Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প64 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লুব্ধক – ৬

    ৬

    … একটা কুকুর যখন বাস চাপা পড়ার পরে রাস্তায়,
    চাঁদের আলোয় রক্তে ভিজে শুয়ে থাকে আর
    তার শেষ চিত্‍কার টেপরেকর্ড করে
    ইস্কুলের বাচ্চাদের শোনানো হয়…

    ‘আমরা মোটের ওপরে বুড়ো কুকুরগুলোর ওপর নজর রেখে এবং মোটের ওপর ওদের লক্ষ্যবসত্তর একটা আন্দাজ করে অনুমান করছি যে ওরা বৃহৎ কুকুরমণ্ডলের দিকেই তাকিয়ে আছে৷ এর কারণ আমরা জানি না৷ সন্ধানী-আলোয় দেখা গেছে যে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকার সময়টা ওদের মুখটা একটু হাঁ করে থাকছে এবং জিভগুলো থরথর করে কাঁপছে৷ ওরা কি কোনো প্রার্থনা জানাচ্ছে? কুকুররা কি প্রার্থনা জানাতে পারে? বৃহৎ কুকুরমণ্ডলের কী আছে যে ওরা কিছু চাইতে পারে? এখন ওই বুড়ো কুকুরগুলো যদি মরে যায় তাহলে আমরা এই অনুমানভিত্তিক পরীক্ষা আর চালাতে পারব না৷ তাই আমরা অনুরোধ করছি পিঁজরাপোল-১-এ অন্তত কিছু খাবারদাবার ও জল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক৷ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই উপলব্ধি করতে পারবেন যে বুড়ো কুকুরদের প্রতি মমত্ববোধ থেকে এই প্রস্তাব আমরা করছি না৷ আমরা যা কিছু বলছি সবই অমিত শক্তিধর বিজ্ঞানের স্বার্থে৷’

    ঘেউ! ঘেউ!

    লুব্ধক ওরফে কুকুর তারা ওরফে সিরিয়াস ওরফে আলফা ক্যানিস মেজরিস হল একটি যুগ্ম তারা৷ জার্মান জ্যোতির্বিদ ফ্রিডরিশ ভিলহেলম বেসেল ১৮৪৪ সালে এই তারকাটির কথা প্রথম বলেন এবং যুগ্ম তারকাটিকে চাক্ষুষ দেখা যায় ১৮৬২-তে৷ দেখেছিলেন মার্কিন জ্যোতির্বিদ অ্যালভান ক্লার্ক৷ প্রাচীন মিশরীয়রা লুব্ধককে বলত ‘সোথিস’৷ রোমে, সবচেয়ে গরমের সময় এই তারা দেখা দিত৷ ইংরেজি ‘ডগ ডেজ’ কথাটির মধ্যে সেই রোমক অভিজ্ঞাতার রেশ রয়ে গেছে৷ লুব্ধকের যুগ্ম তারা হল সিরিয়াস-বি৷ তারাদের দুনিয়ায় এ হল একটি সাদা বামন অর্থাৎ এর পরমাণুরা ঘন সনিনবিষ্ট হতে হতে আশ্চর্য ঘনত্ব অর্জন করেছে৷ আফ্রিকার ডোগন উপজাতির লোকেরা লুব্ধক ও সিরিয়াস-বি সম্বন্ধে খুঁটিনাটি অনেক খবর জানে৷ কীভাবে ‘জংলিরা এসব জানল (যেমন সিরিয়াস-বি হল সবচেয়ে ছোটো আর ভারি তারা) তা হদিশ করা যায়নি৷ নীলচে-সাদা লুব্ধক সৌর পরিবার থেকে ৮০৬ আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে৷ লুব্ধক সূর্যের চেয়ে বড়ো এবং ২৩ গুণ বেশি উজ্জ্বল৷ সাদা বামন সিরিয়াস-বি-র ভরও প্রায় সূর্যের সমান কিন্তু ঘনত্ব অনেক বেশি৷ ঘেউ! ঘেউ!

    কান-গজানো, জিপসি, বেড়াল এরা সবাই যে ট্রান্সফরমার ঘরের মধ্যে লুকিয়েছিল সেখানকার নেতার নাম বাহান্ন৷ হলদেটে মাদি কুকুর বাহান্ন-র এরকম নাম হওয়ার কারণ, মোটের ওপরে তখন অবধি সে বাহান্নজনকে কামড়িয়েছে৷ অবশ্য এর জন্যে ওকে দোষ দেওয়ার কোনো মানে হয় না৷ প্রতি বছরই বাচ্চা হওয়ার সময়টাতে লোকেরা ও কম বয়সের মানুষেরা কারণে-অকারণে মা ও বাচ্চাদের বিরক্ত করে বলে মায়েরা কামড়াতে বাধ্য হয়৷ সেখানে একটা কুকুর ছিল যার নাম তিনপেয়ে৷ ছোটোবেলাতেই মোটর সাইকেল একটা পা উড়িয়ে দিয়েছিল৷ কলকাতায় এরকম অসংখ্য জায়গার মধ্যে কুকুরেরা লুকিয়ে ছিল৷

    প্রত্যেকটা ট্রামডিপো ও পাম্পিং স্টেশনে, দুধের বুথের পেছনে ও ভাঙাচোরা গ্যারেজে, থানার মধ্যে যেখানে অ্যক্সিডেন্টে চুরমার গাড়িদের রাখা হয় সেখানে, কবরখানা, বাসগুমটি, রোলের দোকানের তলায়, বেড়ার পেছনে, খোলা ম্যানহোলের মধ্যে, আধ-বানানো বাড়ির সিঁড়ির তলায়, বিরাট জায়গা জুড়ে দোতলা বাসের ভাগাড়ে, সুলভ শৌচালয়ের পেছনে, পার্কের মধ্যে, গাড়ি ঢুকতে পারবে না এরকম অপ্রশস্ত গলিতে, দুর্গাপুজোর জন্য বানানো পাকা বেদির পেছনে, শ্মশানে, আদিগঙ্গার ধারে বুনোকচুর জঙ্গলে, সেতুর তলায় নানা ফাঁকফোকরে – কুকুররা লুকোয়নি এমন কোনো জায়গা ছিল না৷ সকলেই জানে যে বড়ো বড়ো পাইপ-এর ভেতরে মানুষ ঘরসংসার করে৷ কিন্তু কোনো কোনো জায়গায় এমন মাপের পাইপ পড়ে থাকে যার মধ্যে মানুষের পক্ষে ঢোকা সম্ভব নয়৷ কলকাতার কুকুরেরা সেগুলোকেও কাজে লাগিয়েছিল৷ যেমন কাজে লাগিয়েছিল রাতের বাসের তলা, ইটের পাঁজা, স্টেডিয়ামের আশপাশের পরিত্যক্ত এলাকা ও বাতিল মালগাড়ির ওয়াগন৷ এইসব জায়গায় কুকুর-ধরা গাড়ি কখনও পৌঁছতে পারবে না৷ কোনো সাহসী কুকুর-ধরা যদি একা একা সাঁড়াশি হাতে যায় তাহলে তাকে বিপদের মুখে পড়তে হবে৷ বাঁধা মাইনের চাকরিতে অত ঝুঁকি নেওয়া চলে না৷ সবাই তো আর মিলিটারি নয়৷

    কুকুর-উপকথার মধ্যে গল্পের সঙ্গে সঙ্গে সত্যি বা চিরন্তন ঘটনার মিশেল থেকেই যাচ্ছে৷ শুধু সিমেন্ট দিয়ে কোনো কাঠামো বানানো যায় না৷ বালি, জল, লোহার রড – অনেক কিছু লাগে৷

    প্রচণ্ড গরমের মধ্যে (৯৫, ১১৩, ও ১২২ ডিগ্রি ফারেনহাইট) কুকুরদের ট্রেডমিল ব্যায়াম করিয়ে অনেক পরীক্ষা করা হয়েছে৷ আরও যে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা কুকুরদের ওপরে চালানো হয়েছে তা বিভিন্ন ফাইলের শিরোনাম দেখলেই বোঝা যাবে-

    Accleration, Aggression, Asphyxiation, Blinding, Burning, Centrifuge, Compression, Concussion, Crowding, Crushing, Decompression, Drug Tests, Experimental Neurosis, Freezing, Heating, Hemorrhage, Hindleg Beating, Immobilization, Isolation, Multiple Injuries, Prey Killing, Protein Deprivation, Punishment, Radiation, Starvation, Shock, Spinal Chord Injuries, Stress, Thirst… – এই তালিকার কোনো শেষ নেই৷ আর আছে – চিমটে দিয়ে শরীরের কোনো অংশ ছিঁড়ে নেওয়া, থ্যাঁত্‍লানো, হাতুড়ির বাড়ি মারা, ঘুরন্ত ড্রামের মধ্যে গড়ানো, গুলি করা, ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করা ইত্যদি৷ সবই বিজ্ঞানকে সর্বশক্তিমান করার জন্যে৷

    পাঁচমিনিট পরে কাঁপুনি দমকে দমকে শুরু হল৷ ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম মিনিটের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাসের সংখ্যা বেড়ে গেল৷ ১১শ থেকে ১৩শ মিনিটের মধ্যে শ্বাসের সংখ্যা কমে মিনিটে তিনটিতে নেমে এল এবং এই পর্বটির শেষেই শ্বাসক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেল৷ এর আধঘন্টা পরে ব্যবচ্ছেদ শুরু হল’ – এই পরীক্ষা কিন্তু কুকুরের ওপর হয়নি৷ হয়েছিল কোনো ইহুদি, রুশ বা পোল যুদ্ধবন্দির ওপরে৷ বাতাসের চাপ কমাতে থাকলে মানুষের কী হয় তা জানার জন্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাটি করেছিল নাত্‍সি ডাক্তারেরা৷ অতএব মানুষ যে শুধু কুকুর ও অন্যান্য প্রাণীদের ওপরেই পরীক্ষা চালিয়েছে এমন নয়৷ বিজ্ঞানের জয় হোক৷ ঘেউ! ঘেউ!

    দেওয়ালের ওপরের দিকে একটা গর্ত ছিল৷ কিন্তু সেটা মানুষের ঢোকার৷ ওই গর্তটা করেছিল পাতাখোর চোরেরা৷ ওরা ওখান দিয়ে লোহালক্কড়, তার, টুকটাক যন্ত্রপাতি – এসব টুকরো মাল ঝাড়বে ভেবেছিল৷ খুব একটা লাভ হয়নি৷ সে-সব যা টানার মতো ছিল সে তো কবে উধাও হয়ে গিয়েছিল৷ জগু আর ভজুয়া গিয়ে দেখল গর্তটা নীচের দিকে বাড়াতে না পারলে দুবলা বা বুড়ো, বাচ্চা বা কমজোরী মায়েরা ঢুকতে পারবে না৷ পুরো একটা রাত্তির ওদের লেগেছিল গর্তটা বাড়াতে৷ মেট্রোরেলের সীমানাটা টালিগঞ্জের দিকে শেষ হয়েছে সেখানে রেললাইন ফুরিয়ে যাওয়ার পরেও অনেক, অনেক জায়গা রয়েছে৷ সেখানে কেউ যায় না৷ অনেক বছর ধরে গাছ ও আগাছা, ইট, রেলের স্লিপার, জমাট বেঁধে যাওয়া সিমেন্টের বস্তা – এইসব মিলেমিশে সেখানে একটা দুর্ভেদ্য পরিবেশ তৈরি হয়েছে৷ তেলাকুচো ও অন্যান্য লতানো গাছ জায়গাটাকে এমনভাবে জড়িয়ে জড়িয়ে ঢেকেছে যে কোথাও কোথাও রোদ্দুর বা আলো, কিছুই ঢোকে না৷ বরং সবুজ অন্ধকার থাকে যার সঙ্গে পচা পাতা, গাছের কষ ও ভিজে মাটির গন্ধ ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে৷ হাওয়া ঢোকে কম৷ এই আদ্রর ছায়ায় অসংখ্য পাতালকোঁড় হয় এবং গোল গোল গেঁড়ি অবাধে ঘুরে বেড়ায়৷ পরের রাতে ওই গর্ত দিয়ে প্রায় দেড়শো কুকুর মেট্রোরেলের এলাকায় ঢুকে আশ্রয় নেয়৷ এদেরই মধ্যে ছিল পাটকিলে আর তার চারটে বাচ্চা৷ কলকাতার কুকুরদের বাঁধা এলাকা থাকে৷ জায়গার দখলদারি রাখতে ঝগড়া থেকে সংঘর্ষ, গর্গর করে রাগ দেখানো থেকে শুরু করে রক্তক্ষয়ী কামড়াকামড়ি সবই হয়৷ কিন্তু কুকুর ধরার অভিযানের সময় এসব আর মাথায় রাখা সম্ভব হয়নি৷ তাড়া খেয়ে কুকুরদের দঙ্গল বেঁধে শহরের এ-মাথা থেকে ও-মাথা পালাতে হয়েছে৷ সবাই পালাতে পারেনি৷ কোনো কোনো অন্ধ বা চোখে কম দেখতে পাওয়া কুকুর ফ্লাইওভার বানাবার জন্যে খোঁড়া, গভীর জলজমা গর্তের মধ্যে পড়ে গেছে৷ হয় জলে ডুবে মারা গেছে বা কাদার ঢালের ওপর দিয়ে বারবার ওঠার চেষ্টা করে পিছলে নেমে গেছে৷ সারা রাত ধরে কলকাতার বাজারে যে লরির কনভয় আসে তার হেডলাইটের রাক্ষুসে আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে অনেক কুকুর রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ছে৷ লরির পর লরি, চাকার পরে চাকা তাকে পিষে পিষে, গুঁড়িয়ে, রাস্তার পিচের সঙ্গে লেই-এর মতো মিশিয়ে দিয়েছে৷ ঠাঁইনাড়া বা হটাবাহার হলে সকলেই কেমন যেন দিশেহারা হয়ে পড়ে৷ কলকাতার কুকুরদের বেলাতেও এর অন্যথা ঘটেনি৷

    ট্রান্সফরমারের ঘরে সব কুকুরই, এমনকি বাচ্চাগুলোও চুপচাপ বসেছিল৷ শুধু একটা পাঁজরভাঙা রোগা কুকুর ঘুমের ঘোরেই গোঙাচ্ছিল৷ জিপসি আর কান-গজানো ফিসফিস করে গল্প করছিল আর তাদের দুজনের মধ্যে, দুজনেরই গায়ের গরম থেকে আরাম পেয়ে গুটিশুটি মেরে ঘুমোচ্ছিল বেড়াল৷ দরজার দিকটায় শুয়ে শুয়ে বাহান্ন বাইরের দিকটায় নজর রাখছিল আর বাতাস শুঁকে শুঁকে বা কান পেতে প্রায় অস্ফুট সব কম্পন থেকে কোনো খবর বা অন্যকিছুর জন্য সজাগ সন্ধান চালাচ্ছিল৷ কান-গজানো জিপসিকে বলল,

    -তোকে তো ভদ্দরলোকেরা অনেকদিন পুষেছিল৷

    -পুষেছিলই তো৷

    -তাহলে নির্ঘাৎ টিভি-ও অনেক দেখে থাকবি৷

    -দেখব না কেন?

    -তাহলে একটা বেশ ভালো গল্প বল্ না৷ শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ব৷

    -টিভির গল্পগুলো একেবারেই ফালতু৷ একটা ভালো গল্প শুনবি তো বলতে পারি৷

    -বল৷

    বাইরে কারা যেন টহলদারি করছে৷ তাদের বুটের শব্দ কাছে আসে৷ ট্রান্সফরমারের ঘরে টর্চের আলো পড়ে৷ টহলদাররা চলে যায়৷ পাঁজর-ভাঙা কুকুরের গোঙানির আওয়াজটা ওদের কানে যায়নি৷ ওদের বুটের আওয়াজটা দূরে মিলিয়ে যাওয়ার পরে বাহান্ন বলল-

    -জিপসি!

    -কী?

    -তুই বরং গল্পটা জোরেই বল৷ যারা জেগে আছে তারা সকলেই শুনবে৷ আমারও শুনতে ইচ্ছে করছে৷

    -দাঁড়া৷ তাহলে উঠে বসে বলি৷ আমাদের এই গল্পটার নাম হচ্ছে ‘ক্ষুধার্ত কুকুর’৷ এক মস্ত বড়ো রাজা ছিল৷

    -উফ্, ফের সেই রাজা-গজা৷

    -শোনোই না, কী হয় তারপর৷ সেই রাজা ছিল অসম্ভব অত্যাচারী৷ বিনা কারণে অত্যাচার করাতেই সে আনন্দ পেত৷ তা একবার হল কী, বুদ্ধদেব সেই অত্যাচারী রাজার রাজ্যে এলেন৷ সেই রাজা তখন বুদ্ধকে বলল, হে তথাগত, তুমি কি আমাকে এমন শিক্ষা দিতে পারো যাতে করে আমার মনটা অন্যভাবে ভাবতে পারে? বুদ্ধদেব তখন বললেন, আমি তোমাকে ‘ক্ষুধার্ত কুকুরের’ গল্পটা বলছি৷ মন দিয়ে শোনো-

    এক ছিল অত্যাচারী সম্রাট৷ তাকে শিক্ষা দেবার জন্য ইন্দ্র শিকারি সেজে তার রাজ্যে এলেন৷ সঙ্গে ছিল ভীষণ এক বিশাল কুকুরের রূপে মাতালি রাক্ষস৷ শিকারি আর কুকুর সম্রাটের প্রাসাদে ঢুকল৷ কুকুরটা এমন জোরে ডাকতে লাগল যে গোটা প্রাসাদটা ভিত্ অবধি থরথর করে কেঁপে উঠল৷ সম্রাট তখন সেই শিকারিকে ডেকে ওই ভয়াবহ ডাকের কী কারণ তা জানতে চাইল৷ শিকারি বলল, ওর খিদে পেয়েছে তাই ডাকছে৷ ভীত সম্রাট তখন কুকুরকে খেতে দিতে বলল৷ পুরো রাজবাড়ির সব খাবার শেষ হয়ে গেল৷ কুকুরের ডাক থামে না৷ সম্রাটের খাদ্য-ভাণ্ডার শেষ হয়ে গেল৷ কিন্তু কোথায় কী? সম্রাট তখন বলল, এই ভয়াবহ জানোয়ারটার খিদে কি কিছুতেই মেটানো সম্ভব নয়? শিকারি বলল, না যতক্ষণ না ও ওর শত্রুদের মাংস, হাড়, সব চিবিয়ে না খাবে ওর খিদে মিটবে না৷ সম্রাট তখন বলল, কারা ওই বিশাল কুকুরের শত্রু? শিকারি বলল, এই রাজ্যে যতদিন মানুষ ক্ষুধার্ত থাকবে ততদিন ওর ডাক বন্ধ হবে না এবং গরিবদের ওপরে যারা অত্যাচার করে, অন্যায় করে তারাই হল ওর শত্রু৷ ভীত সম্রাট তখন নিজের কুকর্ম সম্বন্ধে সচেতন হল এবং প্রজাদের ওপরে জুলুম করা বন্ধ করল৷

    গল্পটা শেষ করে বুদ্ধদেব ভয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া সেই রাজাকে বললেন, যখনই শুনবে যে ওই কুকুরাটা ডাকছে তখনই বুদ্ধের শিক্ষার কথা মনে কোরো৷ এতে করে তোমার ভালো বই মন্দ হবে না৷

    গল্পটা শেষ হওয়ার পরে সকলেই চুপ করে ছিল৷ বাহান্ন বলে উঠল, -গল্পটা খুবই ভালো৷ কিন্তু আমার কথা একটাই৷ আমাদের ওপরে যে নিষ্ঠুর অত্যাচার চলছে তা বন্ধ করার কি কোনো উপায়ই নেই? বুদ্ধদেব, ইন্দ্র, মাতালি অথবা অন্য কেউ কি আমাদের হয়ে একটাও কথা বলবে না?

    কান-গজানো হঠাৎ চিত্‍কার করে ডেকে উঠল৷ সবাই চমকে গেছে৷

    -আমি শুনতে পাচ্ছি৷

    -কী!

    -অনেক কিছু হচ্ছে, একই সঙ্গে৷

    -কী? কী হবে?

    -বলো!

    -চুপ করে থাকিস্ না৷

    -ম্যাঁও৷

    -বলছি৷ ছায়া-কুকুরেরা এবার দৃশ্যমান হবে৷ ওরা যাকে পাঠিয়েছিল সে বার্তা নিয়ে ফিরে এসেছে৷

    বাইরে বিদ্যুৎ চমকাল৷ আকাশ চিরে বাজ পড়ার শব্দ হল৷ বৃষ্টি নামল৷ ঘেউ! ঘেউ!

    -কে বার্তা নিয়ে ফিরে এসেছে?

    কান-গজানোর ওপরে কিছু একটা ভর করেছে৷ তা না করলে সে এসব কথা জানবে কী করে? কিন্তু সর্বশক্তিমান বিজ্ঞান কি ভর মানে? না৷ বিজ্ঞান ভর না মানলেও আবেশ মানে৷ না মানলেই বা কী এসে গেল?

    -বার্তা নিয়ে ফিরে এসেছে অনুবিস৷

    -অনুবিস?

    -হ্যাঁ, অনুবিস৷ পোড়ামাটির র- তার গায়৷ তার প্রতীক হল পাথরের শবাধার বা কাঠের কফিন৷ অনুবিস হল সেই মিশরীয় হাউন্ড যে এ-পৃথিবী থেকে পরবর্তী বিশ্বে যাতায়াত করতে পারে৷ অবশ করে দেওয়ার জাদু সে জানে৷ সে হারানো জিনিস খুঁজে দিতে পারে৷ আত্মা বা ‘বা’- কে সে রক্ষা করে৷ রহস্য উন্মোচনকারী নপথিস বা বিচারক ওসাইরিসের কাছে সে প্রার্থীকে নিয়ে যায়৷ অনুবিস বার্তা নিয়ে ফিরে এসেছে৷ বাইরে যে ঝড় উঠছে দেখছ তা হল বার্তা পেয়ে ছায়া কুকুরদের উল্লাস৷

    -কিন্তু কী আছে সেই বার্তায়?

    -জানি না৷ তবে আমাদের জন্যে নির্দেশ আসছে৷

    -কে আনছে?

    -বাদামী৷ আমি তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছি৷ বাদামী আসছে৷

    ছায়া-কুকুররা দৌড়চ্ছে৷ বিদ্যুৎ চমকালে তাদের ছায়া গোটা শহরের ওপরে চমকে উঠছে৷ ওই তো সবার আগে দৌড়চ্ছে লাইকা৷ তার পেছনে ভেলু৷ পাশে দৌড়চ্ছে কারা? ওরা হল শ্মশানের কুকুর৷ কালু, ভুলু, জামভোলা, বড়োশ্বেতফুল, মড়িমা, সাবলিদিদি, বুড়োবাবা, বুড়িমা, ছোটোশ্বেতফুল, দুর্গা, পদি, হরির মা, থরথরি, ফুলটুসি, হরহরি, বাঘা, রাঙ্গুবাবু – সবাই দৌড়োচ্ছে৷

    কান-গজানো ভুল বলেনি৷ সারা গা চুপচুপে ভিজে৷ সমস্ত লোম লেপটে রয়েছে সারা গায়৷ বাদামী এল৷

    -সবকিছু ঠিকঠাক আছে তো?

    -সবাই আছি৷ ঠিকই আছি৷

    -আজ মাঝরাতে, সবাই মন দিয়ে শোনো, হঠাৎ তোমরা দেখতে পাবে যে কুকুরদের একটা বিশাল দল কাছে আসছে৷ তোমরা শয়ে শয়ে পায়ের শব্দ পাবে৷ পেলেই তোমরা বেরিয়ে আসবে৷ -কোথায়?

    -রাস্তায়৷ তারপর সেই দল যেদিকে যাবে তোমরাও চলতে থাকবে৷ মোদ্দা কথা আমাদের কলকাতা ছেড়ে দূরে চলে যেতে হবে৷

    -কোথায় যাব আমরা?

    -দূরে৷ অনেক দূরে৷ আর শোনো, সবাইকে ছুটতে হবে৷ দরকার হলে পালা করে বাচ্চাদের মুখে নিয়ে ছুটতে হবে৷ যারা দুর্বল, অসুস্থ বা চোট পেয়েছে তাদেরও সঙ্গে কাঁধ লাগাতে হবে৷

    -অনুবিস কী বার্তা এনেছে তুমি জানো?

    -তুমি অনুবিসের কথা জানলে কী করে?

    -কী করে তো বলতে পারি না৷ কেমন একটা ভরের মতো হয়েছিল৷

    -কী বার্তা সেটা আমিও জানি না৷ আমাকে যতটা জানাতে বলা হয়েছে ততটাই আমি বললাম৷

    -এখন তুমি কোথায় যাবে?

    -আমি? আমাকে এখন অনেকগুলো জায়গায় খবর দিতে হবে৷ আমি বরং আর সময় নষ্ট না করে এগিয়ে যাই৷

    বাদামী তুমুল ঝড়বৃষ্টির মধ্যেই যেমন এসেছিল তেমনই চলে গেল৷

    বাহান্ন একবার ফাঁকায় বেরিয়ে এসে আকাশের দিকে তাকাল৷ অন্ধকার ফুঁড়ে লক্ষ লক্ষ তির হয়ে বৃষ্টি নামছে৷ বাহান্ন ঘরে ফিরে এল৷ জিপসি বলল,

    -আমরা সবাই যাব কিন্তু পাঁজর-ভাঙা আমাদের সঙ্গে যেতে পারবে না?

    -কেন?

    -গোঙাচ্ছিল৷ কোনঞ্জ ফাঁকে মরে গেছে আমরা বুঝতে পারিনি৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }