Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লা নুই বেঙ্গলী – মির্চা এলিয়াদ

    মির্চা এলিয়াদ এক পাতা গল্প263 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লা নুই বেঙ্গলী – ৮

    ৮

    কয়েকদিন পরে এক বিকেলে হঠাৎই আমার সঙ্গে হ্যারন্ডের দেখা। ওকে ওর স্বভাবের তুলনায় কম ছটফটে লাগছিল, কিন্তু চোখে সেই শয়তানির অভাব ছিল না।

    -যা শুনছি সেটা কি সত্যি অ্যালেন? তুই কি মিঃ সেনের মেয়েকে বিয়ে করছিস?

    আমি লজ্জায় লাল হয়ে গেলাম। ঠাট্টা-ইয়ার্কিতে ব্যাপারটা উড়িয়ে দেবার চেষ্টা করলামও। বেকায়দায় পড়লে যা আমি সচরাচর করে থাকি। হ্যারল্ড আমার ইয়ার্কিতে কোনো কানই দিলো না, বরং জানালো, সে খবরটা অফিস থেকেই পেয়েছে। একটা পিকনিক করার জন্য আমার খোঁজে ও আমাদের অফিসে গিয়েছিল। ও আরও জেনে এসেছে যে, এর জন্য আমি নাকি ধর্মত্যাগ করে হিন্দু হচ্ছি। ও নিজে গীর্জায় যেতো যুবতী মেয়েদের দেখার জন্য। বিশেষ করে সুন্দরী আইরিনকে। কিন্তু আমার ব্যাপার শুনে ওর আমার প্রতি তীব্র ঘৃণা ও লুকোতে পারলো না। হ্যারল্ড জানালো নরেন্দ্র সেন একটি শয়তান এবং আমাকে যাদু করা হয়েছে। আমায় উপদেশ দিলো গীর্জায় পাঁচ টাকা জমা দিয়ে আমার জন্য বিশেষ করে প্রার্থনার ব্যবস্থা করতে। আমি রেগে ওর সঙ্গে কথা বন্ধ করে দেবো, ঠিক করলাম।

    -আর সবাইকার খবর কী?

    —সবাই তোর জন্য দুঃখ করে। ভবানীপুরে গিয়ে তুই বিস্তর পয়সা জমাচ্ছিস। থাকা, খাওয়ার খরচা নেই, বাইরেও বেরোস না। সারাদিন কি করিস?

    –রিজিওনাল ম্যানেজারের পোস্টে অ্যাপ্লাই করবো। বাংলা না জানলে হবে না, তাই বাংলা শিখছি।

    হ্যারল্ড আমার কাছে পাঁচ টাকা ধার চাইলো সন্ধ্যায় Y.M.C.A-তে বলড্যান্সে-এ যোগ দেবার জন্য।

    —তুই যাবি না?—জিজ্ঞাসা করলো হ্যারল্ড।

    আমার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা হয়নি। ওয়েলেসলী ষ্ট্রীট বা রিপন স্ট্রীটে থাকা দিনগুলোতে যে অমূল্য সময় আমি নষ্ট করেছি তা পূরণ করা আর সম্ভব নয়। আমি হ্যারল্ডকে লক্ষ্য করছিলাম। ওর কালচে মুখ, পিটপিটে চোখ, এই সেই সঙ্গী যার সঙ্গে আমি বহু সন্ধ্যা, রাত্রি নষ্ট করেছি মেয়েদের পেছনে ঘুরে। আমার বর্তমান জীবন এত শুদ্ধ আর পবিত্র যে ওকে আমার একজন অচেনা মানুষ বলে মনে হচ্ছিল। ও আমার বর্তমান ঠিকানা টুকে নিলো এবং কথা দিলো খুব শীঘ্রই আমার সঙ্গে দেখা করবে—নিশ্চয়ই কিছু টাকা হাতাবার মতলবে।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বুক শেল্ফ
    বই
    Book
    উপন্যাস সংগ্রহ
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বিনামূল্যে বই

    বাড়ি ফিরে এসে দেখলাম সমগ্র পরিবার চায়ের টেবিলে! মন্টু, মন্টুর বৌ লীলু, খোকা আর তার দুই বোন যাদের আমি কদাচিৎ দেখেছি। হ্যারন্ডের সঙ্গে আমার কথাবার্তা ওদের আমি অকপটে জানালাম, এবং এই শহরে অন্যান্য ইওরোপীয়ান এবং অ্যাংলো ইন্ডিয়ানরা যে জীবনযাত্রা নির্বাহ করে, যে জীবন আমি নিজেও কাটিয়েছি, তার প্রতি আমার বিতৃষ্ণার কথাও প্রকাশ করলাম। আমার কথা শুনে ওরা মুগ্ধ হয়ে গেল। মেয়েরা আমায় চোখ দিয়ে গিলছিল, আর দুর্বোধ্য কথ্য ভাষায় নিজেদের মধ্যে সম্ভবত আমার প্রশংসা করছিল। মন্টু তার অভ্যাস মতো চোখ বুজে আমার করমর্দন করলো। একমাত্র মিঃ সেন, উৎসাহের প্রাবল্য দেখে কিনা জানি না, তাঁর অভ্যাসমত ডিটেকটিভ উপন্যাস হাতে নিয়ে নিজের ঘরের দিকে রওনা দিলেন।

    মৈত্রেয়ী, খোকা আর লীলুর সঙ্গে আমি ছাদের দিকে গেলাম। মাথায় একটা বালিশ দিয়ে কার্পেটে শুয়ে পড়লাম এবং আরামে সন্ধ্যার অপেক্ষা করতে লাগলাম। আমার চটি আমার পায়েই ছিল। পায়ের ওপর পা শূন্যে নাড়াতে নাড়াতে একঘেয়ে লাগার জন্য আমি পাঁচিলের ওপর পা দুটো ভর দিয়ে রাখলাম। গত কয়েক মাসে আমি এদেশী ভদ্রতার রীতিনীতি অনেক শিখে ফেলেছিলাম। যেমন কারো গায়ে পা লেগে গেলে, আমাকে ঝুঁকে ডান হাত দিয়ে পা ছুঁয়ে মাথায় ছোঁয়াতে হবে, এই রকম নানান কিছু। সেই জন্যই পাঁচিলে পা রাখার সময় আমি একটু ইতস্তত করছিলাম। ঠিক সেই সময় আমার নজরে এলো লীলু মৈত্রেয়ীর কানে কানে কিছু বলছে। মৈত্রেয়ী আমায় বুঝিয়ে দিলো লীল বলছে আপনার পা দুটো খুব সুন্দর। মৈত্রেয়ীর দৃষ্টিতে ঈর্ষা আর দুঃখ দুইই মিশে ছিল। লজ্জায় এবং আনন্দে আমি লাল হয়ে গেলাম। আনন্দ, কেননা আমি নিজেকে কুৎসিত মনে করতাম আর সেজন্য আমার দৈহিক রূপের কেউ একটু প্রশংসা করলেই আমি মোহিত হয়ে যেতাম। আমি উত্তরে সঠিক কী বলেছিলাম মনে নেই। তবে এটুকু মনে পড়ছে যে আমি বলতে চেয়েছিলাম, পায়ের সৌন্দর্যের কোনো গুরুত্ব আমাদের অর্থাৎ সাহেবের কাছে অন্তত কিছুই নেই, কেননা ওটা আমাদের দেশে ঢাকাই থাকে প্রায় অধিকাংশ সময়ই।

    আরও দেখুন
    বই
    বুক শেল্ফ
    Book
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা উপন্যাস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    অনলাইন বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    মৈত্রেয়ী শুনে খুশি হলো।

    –আমাদের এখানে কিন্তু ব্যাপারটা অন্যরকম। আমরা খালি পায়ে পা ঘষে দিয়ে আমাদের আদর জানাই। দেখুন, এই রকম……

    মৈত্রেয়ী শাড়ি একটু তুলে নিয়ে নগ্ন পায়ে লীলুর দিকে এগোলো। লীলু তার পায়ের পাতা দিয়ে মৈত্রেয়ীর পায়ে চাপ দিচ্ছিল আর আলতো করে বুলিয়ে দিচ্ছিলো। মৈত্রেয়ীকে দেখে মনে হচ্ছিল একটা মানুষ চুম্বনে যে রকম তৃপ্তি পায় প্রায় সেই রকম আরাম উপভোগ করছে। শিহরণে কেঁপে কেঁপে উঠছিল। পায়ের গোড়ালি দিয়ে লীলু মৈত্রেয়ীর পায়ের ডিম অবধি ঘষছিল, আবার মাঝে মাঝে জোরে চেপে ধরছিল পায়ের তলায় নিজের পায়ের পাতা, পা দিয়ে পা জড়িয়ে ধরছিল। দুটো নারীর মধ্যে পরস্পরের প্রতি এই ব্যবহার আমার ভাল লাগছিল না। হিংসাও যে হচ্ছিল না তা নয়।

    হঠাৎ মৈত্রেয়ী পা সরিয়ে নিয়ে খোকার কালো মোটা পায়ের ওপর রাখলো। আমি দেখলাম খোকার রোদে-পোড়া পীচে-ঝলসানো নোংরা পা অনায়াসে মৈত্রেয়ীর শরীরের মিষ্টি স্পর্শ পাচ্ছে। একটা কুকুরকে আদর করার সময় সে যেরকম করে, খোকার ভঙ্গি ছিল হুবহু সেই রকম। দুঃখের বিষয় সেই সময় মৈত্রেয়ীর মুখটা ছিল আমার দিকে পেছন করা। আমি দেখতে চাইছিলাম, ওই যুবকটির সঙ্গে শরীর সংযোগে মৈত্রেয়ীর ইন্দ্রিয় কতটুকু সুখ পাচ্ছে; কারণ ওর শরীরের শিহরণ আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম। মাঝে মাঝেই ও প্রবল শব্দে হেসে উঠছিল ওই ইতর ক্লাউনটার ঠাট্টা- ইয়ার্কিতে। ঐ হাসির মধ্যে আমি শুনতে পাচ্ছিলাম আত্মসমপর্ণের আর দখলিকৃত হবার বাসনার নিঃশব্দ ইঙ্গিত।

    আরও দেখুন
    বই
    বুক শেল্ফ
    Book
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা বই
    Library
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ভাষা

    অনেকবার আমি ভেবেছি শরীর দখলের এই যে পদ্ধতি এটা কি শোধরানো যায় না? রুচিপূর্ণ, সভ্য, মার্জিত এবং নিত্য নতুন। বুদ্ধি, সুক্ষ্ম চিন্তা, ভঙ্গির বিনিময়ে প্রকাশে কি বোঝানো সম্ভব নয় আত্মসমর্পণ? সবচেয়ে পাগল করা দৈহিক মিলন তার আগে কি কোনোভাবেই সম্ভব?

    সেই সন্ধ্যার পর, অনেক দিন ধরেই আমার একটা অদ্ভুত হিংসা হতো প্রত্যেকটা লোকের ওপর, যারা প্রায়ই নরেন্দ্র সেনের বাড়িতে আসতেন। সুন্দর সুন্দর যুবকেরা; কেউ কবি, কেউ গায়ক– মৈত্রেয়ী যাদের সঙ্গে গল্প করতো, হাসতো। আমি মন্টু, খোকা ওদেরও হিংসা করতাম। বিশেষ করে খোকা। যে মৈত্রেয়ীর সম্পর্কে কাকা এবং সেই সুবাদে যখন ইচ্ছে ওর হাত ধরা, কাঁধ চাপড়ানো, চুল ধরে টানবার অধিকার ভোগ করতো। ওকে আমার বাস্তবিকই একজন প্রতিদ্বন্দ্বী বলে মনে হতো। কিন্তু মৈত্রেয়ী ছিল সম্পূর্ণ উদাসীন। আমি অচিন্ত্যকেও হিংসা করতাম। ওই কবির সঙ্গে মৈত্রেয়ীর আলাপ হয়েছিল একবারই মাত্র, তার সঙ্গে ওর শুধু টেলিফোনেই কথাবার্তা হতো। অচিন্ত্যবাবুর পত্রিকা ‘প্রবুদ্ধ ভারত’-এ কবিতা পাঠাতো মৈত্রেয়ী। হিংসা করতাম এক গণিতজ্ঞকেও, যিনি খুবই কম আসতেন, কিন্তু তাঁর সম্পর্কে মেত্রেয়ীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা আমার মনে জ্বালা ধরিয়ে দিতো। মৈত্রেয়ী স্বীকারও করেছিল যে বিখ্যাত ব্যক্তিদের প্রতি ওর একটা দুর্বলতা আছে। তবে সবচেয়ে হিংসা করতাম ওর এই গুরু, বন্ধু, পথপ্রদর্শক কবি রবীন্দ্রনাথকে। ওকে একদিন যতখানি সূক্ষ্মভাবে সম্ভব বলেও ছিলাম যে ও এইভাবে আত্মসত্তা বিকিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু ও এত সরলভাবে বিস্ময় নিয়ে আমার দিকে তাকালো যে আমি বাধ্য হলাম পিছিয়ে আসতে।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বুক শেল্ফ
    বই
    Book
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    Books
    অনলাইন বুক
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই পড়ুন

    মৈত্রেয়ীর সঙ্গে খোকার সেই আচরণ আমাকে অনেকদিন ধরে পীড়া দিয়েছিল। সেই সন্ধ্যার কথা ভাবতাম আসন্ন সন্ধ্যার আকাশে একটা দুটো করে ফুটে ওঠা তারাগুলো দেখতে দেখতে। ওদের কথাবার্তা কথ্য বাংলায় চলার ফলে অতি সামান্যই আমি বুঝতে পারতাম। তাছাড়া—মৈত্রেয়ীর হাসিই আমাকে সবচেয়ে বেশি বিচলিত করেছিল। খোকার প্রতিটি মন্তব্যে ওর ওই উচ্চৈঃস্বরে হাসি আর বিচিত্র মুখভঙ্গি আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। মৈত্রেয়ী আমার মনের ভাব অনুভব করতে পেরেছিল, আর সেই জন্যই সে জিজ্ঞাসা করেছিল আমি খুব ক্লান্ত বোধ করছি কি না, অবসর সময়ে অর্থাৎ অফিসের পরে ওর বাবার লাইব্রেরির ক্যাটালগ তৈরির কাজে ওকে সাহায্য করতে পারবো কি না, এবং সেই সুযোগে আমরা দুজনে যে আলাদা গল্প করতে পারবো, এই ইঙ্গিতও দিয়েছিল।

    ঐ ক্যাটালগের ব্যাপারটা সম্পর্কে আমি আগে কিছু জানতাম না। শুনেছিলাম নরেন্দ্র সেনের লাইব্রেরিতে প্রায় হাজার চারেক বই আছে। পরে শুনলাম উনি সব ‘বই’-এর একটা সুশৃঙ্খল তালিকা করে ছাপিয়ে রাখতে চান, যাতে ওঁর মৃত্যুর পর উনি বইগুলো কোনো কলেজকে দান করে যেতে পারেন। তাঁর ওই পরিকল্পনা আর হাস্যকর মনে হলেও আমি সম্মত হয়েছিলাম। ও বলেছিল—বাবার সাহস হচ্ছে না আপনাকে অনুরোধ করতে। উনি ভয় পাচ্ছেন যে এতে আপনার সময় নষ্ট হবে। আমি একটা মেয়ে, কোথাও যাই না, বাড়িতে সামান্যই কাজ থাকে। তাই আমাকে …….

    আরও দেখুন
    বই
    গিফ্টের বাস্কেট
    Book
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন বই
    বাংলা উপন্যাস
    বই পড়ুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    আমার মনে পড়ছে প্রথম সুযোগেই ভেবে চিন্তে মতামত না দেওয়ার জন্য নিজের ওপর রাগ হচ্ছিল। বুঝতে পেরেছিলাম বেশ কিছুটা সময় আমার এখানে নষ্ট হবে। তাছাড়া ভয়ও করছিল, আবার না আমাদের সেই পুরনো খেলা শুরু হয়ে যায়।

    পরের দিন চা খাবার আগে দেখি লাইব্রেরির দরজায় মৈত্রেয়ী আমার জন্য অপেক্ষা করছে।

    —আসুন, আমি যতটুকু করতে পেরেছি আপনাকে দেখাই।

    টেবিলের ওপর গোটা পঞ্চাশেক বই কাত করে সাজানো, যাতে নামগুলো সহজেই পড়া যায়। —আপনি এই পাশ থেকে শুরু করুন, আমি উল্টো দিক থেকে শুরু করছি। দেখি কোন বইটাতে এসে আমরা মুখোমুখি হই।

    ওকে খুব বিচলিত লাগছিল। ওর ঠোঁট কাঁপছিল, আর প্রায়ই আমার দিকে তাকাচ্ছিল। আমি লেখবার জন্য বসলাম, কিন্তু কেবলই একটা বিপদ ঘটার পূর্বাভাস পাচ্ছিলাম। মনে হচ্ছিল আবার আমাদের মধ্যে পুরনো সম্পর্ক জেগে উঠতে চলেছে। চিন্তা হচ্ছিল, এইভাবে কি ওর হৃদয়ের গভীরে আলোকপাত করা সম্ভব হবে? খুব হালকাভাবেই আমি আমার এই অনুভূতির কথা ভাবছিলাম। লিখতে লিখতে নিজেকেই প্রশ্ন করছিলাম, আমি কি ওকে এখনো ভালোবাসি? বোধ হয় না, ওকে ভালোবাসার আমি অলীক কল্পনা করেছিলাম মাত্র। আবার বুঝতে পারলাম, ওর বন্য মোহিনী শক্তিই আমাকে আকর্ষণ করে। নিজের সম্পর্কে আমার পরিষ্কার ধারণা হয়েছিল যে আমি শুধুই মোহগ্রস্ত প্রেমিক নই! কিন্তু ঘটনাগুলোর প্রারম্ভে আমার চেতনা যখন স্বচ্ছ ছিল তখন আমার এই সব কিছু মনে হয়নি। মনে হয়েছিল এটাই বাস্তব।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বই
    গিফ্টের বাস্কেট
    Book
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    PDF
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বই

    অন্যমনস্ক হয়ে একটা বই নিতে গিয়ে হঠাৎ আমার হাত মৈত্রেয়ীর হাতের ওপর পড়লো। আমি দ্রুত হাত সরিয়ে নিলাম।

    —আপনি কোন বই অবধি এলেন?

    আমি ওকে বইটা দেখালাম। ঠিক ওই বইটার আগের বই অবধিই ও এসেছিল। বইটা ছিল Wells- ‘Tales of the unexpected’ |

    ও যুগপৎ বিস্মিত এবং আনন্দিত হলো। বললো, দেখেছেন! নিশ্চয়ই কোনো অদৃশ্য শক্তি আমাদের নিয়ন্ত্রণ করছে।

    উত্তরে আমি মৃদু হাসলাম। বাস্তবিক আমিও অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এই আকস্মিকতায়। টেবিলের ওপর রাখা বইগুলোর নামগুলো থেকে ইচ্ছে করলে অর্থ বার করা যেতেই পারে। যেমন ‘স্বপ্ন’ ‘আমাকে তোমার সঙ্গে নাও’ ‘সাহায্যার্থে’ ‘কিছুই নতুন নয়’ ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি এমন একটা উত্তর ভাবছিলাম যার একাধিক অর্থ হতে পারে, কিন্তু সেই সময় ছবু আমাদের চা খেতে যাবার জন্য ডাকলো। খুব ভালো লাগছিল। আমরা পরস্পরের দিকে গাঢ় দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিলাম।

    আরও দেখুন
    Book
    গিফ্টের বাস্কেট
    বুক শেল্ফ
    বই
    বই পড়ুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    চা খেতে বসে আমি দারুণ উৎসাহে কৃষ্ণ ও বৈষ্ণবধর্ম সম্পর্কে বলতে শুরু করলাম। আমি এত আন্তরিকতার সঙ্গে চৈতন্যদেবের জীবন ও বিশ্বাস সম্পর্কে বলছিলাম যে মিসেস সেন আমার কাছে এসে বসলেন। ক্রমশ তাঁর চোখ জলে ভরে এলো।

    –তোমাকে একজন প্রকৃত বৈষ্ণব মনে হচ্ছে।

    এই প্রশংসায় আমার যে কী আনন্দ হলো তা ভাষায় বর্ণনা করতে পারবো না। আমি উত্তর দিলাম, বৈষ্ণব ধর্মকে আমি সব ধর্মের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মনে করি। এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গেই একটা বিতর্ক শুরু হলো। মন্টুই আমার সঙ্গে তর্ক করতে শুরু করলো। মৈত্রেয়ী মনোযোগ দিয়ে শুনছিল, তারপর হঠাৎ সে বলে উঠলো—তোমরা ধর্ম সম্পর্কে কি জানো?

    প্রচন্ড উত্তেজিত হয়ে উঠেছিল মৈত্রেয়ী। আমি হতভম্ব হয়ে গিয়ে কী উত্তর দেবো বুঝতে পারছিলাম না। মন্টু ওকে শান্ত করার চেষ্টা করতে লাগলো। মৈত্রেয়ী দৌড়ে লাইব্রেরির দিকে চলে গেল। আমি স্তব্ধ হয়ে চা শেষ করলাম।

    সবাই কেমন চুপ করে গেল। আমি আমার ঘরে ফিরে গেলাম। কয়েকটা চিঠি লেখার ছিল, সেগুলো নিয়ে বসলাম। কিন্তু মন বসলো না। একটা অস্থিরতা আমায় কষ্ট দিচ্ছিল; মনে হলো মৈত্রেয়ীর সঙ্গে কথা বলা দরকার। আমি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এলাম।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বই
    বুক শেল্ফ
    Book
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা কবিতা
    PDF
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    সেদিনটা ছিল একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। আমার ডায়েরির অংশ তুলে দিলাম :

    আমি ওকে দেখলাম চোখের জলে বিপর্যস্ত অবস্থায়। আমি বললাম, আমাকে এখানে আসতে বলা হয়েছে বলেই এসেছি। এ কথায় ও খুবই আশ্চর্য হয়ে গেল। আমি পাঁচ মিনিট সময় চাইলাম যাতে আমার চিঠিটা শেষ করে আসতে পারি। ঘর থেকে ফিরে এসে দেখলাম টেবিলের সামনে একটা আরাম চেয়ারে বসে ও ঘুমচ্ছে। আমি ওকে জাগালাম, ও চোখ বড় বড় করে জেগে উঠলো আমি ওকে এক দৃষ্টিতে লক্ষ্য করতে থাকলাম। ও বেশ উপভোগ করছিল আমার দৃষ্টি। মাঝে মাঝে শুধু জিজ্ঞাসা করছিল, কী হলো? কী হলো?

    তারপর একসময় চুপ করে আমার চোখে চোখ রেখে বসে রইলো। মন্ত্রমুগ্ধের মতো, রহস্যময় এক স্নিগ্ধ, মিষ্টি শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করে আমরা বসে রইলাম। সেই সময় আমার মনের মধ্যে কী হচ্ছিল তা আমার পক্ষে বর্ণনা করা অসম্ভব। দেহ মনে এক তীব্র উত্তেজনা বোধ করছিলাম, কিন্ত তা ছিল কোনোরকম যৌন-চেতনা বোধের ঊর্ধ্বে। এক স্বর্গীয় আনন্দের জগতে বিচরণ করছিলাম আমি। প্রথমে দৃষ্টিই যথেষ্ট ছিল, তারপরে হাতে-হাত রাখলাম আমরা। চোখের মিলনে ছেদ ঘটলো না। জোরে চেপে ধরলাম, আবার আদরে আলতো করে হাত বুলিয়ে দিলাম ওর দুটো হাতে। (আমি কিছুদিন আগেই প্রেম সম্পর্কে চৈতন্যদেবের ধারণা পড়েছিলাম, আর তাইই ব্যক্ত করতে চাইছিলাম)। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমি ওর হাতে চুম্বন করলাম। ও আনমনে নিজের ঠোঁট কামড়াচ্ছিল প্রবল উত্তেজনায়, কিন্তু তাও ছিল অতি পবিত্র। আমার প্রচন্ড ইচ্ছে করছিল ওর মুখে চুম্বন করতে, কিন্তু অনেক কষ্টে আমি নিজেকে সংযত রেখেছিলাম। আমাদের অবস্থানটাও খুব নিরাপদ ছিল না। সিঁড়ি দিয়ে নামার পথে যে কেউ আমাদের দেখতে পাবার সম্ভাবনা ছিল। ওকে আমি একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমাদের মিলনে বাধা কিসের। ওর একটা শিহরণ দেখা দিলো এই প্রশ্নে। আমি ওকে রাগিয়ে দেবার জন্যে কবির শেখানো মন্ত্র দুবার উচ্চারণ করতে বললাম যাতে ওকে কোনো অশুচিতা স্পর্শ না করতে পারে। ও আমার কথা শুনলো, কিন্তু শুনে ওর কোনো ভাবান্তর ঘটলো না। পরিষ্কার বুঝতে পারছিলাম যে যা ঘটেছে তা প্রেম, দৈহিক পবিত্রতা বজায় রেখেও তা প্রেমই।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বুক শেল্ফ
    Book
    বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কমিকস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    গ্রন্থাগার

    আমার স্পর্শ এবং দর্শন দিয়ে অতিপ্রাকৃত স্তরে পৌঁছনোর অভিজ্ঞতা হলো। দুঘন্টা ধরে চলেছিল আমাদের এই অভিজ্ঞতার পর্ব। স্থির বিশ্বাস জন্মেছিল যে কোনো দিন, যে কোনো সময় আমরা আবার ওই খেলায় মগ্ন হতে পারবো।

    এরপর ও আমায় অনুরোধ করলো চটি খুলে ওর পায়ে পা ঠেকাবার জন্য। আমি জীবনে ভুলতে পারবো না আমার সেই প্রথম স্পর্শের অনুভূতি। এই স্পর্শ আমাকে ভুলিয়ে দিলো আমার সব হিংসা, সবার প্রতি আমার ঈর্ষা, যার জন্য এতদিন আমি ভিতরে ভিতরে কষ্ট পাচ্ছিলাম।

    আমি বুঝতে পারছিলাম মৈত্রেয়ী ওর পায়ের পাতা, ওর পা সমর্পণের মধ্য দিয়ে ও নিজেই আমার কাছে আত্মসমর্পণ করছে। সেই মুহূর্তে ভুলে গেলাম ছাদের সেই ঘটনা। মনে হলো এই প্ৰথম, শুধু আমাকেই ও এই সৌভাগ্য প্রদান করলো। আমি পায়ের পাতা ওর হাঁটুর পেছন অবধি তুলে দিয়ে সেই মায়াময় কোমলতা, উষ্ণতা অনুভব করলাম। মনে মনে ভাবলাম আমিই প্রথম পুরুষ যে অতখানি স্বাধীনতা ভোগ করলো। পা দিয়ে ওর পা জড়িয়ে ধরলাম। এইভাবে যে আমরা কতক্ষণ সময় কাটালাম তা বলতে পারবো না। মনে করতে পারি না সেই সময়ে আর কিছু করেছিলাম কিনা, তবে মৈত্রেয়ীর মনের স্বরূপ আমি অনুধাবন করতে পারলাম। ছ-ছটা মাস আমি অর্থহীন জেদে হারিয়ে ফেলেছি। আজ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারলাম ও আমার সম্পূর্ণ অধিকারে।

    আরও দেখুন
    বই
    বুক শেল্ফ
    Book
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ভাষা
    Books
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা গল্প

    আমি যে ওকে ভালোবাসি একথা হয়ত ওকে স্পষ্ট করে জানাইনি, কিন্তু আমার মনে হতো আমাদের দুজনের অনুভূতির কাছেই ব্যাপারটা সম্পূর্ণ সুস্পষ্ট ছিল। ওর প্রত্যেকটা ভঙ্গির মধ্যেই আমি খুঁজে পেতাম সমব্যাথিত্ব, সহমর্মিতা এবং ভালোবাসার এক নিঃশব্দ বাণী। আমি বিশ্বাস করতাম না যে ও আমাকে ভালোবাসে না এবং ওর প্রতি আমার ভালোবাসায় ওর আস্থা নেই। তাই যখনই ও সামান্য অন্যরকম ব্যবহার করতো বা আমাদের মিলনের কথা বললেই মুখে হাত চাপা দিতো, কিম্বা গুরুতর অবস্থায় চোখে মুখে আতঙ্ক নিয়ে চুপ করে থাকতো, আমি দুশ্চিন্তার শিকার হতাম। এসব সত্ত্বেও আমার মনে হতো ওর পরিবারবর্গের সঙ্গে আমাদের বিয়ের ব্যাপারে কথাবার্তায় মৈত্রেয়ীও যোগ দিতো এবং তাদের উৎসাহিত করতো।

    একদিন আমি যখন বললাম যে ওকে আমি ভালোবাসি, ও তখন দুহাত দিয়ে চোখ ঢাকা দিলো। আমার কথার প্রতিক্রিয়া যে কি হলো আমি সঠিক বুঝতে পারলাম না। আমি যখন উষ্ণ আন্তরিকতা নিয়ে ওর দিকে এগিয়ে গেলাম বাংলায় কয়েকটা ভালোবাসার কথা বলার জন্য, ও উঠে পড়লো। আমাকে একজন সদ্য পরিচিতের মতো ভাব দেখিয়ে বললো-আমায় ছেড়ে দিন। আমি বুঝতে পারছি আপনি আমায় ঠিক বুঝতে পারেননি। আমি আপনাকে ভালোবাসি বন্ধুর মতো, একজন ভীষণ প্রিয় বন্ধুর মতো। আমি আপনাকে অন্যভাবে দেখতে পারি না। আর দেখতে চাইও না….

    আরও দেখুন
    Book
    বুক শেল্ফ
    গিফ্টের বাস্কেট
    বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কমিকস
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    —কিন্তু মৈত্ৰেয়ী, এখন আর এটা নিছক বন্ধুত্ব নয়, এটা ভালোবাসা, প্রেম…

    আমি হঠাৎই আমার উপস্থিত বুদ্ধি ফিরে পেয়েছিলাম।

    —আত্মা, মন অনেক রকম ভালোবাসার অস্তিত্ব স্বীকার করে

    —সত্যি কথা। কিন্তু আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমাকে আমার প্রেমিকা হিসেবে পেতে চাই। তুমিও তা জানো। আর এটা থেকে তুমি নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করছো কেন? আমরা পরস্পরকে ছেড়ে থাকতে পারবো না। এই সত্য ঢাকবার জন্য আমরা নিজেদের যথেষ্ট যন্ত্রণা দিয়েছি। আমি তোমায় ভালোবাসি মৈত্রেয়ী, আমি তোমায় ভালোবাসি।

    আমি কথাগুলো বলছিলাম একটা বাংলা বাক্যের সঙ্গে পাঁচটা ইংরেজী বাক্য মিশিয়ে।

    —আপনার নিজের ভাষায় কথাগুলো আবার বলুন।

    এলোমেলোভাবে মাথায় যে ভাবে এলো, কথাগুলো আমি ফরাসীতে আবার বললাম। সন্ধ্যা পার হয়ে গিয়েছিল অনেক আগে। সবে ঘরে আলো জ্বালা হয়ে গিয়েছিল। লাইব্রেরিতেও আলোর প্রয়োজন অনুভব করছিলাম। বললামও সে কথা। ও উত্তর দিলোনা ছেড়ে দিন। দরকার নেই।

    -কেউ এসে পড়লে? আমাদের দুজনকে যদি কেউ এভাবে অন্ধকারে দেখে, তখন?

    —বয়ে গেছে আমার। আমরা ভাই-বোনের মতো রয়েছি এখানে।

    আমি না বোঝার ভান করলাম। ওকে আদর করার জন্য ওর কাছে এগিয়ে গিয়ে ওর হাত দুটো ধরলাম। ও আমায় জিজ্ঞাসা করলো—কেন তুমি মাঝে মাঝে এইরকম অবুঝ হয়ে ওঠো?

    ওর কন্ঠস্বরে প্রশ্রয় আর হাল্কা হাসির আমেজ ছিল। আমি নিজের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রেখে উত্তর দিলাম—কারণ তুমি মাঝে মাঝেই এমন বোকামি করো, যার কোনো অর্থ হয় না।

    মৈত্রেয়ী নিজের হাত দুটো আমার হাত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে শুরু করলো কাঁদতে। আর তারপরে লাইব্রেরি ছেড়ে চলে যাবার উপক্রম করলো। ওকে যেতে না দেবার জন্য ওর চুলের মধ্যে মুখ ডুবিয়ে খুব নিচু স্বরে ওকে আমি আশ্বস্ত করার চেষ্টা করলাম। তুমি অমন করে কেঁদো না। ওকে বললাম আর ওর শরীরের স্নিগ্ধ সৌগন্ধ, কুমারী তনুর উষ্ণতায় আমার সংযম হারিয়ে যাচ্ছিল। আমি ক্রমশ ওকে আমার শরীরের সঙ্গে জোরে চেপে ধরছিলাম। আমার আলিঙ্গনের মধ্যে ও ছটফট করতে লাগলো। অস্ফুট স্বরে বলছিল না না! …ওর কথা শুনে ভয় করছিল আমার। যে কেউ ওর কন্ঠস্বর শুনে ফেলতে পারে এই ভয়ে আমি ওকে ছেড়ে দিলাম। ও কিন্তু ঘর ছেড়ে চলে গেল না। দরজার দিকে না গিয়ে ও জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়ালো। রাস্তার গ্যাসপোস্টের স্বল্প আলো ওই জায়গাটায় এসে পড়েছে। ওর চোখ, এলোমেলো চুল, কামড়ে-ধরা ঠোঁট আমার শরীরে শিহরণ এনে দিচ্ছিল। অদ্ভুত এক আতঙ্ক আর আকর্ষণ-মিশ্রিত দৃষ্টি নিয়ে ও আমার দিকে তাকিয়ে ছিল শুধু। একটা কথাও বলতে পারছিল না। আমি ওর দিকে এগিয়ে গেলাম। জড়িয়ে ধরলাম। দুহাত দিয়ে ওর মুখটা তুলে নিয়ে চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিলাম। তীব্র আবেগ আর উন্মত্ততায় দিশেহারা তখন আমি। আমি ওর ঠোটে চুমু খেলাম। ভেজা ভেজা, ফুলের মতো কোমল, আর সৌগন্ধযুক্ত এই ঠোঁট আমি কোনোদিন চুম্বন করতে পারবো ভাবতেও পারিনি। প্রথমে ও ওর নিবিড় ঠোঁট দুটিকে গুটিয়ে শক্ত করে রাখছিল, কিন্তু ক্রমশ ভেঙে গেল ওর প্রতিরোধ ক্ষমতা। পরিপূর্ণ মেলে ধরলো ওর আরক্তিম অধর। তারপরে চুমু খেলো আমার ঠোঁটে। আলতো করে কামড়েও দিলো দু-একবার। ও ওর শরীরের ভার আমার শরীরে এলিয়ে দিলো। আমি ওর সুগঠিত কোমল বুকের স্পর্শ আমার শরীরে অনুভব করছিলাম। অনুভব করতে পারছিলাম ওর সমস্ত শরীরের জ্যামিতিক বিন্যাস।

    জানি না কতক্ষণ আমরা এই অবস্থায় ছিলাম। একটা সময় যেন মনে হলো, মৈত্রেয়ী হাঁপাচ্ছে। আমি ওকে ছেড়ে দিলাম। আর সঙ্গে সঙ্গে ও একটা ভগ্নস্তূপের মতো মাটিতে পড়ে গেল। আমি ওকে টেনে তোলবার জন্য নিচু হলাম, কিন্তু ও আমার পা দুটো ছুঁয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললো, না না আমাকে তুমি ছুঁয়ো না। বলে আমাকে আবার নিজের মায়ের নাম, মিসেস সেনের নাম শপথ করালো। আমি চুপ করে রইলাম। তারপরে ও নিজে নিজেই উঠে পড়লো। চোখের জল মুছে, চুল ঠিকঠাক করে নিলো। কিন্তু আমাকে এড়াতে পারলো কী? এক দৃষ্টিতে আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে একটা গভীর নিঃশ্বাস ফেলে ও ঘর ছেড়ে চলে গেল।

    কী করবো। আমি আমার ঘরে ফিরে এলাম। ওকে আমি জয় করেছি। এই আনন্দ অনুভব করার সঙ্গে সঙ্গে এলো অনুতাপ এবং অনুতাপের পরে ভয়। অস্বীকার করবো না তখন এক প্রচন্ড ভয় আমাকে বিচলিত করলো। খেতে যাওয়ার আগে অবধি কিছুই করতে পারলাম না। কোনো কিছুতেই মন বসাতে পারলাম না। ভাবছিলাম খাবার টেবিলে ওর দিকে চোখ তুলে তাকাবার সাহস কি আমার হবে! এখন এই মুহূর্তে ও আমার সম্পর্কে কী ভাবছে! ভয় হচ্ছিল যদি ও ওর মার কাছে অথবা লীলুর কাছে সব বলে দেয়! আমি কিছুই ঠিক করতে পারছিলাম না। মৈত্রেয়ী খাবার টেবিলে এলো. না। খাওয়ার পর লীলু আমার দিকে এগিয়ে এসে বললো—আমাদের মহিলা কবি আপনাকে এই কাগজটা দিতে বলেছে।

    আমার দম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এক প্রচন্ড উত্তেজনা আর আতঙ্কে আমি যেন আমার হৃৎস্পন্দনের ধক্-ধক্ আওয়াজ পর্যন্ত শুনতে পাচ্ছিলাম। আমি কাগজটা খুললাম। যাতে কেউ না বুঝতে পারে, সেই জন্য ফরাসীতে লেখাঃ লাইব্রেরিতে এসো সকাল ছ-টায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমোকছুদুল মোমিনিন বা বেহেশতের পথ
    Next Article মোতাহের হোসেন চৌধুরীর নির্বাচিত প্রবন্ধ সংকলন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }