক্তি। আমি ওকে লাঞ্চে নেমন্তন্ন করলাম। খাওয়ার পর সিগারেট খেতে খেতে ও সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলো, তারপর ওর স্বভাবসিদ্ধ গম্ভীর গলায় বললো, অ্যালেন,তুমি কি জানো, মৈত্রেয়ী তোমায় কতো ভালোবাসে? তোমাদের এই সম্পর্ক সকলেই জেনে গেছে….।

    আমি নিজেকে সামলাতে চেষ্টা করলাম। যদি ব্যাপারটা আমার পক্ষে গ্রহণযোগ্য না হয়। তাহলে আমি আর এ -নিয়ে কথা বাড়াতে চাই না। কোনো উৎকণ্ঠা প্রকাশ, বা অন্য কিছু না আমি জানি সকলে মিলে ব্যাপারটাকে নিয়ে অনেক জল ঘোলা করেছে ইতিমধ্যে। সত্যি, লোকের কি আর খেয়েদেয়ে কাজ নেই?

    কিন্তু জ….আমাকে পীড়াপিড়ি করতে লাগলো।

    শোন, আমায় বলতে দাও, তোমার জন্যে আর একটা নতুন দুঃসংবাদ আছে।

    -অন্ততঃপক্ষে সে মরেনি নিশ্চয়ই। আমি প্রায় আর্তস্বরে বলে ফেললাম। ব্যাপারটা জানার আগেই।আমার মনে হতে লাগলো ও এখুনি যা বলবে তা আমি আমার মন প্রাণ, অন্তর দিয়েই জানি, ও নিশ্চয়ই মৈত্রেয়ীর মৃত্যুর খবর দেবে। আমার মনে হলো আমার চোখের সামনে থেকে মৈত্রেয়ী অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে….।

    —মরলেতো ঢুকেই যেতো। ও যা করেছে, সেটা তার চেয়ে ঘৃণ্য কাজ। ও ঐ ফলওয়ালাটার সঙ্গে পালিয়েছে….।

    আমার মনে হলো চিৎকার করে কেদেঁ উঠি, দাপাদাপি করি, প্রচণ্ড হাসিতে ফেটে পড়ি। আমি টেবিলের কোণ দুটো চেপে ধরে নিজেকে কোনো রকমে সামলালাম মনে হচ্ছিল, চোখের সামনে অন্ধকার, আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাবো। জ….আমার করুণ অবস্থা দেখে আমায় সান্ত্বনা দিতে লাগলো।

    —সত্যিই, ও যা করেছে, তা আমাদের সকলের কাছেই মৈত্রেয়ীকে ধরে মেদিনীপুরে আটকে রাখা হয়েছে ব্যাপারটা গোপন রাখার চেষ্টাই হয়েছিল। তবে তখন প্রায় সবাইই জেনে গেছে।

    আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম, ওরা ওর ওপর খুব অত্যাচার করছে কিনা।

    —মিঃ সেন তো ঠিক করেছেন ওকে আর ও-বাড়ির দরজা ডিঙোতে দেবেন না। বলছেন, মৈত্রেয়ীর পালানোর জন্য যে দায়ী, তাকে পেলে উনি টুকরো করে ফেলবেন। সকলে চেয়েছিল ও পড়াশোনা করবে। বিশেষ করে একটি বিষয়ে উপর জোর দেবে আমি ঠিক জানি না। বোধ হয় ফিলজফি। …ওরা ব্যাপারটা চেপে রাখতেই চেয়েছিল। কিন্তু এখন তো সবাই জেনে ফেলেছে … কে ওকে ঘরে নেবে? ….মৈত্রেয়ী খুব চিৎকার চোঁচামেচি না করেছে—আমায় কুকুরের মুখে ফেলে দিলে না কেন? রাস্তায় বার করে দিলে না কেন? যাচ্ছেতাই ব্যাপার। …আমি জানি, এটা মৈত্রেয়ী খুবই ভুল করেছে কিন্তু এ ছাড়া ও আর কিই বা করতে পারতো?

    ঘন্টার পর ঘন্টার আমি ভেবেই চললাম। কিন্তু ভেবে কিছুই ঠিক করতে পারলাম না। আমি কি নরেন্দ্র সেনকে টেলিগ্রাম করবো? মৈত্রেয়ীকে লিখবো?

    আমি বুঝতে পারছিলাম মৈত্রয়ী এই ভুলটা আমার জন্যই করেছে! খোকা যে চিঠিগুলো আমায় এনে দিয়েছিল, সেগুলো সব যদি খুটিয়ে পড়ে দেখতাম! হয়তো তার মধ্যে ওর কোনো প্ল্যান লেখা ছিল! আমার ভেতরটা জ্বলে যাচ্ছে, ছিড়ে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে….। আমি সব কিছু লিখে রাখবো, সমস্ত কিছু।

    ….উত্তেজনার বশে আমি কোথাও একটা বিরাট ভুল করে বসিনি তো? আমার ভালোবাসার মূল্যবোধ নিয়ে আমায় কেউ বোকা বানায়নি তো? কেন আমি বিচার বিবেচনা না করে সবকিছু বিশ্বাস করতে গেলাম! কী জানি আমি কতদূর জানি?

    আমার প্রচণ্ড ইচ্ছে করতে রাগলো মৈত্রেয়ীকে একবার অন্তত চোখের দেখা দেখি, কিন্তু……

    ***

    জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ১৯৩৩

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমোকছুদুল মোমিনিন বা বেহেশতের পথ
    Next Article মোতাহের হোসেন চৌধুরীর নির্বাচিত প্রবন্ধ সংকলন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }