Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প1486 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.২ এমন কিছু অধিবাসী আছে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১.

    রু বুশোরাত, র‍্যু দ্য নরমাভি আর র‍্যু দ্য সেতোনে অঞ্চলে এখনও এমন কিছু অধিবাসী আছে যারা মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ নামে এক ভদ্রলোককে আজও মনে রেখেছে এবং তার কথা মনে করে আজও আনন্দ পায় তারা। এইসব অধিবাসী যখন বয়সে যুবক ছিল তখন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ বার্ধক্যে উপনীত হয়েছিলেন।

    ১৮৩১ সালে গিলেনৰ্মাদ শুধু তাঁর বার্ধক্যের খাতিরে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতেন। তিনি ছিলেন বাতিকগ্রস্ত এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক, যিনি ছিলেন প্রাচীন যুগের এক প্রতিভূ। তিনি উনিশ শতকের এক মধ্যবিত্ত হয়েও অষ্টাদশ শতকের সম্ভ্রমশালী এক বুর্জোয়ার ভাব দেখাতেন। তাঁর বয়স নব্বই-এর উপরে হলেও তিনি খাড়া হয়ে হাঁটতে পারতেন, জোরে কথা বলতেন, স্পষ্ট দেখতে পেতেন, মদপান করতেন এবং নাক ডাকিয়ে ঘুমোতেন। তার দু পাটির বত্রিশটি দাঁতই ছিল এবং পড়ার সময় ছাড়া চমশা ব্যবহার করতেন না। প্রেমিক প্রকৃতির লোক হলেও তিনি বলতেন, গত দশ বছর ধরে কোনও নারীর সঙ্গে কোনওরূপ সংস্পর্শ নেই তার। তিনি সম্পূর্ণরূপে নারীসংসর্গ ত্যাগ করেছেন। কিন্তু তিনি তাঁর বার্ধক্যের জন্য নারীদের সন্তুষ্ট করতে পারতেন না, একথা

    বলে বলতেন, তিনি খুব গরিব বলেই দারিদ্র্যবশত তাদের খুশি করতে পারেন না। তিনি বলতেন, আমার সর্বস্ব খোয়া না গেলে… বস্তুত তার আয় বলতে ছিল পনেরো হাজার ফ্রা’র এক বার্ষিক আয় এবং তিনি আশা করতেন তাঁর আয় এক লক্ষ ফ্র হলে তিনি একজন নারীকে রাখতে পারতেন। তিনি মঁসিয়ে দ্য ভলতেয়ারের মতো উন্মার্গগামী ছিলেন না যিনি জীবন্মুত অবস্থায় ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে জীবনযাপন করতেন। তাঁর স্বাস্থ্য ভালোই ছিল। তিনি ছিলেন চঞ্চল ও চপল প্রকৃতির এবং সামান্য কারণে অযৌক্তিকভাবে রেগে যেতেন। কেউ তার কোনও কথার প্রতিবাদ করলে লাঠি দিয়ে তাকে আঘাত করতেও দ্বিধাবোধ করতেন না। তাঁর এক অবিবাহিতা কন্যা ছিল যার বয়স পঞ্চাশ পার হয়ে গিয়েছিল। রেগে গেলে তার মেয়ের সঙ্গে চেঁচামেচি করতেন, গালাগালি করতেন এবং তাকে চাবুক মারতেন, যেন সে সাত-আট বছরের এক বাচ্চা মেয়ে। তিনি তাঁর ভৃত্যদেরও পুরনো কায়দায় গালাগালি করতেন।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের অদ্ভুত কতকগুলি খেয়াল ছিল। তিনি এমন এক নাপিতের কাছে বরাবর চুলদাড়ি কামাতেন যে একবার পাগল হয়ে গিয়েছিল এবং যে তার সুন্দরী ও চপল প্রকৃতির স্ত্রীর জন্য ঈর্ষাবশত তার সঙ্গে সব সংস্রব ত্যাগ করে। সব বিষয়েই নিজের মতামত ও বিচার-বুদ্ধির ওপর উচ্চ ধারণা ছিল তার এবং নিজেকে খুবই বিচক্ষণ ভাবতেন। তিনি বলতেন, তাঁর এমন এক সূক্ষ্ম অন্তর্দৃষ্টি আছে যার দ্বারা কোনও একটা মাছি তাঁকে কামড়ালে তিনি বলে দিতেন সেই মাছিটা কোন মহিলার গাঁ থেকে উড়ে এসেছে। মার্জিত প্রকৃতির লোক এই কথাটা প্রায়ই তিনি বলতেন। কিন্তু মার্জিত প্রকৃতির লোকের মতো তিনি কখনই ব্যবহার করতেন না। তাঁর মতে আমাদের সভ্যতার মধ্যে বৈচিত্রসাধন ও সভ্যতাকে পূর্ণতা দানের জন্য প্রকৃতি আমাদের স্বভাবের মধ্যে বর্বরতার উপাদান রেখে দিয়েছে। তথাকথিত সভ্য ইউরোপীয়দের মধ্যে এশিয়া-আফ্রিকার অধিবাসীদের অনেক গুণাগুণ আছে। বিড়াল হচ্ছে বাঘের এবং টিকটিকি গিরগিটি হচ্ছে কুমিরের ক্ষুদ্র প্রতিরূপ। রঙ্গশালার নাচিয়েরা এক একটা রং-মাখা নরখাদক। তারা মানুষ না খেলেও তাদের রক্ত সব শোষণ করে নেয়। এই হচ্ছে আমাদের জীবন। আমরা কাউকে গিলে খাই না, আমরা কামড়ে কামড়ে একটু একটু করে খাই। আমরা কাউকে হত্যা করি না, তার গা-টাকে ছিঁড়ে খুঁড়ে দিই।

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই
    অনলাইন বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ভাষা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    .

    ২.

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ মেরিয়াস অঞ্চলে র‍্যু দ্য ফিরে দ্য কাভেয়ারে বাস করতেন। বাড়িটা ছিল তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি। অনেক দিনের পৈতৃক পুরনো বাড়িটাকে অবশ্য নতুন করে আবার নির্মাণ করা হয় এবং আগের নম্বর পাল্টে নতুন নম্বরও দেওয়া হয়। মাঝে মাঝে প্যারিসের অনেক রাস্তারও এইভাবে নম্বর পরিবর্তন করা হয়। তাঁর বাড়িটার একদিকে ছিল রাস্তা এবং আর একদিকে ছিল বাগান।

    তিনি নিচের তলায় একটা বড় ঘরে থাকতেন। সে ঘরের পর্দা আর কার্পেটে পল্লিপ্রকৃতির অনেক সুন্দর দৃশ্য আঁকা ছিল। তার ঘরের জানালার নিচেই বাগান ছিল। বাড়ি থেকে বাগানে যেতে হলে সিঁড়ি দিয়ে নেমে যেতে হত। গিলেনৰ্মাদ যুবকের মতো তরতর করে ওঠা-নামা করতেন সে সিঁড়িতে। তাঁর মায়ের পিতামহের কাছ থেকে এই স্বভাবটা পেয়েছিলেন। তাঁর মা’র সেই পিতামহ নাকি একশো বছর বেঁচেছিলেন এবং তার দুটি স্ত্রী ছিল। মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের ব্যবহারটা ছিল একজন সভাসদ আর একজন আইনজীবীর মাঝামাঝি। সভাসদ তিনি হতে পারেননি আর আইনজীবী বা উকিল হবার শখ ছিল তার। যৌবনে তিনি ছিলেন এমনই একজন যারা তাদের স্ত্রীদের দ্বারা প্রতারিত হয়, কিন্তু তাদের প্রেমিকারা তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে না কোনও ভাবে। এইসব লোক প্রেমিক হিসেবে যত ভালো হয়, স্বামী হিসেবে তত ভালো হতে পারে না। মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ চিত্রশিল্পের অনুরাগী ছিলেন। তাঁর শোবার ঘরে নামকরা শিল্পীদের আঁকা কিছু ছবি ছিল। এই বয়সেও তিনি নিজেকে যুবক ভাবতেন এবং পোশাক-আশাকের ধরন বদলাতেন। তিনি সব সময় কোটের পকেটের ভেতরে হাত রেখে চলতেন। তিনি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে একটা কথা প্রায়ই বলতেন, ফরাসি বিপ্লব জনকতক কাপুরুষ লোকের পাপকর্মের ফল।

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সাহিত্য
    বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বুক রিডার

    .

    ৩.

    কোনও এক রাতে একটা নাটক দেখতে গিয়ে ভলতেয়ার, লা কামারগো আর স্যানির পাশে দু জন সুন্দরীকে গিলেনৰ্মাদ দেখতে পান। তখন তিনি তাদের দিকে না গিয়ে নাহেনরি নামে এক নাচিয়ে মেয়ের কাছে চলে যান। মেয়েটি ছিল প্রায় তার সমবয়সী এবং তার সঙ্গে তার ভালোবাসা ছিল। তিনি তখন তাকে দেখেই আপন মনে মন্তব্য করেছিলেন, এর আগে যখন তাকে দেখেছিলাম তখন তাকে কত সুন্দর দেখাচ্ছিল। তার মুখে ছিল খুশির হাসি, মনে আশার সম্পদ, চোখে ছিল মোহপ্রসারী আবেদন। তিনি যৌবনে যে ওয়েস্টকোট পরতেন তার কথা আজও ভুলতে পারেননি তিনি। তাঁর বয়স যখন কুড়ি ছিল তখন মার্কুই দ্য বুফার্স তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।

    তিনি রোজ খবরের কাগজ পড়তেন। তখন যারা মন্ত্রী বা দেশের শাসনকর্তা ছিল তাদের তিনি দেখতে পারতেন না। তিনি হাসতে হাসতে বিদ্রুপাত্মক ভঙ্গিতে প্রায়ই বলতেন, কবিয়ের, হুমাল, কাসিমির–এরা হল কিনা মন্ত্রী? মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ কেন মন্ত্রী হলেন না? কথাটা হাস্যাস্পদ হলেও যারা নির্বোধ তারা সে কথাকে বিশ্বাস করে। পাঁচজনের সঙ্গে তিনি যখন থাকতেন তখন কারও নামে কোনও শক্ত কথা বলতে কোনও কুণ্ঠাবোধ করতেন না তিনি। এক আভিজাত্যসুলভ ঔদাসীন্যের সঙ্গে তিনি অম্লান বদনে। নোংরা গালাগালি দিয়ে যেতেন। তাদের যুগে ধনী সমাজে এই ধরনের গালাগালি চলত। সে যুগের কাব্যে যেমন আবেগাতিশয্য ও অতিশয়োক্তির প্রাধান্য দেখা যেত, গদ্যসাহিত্য ছিল তেমনি স্কুল প্রকৃতির। তাঁর প্রথম জীবনে তার গতিপ্রকৃতি লক্ষ করে তার ধর্মপিতা বলতেন, তিনি ভবিষ্যতে একজন প্রতিভাশালী ব্যক্তি হবেন। তাই তাঁকে বলতেন, ভাগ্যবান।

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    গ্রন্থাগার সেবা
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা কমিকস
    বিনামূল্যে বই
    বই পড়ুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বই

    .

    ৪.

    তার জন্মস্থান মৌলিন শহরের কলেজে তিনি পুরস্কার লাভ করেন এবং ডিউক দ্য নিভার্নে তার গলায় লরেন্সের মালা পরিয়ে দেন। কনভেনশন বা শীর্ষ সম্মেলন, যোড়শ লুই ও নেপোলিয়নের মৃত্যু, বুর্বনদের পুনরাগমন, প্রভৃতি এত সব ঘটনার মাঝে সে কথাটা ভোলেননি গিলেনৰ্মাদ। তাঁর মতে নিভার্নে ছিলেন সেই শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ লোক। তিনি আরও বলতেন রাশিয়ার ক্যাথারিন পোল্যান্ড ব্যবচ্ছেদের প্রায়শ্চিত্তস্বরূপ তিন হাজার রুবল দিয়ে বেস্তুসেফের কাছে গোপন সোনা কি নেবেন?

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ বুর্বনদের শ্রদ্ধার চোখে দেখতেন এবং ১৭৮৯ সালকে ভয় করতেন। তিনি প্রায়ই গল্প করতেন কিভাবে শুধু তার উপস্থিত বুদ্ধির জোরে সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে তিনি বেঁচে যান। তা না হলে তাঁর মাথা কাটা যেত। যদি কোনও যুবক প্রজাতন্ত্রের গুণগান করত তার সামনে তা হলে তার মুখখানা ফ্যাকাশে হয়ে যেত। মাঝে মাঝে তিনি বলতেন, আমার বয়স নব্বই, আমার মনে হয় তিরানব্বই সাল আর দেখতে পাব না। আবার অন্য সময় তিনি বলতেন, তিনি একশো বছর বাঁচতে চাইছেন।

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    ই-বুক রিডার
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বইয়ের

    .

    ৫.

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ বিবাহিত লোকদের প্রেম সম্বন্ধে একটা নিজস্ব তত্ত্ব খাড়া করেছিলেন। তিনি বলতেন, কোনও লোক যদি তার স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও স্ত্রীকে ভালোবাসতে না পেরে অন্য মেয়েকে ভালোবাসে তা হলে তার মনের শান্তি বজায় রেখে অবস্থার মোকাবিলা করার জন্য একটামাত্র উপায় অবলম্বন করতে হবে। তার টাকার থলেটা তার স্ত্রীর হাতে দিয়ে দিতে হবে। তার স্ত্রীকে সব সময় ব্যস্ত রাখতে হবে হিসাবপত্রের কাজে। ব্যাংকের নোট গুনতে গুনতে তার যেন হাতে কড়া পড়ে যায়। তার স্ত্রীকে তখন চাষের কাজ দেখাশোনা, বাড়ি মেরামত, করদান, মামলাপত্র দেখা প্রভৃতি সব কাজ করতে হবে। স্ত্রী তখন এই ভেবে মনে মনে সান্ত্বনা পাবে যে তার স্বামী তাকে ভালো না বাসলেও সে ইচ্ছা করলে স্বামীর সব কিছু ধ্বংস করে দিতে পারবে, স্বামীর সব কিছু এখন তারই হাতে। গিলেনৰ্মাদও তার জীবনে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করেন। তাঁর দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর অব্যবস্থার জন্য তাঁর বহু ক্ষতি হয়ে যায়। সেই স্ত্রীর মৃত্যুর পর অভাব দেখা যায়। তিনি দেখেন তাঁর আয় বলতে শুধু আছে বছরে পনেরো হাজার ফ্রাঁ। তিনি যে টাকা লগ্নি করেন তার মাত্র তিনের চার অংশ অবশিষ্ট আছে। তিনি ঠিক করেন যা আছে জীবনে সব খরচ করে যাবেন তিনি। কিছুই রেখে যাবেন না। তাছাড়া কোনও সম্পত্তি রেখে গেলে তা তাঁর মৃত্যুর পর জাতীয় সম্পত্তি হিসেবে বাজেয়াপ্ত হয়ে যেতে পারে।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    Library
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গল্প

    আমরা আগেই বলেছি র‍্যু দ্য ফিলের বাড়িটা তাঁর নিজের। তাঁর দু জন ভৃত্যের মধ্যে একজন পুরুষ আর একজন নারী। পুরুষ ভৃত্যটি যখন তাঁর বাড়িতে আসে তখন তিনি তার নতুন নতুন নাম দেন। যেমন নিয়ম, কোতয়, পিকার্দ প্রভৃতি। তার বয়স ছিল প্রায় পঞ্চান্ন। সে বেশি জোরে হাঁটতে বা চলাফেরা করতে পারত না। সে বলত, তার নাম বাস্ক। রান্না করার জন্য নারীভৃত্যটি যখন প্রথম তার বাড়িতে কাজের জন্য আসে তখন তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন, কত মাইনে নেবে?

    মেয়েটি তখন বলে, মাসে তিরিশ ফ্রাঁ।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ তখন বলেন, আমি তোমাকে পঞ্চাশ ফ্রাঁ করে দেব। কিন্তু তোমার নাম হবে নিকোলেত্তে।

    .

    ৬.

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    পিডিএফ
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা গল্প
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা অডিওবুক

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের দুঃখ মানেই রাগ। মনে কোনও কারণে দুঃখ পেলেই প্রচণ্ডভাবে রেগে যেতেন তিনি। তাঁর কতকগুলি কুসংস্কার ছিল এবং ইচ্ছামতো অবাধে সেগুলো মেনে চলেছেন। প্রতিটি চালচলনে তিনি যে ভাব প্রকাশ করে যেতেন তা হল চিরযুবক এক প্রেমিকের। তিনি বলতেন, এই ভাব দেখিয়ে প্রচুর নাম-যশ পাওয়া যায় এবং এর থেকে অনেক উপহারও জুটে যায় তার।

    একবার একটা বড় ঝুড়িতে করে একটা জিনিস পাঠিয়ে দেওয়া হয় তার বাড়িতে। ঝুড়িটা খুলে দেখা যায় একটি নবজাত শিশুপুত্র তার মধ্যে শোয়ানো আছে। এ নিয়ে হৈ-চৈ পড়ে যায় তার বাড়িতে। পরে খোঁজ-খবর করে জানা যায় মাস ছয়েক আগে তার বাড়ির যে ঝিকে তিনি বরখাস্ত করেন এই ছেলেটি তার এবং সে নাকি বলে মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদই হলেন এ শিশুর জনক। মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের বয়স তখন আশি। তিনি এতে দারুণ রেগে যান। রেগে গিয়ে বলেন, কুলটা মেয়েটার কী দুঃসাহস! একথা কেউ বিশ্বাস করবে?

    কিন্তু কিছুক্ষণ পর তিনি ঠাণ্ডা হয়ে আর সবাইকে বোঝাতে থাকেন, তোমরা এতে ঘাবড়ে যাচ্ছ কেন? এতে আশ্চর্য হবার কী আছে? তোমরা জান না তাই। নবম চার্লস–এর অবৈধ সন্তান ডিউক অ্যাঙ্গুলিমের বয়স যখন পঁচাশি তখন পনেরো বছরের একটি মেয়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বোর্দোর আর্কবিশপের ভাই মার্কুই দ্য আলুয়ে তিরাশি বছর বয়সে এক পরিচারিকার গর্ভে পুত্রসন্তান উৎপাদন করেন। সেই অবৈধ সন্তান পরবর্তী জীবনে নাইট উপাধি লাভ করে এবং কাউন্সেলার হয়। এ যুগের বিশিষ্ট বিখ্যাত লোক আব্বে তারারদ ছিলেন সাতাশি বছরের এক বৃদ্ধের ঔরসজাত সন্তান। বাইবেল পড়লেই জানতে পারবে এসব ব্যাপার এমন কিছু অস্বাভাবিক নয়।

    আরও দেখুন
    Library
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বই
    বই পড়ুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গল্প
    পিডিএফ
    বইয়ের
    বাংলা কবিতা

    এত সব বলার পর তিনি ঘোষণা করেন, অবশ্য এই শিশুটি আমার সন্তান নয়। যাই হোক, দোষটা তো তার নয় এবং তার দেখাশোনার ব্যবস্থা করতে হবে। এইভাবে অবস্থার সঙ্গে মোকাবিলা করেন তিনি। কিন্তু লা ম্যাগনন নামে যে কুলটা ঝি তার এই অবৈধ সন্তানকে পাঠিয়েছিল সে আবার এক বছর পর আর একটি নবজাত শিশুপুত্রকে এইভাবে ঝুড়িতে করে পাঠিয়ে দেয় মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের বাড়িতে। এটা কিন্তু খুবই বাড়াবাড়ি হয়ে যায়।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ তখন দুটি শিশুকেই তাদের মা লা ম্যাগননের কাছে পাঠিয়ে দেন। সেই সঙ্গে তিনি তাকে বলে আসেন এদের ভরণপোষণের জন্য তিনি প্রতি মাসে আট ফ্র করে পাঠিয়ে দেবেন। তবে একটা শর্তে সে যেন এ কাজ আর না করে। তিনি আরও বলেন, ছেলেদের যেন ঠিকমতো দেখাশোনা করা হয় এবং তিনি মাঝে মাঝে এসে তাদের দেখে যাবেন।

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের এক ভাই ছিল। তিনি যাজক ছিলেন। অ্যাকাডেমি দ্য পয়তিয়েরে রেক্টার বা প্রধান হবার পর তিনি মারা যান ঊনআশি বছর বয়সে। তাতে মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ বলেন, আমার ভাই খুবই অল্প বয়সে মারা গেছে। তাঁর এই ভাই খুবই কৃপণ প্রকৃতির লোক ছিলেন। যাজক থাকাকালে ভিক্ষা দেওয়াটা তিনি এক ধর্মীয় কর্তব্য বলে মনে করতেন। কিন্তু যত সব অচল মুদ্রা ভিক্ষা হিসেবে দিয়ে স্বর্গে যেতে গিয়ে নরকের পথ পরিষ্কার করেন। অথচ তাদের বাবা ভালোভাবে সম্মানের সঙ্গে ভিক্ষা দিতেন। তিনি সত্যিই উদার প্রকৃতির ও পরোপকারী লোক ছিলেন। তিনি ধনী হলে তার জীবনযাত্রা সত্যিই আরও অনেক ভালো হত। তিনি সব সময় কোনও কাজের পদ্ধতির ওপর জোর দিতেন। পদ্ধতিটা যেন ভালো হয়। একবার একজন ব্যবসাদার তার সঙ্গে প্রতারণা করে এক সম্পত্তির অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করে। তখন তিনি মন্তব্য করেন, এভাবে আমাকে ঠকানো তার উচিত হয়নি। পদ্ধতিটা আরও ভালো ও দ্র হওয়া উচিত। বনপথের কোনও দস্যুর মতো ওরা আমার এ সম্পত্তি কেড়ে নিল।

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা

    মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের দু বার বিয়ে হয়। দুটি স্ত্রীর গর্ভে দুটি কন্যাসন্তান হয়। বড় মেয়েটি বেঁচে আছে আর ছোট মেয়েটি তিরিশ বছর বয়সে মারা যায়। বড় মেয়েটি অবিবাহিত রয়ে যায়, কিন্তু ছোট মেয়েটি মৃত্যুর আগে এক সামরিক অফিসারকে বিয়ে করে মারা যায়। অফিসারটি ওয়াটারলু যুদ্ধের সময় কর্নেল হয়েছিল। গিলেনৰ্মাদ এই বিয়েটা সমর্থন করতে পারেননি। তিনি বলেন, এটা আমাদের পরিবারের পক্ষে অপমানজনক। একটিপ নস্যি নিয়ে উদ্ধত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে কথাটা বলেন তিনি। ঈশ্বরে তাঁর কোনও বিশ্বাসই ছিল না।

    .

    ৭.

    এই হল মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের জীবনযাত্রা প্রণালী। তার মাথার চুল একেবারেই ওঠেনি। সে চুল ছিল একেবারে সাদা এবং ভালোভাবে আঁচড়ানো। তিনি ছিলেন সত্যিই একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি। কিন্তু অষ্টাদশ শতাব্দীর মহত্ত্ব এবং চপলতা দুই-ই ছিল তার মধ্যে।

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    Library
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    ১৮১৪ সালে যখন রাজতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় তখন মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের বয়স হয়েছিল চুয়াত্তর এবং তিনি ফবুর্গ সেন্ট জার্মেনে থাকতেন। আশি বছর বয়সে পা দেবার সঙ্গে সঙ্গে তিনি চলে আসেন মেরিয়াসের বাড়িতে। তখন তিনি সমাজ থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেন একেবারে।

    মেরিয়াসের বাড়িতে আসার পর কতকগুলি নিয়ম করেন গিলেনৰ্মাদ। তিনি সন্ধ্যার আগে বাড়িতে কোনও অতিথি বা আগন্তুকের সঙ্গে দেখা করতেন না। তিনি ঠিক বিকাল পাঁচটার সময় নৈশভোজন শেষ করতেন। তার পর লোকজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করতেন। যে কোনও কাজই থাক, দিনের বেলায় কেউ তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পেত না। এটাই ছিল সেই শতকের ভদ্রলোকদের রীতি এবং এই রীতিটাই তিনি মেনে চলতেন। তিনি বলতেন, যারা শ্রেষ্ঠ এবং শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি তারা দিনের বেলায় ঘরে আবদ্ধ করে রাখেন নিজেদের। রাত্রিকালে আকাশে নক্ষত্রের আলো জ্বলে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বুদ্ধির আলোয় দেদীপ্যমান হয়ে ওঠেন তাঁরা। তিনি জনসমাজ থেকে দূরে থাকতেন। কারও সঙ্গে মেলামেশা করতেন না। রাজারও খাতির করতেন না। এটাই ছিল তাদের যুগের রীতি।

    .

    ৮.

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বই পড়ুন
    ই-বই ডাউনলোড
    অনলাইন বুক
    নতুন উপন্যাস
    গ্রন্থাগার সেবা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    আমরা মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের মেয়েদের কথা আগেই উল্লেখ করেছি। এই দুটি মেয়ের মধ্যে বয়সের ব্যবধান ছিল দশ বছরের। যৌবনে তাদের দু জনের চেহারা ও চরিত্রের মধ্যে কোনও মিল ছিল না। ছোট মেয়ে ছিল বরাবরই খুব আনন্দোচ্ছল। তার সব দিকেই ঝোঁক ছিল –ফুল, কবিতা, গান-বাজনা সবই ভালোবাসত সে। একটি অতৃপ্ত অত্যুৎসাহী আত্মা ছোট থেকে অনন্ত আকাশে যেন উড়ে বেড়াত। বীরত্ব সম্পর্কে একটা রোমান্টিক ধারণা ছিল তার।

    বড় মেয়েরও একটা দিবাস্বপ্ন ছিল। সে শুধু এক ধনী কন্ট্রাকটারকে স্বামী হিসেবে পাবার স্বপ্ন দেখত। সে হবে লক্ষপতি। অথবা তার স্বামী হবে এক বড় অফিসার। সে হবে সম্মানিত অফিসার পত্নী –কত দাসদাসী, বলনাচের আসর, কত সভা-সমিতি। দুই বোনের এইখানেই ছিল মিল।

    দু জনেরই একটা করে স্বপ্ন ছিল। দু জনেরই দুটো পাখনা ছিল। কিন্তু একজনের পাখনা ছিল দেবদূতের আর অন্যজনের পাখনা ছিল রাজহাঁসের।

    পৃথিবীতে কোনও উচ্চাশাই সম্পূর্ণরূপে পূরণ হয় না। আমাদের এ যুগে মর্ত্য কখনও স্বর্গ হয়ে ওঠে না। ছোট বোন তার আকাঙ্ক্ষিত পুরুষকে বিয়ে করেছিল, এবং বিয়ের কিছুকাল পরে মারা যায়। কিন্তু বড় বোন বিয়ে করেনি জীবনে।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা কমিকস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    PDF
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা অডিওবুক
    বই

    আমাদের কাহিনীর প্রয়োজনে যখন এই মেয়েটি প্রথম আসে তখন তার বুদ্ধি না থাকলেও এক অটল দৃঢ়তার ভাব দেখায়। তার নাকটা ছিল তীক্ষ্ণ। সে বাড়ির বাইরে কোথাও যেত না। বাড়ির বাইরের কেউ তার আসল নাম জানত না। সবাই জানত, তার নাম ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদ। সে তার সতীত্ব সম্বন্ধে খুব বেশি পরিমাণে সজাগ ও সতর্ক ছিল।

    তার এই অস্বাভাবিক সতীত্ববোধ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায়। সে পোশাকটা এমনভাবে পরত যাতে তার দেহের কোনও অংশ দেখা না যায়। সতীত্ববোধ এমনই এক আশ্চর্য দুর্গ যে দুর্গে যত কম আক্রমণের ভয় থাকে তত বেশি তা সুরক্ষিত করা হয়। এই সতী মেয়ে জীবনে শুধু একবার এক সামরিক অফিসারের চুম্বন গ্রহণ করেছিল। থিওদুল নামে এই অফিসার সম্পর্কে তার এক ভাইপো ছিল। সতীত্ব বস্তুটা অর্ধেক গুণ আর অর্ধেক দোষ।

    ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদের এই সতীত্ববোধের সঙ্গে ছিল এক গোঁড়া ধর্মচেতনা। সে ছিল কনফ্রেরি দ্য লা তার্জ সম্প্রদায়ভুক্ত। কোনও ধর্মীয় উৎসব বা তিথির দিনে সে সাদা ঘোমটা দিত মাথায়। মাঝে মাঝে সে বিশেষভাবে প্রার্থনা করত। গির্জায় জেসুরের বেদির সামনে বসে ঘন্টার পর ঘণ্টা ধরে ধ্যানে নিমগ্ন হয়ে থাকত। মাঝে মাঝে তার আত্মাটা যেন মেঘেদের রাজ্য ও নীল বনরাশির মাথায় উড়ে যেত।

    তার শুধু একজন বান্ধবী ছিল। তার নাম ছিল ম্যাদময়জেল ভবয়। সে-ও ছিল তারই মতো শুচিশুদ্ধ সতী কুমারী এবং ধর্মপ্রাণ।

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদ অনেক বেশি গুণশীলা হয়ে ওঠে। তার হিংসা বলে কোনও জিনিস ছিল না। এক দুর্বোধ্য বিষাদের ভারে আচ্ছন্ন হয়ে থাকত তার মুখখানা। বিষাদের অর্থ সে নিজেই জানত না। তার চেহারাটা দেখে মনে হত তার জীবনটা শেষ হয়ে আসছে যে জীবন শুরুই হয়নি কখনও।

    বিশপ বিয়েনভেনু’র বোন যেমন তার দাদার সংসার চালাত তেমনি ম্যাদময়জেল গিলেনৰ্মাদ তার বাবার সংসারের সব কাজকর্ম দেখাশোনা করত। দু জনে দু জনকে অবলম্বন করে থাকত।

    বাপ আর মেয়ে আর একজন থাকত সে সংসারে। সে হল একটি ছোট ছেলে যে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদের কাছে আসত। মঁসিয়ে গিলেনৰ্মাদ সব সময় দাঁত খিঁচিয়ে কড়া ভাষায় কথা বলতেন তার সঙ্গে। বলতেন, এদিকে এস স্যার।

    কখনও আবার তার ছড়িটা তুলে ডাকতেন। বলতেন, এস, অপদার্থ কোথাকার! আসল কথা, ছেলেটাকে তিনি ভালোবাসতেন। ছেলেটা ছিল সম্পর্কে তাঁর নাতি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো
    Next Article কেন আমি নাস্তিক – ভগৎ সিং

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }