Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লিলি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প127 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপাঙক্তেয়

    অন্যদিন নেপাল ঘরে ঢুকতেই পাঁচুগোপাল বাচ্চাদের মতো চিৎকার করে ওঠেন, ‘‘কীরে ন্যাপলা, কাল রাতে ঘুম-টুম হয়েছিল?’’ নেপালের উত্তরের অপেক্ষা না করেই তারপর খ্যাকখ্যাক করে হেসে ওঠেন, ‘‘হুম, মুখ-চোখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে হয়নি৷ অবিশ্যি ঘুমের আর দোষ কি বাপু, অমন গো-হারা হারলে কি আর কারুর ঘুম হয়?’’

    কিন্তু আজ আর আগের দিনের দাবা খেলার হারজিত নিয়ে পাঁচুগোপাল কিছু বললেন না, বরং নেপালই দ্রুতপদে এগিয়ে এসে বললেন, ‘‘কী ব্যাপার গোপলা? জলখাবারটা খেয়ে আমি তো আসতামই, হঠাৎ ফোন করে এত জলদি তলব কেন? কী হয়েছে?’’

    পাঁচুগোপাল খবরের কাগজটা মুখ থেকে সরিয়ে গম্ভীরভাবে বললেন, ‘‘জলখাবার পরে হবে, আগে বোস, একটা অদ্ভুত ব্যাপার ঘটেছে৷’’

    পাঁচুগোপাল আর নেপালের বন্ধুত্ব সামনের আশ্বিনে পাক্কা পঞ্চান্ন বছরে পড়বে৷ সেই দশ বছর বয়সে হাই স্কুলে ভর্তি হবার দিন থেকে দুজনে অভিন্নহৃদয় বন্ধু, সেই বন্ধুত্ব জীবনের সময়নদী দিয়ে সহস্র ধারা জল বয়ে গেলেও অমলিন ও অক্ষুণ্ণ রয়েছে৷ স্কুল, স্কুল পেরিয়ে কলেজ, তারপর চাকরিজীবন, বিয়ে, সংসার, অবশেষে রিটায়ারমেন্ট, সব কিছুর মাঝেই দুজনের মানসিকতা, রুচি বহুদিক থেকে ভিন্ন হলেও চুম্বকের দুই বিপরীত মেরুর প্রবল আকর্ষণের মতোই রয়ে গেছেন তাঁরা৷ কাজেই দুজন দুজনকে যতটা ভালো চেনেন, তাঁদের নিজেদের স্ত্রীরাও বোধ হয় অতটা চেনে না৷

    নেপাল ভ্রূ কুঁচকোলেন৷ পাঁচুগোপাল এমনিতে রগুড়ে হলেও এখন মুখ দেখে মনে হচ্ছে ব্যাপারটা সিরিয়াস৷

    তিনি গলা নামিয়ে বললেন, ‘‘কী হয়েছে বল তো?’’

    পাঁচুগোপাল বলতে যাবেন, এমন সময় ঝড়ের বেগে ঘরে ঢুকল পিকু, পাঁচুগোপালের সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পাশ করা নাতি৷ ভারী ব্রিলিয়ান্ট ছেলে, আই আই টি-তে চান্স পেয়েছে সদ্য৷ তড়িঘড়ি উলটেপালটে ড্রয়িংরুমের আনাচেকানাচে কী খুঁজছিল, অবশেষে ক্রিকেট ব্যাটটা পেয়ে ঘর থেকে বেরোতে গিয়ে থমকে গেল, ‘‘আরে নেপালদাদু! কখন এলে!’’

    নেপাল হাসলেন, ‘‘এই তো! খেলতে বেরোচ্ছিস বুঝি? তোর ক্লাস কবে থেকে?’’

    পিকু হাসল, ‘‘হ্যাঁ খেলতে৷ এই তো সোমবার থেকে৷’’ পরক্ষণেই কী একটা মনে পড়ার ভঙ্গিতে একটু এগিয়ে এল, ‘‘নেপালদাদু, তোমরা তো সেলিব্রিটি হয়ে গেছ! কাগজে তোমাদের নিয়ে লেখা বেরোচ্ছে, বিশাল তো! দাদুর কাছে চাওয়া তো বেকার, তোমার কাছে ট্রিটটা ডিউ রইল কিন্তু!’’ উত্তরের অপেক্ষা না করেই পিকু বেরিয়ে গেল৷

    নেপাল হেসে মাথা নাড়লেন৷ পিকু ছেলেটা বেশ, নেপালকে ছোট থেকেই দাদু দাদু করে৷ কিন্তু সেলিব্রিটি না কী বলে গেল, সেই নিয়ে পাঁচুগোপালকে জিজ্ঞেস করতে যাবেন, এমন সময় পাঁচুগোপাল বললেন, ‘‘এই ব্যাপারটাই বলছি৷’’ সামনে থেকে একটা বাংলা নামী খবরের কাগজের রবিবারের ট্যাবলয়েডটা তুলে নিয়ে ওলটাতে ওলটাতে বিশেষ একটা পৃষ্ঠা খুলে নেপালের দিকে এগিয়ে দিলেন, ‘‘আগে এটা পড়ে দ্যাখ!’’

    নেপাল কাগজটা নিয়ে দেখলেন, একটা গল্প, না গল্প নয়, ধারাবাহিক একটা উপন্যাস রয়েছে সেই পৃষ্ঠাতে৷ আজই প্রথম পর্ব৷ তিনটে কিস্তিতে শেষ হবে এই উপন্যাস৷ লেখকের নাম ‘অপাংক্তেয়’৷ নেপাল যদিও গল্পের বইটই বিশেষ পড়েন না, তবু এই লেখকের নাম তিনি কস্মিনকালেও কোথাও দেখেননি এটা স্মরণ করতে পারলেন৷

    যার ছদ্মনামই এত খটোমটো, তার লেখা না জানি আরও কত কঠিন হবে! তিনি নিজে অঙ্কের মাস্টার ছিলেন, এত কঠিন বাংলা তাঁর কোনোকালে আসে না৷ তবু নেপাল দ্বিরুক্তি না করে পড়তে শুরু করলেন; পাঁচুগোপাল যখন একবার পড়ে দেখতে বলেছে, তখন হাজার জিজ্ঞেস করলেও তার আগে মুখ খুলবে না৷

    কিছুটা পড়তেই তাঁর মুখের অভিব্যক্তি নিজের অজান্তেই পালটে যেতে লাগল, দায়সারা মুখভঙ্গিটা উধাও হয়ে গিয়ে ভ্রূ কুঁচকোনো ভাবটা ফিরে এল৷ যত এগোচ্ছিলেন, তত সেই ভ্রূ কুঁচকোনো ভাবটাও চলে গিয়ে একটা অবাক ভাব জেগে উঠছিল৷

    পাঁচুগোপাল মন দিয়ে বন্ধুর মুখের এক্সপ্রেশনের পরিবর্তন লক্ষ করছিলেন৷ প্রায় মিনিট দশেক পরে নেপাল যখন কাগজটা থেকে মুখ তুললেন, তখন তাঁর হতবাক ভাবটা দেখে হেসে বললেন, ‘‘অবাক লাগছে তো? আমারও সেইরকমই মনে হয়েছিল৷’’

    নেপাল বিমূঢ়ভাবে বললেন, ‘‘এ তো হুবহু মিলে যাচ্ছে রে! নাম, জায়গা, স্কুল, এমনকি চেহারার বিবরণ পর্যন্ত!’’

    পাঁচুগোপাল মাথা নাড়লেন৷ ব্যাপারটা আপাতদৃষ্টিতে মজার লাগলেও মজার নয় মোটেই৷ আজ থেকে এই কাগজের রবিবারের পাতায় শুরু হয়েছে ধারাবাহিক একটা উপন্যাস, নাম ‘অমীমাংসিত’৷ লেখকের নাম ‘অপাংক্তেয়’৷ পাঁচুগোপাল নিজে নেপালের মতো নন, তাঁর সাহিত্যপ্রীতি বহুকালের৷ ইংরেজি-বাংলা বই, ম্যাগাজিন প্রতিটাই তিনি নিয়মিত পড়েন৷ তবু আজ সকালের ক্রসওয়ার্ড পাজলে এমন ডুবে গিয়েছিলেন, প্রথমে চোখে পড়েনি৷

    বউমা সুচরিতারও বইপত্রের দিকে ঝোক বেশ, তিনিই এসে বললেন, ‘‘বাবা, দেখেছেন? বর্ধমান নিয়ে লেখা তাই পড়তে শুরু করেছিলাম, ওমা পড়তে পড়তে দেখি এ যে আপনাদেরই কথা!’’

    পাঁচুগোপাল পড়তে শুরু করে তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন৷ শুধু যে তাঁর আর নেপালের বন্ধুত্ব নিয়ে লেখা তাই নয়, গল্পের দুই বন্ধুর নাম, তাদের স্কুল, তাদের গ্রাম, সমস্ত কিছু হুবহু এক! আর সবথেকে যেটা আশ্চর্যের সেটা হচ্ছে, তাঁদের মতো এটাও শুরু হচ্ছে দুই বন্ধুর ছোটবেলা থেকে শুরু হওয়া বন্ধুত্ব দিয়ে, তাঁদেরই গ্রামে!

    এখন পাঁচুগোপাল আর নেপাল দুজনেই বর্ধমান টাউনে বাড়ি করে চলে এলেও ছোটবেলাটা তাঁদের কেটেছে দামোদরের তীরে বনতীর নামে ছোট্ট এক গ্রামে৷ তখন তাঁদের গ্রামে কোনো স্কুল ছিল না, পাশের বামনিয়া গ্রামের স্কুলে অনেকদূর হেঁটে পড়তে যেতেন তাঁরা, তারপর বর্ধমান রাজ কলেজে এসে দুই বন্ধু ভর্তি হয়েছিলেন৷ এই উপন্যাসেও তাই!

    শুধু ওঁদের দুজনের নামধামই নয়, তাঁদের ছোটবেলার স্কুলে ঘটা নানান মজার ঘটনা, দুষ্টুমি সব কিছুই হুবহু মিলে যাচ্ছে এই লেখার সাথে৷ দামোদরের তীরে স্কুল পালিয়ে দিনভর নৌকার খোলে চড়ুইভাতি করা থেকে শুরু করে ইতিহাসের মাস্টারমশাই অনুকূলবাবুর ধুতিতে কালীপটকা বেঁধে দেওয়া, সবই এক!

    এতটা মিল কখনো কাকতালীয় হতে পারে?

    নেপালের প্রশ্নে পাঁচুগোপাল কিছুক্ষণ থুতনিতে হাত দিয়ে বসে রইলেন, তারপর বললেন, ‘‘সেটাই তো বলছি তোকে৷ এ-ব্যাপারে তো কোনো সন্দেহই নেই যে, যে লিখছে সে তোর-আমার শুধু পরিচিত নয়, ছোটবেলাটা তার আমাদের সাথেই কেটেছে৷ দ্যাখ, আজকের পর্বটা শেষ হয়েছে রাজ কলেজে ভর্তি হবার পর৷ এদিকে মুশকিল হয়েছে, বউমা সবাইকে বলে ফেলেছে এটা আমাকে নিয়েই লেখা, এখন তো পাড়ার সবাইকে ডেকে ডেকে দ্যাখাচ্ছে!’’

    নেপাল হঠাৎ কিছু একটা মনে পড়ার ভঙ্গিতে বললেন, ‘‘শোন, আমাদের ক্লাসের বিদ্যুৎ তো এখন বনতীর স্কুলেই পড়ায়, ওকে বরং একটা ফোন কর, আমাদের ব্যাচের কেউ লেখক-টেখক হয়েছে কিনা ও বলতে পারবে ভালো৷’’

    পাঁচুগোপাল একটু কিন্তু কিন্তু করে বললেন, ‘‘তুই কর, আমার সাথে ওর ঠিক সদ্ভাব নেই৷’’

    শুধু বিদ্যুৎ কেন, অনেকের সাথেই পাঁচুগোপালের বিশেষ সদ্ভাব নেই, তাঁর অসম্ভব কিপ্টেমি, সবজান্তা ভাব আর অতিরঞ্জিত করে কথা চালাচালি করা স্বভাবের জন্য৷ এই কারণে রিটায়ারের পর পাড়ার ক্লাবের নানা অনুষ্ঠানে প্রথম প্রথম ডাকাডাকি হলেও তাঁর এই স্বভাবের জন্য সেখানকার মেম্বারদের মধ্যে ঝামেলা লেগে যাচ্ছিল, শেষে পাঁচুগোপালবাবু বেরিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন৷ বছরদুয়েক আগে গ্রামের এক দুঃস্থ ছেলেমেয়েদের ট্রাস্টে বিদ্যুৎ কিছু সাহায্য করতে বলেছিল, পাঁচুগোপাল করেননি৷ সেই থেকেই মনোমালিন্য৷

    নেপাল কিন্তু এরকম একদমই নন, কী করে যে দুজনের বন্ধুত্ব এতকাল টিকল, এ অনেকের কাছেই এক আশ্চর্যের বিষয়৷

    বিদ্যুৎকে ফোন করে কিছুই লাভ হল না৷ তাঁদের ব্যাচের এরকম কোনো লেখকের সন্ধান সে দিতে পারল না৷ দুই বন্ধুর সেদিন আর দাবা খেলা বেশি জমল না৷

    খুঁতখুঁতে মন নিয়ে নেপাল বাড়ি চলে গেলেন৷

    পরের ছ-টা দিন মোটামুটি কাটল৷ পরের রবিবার ঠিক সকাল সাতটায় নেপালের বাড়ির দরজায় সজোরে কড়া নাড়লেন পাঁচুগোপাল৷ চোখমুখ লাল, চুল উশকোখুশকো, পরনে বাড়িরই লুঙ্গি, বগলে একটা খবরের কাগজ৷ নেপাল মুখে টুথব্রাশ নিয়ে দরজা খুলতেই হুড়মুড়িয়ে ঘরে ঢুকে ডুকরে চিৎকার করে উঠলেন পাঁচুগোপাল, ‘‘ন্যাপলা, এ তো যা ভেবেছিলাম, তার থেকেও সাংঘাতিক কেস রে! এ যে আমার মানসন্মান সব ধুলোয় গড়াগড়ি খাচ্ছে!’’

    পাঁচুগোপালকে কোনোমতে নিরস্ত করে বসিয়ে কিছুটা কাগজটা পড়ে আর কিছুটা পাঁচুগোপালের কথা শুনে নেপাল বুঝলেন, এটা সত্যিই আর হেলাফেলা করার বিষয় নয়, মারাত্মক আকার ধারণ করতে চলেছে৷ আজকের কাগজে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে পাঁচুগোপাল আর নেপালের রাজ কলেজে ভর্তি হওয়া দিয়ে৷ লেখাটা পড়লেই বোঝা যায়, লেখকের কলমের মুনশিয়ানা সাংঘাতিক৷ ছোটবেলার দুষ্টুমি, ছেলেমানুষি থেকে এই পর্বে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন কীভাবে বড় হবার সঙ্গে সঙ্গে পাঁচুগোপালের মধ্যে নেতিবাচক দিকগুলো প্রকাশিত হতে লাগল আর নেপালের মধ্যে ইতিবাচক৷ পাঁচুগোপাল প্রচণ্ড মিথ্যে কথা বলে, তার মধ্যে স্বাভাবিক মনুষ্যত্ব বলতে কিছুই নেই৷ তার নিষ্ঠুরতার প্রমাণ অনেক ছোট ছোট ঘটনায় দিয়েছেন লেখক৷

    তবে প্রতিটা ঘটনাই একশো শতাংশ সত্যি৷ পাঁচুগোপাল কলেজ থেকে ফেরার সময় একদিন একটা বুড়ো কুকুরের লেজ শুধু ইলেকট্রিক ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে দিয়েই ক্ষান্ত হননি, তার নাকে জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা পর্যন্ত দিয়েছিলেন৷ বেমালুম মিথ্যে বলে এক বন্ধুকে প্রায় কলেজ ছাড়ার উপক্রম করিয়েছিলেন৷ এই সব ঘটনাই নেপাল ভালো করেই জানেন৷ তখন প্রতিটা ব্যাপারেই তিনি পাঁচুগোপালকে অনেক বোঝাতেন, পালটাবার চেষ্টাও করেছিলেন, কিন্তু লাভ হয়নি বলাই বাহুল্য৷

    গল্পের নেপালও বন্ধুর এই বিপথগমন বুঝতে পেরেও সরে যায় না, অসীম ধৈর্য নিয়ে বোঝায়, তাকে পালটাবার চেষ্টা করে৷ কলেজ শেষে ঠিক তাঁদের দুজনেরই মতো গল্পের পাঁচুগোপাল পোস্ট অফিসে আর নেপাল স্কুলে ঢোকে৷ সেখানেও পাঁচুগোপাল নানারকম দুর্নীতিমূলক কাজকর্মে লিপ্ত হয়, কাউকে পছন্দ না হলে তার দরকারি চিঠি পর্যন্ত আটকে দেয়, অফিসে এর কথা ওর কাছে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বলে গণ্ডগোল পাকাতে থাকে প্রায়ই৷

    এই পর্যন্ত তবু ঠিক ছিল, কিন্তু এই দ্বিতীয় পর্বের শেষ তিনটি অনুচ্ছেদ পড়ে নেপালেরও বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল৷ তিনি হতবুদ্ধি হয়ে পাঁচুগোপালের দিকে তাকালেন, ‘‘এসব কী রে! এসব তো জানতাম না! তু-তুই কি সত্যিই এসব…..কে শোভনা!’’

    পাঁচুগোপাল ডুকরে কেঁদে উঠলেন, ‘‘ন্যাপলা, আমি এসব করলে তুই কি জানতে পারতিস না বল? আমার মরা বাপমায়ের দিব্যি খেয়ে বলছি ভাই, এসব আমি কিচ্ছু করিনি!’’

    পাঁচুগোপালের গলার শির ফুলছে ঘন ঘন৷ নিঃশ্বাস ওঠাপড়া করছে দ্রুত গতিতে৷ অবশ্য করারই কথা৷ শেষ তিনটে অনুচ্ছেদ সত্যিই মারাত্মক৷ গল্পের পাঁচুগোপালের নজর পড়েছে একটা মেয়ের দিকে, তার নাম শোভনা৷ শোভনা শান্ত নম্র ভদ্র মেয়ে, তার বিয়েও ঠিক, তা সত্ত্বেও পাঁচুগোপাল তাকে নানাপ্রকারে উত্ত্যক্ত করে চলেছে৷ এই পর্বের শেষ অনুচ্ছেদে মেয়েটির হবু বর রাস্তার মধ্যে পাঁচুগোপালকে এইরকম অসভ্যতার জন্য অপমান করে৷ অবশেষে পাঁচুগোপাল ঠিক করে সে শেষ দেখে ছাড়বে৷

    পাঁচুগোপাল বললেন, ‘‘এটা তো পুরোপুরি মানহানি! শোভনা নামের কাউকে আমি কোনোদিনও চিনি না৷ তুই তো জানিস বল, আমি এমনি হয়তো রগচটা, একটু হিসেবি, কিন্তু এই মেয়েঘটিত রোগ তো আমার নেই, কোনোকালে ছিলও না!’’

    ঘটনা আরো বাজে দিকে যেতে লাগল এরপর থেকে৷ পাঁচুগোপালের বাড়ি থেকে প্রথমে যাদের ফোন করে বলা হয়েছিল যে এটা তাঁদের দুই বন্ধুরই জীবনের ঘটনা, তারা ফোন করে এবার সত্যি-মিথ্যে জিজ্ঞেস করতে লাগল৷

    তখন উৎসাহের বশে পাঁচুগোপাল নিজেই অতিরঞ্জিত করে লোকজনকে বলেছিলেন, যে তাঁদেরই একব বন্ধু এটা লিখছে, বেশ গর্বও করেছিলেন, এখন তাঁর বাড়ি থেকে বেরোনো দায় হয়ে পড়ল৷ এমনকি শোভনা নামক মেয়েটিকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা পড়ে পুত্রবধূ সুচরিতা পর্যন্ত একটু দূরত্ব বজায় রেখে চলতে লাগলেন৷

    পাঁচুগোপালের রাতের ঘুম চলে গেল৷ বর্ধমানের গোটা রাধানগর পাড়ায় দাবানলের মতো এই কেচ্ছা ছড়িয়ে পড়ল৷ যে-সব ছেলেপিলেদের পাঁচুগোপাল এক পয়সা চাঁদা দিতেন না, তারা আরো ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে ছড়াতে লাগল, বাড়ির দরজায় পর্যন্ত উলটোপালটা কথা লিখে যেতে শুরু করল৷

    এখন লোকজন আকারে-ইঙ্গিতে তাঁকে দেখলে হাসে, এমনকি নিজের ছেলে সমরেশ পর্যন্ত একদিন বলে ফেলল, ‘‘এসব কী বাবা! তুমি এইসব করতে! ছি ছি!’’

    শুক্রবার বিকেলবেলা পাঁচুগোপাল নেপালের হাত ধরে কেঁদে ফেললেন, ‘‘ওরে আমার কী সর্বনাশ হল রে ন্যাপলা, আমি তো কোথাও মুখ দ্যাখাতে পারছি না, কেউ বিশ্বাসও করছে না! তুই আমাকে বাঁচা! তুই বিশ্বাস কর আমি কোনোদিনও এসব করিনি৷’’

    নেপাল অনেকক্ষণ ধরে কী ভাবছিলেন, এবার বললেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করছি৷ শোন, আমি এই ক-দিন অনেক কিছু ভেবেছি৷ কেউ একজন তোকে ইচ্ছে করে সবার সামনে খারাপ প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে৷ কারুর সাথে তোর তেমন শত্রুতা আছে কি?’’

    পাঁচুগোপাল ঢোঁক গিললেন৷ একদম প্রত্যক্ষ শত্রুতা না থাকলেও তাঁকে যে অনেকেই পছন্দ করে না, সেটা তো সত্যি৷

    কিন্তু এরকম আদাজল খেয়ে পেছনে লাগার মতো শয়তানি কে করতে পারে!

    নেপাল আবার বললেন, ‘‘এখানকার কেউ হবে না, কারণ এরা তোর ছোটবেলার কথাগুলো জানবে না৷ আমাদের বনতীর গ্রামের কেউ নয় তো! যার তুই কিছু ক্ষতি করেছিলি!’’

    পাঁচুগোপাল ভ্যাবলা মুখে বললেন, ‘‘অ্যাঁ! বনতীরের!’’

    নেপাল বললেন, ‘‘বিশুকে মনে পড়ে? যাকে তুই সবার সামনে তোর পেন দিয়ে একবার শুধু লেখার অপরাধে নাকখত দিইয়েছিলি, শুধু তাই নয়, ওর বাবাকে উলটোপালটা লাগিয়ে মারও খাইয়েছিলি? সেই ঘটনাটা কিন্তু এই লেখায় রয়েছে৷ বিশু নয় তো!’’

    পাঁচুগোপাল ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে বললেন, ‘‘বিশু! সে কি এখন বনতীরে নাকি!’’

    নেপাল ঠোঁট উল্টে বললেন, ‘‘কী করে জানব! বিদ্যুৎ তো কিছু বলতে পারল না৷ আমার মনে হয় কাল ওই কাগজের পাবলিশার হাউজে দেখা করে চল এই অপাংক্তেয় না কি নাম, তার ঠিকানা নিয়ে আসি৷ যাবি?’’

    পাঁচুগোপাল জবুথবু ভাবটা কাটিয়ে উঠে বললেন, ‘‘আচ্ছা শোন, তোর কথায় মনে পড়ল, অপাংক্তেয় মানে তো যে এক পঙক্তিতে বসার যোগ্য নয়৷ তোর মনে আছে সেই ডোমেদের ছেলেটা কী যেন নাম, আমাদের সঙ্গে পড়তে আসত বলে আমি তাকে একবার হাত-পা বাঁধিয়ে কী সব করেছিলাম?’’

    নেপাল একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন৷ পাঁচুগোপাল কী সব করিয়েছিলেন সেটা পাঁচুগোপালের নিজের না মনে থাকলেও তাঁর ভালোই মনে আছে৷ স্কুলে পড়ার সময় তাঁর আর পাঁচুগোপালের খুব বন্ধুত্ব থাকলেও পাঁচুগোপালের গুন্ডাগিরি করার দলে তিনি কোনোদিনই থাকতেন না, আর পাঁচুগোপাল ছিল সেই দলের পান্ডা৷ কোনো ছেলে ক্লাসে নতুন ঢুকলেই পাঁচুগোপালের দলের তার উপর হুজ্জুতি শুরু হত, রোজ তার থেকে পয়সা নিয়ে টিফিন খাওয়া, তার পেন-খাতা নিয়ে টানাটানি করা৷

    ডোমেদের বাড়ির ওই গরিব ছেলেটার নাম ছিল পঞ্চা৷ পঞ্চা ছেলেটা পড়াশোনোয় ভালো ছিল, কিন্তু পাঁচুগোপালের দলের গুন্ডামিতে কিছুতেই সায় দিত না৷ একদিন ফার্স্ট বেঞ্চে বসার অপরাধে পাঁচুগোপাল তাকে হাত-পা বাঁধিয়ে কপালে ‘ডোমের বাচ্চা’ লিখে দিয়েছিলেন৷ বেচারার চোখ দিয়ে নীরবে গড়িয়ে পড়া চোখের জল নেপালের আজও মনে আছে৷

    নেপাল একটু চুপ করে রইলেন, বললেন, ‘‘পঞ্চানন নাম ছিল তার৷ চল কাল ওই পাবলিশারের কাছে যাই৷ নাকি একেবারে শেষ পর্বটা বেরোনোর পর রোববার যাবি?’’

    পাঁচুগোপাল ছটফটিয়ে উঠে বললেন, ‘‘না না! রোববার হবে না৷ রোববার সকালে পিকু খড়গপুর চলে যাচ্ছে৷ সোমবার থেকে ক্লাস শুরু তো৷ রবিবার বেরোতে পারব না৷ তুই কালই চল৷’’

    পাবলিশার হাউজে গিয়ে বিশেষ কিছু লাভ হল না৷ সব ঘটনা খুলে বলার পরও এডিটরমশাই স্পষ্ট জানালেন, তাঁরা লেখকের নাম প্রকাশ করতে পারবেন না, এটা নিয়মবিরুদ্ধ, লেখক যে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক, তা আগেই লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছেন৷

    কেস করার ভয় দেখিয়েও কিছু হল না, এডিটর সাফ বললেন, ‘‘বেশ তো, কেস করুন না, যিনি লিখছেন তিনি যা করার করবেন৷ আমাদের তো কোনো দায় নেই!’’

    হতাশ হয়ে দুই বন্ধু ফিরে এলেন৷ পাঁচুগোপাল নেপালের হাত চেপে ধরলেন, ‘‘ওরে, কাল কী হবে রে! কাল কী বেরোবে বল তো!’’

    নেপাল বললেন, ‘‘আরে অতো চিন্তা করিস না তো! সব ঠিক হয়ে যাবে৷’’

    কিন্তু শেষ পর্বে যেটা বেরোল তা দেখে পাঁচুগোপাল তো দূর, নেপালেরও ঘুম উড়ে গেল৷ শেষ পর্বে গল্পের পাঁচুগোপাল শোভনাকে একদিন বাড়িতে একা পেয়ে খুন করল৷ সেদিনের বাজারে সবার সামনে অপমানের প্রতিশোধ স্পৃহা দাউদাউ করে জ্বলছিল তার মনে৷ রীতিমতো ঠান্ডা মাথায় গ্লাভস পরে সব দিক দেখে খুন৷

    মারার আগে শোভনাকে দিয়ে সুইসাইড নোট লিখিয়ে নিল, যে তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়, এই বিয়েতে তার মত নেই বলে সে জীবনটা শেষ করে দিচ্ছে৷ তারপর খুন করে শোভনার বডিটা সিলিং থেকে ঝুলিয়ে দিল৷ তখনকার দিনে একটা অবিবাহিত মেয়ের এরকম আত্মহত্যা এমনিই পরিবারের কাছে প্রচণ্ড লজ্জাজনক; কিছুটা পরিবারের চাপে, কিছুটা প্রমাণের অভাবে পুলিশ কিছুই করতে পারল না৷ পাঁচুগোপাল বেমালুম বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াতে লাগল৷ উপন্যাসটার শেষটায় কত অপরাধী এরকম জঘন্য ক্রাইম করেও সমাজে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায় তাই নিয়ে লেখকের বেশ খানিকটা খেদোক্তি রয়েছে লেখার ছত্রে ছত্রে৷

    পড়ে পাঁচুগোপালের মাথা বনবন করে ঘুরছিল৷ বউমা সুচরিতা সেদিন আর থাকতে পারলেন না, বললেন, ‘‘ছি ছি বাবা! আপনি…আপনি সত্যিই এ-কাজ করেছিলেন? আমি তো ভাবতেও পারছি না! বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, আমার স্কুলের কলিগ সবাইকে আগে থেকে ঢাক পিটিয়ে আপনার জীবনী ছাপা হচ্ছে বলে বেড়িয়ে এখন তো বাইরে বেরোনো দায় হয়ে উঠবে দেখছি!’’

    পাঁচুগোপাল কিছু বললেন না৷ তাও ছেলে সমরেশ পিকুকে স্টেশনে গাড়িতে তুলতে গেছে, এখনো ফেরেনি৷

    সে পড়লে পাঁচুগোপাল কোথায় মুখ লুকোবেন? পরে যদিও বা কেস করে ক্ষতিপূরণ পান, কিন্তু তাঁর এই সন্মান কি আর ফিরবে? মানুষকে যখন পুলিশ কোনো কারণে ধরে, তখন ফলাও হয়ে সেটা চাউর হয়, বেকসুর খালাস পেলে ক-জন জানতে পারে?

    পাঁচুগোপাল নেপালকে এদিন আর ফোন করলেন না৷

    বিমূঢ়ভাবে এসে ধীরে ধীরে নিজের শোবার ঘরের দরজাটা বন্ধ করে দিলেন৷

    নিজের মনকেই প্রশ্ন করলেন, সত্যিই কি এরকম কিছু তিনি করেছিলেন, এখন ভুলে গেছেন? সত্যিই কি তিনি একজন খুনি? অনেক ভেবে-টেবে বুঝলেন, জীবনে হয়তো অনেক অন্যায়ই করেছেন, কিন্তু কস্মিনকালেও এমন জঘন্য কাজ তিনি করেননি৷

    কী করবেন এখন পাঁচুগোপাল? গল্পের ওই শোভনার মতো তিনিও কি সিলিং থেকে ঝুলে পড়বেন? পাঁচুগোপালের মাথা আর কাজ করছে না৷ যত বেলা হবে, বাড়িতে লোকের আনাগোনা বাড়বে, পাড়ার লোক কথাচ্ছলে জানতে চাইবে এ-সব সত্যি কিনা!

    সত্যি-মিথ্যে যাই বলুন তিনি, ওরা সত্যিই ধরে নেবে৷ সেটাই সমাজের নিয়ম৷ তিনি নিজেও তো এতকাল দেখে এসেছেন, এর নামে ওকে বললে কেমন চট করে সেটা বিশ্বাস করে নেয় লোকে!

    একপাশে ঝোলা ধুতিটা আনমনে টেনে নিলেন পাঁচুগোপাল, সিলিং এ ছুড়ে পাকাতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু লাগল না, উল্টে টেবিলের ওপর পেপারওয়েট চাপা দেওয়া কয়েকটা কাগজের ওপর পড়ে সেগুলোকে মেঝের ওপর এলোমেলো করে ফেলে দিল৷

    পাঁচুগোপাল কাগজগুলো তুলে টেবিলের ওপর রাখতে গিয়েও থমকে গেলেন৷ একটা চিঠি৷

    ‘‘দাদু,

    আজ আমি প্রথম এই বাড়ি থেকে এতদূর কোথাও একা একা থাকতে যাচ্ছি৷ ছোট থেকে তোমাকে অনেক কিছু বলার ছিল, কিন্তু সেগুলো বলতে পারিনি, তাই আজ লিখে যাচ্ছি৷ দাদু, আমার সব বন্ধুদের কাছে দাদু মানেই ছিল আনন্দ-আদর আর ভালোবাসা৷ কিন্তু আমি তোমার কাছ থেকে কোনোদিনই এসব পাইনি৷ ছোটবেলায় বাবা-মা যখন তোমার কাছে রেখে নিজের নিজের কাজে বেরিয়ে যেত, তখন থেকেই৷ বাবা-মা সারাটা দিনের পর খেটেখুটে যখন বাড়ি ফিরত, তখন তুমি আমার সারাদিনের দুষ্টুমিগুলোকে অনেক রং চড়িয়ে বাবা-মাকে বলতে৷ আমি বিনা দোষে মার খাচ্ছি দেখেও কোনোদিনও আটকাওনি তুমি বাবা-মাকে৷ কোনোদিনও আমাকে কোলে বসিয়ে গল্প করোনি, একটা লজেন্সও কিনে দাওনি কখনো৷ উল্টে আমার বন্ধুবান্ধব এলে তাদের কাছে আমার গোপন কোনো কথা বলে আমাকে অপ্রস্তুত করেছ, বিদ্রূপ করেছ৷ এমনকি বাবা-মায়ের কখনো ঝগড়া হলেও তুমি থামাও তো নি, উল্টে দুজনকেই ইন্ধন জুগিয়েছ৷

    আমি তোমার কাছে অনেকবার ভালোবাসা পেতে চেয়েছি, উল্টে পেয়েছি খালি কষ্ট৷ কেন তুমি এমন দাদু? কই নেপালদাদু তো এমন নয়! তোমার অবসর সময় কাটে না বলে তোমাকে ল্যাপটপে ইন্টারনেট করা শিখিয়েছিলাম আমি, তার তুমি কী প্রতিদান দিলে দাদু? আমারই সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে আমার বান্ধবীদের সাথে নোংরা কথা বলে তাদের কাছে আমার কী ইমেজ করেছিলে তুমি মনে পড়ে? তবু আমি কিচ্ছু বলিনি৷ আড়াল থেকে নেপালদাদু আর তোমার ছোটবেলার গল্প শুনতাম, তোমার কাজগুলোর নিষ্ঠুরতা দেখে শিউরে উঠতাম আর বুঝতাম, ছোট থেকেই তোমার মধ্যে একটা অপরাধপ্রবণতা রয়েছে, যেটা মাঝে মাঝেই প্রকাশিত হয়ে পড়ে৷ সবসময় দুর্বলের ওপর অত্যাচার করে, তাকে ছোট করে, কষ্ট দিয়ে তুমি এক জান্তব মজা পাও৷ তোমার বাইরেটা যাই হোক, তোমার ভেতরে একটা বিকৃত ক্রিমিনাল সবসময় বাস করে৷ এটা একটা রোগ৷ যেটা তুমি নিজেই নিজের মধ্যে বাড়িয়ে তুলেছ৷

    তাই, বয়সে অনেক ছোট হয়েও তোমাকে ছোট্ট একটা শিক্ষা দিলাম, যে মানুষকে অন্যায়ভাবে অন্যদের কাছে ছোট করলে কেমন লাগে! ছোট-বড়, সবারই আত্মসম্মান আছে, সেটা নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে নেই৷

    যদি সত্যিই নিজের ভুল বুঝতে পেরে থাকো, তবে সায়কিয়াট্রিস্ট দেখিও দাদু৷

    ফার্স্ট সেমেস্টারের পর যখন বাড়ি ফিরব, তখন আমি অন্য এক দাদুকে দেখতে চাই৷

    ঠিক নেপালদাদুর মতো!

    পিকু৷’’

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীলাম্বরের খিদে – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article গ্লানির্ভবতি ভারত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }