Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প64 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লুব্ধক – ৩

    ৩

    ‘বারবার থেমে, খুবই জঘন্য একটি গেরিলা পরিক্রমার পর, কাকভোরে আমরা একটা জঙ্গল পেলাম যার ধারেকাছেই কুকুরের ডাক শোনা যাচ্ছিলো৷’

    চে গুয়েভারা’র দিনলিপি, ৫ অক্টোবর, ১৯৬৭

    কুকর খতম করার একাধিক পরিকল্পনা করার মধ্যে মধ্যে ছুটির দিন বা রবিবারের ফাঁক ছিল, যার মানে গাড়িঘোড়া কম৷ সে সময় কয়েকটি কুকুরকে খুবই ব্যস্তভাবে শহরের বিভিন্ন দিকে ধাবমান হতে দেখা যায়, যদিও সে গতি ঠিক স্বল্পপাল্লার দৌড়ের মতো ক্ষিপ্র ও ক্ষণস্থায়ী নয়, বরং দূরপাল্লার দৌড়বীরদের পদ্ধতিতে, কখনও কমিয়ে, আবার বাড়িয়ে … এবং সে সময় সেই কুকুরদের মুখমণ্ডলের কোনো উত্‍ফুল্লতা, চড়া মেজাজ বা বিষাদের লেশমাত্র দেখা যায়নি৷ তারা মোটের ওপর রাজপথ, থানা, স্কুল, রাজনৈতিক দলের দপ্তর, ক্লাব ইত্যাদি এড়িয়ে গলিপথ, ফাঁকা উঠোন, বস্তির মধ্যের অপ্রশস্ত রাস্তা, গাড়ির তৈলাক্ত স্বেদে ভেজা কালো মাটির চত্বর, জবাই করা মুরগির পালক ও পেঁয়াজের খোসা ছড়ানো ছেটানো বাজারখোলা, হাসপাতালের পেছন দিকের নোংরা রাস্তা যেখানে কাটা প্লাস্টার, রক্তমাখা তুলো ও বিবর্ণ ব্যান্ডেজের মধ্যে শিশুদের খেলার শব্দ ও বৃদ্ধবৃদ্ধাদের অপেক্ষা মিশে থাকে-এইসব এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল৷ এই প্রত্যেকটা জায়গাতেই সেখানকার কুকুরেরা নিজস্ব অধিকার কায়েম করে বাস করে৷ তাদের সঙ্গে এই গতিয়ান কুকুর-দূতদের চোখাচোখি বা কয়েক মুহূর্তের নিস্তব্ধতা বিনিময় হয় অথচ কোনো কলহ হয়নি৷ কুকুরদের ক্ষেত্রে এ রকম সচরাচর হয় না৷ কোনো কুকুর-দলই তাদের এলাকা বা অঘোষিত সীমানার মধ্যে চেনা বা অচেনা কুকুরদের আগমন মেনে নেয় না৷ কুকুরেরা জেনে গিয়েছিল যে কলকাতা আর তাদের চায় না৷

    পরিকল্পনা প্রস্তাব -১

    কালক্ষেপ করা ঠিক হবে না৷ কুকুরদের গুলি করে মেরে ফেলা হোক৷

    বিরুদ্ধে মত

    সম্ভব নয়৷ বুলেটের দাম আছে৷ দ্বিতীয়ত, বন্দুকের শব্দ পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকর৷ তৃতীয়ত, এ ধরনের অভিযান রাতেই চালানো সম্ভব, কিন্তু বন্দুকধারীরা তখন মদ্যপ অবস্থায় থাকে, ফলে গুলি অন্য কোথাও লাগতে পারে৷ চতুর্থত, আমাদের কুসংস্কারময় দেশে এ কাজ করতে অনেক বন্দুকধারী রাজি নাও হতে পারে৷

    পরিকল্পনা প্রস্তাব -২

    রাতের প্রথম প্রহরে বিষ মেশানো মাংস ছড়িয়ে দেওয়া হোক৷ পরে, ভোররাতে মনুষ্যেতর প্রাণীদের মৃতদেহ বহনকারী গাড়ি পাঠিয়ে, লোকজন জেগে ওঠার আগেই, লাশগুলো তুলে নিয়ে গেলেই হবে৷ বিষ যারা বানায়, তারা বিনা দামেই বিষ সরবরাহ করে পরিকল্পনাটির পৃষ্ঠপোষকতা করতে পারে এবং একইভাবে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও কসাইখানা থেকে বাসি টোকো মাংস যোগাড় করা যায়৷ পচা মাছ হলেও চলবে৷

    বিরুব্ধে মত

    প্রস্তাবটি ভালো কিন্তু এর প্রধান বিপদ হল, ওই বিষাক্ত মাংস যে শুধু কুকুররাই খাবে এমন কথা জোর দিয়ে বলা যায় না৷ উলটোপালটা কিছু ঘটে গেলে বিশ্বের সামনে কলকাতাকে হেয় হতে হবে এবং নিন্দুকেরা অনেক কিছু মুখোমুখি বা সোজাসাপটা বা কথায় কথায় বলার সুযোগ পেয়ে যাবে৷ আর একটি সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না৷ বিনা পয়সায় পাওয়া বিষ যদি ভেজাল হয়, তাহলে উদ্দেশ্য তো চরিতার্থ হবেই না, উপরন্তু কুকুরেরা বাড়তি শক্তি পেয়ে যাবে৷

    পরিকল্পনা প্রস্তাব -৩

    কুকুর মারার ব্যাপারে আমরা যদি কোনো দেশের পদাঙ্ক অনুসরণ করি তাহলে আমাদের সম্মানহানির প্রশ্ন বোধহয় ওঠে না৷ যে দেশটাকে সবাই বিশ্ব-ফুটবলের একনম্বর দেশ বলে জানে সেই ব্রেজিলের অর্থনৈতিক ইতিহাসের একটি পর্ব ব্রেজিলিয়ান মির্যাকল্’ (১৯৬৭-১৯৭৩) বলে পরিচিত৷ ওই সময় ব্রেজিলের বড়ো বড়ো গয়নার দোকানের মালিকেরা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর লোকদের দিয়ে একটি দল বানিয়েছিল, যাদের কাজ ছিল রাতের রাস্তায় ঘুমন্ত ভিখারি শিশু ও বালক-বালিকাদের গুলি করে মারা৷ এর পেছনে একটা গভীর ও সারবান যুক্তি ছিল৷ আজকে যারা ছোটো লুম্পেন তারাই কিন্তু কাল দামড়া হয়ে ডাকাবুকো গুন্ডায় পরিণত হবে এবং গয়নার দোকানে ডাকাতি করবে৷ ‘ব্রেজিলিয়ান মির্যাকল্’-এর বহু আগে, রাশিয়াতে বিপ্লবের পরেই, উইনস্টন চার্চিল বলেছিলেন যে, দুনিয়াভর বলশেভিক মুরগির বাচ্চাগুলোকে তাড়া করে বেড়ানোর চেয়ে বলশেভিক ডিমগুলোকে থেঁতলে দেওয়াই ভালো৷ মহাজন-প্রদর্শিত পথে অগ্রসর হয়ে আমরাও ব্যাপারটা ভেবে দেখতে পারি৷ কুকুরের বাচ্চাগুলোকে মেরে ফেলতে গুলি বা বিষ, কোনো কিছুরই দরকার নেই৷ ঘাড় মুচড়ে বা আছড়ে বা পিটিয়ে বা জলে ডুবিয়ে মেরে ফেলা খুবই সহজ৷ আরও সহজ হল বড়ো সাইজের পলিব্যাগের মধ্যে দলা পাকিয়ে অনেকগুলোকে ঢুকিয়ে মুখটা জবরদস্ত করে বেঁধে দেওয়া৷ ভিয়েতনাম, আর্জেন্টিনা ও চিলি থেকে এ বিষয়ে প্রেরণা পাওয়া যায়৷ বড়োগুলোকে মারলে লাশগুলোর হিল্লে করা ঝামেলা৷ কিন্তু কিছুদিন পরপর বাচ্চাগুলোকে মারলে এরা আর সংখ্যায় বাড়বে না৷ আমরা এক্ষেত্রে বড়োগুলোকে প্রাপ্তবয়স্ক মশা ও বাচ্চাগুলোকে লার্ভার সঙ্গে তুলনা করতে পারি৷ সুচারুরূপে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত করলে জানাজানি বা কেচ্ছার সুযোগও কম৷

    বিরুদ্ধে মত

    প্রস্তাবটি নিঃসন্দেহে ভাবনার খোরাক যোগায়৷ শুধু তাই নয়, বিংশ শতকের ইতিহাস থেকে যেভাবে এখানে সদর্থক শিক্ষা নেওয়া হয়েছে, তা চমকে দেওয়ার মতোই৷ এর থেকে প্রমাণিত হয় যে, আমরা শুধু দিতেই জানি না, নিতেও জানি৷

    কিন্তু দুঃখের বিষয় হল বাচ্চাদের ওইভাবে মারার দায়িত্ব যাদের দেওয়া হবে তারা দয়াপরবশ হয়ে কিছু বাচ্চাকে মারবে না৷ এর প্রমাণ আমাদের বিগত তিরিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের ইতিহাসের মধ্যেই রয়েছে৷ বিদেশে যাওয়ার দরকার নেই৷ তা ছাড়া বেড়ালের মতো গুপ্তচরসুলভ মেজাজের না হলেও কুকুররাও বাচ্চাদের লুকোতে জানে৷ আর একটা কথা সম্ভবত ভাবাই হয়নি৷ বাচ্চাদের চোখের সামনে যে ভাবেই হোক মারতে দেখলে তাদের মা-বাবারা চুপচাপ শুধু দেখে যাবে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই৷ ওরা বিকট চিত্‍কার করতে পারে, অন্য কুকুরদের ডেকে জড়ো করতে পারে এবং এমনকী মরিয়া হয়ে আক্রমণও করতে পারে৷ এর ফলে শহরে শব্দ ও অন্যবিধ দূষণ বাড়বে এবং কুকুররা মারমুখী হয়ে উঠবে৷ সেই অবস্থা আমরা কীভাবে সামাল দেব? কুকুরের সঙ্গে লড়াই চালাতে শেষে কি প্যারামিলিটারি ফোর্স নামাতে হবে? ভুলে গেলে চলবে না যে আমাদের দরকার সুখী গৃহকোণ, অসুখী গৃহযুদ্ধ নয়৷ তাই গোড়াতে সাধুবাদ জানালেও শেষ-বিশ্লেষণে প্রস্তাবটি আমরা নাকচই করলাম৷ নাকচ করার আর একটি কারণ হল শিশু-কুকুর হত্যার ওপরে জোর দেওয়া৷ ব্যাপারটা কেমন লাগেই৷ কেমন কি না?

    ‘নৈষ্কর্মা সিদ্ধি’-তে আচার্য শ্রীসুরেশ্বর বলেছিলেন,

    ‘বুদ্ধাদ্বৈতসতত্ত্বস্য যথেষ্টাচরণং যদি৷

    শুনাং তত্ত্বদৃশাং চৈব কো ভেদোহশুচিভক্ষণে৷’

    (নৈঃ সিঃ, ৪/৬২)

    -অদ্বৈততত্ত্ব সাক্ষাত্‍কারী পুরুষেরও যদি যথেষ্টাচরণ হয়, তবে অপবিত্র পদার্থভক্ষন বিষয়ে তত্ত্বজ্ঞানী ও কুকুরে কী প্রভেদ?

    পরিকল্পনা প্রস্তাব – ৪

    আমরা ঠিক ভোজসভা বা একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতা অথবা সুন্দরীদের ফ্যাশন প্যারেডের আয়োজন নিয়ে বোধহয় আলোচনা করছি না৷ এখানে স্পষ্ট দুটি পক্ষ আছে৷ একটিতে রয়েছি আমরা৷ অন্যটিতে কলকাতার রাস্তার কুকুর বা নেড়িকুত্তা যাদের বলা হয়৷ এখানে ধানাই-পানাই, দীর্ঘসূত্রতা বা দয়া প্রদর্শনের কোনো প্রশ্নই ওঠে না৷ সহজ কথাটা হল কুকুর ধরতে হবে৷ এবং ধরে আদরে রাখা নয়, মেরে ফেলতে হবে৷ এতেই কিন্তু হাত ধুয়ে ফেলা যাবে না৷ যেভাবে আমরা হাজারে হাজারে কুকুর মারার পরিকল্পনা করেছি তাতে মৃতদেহ একটি পাহাড়ে পরিণত হবে এবং সেই পাহাড় পচতে থাকবে৷ ভূমিকম্প হলে আমরা দেখেছি ইঁদুরদের গায়ে যে মাছি থাকে তারা ইদুর মরার ফলে মানুষকে কামড়াতে শুরু করে, যার পরিণতি হল প্লেগ৷ পচা কুকুর থেকে কী অসুখ ছড়াবে আমরা জানি না৷ এখনও মানুষ জানে না এমন কোনো মহামারীও শুরু হয়ে যেতে পারে৷ এইসব নানাদিক চিন্তাভাবনা করে আমাদের প্রস্তাব হল –

    ক) যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি নিয়ে কাজে নামতে হবে৷ কে কী বলল, কার চোখে কী লাগল, দুনিয়া কী ভাববে এসব ছেঁদো ব্যাপার নিয়ে, ভেবে সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয় না৷ দয়ামায়া দেখাবার অনেক জায়গা আছে – অনাথআশ্রম আছে, প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয় আছে, যৌনকর্মীদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সমস্যা আছে – সেখানে গিয়ে ওসব দেখান৷ কুকুরদের ক্ষেত্রে ওসব ছিঁচকাঁদুনে মনোভাব দেখানোর কোনো অর্থই হয় না৷

    খ) আমরা দেখেছি যে সাঁড়াশি দিয়ে কুকুর ধরার একটা চলনসই ব্যবস্থা চালু রয়েছে৷ নির্দিষ্ট এক একটি এলাকা অতর্কিতে ঘেরাও করে চিরুনি অভিযান চালাতে হবে৷

    গ) কুকুরগুলোকে ধরে আনা ও মেরে ফেলার মধ্যে ব্যবধান বেশি হলে চলবে না৷ এর জন্যে আমরা গ্যাস-ভ্যান ব্যবহার করতে পারি, যেখানে সরাসরি ইঞ্জিন থেকে কার্বন-মনোক্সাইড গ্যাস ওই ভ্যানে দেওয়া যায়৷ কিন্তু আমরা জানি যে কার্বন-মনোক্সাইডে মানুষ হলে মরতে প্রায় চল্লিশ মিনিট লাগে৷ অথচ গত শতাব্দীর ইতিহাস চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে খুবই উদঞ্জবায়ী হাইড্রোজেন সায়ানাইড গ্যাস এই সময়টাকে পনেরো মিনিটে নামিয়ে আনতে পারে৷ এটাও অবশ্য মানুষেরই হিসেবে৷

    ঘ) এবার আমাদের শেষ কাজ৷ মৃতদেহের গতি৷ এর জন্য আমরা জরুরি ভিত্তিতে কয়েকটি বিদ্যুৎ-চুল্লি তৈরি করতে পারি যেগুলো পরে অন্য কাজেও ব্যবহার করা যেতে পারে৷ দেখা যাচ্ছে যে তৃতীয় ধাপটি শেষ হওয়ার পরে সেবারের মতো আমাদেরও কাজ শেষ৷ এবং শেষ কুকুরদের দলটি এই তিন ধাপ পদ্ধতি অতিক্রম করলেই আমাদের কাজ একেবারেই সমাপ্ত ও সম্পূর্ণ হবে৷

    বিরুদ্ধে মত

    এটা আমরা করতে পারি না৷ কারণ পুরো মডেলটাই হচ্ছে নাত্‍সি মৃত্যু-শিবিরের যা আমাদের দুর্নাম ছাড়া আর কিছুই দিতে পারে না৷ পরিকল্পনাটি ভেবেচিন্তেই করা এবং কার্যকর নয় এমনও বলা যায় না৷ বোঝাই যায় যে নাত্‍সি-পর্বে মৃত্যু-শিবিরের খুঁটিনাটি ভালোভাবেই বিচার করা হয়েছে এবং ত্রেবলিনকা, সবিবর, বেলজেক, অসউইত্‍জ-১ বা সেন্ট্রাল এবং অসউইত্‍জ-২ অর্থাৎ বিরকেনাউ-এর ঢঙে কুকুর মারা ও পুড়িয়ে ফেলার ছকটি করা হয়েছে৷ প্রস্তাবটি লোভনীয় হলেও গ্রহণযোগ্য নয় এবং এই প্রসঙ্গে প্রস্তাবকারীদের আমরা জানাচ্ছি যে নাত্‍সিদের মতো পরিকল্পনা-মনস্করাও কিন্তু আগেভাগে সবটা বুঝতে পারেনি৷ একটি উদাহরণই যথেষ্ট৷ অসউইত্‍জ (বিরকেনাউ)-এ চারটে মড়া পোড়াবার চুল্লি ছিল যেগুলো বানিয়েছিল এরফুর্তের জে.এ.টফ্ অ্যান্ড সন্স্৷ এর মধ্যে বড়ো দুটি চুল্লি প্রতি ২৪ ঘন্টায় ৬৫০০ মড়া পোড়াতে পারত৷ ওই দুটি চুল্লি ১৮ মাস একনাগাড়ে চলেছিল অর্থাৎ ১৮,০০,০০০ মড়া পুড়েছিল৷ এটা পুরো হিসেব নয়৷ পুরো হিসেব হল ৪ মিলিয়ান বা ৪০,০০,০০০৷ যাইহোক এত বড়ো ব্যবস্থার মধ্যেও অ্যাডলফ্ আইসম্যান যখন ৪,০০,০০০ হাঙ্গেরিয়ান ইহুদিকে হত্যা করে তখন চুল্লিগুলো সামাল দিতে পারেনি৷ চুল্লির ইটে ফাটল ধরতে শুরু করে৷ তখন বিশেষ দহনখাদ খোঁড়া হয় যেখানে কংক্রিটের নর্দমা দিয়ে মানুষের চর্বি বয়ে যেত এবং সেই চর্বি জ্বলন্ত মৃতদেহের ওপরে বেলচা দিয়ে তুলে ঢেলে দেওয়া হত৷ এ কাজ করত বন্দিরাই৷ অতএব দেখা যাচ্ছে যে, সব পরিকল্পনার মধ্যেই অভাবনীয় নানা গলদ থেকে যায়৷ প্রস্তাবটি আমরা খারিজ করলেও এটি সংরক্ষণযোগ্য৷

    বিরুদ্ধে মত (সংযোজনের জন্য)

    প্রসঙ্গত মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে তরুণদের চিন্তা ভাবনা আমাদের ফেলনা মনে করা উচিত হবে না৷ উপরোক্ত প্রস্তাব-বিরোধী বক্তব্যের সঙ্গে মোটের ওপর একমত হয়েও জানাচ্ছি যে, মাত্র ২৯ বছর বয়সি এস. এস. অফিসার অটো মল অশউইত্‍জ-এ দহন খাদের নকশা করেছিল৷ নর্দমা দিয়ে যখন মানুষের ফুটন্ত চর্বি বয়ে যেত তখন অটো মল তার মধ্যে বাচ্চাদের ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলত৷ প্রস্তাবটি অবশ্যই সংরক্ষণযোগ্য এবং গোপন রাখলেই ভালো হয়৷

    পরিকল্পনা প্রস্তাব -৫

    অনেকগুলো প্রস্তাব এসেছে৷ কোথাও বিজ্ঞানেরও কৃৎকৌশলের জয়জয়কার৷ কোথাও একপেশে সামরিক মনোভাব৷ কোথাও ভ্রষ্ট শতাব্দীর ইতিহাসের যান্ত্রিক প্রভাব৷ আমাদের বক্তব্য হল নিজেদের ক্ষমতা বিচার করে ব্যবস্থা নিতে হবে৷ উদ্ভট খরচ যাতে না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে৷ সাপও (অর্থাৎ কুকুরও) মরে, লাঠিও না ভাঙে সেটা দেখতে হবে৷

    ক) সাঁড়াশি দিয়েই কুকুর ধরা হোক৷ কারণ এর কিছু ব্যবস্থা ও অভিজ্ঞ কর্মী অন্তত আমাদের হাতে আছে৷

    খ) কুকুর মারার জন্যে এক নয়া পয়সাও খরচ হবে না৷ ব্রিটিশ শাসকরা যে পিঁজরাপোলগুলো বানিয়েছিল সেগুলোর মধ্যে কুকুরদের ছেড়ে দিলেই চলবে৷ খাবার বা জল কিছু দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না৷ শুকিয়ে কয়েকদিনেই মরে যাবে৷ এবং এভাবে মরলে মৃতদেহে স্নেহপদার্থ ও জলের ভাগ যথেষ্ট হ্রাস পাবে৷ পচে গেলেও ভয়ানক কিছু হবে না৷ শকুন, চিল, কাক এরা আছে৷ অতএব কঙ্কালে পরিণত হতে বেশি সময় লাগবে বলে মনে হয় না৷ এর চেয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থার কথা বর্তমানে আমরা কী ভাবতে পারি?

    প্রস্তাবের পক্ষে মত

    এর চেয়ে ভালো কোনো ব্যবস্থার কথা এই মুহূর্তে আমরা ভাবতে পারি না৷ পয়সা গাছে ফলে না৷ দেশের হালও বেহাল৷ এখন যদি কলকাতা অলিম্পিক বা বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজন করতে চায়, সেটা যেমন সম্ভব নয়, তেমনই সম্ভব নয় কুকুর মারার জন্যে এমন একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা যা আমাদের সাধ্যাতীত৷ তাই সবকিছু বিচার করে আমরা ‘পরিকল্পনা প্রস্তাব-৫’ সুপারিশ করছি৷ এরপর প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি ওপর-মহলে পাঠানো হবে৷ ওপর-মহলে আবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তা চূড়ান্ত সম্মতির জন্য পাঠাবেন…

    আগেই সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে পাড়ি দেওয়া কুকুরদের কথা বলা হয়েছে৷ রাস্তার শানের ওপরে, বাঁধানো জায়গার ওপরে তাদের চারটে থাবা যখন ছন্দ মিলিয়ে পড়ে তখন নখের সামান্য শব্দ হয়৷ মধ্যে থেমে থেমে একটু জিরিয়ে নিতে হয়৷ জল খেতে হয়৷ ফের ছুটতে হয় খবর নিয়ে৷ নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে৷ মাঝপথে যে কুকুররা খবর পায় তারাও সবাই চুপ করে বসে থাকে না৷

    কুকুর কীভাবে তার অভীষ্ট খুঁজে বের করে তা নিয়ে অনেক সত্যি ঘটনা আছে যার মধ্যে জাদুর ছোঁয়া রয়েছে৷ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে গ্রেট ব্রিটেনের ফার্স্ট নর্থ স্ট্যাফোর্ডশায়ার রেজিমেন্টের সৈন্য জেমস ব্রাউন যুদ্ধ করতে ফ্রান্সে গিয়েছিল৷ ১৯১৪ সালের আগস্টে৷ ২৭ সেপ্টেম্বর ব্রাউনের স্ত্রী তাঁকে চিঠিতে এই দুঃসংবাদ দেয় যে, তার প্রিয় আইরিশ টেরিয়ার ‘প্রিন্স’-কে পাওয়া যাচ্ছে না৷ ব্রাউন তাঁর স্ত্রীকে জবাবে লেখে, ‘দুঃখের ব্যাপার যে তুমি প্রিন্স-কে খুঁজে পাওনি৷ পাওয়ার কথাও নয়৷ কারণ সে আমার কাছেই রয়েছে৷’ এর মানে প্রিন্স ইংল্যান্ডের দক্ষিণেই ২০০ মাইল পথ পেরোয়৷ ইংলিশ চ্যানেল কোনোভাবে অতিক্রম করে৷ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ফ্রান্সের ৬০ মাইল পেরিয়ে আর্মেন্তেয়ের-এ একটি ট্রেঞ্চে তার প্রভুকে খুঁজে বের করে৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }