Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লেটার বক্স – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প47 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫. বাটা কোম্পানীর এক সেলসম্যান

    ছোটোবেলায় আমাদের পাড়ায় বাটা কোম্পানীর এক সেলসম্যান থাকতেন। তিনি পথে-ঘাটে হাটে-বাজারে আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব দের বাড়িতে বিয়ের নেমন্তন্ন খেতে গিয়েও সব সময় সবার পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখতেন, কে কি জুতো পরেছেন।

    পাড়ার সবাই ওকে নিয়ে ঠাট্টা করতেন। কেউ বলতেন, শম্ভুদা নিশ্চয়ই শুভদৃষ্টির সময় বোদির মুখের দিকে না তাকিয়ে পায়ের দিকে তাকিয়েছিলেন।

    সঙ্গে সঙ্গে আরেকজন ফোঁড়ন কেটে বলতেন, তার চাইতেও বড় কথা বৌদিকে খালি পায়ে দেখেই উনি বুঝেছিলেন, পাঁচ নম্বর লাগবে।

    শম্ভুদা শুভদৃষ্টির সময় সত্যি সত্যি বৌদির পায়ের দিকে তাকিয়ে ছিলেন কিনা অথবা তাকে খালি পায়ে দেখে দুঃখ পেয়েছিলেন কিনা, তা আমি জানি না। তবে তার দৃষ্টি যে সর্বত্র সব সময় নিম্নগামী ছিল, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।

    তখন শম্ভুদাকে দেখে অবাক হতাম। মনে হত উনি কি অদ্ভুত মানুষ।

    এখন জেনেছি, এই বিশ্ব-সংসারের অধিকাংশ মানুষই শম্ভুদা! কেউ পায়ের জুতো দেখেন, কেউ বা অন্যকিছু।

    আমাদের মনোরঞ্জনবাবু মাস্টারমশাই সব সময় বলতেন, আমাদের দেশে মাস্টারদের সম্মান নেই বলেই তো দেশের এই দুর্গতি! ওরে বাপু, মাষ্টারমশাইরাই তো জাতিকে সত্যিকার উন্নত করতে পারেন। জজ-ম্যাজিস্ট্রেট বা ব্যবসাদার দিয়ে কী দেশের সত্যিকার উন্নতি হয়?

    দারোগাবাবুরা চব্বিশ ঘণ্টাই চোর-ডাকাত খুন-জখম-রাহাজানি লুঠপাট-বলাৎকার নিয়ে ব্যস্ত ও বিব্রত থাকেন বলে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে বিশেষ খুঁজে পান না। ডাক্তারবাবুদের ধারণা, সবাই কোন না কোন রোগে ভুগছেন। উকিলবাবুরা ভাবতেই পারেন না, কোর্ট কাছারি না করেও সংসারে থাকা যায়। ডেনটিস্টদের একটাই দুঃখ, দেশের লোকজন দাঁতের যত্ন নিতে শিখল না। অর্থাৎ আমরা সবাই এক একজন শম্ভুদা! অনন্ত বৈচিত্র্যময় বিশ্ব-সংসারের মানুষও কম বৈচিত্র্যে ভরা নয় কিন্তু আমরা কজন সেই অজানা জগতের খবর রাখি?

    একদিন কথায় কথায় শৈলেনদা বললেন, চাকরি পাবার পর প্রথম দিকে খুবই মন খারাপ লাগত।

    কেন?

    উনি একটু হেসে বললেন, এই মাটির পৃথিবীর উপর দিয়ে হাঁটা চলা করার সময় কি আমরা স্বপ্নেও ভাবতে পারি, আমাদের পায়ের নিচের মাটিতেই সোনা রুপো হিরে ছড়িয়ে আছে?

    আমি মাথা নেড়ে বলি, ঠিক বলেছেন।

    নানা রকম হাতের লেখা পড়তে আমার ভাল লাগলেও প্রথম প্রথম এই একঘেয়েমির কথা ভেবেই বিরক্তবোধ করতাম।

    উনি আরও কি বলতে যাচ্ছিলেন কিন্তু আমি ওঁকে বাধা দিয়ে বললাম, কিছুদিন পরে বুঝি বুঝলেন, ঐ অসংখ্য চিঠিপত্রের জঙ্গলের মধ্যেই বহু সম্পদ ছড়িয়ে আছে?

    ঠিক বলেছ ভাই। উনি মুহূর্তের জন্য আনমনা হয়ে কি যেন একটু ভাবেন। তারপর বলেন, এই চিঠিপত্র ঘাটাঘাটি করতে করতে কত মানুষের কত ভাল-মন্দ সুখ-দুঃখের কথা যে জানলাম তার হিসেব করতে গেলেও মাথা ঘুরে যায়।

    তা তো বটেই। পিয়ন খটখট্‌ কড়া নেড়েই দরজার সামনে একটা চিঠি ফেলে দয়েই একটু জোর গলাই বললেন, চিঠি!

    পিয়নের ঐ কড়া নাড়ার শব্দটি অত্যন্ত পরিচিত। তাই তো

    পিয়নের মুখের কথা বেরুতে না বেরুতেই ভদ্রমহিলা ঘর থেকে বেরিয়ে এসেই চিঠিটা হাতে তুলে নেন। কার চিঠি? অমল সান্যাল?

    উনি তাড়াতাড়ি এগিয়ে পাশের বাড়ির দরজার সামনে গিয়ে পিয়নের হাতে চিঠিটা ফেরত দিয়ে বললেন, আমাদের বাড়িতে তো অমল সান্যাল বলে কেউ নেই।

    পিয়ন ঠিকানাটা আরেকবার দেখে নিয়ে বললেন, কিন্তু ঠিকানা তো আপনাদের বাড়িরই দেখছি।

    হ্যা ঠিকানা তো আমাদের বাড়িরই কিন্তু এ বাড়িতে তো শুধু আমরাই থাকি।

    পিয়ন চিঠিটি ব্যাগের মধ্যে ভরে রেখে এগুতে এগুতেই বললেন তা তো জানি।

    পনের-কুড়ি দিন পরের কথা। পিয়ন খট খট করে কড়া নেড়েই চিঠিটা দরজার সামনে ফেলে না দিয়ে শুধু বললেন, চিঠি!

    ভদ্রমহিলা ঘর থেকে বেরিয়ে আসতেই পিয়ন ওর হাতে আগের মতই একটা মোটা খাম দিয়ে বললেন, এ চিঠি কি রাখবেন?

    ভদ্রমহিলা চিঠি হাতে নিয়ে প্রায় আপন মনেই বিড়বিড় করে বলেন, অমল ব্যানার্জী? চিঠিটা আবার পিয়নের দিকে এগিয়ে দিতে দিতে বললেন, না ভাই, এখানে অমল বলেও কেউ থাকে না।

    কয়েকদিন পরে আবার একটা চিঠি। অশোক মুখার্জী। এবার ভদ্রমহিলা না হেসে পারেন না। বলেন, এ তো ভারী মজার ব্যাপার শুরু হয়েছে। যাদের সঙ্গে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই কোনকালে যাদের নাম শুনিনি, শুধু তাদেরই চিঠি আসতে শুরু করেছে।

    এবারও পিয়ন চিঠিটা ফেরত নেন কিন্তু অপর্ণাকে জিজ্ঞেস করেন, এসব চিঠি চৌধুরীবাবুর বন্ধু-বান্ধবের না তো?

    অপর্ণা এক গাল হাসি হেসে বলেন, অশেষ তো পাটনার ছেলে, চাকরি করে বোম্বের এক ফার্মে। তাছাড়া ওকে ঘুরে বেড়াতে হয় আসাম-ত্রিপুরা-মণিপুর-নাগাল্যাণ্ডে। পিয়নের মনে খটকা লাগলেও মুখে কিছু বলেন না। অন্য বাড়ির দিকে দুএক পা এগিয়ে উনি আবার পিছিয়ে এসে অপর্ণাকে বলেন, চিঠি তো কয়েকদিন পোস্টাফিসে পড়েই থাকবে, তাই একবার চৌধুরীবাবুকে জিজ্ঞেস করে দেখবেন, যদি চিঠিটা ওঁর বন্ধু-বান্ধবের হয়…

    উনি তো কদিন আগেই গোহাটি গেলেন, দশ-বারো দিনের আগে কখনই ফিরবেন না।

    সব চিঠিগুলো এসে হাজির হয় রিটার্ন লেটার অফিসে শৈলেনদার টেবিলে। যথারীতি চিঠি খুলেই পত্রদাতার ঠিকানা বের করার চেষ্টা করতে হয় ওঁকে।…

    আমার অনেক অনেক আদরের তুমি, দার্জিলিং থেকে লেখা তোমার চিঠিখানা পেয়ে যে কি আনন্দ হল, তা লিখে জানাবার ভাষা আমার জানা নেই। সারাদিনে চার-পাঁচবার চিঠিটা পড়েও মন ভরল না বলে রাত্রে শুয়ে শুয়ে বহুবার চিঠিটা পড়লাম। তুমি যে আমাকে কত গভীর ভাবে ভালোবাসে, তা আবার নতুন করে উপলব্ধি করলাম এই চিঠি পড়ে।

    মা মারা যাবার পর পরই দাদু-দিদা আমাকে ওদের কাছে নিয়ে এলেন। তখন ঠিক ছিল, আমি একটু বড় হয়ে বাবার কাছে ফিরে যাব কিন্তু মা মারা যাবার বছর খানেকের মধ্যেই বাবা আবার বিয়ে করায় আমাকে আর উনি নিজের কাছে নিয়ে যেতে পারলেন না। তাছাড়া দাদু-দিদাও আমাকে ছাড়লেন না। দাদু-দিদার কাছে খুবই আদর-যত্নে মানুষ হয়েছি কিন্তু তবুও কোথায় যেন একটা শূন্যতার বেদনা-জ্বালা অনুভব করতাম। আমি দাদু-দিদার চোখের মণি ছিলাম ঠিকই কিন্তু তবু মাঝে মাঝে মা-বাবা ভাই-বোনের সান্নিধ্য ভালবাসার জন্য মন বড় ব্যাকুল হয়ে উঠত। পাঁচজনের সংসারে মানুষ হইনি বলে আমি কোনদিনই বিশেষ কারুর সঙ্গে মেলামেশা করতে পারতাম না। স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে আমার কোন বন্ধু ছিল না বললেই হয়। তবু পড়াশুনা আর দাদু-দিদার সঙ্গে হাসিঠাট্টা গল্পগুজব করে দিন বেশ কাটত। এম. এ পরীক্ষার রেজাল্ট বেরুবার কদিন আগেই দাদু মারা গেলেন। দাদুর শরীর বরাবরই খারাপ ছিল তবু কখনও ওঁর শরীর একটু বেশি খারাপ হলেই দিদা খুবই অস্থির হয়ে উঠতে ও আমাদের ফ্যামিলী ফিজিসিয়ান ডাঃ বসুকে ডেকে পাঠাতেন ডাঃ বসুকে ঘরে ঢুকতে দেখলেই দাদু একটু হেসে বলতেন, আপনি আবার কষ্ট করে এলেন কেন? এরকম শরীর খারাপ তো আমার প্রায়ই হয়। আবার দাদু একবার আড় চোখে আমাকে ও দিদাকে দেখে নিয়ে বলতেন, আমার বুড়ী বউ কিছুতেই বিশ্বাস করে না আমার যুবতী স্ত্রী এম. এ. পাস না করা পর্যন্ত আমার কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। সত্যি, দাদু কথার খেলাপ করেননি।

    যাইহোক দাদুর মৃত্যুর পর আমি জীবনে প্রথম অনুভব করলাম, কাউকে ভাল না বেসে ভুল করেছি কিন্তু ভালবাসার মানুষ কী চাইলেই পাওয়া যায়?

    শুনেছি, জন্ম-মৃত্যু-বিয়ের ব্যাপারে কেউ আগে থেকে কিছু বলতে পারে না। এভাবে হঠাৎ যে আমার বিয়ে হবে, তা আমি স্বপ্নে ভাবিনি। তোমাকে দিদার এত ভাল লেগেছে যে কি বলব। তাছাড়া দিদা বার বার আমাকে একটা কথা বলেছেন, দ্যাখ দিদিভাই, তোর মত অমল ভাইও বাপ-মায়ের আদর পায়নি জ্যেঠা-খুড়োর কাছে মানুষ হয়েছে। তাইতো বলছি, ও তোকে ভালবাসায় ভরিয়ে দেবে। দিদিভাই, তুইও ওর জীবনের সব দুঃখ ঘুচিয়ে দিস।

    বিয়ের পর যে কদিনের জন্য আমরা একসঙ্গে থেকেছি, তার মধ্যেই আমি বুঝেছি, দিদা ঠিকই বলেছেন। সত্যি ঐ কটা দিন তুমি এমন আদর-ভালবাসায় আমাকে ভরিয়ে দিয়েছ যে তার স্বাদ, মধুর স্মৃতি আমি জীবনে কোন দিন ভুলতে পারব না।

    তোমার কলকাতার কাজ কবে শেষ হবে? জানি, কাজ শেষ হবার পর এক মুহূর্তও তুমি ওখানে থাকবে না। তুমি আমার কাছে ছুটে আসবে। খাওয়া-দাওয়া ঠিক মত করছ তো? আর হ্যাঁ, দিদার পরামর্শ মত উকিল দাদু দুটি ব্যাঙ্ককেই জানিয়ে দিয়েছেন, তোমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছে। ব্যাঙ্ক ও নানা জায়গায় তোমার আমার নতুন করে সই করতে হবে। তুমি এলেই সেসব কাজ সেরে ফেলতে হবে।

    তুমি আমার অনেক আদর-ভালবাস-চুমু নাও। ইতি–

    শুধু তোমারই শিখা

    নিছক নববিবাহিতার প্রেমপত্র। পড়তে ভালই লাগত। মনে মনে দুজনের জন্যই সমবেদনা অনুভব কবেন শৈলেনদা কিন্তু পাটনার কোন ঠিকানায় এ চিঠি ফেরত পাঠাবেন?

    চা-সিগারেট খেয়ে কিছুক্ষণ কাটাবার পর শৈলেনদা এবার অমল ব্যানার্জীর চিঠিটা খোলেন।…

    আমার প্রিয়তম অমল রাজা! সত্যি বলছি, সব যেন স্বপ্নের মধ্যে ঘটে গেল। আমি এখনও সে স্বপ্নের নেশায় বিভোর হয়ে আছি। খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে আমার কোন দিদির বিয়ে হয়নি। আমার দুই জামাইবাবু খুব ভাল হয়েছেন বলে মা সব সময় বাবাকে বলতেন, খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দেওয়া ছেলে-মেয়ে কখনই ভাল হয় না। আমার দিদিরাও সব সময় মার মত সমর্থন করেছে। তাই বাবা যখন আমার বিয়ের জন্য চারদিকে খোঁজখবর করেও পছন্দমত পাত্র পাচ্ছিলেন না, তখনও মা বাবাকে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিতে দেননি। এমন সময় হঠাৎ ছোট কাকা তোমার বিজ্ঞাপনটি বাবাকে পাঠালেন। বাবা কোন মন্তব্য না করে ছোট কাকার চিঠি আর বিজ্ঞাপনটি মাকে দিলেন। সবকিছু কয়েকবার পড়ার পর মা বললেন, এত উচ্চশিক্ষিত ছেলে, তার উপর বিদেশে থাকে। একটা চিঠি লিখে তো দেখ।

    ব্যস! পনেরো দিনের মধ্যে তোমার-আমার বিয়ে হয়ে গেল! এখন তোমার মত জামাই পেয়ে বাবা-মার গর্ব দেখে কে!

    যাই হোক হানিমুনের দিনগুলির প্রতিটি মুহূর্তের স্মৃতি আমি সারাজীবন রোমন্থন করব। সত্যি, তোমার ভালবাসায় আমিও এমন পাগল হয়ে উঠেছিলাম যে সে কথা মনে করলেও লজ্জায় মুখ লাল হয়ে উঠছে? অবার ভাবি, পাগলামি করেছি তো বেশ করেছি। তোমার সঙ্গে নিশ্চয়ই পাগলামি করব। তাছাড়া তুমিই তো আমাকে পাগল করে তুলেছিলে।

    তুমি কলকাতার কাজ শেষ করে তাড়াতাড়ি চলে এসো। এখানে দুতিন দিন না থাকলে এত জিনিসপত্তর ঠিকঠাক করবে কে? তাছাড়া তুমি তো দিল্লী হয়ে বোম্বে যাবে। বোম্বেতে কী তোমার কোন কাজ আছে? ওখানে কোন কাজ না থাকলে বোম্বের বদলে দিল্লী থেকেই তো আমরা সোজা নিউইয়র্ক যেতে পারি। নিউইয়র্ক যাবার পথে আমরা দুটি দিন কি লণ্ডন আর প্যারিসে কাটাব না?

    তুমি তাড়াতাড়ি এসো। তোমাকে ছাড়া আর এক মুহূর্তেও আমার ভাল লাগে না। তাছাড়া রাত্তিরে তোমার অভাব এত অনুভব করি যে কিছুতেই স্থির হয়ে ঘুমুতে পারি না। আমার অনেক আদর ও প্রণাম নাও।

    –তোমার আদরের কৃষ্ণা

    তৃতীয় চিঠিটার দুচার লাইন পড়েই শৈলেনদা সামনের টেবিলের দিকে তাকিয়ে বললেন, হ্যাঁগো মানিকদা, এ তো ভারী মজার ব্যাপার দেখছি।

    মানিকবাবু এই সেক্সেনের ইনচার্জ। উনি একটু মুখ তুলে বললেন, কী আবার মজার ব্যাপার হল?

    শৈলেনদা হাসতে হাসতে বললেন, একই ঠিকানা থেকে তিনটে চিঠি ফেরত এসেছে। আর তিনটে চিঠিই সদ্য বিবাহিতা তিনটি মেয়ের লেখা।

    একই লোককে লেখা?

    দুটি চিঠিই অমল নামের দুজনকে লেখা আর

    পাশ থেকে বলাই ঘোষাল জিজ্ঞেস করলেন, একই ঠিকানায় একই নামের দুজনকে লেখা মানে?

    শৈলেনদা বললেন, শুধু উপাধি আলাদা।

    মানিকবাবু জিজ্ঞেস করলেন, থার্ড চিঠিটা কাকে লেখা?

    অন্য নামের এক ভদ্রলোককে। কিন্তু তিনিও অন্য দুজনের মত বিয়ে করে কিছুদিন বউয়ের সঙ্গে ঘর করার পর কিছুদিনের জন্য কলকাতা এসেছেন।

    তা কি করে হয়?

    তাইতো আমার অদ্ভুত লাগছে।

    দেখি তো চিঠিগুলো।

    মানিকবাবু খুব মন দিয়ে তিনটে চিঠি দুতিনবার পড়লেন। কি যেন ভাবলেন। তারপর বললেন, বুঝলে শৈলেন, ব্যাপারটা আমার ভাল লাগছে না।

    শৈলেনদা সঙ্গে সঙ্গে ওকে সমর্থন করে বললেন আমারও ব্যাপারটা ভাল লাগছে না।

    মানিকবাবু বললেন, এ চিঠিগুলো ফেরত যাবে না।

    অনেক বছর আগেকার কথা। তবু শৈলেনদার সবকিছু স্পষ্ট মনে আছে। সিগারেটে একটা লম্বা টান দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, কেঁচো খুঁড়তে খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে পড়ল।

    আমি প্রশ্ন করি, তার মানে?

    বেশীদিন না, দিন দশেকের মধ্যেই সব জানা গেল ও কেষ্টবাবু ধরা পড়লেন। কথাটা বলেই উনি একটু হাসলেন।

    আমি জিজ্ঞেস করি, কী জানা গেল?

    কেষ্টবাবুর কীর্তি-কাহিনী।

    কেষ্টবাবু মানে?

    ওরে বাপু, কলির কেষ্ট! হঠাং শৈলেনদার মুখ থেকে হাসির চিহ্ন উবে গেল। দুদিকের চোয়াল শক্ত হল। ওর চোখের দিকে তাকাতেও আমার ভয় হল। একটু পরে বললেন, ও হারামজাদা এক একটা শহরে এক একটা নাম-ধাম পরিচয় দিয়ে ভাল ভাল মেয়েদের বিয়ে করত।…

    বলেন কী?

    হ্যাঁ ভাই, তবে আর বলছি কি! কোথাও পরিচয় দিত আমেরিকায় থাকে ও ইউনিভার্সিটিতে পড়ায়, কোথাও বলত, বিলিতি কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার, কোথাও আবার অন্যকিছু বলত।

    কী সর্বনাশ।

    কটা মেয়ের সর্বনাশ করেছিল জানো?

    কটা?

    পাঁচটা।

    ইস!

    শৈলেনদা ঠোঁটের কোণে একটু হাসির রেখা ফুটিয়ে বললেন, ঐ জানোয়ারটা যেদিন পুলিশের হাতে ধরা পড়ল, তার পরদিনই ওর আরও একটা বিয়ে হবার কথা ছিল। ওটাহলেই হাফ ডজন হয়ে যেত।

    মেয়েটি খুব জোর বেঁচে গেছে।

    কিন্তু ঐ পাঁচটা মেয়ের কথা ভাবতে গেলেই আমার মাথা ঘুরে ওঠে! একজন তো আত্মহত্যাই করেছিল।

    তাই নাকি?

    তবে কী? এ আঘাত সবাই সইতে পারে?

    ঐ অপর্ণা কী পাঁচজনের একজন?

    হ্যাঁ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনালী – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article মৌ – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }