Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লিলি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প127 Mins Read0
    ⤶

    অনাহূত

    সকালে সুপ্রতিমের ফোনটা আসার পর থেকে অর্ঘ্য যে ভয়টা করছিল ঠিক সেইটাই হল৷ অফিস থেকে ফিরতে না ফিরতে রোজই ওর ন-টা বেজে যায়, আজও তেমন সময়েই ফিরে সবে গ্লুকোজে চুমুক দিয়েছে এমন সময় কলিং বেল৷ স্মিতা ফেরে ওর ঘণ্টাখানেক আগে, তখনই রান্নার মাসি আসে৷ কিন্তু মাসি কাজ করে সবেমাত্র বেরিয়েছে, এখন কারুর আসার কথা নয়৷ স্মিতা জিজ্ঞাসু মুখে ওর দিকে একঝলক তাকিয়ে দরজা খুলতে উঠে গেল৷

    অর্ঘ্য মনে মনে সাজিয়ে নিচ্ছিল কীভাবে এই উটকো ঝামেলাকে কাটানো যায়৷ একে নিজের অফিস নিয়ে হিমশিম, তার ওপর যদি এখন পুলিশের খপ্পরে পড়তে হয়, তাহলে আর দেখতে হবে না৷ ইনফ্যাক্ট সকাল থেকেই ব্যাপারটা সাজাচ্ছে ও৷

    স্মিতা ডাইনিং থেকে জোর গলায় বলল, ‘‘আরে বাবা! কী সৌভাগ্য আমাদের! অর্ঘ্য, দ্যাখো নীলাঞ্জন এসেছে! আয় আয়, ভেতরে আয়৷’’

    অর্ঘ্য তেতো গলায় ঢোঁক গিলল, ভেবেছিল ডিনারে বসে স্মিতাকে ব্যাপারটা জানাবে, তার আগেই নীলাঞ্জন এসে গেল!

    কী করবে ও এখন? এতদিনের পুরোনো বন্ধু, গলাধাক্কা দিয়ে বের তো করে দেওয়া যায় না!

    সুপ্রতিম তখনই বলেছিল, ‘‘দেখবি, আমি পুলিশে খবর দিতে পারি টের পেয়ে ভোর হতে না হতেই পালিয়েছে; এবার তোর বাড়ি হানা দেবে, খুব সাবধান কিন্তু!’’

    বলতে বলতে নীলাঞ্জন দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে, ‘‘কীরে? কেমন আছিস তুই?’’

    অর্ঘ্য ক্লিশে হাসল, ‘‘আরে তুই! এত রাতে……ক-কী ব্যাপার?’’

    নীলাঞ্জন স্মিতার দিকে একঝলক তাকাল, ‘‘স্মিতা এতদিন বাদে তোদের বাড়ি এলাম, একটু ভালোমন্দ খাওয়া! বিয়ের পর দুজনে তো পাত্তাই দিস না আমাদের!’’

    স্মিতা হেসে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল, যাওয়ার সময় বলে গেল, ‘‘শোন, আজ কিন্তু ডিনারটা এখানেই করে যাবি, নো অজুহাত!’’

    অর্ঘ্য স্মিতার দিকে আড়চোখে তাকালো৷ ইনি আর আতিথেয়তা দেখানোর সময় পেলেন না! একেবারে ডিনারের নেমন্তন্ন৷ তারপরেই ভাবল, স্মিতার আর দোষ কী! ওরা সবাই তো সত্যিই খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল কলেজে৷ ওদের পাঁচজনের সেই গ্রুপ, অর্ঘ্য, স্মিতা, সুপ্রতিম, নীলাঞ্জন আর বিদিশা৷ কত আড্ডা, কত হইহই৷ তারমধ্যে অর্ঘ্য আর স্মিতা সবথেকে আগে বিয়ে করে ফেলেছিল, তারপর একে একে অন্যরাও৷ এখন একটু ব্যবধান তো হয়েই গেছে, তা ছাড়া সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত!

    স্মিতা চলে যেতেই নীলাঞ্জনের মুখচোখের চেহারা পালটে গেল৷ ফিসফিস করে বলল, ‘‘ভাই, বড় বিপদে পড়ে তোর কাছে ছুটে এসেছি, তুই আমাকে বাঁচা৷’’

    বিপদে পড়িসনি, নিজে যেচে খাল কেটে কুমির এনে সেই কুমিরের কামড় খেয়েছিস, মনে মনে ভাবল অর্ঘ্য৷ সকাল থেকে সুপ্রতিমের কথাগুলো শোনা থেকে ও যতই ব্যাপারটা ভাবছে, স্তম্ভিত হয় যাচ্ছে৷ নীলাঞ্জনের মতো ছেলে এ কাজ করতে পারে?

    দেড়বছর আগে নীলাঞ্জনেরই বিয়েতে, কত মজা হয়েছিল৷ নীলাঞ্জনের অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ, স্ত্রী সোহিনীর সঙ্গে সবাইকে আলাপ করিয়ে দিয়েছিল সেদিন৷ মাত্র দেড়বছরের মধ্যে এত কী তিক্ততা হল ওদের মধ্যে যে নীলাঞ্জন এতটা জড়িয়ে পড়ল অন্য একটা মেয়ের সঙ্গে?

    নীলাঞ্জন যেন ওর মনের কথা পড়ে ফেলল, বলল, ‘‘তোরা হয়তো জানিস না, সোহিনী চাপা স্বভাবের মেয়ে, আমি ওকে ঠিক বুঝতে পারিনি৷ ও যদিও মুখ ফুটে কিছু বলেনি কোনোদিন, তবু ভেতরে ভেতরে আমি হাঁপিয়ে উঠেছিলাম৷ কিছুটা ক্ষণিকের দুর্বলতাতেই হোক, বা কিছুটা মনের মিল হওয়াতে আমি ছ-মাস আগে হঠাৎ আমার অফিসেরই একটা মেয়ের সাথে জড়িয়ে পড়েছিলাম৷’’

    অর্ঘ্য না জানার ভান করে বলল, ‘‘সে কী! সোহিনী তো তোকে যথেষ্ট ভালোবাসত বলে জানতাম রে!’’

    নীলাঞ্জন মুখ দিয়ে আপশোশের শব্দ করে হঠাৎ কান্নায় ভেঙে পড়ল, ‘‘ভাই আমার কী মতিভ্রম হয়েছিল আমি জানি না রে! সোহিনীর মতো একটা এত ভালো বউ থাকতে আমি কি না জড়ালাম কোয়েলের মতো মেটেরিয়াল-সর্বস্ব একটা মেয়ের সঙ্গে!’’ ফোঁপাতে ফোঁপাতে ও বলে চলছিল, ‘‘কোয়েলের মোহে আমি সাময়িক জড়িয়ে পড়েছিলাম রে৷ এমনকি, চারমাস আগে ইচ্ছে করে ট্রান্সফার নিই ক্যানিং-এর দিকে৷ ব্যান্ডেল থেকে ক্যানিং রোজ যাতায়াত করা খুব কষ্টের এসব বাড়িতে বুঝিয়ে আমি ক্যানিং-এ ঘর ভাড়া নিই৷ জানিস সোহিনীর স্কুল অনেক দূর হয়ে যাবে জেনেও ও আমার সাথে আসতে চেয়েছিল, আমি ওকে বুঝিয়ে শুনিয়ে বাড়িতে রেখে ক্যানিং-এ গিয়ে কোয়েলের সাথে থাকতে শুরু করি৷’’

    —‘‘কী বলছিস তুই! ছি ছি নীলাঞ্জন! তোর কাছ থেকে এটা আশা করা যায় না৷’’ অর্ঘ্য এবার সত্যিই আহত গলায় বলল, ‘‘তারপর?’’

    —‘‘তখনো বুঝিনি রে কোয়েল কত বড় শয়তান৷ প্রথম প্রথম ওর আকর্ষণে মেতে থাকলেও মাসদেড়েক পর থেকেই ও খালি বলতে শুরু করেছিল সোহিনীকে ডিভোর্স দিতে হবে৷ নাহলে ও সব ফাঁস করে দেবে৷ কিন্তু….কিন্তু তুই বিশ্বাস কর অর্ঘ্য, ততদিনে আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছিলাম! ফিরে যেতে চাইছিলাম সোহিনীর কাছে আমি৷ কোয়েলের সস্তা শারীরিক টানের নেশা ছুটে গিয়েছিল আমার৷ ওর মোটা দাগের কথাবার্তা, চটুল হাবভাব, চিন্তাভাবনা অসহ্য হয়ে উঠেছিল আমার কাছে৷ সোহিনী তো কিছুই জানত না, সরল বিশ্বাসে ফোন করত আমায় দু-বেলা, আমি ঠিকমতো খেয়েছি কিনা, বারবার জানতে চাইত কবে বাড়ি যাব, বাবা-মাও অনুযোগ করত, শনি-রোববার কেন বাড়ি যাই না৷ আমি ভেতরে ভেতরে গ্লানিতে মরে যেতাম বিশ্বাস কর!’’

    অর্ঘ্য একটা সিগারেট ধরাল, শেষটা যদিও ওর জানা, তবু বলল, ‘‘তারপর?’’

    —‘‘কিছুদিন বাদেই কোয়েলের আসল স্বরূপ বেরিয়ে পড়ল৷ ওর আসল লোভ আমার টাকা আর বাবার সম্পত্তির ওপরে৷ ওর বয়ফ্রেন্ডও আছে একটা৷ ইউনুস নাম তার৷’’

    অর্ঘ্য বলল, ‘‘তুই ছেড়ে এলি না কেন?’’

    —‘‘ক্রমাগত ব্ল্যাকমেল করছিল তো৷ বলছিল আমার নামে উলটোপালটা ব্লেম দেবে পুলিশের কাছে গিয়ে৷ আসলে ও আর ওর বয়ফ্রেন্ড প্ল্যান করেই আমাকে ফাঁসিয়েছে রে, টাকার লোভে৷’’ নীলাঞ্জন কিছুক্ষণ থম মেরে বসে রইল, তারপর হঠাৎ আর্তনাদ করে উঠল, ‘‘কাল কোয়েলের সাথে আমার অশান্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল, ও বলছিল তক্ষুনি সোহিনীকে ফোন করে সব জানিয়ে দেবে৷ আমি আর নিজেকে সামলাতে না পেরে ওকে বালিশ চাপা দিয়ে মেরে ফেলেছি রে অর্ঘ্য!’’

    অর্ঘ্য এটা দ্বিতীয়বার শুনলেও শিউরে উঠল, ‘‘অ্যাঁ! কী বলছিস তুই!’’

    নীলাঞ্জন চিৎকার করে অর্ঘ্যর হাতদুটো জড়িয়ে ধরল, ‘‘তুই আমায় বাঁচা ভাই!’’

    —‘‘আ-আ-আমি তোকে কী করে বাঁচাব রে! পুলিশ তোকে ধরে ফেলবে তো!’’

    নীলাঞ্জন মাথা নাড়ল, ‘‘পুলিশ অন্তত সাতদিনের আগে কিছু টের পাবে না৷ বডিটা আমি ফ্রিজে ঢুকিয়ে এসেছি৷ আশপাশের লোকজনের গন্ধ পেতে দেরি হবে৷ ততদিনে আমি অনেক দূরে কোথাও চলে যাব৷’’

    অর্ঘ্য নিজের হাতদুটো ছাড়িয়ে নিয়ে ছটফটিয়ে উঠল, ‘‘এরকম ভাবে কতদিন পালিয়ে থাকবি তুই! একদিন না একদিন পুলিশ তোকে ঠিক খুঁজে বের করবে৷’’

    নীলাঞ্জন নিজেকে একটু সামলে নিয়ে বলল, ‘‘তুই আজ রাতটা থাকতে দে আমায়, আমি কাল ভোর হতেই চলে যাব, প্লিজ! পুরোনো বন্ধুকে এটুকু হেল্প কর!’’

    অর্ঘ্যর এই অবস্থাতেও খটকা লাগল৷ নীলাঞ্জন তো কাল রাতে খুন করেনি, করেছে পরশু রাতে, কাল রাতে; তো এই একই কথা বলে ও সুপ্রতিমের বাড়িতে ছিল৷

    অর্ঘ্য সন্দিগ্ধভাবে বলল, ‘‘কবে করেছিস তুই এই কাজ?’’

    নীলাঞ্জন আবার ওর চোখের দিকে চেয়ে বলল, ‘‘কাল রাতে৷ ভোর হতে না হতেই বেরিয়ে এসেছি ফ্ল্যাট থেকে, সারাটা দিন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি, তারপর তোর কাছে এসেছি৷’’

    অর্ঘ্যর এবার রাগ হয়ে গেল৷ খুন করে এসে আশ্রয় চাইছে আবার মিথ্যে কথাও বলছে নীলাঞ্জন৷ ও আর কিছু না বলে বলল, ‘‘ক্যানিং-এ কোথায় ফ্ল্যাট তোর?’’

    নীলাঞ্জন ঠিকানাটা হড়বড় করে বলেই আবার কাকুতি-মিনতি করতে লাগল, ‘‘ভাই তুই আজ রাতটা আমায় থাকতে দে, কাল সকাল হতেই আমি চলে যাব৷’’

    অর্ঘ্য ততক্ষণে মনস্থির করে নিয়েছে৷ বলল, ‘‘দ্যাখ, আমি সরকারি চাকরি করি৷ পুলিশে ছুঁলে আঠেরো ঘা জানিস তো!’’

    নীলাঞ্জন আশ্রয়হীন পাখির মতো কাতর চোখে ওর দিকে তাকাল, ‘‘প্লিজ অর্ঘ্য৷ এ-একটা রাত!’’

    অর্ঘ্য বেশ বুঝতে পারছিল, ওর না-টা হ্যাঁ না হওয়া পর্যন্ত নীলাঞ্জনকে নিরস্ত করা যাবে না৷ ও বিরস কণ্ঠে কড়াভাবে বলল, ‘‘তুই এত করে বলছিস যখন আজ রাতটা থাক, কাল সকাল হলে প্লিজ চলে যাস৷’’

    নীলাঞ্জন এতক্ষণে নিশ্চিন্ত হয়ে সোজা হয়ে বসল৷ স্মিতা খাবারের ট্রে নিয়ে ঢুকেছে, স্মিতার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘‘কী গরম রে তোদের বাড়ি! এসিটা একটু চালা না!’’

    স্মিতা একটু অবাক হয়ে তাকাল, বলল, ‘‘এই ঠান্ডায় তোর গরম লাগছে?’’

    নীলাঞ্জন হাসল, ‘‘সারাদিন অফিসে এসিতে থাকি তো, বাড়িতেও তাই৷ তাই অভ্যেস হয়ে গেছে৷’’

    অর্ঘ্য মুখে বলল, ‘‘আমাদের এই ঘরটায় এসি নেই রে!’’ মনে মনে ও বিশাল চটে যাচ্ছিল, শালা খুন করে এসে বড় বড় কথা বলছে৷ করিস তো ওই ইন্স্যুরেন্সের দালালি, চন্দননগরের বাড়িটা তো ভেঙে পড়ছে, সোহিনী মেয়েটা সত্যিই ভালো বলতে হবে৷ শালা বাড়িতে বাপ-মা-বউকে কষ্টে রেখে রাঁড়কে নিয়ে থাকার জায়গায় এসি লাগিয়েছে আবার বড় বড় কথা বলছে৷

    লজ্জাও লাগে না!

    রাতে শুয়ে শুয়ে সব কথা অর্ঘ্য খুলে বলল স্মিতাকে৷ স্মিতা মাথা ঠান্ডা করে সিদ্ধান্ত নিতে জানে৷ প্রথমে দিশেহারা হয়ে গেলেও পরে বলল, ‘‘শোন, খুন করা যেমন ক্রাইম, খুনিকে আশ্রয় দেওয়াও কিন্তু ক্রাইমের মধ্যেই পড়ে৷ কিছু হয়ে গেলে তোমার কিন্তু চাকরি নিয়ে টানাটানি হয়ে যাবে৷ পুলিশ ইজিলি ধরে ফেলবে তোমাকে৷’’

    অর্ঘ্য এমনিই রাগে ফুঁসছিল, নীলাঞ্জন খাওয়ার পরেও এসি এসি করে ঘ্যানঘ্যান করে যাচ্ছিল, ওর নাকি এসি ছাড়া ঘুম হবে না, স্মিতা শেষমেশ বাধ্য হয়ে ওদের বেডরুমটাই ছেড়ে দিয়েছে ওকে৷ নীলাঞ্জনের খুন করে কি মাথাটাই বিগড়ে গেছে? অর্ঘ্য তেড়ে উঠল, ‘‘তুমি কী বলে ওকে আমাদের বেডরুমে শুতে দিলে? শালা একটা খুনি………!’’

    স্মিতা হাত নেড়ে ওকে থামাল, ‘‘চেঁচিও না, কিছু আন্দাজ করে ফেললে আমাদেরই মুশকিল হবে৷ আমি ভোর ভোর উঠে ঠিক ওকে আটকে রাখব৷ ততক্ষণে তোমরা পুলিশের কাছে যাবে৷ তুমি বরং সুপ্রতিমকে ফোন লাগাও একবার৷’’

    * * * *

    সকাল হতে না হতেই অর্ঘ্য আর স্মিতার ঘুম ভেঙে গেল৷ স্মিতার তো তেমন ঘুম হয়নি বললেই চলে, উদ্বেগে ছটফট করেছে সারারাত৷ ভোর হতে না হতেই উদ্বিগ্ন মুখে ওরা বেডরুমে এসে ঢুকল৷ খুনিকে আশ্রয় দেওয়াটা অবশ্যই অন্যায়, কিন্তু তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিলে নিশ্চয়ই সেই অপরাধ লাঘব হয়ে যাবে৷

    কিন্তু বেডরুমে এসে ওরা হাঁ হয়ে গেল৷

    পাখি ফুড়ুৎ! এসি চলছে, ফ্যান চলছে, বিছানাও পরিপাটি করে রাখা, নীলাঞ্জনের চিহ্নমাত্র নেই৷

    অর্ঘ্য রাগে ফেটে পড়ল, ‘‘পালিয়েছে! কী হবে এখন? পুলিশ এসে তো আমাকে ধরবে!’’

    স্মিতাও অবাক, কী করে পালাল নীলাঞ্জন? তবে কি ও কাল রাতে দেখে নিয়েছিল ফ্ল্যাটের দরজার চাবি ওরা কোথায় রাখে? কিছু আঁচ করে অমনি পালিয়েছে? ও চাবিটা কোথায় খুঁজতে যাচ্ছিল, তার আগেই অর্ঘ্য রাগে গনগন করতে করতে সুপ্রতিমকে ফোন করল৷

    ঘণ্টাদুয়েক বাদে ওরা সবাই যখন পুলিশের জিপে করে ক্যানিং-এ নীলাঞ্জনের ফ্ল্যাটে গিয়ে পৌঁছল তখন বেলা হয়ে এসেছে৷ খবর পেয়ে বিদিশাও ওর বর সঞ্জয়কে নিয়ে এসেছে৷

    সবার মুখই থমথমে, নীলাঞ্জন ঝোঁকের বশে এটা কী করল!

    অর্ঘ্যর এবার একটু অপরাধী লাগছিল নিজেকে, এভাবে পুলিশের কাছে নীলাঞ্জনকে ধরিয়ে দেবার জন্য, কিন্তু সুপ্রতিম বোঝাল, ‘‘দ্যাখ, ও আজ হোক, কাল হোক, ধরা পড়বেই৷ মাঝখান থেকে তুই-আমি ওকে থাকতে দিয়েছি পুলিশ জানলে আমরাও ফেঁসে যাব৷ তার থেকে আগেভাগে পুলিশকে আমরা পুরো ব্যপারটা বলে দিলে আমরা বেঁচে যাব বুঝলি!’’

    জিপে যেতে যেতে ইনস্পেক্টর দুবার বলেছেন, ‘‘আপনারা শিওর তো? গেলে বডি পাওয়া যাবে তো?’’

    অর্ঘ্য বলল, ‘‘ও তো তাই বলেছিল স্যার৷ আমি তো বুঝতে পারিনি সকাল হবার আগেই ও পালাবে৷’’

    ইনস্পেক্টর বেশ প্রসন্নভাবে বললেন, ‘‘বডি পাওয়া গেলে কোনো চাপ নেই, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ধরে ফেলব বাছাধনকে৷’’

    নীলাঞ্জনের বলা ঠিকানা অনুযায়ী ফ্ল্যাটটা খুঁজে পেতে বিশেষ বেগ পেতে হল না৷ ফ্ল্যাটবাড়ি বলতে কোনো ঝাঁ-চকচকে কমপ্লেক্স নয়, ঘুপচি গলির মধ্যে সাবেকি আমলের বাড়ির ভেতার অজস্র পার্টিশন করে ফ্ল্যাট বের করা হয়েছে৷ আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞেস করতেই নীলাঞ্জনদের দরজাটা দেখিয়ে দিল৷

    পুরোনো আমলের মরচে পড়া তালা, বারকয়েক জোরে চাপ দিতেই খুলে গেল৷

    ইনস্পেক্টর আর সাথে দুজন কনস্টেবল ঢুকে এদিক-ওদিক খুঁজতে শুরু করল৷ অর্ঘ্যর বুকের ভেতরটা ঢিবঢিব করছে, ও বলল, ‘‘স্যার, ফ্রিজের ভেতর রেখেছে বলেছিল৷’’

    ডাইনিং-এর কোনো বালাই নেই, কেবল ছোট ছোট দুটো ঘর৷ জিনিসের বাহুল্যে এবং অগোছালো গার্হস্থে পুরো ফ্ল্যাটটাই যেন কর্পোরেশনের ভ্যাট হয়ে রয়েছে৷ আসবাবপত্রেরও কোনো ঠিকঠিকানা নেই৷ খাটের উপরে জামাকাপড় স্তূপাকৃতি করে রাখা, তার পাশেই খাটের ওপরেই একটা চেয়ার বসানো৷ আরেক পাশে ছোট একটা আলমারি, কিন্তু তার দরজা খোলা, ভেতরে এলোমেলো জিনিসে ভর্তি৷

    অন্য ঘরে ঢুকতেই ঘরের মাঝখানে বেখাপ্পা ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা ফ্রিজটা চোখে পড়ল সবার৷

    বিদিশার বর সঞ্জয় অস্ফুটে বলল, ‘‘এই স্মিতা আর বিদিশা, এদিকে সরে এসো তোমরা৷’’

    কনস্টেবল দুটো গিয়ে ফ্রিজটা খুলতেই পচা একটা গন্ধ ভক করে এসে ঝাপটা মারল সবার নাকেমুখে৷

    অর্ঘ্য হিমচোখে দেখল একটা মৃতদেহকে বেঁকিয়ে চুরিয়ে ঠেসেঠুসে ঢোকানো হয়েছে ফ্রিজটার মধ্যে, মেয়েটার চুলটা এলোমেলো হয়ে বিছিয়ে রয়েছে গোটা শরীরে, ঘাড়টা নির্দয়ভাবে জানুর মাঝে গোঁজা৷

    সব মিলিয়ে বীভৎস একটা দৃশ্য!

    কনস্টেবল দুটো ধরাধরি করে লাশটাকে ফ্রিজ থেকে বের করে সামনের মাটিতে রাখতেই স্মিতার মুখ দিয়ে ‘আঁক’ করে একটা শব্দ বেরিয়ে এল৷

    মেয়েটার চোখদুটো যেন খরচোখে এদিকেই তাকিয়ে আছে৷

    সুপ্রতিম এগিয়ে গিয়ে বলতে যাচ্ছিল, ‘‘স্যার, আমাদের কিন্তু কোনো দোষ নেই৷ আ-আমরা কিন্তু জানতে পেরেই আপনাকে….’’ হঠাৎ ফ্রিজের দিকে চোখ পড়তেই ও বিস্ফারিত চোখে একটা আর্তনাদ করে অর্ঘ্যর গায়ে ঢলে পড়ল৷

    অর্ঘ্য ওকে সামলাতে গিয়ে সামনে তাকাতে ওর শিরদাঁড়া বেয়ে একটা হিমেল স্রোত বয়ে গেল৷ ফ্রিজের মধ্যে পেছন দিকে দুমড়ে-মুচড়ে ঢোকানো রয়েছে আরো একটা মৃতদেহ, ফ্রিজের হিমায়িত তাপমাত্রায় রক্তশূন্য ফ্যাকাশে মড়াটা অন্তত একমাসের পুরোনো, পচা মাংসের গন্ধে গা গুলিয়ে উঠল ওর৷

    সামনে শুইয়ে রাখা মড়াটা একজন মহিলার, গায়ে সবুজ রঙের নাইটি, আর অন্য মড়াটার গায়ে একটা সাদা টি-শার্ট, এই টি-শার্টটা অর্ঘ্যর চেনা, কাল এটা পরেই নীলাঞ্জন গিয়েছিল ওর বাড়ি৷

    কিছু বোঝার আগেই ওর চারপাশটা কেমন দুলে উঠল, মুহূর্তের মধ্যে জ্ঞান হারাল অর্ঘ্য৷

    অর্ঘ্যকে ধরার জন্য সবাই ছুটে এল৷

    ছুটে এল ঘরের কোণে দাঁড়িয়ে থাকা নীলাঞ্জনও৷ কিন্তু ওর দিকে কেউ তাকাল না৷ তার মানে কি কেউ ওকে দেখতে পাচ্ছে না?

    ফ্রিজের ভেতর ওর নিজের মৃতদেহটাকে দেখে কাঁপছিল নীলাঞ্জন!

    একটু দূরেই দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ ইনস্পেক্টরটি কী সব বলে যাচ্ছেন হাত-পা নেড়ে, ওর কানে কিছুই ঢুকছে না৷

    ওর যে সব মনে পড়ে গেছে৷

    কোয়েল কোনোভাবে মরার আগে ওর পুরোনো প্রেমিক ইউনুসকে ফোন করে দিয়েছিল৷ সে এসে প্রেমিকার মৃতদেহ দেখে আর নিজেদের প্ল্যান পুরো বানচাল হয়েছে দেখে কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে একইভাবে নীলাঞ্জনকেও খুন করে৷ করে কোয়েলের সাথে নীলাঞ্জনকেও ঢুকিয়ে দেয় ফ্রিজে৷

    তীব্র মাথার যন্ত্রণায় চিরঘুমে ঢলে পড়েছিল যেন নীলাঞ্জন৷

    তারপর ঠিক কাল রাতের মতোই গত একমাস ধরে প্রত্যেকদিন ও অর্থাৎ নীলাঞ্জনের অশরীরী আত্মা কোনো না কোনো বন্ধুর বাড়ি গিয়ে রাতে উঠেছে, সেখানে গিয়ে এক রাত থাকার আশ্রয় চেয়েছে৷ কাল রাতেও একইভাবে ও অর্ঘ্যর বাড়ি গিয়েছিল৷

    ভাবতে ভাবতে নীলাঞ্জনের আত্মা আবার তলিয়ে যাচ্ছে তার অতিপ্রাকৃত রূপের মাঝে৷ তার অবচেতন মনে বাবা, মা, সোহিনীর ভালোবাসা, কোয়েলের ব্ল্যাকমেল সব তন্দ্রার মতো মাঝে মাঝে ভেসে উঠছে, আবার হারিয়ে যাচ্ছে গভীর অতলে৷ আবার আজ রাতে সে সব ভুলে গিয়ে জেগে উঠবে৷ অনিচ্ছাসত্ত্বেও হয়তো গিয়ে এক রাতের আশ্রয় চাইবে কোনো বন্ধুর বাড়ি৷

    দূরে দাঁড়িয়ে ভয়ে কাঁপছিল বিদিশা!

    এবার কার বাড়িতে আশ্রয় চাইতে আসবে নীলাঞ্জন? কার বাড়িতে এসে কাকুতি-মিনতি করবে একরাত থাকার জন্য?

    কিন্তু ফ্রিজের মধ্যে থেকে থেকে হওয়া এসির অভ্যেসটার কী করবে ও, ওর বাড়িতে তো এসি নেই!

    সমাপ্ত

    ⤶
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীলাম্বরের খিদে – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article গ্লানির্ভবতি ভারত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }